Showing posts with label ওযু- তায়াম্মুম. Show all posts
Showing posts with label ওযু- তায়াম্মুম. Show all posts

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (৪০/২৮০) : পায়ুপথ দিয়ে কৃমি বের হলে ওযূ ভঙ্গ হবে কি?

প্রশ্ন (৪০/২৮০) : পায়ুপথ দিয়ে কৃমি বের হলে ওযূ ভঙ্গ হবে কি?

-ডা. মাহবূব, ঢাকা।
উত্তর : উক্ত কারণ ওযূ ভেঙ্গে যাবে মর্মে স্পষ্ট কোন দলীল পাওয়া যায় না। সেকারণ ইমাম মালেক (রহঃ) এর দ্বারা ওযূ ভঙ্গ হবে না বলেছেন। আর ‘দুই রাস্তা দিয়ে কিছু বের হ’লে ওযূ নষ্ট হবে’ মর্মে বর্ণিত মূলনীতি দ্বারা কেবল পায়খানা ও পেশাবকে বুঝানো হয়েছে। বায়ু নিঃসরণ এবং

Saturday, February 17, 2018

প্রশ্নঃ স্ত্রীকে স্পর্শ করলে কি ওযু ভঙ্গ হবে?

প্রশ্নঃ স্ত্রীকে স্পর্শ করলে কি ওযু ভঙ্গ হবে?
উত্তরঃ বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে, স্ত্রীকে স্পর্শ করলে কখনোই ওযু ভঙ্গ হবে না। একথার দলীল হচ্ছে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত, তিনি স্ত্রীকে চুম্বন করে নামায পড়তে বের হয়েছেন কিন্তু ওযু করেন নি। কেননা আসল হচ্ছে দলীল না থাকলে ওযু ভঙ্গ না হওয়া। কেননা শরঈ দলীলের ভিত্তিতে তার ওযু প্রমাণিত হয়েছে। আর যা শরঈ দলীলের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তা শরঈ দলীল ছাড়া নষ্ট হবে না।
যদি বলা হয়, আল্লাহ্ তো বলেছেন,
أَوْ لَامَسْتُمْ النِّسَاءَ
“অথবা যদি তোমরা স্ত্রীদের স্পর্শ কর।”

Friday, February 16, 2018

তীব্র শীতে সহবাসের পর শুধু তায়াম্মুম করলে কি চলবে?

তীব্র শীতে সহবাসের পর শুধু তায়াম্মুম করলে কি চলবে?
প্রশ্ন: তীব্র শীতে সহবাসের পর আমি কি শুধু তায়াম্মুম করে সলাত আদায় করতে পারি? কারণ আমি জানি, তাৎক্ষনিক ভাবে গোসল করে পবিত্র হওয়া আমার জন্য সম্ভব নয়। অধিকন্তু, প্রচণ্ড শীত আমার পিঠের পীড়াকে ভীষণ রকম বাড়িয়ে তোলে। ফলে আমি অসুস্থ হয়ে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
উত্তর: প্রশংসা মাত্রই আল্লাহ্‌র জন্য।
যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাসের কারণে অপবিত্র হয়ে যাবে তাকে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হয়ে স্বলাত আদায় করতে হবে। কারণ আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন:

Monday, January 29, 2018

ত্বাহারাত বা পবিত্রতা< ওযূর ফযীলত

ত্বাহারাত বা পবিত্রতা< ওযূর ফযীলত

ছালাতের আবশ্যিক পূর্বশর্ত হ’ল ত্বাহারাত বা পবিত্রতা অর্জন করা। যা দু’প্রকারের : আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক, অর্থাৎ দৈহিক। ‘আভ্যন্তরীণ পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় হৃদয়কে যাবতীয় শিরকী আক্বীদা ও ‘রিয়া’ মুক্ত রাখা এবং আল্লাহর ভালবাসার ঊর্ধ্বে অন্যের ভালবাসাকে হৃদয়ে স্থান না দেওয়া। ‘দৈহিক পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় শারঈ তরীকায় ওযূ, গোসল বা তায়াম্মুম সম্পন্ন করা। আল্লাহ বলেন, إِنَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوَّابِيْنَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِيْنَ (البقرة ২২২)- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ (অন্তর থেকে) তওবাকারী ও (দৈহিকভাবে) পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালবাসেন’ 

ওযু, ওযুর ফজিলত, পদ্ধতি ও ভূল ত্রুটি!

