Showing posts with label আত্মসাৎ বা বিশ্বাসঘাতকতা- ধোঁকা- প্রতারণা. Show all posts
Showing posts with label আত্মসাৎ বা বিশ্বাসঘাতকতা- ধোঁকা- প্রতারণা. Show all posts

Friday, December 15, 2017

প্রশ্ন: পরীক্ষায় নকল করার হুকুম (বিধান) কী?

প্রশ্ন: পরীক্ষায় নকল করার হুকুম (বিধান)
কী?
উত্তর: সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক
আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম
আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের উপর; আর সালাম (শান্তি)
বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল
সঙ্গী-সাথীর উপর।
পরীক্ষায় নকল করাটা এক ধরনের প্রতারণা;

দেখুন, ইসলাম কী শেখায়?

দেখুন, ইসলাম কী শেখায়?

1. প্রতারণা ও ধোকাবাজী করা হারামঃ রাসূল সা বলেছেনঃ
ﻣَﻦْ ﻏَﺸّﻨﺎ ﻓَﻠَﻴْﺲَ ﻣِﻨِّﺎ ‘যে আমাদের সাথে প্রতারণা
করে তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক
নেই।’ (মুসলিম)
2. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া হারাম: রাসূল সা
বলেছেনঃ ﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻳُﺆْﻣِﻦُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟْﻴَﻮْﻡِ ﺍﻟْﺂﺧِﺮِ ﻓَﻠَﺎ ﻳُﺆْﺫِ
ﺟَﺎﺭَﻩُ ‘যে আল্লাহ এবং আখেরাতের উপর বিশ্বাস
রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না
দেয়।’ (বুখারী)
3. অতিথী সেবা: রাসূল সা বলেছেনঃ

Thursday, December 7, 2017

ইসলামের দৃষ্টিকোণে ঠকবাজি, প্রতারণা ও ওজনে কম দেওয়ার শাস্তি!


 ইসলামের দৃষ্টিকোণে ঠকবাজি, প্রতারণা ও ওজনে কম দেওয়ার শাস্তি
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য। অসংখ্য সালাত ও সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর, তার পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের উপর।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে প্রতারণা ও প্রতারক, উভয়ের ব্যাপারে কঠোর নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের জন্য অবধারিত ধ্বংসের ঘোষণা দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায় পবিত্র কালামের এই আয়াতে : “ধ্বংস তাদের জন্য, যারা মাপে কম দেয়। যারা মানুষের থেকে মেপে নেয়ার কালে পূর্ণ মাত্রায় গ্রহণ করে। আর যখন তাদের জন্য মাপে বা ওজন করে, তখন কম দেয়।”[১]
এ এক কঠিন ঘোষণা, যারা ঠগবাজি করে,

Monday, November 13, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৪৯. জনসম্মুখে বুযুর্গি দেখিয়ে ভেতরে ভেতরে হারাম কাজ করা

১৪৯. জনসম্মুখে বুযুর্গি দেখিয়ে ভেতরে ভেতরে হারাম কাজ করা


জনসম্মুখে বুযুর্গি দেখিয়ে ভেতরে ভেতরে হারাম কাজ করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَأَعْلَمَنَّ أَقْوَامًا مِنْ أُمَّتِيْ يَأْتُوْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِحَسَنَاتٍ أَمْثَالِ جِبَالِ تِهَامَةَ بِيْضًا، فَيَجْعَلُهَا اللهُ عَزَّ وَجَلَّ هَبَاءً مَنْثُوْرًا، قَالَ ثَوْبَانُ: يَا رَسُوْلَ اللهِ! صِفْهُمْ لَنَا، جَلِّهِمْ لَنَا ؛ أَنْ لَا نَكُوْنَ مِنْهُمْ وَنَحْنُ لَا نَعْلَمُ، قَالَ: أَمَا إِنَّهُمْ إِخْوَانُكُمْ وَمِنْ جِلْدَتِكُمْ وَيَأْخُذُوْنَ مِنَ اللَّيْلِ كَمَا تَأْخُذُوْنَ، وَلَكِنَّهُمْ أَقْوَامٌ إِذَا خَلَوْا بِمَحَارِمِ اللهِ انْتَهَكُوْهَا.
‘‘আমি আমার উম্মতের এমন কিছু সম্প্রদায়কে চিনি যারা কিয়ামতের দিন তিহামা পাহাড়ের ন্যায় শুভ্র-পরিচ্ছন্ন অনেকগুলো নেকি নিয়ে মহান আল্লাহ্ তা‘আলার সামনে উপস্থিত হবে। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা সেগুলোকে ধূলিকণার ন্যায় উড়িয়ে দিবেন। সাওবান বলেন:

