Showing posts with label ওলী- আউলিয়া- পীর- মুরিদী. Show all posts
Showing posts with label ওলী- আউলিয়া- পীর- মুরিদী. Show all posts

Monday, February 5, 2018

পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?

চরমোনাই, গোলাপবাগ, দেওয়ানবাগ, রাজারবাগ,কুতুবাগ, আটরসি, শাহাপুর, কালিয়াপুর, ওলিপুর ও মাইজভান্ডারী সহ সকল পীর ও পীরের মুরিদগনকে বলছি, নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেন.?

১.পৃথীবির ইতিহাসে প্রথম পীর কে??
২.পির প্রথা আরব দেশে নেই কেন? মক্কা মদিনার ইমামরা কেন মুরিদ করেন না?
৩.পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?পীর বা মুরিদ না হয়ে কি ওলি হওয়া যায় না?
৪.পিরেরা তার মুরিদদের শাফায়াত করবেইএর গ্যারান্টি কোথায় পেল? তার নিজের নাজাতের নিশ্চয়তা কি?
৫.পির ধরা কি সবার জন্য ফরজ? কোরানের কোন আয়াত দ্বারা ফরয হয়েছে?
৬.বাংলাদেশে প্রায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার পির আছে। এদের মধ্যে কে হাক্কানি পির?

Tuesday, January 16, 2018

প্রশ্নঃ সূফি তরিকাসমূহ যেমনঃ সায়ারি’য়া, তারিকা, হাকিকা এবং মা’রিফা; এই তরিকাগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাগণ(রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দের শিক্ষা দিয়েছেন?

প্রশ্নঃ সূফি তরিকাসমূহ যেমনঃ সায়ারি’য়া, তারিকা, হাকিকা এবং মা’রিফা; এই তরিকাগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাগণ(রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দের শিক্ষা দিয়েছেন?
প্রশংসা আল্লাহর জন্যে,
আমরা অবশ্যই জেনে নিব যে, আল-সুফিয়াহ (সূফিবাদ) শব্দটি দ্বারা ওলের তৈরি পোশাক পরিধান করাকে (আরবি শব্দ ‘সুফ’ মানে ‘উল’) বুঝায় এবং এছাড়া কিছু নয়।

লালন ফকির ও গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে

লালন ফকির ও গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে

শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই কবিতা লেখার কাজটিকে প্রীতির চোখেই দেখা হয়। যদিও এই দেখার মধ্যে সর্বদা যে প্রীতিই প্রতিভাত হয় তা নয়, অবজ্ঞা, করুণা ও কৌতুকও মিশ্রিত থাকে। অর্থাৎ কবিরা নিজে যাই ভাবুন, বিদগ্ধ সাহিত্যপ্রেমীরা যাই বলুন- এটা সত্য যে, কবিদের সামাজিক মূল্য বিশেষ আশাপ্রদ নয়, উল্লেখযোগ্যও নয়। নোবেল পুরস্কার পেয়ে কেউ কেই আকস্মিকভাবে ধনাঢ্য ও জগদ্বিখ্যাত হয়ে যান বটে, কিন্তু সে নিতান্তই ব্যতিক্রম। অধিকাংশ কবিই আমৃত্যু এক ধরণের অবহেলার মধ্যেই জীবন যাপন করেন। অবশ্য একালের কবিরা যেহেতু একটু চতুর প্রকৃতির, তাঁরা কবিতার সঙ্গে সঙ্গে অন্যদিকেও যথোচিত মনোনিবেশ করেন। তাঁরা যুগপৎ শিক্ষিত,

ভন্ড পীরদেরকে নিয়ে খুবই চমৎকার একটি কবিতা

ভন্ড পীরদেরকে নিয়ে খুবই চমৎকার একটি কবিতা


*ভন্ড পীরদেরকে নিয়ে কবিতা* বিয়ে হল আজ সাতটি বছর, বাচ্ছা আসেনি কোলে।দিন কাটে তাই রহিম মিয়ার, নিদ্রা আহার ভুলে।শ্বাশুড়ী বলল- যাওনা বাবা, পাগলা পীরের কাছে, খুলে বল তারে মনের কথা, ,ইচ্ছে যত আছে। পরের দিন’ই রহীম মিয়া, ছুটল পীরের বাড়ি।সাথে নিয়েছে ফলফলাদি, মিষ্টি রসের হাড়ি। পৌঁছল এসে ঠিক দুপুরে, যেইখানে আছেপীর। দেখল সেথা খানকা ঘিরে, প্রচুর লোকের ভীড়। পীরের হাতে সোনার আংটি, গলায় টাকার মালা। চেয়ারখানা শৌখিন বটে, ম্যালা টাকার ঠেলা . ভাবলোবসে রহীম মিয়া, মুখে দিয়ে তার হাত। পীরে তাকে বাচ্ছা দিবে, রক্ষে হবে জাত। খানিক বাদে ডাক এসেছে,’ রহীম মিয়া’ বলে। সুড়সুড়িয়ে পীরের কাছে, রহীম এল চলে। বলল

