Showing posts with label রাসুলুল্লাহ সঃ এর সালাত/নামাজ. Show all posts
Showing posts with label রাসুলুল্লাহ সঃ এর সালাত/নামাজ. Show all posts

Wednesday, April 4, 2018

কর্মক্ষেত্রে কর্মচারীর জন্য কোনটি উত্তম- আযান শোনার সাথে সাথে নামাযে যাওয়া? নাকি কিছুটা অপেক্ষা করে কিছু কাজ সম্পাদন করে নামায আদায় করা। আর সুন্নাতে মুআক্কাদা ছাড়া অন্যান্য নফল নামায পড়ার ক্ষেত্রে তার বিধান কি?

(২৯৮) কর্মক্ষেত্রে কর্মচারীর জন্য কোনটি উত্তম- আযান শোনার সাথে সাথে নামাযে যাওয়া? নাকি কিছুটা অপেক্ষা করে কিছু কাজ সম্পাদন করে নামায আদায় করা। আর সুন্নাতে মুআক্কাদা ছাড়া অন্যান্য নফল নামায পড়ার ক্ষেত্রে তার বিধান কি?


সমস্ত মুসলমানের জন্য উত্তম হচ্ছে, আযান শোনার সাথে সাথে নামাযে যাওয়া। কেননা মুআয্‌যিন আহবান করেন, ‘হাইয়্যা আলাছ্‌ছালাহ’ এসো নামাযের দিকে। কোন ধরণের গড়িমসি বা দেরী করলে হয়েতো নামাযটাই ছুটে যাবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আযান শোনার সাথে সাথে মসজিদের পানে ছুটে যাওয়া।

জনৈক ব্যক্তি দু‘মাস যাবত বেহুশ অবস্থায় ছিল। কোন কিছুই অনুধাবন করতে পারেনি। ফলে না ছালাত আদায় করেছে না রামাযানের ছিয়াম পালন করেছে। এখন তার করণীয় কি?

(১৯৯) জনৈক ব্যক্তি দু‘মাস যাবত বেহুশ অবস্থায় ছিল। কোন কিছুই অনুধাবন করতে পারেনি। ফলে না ছালাত আদায় করেছে না রামাযানের ছিয়াম পালন করেছে। এখন তার করণীয় কি?


সংজ্ঞাহীন হওয়ার কারণে তার উপর কোন কিছুই আবশ্যক নয়। আল্লাহ্‌ যদি তার জ্ঞান ফিরিয়ে দেন, তবে সে রামাযানের ছিয়াম ক্বাযা আদায় করবে। কিন্তু আল্লাহ্‌ যদি তার মৃত্যুর ফায়সালা করেন, তবে তার উপর কোন কিছু আবশ্যক নয়। তবে জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর যদি সার্বক্ষণিক ওযর বিশিষ্ট হয়, যেমন অতি বয়স্ক প্রভৃতি, তবে ফরয হচ্ছেঃ তার অভিভাবক তার পক্ষ থেকে প্রতিদিনের বিনিময়ে একজন মিসকীনকে খাদ্য প্রদান করবে।

Monday, April 2, 2018

রেডিও-টিভিতে প্রচারিত নামাযের অনুসরণ করা জায়েয আছে কি? অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে?

(৩১০) রেডিও-টিভিতে প্রচারিত নামাযের অনুসরণ করা জায়েয আছে কি?


টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে প্রচারিত নামাযে ইমামের অনুসরণ করা কোন মুসলমানের জন্য জায়েয নয়। কেননা নামাযের জন্য জামাআতের অর্থ হচ্ছে একস্থানে সমবেত হওয়া। অতএব তাদেরকে একস্থানে একত্রিত হওয়া জরূরী। কাতার সমূহ মিলিত করা আবশ্যক। ঐ দু’টি কারণে মিডিয়ার মাধ্যমে নামায জায়েয হবে না। কেননা তা দ্বারা উক্ত উদ্দেশ্য হাসিল হয় না। যদি এটা জায়েয হয়, তবে আর মসজিদের কোন প্রয়োজন থাকে না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ গৃহে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুমআর নামায আদায় করে নিবে। নিঃসন্দেহে এটা জামাআত ও জুমআ প্রতিষ্ঠিত করার শরীয়ত নির্দেশিত হিকমতের পরিপন্থী। অতএব নারী-পুরুষ কারো জন্য রেডিও বা টেলিভিশনের অনুসরণ করে নামায আদায় করা বৈধ নয়। (আল্লাহ্‌ সবাইকে তাওফীক দিন)

 
অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে?

