Showing posts with label সুদ-ব্যাংক-বীমা- ইনসুরেন্স. Show all posts
Showing posts with label সুদ-ব্যাংক-বীমা- ইনসুরেন্স. Show all posts

Monday, March 5, 2018

সুদে প্রাপ্ত টাকা কী করা উচিৎ?প্রশ্ন: সুদের টাকা নিজে ব্যবহার না করে কোন আত্মীয়-স্বজন বা অন্য কোন ব্যক্তিকে দেয়া দেয়া যাবে কি?

সুদে প্রাপ্ত টাকা কী করা উচিৎ?
=============================
প্রশ্ন: সুদের টাকা নিজে ব্যবহার না করে কোন আত্মীয়-স্বজন বা অন্য কোন ব্যক্তিকে দেয়া দেয়া যাবে কি? আসলে সুদের টাকাগুলো কী করতে হবে দয়া করে জানাবেন।
উত্তর:
সুদী ব্যাংকে টাকা জমা রাখা বা তাদের সাথে লেনদেন করা বৈধ নয়। কারণ এতে হারাম কাজে সহায়তা করা হয়। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীমে হারাম ও সীমালঙ্ঘণের কাজে পরস্পপরকে সহয়তা করতে নিষেধ করেছেন। (সূরা মায়িদাহ: ২)
তবে কোন ব্যক্তি যদি দ্বীন না বুঝার কারণে সুদী ব্যাংকে টাকা জমা রাখে তাহলে দ্বীনের জ্ঞান আসার সাথে সাথে সেখান থেকে গচ্ছিত অর্থ সুদ সহ উঠিয়ে নিবে। সুদের অর্থটা ব্যাংকের কাছেই রেখে দিবে না। কেননা, সম্ভাবনা আছে, তারা এই অর্থ দ্বারা তাদের সুদী কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করবে।

Friday, December 15, 2017

সুদের ভয়ানক পরিণতি

সুদের ভয়ানক পরিণতি

وَأَحَلَّ اللَّـهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا “আল্লা’হ ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।” (সূরা বাকারা: ২৭৫)
বর্তমানে সুদ আমাদের দেশ ও জাতিকে অক্টোপাসের মত বেঁধে ফেলেছে। সুদ ছাড়া আমাদের অর্থনীতির চাকা যেন বন্ধ। যার কারণে পত্রিকা ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে মানুষকে এ বিষয়ে উৎসাহিত করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট অংকের লাভের বিনিময়ে অর্থ ডিপোজিট করতে আহবান করা হচ্ছে। বিভ্রান্ত ও সৎ পথ থেকে বিচ্যুত কিছু আলেমের ফতোয়াও প্রচার করা হচ্ছে এই মর্মে যে, সুদী ব্যাংকের সাথে লেন্তদেন করা জায়েয এবং নির্দিষ্ট অংকে ইন্টারেস্ট বা সুদ গ্রহণ করাও জায়েয।
কিন্তু এ বিষয়টি অত্যন্ত ভয়ানক। প্রকাশ্যে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরোধিতা ও তাঁদের প্রকাশ্য নাফরমানী। আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন:

সুদী bank এ চাকুরী করা কি বৈধ? নাকি হারাম?

সুদী bank এ চাকুরী করা কি বৈধ? নাকি হারাম?


সুদী ব্যাংকে চাকুরী…
Bank Job
আমি একটি সুদী ব্যাংকে চাকুরী করি, যা সুদ ভিত্তিক
লোণ দেয় এবং সুদ ভিত্তিক Deposit গ্রহন করে।
আমি জেনেছি যে, সুদী ব্যাংকে কাজ করা হারাম,

সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহ

সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহ
SUD
সুদ খাওয়ার ৭০টি গুনাহের মধ্যে ১টি হচ্ছে নিজ
মায়ের সাথে যিনা করা…এটা কি গুনাহের
ভয়াবহতা বুঝাতে বলা হয়েছে…নাকি আসলেই
সমান গুনাহ?
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য।
পূর্বের রাসূলগনের মধ্যেও সুদ হারাম ছিল
এবং বর্তমানেও হারাম আছে, যা প্রত্যেক
মুসলিম জানে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ বলেছেন:

