Showing posts with label ইসলামী আইন-বিধান. Show all posts
Showing posts with label ইসলামী আইন-বিধান. Show all posts

Saturday, May 5, 2018

প্রশ্ন: ইসলামে যুদ্ধবন্দী মহিলাদেরকে দাসী বানানো হত কেন? তাদেরকে কেবল বন্দী না রেখে পুরুষের ভোগের সামগ্রী বানানোর কারণ কি ছিল? -

প্রশ্ন: ইসলামে যুদ্ধবন্দী মহিলাদেরকে দাসী বানানো হত কেন? তাদেরকে কেবল বন্দী না রেখে পুরুষের ভোগের সামগ্রী বানানোর কারণ কি ছিল?
-
উত্তর: কেবল ভোগের সামগ্রী নয়। বরং তাদের সামাজিক নিরাপত্তাই এখানে প্রধান। আর যুদ্ধবন্দীদের এই বিধান ইসলামপূর্ব যামানা থেকেই চালু ছিল। ইসলাম সেটা বাতিল করেনি।
-
আল্লাহ বলেন, তবে তাদের স্ত্রীগণ ও মালিকানাধীন দাসীরা ব্যতীত। কেননা এতে তারা নিন্দিত হবে না’ (মুমিনুন ২৩/৬)।
-
এর পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন- 

Friday, March 23, 2018

বান্দার হক নষ্ট করার পর সঠিকভাবে মনে না থাকলে করণীয় , কুরআন-হাদিস নিয়ে তামাশা করার বিধান কি, মেয়েদের চুল কাটা ও ছাটার বিধান কি?

 বান্দার হক নষ্ট করার পর সঠিকভাবে মনে না থাকলে-
প্রশ্ন : এক লোক আগে অনেক মানুষের কাছে টাকা ধার করত কিন্তু ঠিক মত পরিশোধ করত না। অনেক বছর পর তার ঈমানী চোখ খুলল, সে তওবা করল এবং এটাও বুঝতে শিখল যে, আল্লাহ বান্দার হক ক্ষমা করেন না। তাই এখন সে টাকা পরিশোধ করতে রাজি। ।কিন্তু তার সঠিক মনে নেই যে, কে কত পাবে? এমন অবস্থায় তার কী করা উচিত?
উত্তর:
বান্দার হক নষ্ট করা হলে তওবার জন্য শর্ত হল, তা তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে, তাকে না পেলে তার ওয়ারিশ (উত্তরাধীকারী)দেরকে ফেরত দিতে হবে। তাদের কাউকে না পেলে তা আল্লাহর পথে বা জনকল্যাণ মূলক কাজে ব্যয় করে আল্লাহর নিকট দুআ করতে হবে যেন, তিনি এর যাবতীয় সওয়াব এর মালিককে প্রদান করেন।
যদি পরিমাণ স্বরণ করতে না পারে যে, তাহলে আনুমানিক ধারণা করবে যে, এই পরিমাণ হতে পারে। তারপর তা নিজের সম্পদ থেকে আলাদা করে দান করে দিবে। এমনভাবে করবে যেন মনে হয় যে, সে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পেরেছে। আল্লাহু আলাম।
~~~~~

Wednesday, February 7, 2018

মানুষের তৈরি আইন, মতবাদ দ্বারা আল্লাহর আইন ও দ্বীনের প্রতিস্থাপন!!

মানুষের তৈরি আইন, মতবাদ দ্বারা আল্লাহর আইন ও দ্বীনের প্রতিস্থাপন!!