কবীরা গুনাহঃ ১২৮. পণ্যের দোষ-ত্রুটি ক্রেতাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা

১২৮. পণ্যের দোষ-ত্রুটি ক্রেতাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা


পণ্যের দোষ-ত্রুটি ক্রেতাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা আরেকটি হারাম কাজ।
’উক্ববাহ্ বিন্ ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
الْـمُسْلِمُ أَخُوْ الْـمُسْلِمِ، وَلَا يَحِلُّ لـِمُسْلِمٍ بَاعَ مِنْ أَخِيْهِ بَيْعًا فِيْهِ عَيْبٌ إِلاَّ بَيَّنَهُ لَهُ.
‘‘একজন মুসলিম অন্য মুসলিমের ভাই। অতএব কোন মুসলিম অন্য কোন মুসলিম ভাইয়ের কাছে ত্রুটিযুক্ত কোন কিছু বিক্রি করলে তার জন্য সে ত্রুটি লুকিয়ে রাখা কখনোই জায়িয নয়। বরং তা তাকে অবশ্যই জানিয়ে দিতে হবে’’।
 (ইব্নু মাজাহ্ ২২৭৬ স’হীহুল্ জামি’, হাদীস ৬৭০৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্যের একটি স্তূপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি উক্ত স্তূপে হাত ঢুকিয়ে দিলে ভেতরের খাদ্য ভেজা দেখতে পান। তখন তিনি বলেন:
مَا هَذَا يَا صَاحِبَ الطَّعَامِ ؟ قَالَ: أَصَابَتْهُ السَّمَاءُ يَا رَسُوْلَ اللهِ! قَالَ: أَفَلَا جَعَلْتَهُ فَوْقَ الطَّعَامِ كَيْ يَرَاهُ النَّاسُ؟ مَنْ غَشَّ فَلَيْسَ مِنِّيْ.
‘‘এটা কি, হে খাদ্যের মালিক? সে বললো: হে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! বৃষ্টি হয়েছিলো তো তাই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি কেন ভেজা খাদ্যগুলো উপরে রাখলে না তা হলেই তো মানুষ তা দেখতে পেতো। যে কোন মুসলিমকে ধোঁকা দিলো তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই’’।
(মুসলিম ১০২)
প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে এ কথা জানতে হবে যে, বেচা-বিক্রিতে কাউকে ধোঁকা দিলে সে ব্যবসায় বরকত ও সত্যিকারের সমৃদ্ধি কখনোই আসে না। হঠাৎ দেখা যাবে কোন একটি জটিল রোগ একই চোটে লক্ষ লক্ষ টাকা নষ্ট করে দিলো। হঠাৎ ব্যবসায় ধস নেমে কোটি কোটি টাকা নষ্ট হয়ে গেলো।
’হাকীম বিন্ ’হিযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا، فَإِنْ صَدَقَا وَبَيَّنَا بُـوْرِكَ لَهُمَا فِيْ بَيْعِهِمَا، وَإِنْ كَذَبَا وَكَتَمَا مُحِقَتْ بَرَكَةُ بَيْعِهِمَا.
‘‘ক্রেতা-বিক্রেতা ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যাপারে স্বাধীন যতক্ষণ না তারা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়। যদি তারা এ ক্ষেত্রে সত্যবাদিতার পরিচয় দেয় এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটির ব্যাপারে উভয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে তা হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত দিবেন। আর যদি তারা এ ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটি একে অপর থেকে লুকিয়ে রাখে তা হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের ক্রয়-বিক্রয় থেকে বরকত উঠিয়ে নিবেন’’। (বুখারী ২১১০)

কবীরা গুনাহঃ ১২৭. কোন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে দালালি করা