ওযু, ওযুর ফজিলত, পদ্ধতি ও ভূল ত্রুটি!


বিশ্বপ্রতিপালক মহান রাব্বুল আলামীন
সৃষ্টিলোককে সৃষ্টি করে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন
কেবল একটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে, আর
তা হচ্ছে তাঁর দাসত্ব ও গোলামী করা। এ দাসত্ব
অনেক ভাবেই হয়ে থাকে। যেমনঃ নামায, রোযা,
হজ্জ, যাকাত, দান-সাদকাহ, কুরবানী আশা-ভরসা,
প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি। এ গুলোর মধ্যে সর্বত্তোম
ইবাদত হল নামায। নাযাম পড়ার জন্য প্রয়োজন পবিত্রতা
অর্জন করা। পবিত্রতা ছাড়া আল্লাহ তাআলার কাছে নামায
গৃহীহ হবে না। এ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেনঃ

অযু ব্যতীত কুরআনুল কারিম স্পর্শ করার বিধান কি ?

অযু ব্যতীত কুরআনুল কারিম স্পর্শ করার
বিধান
অধিকাংশ আলেমের মতে অযু ব্যতীত
মুসহাফ/ কুরআনুল কারিম স্পর্শ করা বৈধ নয়।
ইমাম আবু হানিফা [1] , মালিক [2] , শাফেয়ী
[3] , আহমদ ইবনে হাম্বল[4] ও শায়খুল ইসলাম
ইবনে তাইমিয়াহ [5] প্রমুখগণ এ মত পোষণ
করেছেন। সাহাবিদের ফতোয়াও তাই
ছিল। দলিল হিসেবে তারা পেশ বলেন:
১. ইয়ামানের গভর্নর আমর ইবনে হাযম
রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে নবী সাল্লাল্লাহু
‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিখে পাঠান:

ওজুর ফযীলত


 ওজুর ফযীলত

মহান আল্লাহ বলেন,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى قَوْله تَعَالَى:  مَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيَجۡعَلَ عَلَيۡكُم مِّنۡ حَرَجٖ وَلَٰكِن يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمۡ وَلِيُتِمَّ نِعۡمَتَهُۥ عَلَيۡكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ ٦ ﴾ (المائ‍دة: ٦)
অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা নামাযের জন্য প্রস্তুত হবে, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর এবং তোমাদের মাথা মাসাহ কর এবং পা গ্রন্থি পর্যন্ত ধৌত কর। আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তাহলে বিশেষভাবে (গোসল করে) পবিত্র হও। যদি তোমরা পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা হতে আগমন করে, অথবা তোমরা স্ত্রী-সহবাস কর এবং পানি না পাও, তাহলে

Sunday, December 17, 2017

ওযু ছাড়া কুরআন সপর্শ করা বা পড়া যাবে কি?

ওযু ছাড়া কুরআন সপর্শ করা বা পড়া যাবে কি?



অযূ ছাড়া কি কোরআন স্পর্শ করা যাবে? উত্তরঃ বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। “যাহারা পূত-পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না”। ___ সূরা ওয়াকিয়া ৫৬:৭৯। অজু ছাড়া কুরআন স্পর্শ করা যাবে কি যাবে না এ নিয়ে প্রচুর বিতর্ক হয়েছে, এখনো হচ্ছে। আসুন দেখে নেই সত্যিই অজু ছাড়া কুরআন স্পর্শ করা যাবে কি-না। আল কুরআনের যে আয়াতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বলে বলা হচ্ছে যে, ‘অজু ছাড়া কুরআন স্পর্শ করা যাবে না’ সেটি সূরা ওয়াকিয়ার ৭৯নং আয়াত। এ আয়াতে আল্লাহ্ সুব্হানাহু ওয়া তাআ’লা বলেন, “যাহারা পূত-পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না”। ___ সূরা ওয়াকিয়া ৫৬:৭৯। কুরআনের কোন একটি আয়াতকে বিছিন্নভাবে উপাস্থপন করা হলে অনেক সময় তা থেকে ভুল অর্থ বের হতে পারে। সূরা ওয়াকিয়ার ৭৯নং আয়াতের ক্ষেত্রে এমনটিই দেখা যাচ্ছে। অথচ

Tuesday, December 5, 2017

ওযূর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে ঝরে পড়া পানি দ্বারা ওযূ করার বিধান

ওযূর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ থেকে ঝরে পড়া পানি দ্বারা ওযূ করার বিধান


