Showing posts with label সালাতে বৈধ - অবৈধ কর্ম সমুহ. Show all posts
Showing posts with label সালাতে বৈধ - অবৈধ কর্ম সমুহ. Show all posts

Tuesday, October 24, 2017

কাঁচা পিঁয়াজ-রসুন খেলে মুখের দুর্গন্ধের ফলে মসজিদে বা জামাআতে আসা নিষেধ। কিন্তু যাঁদের মুখে প্রাকৃতিকভাবেই দুর্গন্ধ থাকে, তাঁদের জন্যও কি নিষেধ?

যাঁদের মুখে প্রাকৃতিকভাবে দুর্গন্ধ থাকে, তাঁদের জন্যও মসজিদে বা জামাআতে আসা নিষেধ বলা যায় না। যেহেতু এটা তাঁর ইখতিয়ারভুক্ত নয়। ২১৯

২১৯ (আলবানী)

কর্মক্ষেত্রে পানি নেই। বাসায় পানি আছে। নামাযের ওয়াক্ত যাওয়ার আগে বাসায় পৌঁছে যাবে। নামাযের সময় হলে তায়াম্মুম করে আওয়াল ওয়াক্তে নামায পরে নেবে, নাকি বাসায় ফিরে শেষ ওয়াক্তে উযূ করে নামায পড়ব?


সময় পার হওয়ার আশংকা থাকলে এবং তাঁর আগে পানি না পাওয়ার কথা নিশ্চিত হলে তায়াম্মুম করে আওয়াল অক্তেই নামায পড়ে নেবেন। পক্ষান্তরে বাসায় ফিরে ওয়াক্ত বাকি থাকার কথা নিশ্চিত হলে বাসায় ফিরে উযূ করেই নামায পড়বেন।

নামাযের শেষ তাশাহহুদে কি নিজের ভাষায় দুআ করা যায়?

নামাযের শেষ তাশাহহুদে কি নিজের ভাষায় দুআ করা যায়?

অনেক উলামার মতে বৈধ নয়। যেহেতু নামায আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ভাষায়, সুতরাং সেই ভাষাতেই দু'আ হওয়া উচিৎ। সে সব কুরাআনী ও হাদীসী দু'আ জানা আছে, তাই পড়া উচিৎ। যা জানা নেই, তা নামাযের বাইরে অন্য সময় নিজের ভাষায় করা উচিৎ। অনেকে ‘ইচ্ছামত দু'আ’ বলতে ‘ইচ্ছামত ভাষা’য় দু'আ বলেছেন। সুতরাং নিজের ভাষায় দু'আ করা যাবে। আমরা বলি, না করাই উচিৎ। যেহেতু ইবাদত প্রমাণ সাপেক্ষ। আর নবী (সঃ) এর বানী, “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ (শেষ) তাশাহহুদ সম্পন্ন করবে, তখন সে যেন আল্লাহ্‌র নিকট চারটি জিনিস থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে। এরপর সে ইচ্ছামতো দু'আ করবে।” এ ব্যাপারে ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, “বর্ণিত ও বিদিত দু'আ করবে।” যেহেতু নিজের ভাষায় দু'আ হল সাধারণ মানুষের কথা। আর তা নামাযে বলা বৈধ নয়। ২১৬

২১৬ (আল-মুগনী ১/৬২০)

অনেক নামাযী নামাযরত অবস্থায় নাক, দাড়ি বা কাপড় ইত্যাদি নিয়ে খেলা করে। এদের ব্যাপারে কিছু বলার আছে কি?

অনেক নামাযী নামাযরত অবস্থায় নাক, দাড়ি বা কাপড় ইত্যাদি নিয়ে খেলা করে। এদের ব্যাপারে কিছু বলার আছে কি?

নামাযরত অবস্থায় নাক, দাড়ি ইত্যাদি নিয়ে উদাস হওয়া উচিৎ নয়। যেহেতু তা নামাযের একাগ্রতায় পরিপন্থী। আর মহান আল্লাহ বলেছেন, “অবশ্যই বিশ্বাসীগণ সফলকাম হয়েছে। যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র।”(মু’মিনূনঃ ১-২)

ফাসেক ইমামের পিছনে নামায কি শুদ্ধ?