১২৭. কোন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে দালালি করা


কোন পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে দালালি করা আরেকটি হারাম কাজ। দালালি বলতে নিলামে বিক্রি কোন মাল তো তার কেনার কোন ইচ্ছে নেই; অথচ সে উক্ত পণ্যের বেশি দাম হাঁকিয়ে ওর মূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন কাজ করতে সবাইকে নিষেধ করে দিয়েছেন।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

আমি এক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বা সুপারভাইজার। আমার আন্ডারে অনেক লোক চাকরি করে। কিছু লোক ডিউটিতে ফাঁকি দেওয়ার জন্য মিথ্যা ওজর পেশ করে ছুটি নেয়। তাদেরকে ছুটি দেওয়া কি আমার জন্য বৈধ?


আপনি একজন দায়িত্বশীল অফিসার। যখন আপনি জানবেন যে, বাস্তবেই তাদের ওজর মিথ্যা, তখন তাদেরকে ছুটি দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের কাজের ক্ষতি করা আপনার জন্য বৈধ নয়। কারণ
তা এক প্রকার খেয়ানত এবং খেয়ানতের সহযোগিতা। আর মহান আল্লাহ বলেছেন, “হে বিশ্বাসীগণ! জেনে শুনে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করো না এবং তোমাদের পরস্পরের আমানত (গচ্ছিত দ্রব্য) সম্পর্কেও নয়।” (আনফালঃ ২৭)
“নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, আমানত তাঁর মালিককে প্রত্যপণ। করবে। (নিসাঃ ৫৮)
আর আল্লাহর নবী (সঃ) বলেন,

আমি এক কোম্পানিতে চাকরি করি। আমার ব্যক্তিগত কাজে এক জায়গায় গেলে সেখানে আমার গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়। চিকিৎসা ও গাড়ির খরচ অনেক বেশি হবে বুঝে কোম্পানির কাজে গিয়ে এক্সিডেন্ট হয়েছে বলে চালিয়ে দিই। কোম্পানি আমার সমস্ত খরচ বহন করে। কিন্তু বর্তমানে আমার বিবেক আমাকে কামড় দিচ্ছে। সে কাজ কি আমার ঠিক ছিল? এখন আমি কি করতে পারি?


যা করেছেন, তা প্রতারণা ও ধোঁকাবাজি। এখন আপনার উচিৎ, কোম্পানিকে আসল কথা খুলে বলা এবং যে অর্থও ব্যয় করেছে, তা আপনার বেতন থেকে কেটে নেওয়ার আর্জি পেশ করা। অতঃপর যদি কোম্পানি আপনাকে ক্ষমা করে দেয়, তাহলে উত্তম। আর আপনি এই প্রতারণার জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করুন। (ইবনে উসাইমিন)

ডিউটির ফিক্সড টাইম আট ঘণ্টা। শুরুতে ১০/১৫ মিনিট দেরি করে এলে এবং শেষে ১০/১৫ মিনিট আগে বেরিয়ে গেলে কোন ক্ষতি হবে কি?


এ ক্ষতির কথা ম্যানেজারের কাছে বলুন। সে চাইলে দেরিতে আসা ও আগে বেরিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে। অনুমতি না দিলে ডিউটির বাঁধা সময় চুরি করা বৈধ নয়। (ইবনে উসাইমিন)

অসুস্থ হলে আমি অফিস থেকে দশ দিনের ছুটি নিয়েছিলাম। কিন্তু পাঁচ দিনের মাথায় আমার অসুখ সেরে যায়। বাকি ছুটি ভোগ করার অধিকার কি আমার ছিল?

অসুস্থ হলে আমি অফিস থেকে দশ দিনের ছুটি নিয়েছিলাম। কিন্তু পাঁচ দিনের মাথায় আমার অসুখ সেরে যায়। বাকি ছুটি ভোগ করার অধিকার কি আমার ছিল?