ওযূকারীর অঙ্গ থেকে  ঝরে পড়া পানি বা অনুরূপ পানিকে  الماء المستعمل বা ব্যবহৃত পানি বলে। এ প্রকার পানি প্রবিত্রতা দানকারী পানি থেকে ব্যতিক্রম, না ব্যতিক্রম নয়, এ ব্যাপারে বিদ্বানগণ মতভেদ করেছেন।
বিশুদ্ধ মতামত হলো: যতোক্ষণ পর্যন্ত তা সাধারণ পানি পদবাচ্য থাকে এবং এমন নাপাকী মিশ্রিত না হয় যাতে পানির বৈশিষ্ট্য সমূহে কোন প্রভাব পড়ে (অর্থাৎ: রং, গন্ধ ও স্বাদ অবিকৃত থাকে), ততক্ষণ তা পবিত্রকারী থাকবে। এটা আলী ইবনে আবি তালিব, ইবনে উমার,

ওযূর সংজ্ঞা ও এর শারঈ প্রমাণ

ওযূর সংজ্ঞা ও এর শারঈ প্রমাণ


ওযূ এর আভিধানিক অর্থ : وضوء শব্দটি الوضائة শব্দ থেকে গৃহীত। এর আভিধানিক অর্থ: পরিছন্নতা ও উজ্জ্বলতা    وضوء  শব্দের واو  বর্ণে পেশ পড়লে, তখন তা فعل (ত্রিয়া) এর অর্থ  দিবে। আর واو বর্ণে যবর পড়লে, এর অর্থ হবে: ওযূর পানি এবং সেটা  مصدر(ক্রিয়ামূল)ও হবে অথবা এ দু’টি আলাদা শব্দও হতে পারে।[1]         
পরিভাষায়: সালাত অথবা অনুরূপ ইবাদাত থেকে বাধা প্রদান করে, এমন অপবিত্রতা হতে পবিত্রতা অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তথা মুখ, দু’হাত, মাথা ও দু’পায়ে পানি ব্যবহার করার নাম ওযূ।
কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা দ্বারা ওযূ শারঈভাবে প্রমাণিত। যথা:
(ক) কুরআনে আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেন:

ওযূর ফযীলত সমুহ

ওযূর ফযীলত


১। এটাকে ঈমানের অর্ধেক হিসাবে গণ্য করা হয়:
عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: الطُّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ
আবূ মালিক আশআ'রী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল () বলেছেন: পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।[1]
২। ওযূ ছোট-ছোট পাপগুলো মোচন করে:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِقَالَ: إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ الْمُسْلِمُ - أَوِ الْمُؤْمِنُ - فَغَسَلَ وَجْهَهُ خَرَجَ مِنْ وَجْهِهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَيْنَيْهِ مَعَ الْمَاءِ - أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ -، فَإِذَا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَجَ مِنْ يَدَيْهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ كَانَ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ الْمَاءِ أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ -، فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ خَرَجَتْ كُلُّ خَطِيئَةٍ مَشَتْهَا رِجْلَاهُ مَعَ الْمَاءِ - أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ - حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيًّا مِنَ الذُّنُوبِ
(ক) আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূল () বলেছেন:

সংক্ষিপ্তভাবে ওযূর পূর্ণাঙ্গ নিয়মাবলী

সংক্ষিপ্তভাবে ওযূর পূর্ণাঙ্গ নিয়মাবলী


أَنَّ حُمْرَانَ مَوْلَى عُثْمَانَ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، رَأَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ دَعَا بِإِنَاءٍ، فَأَفْرَغَ عَلَى كَفَّيْهِ ثَلاَثَ مِرَارٍ، فَغَسَلَهُمَا، ثُمَّ أَدْخَلَ يَمِينَهُ فِي الإِنَاءِ، فَمَضْمَضَ، وَاسْتَنْشَقَ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاَثًا، وَيَدَيْهِ إِلَى المِرْفَقَيْنِ ثَلاَثَ مِرَارٍ، ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ، ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ ثَلاَثَ مِرَارٍ إِلَى الكَعْبَيْنِ، ثُمَّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ تَوَضَّأَ نَحْوَ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لاَ يُحَدِّثُ فِيهِمَا نَفْسَهُ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
হুমরান থেকে বর্ণিত, তিনি উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) কে দেখেছেন যে, তিনি পানির পাত্র আনিয়ে উভয় হাতের তালুতে তিন বার পানি ঢেলে তা ধুয়ে নিলেন। এর পর ডান হাত পাত্রের মধ্যে ঢুকালেন। তার পর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করলেন। তারপর তার মুখম-ল তিন বার ধুয়ে দুই হাত তিনবার কনুই পর্যন্ত ধুয়ে নিলেন। এর পর মাথা মাসাহ করলেন। তার পর উভয় পা গিরা পর্যন্ত তিনবার ধুয়ে নিলেন। পরে বললেন, রাসূল () বলেছেন: যে ব্যক্তি আমার মত এ রকম ওযূ করবে তারপর দু’রাক‘আত সালাত আদায় করবে, যাতে দুনিয়ার কোন খিয়াল করবে না। তার পেছনের গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে।[1] 
এ হাদীস এবং সামনে বিস্তারিত বর্ণনায় যে সকল হাদীস আসবে, সেগুলোর আলোকে ওযূর বর্ণনা নিম্নরূপ: 

