Showing posts with label আজান/ আযান ও একামত/ ইকামত. Show all posts
Showing posts with label আজান/ আযান ও একামত/ ইকামত. Show all posts

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (২১/২৬১) : ওয়াক্ত শুরুর পূর্বে আযান দেওয়া বৈধ হবে কি?

প্রশ্ন (২১/২৬১) : ওয়াক্ত শুরুর পূর্বে আযান দেওয়া বৈধ হবে কি?

-আবুবকর, বাগমারা, রাজশাহী।


উত্তর : কোন ছালাতের জন্য সময়ের পূর্বে আযান দেওয়া শরী‘আত সম্মত নয়। কেউ এরূপ করে ছালাত আদায় করলে তাকে পুনরায় আযান দিয়ে ছালাত আদায় করতে হবে (আবুদাউদ হা/৫৩২-৫৩৩; ইবনু কুদামা, মুগনী ১/২৯৭)। তবে ফজরের পূর্বে সাহারী বা তাহাজ্জুদের জন্য আযান দেওয়া যাবে (বুখারী হা/৬১৭; মুসলিম হা/১০৯২; মিশকাত হা/৬৮০)। অতঃপর

Tuesday, April 3, 2018

নফল বা সুন্নাত নামায শুরু করে দিয়েছি। এমন সময় ফরয নামাযের ইক্বামত হয়ে গেল। এখন কি করব?

(৩০১) নফল বা সুন্নাত নামায শুরু করে দিয়েছি। এমন সময় ফরয নামাযের ইক্বামত হয়ে গেল। এখন কি করব?


সুন্নাত বা নফল নামায শুরু করার পর যদি ফরয নামাযের ইক্বামত হয়ে যায়, তবে একদল বিদ্বান বলেন, তখনই নামায ছেড়ে দিতে হবে। যদিও শেষ তাশাহুদে বসে থাকে না কেন।
আরেক দল বিদ্বান বলেন, ইমামের সালাম ফেরানোর আগে তাকবীরে তাহরিমা দেয়ার সম্ভাবনা থাকা পর্যন্ত নামায ছাড়বে না।
মত দু’টি পরস্পর বিরোধী। প্রথমটি হচ্ছেঃ শেষ তাশাহুদে বসে থাকলেও নামায ছেড়ে দিতে হবে। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছেঃ আপনি নামায চালাতে থাকেন। কিন্তু যদি আশংকা করেন যে, আপনার নামায শেষ করে ইমামের সাথে তাকবিরে তাহরিমা দেয়ার আগেই ইমাম সালাম ফিরিয়ে দিবেন, তবে নামায ছেড়ে দিয়ে ইমামের সাথে শামিল হবেন।
কিন্তু

Saturday, March 31, 2018

খুতবার জন্য দ্বিতীয় আযানের সময় মসজিদে প্রবেশ করলে করণীয় কি?

(৩২৬) খুতবার জন্য দ্বিতীয় আযানের সময় মসজিদে প্রবেশ করলে করণীয় কি?


বিদ্বানগণ উল্লেখ করেছেন যে, কোন ব্যক্তি জুমআর দিবসে মসজিদে প্রবেশ করে যদি দেখে মুআয্‌যিন খুতবার জন্য দ্বিতীয় আযান প্রদান করছে। তখন সে তাহিয়্যাতুল মসজিদ শুরু করবে, মুআয্‌যিনের আযানের জবাব দিতে ব্যস্ত হবে না। যাতে করে খুতবা শোনার জন্য প্রস্ততি নিতে পারে। কেননা

Monday, January 29, 2018

আযান ও ইকামত( সহিহ হাদিসের আলোকে)

আযান ও ইকামত( সহিহ হাদিসের আলোকে)


সংজ্ঞা : ‘আযান’ অর্থ, ঘোষণা ধ্বনি ( ﺍﻹﻋﻼﻡ )।
পারিভাষিক অর্থ, শরী‘আত নির্ধারিত আরবী বাক্য
সমূহের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে উচ্চকণ্ঠে
ছালাতে আহবান করাকে ‘আযান’ বলা হয়। ১ম হিজরী
সনে আযানের প্রচলন হয়।[1]
সূচনা : ওমর ফারূক (রাঃ) সহ একদল ছাহাবী একই রাতে
আযানের একই স্বপ্ন দেখেন ও পরদিন সকালে
‘অহি’ দ্বারা প্রত্যাদিষ্ট হ’লে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তা সত্যায়ন
করেন এবং বেলাল (রাঃ)-কে সেই মর্মে ‘আযান’
দিতে বলেন।[2]
ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ (রাঃ) সর্বপ্রথম
পূর্বরাতে স্বপ্নে দেখা আযানের কালেমা সমূহ