আপনার উচিৎ ছিল অসুখ সেরে যাবার পর অফিসে হাজির হওয়া এবং ম্যানেজারের কাছে সে কথা জানানো। সে অনুমতি দিলে আপনি বাকি ছুটি ভোগ করতেন। না দিলে কাজে যোগ দিতেন। (ইবনে উসাইমিন)

কবীরা গুনাহঃ ৫৮. কোন গোলাম বা যার পেছনে অগ্রিম টাকা খরচ করে চুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য আনা হয়েছে চুক্তি শেষ না হতেই তার পলায়ন।

৫৮. কোন গোলাম বা যার পেছনে অগ্রিম টাকা খরচ করে চুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য আনা হয়েছে চুক্তি শেষ না হতেই তার পলায়ন


কোন গোলাম বা যার পেছনে অগ্রিম টাকা খরচ করে চুক্তিভিত্তিক কাজের জন্য আনা হয়েছে চুক্তি শেষ না হতেই তার পলায়ন হারাম বা কবীরা গুনাহ্।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
أَيُّمَا عَبْدٍ أَبَقَ مِنْ مَوَالِيْهِ فَقَدْ كَفَرَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهِمْ.
‘‘কোন গোলাম নিজ মনিব থেকে পলায়ন করলে সে কাফির হয়ে যাবে যতক্ষণ না তার মনিবের কাছে ফিরে আসে’’। (মুসলিম ৬৮)
জারীর (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৬৭. কাউকে ধোঁকা দেয়া বা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা

৬৭. কাউকে ধোঁকা দেয়া বা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা


যে কোনভাবে কাউকে ধোঁকা দেয়া বা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَلَا يَحِيْقُ الْـمَكْرُ السَّيِّئُ إِلاَّ بِأَهْلِهِ»
‘‘কূট ষড়যন্ত্র একমাত্র ষড়যন্ত্রকারীদেরকেই বেষ্টন করে নেয়’’। (ফাত্বির : ৪৩)
ক্বাইস্ বিন্ সা’দ্ ও আনাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ১০০. কোন মজুরকে কাজে খাটিয়ে তার মজুরি না দেয়া

১০০. কোন মজুরকে কাজে খাটিয়ে তার মজুরি না দেয়া


কোন মজুরকে কাজে খাটিয়ে তার মজুরি না দেয়া আরেকটি হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
قَالَ اللهُ تَعَالَى: ثَلَاثَةٌ أَنَا خَصْمُهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: رَجُلٌ أَعْطَى بِيْ ثُمَّ غَدَرَ، وَرَجُلٌ بَاعَ حُرًّا فَأَكَلَ ثَمَنَهُ، وَرَجُلٌ اسْتَأْجَرَ أَجِيْرًا فَاسْتَوْفَى مِنْهُ وَلَمْ يُعْطِهِ أَجْرَهُ.
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন: কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেবো। তাদের একজন হচ্ছে, যে ব্যক্তি আমার নামে কসম খেয়ে কারোর সাথে কোন অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করেছে। দ্বিতীয়জন হচ্ছে, যে ব্যক্তি কোন স্বাধীন পুরুষকে বিক্রি করে বিক্রিলব্ধ পয়সা খেয়েছে। আর তৃতীয়জন হচ্ছে, যে ব্যক্তি কোন পুরুষকে মজুর হিসেবে খাটিয়ে তার মজুরি দেয়নি’’। (বুখারী ২২২৭, ২২৭০)
এ জাতীয় ব্যক্তি কিয়ামতের দিন সত্যিকার অর্থেই দরিদ্র।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৪১. যে কোন ধরনের আত্মসাৎ বা বিশ্বাসঘাতকতা

৪১. যে কোন ধরনের আত্মসাৎ বা বিশ্বাসঘাতকতা


যে কোন ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা, আত্মসাৎ বা খেয়ানত আরেকটি কবীরা গুনাহ্ এবং হারাম কাজ। চাই সে বিশ্বাসঘাতকতা আল্লাহ্ তা‘আলা এবং তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথেই হোক অথবা ধর্মের সাথে। চাই সে খেয়ানত জাতীয় সম্পদেই হোক অথবা কারোর ব্যক্তিগত সম্পদে। চাই তা যুদ্ধলব্ধ সম্পদেই হোক অথবা সংগৃহীত যাকাতের মালে। চাই তা কারোর কথার আমানতেই হোক অথবা ইয্যতের আমানতে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই তো আল্লাহ্ তা‘আলা ঈমানের দোহাই পূর্বক সকল ঈমানদারদেরকে এমন করতে বারণ করেছেন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