ভন্ডপীর দেওয়ানবাগীর মুখোশ উন্মোচন।

❑ ভন্ডপীর দেওয়ানবাগীর মুখোশ
উন্মোচন।
একটু কষ্ট করে পড়ুন এবং পড়া শেষ
হলে ছবিটি সবার সাথে শেয়ার করে এই
ভণ্ডের মুখোশ সবার মাঝে খুলে দিন।
নাম মাহবুব এ খোদা,
সর্বস্তরে দেওয়ানবাগী নামে পরিচিত।
জন্ম ২৭ শে অগ্রহায়ন ১৩৫৬
বাংলা মোতাবেক ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৪৯
ইংরেজী। জন্মস্থান ব্রাক্ষনবাড়ীয়
জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন বাহাদুরপুর
গ্রামে। পিতা সৈয়দ আব্দুর রশিদ সরদার।
মাতা জোবেদা খাতুন । ছয় ভাই দুই বোন।
ভাইদের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠ।এক
নজরে দেওয়ানবাগীর
লিখা এবং বলা কিছু আকিদা ও

Monday, January 15, 2018

চরমনাই পীরের আসল চেহারা (দলীল প্রমান সহ)


চরমনাই পীরের আসল চেহারা (দলীল প্রমান সহ)

সকল প্রসংশা একমাত্র মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার জন্য, দুরুদ ও সালাম নাযিল হোক প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর।
আজ এখানে আলোচনা করবো বাংলাদেশ এর একজন পীর সম্পর্কে, তিনি হলেন চরমনাই পীর সাহেব, তার অনেক ভক্ত ও অনুসারী রয়েছে, তাই তার আসল চেহারাটা মুসলিমদের সামনে স্পষ্ট করে তুলে ধরছি,

চরমনাই পীর কী মুসলিম?

চরমনাই পীরের কথা তার নিজের জবানেই শুনুন, তিনি নিজেই বলছেনঃ

Sunday, January 14, 2018

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাক্বলীদ – পর্ব ২

লেখকঃ শরীফুল ইসলাম , লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

তাক্বলীদ কার জন্য বৈধ ও কার জন্য অবৈধ : 

মহান আল্লাহ কুরআন ও ছহীহ হাদীছে যাবতীয় বিধি-বিধান দানের মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। রাসূলুললাহ (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণ ইসলামের বিধান মানার ক্ষেত্রে রাসূলুললাহ (ছাঃ) ব্যতীত অন্য কারো তাক্বলীদ করতেন না। অনুরূপভাবে তাবেঈগণও নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির তাক্বলীদ না করে কেবলমাত্র কুরআন ও সুন্নাহর ইত্তেবা করতেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হ’ল, বর্তমান যুগে মুসলমানগণ ইসলামের বিধান থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। এক্ষেত্রে মানুষ তিন ভাগে বিভক্ত :

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাকলীদ – পর্ব ১

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাকলীদ – পর্ব ১

ভূমিকা :

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান, যা আল্লাহ তা‘আলা বিশ্বমানবতার জন্য দান করেছেন। আর তাকে বাস্তবায়ন করার জন্য যুগে যুগে নবী-রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন এবং ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান অহী মারফত জানিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং অহী-র বিধানই একমাত্র অভ্রান্ত জীবনবিধান। বর্তমান বিশ্বের প্রায় দেড়শত কোটি মুসলমান বসবাস করে। তারা বিশ্বের অন্যান্য জাতির সাথে তাল মিলিয়ে সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এগিয়ে চলেছে। পিছিয়ে পড়েছে শুধু আল্লাহর বিধান পালনে। ফলে মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও অনেকের আচরণ অমুসলিম-কাফেরদের সাথে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। আবার যারা ইসলামের বিধান বাস্তবায়নে নিয়োজিত, তারা অধিকাংশই শতধাবিভক্ত। বিভিন্ন তরীকা ও মাযহাবের বেড়াজালে নিজেদেরকে আবদ্ধ রেখে, পরস্পরে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয়ে বিচ্ছিন্ন জীবন-যাপন করছে। নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের অন্ধানুসরণের কারণে আল্লাহ প্রদত্ত অহী-র বিধানকে বাদ দিয়ে মাযহাবী গোঁড়ামিকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। তারা

কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ

কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবা

ভুমিকা

ইসলামের প্রথম যুগে মুসলমানগণ নিঃশর্তভাবে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে চলতেন। তারা নির্দিষ্ট কোন মাজহাব, তরীকা বা মতবাদের দিকে নিজেদেরকে নিসবত (সম্পৃক্ত) করতেন না। সকলেই মুসলিম বা মুমিন হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে বদরের যুদ্ধ যেহেতু ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল এবং তাতে অংশগ্রহণ করা বিশেষ একটি ফজীলতের কাজ ছিল, তাই যারা বদরের যুদ্ধে শরীক হয়েছেন তাদেরকে বদরী সাহাবী, যারা বাইআতে রিযওয়ানে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে আসহাবে বাইআত এবং দ্বীনি ইলম শিক্ষায় সর্বক্ষণ আত্মনিয়োগকারী সুফফাবাসী কতিপয় গরীব সাহাবীকে আসহাবে সুফফা বলা হত। কিন্তু পরবর্তীর্তে মুসলমানগণ রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য কারণে বিভিন্ন দলে ও উপদলে বিভক্ত হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করে শিয়া, খারেজী, মুতাজেলা, কদরীয়া, আশায়েরা, জাহমেয়ী এবং আরও অসংখ্য বাতিল ফির্কা ও মতবাদ। এরই ধারাবাহিকতায়

এত বড় হুজুর কি ভুল করতে পারেন?


এত বড় হুজুর কি ভুল করতে পারেন?

আমাদের দেশের মুসলিমদের বিভ্রান্ত থাকার একটা বড় কারন হল আমাদের এই অন্ধ বিশ্বাস যে আমাদের হুজুর কি কম জানেন? যে যেই মত/দল/জামাত/বা পীর সাহেবের তরিকায় বিশ্বাসী হোক না কেন…সবাই অন্ধভাবে বিশ্বাস করে যে তাদের হুজুর বা তাদের দলের/মতের প্রবর্তক, বা তাদের প্রধান নেতা সাহেবই দ্বীন ইসলামের একমাত্র সবজান্তা অথবা তিনি ভুল করতে পারেন না। সংগত কারনেই, এই হুজুরদের অনুসরন করেই কেউ মাজারে সিজদা দিচ্ছে, কেউ পীরের নামের মুরগী জবাই করছে কেউ বা কবরে চাদর চড়াচ্ছেন। এছাড়াও পীরপুজা, চল্লিশা, কুলখানী, হাদীসের নামে জালিয়াতি, স্বামী বসের আমল, জন্মদিন/মিলাদের অনুষ্ঠান এবং সে অনুষ্ঠানে রাসুলুল্লাহর (সাঃ) জন্য খালি চেয়ার রাখা, পীরসাহেবের কাছ থেকে জান্নাতের সার্টিফিকেরট নেওয়া, পীরের থুথু খাওয়া থেকে শুরু করে সবই চলছে কোন না কোন হুজুরকে অনুসরন করে

Saturday, December 16, 2017

নবী-রাসূল, অলী-আউলিয়া, বুজুর্গ, আলেম প্রমুখের নিকট কি শাফায়াত প্রার্থনা করা যায়? অথবা তাদের অসীলায় কি আল্লাহর নিকট কোন কিছু চাওয়া জায়েজ আছে?


১ম প্রশ্ন: অনেকে বলে, আমরা অলী-আউলিয়া ও বুজুর্গ লোকদের নিকট বিপদাপদ থেকে উদ্ধার কামনা করি। তবে তাদের নিকট আমরা যা চাই তা হল কিয়ামতের দিন যেন তারা আল্লাহর দরবারে আমাদের জন্য শাফায়াত করে। কারণ তারা সৎ লোক। আল্লাহর নিকট তাদের বিশাল মর্যাদা রয়েছে। তাই এই মর্যাদার কারণে আমরা চাই তারা আমাদের সুপারিশ করে পরকালে কঠিন বিপদ থেকে আল্লাহ আমাদেরকে উদ্ধার করবেন। এটা কি ঠিক?
——————————————————————-
উত্তর: আরবের মুশরিকরা তো তাদের শিরকের স্বপক্ষে হুবহু এ কথাই বলত। তার পরে ও মহান আল্লাহ তাদেরকে-কাফের মুশরিক বলে অবিহিত করেছেন। যেমন, আল্লাহ তায়ালা বলেন,