ফাসেক ইমামের পিছনে নামায কি শুদ্ধ?

ফাসেক হল সেই ব্যক্তি, যে অবৈধ, হারাম বা নিষিদ্ধ কাজ করে এবং ফরয বা ওয়াজেব কাজ ত্যাগ করে; অর্থাৎ কবীরা গুনাহ করে। যেমন, ধূমপান করে, বিড়ি-সিগারেট খায়, জর্দা-তামাক প্রভৃতি মাদকদ্রব্য ব্যবহার করে, গাঁটের নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরে, অথবা সূদ বা ঘুস খায়, অথবা মিথ্যা বলে, অথবা (অবৈধ প্রেম) ব্যাভিচার করে, অথবা দাড়ি চাঁছে বা (এক মুঠির কম) ছেঁটে ফেলে, অথবা মুশারিকদের যবেহ (হালাল মনে না করে) খায়, (হালাল মনে করে খেলে তাঁর পিছনে নামায হবে না।) অথবা স্ত্রী কন্যাকে বেপর্দা রেখে তাঁদের ব্যাপারে ঈর্ষাহীন হয়, অথবা মা বাপকে দেখে না বা তাঁদেরকে ভাত দেয় না ইত্যাদি।
উক্ত সকল ব্যক্তি এবং তাঁদের অনুরূপ অন্যান্য ব্যক্তির পিছনে নামায মাকরূহ (অপছন্দনীয়)। বিধায় তাকে ইমামরূপে নির্বাচন ও নিয়োগ করা বৈধ ও উচিৎ নয়। কিন্তু যদি কোন কারণে বা চাপে পরে বাধ্য হয়েই তাঁর পিছনে নামায পড়তেই হয়, তাহলে নামায হয়ে যাবে।২০৪
সাহাবাগণের যামানায় সাহাবাগণ ফাসেকের পিছনে নামায পরেছেন। আব্দুল্লাহ বিন উমার (রঃ) হাজ্জাজ্জের পিছনে নামায পড়েছেন। ২০৫  আবূ সাঈদ খুদরী (রঃ) মারওআনের পিছনে নামায পড়েছেন। ২০৬
তৃতীয় খলীফা উসমান (রাঃ) ফিতনার সময় যখন স্বগৃহে অবরুদ্ধ ছিলেন, তখন উবাইদুল্লাহ বিন আদী বিন খিয়ার তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘আপনি জনসাধারণের ইমাম। আর আপনার উপর যে বিপদ এসেছে, তা তো দেখতেই পাচ্ছেন। ফিতনার ইমাম আমাদের নামাযের ইমামতি করছে; অথচ তাঁর পশ্চাতে নামায পড়তে আমারা দ্বিধাবোধ করি।’ তিনি বললেন, “ নামায হল মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ আমল। সুতরাং লোকে ভাল ব্যবহার করলে তাঁদের সাথেও ভাল ব্যবহার কর। আর মন্দ ব্যবহার করলে তাঁদের সাথে মন্দ ব্যবহার করা থেকে দূরে থাক।” ২০৭

২০৪ (মাজাল্লাতুল বুহূষিল ইসলামীয়্যাহ ৫/২৯০, ৩০০, ৬/২৫১, ১৫/৮০, ১৮/৯০, ১১১, ১৯/১৫২, ২২/৭৫, ৭৭, ৯২, ২৪/৭৮), ২০৫ (বুখারী), ২০৬ (মুসলিম, আবূ দাঊদ, তিরমিযী), ২০৭ (বুখারী ৬৯৫, মিশকাত ৬২৩ নং)

কাতারের পিছে একা নামাযীর নামায হয় না। কিন্তু আগের কাতারে জায়গা না পেলে কি করবে? সামনে থেকে কি কাউকে টেনে নেবে?

