Showing posts with label সুন্নাত-সুন্নাহ. Show all posts
Showing posts with label সুন্নাত-সুন্নাহ. Show all posts

Sunday, March 11, 2018

রাসুল (সাঃ) ঘুমানোর পূর্বে যে আমলগুলো করতেন-

রাসুল (সাঃ) ঘুমানোর পূর্বে যে আমলগুলো করতেন-
====================================
১- ঘুমানোর পূর্বে ওযু করে নেওয়া- আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ওযু অবস্থায় রাত্রি যাপন করে তার অন্তর্বাসে এক ফিরিশ্তাও রাত্রিযাপন করেন। সুতরাং যখনই সে জাগ্রত হয় তখনই ঐ ফিরিশ্তা বলেন, ‘হে আল্লাহ! তোমার বান্দা অমুককে ক্ষমা করে দাও, কারণ সে ওযু অবস্থায় রাত্রি যাপন করেছে।’’(ইবনে হিববান, সহীহ তারগীব ৫৯৪)
তিনি আরো বলেন, যে কোনও মুসলিম যখনই ওযু অবস্থায় রাত্রিযাপন করে, অতঃপর রাত্রিতে (সবাক্) জেগে উঠে ইহকাল ও পরকাল বিষয়ক কোন মঙ্গল প্রার্থনা করে, তখনই আল্লাহ তাকে তা প্রদান করে থাকেন।’’(আবু দাঊদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, সহীহ তারগীব ৫৯৫)
২- শয়ন অবস্থায় দুই হাতের তালু একত্রে মিলিয়ে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে তাতে ফুঁ দিবে : তারপর দুই হাতের তালু দ্বারা দেহের যতোটা অংশ সম্ভব মাসেহ করবে। মাসেহ আরম্ভ করবে তার মাথা, মুখমণ্ডল ও দেহের সামনের দিক থেকে। (এভাবে ৩ বার করবে অর্থাৎ সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে মাসাহ করবে তাহলে ১ বার হল তারপর আবার সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে মাসাহ করবে তাহলে ২ বার হল এরপর আরও ১ বার করবে সর্বমোট ৩বার) (বুখারি-৫০১৭)
৩- রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন :

Sunday, March 4, 2018

#কবর_জিয়ারত_এর_বিধান_কবর_জিয়ারত_করার_সঠিক_শুদ্ধ_সুন্নাতি_পদ্ধতি_কী?

কবর যিয়ারতের আদব ( آداب الزيارة ) :
এই সময় নিজের মৃত্যু ও আখেরাতকে স্মরণ করবে এবং কবরবাসীদের মাগফেরাতের উদ্দেশ্যে খালেছ মনে নিম্নোক্ত দো‘আ সমূহ পাঠ করবে। দো‘আর সময় একাকী দু’হাত উঠানো যাবে। বাক্বী‘ গারক্বাদ গোরস্থানে দীর্ঘক্ষণ ধরে দো‘আ করার সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একাকী তিন বার হাত উঠিয়েছিলেন। এই সময় স্রেফ দো‘আ ব্যতীত ছালাত, তেলাওয়াত, যিকর-আযকার, দান-ছাদাক্বা কিছুই করা জায়েয নয়।
১ম দো‘আ : এটি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে শিক্ষা দিয়েছিলেন।