উড়োজাহাজে নামায আদায় করার পদ্ধতি কি?

(৩১১) উড়োজাহাজে নামায আদায় করার পদ্ধতি কি?


সময় হলেই উড়োজাহাজের উপর নামায আদায় করা ওয়াজিব। কিন্তু নামাযের নির্দিষ্ট সময় বা দু’নামায একত্রিত করার সময় শেষ হওয়ার আগেই যদি বিমান অবতরণ করার সম্ভাবনা থাকে, আর যমীনে থাকাবস্থায় যেভাবে নামায আদায় করতে হয়, সেভাবে যদি বিমানের উপর সম্ভব না হয়, তবে সেখানে ফরয নামায আদায় করবে না। বরং অবতরণ করার পর যমীনে নামায আদায় করবে। যেমনঃ জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে সূর্যাস্তের পূর্বে বিমান উড্ডয়ন করল। এখন আকাশে থাকাবস্থায় মাগরিব নামায আদায় করবে না। পরবর্তী এয়ারপোর্টে বিমান অবতরণ করার পর নামায পড়বে। কিন্তু যদি দেখে যে, মাগরিব নামাযের সময় অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে, তবে এশা নামাযের সাথে মাগরিবকে একত্রিত করার নিয়ত করে নিবে। অতঃপর অবতরণ করে মাগরিব নামাযকে পিছিয়ে দিয়ে এশার সাথে একত্রিত আদায় করবে। কিন্তু যদি বিমান চলতেই থাকে- অবতরণের সম্ভাবনা না থাকে এবং এশা নামাযেরও সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার আশংকা হয়, তখন বিমানের উপরেই সময় অতিক্রম হওয়ার আগেই মাগরিব ও এশা নামায একত্রিত আদায় করে নিবে।

Thursday, March 15, 2018

বেনামাজি কাফের না মুসলিম ? একটু ভিন্ন চিন্তা...

বেনামাজি কাফের না মুসলিম ? একটু ভিন্ন চিন্তা...
..........................................................
একজন ছাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছে | কোন সময় স্কুলের বারান্দায় তাকে দেখা যায়নি | পড়াশুনা তো দূরে থাক বই পুস্তকও সে কিনেনি | টিচারদের কেউই এই ছাত্রকে চিনেইনা যে সে তাদেরই ছাত্র | বৎসর শেষে এই ছাত্র এসেছে পরীক্ষায় অংশগ্ৰহণ করতে | শিক্ষকগণ দুই দলে বিভক্ত হয়ে গেলেন তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে | কেউ বললেন, যেহেতু সে রেজিস্টার্ড ছাত্র তাই পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হোক | অপর পক্ষ বললেন , তাকে আমরা কোনদিন প্রতিষ্টানে দেখিনি, চিনিওনা | আমাদের অন্যান্য নিয়মিত ছত্রদের মতই তাকে পরীক্ষার সুযোগ দেয়া উচিত হবে না |
তবে স্বাভাবিকতায় তারা দুই পক্ষই এই ব্যাপারে একমত যে, পরীক্ষায় অংশগ্ৰহণ করলেও সেই ছাত্র পাশ করতে পারবে না | অকৃতকার্য হবে |
অনুরুপভাবে,
একজন মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি যিনি কোনদিন মসজিদে সলাত আদায়ের জন্য যাননি | ইচ্ছাকৃতভাবে সলাতবিহীন জীবন বেঁচে নিয়েছেন | তার ব্যাপারেও বিজ্ঞ ওলামাগণ দুই রকমের মত পেশ করেছেন | কেউ বলেছেন, সে আর ইসলামের গন্ডিতে নাই বরং কাফের হয়ে গেছে | তাকে তাওবা করে ফিরে আসতে হবে | অন্যপক্ষের ওলামাগণ বলেছেন , না সে কাফের হয়ে যায়নি এখনো মুসলিম |
তবে দুই পক্ষের ওলামাগণ এই ব্যাপারে একমত যে , স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ব্যক্তি আখিরাতে হিসেবের সময়ে অকৃতকার্য হবে | জান্নাতীদের সাথে তার হাশর হবে না | তার হাশর হবে ফিরাউন, নমরুদ আর উবাই ইবনু খালাফের মত কাফেরদের সাথে |
এখন বলুনতো , সেই ছাত্রের ছাত্রত্বের পরিচয় ধারণে কী সম্মান আছে যেখানে সে শতভাগ অকৃতকার্য ? আর সেই মুসলিমের মুসলমানিত্বে কী সম্মান থাকতে পারে যে হবে জাহান্নামী ?
Salahuddin Ahmad
Makkah, KSA