যদি কোন ব্যক্তি জামাআতে এসে দেখে যে, কাতার পরিপূর্ণ, তাহলে সে কাতারে কোথাও ফাঁক থাকলে সেখানে প্রবেশ করবে। নচেৎ সামান্যক্ষণ কারো অপেক্ষা করে কেউ এলে তাঁর সাথে কাতার বাধা উচিৎ। সে আশা না থাকলে বা জামাআত ছুটার ভয় থাকলে (মিহরাব ছাড়া বাইরে নামায পড়ার সময়) যদি ইমামের পাশে জায়গা থাকে এবং সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়, তাহলে তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এবং এ সব উপায় থাকতে পিছনে একা দাঁড়াবে না।

পরন্ত কাতার বাধার জন্য সামনের কাতার থেকে কাউকে টেনে নেওয়া ঠিক নয়। এ ব্যাপারে যে হাদিস এসেছে তা সহীহ ও শুদ্ধ নয়। ১৯৯ তাছাড়াএ কাজে একাধিক ক্ষতিও রয়েছে। যেমন; যে মুসল্লীকে টানা হবে তাঁর নামাযের একাগ্রতা নষ্ট হবে, প্রথম কাতারের ফযীলত থেকে বঞ্চিত হবে, কাতারের মাঝে ফাঁক হয়ে যাবে, সেই ফাঁক বন্ধ করার জন্য পাশের মুসল্লী সরে আসতে বাধ্য হবে, ফলে তাঁর জায়গা ফাঁক হবে এবং শেষ পর্যন্ত প্রথম বা সামনের কাতারের ডান অথবা বাম দিককার সকল মুসল্লীকে নড়তে-সরতে হবে। আর এতে তাঁদের সকলের একাগ্রতা নষ্ট হবে। অবশ্য হাদীস সহীহ হলে এত ক্ষতি স্বীকার করতে বাধা ছিল না। যেমন নাক থেকে রক্ত পড়তে শুরু হলে কিংবা ওযূ ভেঙ্গে গেলে কাতার ছেড়ে আসতে বাধা নেই। যেহেতু নবী (সঃ) বলেন, “যখন তোমাদের কেউ নামাযে বেওযূ হয়ে যায়, তখন সে যেন নাক ধরে নামায ত্যাগ করে বেরিয়ে আসে।” ২০০ তদনুরূপ ইমামের পাশে যেতেও যদি অনুরূপ ক্ষতির শিকার হতে হয়, তাহলে তাও করা যাবে না।
ঠিক তদ্রূপই জায়গা না থাকলেও কাতারের মুসল্লীদেরকে এক এক করে ঠেলে অথবা সরে যেতে ইঙ্গিত করে জায়গা করে নওয়াতেও ঐ মুসল্লীদের নামাযের একাগ্রতায় বড় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। সুতরাং এ কাজও বৈধ নয়। বলা বাহুল্য, এ ব্যাপারে সঠিক ফয়সালা এই যে, সামানে কাতারে জায়গা না পেলে পিছনে একা দাড়িয়েই নামায হয়ে যাবে। কারণ, সে নিরুপায়। আর মহান আল্লাহ কাউকে তাঁর সাধ্যের বাইরে ভার দেন না। ২০১
প্রকাশ থাকে যে, মহিলা জামাআতের মহিলা কাতারে জায়গা থাকতে যে মহিলা পিছনে একা দাঁড়িয়ে নামায পড়বে তারও নামায পুরুষের মতই হবে না। ২০২ পক্ষান্তরে পুরুষদের পিছনে একা দাঁড়িয়ে মহিলার নামায হয়ে যাবে।

১৯৯ (জয়ীফুল জামে ২২৬১ নং), ২০০ (আবূ দাঊদ ১১১৪ নং), ২০১ (লিক্বাউ বাবিল মাফতূহ ২২৭ পৃঃ), ২০২ (মুমতে ৪/৩৮৭)

কাতারে জায়গা না পেলে একা দাঁড়িয়ে নামায হবে কি?

কাতারে জায়গা না পেলে একা দাঁড়িয়ে নামায হবে কি?