লেখক: ইমাম ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ) অনুবাদঃ ইউসুফ ইয়াসীন Printমানুষের তৈরী আইন, মতবাদ দ্বারা আল্লাহর আইন ও দ্বীনের প্রতিস্থাপনআল্লাহর আইনের বিরোধিতা করে মানুষের তৈরীকৃত আইনের (গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ,——) সমর্থনের সাথে জড়িত থাকা হারাম, কুফর এবং শিরকআল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) মানুষের অস্তিত্বের কারণটি পরিস্কারভাবে বর্ণনা করেবলেছেনঃ “আমি জ্বিন ও মানুষকে অন্য কোন উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করি নাই, কেবল এই জন্যসৃষ্টি করিয়াছি যে, তাহারা আমার ইবাদত করিবে।” (সূরা আয-যারিয়াত ৫১: ৫৬) ইহা তখনই পরিপূর্ণতা লাভকরবে যখন আমরা আমাদের সকল কার্যক্রম ও সমস্যাবলীয় সমাধানের জন্য শরীয়াহআইনের কাছে দারস্থ হব এবং সেই আইনগুলো প্রয়োগ করব।আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

Monday, February 5, 2018

যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান কি ?

যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান
আমরা আগের একটা পোস্টে বলেছিলাম যে,
প্রায় ১১৮টি মহামূল্যবান classical বইয়ের
রেফারেন্স সমৃদ্ধ, স্প্যানিস ধর্মান্তরিত মুসলিম
Jamal al-Din M Zarabozo-র গবেষণা গ্রন্থ “The
Authority and Importance of Sunnah” থেকে,
আমরা কিছু অংশ অনুবাদ করে করে তুলে দেবো
আপনাদের জন্য, যা পড়লে যে কেউ বুঝবেন
যে, হাদীস বা সুন্নাহর ব্যাপারে classical স্কলাররা
কত serious ছিলেন। আজ সেই বই থেকে
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের একাংশ তুলে
দেবো ইনশা’আল্লাহ্, যে অধ্যায়ের নাম
হচ্ছে:”যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায়
বিধান”।

বিশ্ব মানবতার প্রতি মহানবীর ১০ অবদান

বিশ্ব মানবতার প্রতি মহানবীর ১০ অবদান 

সকল প্রশংসা কেবল নিখিল জগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসূলগণের সর্বশেষ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি।
অব্যাহতভাবে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর স্বেচ্ছা বিকৃতির প্রভাবে অমুসলিমদের কেউ কেউ বিশেষত পশ্চিমারা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানবতার জন্য কী উপস্থাপন করেছেন, মানবতার প্রতি তাঁর অবদান কী তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশ্ববাসীর সামনে নবীয়ে রহমত বা দয়ার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঠিক পরিচয় তুলে ধরার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ ছাড়াও আমাদের নির্ধারিত কর্তব্যসমূহের একটি হলো বিস্তারিত ব্যাখ্যায় না গিয়ে এ প্রশ্নের জবাব দেয়া। নবীকুল শিরোমনি, নবী ও রাসূলগণের সর্বশেষ আমাদের মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশ্বমানবতার জন্য কী উপহার নিয়ে এসেছেন তা সংক্ষেপে তুলে ধরা। নিচে দশটি পয়েন্টে ভাগ করে আমরা সে বিষয়টিই আলোচনার প্রয়াস পাব :

পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?

চরমোনাই, গোলাপবাগ, দেওয়ানবাগ, রাজারবাগ,কুতুবাগ, আটরসি, শাহাপুর, কালিয়াপুর, ওলিপুর ও মাইজভান্ডারী সহ সকল পীর ও পীরের মুরিদগনকে বলছি, নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেন.?

১.পৃথীবির ইতিহাসে প্রথম পীর কে??
২.পির প্রথা আরব দেশে নেই কেন? মক্কা মদিনার ইমামরা কেন মুরিদ করেন না?
৩.পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?পীর বা মুরিদ না হয়ে কি ওলি হওয়া যায় না?
৪.পিরেরা তার মুরিদদের শাফায়াত করবেইএর গ্যারান্টি কোথায় পেল? তার নিজের নাজাতের নিশ্চয়তা কি?
৫.পির ধরা কি সবার জন্য ফরজ? কোরানের কোন আয়াত দ্বারা ফরয হয়েছে?
৬.বাংলাদেশে প্রায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার পির আছে। এদের মধ্যে কে হাক্কানি পির?

