Showing posts with label শয়ন ও নিদ্রার আদব. Show all posts
Showing posts with label শয়ন ও নিদ্রার আদব. Show all posts

Friday, November 24, 2017

রাত্রে খারাপ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে এবং ঘুম থেকে জাগার পর

রাত্রে খারাপ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে


রাত্রে খারাপ স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলে বাম দিকে তিনবার থুথু মারুন, শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চান, যে দুঃস্বপ্ন দেখেন, সেই মন্দ ও ক্ষতি থেকেও রক্ষা প্রার্থনা করুন এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করে শয়ন করুন। ভয়ে ঘুম না

এমন ছাদে শুবেন না, যার বাঁধ অথবা দেওয়াল নেই

এমন ছাদে শুবেন না, যার বাঁধ অথবা দেওয়াল নেই


যেহেতু ঘুমের ঘোরে অথবা কোন শব্দ শুনে ঘাবড়ে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। এই জন্য রাসুল (সাঃ) বলেন,

কিবলার দিকে পা করে শোয়া এবং উপুড় হয়ে শুবেন না

কিবলার দিকে পা করে শোয়া


কিবলার দিকে পা করে শোওয়া হারাম নয়। যেহেতু তা হারাম হওয়ার কোন দলীল নেই।

উপুড় হয়ে শুবেন না


একদা রাসুল (সাঃ) এক ব্যক্তির নিকট গেলেন। তখন

পায়ের উপর পা রেখে চিৎ হয়ে শুবেন না

পায়ের উপর পা রেখে চিৎ হয়ে শুবেন না


পায়ের উপর পা রেখে চিৎ হয়ে শুবেন না। বিশেষ করে লজ্জাস্থান  বের হওয়ার আশঙ্কা থাকলে, লুঙ্গি পরে একটি পা খাড়া রেখে হাঁটুর উপর অপর পা-টিকে চাপিয়ে শুবেন না। কেননা, পায়ের উপর পা চাপিয়ে শুতে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন।[1]
অবশ্য লজ্জাস্থান  বের হওয়ার ভয় মোটেই না থাকলে পা দুটিকে লম্বা লম্বিভাবে বিছানায় ফেলে রেখে একটিকে অপরটির উপরে চাপিয়ে রেখে শোওয়া হারাম নয়। যেহেতু

দুই জন শুলে এক বিছানায় একটি ঢাকা বা একটি লেপ-কম্বলে শুবেন না

দুই জন শুলে এক বিছানায় একটি ঢাকা বা একটি লেপ-কম্বলে শুবেন না


পরনে কাপড় না থাকলে এক ঢাকায় ২ জন শোয়া হারাম। যেহেতু রাসুল (সাঃ) মহিলার সাথে মহিলাকে এবং পুরুষের সাথে পুরুষকে এভাবে শুতে নিষেধ করেছেন।[1]অবশ্য

একাকী না শোয়া

একাকী না শোয়া


সম্ভব হলে কোন ঘরে একাকী শোবেন না। কারণ মহানবী (সাঃ) একাকী রাত্রিবাস ও একাকী সফর করতে নিষেধ করেছেন।[1]

সূরা পড়ে ফুঁ দেওয়াএবং শোয়ার আগে বিভিন্ন সূরা পড়া।

সূরা পড়ে ফুঁ দেওয়া


দুই হাত একত্রিত করে তাতে ফুঁ দিয়ে, সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও নাস পড়ে যথাসম্ভব সারা দেহে বুলিয়ে  নিন। এমনটি ৩ বার করতে হয়।[1]
অবশিষ্ট আরো দু‘আ ‘দু‘আ ও জিকির’ পুস্তিকায় দেখে নিন।
এই হল ঘর বন্ধ করার আসল পদ্ধতি। অন্যথা ভাড়াটিয়া ওঝা এনে কয়েক ঘন্টার মত কুরআন অথবা মন্ত্র পড়ে ঘরের চার কোণে শির্কী মাটির ভাঁড় পুঁতে, বাঁশের ডগায় আয়না বেঁধে,

সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ

সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ


সূরা বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করুন। মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাত্রে সূরা বাক্বারার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য সকল বস্ত্তর অনিষ্ট হতে ঐ দুটিই যথেষ্ট করবে।’’[1]
কোন কোন বর্ণনায় আছে, ঐ দুই আয়াত বাড়িতে তিন রাত পাঠ করলে শয়তান সে বাড়ির নিকটবর্তী হবে না অথবা

আয়াতুল কুরসী পাঠ

আয়াতুল কুরসী পাঠ


এরপর আয়াতুল কুরসী পড়ুন। আল্লাহর পক্ষ থেকে দেহরক্ষী পাবেন এবং রাতে আপনার কাছে শয়তান আসবে না।[1]

ডান কাতে শয়ন

ডান কাতে শয়ন


বিছানায় দেহ রেখে ডান কাতে শুয়ে যান এবং ডান গালকে ডান হাতের উপর রাখেন। মহানবী (সাঃ) নিজে এই আমল করেছেন এবং উম্মতকে করতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] যেহেতু

বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নেওয়া

বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নেওয়া


বিছানায় গিয়ে বিছানা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিন। বিছানা তুলে ঝাড়াই উত্তম। যেহেতু বিছানা বা তার চাদরের নিচে সাপ-বিছা বা অন্য কোন পোকা-মাকড় থাকলে তাও দূর হয়ে যাবে। আল্লাহর