Thursday, March 1, 2018

(৩৪৭) মৃত ব্যক্তি যদি বেনামাযী হয় বা বেনামাযী হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ থাকে বা সে মূলতঃ নামাযী বা বেনামাযী তার বিষয়টি অজানা থাকে, তবে তার জানাযা পড়ার বিধান কি?

(৩৪৭) মৃত ব্যক্তি যদি বেনামাযী হয় বা বেনামাযী হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ থাকে বা সে মূলতঃ নামাযী বা বেনামাযী তার বিষয়টি অজানা থাকে, তবে তার জানাযা পড়ার বিধান কি?


যদি জানা যায় যে মৃত ব্যক্তি বেনামাযী ছিল, তবে তার জানাযা আদায় করা নাজায়েয। বেনামাযী মৃতের অভিভাবকদের জন্য বৈধ নয়; তার লাশকে মুসলমানদের সামনে জানাযার জন্য উপস্থিত করা। কেননা সে কাফের মুরতাদ। আবশ্যক হচ্ছে, তার জানাযা না পড়া এবং মুসলমানদের গোরস্থান ছাড়া অন্য যে কোন স্থানে গর্ত খনন করে তার লাশ সেখানে নিক্ষেপ করা। তার কোনই মর্যাদা নেই। কেননা ক্বিয়ামত দিবসে তার হাশর হবে ফিরাউন, হামান, ক্বারূন ও উবাই বিন খালাফের সাথে।
কিন্তু

Thursday, February 8, 2018

আপনার সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিন


আপনার সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিন

আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছি, তিনি ইরশাদ করেন,
‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, আর সবাই তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে। ইমাম তথা জনতার নেতা একজন দায়িত্বশীল; তিনি তাঁর দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন। পুরুষ দায়িত্বশীল তার পরিবারের; সে জিজ্ঞাসিত হবে তার দায়িত্ব সম্পর্কে। স্ত্রী দায়িত্বশীল তার স্বামীর গৃহ ও সন্তানের; সে জিজ্ঞাসিত হবে তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে। মানুষের (দাস) ভৃত্য দায়িত্বশীল মুনিবের সম্পদের, সে জিজ্ঞাসিত হবে তার মুনিবের সম্পদ সম্পর্কে। অতএব, সতর্ক থেকো, তোমরা সবাই দায়িত্বশীল আর সবাই জিজ্ঞাসিত হবে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে।’ (বুখারী : ৭১৩৮; মুসলিম : ৪৮২৮; আবূ দাউদ : ২৯৩০)
ইমাম নববী রহ. বলেন, তিনিই পূর্ণ ‘দায়িত্বশীল’,

Monday, February 5, 2018

প্রশ্ন: অন্ধকার ঘরে কি নামাজ পড়া জায়েয আছে?