ওযূ বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত শর্ত[1]

ওযূ বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়ত শর্ত[1]


ওযূ বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য নিয়তকে শর্ত করা হয়েছে। আর তা হলো: ওযূ করার জন্য অন্তরে দৃঢ় সংকল্প করা, যেন আল্লাহ্‌ ও রাসূলের () নির্দেশ বাসত্মবায়িত হয়। যেমন: সমস্ত উদ্দেশ্য মূলক ইবাদাতকে লক্ষ করে আল্লাহ্‌ বলেন:
﴿وَمَا أُمِرُوا إِلَّا لِيَعْبُدُوا اللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ حُنَفَاءَ﴾
অর্থাৎ: আর তাদেরকে কেবল এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তারা যেন আল­াহর ‘ইবাদাত করে তাঁরই জন্য দ্বীনকে একনিষ্ঠ করে (সূরা বায়্যিনা-৫)।
রাসূল () বলেন:

ওযূর রুকন বা ফরয সমূহ

ওযূর রুকনসমূহ


ওযূর রুকন হলো: যার মাধ্যমে ওযূর মূল কাঠামো গঠিত হয়। যদি একটি রুকন উলট-পালট হয়ে যায় তাহলে, ওযূ বাতিল হয়ে যাবে এবং তা শরীয়াতসম্মত হবে না। সেগুলো হলো:
১। সম্পূর্ণ মুখমন্ডল ধৌত করা:
মুখমন্ডল দ্বারা সমস্ত চেহারা উদ্দেশ্য। তার সীমা হলো: দৈর্ঘের দিক থেকে মাথার অগ্রভাগের কপালের গোড়া তথা চুল গজানোর স্থান হতে চোয়াল ও থুৎনীর নীচ পর্যন্ত, আর প্রস্থে এক কানের লতি থেকে অপর কানের লতি পর্যন্ত।
মুখমন্ডল ধৌত করা ওযূর রুকন সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি রুকন। এটা ব্যতীত ওযূ বিশুদ্ধ হবে না। মহান আল্লাহ্‌ বলেন:

যে সকল কাজে ওযূ নষ্ট হয় না

যে সকল কাজে ওযূ নষ্ট হয় না


এ কাজগুলো করলে ওযূ ভঙ্গ হবে কিনা এ ব্যাপারে বিদ্বানগণ মতভেদ করেছেন। তবে বাস্তবে এ কাজগুলো করলে ওযূ নষ্ট হয় না। আর সে কাজগুলো হলো:
১। কোন পর্দা ছাড়া পুরুষ মহিলাকে স্পর্শ করলে এ মাসআলাটির ব্যাপারে তিনটি অভিমত পরিলক্ষিত হয়: 
১ম : অভিমত:
সাধারণ ভাবে পুরুষ মহিলাকে স্পর্শ করলে ওযূ নষ্ট হবে। এটা ইমাম শাফেঈ (রাহি.) এর অভিমত । ইবনে হাযম এমতটি সমর্থন করেছেন। ইবনে মাসউদ (রাঃ) ও ইবনে উমার (রাঃ) এ মতেরই প্রবক্তা।[1]
২য় অভিমত :

ওযূর সুন্নাতসমূহ

ওযূর সুন্নাতসমূহ


১। মিসওয়াক করা:
কোন কোন সময় মিসওয়াক করা মুস্তাহাব: সে বিষয়ে ‘‘سنن الفطرة’’ অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে।
২। ওযূর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা:
সকল কাজের শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা শরীয়াত সম্মত উত্তম কাজ। ওযূর সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলার ব্যাপারে কিছু যঈফ হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যদিও কতিপয় আলিম এগুলোকে সহীহ বলেছেন।
তন্মধ্যে একটি হাদীস হলো:

ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ [প্রথম অংশ]

ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ [প্রথম অংশ]


ওযূ ভঙ্গের কারণ বলতে এমন বিষয় বুঝায়, যার মাধ্যমে ওযূ নষ্ট হয়ে যায়। ওযূ ভঙ্গের কারণগুলো হলো:
১। দু’রাস্তা দিয়ে পেশাব, পায়খানা অথবা বায়ু নির্গত হওয়া:
পেশাব ও পায়খানার ব্যাপারে মহান আল্লাহ্‌ বলেন:
﴿أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنَ الْغَائِطِ﴾
তোমাদের কেউ যদি পায়খানা থেকে আসে (সূরা মায়েদা -৬) ।
 অত্র আয়াতে ‘الْغَائِطِ’ শব্দ উল্লেখ  করে মল-মূত্র ত্যাগ তথা পেশাব পায়খানাকে বুঝানো হয়েছে। বিদ্বানগণ এ ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে,

ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ [শেষ অংশ]

ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ [শেষ অংশ]


প্রথম অংশের পর......

৫। নিতম্ব স্পর্শ করলে ওযূ নষ্ট হয় না:[1]
কেননা নিতম্বকে লিঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয় না। লিঙ্গ ও নিতম্ব স্পর্শ করার ক্ষেত্রে সমতার কোন প্রমাণ না থাকায়, নিতম্বকে লিঙ্গের উপর কিয়াস করা যাবে না। যদি বলা হয় যে, উভয়টি নাপাক নির্গত হওয়ার স্থান? তাহলে বলা হবে যে, তা স্পর্শ করার ফলে ওযূ ভঙ্গের কোন কারণ পাওয়া যায় না। উপরন্তত্ম, নাপাক স্পর্শ করলে ওযূ নষ্ট হয় না, সুতরাং নাপাক বের হওয়ার স্থান স্পর্শ করলে কিভাবে ওযূ নষ্ট হবে?!! এটা ইমাম মালিক সাওরী ও আসহাবে রা‘য়ের অভিমত। ইমাম শাফেঈ এর বিরোধিতা করেছেন।
৬। উটের গোশত খাওয়ার ফলে ওযূ নষ্ট হওয়ার বিধান:

সালাতের জন্যই শুধু ওযূ ওয়াজিব, অন্য কিছুর জন্য ওয়াজিব নয়

সালাতের জন্যই শুধু ওযূ ওয়াজিব, অন্য কিছুর জন্য ওয়াজিব নয়


সালাতের জন্যই শুধু ওযূ ওয়াজিব, অন্য কিছুর জন্য ওয়াজিব নয়:
যে ব্যক্তি অপবিত্র (ওযূ বিহীন) রয়েছে এবং সালাত আদায়ের ইচ্ছা করে তার জন্য ওযূ করা ওয়াজিব। চায় তা ফরয সালাত হোক বা নফল সালাত হোক কিংবা জানাযার সালাত হোক । মহান আল্লাহ্‌ বলেন:
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا
হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমরা ধৌত কর। (সূরা মায়েদা-৬)
রাসূল () বলেন: 

নিম্নোক্ত কাজগুলোর ক্ষেত্রে ওযূ করা মুস্তাহাব

নিম্নোক্ত কাজগুলোর ক্ষেত্রে ওযূ করা মুস্তাহাব


তবে নিম্নোক্ত কাজগুলোর ক্ষেত্রে ওযূ করা মুস্তাহাব।
কা’বা শরীফ ত্বওয়াফ করার সময়:
ত্বওয়াফকারীর জন্য ওযূ করা আবশ্যক হওয়ার ক্ষেত্রে কোন সহীহ দলীল আছে বলে আমাদের জানা নেই। অথচ অসংখ্য মুসলমান, যাদের সংখ্যা আল্লাহ্‌ তায়ালা ব্যতীত কেউ নির্ণয় করতে পারবে না। তারা আল্লাহ্‌র রাসূল () এর যুগে তওয়াফ করতেন। কিন্তু তাদের কাউকেও তিনি তওয়াফের জন্য ওযূ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমাদের কাছে বর্ণিত হয় নি। অথচ তওয়াফ চলাকালীন সময় অনেকের ওযূ নষ্ট হত এবং

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