কাতারে জায়গা না পাওয়ার কথা যদি বাস্তব হয় এবং সঙ্গে দাঁড়াবার মতো কাউকে না পাওয়া যায়, তাহলে একা দাঁড়িয়ে নামায হয়ে যাবে। কাতারের পিছনে একা দাঁড়িয়ে নামায হবে না তখন, যখন সামনের কাতারে জায়গা খালি থাকবে। সুতরাং এটি হবে ব্যাতিক্রমধর্মী ব্যাপার। যেহেতু কাতারে কেউ কাউকে টেনে নেওয়ার হাদীস সহীহ নয়। আর সে টানাতে অনেক নামাযীর নামাযের একাগ্রতায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ১৯৮  নাক থেকে রক্ত পড়তে শুরু করলে অথবা উযু নষ্ট হয়ে গেলে তা বাধ্য হয়ে যেতেই হয়। আর তাঁর ফলে সৃষ্ট ব্যাঘাত সামনে থেকে কাউকে টেনে নেওয়ার মতো নয়। যেহেতু একটি ব্যাপার বদলীল এবং অপরটি বেদলীল।

১৯৮ (ইবনে উষাইমীন)

কিছু নামাযী জামাআত শুরু হওয়ার পড়ে আসে। কিন্তু তাঁরা রাকআত বা রুকু পাওয়ার জন্য দৌড়ে আসে। ফলে তাঁদের পায়ের শব্দে অন্য নামাযীদের বড় ডিস্টার্ব হয়। এ কাজ কি তাঁদের জন্য বৈধ?

জামাআতে শামিল হওয়ার জন্য দৌড়ে আসা বৈধ নয়। যেহেতু মহানবী (সঃ) বলেন, “নামাযের ইকামত হয়ে গেলে তোমরা দৌড়ে এসো না। বরং তোমরা স্বাভাবিকভাবেই চলে এসো। আর তোমাদের মাঝে যেন স্থিরতা থাকে। অতঃপর যেটুকু নামায পাও তা পড়ে নাও এবং যা ছুটে যায় তা পুরা করে নাও।” ১৯২

১৯২ (বুখারী ৬৩৬, মুসলিম ৬০২ নং)

কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ?

কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?

অবশ্যই মাফ নয়। তাঁর উচিৎ, যথাসময়ে গোসল করে নামায শুরু করা। কোন বৈধ কারণে যদি গোসল করতে দেরিও হয়, খুন বন্ধ হওয়ার পর থেকে যে নামায ছুটে গেছে, সেগুলো ক্বাযা পড়তে হবে। নামায নিজের ইচ্ছামতো পড়ার জিনিস নয়। মিথ্যা ওজর দিয়ে এড়িয়ে গিয়ে সন্মান বাঁচানোর জিনিস নয়। মহান আল্লাহ্‌র কাছে হিসাব লাগবে। মানুষকে ঠকানো গেলেও, তাকে ঠকানো যাবে না। তিনি বলেছেন, “তাঁদের পর এল অপদার্থ পরবর্তীগন, তাঁরা নামায নষ্ট করল ও প্রবৃত্তিপরায়ণ হল; সুতরাং তাঁরা অচিরেই অমঙ্গল প্রত্যক্ষ করবে।”(মারয়্যামঃ ৫৯)
“সুতরাং পরিতাপ সেই নামায আদায়কারীদের জন্য; যারা তাঁদের নামাযে অমনোযোগী। যারা লোক প্রদর্শন (করে তা আদায়) করে।” (মাঊনঃ ৪-৬)

যোহরের পূর্বে ৪ রাকাআত সুন্নত এক সালামে পড়া চলে কি?

যোহরের পূর্বে ৪ রাকাআত সুন্নত এক সালামে পড়া চলে কি?

