Showing posts with label গর্ভ ধারণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ. Show all posts
Showing posts with label গর্ভ ধারণ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ. Show all posts

Friday, February 16, 2018

বর্তমানে জন্ম নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি চালু আছে তা কি শরী‘আত সম্মত?

বর্তমানে জন্ম নিয়ন্ত্রণের যে পদ্ধতি চালু আছে
তা কি শরী‘আত সম্মত?
উত্তর:
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র।
সংসারকে সচ্ছল করার নিয়তে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা
নিষিদ্ধ বা অভাব থেকে মুক্তির লক্ষে
জন্মনিয়ন্ত্রণ করা নিষিদ্ধ। কেননা রূযীর মালিক
আল্লাহ।
আল্লাহ বলেছেন:

Sunday, December 31, 2017

মাতৃগর্ভে কি আছে তা আল্লাহই ভাল জানেন।

মাতৃগর্ভে কি আছে তা আল্লাহই ভাল জানেন
প্রশ্নঃ- বর্তমান কালের ডাক্তারগণ মাতৃগর্ভে পুত্র
সন্তান আছে না কন্যা সন্তান বলে দিতে পারে। আর
কুরআনে আছে,অর্থঃ “মাতৃগর্ভে কি আছে তা
আল্লাহই জানেন।” ইবনে জারীর মুজাহিদ থেকে
বর্ণনা করেন যে, একজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, আমার স্ত্রী
কি সন্তান প্রসব করবে? তখন উক্ত আয়াত নাযিল হয়।
কাতাদা থেকেও অনুরূপ তাফসীর বর্ণিত আছে।
আল্লাহর বাণী, “গর্ভে যা আছে” এ কথাটি ব্যাপক। এ

Sunday, December 24, 2017

জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও ইসলামের বিধান – Family planning in Islam-Bangla

জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও ইসলামের বিধান – Family planning in Islam-Bangla

জন্ম নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনের পটভূমি :

জন্ম নিয়ন্ত্রণ (Birth control) আন্দোলন আঠারো শতকের শেষাংশে ইউরোপে সূচনা হয়। সম্ভবত: ইংল্যান্ডের বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ম্যালথাসই (Malthus) এর ভিত্তি রচনা করেন। এ আন্দোলনের আসল উদ্দেশ্য হ’ল বংশ বৃদ্ধি প্রতিরোধ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার দেখে মি. ম্যালথাস হিসাব করেন, পৃথিবীতে আবাদযোগ্য জমি ও অর্থনৈতিক উপায়-উপাদান সীমিত। কিন্তু বংশবৃদ্ধির সম্ভাবনা সীমাহীন। ১৭৯৮ সালে মি. ম্যালথাস রচিত An essay on population and as it effects, the future improvment of the society. (জনসংখ্যা ও সমাজের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে এর প্রভাব) নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম তার মতবাদ প্রচার করেন। এরপর

Sunday, October 22, 2017

প্রশ্ন : প্রেগন্যান্ট অবস্থায় বেশি বেশি কোরআন খতম করলে কি নেক সন্তান পাওয়ার আশা করা যায়?




প্রশ্ন : প্রেগন্যান্ট অবস্থায় বেশি বেশি কোরআন খতম করলে কি নেক সন্তান পাওয়ার আশা করা যায়?
উত্তর : গর্ভবস্থায় কুরআন খতম দিলে বা অধিক পরিমান কুরআন পাঠ করলেই নেক সন্তান লাভ হবে হাদীস-কুরআনে এমন কোন কথা নেই। বরং এতে সুসন্তান পাওয়ার আশা করা যায়। কুরআনের বরকতে মনের মধ্যে এই আশা ও সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু এটা অপরিহার্য নয়।
কেননা, সন্তান নেককার হবে না কি বদকার হবে তা সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে। তবে পিতা-মাতার পক্ষ থেকে সন্তানকে নেককার বানানোর চেষ্টা থাকা জরুরি। আল্লাহ সে চেষ্টা কবুল করলে সে হেদায়েতের পথে থাকবে; অন্যথায় নয়।
তাই বলব, একজন গর্ভবতী নারী সাধ্যানুযায়ী কুরআন তিলাওয়াত করবেন, যিকির-আযকার, দুয়া ও অন্যান্য নেক আমলের প্রতি যত্নশীল হবেন, গুনাহ থেকে বাঁচবেন এবং মহান আল্লাহর নিকট দুয়া করবেন যেন, আল্লাহ তাকে চক্ষুশীতলকারী সুসন্তান দান করেন।
এমন কি সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরও ঈমান ও আমলের উপর অবিচল থাকার চেষ্টা করবেন। সেই সাথে সন্তানকে কল্যাণের পথে রাখার জন্য যথাযথ উপায় ও পদ্ধতি অবলম্বন করবেন।
তাহলে আল্লাহ তাআলা যদি কবুল করেন তাহলে তার সন্তান নেককার ও পিতা-মাতার চক্ষুশীতল কারী হবে।
নিশ্চয় একমাত্র আল্লাহই হেদায়েতের মালিক ও তাওফিক দানকারী।
উত্তর দিয়েছেন শাইখ Abdullahil Hadi

Wednesday, October 18, 2017

ইসলামে দৃষ্টিতি গর্ভ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ করার বিধান কি?

গর্ভ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ
সন্তান এক সম্পদ। নিঃস্ব হলেও সন্তানের আকাঙ্ক্ষা প্রত্যেক মা-বাপের। তাই তো নিঃসন্তান পিতা-মাতা চিকিৎসার্থে কিনা খায়, কোথা না যায়? অবশ্য বৈধভাবে চিকিৎসা-বিজ্ঞানের সাহায্য নেওয়া দূষণীয় নয়। দূষণীয় হল সন্তানলোভে কোন পীর-ঠাকুর-মাযারের নিকট গেয়ে নযরাদি মেনে সন্তান-কামনা; বরং এ হল খাঁটি শির্ক। আল্লাহই যাকে ইচ্ছা সন্তান দেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা রাখেন। সুতরাং মুসলিমের উচিৎ, তাঁরই নিকট এই বলে সন্তান চাওয়াঃ-
رَبِّ هَبْ لِيْ مِنَ الصَّالِحِيْنَ
অর্থাৎ, হে প্রভু! আমাকে নেক সন্তান দান কর।[1]
رَبِّ هَبْ لِيْ مِنْ لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً، إِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَاءِ
অর্থাৎ, হে আমার প্রতিপালক! তুমি তোমার তরফ থেকে আমাকে সৎ বংশধর দান কর, নিশ্চয় তুমি অত্যাধিক প্রার্থনা শ্রবণকারী।[2]
চিকিৎসা-বিজ্ঞানের সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে গর্ভসঞ্চারণ পদ্ধতির মাধ্যমে

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