Monday, February 5, 2018

হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি

হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি

হাদীস অস্বীকার প্রসঙ্গে দুটি কথা:
সুপ্রিয় বন্ধুগণ, বর্তমান যুগে অগণিত ফিতনার মাঝে একটি বড় ফিতনা হল হাদীস অস্বীকার করা ফিতনা। এই হাদীস অস্বীকার কারীর দল তাদের নোংরা নখর বের করে সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্বত্বা এবং হাদীসে রাসূলের উপর কঠিন ভাবে আক্রমণ শুরু করেছে। কারণ, হাদীস থেকে মুসলমানদের দূরে সরাতে পারলে মানুষকে ইসলাম থেকে দূরে সরানো পানির মত সোজা। এ জন্য তারা ফেসবুক, ওয়েবসাইট ও ওয়া মাহফিল, সভা ইত্যাদির মাধ্যমে তাদের এই জঘন্য অপ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে তারা হাদীসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে সন্দিহান করে তুলছে। হাদীসের অপব্যাখ্যা করে তার মানহানি করছে। হাদীসকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে। তারা বলতে চায় শুধু কুরআন যথেষ্ট। হাদীস মানার প্রয়োজন নাই। হাদীস বা সুন্নাহ শব্দটি তারা শুনতে চায় না। যার কারণে এরা নিজেদেরকে নাম দিয়েছে আহলে কুরআন বা কুরআনের অনুসারী।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভবিষ্যৎ বাণী কত সত্য ভাবে প্রকাশিত হয়েছে!! তিনি বলেছেন:

হাদীস জাল করার সূত্রপাত কখন হলো?

হাদীস জাল করার সূত্রপাত কখন হলো?
ডঃ মুসতাফা হুসনী আস-সুবায়ী
হিজরী চল্লিশ সন হলো সুন্নাতের অনাবিল বিশুদ্ধতা এবং এর মধ্যে মিথ্যার অনুপ্রবেশ ও জাল হাদীস রচনার একটি চিহ্নিত সীমারেখা। এরপর সুন্নতে চললো সংযোজন; সুন্নতকে করা হলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের হাতিয়ার এবং অভ্যন্তরীন বিচ্ছিন্নতাবাদের মাধ্যম। অর্থাৎ হিজরী চল্লিশ সন পর্যন্ত সুন্নত ছিল পবিত্র। তারপর এ দুর্ঘটনাটি ঘটল তখন, যখন হযরত আলী ( রাঃ ) ও হযরত মুয়াবিয়া ( রাঃ ) এর মধ্যকার বিরোধ যুদ্ধের রূপ পরিগ্রহ করলো। রক্ত ক্ষয় হলো প্রচুর, অনেক লোক প্রাণ হারালো, মুসলমানরা হয়ে পড়লো বিভক্ত বিভিন্ন দলে। বেশিরভাগ লোকই ছিলো হযরত আলী ( রাঃ ) এর পক্ষে মুয়াবিয়া ( রাঃ ) এর বিপক্ষে। তারপর উদ্ভব

হাদীস কেন সহিহ ও জয়ীফ হয়? আমরা কোন হাদীসে উপর আমল করবো?

হাদীস কেন সহিহ ও জয়ীফ হয়? আমরা কোন হাদীসে উপর আমল করবো?

হাদীস কেন সহিহ ও যয়ীফ হয় ?? সহীহ হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যে হাদীসের মধ্যে ৫ টি শর্ত পূরণ হয়েছে তাকে সহীহ হাদীস বা বিশুদ্ধ হাদীস বলে। শর্ত ৫ টি হল- ১) হাদীসের সকল বর্ণনাকারী বা রাবী পরিপূর্ণ সৎ ও বিশ্বস্ত বলে প্রমানিত। একে ‘আদালত’ বলে। ২) সকল রাবীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ পূর্ণরূপে বিদ্যমান বলে প্রমানিত। একে ‘যাবতা’ বলে। ৩) সনদের প্রত্যকে রাবী তাঁর ঊর্ধ্বতন রাবী থেকে স্বকর্ণে হাদিসটি শুনেছেন বলে প্রমানিত। একে ‘ইত্তিসাল’ বলে। ৪) হাদীসটি অন্যান্য প্রমানিত হাদীসের বর্ণনার বিপরীত নয় বলে প্রমানিত। একে ‘শুযুয মুক্তি’ বলে। ৫) হাদিসটির মধ্যে সূক্ষ্ম কোন সনদগত বা অর্থগত ত্রুটি নেই বলে প্রমানিত। একে ‘ইল্লাত মুক্তি’ বলে। হাসান হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যেসব হাদীসে সহীহ হাদীসের ৫ টি শর্ত বিদ্যমান, কিন্তু দ্বিতীয় শর্ত অর্থাৎ, ‘যাবতা’ বা হাদীস বর্ণনাকারীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ কিছুটা দুর্বল বলে বোঝা যায়,

★ হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ>>> হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

★ হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ>>> হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ <<<পরবর্তী পোষ্ট: সহীহহাদীস এর সংজ্ঞা এবং কেন সহীহ হাদীসের উপর আমাদের আমলকরতে হবে।প্রসংগ কথাবিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।সকল প্রশংসা কেবল মহান আল্লাহ রাবুল আলামিনয়ের, অসংখ্যদরুদ বিশ্ব মানবতার মহান শিক্ষক ও নেতা রাসুল পাক (স:) ও তারবংশ ধরদের প্রতি এবং হাজার ও সালাম সে সব বীর মুজাহিদদেরপ্রতি, যারা যুগে যুগে আল্লাহর জমিনে আল্লাহরদ্বীনকে বিজয়ী করতে নিজেদের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন।আমার প্রাণ প্রিয় জ্ঞান পিপাসু মুমিন মুক্তাকী ভাইএবং বোনেরা আমি হাদীস শাস্ত্রের কতিপয় পরিভাষা আল্লাহরমেহের বানীতে এই জন্য লেখার প্রয়োজন মনে করলাম আমাদেরঅনেক বাংলাদেশী ভাই এবং বোনেরা কুয়েতে এবং অন্যান্যা মুসলিমরাষ্ট্রে বসবাস করছে এবং এদের ভিতর যারা আলেমতারা মাশাআল্লাহ এ বিষয়ে জ্ঞান রাখেন। কিন্তু যারা আলেমনা কিন্তু কুরআন হাদীস পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে চান বিশেষকরে সেই দ্বীনি ভাইয়েরা এবং বোনেরা আশা করি অনেক উপকৃতহবেন।হাদীস কাকে বলে?হাদীস শব্দের আভিধানিক অর্থ কথা, বাণী, সংবাদ

সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা, হাদীসে কুদসী এবংকোরআন ও হাদীসে কুদসী’র মধ্যে পার্থক্য ।

>>>> সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা, হাদীসে কুদসী এবংকোরআন ও হাদীসে কুদসী’র মধ্যে পার্থক্য <<<<ইসলামী শরীয়তের দুটি মূল উৎস হচ্ছে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ্হাদীছ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন,আমি তোমাদের মাঝে দুটি বস্তু রেখে যাচ্ছি, যতক্ষণ পর্যন্ততোমরা ঐ দুটিকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্তপথভ্রষ্ট হবে না। সে দুটি হল আল্লাহর কিতাব (আল-কুরআন)এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত (আল-হাদীছ)। (মুওয়াত্ত্বা ইমাম মালেক, মিশকাত হা/১৮৬; আল-মুস্তাদরাক লিল হাকেম, সনদ হাসান)যেহেতু উপরোক্ত দুটি উৎসই ইসলামী জীবন-যাপনের মূল হাতিয়ারএবং এর উপরেই মুসলমানদের হেদায়াত নির্ভরশীল, সেহেতু যুগপরস্পরায় ইসলামের শত্রুরা এ দুটি মূল উৎসের মাঝেই ভেজালঢুকানোর চেষ্টা করেছে। কুরআন যেহেতু মহানবী সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময়েই লিখিত আকারে সংরক্ষিত ছিল।কণ্ঠস্থ ছিল বহু ছাহাবীর। কাজেই তারা কুরআনে হাত দেওয়ারদুঃসাহস দেখাতে পারেনি। কিন্তু