Wednesday, January 24, 2018

(৪৩০) এয়ারপোর্টে থাকাবস্থায় সূর্য অস্ত গেছে মুআয্‌যিন আযান দিয়েছে, ইফতারও করে নিয়েছে। কিন্তু বিমানে চড়ে উপরে গিয়ে সূর্য দেখতে পেল। এখন কি পানাহার বন্ধ করতে হবে?

(৪৩০) এয়ারপোর্টে থাকাবস্থায় সূর্য অস্ত গেছে মুআয্‌যিন আযান দিয়েছে, ইফতারও করে নিয়েছে। কিন্তু বিমানে চড়ে উপরে গিয়ে সূর্য দেখতে পেল। এখন কি পানাহার বন্ধ করতে হবে?


খানা-পিনা বন্ধ করা অবশ্যক নয়। কেননা যমীনে থাকাবস্থায় ইফতারের সময় হয়ে গেছে সূর্যও ডুবে গেছে। সুতরাং ইফতার করতে বাধা কোথায়? রাসূলুল্লাহ্‌ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,

Sunday, November 19, 2017

১৫. আযানের যিক্‌রসমূহ

১৫. আযানের যিক্‌রসমূহ


২২-(১) মুয়াযযিন যা বলে শ্রোতাও তা বলবে, তবে ‘হাইয়্যা ‘আলাস্‌সালাহ’ এবং ‘হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ’ এর সময় বলবে,

«لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ»

(লা-হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ)
“আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই[1]।”
২৩-(২) বলবে,

Monday, November 13, 2017

১৩৬. আযানের পর কোন ওযর ছাড়া জামাতে নামায না পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া

১৩৬. আযানের পর কোন ওযর ছাড়া জামাতে নামায না পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া


আযানের পর কোন ওযর ছাড়া জামাতে নামায না পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া আরেকটি হারাম কাজ।
আবুশ্শা’সা’ (রাহিমাহুল্লাহ্) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

Sunday, October 29, 2017

ইকামত ও নামায শুরু করার মাঝে ব্যবধান

ইকামত ও নামায শুরু করার মাঝে ব্যবধান


আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “নামাযের ইকামত হয়ে গেলে তোমরা আমাকে না দেখা পর্যন্ত (নামাযের জন্য) দাঁড়াও না।” (বুখারী ৬৩৭নং)
যেমন ইকামত হয়ে গেলে তাড়াহুড়ো করে দাঁড়ানোও উচিৎ নয়। কারণ উক্তহাদীসের এক বর্ণনায় তিনি বলেন, “তোমাদের মাঝে যেন ধীরতা ও শান্তভাব থাকে।” ( ৬৩৮নং) যেহেতু রাজাধিরাজের দরবারে কোন প্রকারের হৈ-হুল্লোড় ও তাড়াহুড়ো চলে না। বলা বাহুল্য এই দরবারে থাকবে শত আদব, শত বিনয়, ধীরতা ও স্থিরতা।
হুমাইদ বলেন,

ইকামত কে দেবে?

ইকামত কে দেবে?


ইমাম ও মুক্তাদীগণের মধ্যে যে কেউ ইকামত দিতে পারে। যে আযান দিয়েছে তারই ইকামত দেওয়া জরুরী নয়। আর এ ব্যাপারে যে হাদীস এসেছে তা শুদ্ধ নয়। (সিলসিলাহ যায়ীফাহ, আলবানী ৩৫নং)
যয়ীফ হাদীসকে ভিত্তি করেই বহু স্থানে মুআযযিন ছাড়া অন্য কেউ ইকামত দিলে তার প্রতি চোখ তোলা হয়! আবার এর চেয়ে আরো বিস্ময়ের কথা এই যে, খালি মাথায় ইকামত দিলে অনেক জায়গায় ইকামত পুনরায় ফিরিয়ে বলা হয়! কারণ,

ইকামতের জওয়াব কিভাবে দিতে হয় ?

