Showing posts with label কুরবানী. Show all posts
Showing posts with label কুরবানী. Show all posts

Saturday, February 17, 2018

যুলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের আমল এবং কুরবানীর মাসায়েল

যুলহজ্জ মাসের প্রথম দশ
দিনের আমল এবং কুরবানীর
মাসায়েল
লেখক: আবদুল্লাহ আল কাফী
সম্পাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী
ভূমিকা: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর
জন্য, যিনি আমাদের জন্য ইসলাম
ধর্মকে পরিপূর্ণ করে
দিয়েছেন। দরূদ ও শান্তির অবিরাম
ধারা বর্ষিত হোক নবীকুল
শিরোমণি মুহাম্মদ (সা) এবং তাঁর
পবিত্র বংশধর ও সম্মানিত
সাথীদের উপর।
রাসূল (সাল্লাল্লাহী আলাইহি ওয়া
সাল্লাম) বলেন: “আমার উম্মতের

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

সূচীপত্র
ভূমিকা
অনুবাদকের কথা
যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের ফজিলত ও আমল
১-যিলহজ মাসের প্রথম দশকের ফজিলত
২-যিলহজ মাসের প্রথম দশকে নেক আমলের ফজিলত
যিলহজের প্রথম দশ দিনে যে সকল নেক আমল করা যেতে পারে
১-খাঁটি মনে তওবা করা
২-তওবা কবুলের শর্ত
৩-হজ ও ওমরাহ আদায় করা
৪-নিয়মিত ফরজ ও ওয়াজিব সমূহ আদায়ে যত্নবান হওয়া
৫-বেশি করে নেক আমল করা

যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ


ভূমিকা
 
إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
নিশ্চয়ই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তার কাছেই সাহায্য চাই, তার নিকটই ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও আমাদের কর্মসমূহের ক্ষতি থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়াত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নেই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্যিকার ইলাহ নেই,

ভাগে কুরবানী করার বিধান

ভাগে কুরবানী করার বিধান
– শায়খ আখতারুল আমান আবদুস সালাম
একথা সর্বজন বিদিত যে একটি গোটা জান কুরবানী
দেয়াই উত্তম । কারণ একটি গোটা জান কুরবানী
দিলে তা পুরা পরিবারের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়,যদিও
সে পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাতেরও অধিক হয়।
পক্ষান্তরে শরীক কুরবানী এর ব্যতিক্রম। ওটাতে যে
শরীক হবে শুধু মাত্র তার পক্ষ থেকেই কুরবানী হবে।
তার পরিবারের পক্ষ থেকে আদায় হবেনা। এক্ষনে উট
ও গরুতে শরীক কুরবানী বৈধ কিনা সে বিষয়ে
আলোকপাত করা যাক।
উট ও গরুতে শরীক হওয়া নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম) এর একাধিক বিশুদ্ধ হাদীছ ও সালাফে
সালেহীনের বাণী দ্বারা সূপ্রমানিত। নিম্নে সে
সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
এর কতিপয় হাদীছ ও সালাফে ছালেহীনের বাণী

জিলহজ মাসের প্রথম দশদিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান

জিলহজ মাসের প্রথম দশদিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান
জিলহজ মাসের দশদিনের ফযীলত :
আল্লাহ তা‌’আলার অশেষ মেহেরবানী যে, তিনি নেককার বান্দাদের জন্য এমন কিছু মৌসুম করে দিয়েছেন, যেখানে তারা প্রচুর নেক আমল করার সুযোগ পায়, যা তাদের দীর্ঘ জীবনে বারবার আসে আর যায়। এসব মৌসুমের সব চেয়ে বড় ও মহত্বপূর্ণ হচ্ছে জিলহজ মাসের প্রথম দশদিন।
জিলহজ মাসের ফযীলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসের কতক দলীল :
১. আল্লাহ তা‌’আলা বলেন :
﴿ وَالْفَجْرِ، وَلَيَالٍ عَشْرٍ  [الفجر:1-2]
কসম ভোরবেলার। কসম দশ রাতের। (সূরা ফাজর : ১-২)
ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন : এর দ্বারা উদ্দেশ্য জিলহজ মাসের দশ দিন।
২. আল্লাহ তা‌আলা বলেন :