প্রশ্ন: অন্ধকার ঘরে কি নামাজ পড়া জায়েয আছে?
•••••••••••••••
উত্তর:
অন্ধকার ঘরে নামায আদায় করা জায়েয রয়েছে যদি কেবলার দিকে নামায পড়া হয়। নামাযের জন্য আলো থাকা শর্ত নয়। তাছাড়া একাধিক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্ধকার ঘরে সালাত আদায় করেছেন।
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বিছানায় পাচ্ছিলাম না। তখন আমি আমার হাত দ্বারা তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। তখন আমার হাত তার পদযুগলের উপর পতিত হল। তখন তাঁর পা খাড়া ছিল আর তিনি ছিলেন সিজদারত। তিনি বলছিলেন:

Wednesday, January 31, 2018

সুরা ফাতিহা কি ক্বুরআনের অংশ নাকি অংশ নয়?

সুরা ফাতেহা কুরআনের অংশ/অংশ নয়।

আল্লাহ বলেছেন : ওয়া লাক্বাদ আতাইনাকা
সাব’আম মিনাল মাছানী ওয়াল কুরআনাল
আযীম। (সুরা হিজর:৮৭) (অর্থ : আমি তোমাকে
দিয়েছি বার বার পঠিত সাত আয়াত এবং
মহান গ্রন্থ আল-কুরআন।)
এই আয়াত দ্বারা অনেকে সুরা ফাতেহাকে
কুরআনের অংশ নয় প্রমাণ করতে চান। কিন্তু
তারা যে ধরণের তাফসীর করেন তা সম্পূর্ণ
ভূল তাফসীর। কেননা, তারা ‘ওয়া’ শব্দ দিয়ে
সবসময় কোন বিষয়কে মূল বিষয় থেকে সম্পুর্ণ
আলাদাভাবে ধরে নেন। যা মোটেও উচিত
নয়। কেননা, এই ধরণের বুঝ কুরআনের অন্য কিছু
আয়াতের বিরুদ্ধে যায়। আল্লাহ অত্র আয়াতে
‘ওয়া’ শব্দ দ্বারা সুরা ফাতেহাকে সম্পূর্ণ
কুরআন থেকে আলাদাভাবে উল্লেখ
করেছেন। আর তাই তারা বলেন যে,

সালাতের রুকন-ওয়াজিব -সুন্নাত সমুহ এবং সালাত ভঙ্গের কারন

সালাতের রুকন-ওয়াজিব -সুন্নাত সমুহ এবং সালাত ভঙ্গের কারন

সালাতের রুকন সমূহ ( أركان الصلاة) :
‘রুকন’ অর্থ স্তম্ভ। এগুলি অপরিহার্য বিষয়। যা ইচ্ছাকৃত বা ভুলক্রমে পরিত্যাগ করলে ছালাত বাতিল হয়ে যায়। যা ৭টি। যেমন-
(১) ক্বিয়াম বা দাঁড়ানো : আল্লাহ বলেন, وَقُوْمُوْا ِللهِ قَانِتِيْن َ ‘আর তোমরা আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠচিত্তে দাঁড়িয়ে যাও’ (বাক্বারাহ ২/২৩৮)
(২) তাকবীরে তাহরীমা : অর্থাৎ ‘আল্লাহু আকবর’ বলে দুই হাত কাঁধ অথবা কান পর্যন্ত উঠানো। আল্লাহ বলেন, وَلِرَبَّكَ فَكَبِّرْ ‘তোমার প্রভুর জন্য তাকবীর দাও’ (মুদ্দাছছির ৭৪/৩)। অর্থাৎ তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা কর। রাসূলূল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, تَحْرِيْمُهَا التَّكْبِيْرُ وَتَحْلِيْلُهَا التَّسْلِيْمُ- ‘ছালাতের জন্য সবকিছু হারাম হয় তাকবীরের মাধ্যমে এবং সবকিছু হালাল হয় সালাম ফিরানোর মাধ্যমে’।[113]

সালাতের ফজিলত সম্পর্কে জঈফ ও জাল হাদীস!!