সুন্নাত উপেক্ষার পরিণাম

সুন্নাত উপেক্ষার পরিণাম

আবূ নাফিয লিলবার আল-বারাদী
মানবতার হেদায়াতের জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ হ’লেন মুহাম্মাদ (ছাঃ)। তাঁর উম্মত তথা মুসলিম জাতিকে হেদায়াতের জন্য মহাগ্রন্থ আল-কুরআন দান করেছেন। হাদীছ বা সুন্নাত হচ্ছে কুরআনের নির্ভুল ব্যাখ্যা। কুরআন সঠিকভাবে বুঝে সে অনুযায়ী আমল করতে হ’লে হাদীছ বা সুন্নাহর কোন বিকল্প নেই। সুতরাং মুমিন জীবনে সুন্নাহর গুরুত্ব অপরিসীম। পক্ষান্তরে সুন্নাতকে উপেক্ষা করা, তাকে অবজ্ঞা-অবহেলা ভরে প্রত্যাখ্যান করা রাসূল (ছাঃ)-কে প্রত্যাখ্যান করার নামান্তর। এহেন গর্হিত কাজের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আলোচ্য নিবন্ধে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হ’ল।
সুন্নাহর পরিচিতি :

সুন্নতে নববীকে আঁকড়ে ধরা ও জীবনে এর প্রভাব

সুন্নতে নববীকে আঁকড়ে ধরা ও জীবনে এর প্রভাব
উপস্থাপকের কথা,
সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা‘আলার, দরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর। হে আল্লাহ আপনি তাঁর উপর রহমত ও শান্তি নাযিল করুন।
আজকের এ মহিমান্বিত রাতে আমরা সবাই সৌভাগ্যবান – আশা করি আপনারা সকলেও- যে, আমরা এক মহান আলেমের সাথে মিলিত হয়েছি। তিনি তার মূল্যবান সময় ও ত্যাগ ইলম এবং তালিবে ইলমের খেদমতে দিয়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে এর বিনিময়ে সাওয়াব ও প্রতিদান ছাড়া তিনি পার্থিব কোনো কিছু আশা করেন না। তিনি হলেন মহামান্য শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালিহ আল-উসাইমীন,

সালাম ও তার বিধি-বিধান

সালাম ও তার বিধি-বিধান


ভূমিকা
 

الحمد لله رب العالمين وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله  وعلى آله وأصحابه أجمعين،
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সমগ্র সৃষ্টিকুলের রব্ব। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ক ইলাহ নেই তিনি একক তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর তার পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর উপর।
হে পাঠক ভাইয়েরা! ‘আসসালামু আলাইকুম ওরাহ মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’ আল্লাহ তোমাদের দয়া করুক!
তোমরা অবশ্যই একটি কথা মনে রাখবে, মুসলিমদের মধ্যে সালামের প্রচার-প্রসার ইসলামের একটি মহান ঐতিহ্য ও বিশেষ সৌন্দর্য। আর সালাম পরস্পর সালাম বিনিময় করা একজন মুসলিমের উপর অপর মুসলিমের অধিকার ও দায়িত্ব। এ ছাড়াও সালাম বিনিময় করা ঈমানের জন্য আবশ্যকীয় বিষয়-মুসলিমদের মধ্যে পরস্পর মহব্বত ও ভালোবাসা- যা একজন মুসলিমকে জান্নাতে নিয়ে যায়, তা সৃষ্টির কারণ হয়। যেমন- আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলেন,

সহিহ হাদিসে কুদসি (১ম পর্ব)

 
 
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য এবং দরূদ ও সালাম আল্লাহর রাসূল, তার পরিবারবর্গ, তার সাথী ও তার সকল অনুসারীদের ওপর। অতঃপর,
“সহিহ হাদিসে কুদসি” গ্রন্থটি আমার নিকট বিশুদ্ধ প্রমাণিত  হাদিসে কুদসির বিশেষ সংকলন। এখানে আমি সনদ ও ব্যাখ্যা ছাড়া হাদিসে কুদসিগুলো উপস্থাপন করেছি। হাদিসগুলো সূত্রসহ উল্লেখ করে হুকুম ও শব্দের জরুরী অর্থ বর্ণনা করে ক্ষান্ত হয়েছি। আল্লাহ আমার এ আমল কবুল করুন এবং এর দ্বারা সকল মুসলিমকে উপকৃত করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব হাদিস আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করে বর্ণনা করেছেন আলেমগণ সেগুলোকে “হাদিসে কুদসি” নামে অভিহিত করেছেন। আল্লাহর নাম “কুদ্দুস” এর সাথে সম্পর্কযুক্ত করে এসব হাদিসকে ‘কুদসি’ বলা হয়। (“কুদ্দুস” অর্থ পবিত্র ও পুণ্যবান।)
“হাদিসে কুদসি” ও কুরআনুল কারিমের মধ্যে পার্থক্য:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