কোরবানি : তাৎপর্য ও আহকাম কোরবানির দিন কোরবানির দিনের ফজিলত

কোরবানি : তাৎপর্য ও আহকাম
কোরবানির দিন
কোরবানির দিনের ফজিলত
(১) এ দিনের একটি নাম হল ইয়াওমুল হজ্জিল আকবর বা শ্রেষ্ঠ হজের দিন। যে দিনে হাজীগণ তাদের পশু জবেহ করে হজকে পূর্ণ করেন। হাদিসে এসেছে :
عن ابن عمر- رضى الله عنهما- أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم النحر : (أي يوم هذا) ؟ قالوا : يوم النحر، قال: هذا يوم الحج الأكبر .رواه أبو داود ১৯৪৫ وصححه الألباني
ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ স. কোরবানির দিন জিজ্ঞেস করলেন এটা কোন দিন? সাহাবাগণ উত্তর দিলেন এটা ইয়াওমুন্নাহার বা কোরবানির দিন। রাসূলে কারীম স. বললেন : এটা হল ইয়াওমুল হজ্জিল আকবর বা শ্রেষ্ঠ হজের দিন।[১]
(২) কোরবানির দিনটি হল বছরের শ্রেষ্ঠ দিন। হাদিসে এসেছে,

কুরবানীর মাসায়েল

কুরবানীর মাসায়েল

কুরবানীর মাসায়েল
কুরবানীর শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ

কুরবানী শব্দটি আরবী قربان কুরবান হতে উৎপন্ন। যার অর্থ হল, নিকটবর্তী হওয়া বা নৈকট্য লাভ করা। আর শরীয়তের পরিভাষায় কুরবানী বলতে যে পশু ঈদের দিন জবেহ করা হয় তাকেই বুঝানো হয়।
এটাকে আবরীতে أضحية উযহিয়াও বলা হয়। এই أضحية আরবী শব্দটিকে চার ভাবে পড়া যায়।
(১) أضحية (উযহিয়্যাহ)
(২) إضحية (ইযহিয়্যাহ) এ দুটি শব্দের বহুবচন আসে أضاحي)
(৩)  ضحية (যহিয়্যাহ্) বহুবচনেঃ ضحايا যাহায়া
(৪) أضحاه (আযহাহুন) বহু বচনেঃ أضحى এ থেকে কুরবানীর দিন কে আরবী ভাষায় يوم الأضحي(ইয়ামুল আযহা) বলা হয়। (লেসানুল আরাবের বরাতে ফিকহুল উযহিয়্যাহ ৭ পৃঃ)
ইমাম ছানআনী বলেন:

কুরবানীর একাংশে আকিকা দেওয়া প্রসঙ্গে!

কুরবানীর একাংশে আকিকা দেওয়া প্রসঙ্গে!


আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ কারীম। আম্মা বাদঃ
অতঃপর কুরবানীর সময় আমরা আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত
আমল দেখতে পাই, তা হচ্ছে, গরু কিংবা উট কুরবানী দেয়ার
সময় তাতে সন্তানের আক্বীকা দেওয়া। বিষয়টির ব্যাখ্যা এই
রকম যে, যেহেতু একটি গরু কিংবা উটে সাতটি ভাগ প্রমাণিত।
অর্থাৎ সাত ব্যক্তি শরীক হয়ে কুরবানী দিতে পারে এবং
সেটি সাত জনের পক্ষে স্বীকৃত। তাই কোন কুরবানীদাতা
যদি কুরবানীর উদ্দেশ্যে একটি গরু বা উট ক্রয় করে,

কুরবানীর ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান


কুরবানীর ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান
মহান আল্লাহ মানব জাতিকে একমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তবে সেক্ষেত্রে তিনি কিছু ইবাদত ফরজ করেছেন, আর কিছুকে ওয়াজিব সাব্যস্ত করেছেন। মুসলিমগণের উচিত একনিষ্ঠভাবে একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সেগুলো সম্পন্ন করা। কুরবানী সে ধরনের একটি ইবাদত যার বিধান আদম (আ.) এর যুগ থেকেই চলে আসছে। কিন্তু এ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের সঠিক ইতিহাস ও বিধানাবলী সম্পর্কে আমরা খুব কমই অবগত আছি। আলোচ্য নিবন্ধটি এ বিষয়ে আমাদের অনেক সহায়ক হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
(ক) কুরবানীর ইতিহাস :
পৃথিবীর সর্বপ্রথম কুরবানী:
কুরবানীর ইতিহাস খুবই প্রাচীন। সেই আদি পিতা আদম (আ.) এর যুগ থেকেই কুরবানীর বিধান চলে আসছে। আদম (আ.) এর দুই ছেলে হাবীল ও কাবীলের কুরবানী পেশ করার কথা আমরা মহাগ্রন্থ আল-কুরআন থেকে জানতে পারি। মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা‘আলা বলেন,