Saturday, February 3, 2018

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতিঃ
ইসলাম ফিতরাত তথা প্রকৃতির ধর্ম। ইসলাম
প্রকৃতিবান্ধব; প্রকৃতির অনুকূল সব কিছুই
সমর্থন করে, যাবৎ না তা মানুষের ইহ
বা পরকালীন ক্ষতির কারণ হয়। শরীরচর্চায়
শরীরের উপকার আছে বলে ইসলাম
বরাবরই একে উৎসাহিত করে। অলস অকর্মণ্য
স্থানুদের ইসলাম পছন্দ করে না। খোদ

Monday, January 29, 2018

কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?

কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?


কোন ব্যক্তি কখন নামায বর্জনকারী হিসেবে গণ্য হবে এবং নামায বর্জন করার হুকুম কি?
প্রশ্ন: নামায বর্জনকারী কি সম্পূর্ণভাবে অমুসলিম হিসেবে গণ্য হবে? যে ব্যক্তি দুই ঈদের নামায পড়ে, কখনও কখনও জুমার নামায পড়ে, কখনও কখনও পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের কোন ওয়াক্ত পড়ে সে ব্যক্তি কি “যে মোটেই নামায পড়ে না” তার হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং অমুসলিম হিসেবে গণ্য হবে? “মোটেই নামায পড়ে না” এ কথাটির ব্যাখ্যা কি?

উত্তর:
আলহামদুলিল্লাহ।
এক:

সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়

সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়

بسم الله الرحمن الرحيم
ভূমিকা
الحمد لله وحده و الصلاة و السلام على من لا نبي بعده و على آله و صحبه أجمعين و من تبعه إلى يوم الدين.
(সমস্ত প্রশংসা এক আল্লাহর জন্য; আর সালাত (দুরূদ) ও সালাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি, যার পরে আর কোন নবী নেই এবং শান্তি বর্ষিত হউক তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীবৃন্দ ও যারা কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তাঁর আনুগত্য করবেন তাদের প্রতি।) অতঃপর:
“সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়”

সমকালীন প্রসঙ্গঃ সবকিছুতে ইসলাম নিয়ে আসেন কেন?

সমকালীন প্রসঙ্গঃ সবকিছুতে ইসলাম নিয়ে আসেন কেন? সব কিছুতে ইসলাম আনবেন না!! আমি বলিঃ আরে ভাই!! সবকিছুতে আজ ইসলাম থাকলে ” বায়তুল মাল” প্রতিষ্ঠিত হত। এখানে সব যাকাত ও অন্যান্য দান থাকত যেখান থেকে সর্বনিম্ন গরীবদের বিনা সুদ এ সাহায্য আসতো।দেশে দারিদ্রতা সর্বনিম্ন থাকত।। যেমন এখন কিছু ইসলামিক দেশে যাকাত দেয়ার লোক খুজতে হয়।

সবকিছুতে আজ ইসলাম থাকলে কোথাও ভেজাল জিনিষ থাকত না। ভেজালকারীদের হাত কাটা থাকত।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ ঈমানের শাখা -গুলোর বর্ণনা

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ ঈমানের শাখা -গুলোর বর্ণনা

ইবনে হিব্বান (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত ঈমানের শাখা -গুলো হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী ফতহুল বারীতে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। এই শাখা গুলো তিন প্রকার। (১) এমন কিছু শাখা আছে যা অন্তরের সাথে সম্পৃক্ত। (২) কতিপয় শাখা জবানের সাথে সম্পৃক্ত এবং (৩) এমন কতিপয় শাখা রয়েছে, শরীরের সাথে সম্পৃক্ত।
প্রথমতঃ
অন্তরের কাজসমূহঃ নিয়ত ও বিশ্বাস হচ্ছে অন্তরের কাজ। ঈমানের যেসমস্ত শাখা অন্তরের সাথে সম্পৃক্ত তার সংখ্যা ২৪টি। নিম্নে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হল।
(১) আল্লাহর প্রতি ঈমানঃআল্লাহর জাত (সত্বা), সিফাত (গুণাবলী) এবং একত্ববাদের প্রতি ঈমান আনয়নও আল্লাহর প্রতি ঈমানের অন্তর্ভূক্ত। তবে স্মরণ রাখা জরুরী যে, আল্লাহ্ স্বীয় সত্বা ও গুণাবলী কোন সৃষ্টির মত নয়। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