بسم الله الرحمن الرحيم

ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টিকুলের মহান রব আল্লাহর জন্য। উত্তম পরিণতি কেবল মুত্তাকীদের জন্য। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার বান্দা ও রাসূল আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর; যাকে সকল সৃষ্টির জন্য রহমত ও সমস্ত বান্দাদের জন্য দলীল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে। আরও নাযিল হোক তার পরিবার-পরিজন ও সাথী-সঙ্গীদের উপর; যারা অত্যন্ত আমানতদারিতা ও দৃঢ়তার সাথে তাদের পবিত্র মহান প্রভুর কিতাব ও তাদের নবীর সুন্নাহ্‌কে বহন করেছে এবং শব্দ ও অর্থ পরিপূর্ণ সংরক্ষণ করে তাদের পরবর্তীদের নিকট পৌঁছিয়েছে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট ও তাদের খুশি করুন এবং আমাদেরকে তাদের সুন্দর অনুসারী হিসেবে কবুল করুন।
পূর্বের ও পরবর্তী যুগের সমস্ত আলেম এ বিষয়ে একমত যে,

রাসূলের মহব্বতকারী নাকি দুশমন?

রাসূলের মহব্বতকারী নাকি দুশমন?

একবিংশ শতাব্দীর গোড়ায় দাঁড়িয়ে যখন নিত্যনতুনবাদ-মতবাদের আঘাত একেরপর এক আছড়েপড়ছে ইসলামের কূলে, তখন ভ্রান্ত বিদআতীগোষ্ঠী নতুন করে মাঠে নেমেছে মানুষেরঈমান হরণে। সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে তাদেরমুখোশ উন্মোচন করা এবং জাহান্নামের আগুনথেকে মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করা। বিষয়টিমাথায় রেখে ভাবলাম স্বতন্ত্র একটি ছোট্টহলেও নিবন্ধ লেখা যায় কি না। বলাবাহুল্য সে ক্ষুদ্রপ্রয়াসই এই লেখা।যুগে যুগে মানুষের ঈমানহরণে এমন বহু চেষ্টাহয়েছে। কোনোকালেই এ চেষ্টা থেমেছিল না। আজও থেমে নেই। বরং নিত্যনতুন প্রযুক্তিও মিডিয়ার বদৌলতে তাদের প্রচারে যেন গতিসঞ্চারিত হয়েছে। ১২ রবিউল আউয়ালকেসর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবের দিন বানাতে হালুয়া-রুটি আরওরসের মান্নতি মহিষের গোস্ত খাওয়া মুসলিমভাইদের কী উৎকট চেষ্টা! আরে ভাই, রাসূলেরঅনিশ্চিত জন্মদিবস আর নিশ্চিত মৃত্যদিবসে কীভাবেউৎসব করেন?