ইকামতের জওয়াব


ইকামতকে দ্বিতীয় আযান বলা হয়, তাই ইকামতও এক প্রকার আযান। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/২৪৯) সুতরাং এর জওয়াবও আযানের মতই। অবশ্য ‘হাইয়্যা আলাস সলা-হ্‌’ ও ‘--ফালাহ্‌’ এর জওয়াবে ‘লাহাউলা অলা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্‌’ এবং শেষে (সময় পেলে) দরুদ ও অসীলার দুআ পাঠ করা বিধেয়। যেহেতু হাদীস শরীফে মুআযযিনের জওয়াব (তার মতই) বলতে এবং

ইকামতের বাক্য গুলো কি রকম ?

ইকামত


যেমন দুই মুআযযিনের আযান দুই রকম ছিল, তেমনি উভয়ের ইকামতও ছিল দুই রকম; জোড় এবং বিজোড়। বিলাল (রাঃ) কে আযান ডবল ডবল শব্দে এবং ইকামত ‘ক্বাদ ক্বা-মাতিস সলা-হ্‌’ ছাড়া (অন্যান্য) বাক্যাবলীকে একক একক শব্দে বলতে আদেশ করা হয়েছিল। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ প্রমুখ, মিশকাত ৬৪১ নং)
সুতরাং বিলালের উক্ত হাদীসের ভিত্তিতে ইকামত হবে ৯টি বাক্যে; ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ্‌ ২বার এবং বাকী হবে ১ বার করে। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ২/৫৯)
কিন্তু

আযান ও ইকামতের মাঝে দুআ কবুল হয় কি ?

আযান ও ইকামতের মাঝে দুআ


আযান হওয়ার পর এবং ইকামত হওয়ার পূর্বের সময়ে দুআ কবুল হয়ে থাকে। তাই এই সময় দুনিয়া ও আখেরাতের মঙ্গল আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা উচিৎ। মহানবী (সাঃ)  বলেন, “আযান ও ইকামতের মাঝে দুআ রদ্দ্‌ করা হয় না।” (অর্থাৎ মঞ্জুর করা হয়।) (আহমাদ, মুসনাদ, আবূদাঊদ, সুনান ৫২১নং, তিরমিযী, সুনান)
এক বর্ণনায় আছে, “সুতরাং তোমরা এ সময়ে দুআ কর।” (জামে ৩৪০৫ নং)
তিনি আরো বলেন,

আযান ও ইকামতের মাঝে ব্যবধান বা বিরতি কতটুকু দিতে হবে ?

আযান ও ইকামতের মাঝে ব্যবধান


আযান ও ইকামতের মাঝে কতটা বিরতি থাকবে সে ব্যাপারে হা বাদীস শরীফে কোন স্পষ্ট ইঙ্গিত ও উল্লেখ পাওয়া যায় না। তবে আযান হয় জামাআত ডাকার জন্য। আর এটাই স্বাভাবিক যে, আযানের পর অনেকে ওযু করবে। সুতরাং ওযু করার মত সময় দিতে হবে। তাছাড়া

আযানের পর মসজিদ থেকে বের হওয়া বৈধ কি ?

আযানের পর মসজিদ থেকে বের হওয়া


আযান হয়ে গেলে বিনা ওজরে নামায না পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে যাওয়া বৈধ নয়।
মহানবী (সাঃ) বলেন, “মসজিদে অবস্থানকালে আযান হলেই তোমাদের কেউ যেন নামায না পড়া পর্যন্ত মসজিদ থেকে বের না হয়।” (আহমাদ, মুসনাদ, মিশকাত ১০৭৪ নং)
এক ব্যক্তি আযানের পর মসজিদ হতে বের হয়ে গেলে আবূ হুরাইরা তার প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন,

জিন-ভূতের ভয়ে আযান

জিন-ভূতের ভয়ে আযান


শয়তান জিন মানুষকে ভয় দেখায়। ভয় পেয়ে আযান দিলে জিন বা শয়তান বা ভূত সব পালিয়ে যায়।
সুহাইল বলেন, একদা আমার আব্বা আমাকে বনী হারেসায় পাঠান। আমার সঙ্গে ছিল এক সঙ্গী। এক বাগান হতে কে যেন নাম ধরে আমার সঙ্গীকে ডাক দিল। আমার সঙ্গী বাগানে খুঁজে দেখল; কিন্তু কাউকে দেখতে পেল না। ফিরে এলে আব্বার নিকট সে কথা উল্লেখ করলাম। আব্বা বললেন,