মোবাইল ফোন বেবহার: বৈধতার সীমা কতটুকু? পার্ট -১

মোবাইল ফোন বেবহার: বৈধতার সীমা কতটুকু? পার্ট -১


মোবাইল ফোন ব্যবহার: বৈধতার সীমা কতটুকু? লেখকের কথা মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে একটি বই লিখার ইচ্ছা বহুদিন থেকেই আমার ছিল। এই বই প্রকাশের মাধ্যমে সে ইচ্ছা পূরণ হতে যাচ্ছে। তাই মহান আল্লাহর দরবারে জানাই লাখো- কোটি শুকরিয়া। যুগে যুগে বিজ্ঞানীগণ যত নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করেছেন হক্বানী উলামায়ে কেরাম নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে কোরআন- হাদিস মন্থন করে সেসব ক্ষেত্রে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি ও তৎসম্পর্কিত যাবতীয় মাসআলা-মাসায়েল অত্যন্ত সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে লিপিবদ্ধ করে গেছেন। ভবিষ্যতেও যত নতুন জিনিস আবিষ্কার হবে উলামায়ে কেরাম কোরআন ও সুন্নাহের আলোকে তার সঠিক সমাধান পেশ করে যাবেন, ইনশাআল্লাহ। বর্তমান বিশ্বে যেসব নতুন আবিষ্কার অতি দ্রুত শহর-বন্দর ও গ্রাম-গঞ্জের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে তন্মধ্যে

মোবাইল ফোনের বেবহার: বৈধতার সীমা কতটুকু? পার্ট -২

মোবাইল ফোনের বেবহার: বৈধতার সীমা কতটুকু? পার্ট -২


মোবাইল ফোনের ক্রয়-বিক্রয় ক্যামেরাযুক্ত মোবাইলের ক্রয়-বিক্রয় নাজায়েয নয়, তবে… ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে শরিয়তের একটি নিয়ম হলো, যেসব জিনিস সবসময় কিংবা বেশির ভাগ সময় গুনাহের কাজেই ব্যবহার করা হয় এবং যা দ্বারা গুনাহের কাজ ছাড়া অন্য কোনো ভালো বা জায়েয কাজ করা সম্ভব হয় না তা ক্রয়-বিক্রয় হারাম ও নাজায়েয। ইসলামি শরিয়তে কোনো প্রাণীর ছবি তোলা বা অঙ্কন করা হারাম ও নাজায়েয। কিন্তু কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্য বা প্রাণহীন বস্তু যেমন- পাহাড়-নদী, গাছপালা, তরুলতা, আকাশ-সমুদ্র ইত্যাদির ছবি তোলা বা অঙ্কন করা হারাম বা নাজায়েয নয়। ক্যামেরাযুক্ত মোবাইল দ্বারা যেহেতু নিষ্প্রাণ বস্তু ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের স্থির ছবিও উঠানো যায়

মুসলিমের হক

মুসলিমের হক

ইসলাম আমাদের সুপথ দেখায়
ইসলাম একটি মহান দ্বীন। ইসলাম নির্মাণ করেছে তার অনুসারীদের জন্য সঠিক পথ। এতে রয়েছে অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে সুন্দর সমন্বয়। এতে কাউকে ঠকানো হয়নি। সবাইকে দেয়া হয়েছে তার প্রাপ্ত অধিকার। ইসলাম যেসব হক বা অধিকার দিয়েছে, তার অন্যতম হলো, এক মুসলিম ভাইয়ের ওপর অপর মুসলিম ভাইয়ের হক।
আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্বের অর্থ
আমরা জানি, মুসলিমরা আজ স্রোতে ভাসা খড়কুটার মতো মূল্যহীন হয়ে পড়েছে। মুসলিমদের কাতার হয়ে পড়েছে টুকরো টুকরো। তারা হয়ে পড়েছে শতধা বিভক্ত। মুসলিম উম্মাহর প্রতি সবলের চেয়ে দুর্বল, সম্মানির চেয়ে অসম্মানী ও কাছের চেয়ে দূরের লোকরা বেশি লালায়িত। দৃশ্যত উম্মাহ হয়ে পড়েছে বানর-শূকরের বংশধর পৃথিবীর হীন, তুচ্ছ ও ঘৃণ্যতর জাতির জন্য একটি বৈধ বাসনের মতো। যার ইচ্ছে তা ব্যবহার করতে পারে। যেখানে

Sunday, January 28, 2018

মুসলমানের ভাললাগা ও ভালবাসা এবং ইসলামের হুকুম

মুসলমানের ভাললাগা ও ভালবাসা এবং ইসলামের হুকুম – “আল-ওয়ালা ওয়া আল-বারা”-মুল: ডঃ সালেহ আল ফাওযান

আমরা, বাংলাদেশের মুসলিমরা হয়তো জানিই না যে, কুর’আনে এমন একটি আয়াত রয়েছে!