রসিকতা বা মজাক করার ইসলামী বিধান।

রসিকতা
সৃষ্টির শুরু থেকে বর্তমান যুগ পর্যন্ত মানুষের জীবনাচারের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে তাদের জীবনের সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে মিশে আছে হাসি-তামাশা ও আনন্দ-রসিকতা। এ ক্রিড়া-কৌতুক ও আনন্দ-রসিকতা মানুষের জীবনে বয়ে আনে এক অনাবিল প্রান চাঞ্চল্য ও উদ্যমতা। মানুষকে করে ঘনিষ্ঠ। তাদের আবদ্ধ করে এক অকৃত্রিম ভালবাসার মায়াডোরে।
আনন্দ-রসিকতার এ মহোময় ক্রিয়াটি সম্পাদিত হয় সমবয়সী বন্ধু-বান্ধব, সাথী-সঙ্গী, নিজ সন্তানাদি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মাঝে।বরং কোন মানুষই এ আনন্দঘন কর্ম থেকে মুক্ত নয়। তবে কেউ কম আর কেউ বেশি।
মুসলমান আল্লাহ তাআলার বান্দা হিসাবে তার জীবনের প্রতিটি পর্বকে সাজাতে হবে মহান আল্লাহ তাআলার নির্দিষ্ট রীতি অনুযায়ী। যাতে তার মধ্যে আল্লাহ তাআলার উবূদিয়্যত (দাসত্ব) পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়িত হয়।
বর্তমানে মানুষের মাঝে হাসি-তামাশার প্রচলন একটু বেশি।তাই তার ধরণ-প্রকৃতি, হুকুম ও প্রকার এবং এ বিষয়ে শরয়ী দৃষ্টিকোণ কি সে সম্পর্কে জানা আবশ্যক হয়ে দাড়িয়েছে। যাতে মুসলমানরা সেগুলো মেনে চলতে পারে ও একঘেয়েমি দূরকারী এ সুন্দর পদ্ধতি পরিত্যাগ করতে না হয়। এবং এর শরয়ী দিকনির্দেশনা অবলম্বন করে যেন পুণ্য অর্জন করতে পারে পাশাপাশি নিজেকে গুনাহ থেকে বিরত রাখতে পারে।
রসিকতা তিন প্রকার:

যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান কি ?

যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান
আমরা আগের একটা পোস্টে বলেছিলাম যে,
প্রায় ১১৮টি মহামূল্যবান classical বইয়ের
রেফারেন্স সমৃদ্ধ, স্প্যানিস ধর্মান্তরিত মুসলিম
Jamal al-Din M Zarabozo-র গবেষণা গ্রন্থ “The
Authority and Importance of Sunnah” থেকে,
আমরা কিছু অংশ অনুবাদ করে করে তুলে দেবো
আপনাদের জন্য, যা পড়লে যে কেউ বুঝবেন
যে, হাদীস বা সুন্নাহর ব্যাপারে classical স্কলাররা
কত serious ছিলেন। আজ সেই বই থেকে
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের একাংশ তুলে
দেবো ইনশা’আল্লাহ্, যে অধ্যায়ের নাম
হচ্ছে:”যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায়
বিধান”।

মিথ্যা বা জাল হাদীস প্রচারের ভয়াবহ পরিণতি!!

মিথ্যা বা জাল হাদীস প্রচারের ভয়াবহ পরিণতি!!


*যা নবী(স) বলেন নাই তা বলা মানে নবীর(স) এর নামে মিথ্যা বলা, ফলে তার স্থান হবে জাহান্নাম*
🔴 *মিথ্যা হাদিস প্রচারের ভয়াবহ পরিণতি*🔴
*যে হাদিস জাল করে বা বানোয়াট করে বা মিথ্যা হাদিস ছড়ায় এবং যে ব্যক্তি ঐ মিথ্যা হাদিস প্রচারে সহযোগীতা করে, আর যারা তা অনুসরণ করবে, তাদের সমস্ত গুনাহ ঐ ব্যক্তিদের ঘাড়ে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত জমা হতে থাকবে।*
সর্ব প্রথমে আমি অযোগ্য ব্যক্তি ক্ষমা চাচ্ছি ও বিনীত অনুরোধ করছি, যদি কখনো মনে হয় যে, আমি নবী (স) এর পথ থেকে সামান্যতম ও বিচ্যুত হচ্ছি,তাহলে অবশ্যই আমাকে সতর্ক করবেন।
📚কুরান বলেঃ

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (১ম পর্ব)