কুরবানী: ফযিলত ও আমল

কুরবানী: ফযিলত ও আমল

 ﺇﻥ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻋﻠﻰ ﺁﻟﻪ ﻭﺻﺤﺒﻪ ﺃﺟﻤﻌﻴﻦ ﺃﻣﺎ ﺑﻌﺪ কুরবানী আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে এক বিশেষ অনুগ্রহ। কেননা বান্দাহ কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে পারে। কুরবান শব্দটি কুরবুন শব্দ থেকে উৎকলিত। অর্থাৎ নিকটবর্তী হওয়া, সান্নিধ্য লাভ করা। যেহেতু আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার মাধ্যম হল কুরবানী তাই এর নাম কুরবানীর ঈদ। এই দিনে ঈদ পালন করা হয়ে থাকে এজন্য একে কুরবানীর ঈদ বলে। এ ঈদের অপর নাম ঈদুল আদ্বহা। আরবি শব্দ আদ্বহা অর্থ কুরবানীর পশু, যেহেতু এই দিনে কুরবানীর পশু যবেহ করা হয়, তাই একে ঈদুল আদ্বহা বলা হয়। কুরবানীর গুরুত্ব কুরবানী হলো ইসলামের একটি শি’য়ার বা মহান নিদর্শন। কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা নির্দেশ দিয়েছেন: ﴿ ﻓَﺼَﻞِّ ﻟِﺮَﺑِّﻚَ ﻭَﭐﻧۡﺤَﺮۡ ٢ ﴾ ‏[ ﺍﻟﻜﻮﺛﺮ : ٢‏] ‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও পশু কুরবানী কর।’ [সূরা আল-কাউসার : ২] আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয় ভুল- ত্রুটি

কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয় ভুল- ত্রুটি
লেখক: আব্দুর রাকীব মাদানী
সম্পাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা
রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বাদঃ
অতঃপর এই সংক্ষিপ্ত লেখায় আমরা কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয়
ভুল-ত্রুটি আলোকপাত করার ইচ্ছা করেছি, যেন এই ইবাদতটি
আমরা সঠিক ভাবে সম্পাদন করতে পারি এবং ভুল-ত্রুটি থেকে
দূরে থেকে পূর্ণ সওয়াবের অধিকারী হতে পারি। ওয়ামা
তাওফীকী ইল্লা বিল্লাহ।
১-কুরবানীর উদ্দেশ্যে ভুলঃ কুরবানী একটি ইবাদত কারণ

কুরবানী ও ঈদের বিধি-বিধান

কুরবানী ও ঈদের বিধি-বিধান
মূল: শাইখ মুহাম্মদ বিন সালিহ আল
উসাইমীন রহ.
অনুবাদ: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন
আব্দুল জলীল
ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ . ﺃﻣﺎ ﺑﻌﺪ
কুরবানীর বিধি-বিধান:
কুরবানী মূলত: জীবিত মানুষের
জন্য। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবায়ে
কেরাম নিজেদের পক্ষ
থেকে এবং তাঁদের পরিবার-

ইসলামে আকিকা করার বিধানঃ কুরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকিকা দেয়া কি বৈধ?

ইসলামে আকিকা করার বিধানঃ কুরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকিকা দেয়া কি বৈধ?