لَا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آَبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ أُولَئِكَ كَتَبَ فِي قُلُوبِهِمُ الْإِيمَانَ وَأَيَّدَهُمْ بِرُوحٍ مِنْهُ وَيُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ أُولَئِكَ حِزْبُ اللَّهِ أَلَا إِنَّ حِزْبَ اللَّهِ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
যারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান আনে এমন কোন সম্প্রদায়কে তুমি পাবে না এমন লোকদেরকে ভালোবাসতে, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধীতা করে – যদি সেই বিরুদ্ধচারীরা এমন কি তাদের পিতা, পুত্র, ভাই অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয় তবুও। এদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে রূহ দ্বারা তাদের শক্তিশালী করেছেন। তিনি তাদের প্রবেশ করাবেন এমন জান্নাতসমূহে যার নিচে দিয়ে ঝর্ণাধারাসমূহ প্রবাহিত হয়। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। এরা হল আল্লাহর দল। জেনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহর দলই সফল কাম। (সূরা মুজাদালা, ৫৮:২২)
এখানে তিনটা জিনিসের প্রতি লহ্ম রাখা দরকার:

মানুষের সাথে কথা বলার দিকনির্দেশনা

মানুষের সাথে কথা বলার দিকনির্দেশনা
মানুষের সাথে একজন মুসলিম কীভাবে কথা বলবেন সে বিষয়ে ইসলাম কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম পদ্ধতি প্রণয়ন করে দিয়েছে। সর্বাবস্থায় একজন মুসলিমকে অটুট বিশ্বাস নিয়ে মনে রাখতে হবে যে, তার মুখ দিয়ে উচ্চারিত প্রতিটি শব্দের জন্য তাকে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি যদি উত্তম কিছু বলেন, তিনি পুরস্কৃত হবেন। আর তিনি যদি মন্দ কিছু বলেন, তবে সেই মন্দ কথার জন্য তাকে অবধারিতভাবেই শাস্তি ভোগ করতে হবে।
আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) বলেছেন :

প্রশ্নঃ- (১৯) মানুষ এবং জিন সৃষ্টির উদেশ্য কি?

প্রশ্নঃ- (১৯) মানুষ এবং জিন সৃষ্টির উদেশ্য কি?
উত্তরঃ- উক্ত প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পূর্বে আল্লাহর
সৃষ্টির সাধারণ নিয়ম এবং আল্লাহর শরীয়ত সম্পর্কে
আলোচনা করতে চাই। আল্লাহর সৃষ্টির নিয়মটি বিধৃত
হয়েছে আল্লাহর এই বাণী থেকে, ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟْﻌَﻠِﻴﻢُ ﺍﻟْﺤَﻜِﻴﻢُ
অর্থঃ “তিনি সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়।” (সূরা তাহরীমঃ ২)
আল্লাহর বাণী, ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛَﺎﻥَ ﻋَﻠِﻴﻤًﺎ ﺣَﻜِﻴﻤًﺎ অর্থঃ “নিশ্চয় আল্লাহ
সর্বজ্ঞ এবং প্রজ্ঞাময়।” (সূরা নিসাঃ ২৪) এছাড়া আরো অসংখ্য
দলীল-প্রমাণ রয়েছে।
এগুলো প্রমাণ করে যে,

বুখারী শরীফের ১০ টি scientific আমল ও ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ হাদীস আমল করার মত!