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (১ম পর্ব)
(ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)
ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আল-হামদুলিল্লাহ ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসূলিল্লাহ, ওয়া আলা ’আলিহী ওয়া সাহবিহী। ওয়াবা‘দ
অতঃপর নিশ্চয়ই আমাদের প্রতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠতম নেয়ামত হলো ইসলাম, ইসলাম আল্লাহর মনোনীত স্বভাবজাত এবং ন্যায়নীতি-ভারসাম্য, মধ্যমপন্থী দ্বীন, ইসলাম দুনিয়া-আখেরাতের সকল কল্যাণ ও মঙ্গলকে আবেষ্টনকারী এবং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞান ও আখলাক- চরিত্রের দ্বীন, ইসলাম স্থান-কাল নির্বেশেষে সবার জন্য উপযোগী, ইসলাম সহজ-সাধ্য ও শান্তির দ্বীন, বরং ইসলামে রয়েছে সব সমস্যার সমাধান। অতএব, বর্তমান যুগে বিশ্ব মানবতার সামনে ইসলামের সৌন্দর্য্য ও মৌলিক বৈশিষ্টাবলীর বর্ণনা কতই না জরুরী; যাতে বিশ্বের সামনে দ্বীন ইসলামের প্রকৃত ছবি ফুটে উঠে। মূলত বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবনাদর্শ হলো

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (২য় পর্ব)

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (২য় পর্ব)
(ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)
(১২) হাদী, কুরবানী ও ‘আকীকাহ্ প্রসঙ্গে তাঁর আদর্শমালা[90]
(ক) হাদী প্রসঙ্গে তাঁর আদর্শমালা[91]:
১. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উট ও ছাগলপাল হাদী হিসেবে প্রেরণ করেন এবং তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ হতে হাদী হিসেবে গরু প্রেরণ করেন। তিনি হজ্জ ও ওমরার সময় এবং (হুদায়বিয়ার সন্ধি কালে) অবস্থান স্থলে হাদী যবেহ্ করেন।
২. তাঁর আদর্শ ছিল, হাদী হিসেবে প্রেরিত ছাগলপালের গলায় বেড়ি লাগানো, সেগুলোর গলায় ছুরির আঘাতে দাগ করা নয়। তিনি স্বীয় হাদী প্রেরণের পর (ইহরাম বাঁধার পূর্বমুহুর্ত পর্যন্ত) কোনো হালাল বিষয়াদিকে নিজের উপর হারাম মনে করেন নি।
৩. তিনি হাদি হিসেবে উট প্রেরণ করলে সেগুলিকে ‘তাক্বলীদ’-গলায় বেড়ী লাগাতেন, বা

প্রশ্ন:- প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যাবহার করা কি জায়েয? প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যাবহার করা কি জায়েয?
প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?
উত্তর:- প্রস্রাব করার পর পানি ব্যাবহার করার জন্য পানি না পাওয়া গেলে টিস্যু ব্যাবহার করা যাবে এটা হারাম নয়। তবে সেক্ষেত্রে সর্তকভাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন টিস্যুর পরিমান বেশি থাকে যাতে প্রস্রাবের পানি টিস্যু অতিক্রম করে শরীরে এবং হাতে না লেগে যায়। সুতরাং প্রস্রাবের পর পবিত্র হওয়ার জন্য পানি ব্যাবহার করার মত ব্যাবস্থা না থাকলে টিস্যু ব্যাবহার করাতে কোনো বাধা নেই। তবে পানি ব্যাবহার করার মত ব্যাবস্থা থাকলে শুধু মাত্র পানিই ব্যাবহার করতে হবে টিস্যু ও পানি একসাথে নয়।
প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্নোত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী

প্রশ্নোত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী
ডাউনলোড (পিডিএফ)
১. প্রশ্নঃ আমাদের প্রিয় নবীজীর নাম কি?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
২. প্রশ্নঃ তাঁর পিতা- মাতা ও দাদার নাম কি?
উত্তরঃ পিতাঃ আবদুল্লাহ, মাতাঃ আমেনা, দাদাঃ আবদুল মুত্তালিব।
৩. প্রশ্নঃ তাঁর দুধমাতার নাম কি?

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