সালাতের ফজিলত সম্পর্কে জঈফ ও জাল হাদীস!!


সালাতের ফজিলতসম্পর্কে জঈফ ও জালহাদিসসালাত জান্নাতের চাবি কথাটি সমাজে বহুল প্রচলিত ।অনেকে বুখারিতে আছে বলেও চালিয়ে দেয়াইপছন্দ করে। আসলে এর কোন ভিত্তি নাই।হাদিস নং ১।জাবের ইবনু আব্দুল্লাহ (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ (ছা)বলেছেন, জান্নাতের চাবি হল সালাত। আর সালাতেরচাবি হল পবিত্রতা।(মুসনাদে আহমাদ হা/১৪৭০৩ তিরমিজি হা/৪ মিস্কাত হা/২৪৯ফাজায়েলে আমাল ৮৮ পৃ)তাহকিকঃহাদিস এর প্রথম অংশ জঈফ (জঈফুল জামে হা/৫২৬৫,সিলসিলা ই জঈফা হা/৩৬০৯) দ্বিতীয় অংশ পৃথক সনদ এছহিহ সুত্রে বর্ণিত আছে। (আবু দাউদ হা/৬১, তিরমিজিহা/৩)হাদিসটির প্রথম অংশ জঈফ হবার কারন হল- উক্ত সনদ এদুইজন দুর্বল রাবি আছে। (ক) সুলাইমান বিন করম ও(খ) আবু ইয়াহিয়া আল-কাত্তাত।(আলবানি, মিস্কাত হা/২৯৪ এর টিকা দ্রষ্টব্য)জ্ঞাতব্যঃজান্নাতের চাবি সম্পর্কে ইমাম বুখারি (রহ) একটিঅনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু আলোচনা করতে গিয়েওহাব

সালাতের গুরুত্ব, সালাত তরককারীর হুকুম এবং সালাতের ফজিলত

সালাতের গুরুত্ব, সালাত তরককারীর হুকুম এবং সালাতের ফজিলত

ছালাতের গুরুত্ব ( أهمية الصلاة) :
1) কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করার পরেই ইসলামে ছালাতের স্থান।[11]
2) ছালাত ইসলামের শ্রেষ্ঠতম ইবাদত, যা মি‘রাজের রাত্রিতে ফরয হয়।[12]
3) ছালাত ইসলামের প্রধান স্তম্ভ[13] যা ব্যতীত ইসলাম টিকে থাকতে পারে না।
4) ছালাত একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা ৭ বছর বয়স থেকেই আদায়ের অভ্যাস করতে হয়।[14]
5) ছালাতের বিধ্বস্তি জাতির বিধ্বস্তি হিসাবে পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে।[15]
6) পবিত্র কুরআনে সর্বাধিকবার আলোচিত বিষয় হ’ল ছালাত।[16]

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি 


সালাতের শর্তাবলি:
সালাতের শর্ত নয়টি।
এক : মুসলমান হওয়া :
সালাত ছাড়াও অন্যান্য যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রেই মুসলমান হওয়া পূর্বশর্ত। মুসলমান বলতে উদ্দেশ্য হল, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে এবং মুহাম্মদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে রাসূল বলে স্বীকৃতি প্রদান, আর ইসলামকে একমাত্র দ্বীন বলে মনে-প্রাণে গ্রহণ করে। অবিশ্বাসীর যাবতীয় ইবাদত প্রত্যাখ্যাত । অবিশ্বাসীদের কোন ইবাদতই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়, যদিও তারা জমিনভর স্বর্ণ কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে। আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَقَدِمْنَا إِلَى مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا .الفرقان :23
আমি তাদের কৃতকর্মগুলো বিবেচনা করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলি-কণায় পরিণত করব। (সূরা আল-ফুরকান : ২৩)
দুই : বুঝার বয়সে উপনীত হওয়া:
বুঝার মত বয়সে উপনীত হওয়া হল শরীয়তের বিধানাবলী উপলব্ধি ও গ্রহণ করার একমাত্র উপায়। জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর শরীয়তের কোন বিধানই ওয়াজিব নয়। প্রমাণ :রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি 