বিছানায় যাওয়ার আগে ওযূ করে নেওয়া

বিছানায় যাওয়ার আগে ওযূ করে নেওয়া


বিছানায় যাওয়ার আগে ওযূ করে নেওয়া মুস্তাহাব। এ কাজের ফযীলত রয়েছে বিরাট। আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ওযু অবস্থায় রাত্রি যাপন করে তার অন্তর্বাসে এক ফিরিশ্তাও রাত্রিযাপন করেন। সুতরাং যখনই সে  জাগ্রত হয় তখনই ঐ ফিরিশ্তা বলেন, ‘হে আল্লাহ!  তোমার বান্দা অমুককে ক্ষমা করে দাও, কারণ সে ওযু অবস্থায় রাত্রি যাপন করেছে।’’[1]
তিনি আরো বলেন,

শোয়ার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে বাড়ির দরজাসমূহ বন্ধ করে দিন

শোয়ার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে বাড়ির দরজাসমূহ বন্ধ করে দিন


শোয়ার আগে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে বাড়ির দরজাসমূহ বন্ধ করে দিন। এতে আপনার জন্য পর্দা এবং শয়তান ও মানুষ থেকে নিরাপত্তা লাভ হবে।
রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘সন্ধ্যা হলে শিশুদেরকে বাইরে ছেড়ো না। কারণ ঐ সময় শয়তানদল ছড়িয়ে পরে। রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হলে তাদেরকে ছেড়ে দাও। (শয়নকালে) সমস্ত দরজা অর্গলবদ্ধ কর এবং (সেই সাথে) আল্লাহর নামের স্মরণ নাও। আর

শয়ন ও নিদ্রা


শয়ন ও নিদ্রা


নিদ্রা আল্লাহর দেওয়া মানুষের জন্য একটি বড় নিয়ামত। মহান আল্লাহ বলেন,

وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا

অর্থাৎ, তোমাদের নিদ্রা দিয়েছি বিশ্রামের জন্য। (সূরা নাবাঃ ৯ আয়াত)
মহান আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শনের মধ্যে নিদ্রা অন্যতম নিদর্শন। মহান আল্লাহ বলেন,

Sunday, November 19, 2017

১. ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিকির সমূহ

১. ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ের যিক্‌রসমূহ


1-(1) «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا، وَإِلَيْهِ النُّشُوْرُ».

(আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আহ্ইয়া-না- বাদা মা- আমা-তানা- ওয়া ইলাইহিন্ নুশূর)
১-(১) “হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি (নিদ্রারূপ) মৃত্যুর পর আমাদেরকে জীবিত করলেন, আর তাঁরই নিকট সকলের পুনরুত্থান”[1]।

2-(2) «لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَريكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ للَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ» «رَبِّ اغْفرْ لِي».

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বাদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রাব্বিগফির লী)।
২-(২) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব !

Monday, November 13, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১২২. কোন পুরুষের উপুড় হয়ে শোয়া বা ঘুমানো

১২২. কোন পুরুষের উপুড় হয়ে শোয়া


কোন পুরুষের উপুড় হয়ে শোয়া আরেকটি হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।
ত্বিহ্ফাহ্ আল-গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা আমাকে মসজিদের মধ্যে উপুড় হয়ে শুতে দেখে পা দিয়ে ধাক্কা মেরে বললেন:

Tuesday, October 17, 2017

ঘুমের ঘোরে যে সব স্বপ্ন দেখা যায়, তা কি সত্যি হতে পারে?

ঘুমের ঘোরে যে সব স্বপ্ন দেখা যায়, তা কি সত্যি হতে পারে?
ঘুমের ঘোরে যে সব স্বপ্ন দেখা যায়, তা তিন প্রকার হতে পারে। যথাঃ (ক) আল্লাহর পক্ষ থেকে দেখানো স্বপ্ন যার অর্থ সত্যি হয়। (খ) শয়তান এর পক্ষ থেকে দেখানো স্বপ্ন, যা দেখে মানুষ মানসিক কষ্ট পেয়ে থাকে। (গ) মানুষ যা বেশি ভালবাসে অথবা ভয় করে অথবা কল্পনা করে তারই প্রতিচ্ছায়া মানসপটে ঘুমের মধ্যে সময় অঙ্কিত হয়। শেষোক্ত দুই প্রকার স্বপ্ন অর্থহীন।
খারাপ স্বপ্ন দেখলে পাশ ফিরে শয়ন করতে হয়। শয়তানের অনিষ্ট থেকে পানাহ চাইতে হয়। বাম দিকে তিনবার থুথু মারতে হয়। আর (জ্ঞানী) প্রিয়জন ছাড়া ষে স্বপ্নের কথা কাউকে বলতে হয় না। ( বুখারি ৭০৪৪, মুসলিম ২২৬১ নং)

Saturday, October 14, 2017

রুমে কেবল স্বামী স্ত্রী থাকলে শরীরে কোন কাপড় না রেখে কি ঘুমানো যায়?

রুমে কেবল স্বামী স্ত্রী থাকলে শরীরে কোন কাপড় না রেখে কি ঘুমানো যায়?


লজ্জাস্থান অপ্রয়োজনে খুলে রাখা বৈধ নয়। পর্দার ভেতরে প্রয়োজনে তা খুলে রাখায় দোষ নেই। যেমন মিলনের সময়, গোসলের সময় বা প্রস্রাব পায়খানার করার সময়। অপ্রয়োজনের সময় লজ্জাস্থান আবৃত রাখা ওয়াজেব। নাবি (সঃ) বলেছেন, “তুমি তোমার স্ত্রী ও ক্রীতদাসী ছাড়া অন্যের নিকট লজ্জাস্থানের হেফাজত কর।” সাহাবী বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রাসুল! লোকেরা আপসে এক জায়গায় থাকলে?’ তিনি বললেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