যোহরের পূর্বে ও পরে এবং আসরের পূর্বে ৪ রাকাআত সুন্নত ২ রাকাআত করে পড়ে সালাম ফিরা উত্তম। কারণ মহানবী (সঃ) বলেন, “রাত ও দিনের নামায দুই রাকাআত করে।” ১৮৮ তবে একটানা ৪ রাকাআত এক সালামেও পড়া বৈধ। মহানবী (সঃ) বলেন, “ যোহরের পূর্বে ৪ রাকাআত; (যার মাঝে কোন সালাম নেই,) তাঁর জন্য আসমানের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করা হয়।” ১৮৯

আল্লামা আলবানীর শেষ তাহক্বীকে বন্ধনীর মাঝের শব্দগুলি সহীহ নয়। কিন্তু অন্য বর্ণনা দ্বারা ৪ রাকাআত এক সালামে পড়ার সমর্থন মেলে। আবূ আইয়ুব আনসারী (রঃ) বলেন, নবী (সঃ) সূর্য ঢলার সময় ৪ রাকাআত নামায প্রত্যহ পড়তেন। একদা আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আপনি সূর্য ঢলার সময় এই ৪ রাকাআত প্রত্যহ পড়ছেন?” তিনি বললেন, “সূর্য ঢলার সময় আসমানের দরজাসমূহ খোলা হয় এবং যোহরের নামায না পড়া পর্যন্ত বন্ধ করা হয় না। অতএব আমি পছন্দ করি যে, এই সময় আমার নেক আমল(আকাশে আল্লাহ্‌র নিকট) উঠানো হোক।” আমি বললাম, “তাঁর প্রত্যেক রাকাআতেই কি কিরাআত আছে?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” আমি বললাম, “তাঁর মাঝে কি পৃথককারী সালাম আছে?” তিনি বললেন, “না।” ১৯০

আলী (রঃ) বলেন, “নবী (সঃ) আসরের পূর্বে ৪ রাকাআত নামায পড়তেন এবং প্রত্যেক দুই রাকাআতে আল্লাহ্‌র নিকটবর্তী ফিরিশতা, আম্বিয়া ও তাঁদের আনসারী মুমিন-মুসলিমদের প্রতি সালাম (তাশাহহুদ) দিয়ে পৃথক করতেন। আর সর্বশেষে সালাম ফিরতেন।” ১৯১

১৮৮ (আবূ দাঊদ), ১৮৯ (আবূ দাঊদ ১২৭০, ইবনে মাজাহ ১১৫৭, ইবনে খুযাইমা ১২১৪, সাহীহুল জামে ৮৮৫ নং), ১৯০ (মুখতাসারুশ শামাইলিল মুহাম্মাদিয়্যাহ, আলবানী ২৪৯ নং), ১৯১ (আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, সিঃ সহীহাহ ২৩৭ নং)

অধিকাংশ বাঙ্গালী মহিলারা শাড়ি পড়ে নামায পড়ে। তাতে অনেক সময় তাঁর হাতের বাজু বের হয়ে যায়। সুতরাং তাঁর নামায কি শুদ্ধ হবে?

অধিকাংশ বাঙ্গালী মহিলারা শাড়ি পড়ে নামায পড়ে। তাতে অনেক সময় তাঁর হাতের বাজু বের হয়ে যায়। সুতরাং তাঁর নামায কি শুদ্ধ হবে?
সামনে কোন বেগানা পুরুষ না থাকলে মহিলা তাঁর নামাযে কেবল চেহারা ও কব্জি পর্যন্ত দুই হাত বের করে রাখবে। এ ছাড়া অন্য কোন অঙ্গ বের হয়ে গেলে তাঁর নামায বাতিল হয়ে যাবে। তা ফিরিয়ে পড়তে হবে। এমনকি পায়ের পাতাও বের হয়ে গেলে নামায শুদ্ধ হবে না। ১৮৭
১৮৭ (ইবনে বায)

ছবিযুক্ত পোশাক পরে নামায বৈধ কি?


ছবিযুক্ত পোশাক পরে নামায বৈধ কি?
প্রাণী, মূর্তি, ত্রিশূল, ক্রুশ ইত্যাদির ছবিযুক্ত অথবা বিভিন্ন লেখাযুক্ত পোশাক পরে নামায বৈধ নয়। এমন ছবিযুক্ত পোশাক পরে নামায বৈধ নয়, যাতে নিজের অথবা অপরের দৃষ্টি ও মন আকৃষ্ট হয়। ১৭৯
১৭৯ (ইবনে জিবরীন)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