তাওহীদের বিশ্বাসঃ শিরক, কালিমা, তাবীজ-কবজ, সাফায়াত, পীর ও অন্যান্য সমুহ।


১ম অধ্যায়
তাওহীদ
১। আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেছেন,
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
“আমি জিন এবং মানব জাতিকে একমাত্র আমার ইবাদত করার জন্যই সৃষ্টি করেছি।” (যারিয়াত . ৫৬)।
২। আল্লাহ তা’আলা আরো এরশাদ করেছেন,
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اُعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ (النحل: ৩৬)
“আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল পাঠিয়েছি। [তাঁর মাধ্যমে এ নির্দেশ দিয়েছি] তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো, আর তাগুতকে বর্জন করো।” (নাহল: ৩৬)
আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র এরশাদ করেছেন,
وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا (الإسراء: ২৩)
৩। “তোমার রব এ নির্দেশ দিয়েছেন যে তাঁকে ছাড়া তোমরা আর কারো ইবাদত করো না। আর মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করো”। (ইসরা: ২৩)
৪। সূরা নিসাতে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন,

ইমান ও আকিদাহ সংক্রান্ত ১২ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরঃ

ইমান ও আকিদাহ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরঃ প্রশ্ন-১: আল্লাহ্ ছাড়া অন্য  কারো নামে কি কসম বা শপথ করা যায়?  উত্তর: আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো নাম  নিয়ে শপথ করা জায়েজ নয়।  নবী সাল্লাল্লাহু বলেন, সাবধান, নিশ্চয়  আল্লাহ্ পাক তোমাদেরকে তোমাদের  বাপ-দাদাদের নাম নিয়ে কসম  করতে নিষেধ করছেন। কেউ যদি কসম  করতে চায় তবে সে যেন আল্লাহ্র নাম  নিয়ে করে অন্যথা যেন নীরব থাকে।  (বুখারী ও মুসলিম)  আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত হয়েছে,  রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  বলেন,

আওলীয়া গণের কেরামতি!! ইসলামী দৃষ্টি কোন।

আওলীয়া গণের কেরামতি!!


কারামতে আওলীয়ার ব্যাপারে আহ্লুস্ সুন্নাত
ওয়াল জামাআতের বিশ্বাসঃ
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদার অন্যতম
অংশ হচ্ছে আউলীয়াদের কারামত এবং আল্লাহ
তা’আলা তাদের হাতে অলৌকিক ও সাধারণ অভ্যাসের
বিপরীত যে সমস্ত ঘটনা প্রকাশ করেন তাতে
বিশ্বাস করা। তবে অলী হওয়ার জন্য কারামত

অলীগণ কবরে জীবিত, এই সংশয়ের উত্তরাদি

অলীগণ কবরে জীবিত, এই সংশয়ের উত্তরাদি
যারা মনে করে, অলীগণ মৃত্যুর পরেও কবরে জীবিত আছেন কিংবা কবরে তাদের জীবন পৃথিবীর জীবনের থেকেও উন্নত মানের, তাদের রয়েছে কিছু দলীল। আসলে এসব দলীল নয় বরং সংশয় মাত্র । আমরা এ স্থানে তাদের কিছু প্রসিদ্ধ সংশয় তুলে ধরবো এবং জবাব দেবার চেষ্টা করবো:
প্রথম সংশয়: তারা বলে: অলীগণ মারা যায় না। কারণ উল্লেখ হয়েছে:

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ : ইসলামি দৃষ্টিকোণ

 অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ : ইসলামি দৃষ্টিকোণ
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله والصلاة والسلام على من لا نبي بعده
সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম নিবেদন করছি আমাদের সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সকল সাহাবীগণের প্রতি।
বর্তমান সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইসলাম সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকার কারণে বা ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতার কারণে ইসলাম ধর্মের নামে অনেক অনাচার, কুসংস্কৃতি, শিরক ও বিদআত প্রচলিত আছে ও প্রচলন ঘটছে। এর মধ্যে একটি হল, অলী আওলিয়াদের অসীলা দিয়ে দুআ-প্রার্থনা করা, তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া, তারা ভাল-মন্দ কিছু করতে পারে বলে বিশ্বাস রাখা,

Saturday, November 11, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৫৪. কোন আল্লাহ্’র ওলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করা অথবা তাঁকে যে কোনভাবে কষ্ট দেয়া

৫৪. কোন আল্লাহ্’র ওলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করা অথবা তাঁকে যে কোনভাবে কষ্ট দেয়া


কোন আল্লাহ্’র ওলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করা অথবা তাঁকে যে কোনভাবে কষ্ট দেয়াও আরেকটি কবীরা গুনাহ্। কারণ, তাদেরকে কষ্ট দেয়া মানে স্বয়ং আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কষ্ট দেয়া। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কষ্ট দিবে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত করবেন এবং আখিরাতে রয়েছে তার জন্য লাঞ্ছনাকর শাস্তি।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