সালাতের শর্তাবলি:
সালাতের শর্ত নয়টি।
এক : মুসলমান হওয়া :
সালাত ছাড়াও অন্যান্য যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রেই মুসলমান হওয়া পূর্বশর্ত। মুসলমান বলতে উদ্দেশ্য হল, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে এবং মুহাম্মদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে রাসূল বলে স্বীকৃতি প্রদান, আর ইসলামকে একমাত্র দ্বীন বলে মনে-প্রাণে গ্রহণ করে। অবিশ্বাসীর যাবতীয় ইবাদত প্রত্যাখ্যাত । অবিশ্বাসীদের কোন ইবাদতই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়, যদিও তারা জমিনভর স্বর্ণ কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে। আল্লাহ তাআলা বলেন :

সালাতে বুকে হাত বাঁধা এবং নাভীরনীচে হাত বাঁধার যঈফ দলীলসমূহ

★ সালাতে বুকে হাত বাঁধা এবং নাভীরনীচে হাত বাঁধার যঈফ দলীলসমূহ>>>> সালাতে বুকে হাত বাঁধা এবং নাভীর নীচে হাতবাঁধারযঈফ দলীলসমূহ প্রমানসহ নিচে উপস্থাপন করাহলো <<<<দুই হাতের আংগুল সমূহ ক্বিবলামুখী খাড়াভাবে কাঁধঅথবা কানপর্যন্ত উঠিয়ে দুনিয়াবী সবকিছুকে হারাম করেদিয়ে স্বীয় প্রভুরমহত্ত্ব ঘোষণা করে বলবে ‘আল্লা-হুআকবার’ (আল্লাহ সবারচেয়ে বড়)। তারপর বাম হাতের উপরে ডান হাত,বুকেরউপরে বেঁধে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সম্মুখেনিবেদিত চিত্তে সিজদারস্থান বরাবর দৃষ্টি রেখে দাড়াতে হবে।মহানআল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা আল্লাহর জন্যনিবিষ্টচিত্তে দাঁড়িয়ে যাও’। বাকারাহ- ২/২৩৮হাত বাঁধার সময় দুই কানের লতি বরাবর দুই হাতেরবৃদ্ধাঙ্গুলী উঠানোর হাদীস যঈফ। আবু দাউদ-৭৩৭# ইবনে হুজাইফা(রাঃ) মুরসাল হাদীসে বলেন,

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায় (২য় পর্ব)

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায় (২য় পর্ব)

 ১৮- সালাতের পর হাদিসে বর্ণিত দো‘আ:
এ দো‘আগুলো অন্তরে সালাতের প্রতি মনোযোগ সৃষ্টি ও সালাত দ্বারা বরকত লাভ ও উপকার লাভে সাহায্য করে।
আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে, প্রথম ইবাদতকে সংরক্ষণ করা ও তার হেফাযত করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে সে ইবাদতের সাথে সাথে অন্য দ্বিতীয় কিছু ইবাদত করে নেওয়া। সালাতের পর যিকিরসমূহের মধ্যে চিন্তা করা দ্বারা বিষয়টি আরও ভালোভাবে বুঝে আসবে। কারণ, সে প্রথমে ক্ষমা প্রার্থনা দিয়ে শুরু করবে; সালাত শেষ করার সাথে সাথে সালাতে তার যে সব দুর্বলতা- অমনোযোগীতা, খুশুহীনতা প্রকাশ পেয়েছে এবং সালাতে তার যে সব ভুলত্রুটি দেখা দিয়েছে, তার জন্য তিনবার এস্তেগফার পড়বে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নফল সালাত আদায় করবে,