ভূমিকাঃ ﺍﻟﻤﻘﺪﻣﺔ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জন্য
দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। দরূদ ও শান্তির
অবিরাম ধারা বর্ষিত হোক নবীকুল শিরোমণী মুহাম্মাদ (সাঃ)
এবং তাঁর পবিত্র বংশধর ও সম্মানিত সাথীদের উপর। ইসলাম একটি
শান্তিময় জীবন বিধান। নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মৃত্যু বরণ করার
পূর্বেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দ্বীনকে
মুসলমানদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। একজন
মানুষের জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের
প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম সুন্দর সুন্দর বিধান প্রদান করেছে।

Saturday, February 3, 2018

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

Untitledলেখক: শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
সম্পাদক: শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ কারীম। আম্মা বাদঃ
অতঃপর কুরবানীর সময় আমরা আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত আমল দেখতে পাই, তা হচ্ছে, গরু কিংবা উট কুরবানী দেয়ার সময় তাতে সন্তানের আক্বীকা দেওয়া। বিষয়টির ব্যাখ্যা এই রকম যে, যেহেতু একটি গরু কিংবা উটে সাতটি ভাগ প্রমাণিত। অর্থাৎ সাত ব্যক্তি শরীক হয়ে কুরবানী দিতে পারে এবং সেটি সাত জনের পক্ষে স্বীকৃত। তাই কোন কুরবানীদাতা যদি কুরবানীর উদ্দেশ্যে একটি গরু বা উট ক্রয় করে, অতঃপর

Wednesday, October 25, 2017

একটি গরুর ভাগে যদি কিছু লোকের নিয়ত কুরবানী না থাকে, তাহলে কি বাকী লোকের কুরবানী সঠিক হয়ে যাবে?

একটি গরুর ভাগে যদি কিছু লোকের নিয়ত কুরবানী না থাকে, তাহলে কি বাকী লোকের কুরবানী সঠিক হয়ে যাবে?


প্রত্যেকের নিজ নিজ নিয়ত অনুযায়ী ফল পাবে। যার কুরবানীর নিয়ত আছে, তার কুরবানী সঠিক হয়ে যাবে। ৪৬২ (মাজাল্লাতুল বুহূষিল ইসলামিয়্যাহ ৬২/৩৬৬)

অনেকে বলেন, ‘সাত ভাগে কুরবানী দিতে হলে সাতজন লোকই হতে হবে, নচেৎ গোটা দিতে হবে। তাতে ২, ৩, ৪, ৫ এবং ৬ ভাগে ভাগাভাগি চলবে না।’ এ কথা কি ঠিক?

কুরবানী ঘরে থাকা অবস্থায় দিলেও একটি গরু কুরবানীতে সাত ব্যক্তি অংশ নিতে পারবে, অনুরূপ সফরে বা হজ্জে থাকলেও ভাগাভাগি করা চলবে। অবশ্য এক সপ্তগোশত ভাগ থেকে কম দেওয়া চলবে না। তবে এক সপ্তগোশত ভাগের বেশি দিতে হবে। যেমন একটি গরুতে দুই, তিন, চার, পাঁচ বা ছয় জনও সমানভাবে অথবা কমবেশি ভাগ নিয়ে অংশ গ্রহণ করতে পারে। তবে কারো ভাগ যেন এক সপ্তগোশত থেকে কম না হয়। সুতরাং

স্বগৃহে অবস্থান করলে কি গরু কুরবানীতে ভাগাভাগি চলবে না?

স্বগৃহে অবস্থান করলে কি গরু কুরবানীতে ভাগাভাগি চলবে না?


মক্কায় যে নিয়মে কুরবানী দেওয়া হয়, একই নিয়মে স্বগৃহে অবস্থান কালেও কুরবানী দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, মক্কায় যেমন একটি গরুতে সাতজন শরীক হতে পারে, তেমনি বাড়িতে বসে কুরবানী দিলেও সাত ব্যক্তি বা পরিবার শরীক হতে পারবে। ইবেন আব্বাস বলেন,

Friday, October 6, 2017

কুরবানীর ভাগের সাথে কি আকীকা দেওয়া যাবে?

কুরবানীর ভাগের সাথে কি আকীকা দেওয়া যাবে?


কুরবানীর সাথে একটি ভাগ আকীকার উদ্দেশ্যে দেওয়া যথেষ্ট নয়। যেমন যথেষ্ট নয় একটি পশু কুরবানী ও আকীকার নিয়তে যবেহ করা।  কুরবানী  আকীকার জন্য পৃথক পৃথক পশু হতে হবে। অবশ্য যদি কোন শিশুর আকীকার দিন কুরবানীর দিনেই পড়ে এবং আকীকা যবেহ করে, তাহলে

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