বুখারী শরীফের ১০ টি scientific আমল ও ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ হাদীস আমল করার মত!


সহীহ বুখারী শরীফের ১০ টি বৈজ্ঞানিক হাদিসঃ
১)নবীজি বলেন,”জ্বর আসে জাহান্নামের তাপ
থেকে!সুতরাং,জ্বর কে পানি দ্বারা প্রশমিত কর!
(সহীহ বুখারী,, খন্ড: ৭:অধ্যায় ৭১:হাদিস ৬২১)
.২)নবীজি বলেন,”যদি কারো পানিতে মাছি পড়ে
যায়,তবে মাছিটিকে পানিতে চুবিয়ে তারপর পান
কর!কারণ,মাছির এক ডানায় আছে রোগ,অন্য ডানায়
আছে প্রতিকার! “(সহী বুখারী, 4:54:537)
৩)নবীজি বলেন,কালোজিরা আস-সামস ব্যতিত

প্রতিবেশীর হক

প্রতিবেশীর হক
ভূমিকা
ﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟﻠﻪِ ، ﻧَﺤْﻤَﺪُﻩُ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻌِﻴْﻨُﻪُ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻩُ ، ﻭَﻧَﻌُـﻮْﺫُ
ﺑِﺎﻟﻠﻪِ ﻣِﻦْ ﺷُﺮُﻭْﺭِ ﺃَﻧْﻔُﺴِﻨَﺎ ، ﻭَﻣِﻦْ ﺳَﻴِّﺌَﺎﺕِ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟِﻨَﺎ ، ﻣَﻦْ ﻳَّﻬْﺪِﻩِ
ﺍﻟﻠﻪُ ﻓَﻼَ ﻣُﻀِﻞَّ ﻟَﻪُ ، ﻭَﻣَﻦْ ﻳُّﻀْﻠِﻞِ ﺍﻟﻠﻪُ ﻓَﻼَ ﻫَﺎﺩِﻱَ ﻟَﻪُ ، ﻭَﺃَﺷْﻬَﺪُ
ﺃَﻥْ ﻻَّ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠﻪُ ﻭَﺣْﺪَﻩُ ﻻَ ﺷَﺮِﻳْﻚَ ﻟَﻪُ ، ﻭَﺃَﺷْﻬَﺪُ ﺃَﻥَّ ﻣُﺤَﻤَّﺪًﺍ
ﻋَﺒْﺪُﻩُ ﻭَﺭَﺳُﻮْﻟُﻪُ
নিশ্চয়ই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ
তা‘আলার জন্য। আমরা তারই প্রশংসা করি,
তার কাছে সাহায্য চাই, তার নিকট
ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট
আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও
আমাদের কর্মসমূহের খারাপ
পরিণতি থেকে আশ্রয় কামনা করি।
আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন,

পেশা ও ইসলাম: কিভাবে সঠিক সমন্বয় সাধন করতে হবে।

পেশা ও ইসলাম: কিভাবে সঠিক সমন্বয় সাধন
করতে হবে।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আস সালামু আলাইকুম!
আজকের আলোচনার প্রস্তাবনা এরকম একটা কিছু:
ধর্ম-কর্ম ও কাজ বা পেশার ভেতর একটা সমন্বয়
কিভাবে ঘটানো যায়! ইসলামী সমাজের
প্রেক্ষাপটে বা মুসলিম জীবনের ভিত্তিতে,
এরকম একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা প্রায়
অসম্ভব। অন্য যে কোন সমাজব্যবস্থা –
যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম না হয়ে অন্য যে
কোন ধর্মাবলম্বী অথবা নাস্তিক – সেখানে

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