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে আযান

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে আযান


আবূ রাফে’ (রাঃ) বলেন, আমি আল্লাহর রসূল (সাঃ) কে দেখেছি, ফাতেমা (রাঃ) হাসান বিন আলীকে প্রসব করলে তিনি তাঁর (হাসানের) কানে নামাযের আযান দিলেন। (আবূদাঊদ, সুনান ৫১০৫, তিরমিযী, সুনান ১৫৬৬, মিশকাত ৪১৫৭ নং)
সুতরাং ছেলে-মেয়ে সকলের কানে ঐ সময় নামাযের জন্য আযান দেওয়ার মতই আযান দেওয়া সুন্নত। (মতান্তরে হাদীসটি যয়ীফ, অতএব  এ সময় আযান সুন্নত নয়।) পক্ষান্তরে

তাহাজ্জুদ ও সেহ্‌রী বা সাহারীর আযান

তাহাজ্জুদ ও সেহ্‌রী বা সাহারীর আযান


মহানবী (সাঃ) বলেন, বিলাল রাতে (ফজরের পূর্বে) আযান দেয়। সুতরাং ইবনে উম্মে মাকতূম (ফজরের) আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা খাও ও পান কর।” (বুখারী, মুসলিম,  মিশকাত ৬৮০নং)
উক্ত হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ফজরের পূর্বে তাহাজ্জুদ ও সেহ্‌রীর আযান মহানবী (সাঃ) এর যুগে প্রচলিত ছিল এবং আজও পর্যন্ত সে সুন্নত মক্কা-মদ্বীনা সহ্‌ সঊদী আরবের প্রায় সকল স্থানে সেহ্‌রীর ঐ আযান (বিশেষ করে রমযানে) শুনতে পাওয়া যায়। পক্ষান্তরে

ঝড়-বৃষ্টির সময় আযানের বিশেষ শব্দ

ঝড়-বৃষ্টির সময় আযানের বিশেষ শব্দ


ঝড়-বৃষ্টি বা অতিরিক্ত ঠান্ডার সময় মসজিদ আসতে কষ্ট হলে মুআযযিন আযানে নিম্নলিখিত শব্দ অতিরিক্ত বলব
‘হাইয়্যা আলাস স্বলাহ্‌’ ও ‘---ফালাহ্‌’র পআরিবর্তে:-
صَلُّوْا فِيْ بُيُوْتِكُمْ  (স্বল্লূ ফী বুয়ূতিকুম)। (বুখারী ৯০১, মুসলিম, সহীহ ৬৯৯নং)
অথবাالصَّلاَةُ فِي الرِّحَال(আসস্বলা-তু ফির্রিহাল)। (বুখারী ৬১৬নং)
অথবা যথানিয়মে আযান দেওয়ার শেষে:-

খাস মহিলা মহলে মহিলাদের আযান ও ইকামত দেওয়ার বিধান আছে কি ?

খাস মহিলা মহলে মহিলাদের আযান ও ইকামত


হযরত আয়েশা (রাঃ) এর আযান ও ইকামত দেওয়ার ব্যাপারে বর্ণিত হাদীস সহীহ নয়। অবশ্য বাইহাকীতে আছে, আম্‌র বিন আবী সালামাহ্‌ বলেন, আমি সওবানকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, ‘মেয়েরা কি ইকামত দিতে পারে?’ উত্তরে তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনার কথা উল্লেখ করে বললেন, ‘মকহুল বলেছেন, যদি মহিলারা আযান-ইকামত দেয় তবে তা আফযল। আর যদি শুধু ইকামত দেয়, তবে তাও যথেষ্ট।’ সওবান বলেন,

সময় পার হলে আযান

সময় পার হলে আযান


নামাযের সময় বাকী থাকলে এবং আযানের যথা সময় পার হয়ে গেলে খুব দেরীতে হলেও আযান দিয়েই নামায পড়তে হবে। অবশ্য গ্রামে বা শহরে অন্যান্য মসজিদে আযান হয়ে থাকলে যে মসজিদে আযান দিতে খুব দেরী হয়ে গেছে সে মসজিদে আযান না দিলেও চলবে। তবে দেরী সামান্য হলে আযান দেওয়াই উত্তম। কিন্তু গ্রামে এ ছাড়া অন্য মসজিদ না থাকলে খুব দেরী হয়ে গেলেও আযান দেওয়া জরুরী। (ফ: ইবনে বায, রিসালাতুন ইলা মুআযযিন ৬৭পৃ:, তুহ্‌ফাতুল ইখওয়ান, ইবনে বায ৭৭পৃ:)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