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব
 প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) একদা বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যেভাবে ছালাত আদায় করতেন আমি কি তোমাদের সেভাবে ছালাত আদায় করে দেখাব না? অতঃপর তিনি ছালাত আদায় করলেন। কিন্তু তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য কোন সময় দু’হাত উত্তোলন করলেন না’ (তিরমিযী ১/৩৫)। তিরমিযী হাদীছটিকে হাসান বলেছেন। আবার বারা ইবনে আযিব (রাঃ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাঃ) তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত আর কখনো হাত উঠাতেন না’ (আবূদাঊদ ১/১০৯)। এক্ষণে ছালাতে রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন করার প্রমাণে হাদীছদ্বয়ের বিপক্ষে যুক্তি কি?
-ছিয়াম বিন সাইফুদ্দীন মধুপুর, টাংগাঈল।

উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত হাদীছ দু’টি সহ ‘রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন’ না করার পক্ষে যে সকল দলীল পেশ করা হয়, তার সবগুলিই যঈফ।
•  প্রশ্নে বর্ণিত ১ম হাদীছটি ইমাম আবুদাঊদ বর্ণনা করে বলেন,

সালাতে একাগ্রতা ও খুশুর জন্য ৩৩ টি উপায় ।

সালাতে একাগ্রতা ও খুশু

মহান আল্লাহ ইরশাদ করছেন,
وَقُومُوا لِلهِ قَانِتِينَ ﴿البقرة : ২৩৮﴾
এবং আল্লাহর জন্য দাঁড়াও বিনীত হয়ে। (আল-বাকারা : ২৩৮)
আরও ইরশাদ হচ্ছে,
وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ . الَّذِينَ يَظُنُّونَ أَنَّهُمْ مُلَاقُو رَبِّهِمْ وَأَنَّهُمْ إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ﴿البقرة:৪৬﴾
আর তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয় তা বিনয়ী ছাড়া অন্যদের উপর কঠিন। যারা বিশ্বাস করে যে, তারা তাদের রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং তারা তাঁর দিকে ফিরে যাবে। (আল-বাকরা : ৪৫-৪৬)
সালাত ইসলামের একটি শরীরিক ইবাদত, বড় রুকন। একাগ্রতা ও বিনয়াবনতা এর প্রাণ, শরিয়তের অমোঘ নির্দেশও। এদিকে অভিশপ্ত ইবলিশ মানবজাতিকে পথভ্রষ্ট ও বিপদগ্রস্ত করার শপত নিয়ে অঙ্গীকার করেছে,

সালাত সম্পরকে গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় কিছু প্রশ্ন তার উত্তর

সালাত সম্পরকে গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় কিছু প্রশ্ন তার উত্তর


প্রশ্ন ১. রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ এর পর
রুকুতে আর কি পড়তে হয় ? ২. দুই সিজদার
মাঝে আল্লাহুম্মাগফিরলীর এর পর
কি পড়তে হয় ? ৩. রুকু ও সিজদা’য়
পড়া হয়ে থাকে যে দোয়া গুলো সেগুলো কি ?
৪. তারাবী’র সালাতে চার রাকাআত পর
সুবহানা যিল মুলকি ওয়া মালাকুতি…… এর
দোয়া থাকলে জানাবেন । ৫. আমাদের
এলাকার লোকেরা বিশ লাখ নেকী’র
দোয়া পড়ছে এর কোন সহীহ
ভিত্তি আছে কি ? ৬. ফজর ও মাগরিবের
সালাতের পর সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত
পড়ার কোন হাদীস আছে কি ?

সালাত বর্জনকারীর বিধান কি ?

সালাত বর্জনকারীর বিধান
নিশ্চয় এই বিষয়টি অত্যন্ত জ্ঞানপূর্ণ বিষয়সমূহের মধ্য থেকে অন্যতম বড় একটি বিষয়, যার ব্যাপারে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল যুগের আলেমগণ বিতর্ক বা মতবিরোধ করেছেন; ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল র. বলেন:
“সালাত বর্জনকারী মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার মত কাফির; সে তাওবা করে সালাত আদায় করা শুরু না করলে তাকে হত্যা করা হবে।
আর ইমাম আবূ হানিফা, মালেক ও শাফে‌য়ী র. বলেন:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