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে!! পার্ট – দুই।

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে!! পার্ট – দুই।


৮৩১. সুদ খাওয়া
আল্লাহ তা‘আলা সূদখোর ব্যতীত আর কারো
বিরুদ্ধে স্বয়ং যুদ্ধের ঘোষণা দেননি। তিনি বলেন,
﴿ﻳَٰٓﺄَﻳُّﻬَﺎ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺀَﺍﻣَﻨُﻮﺍْ ﭐﺗَّﻘُﻮﺍْ ﭐﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺫَﺭُﻭﺍْ ﻣَﺎ ﺑَﻘِﻲَ ﻣِﻦَ ﭐﻟﺮِّﺑَﻮٰٓﺍْ
ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻣُّﺆۡﻣِﻨِﻴﻦَ ٢٧٨ ﻓَﺈِﻥ ﻟَّﻢۡ ﺗَﻔۡﻌَﻠُﻮﺍْ ﻓَﺄۡﺫَﻧُﻮﺍْ ﺑِﺤَﺮۡﺏٖ ﻣِّﻦَ
ﭐﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟِﻪِۦۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗُﺒۡﺘُﻢۡ ﻓَﻠَﻜُﻢۡ ﺭُﺀُﻭﺱُ ﺃَﻣۡﻮَٰﻟِﻜُﻢۡ ﻟَﺎ ﺗَﻈۡﻠِﻤُﻮﻥَ
ﻭَﻟَﺎ ﺗُﻈۡﻠَﻤُﻮﻥَ ٢٧٩﴾ ‏[ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ : ٢٧٨، ٢٧٩ ‏]
“হে বিশ্বাসীগণ!

ডিজিটাল পদ্ধতিতে সুদখাওয়া কি বৈধ?

<<<<<ডিজিটাল পদ্ধতিতে সুদখাওয়া কি বৈধ?>>>>>======================বাংলাদেশকে যেমন ডিজিটাল করা হচ্ছে, ঠিক তেমনই কিছু সুদি মহল সুদকে ডিজিটাল শব্দব্যবহার করে সমাজে নারীর ইজ্জত লুন্ঠন আর জাহান্নামে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।★কিছু লোক # মাল্টিপারপাছনামে সুদি কারবার করছে আর সেটাকে হালাল মনে করছে যাখুবই নিকৃষ্ট কাজ।আরেকটি ডিজিটাল সুদের নামহলো #কিস্তি , যার প্রভাব এতভয়ানক ভাবে বিস্তার করেছে যেমনে হয় ডিজিটাল বাংলাদেশে আনুমানিক বেশির ভাগ মানুষএই ডিজিটাল সুদে জর্জরিতহয়ে পরেছে। এই সুদ নেওয়া দেওয়ার প্রক্রিয়া এমন হচ্ছে যেযদি সময় মত কিস্তি না দিতে পারে,

Sunday, December 3, 2017

ব্যাংকের সুদ কি হালালঃ ইলাহী ও নববী বিধান

ইলাহী ও নববী বিধান


ইলাহী বিধান ঃ

﴿الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبا لا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبا وَأَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبا﴾

অর্থাৎ, যারা সুদ খায় তারা (কিয়ামতের দিন) সেই অবস্থায় উঠবে যে অবস্থা হয় একজন শয়তান (জিন) পাওয়া লোকের। তাদের উক্তরূপ হাশর হওয়ার কারণ এই যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতই! অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম।[1]

ব্যাংকের সুদ কি হালালঃ অনুবাদকের কথা

অনুবাদকের কথা


চকচক করলেই সোনা হয় না। সোনা চেনা দায়। সোনা চিনতে কষ্টিপাথর কিনে তাতেও যদি ভেজাল থাকে তাহলে আরো বড় দায়। কুরআন-হাদীসের কষ্টিপাথরে ভুল বুঝ ও ব্যাখ্যার ভেজাল থাকলে সত্যই যে সংকটাবর্তের সৃষ্টি হয় তা ফিৎনা ছাড়া আর কি? ব্যবসা মাত্রেই হালাল নয়। হারাম বস্ত্তর ব্যবসা, হারাম মিশ্রিত বা সন্দিগ্ধ ব্যবসা তথা হারাম উপায়ে ব্যবসা অবশ্যই হারাম। আর যা হারাম তার সহায়তা করাও হারাম।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

ব্যাংকের সুদ কি হালালঃ ভূমিকা

ভূমিকা


إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمداً عبده ورسوله، أما بعد :

ইসলাম বিশ্বজনীন ও কালজয়ী ধর্ম। এর আহকাম ও নির্দেশাবলী ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ। ইসলাম শান্তি, সন্ধি ও নিরাপত্তার ধর্ম। ইসলাম ভ্রাতৃত্ববোধ সম্প্রীতি, মিলন, সহানুভূতি ও সমবেদনার ধর্ম। ইসলাম উন্নয়ন ও বদান্যতার ধর্ম। যার আহকাম ও নীতিমালায় রয়েছে সরলতা ও উদারতা।
 সঙ্কীর্ণতা, কঠিনতা, জটীলতা ও কষ্ট-সমষ্টির নাম ইসলাম নয়। সভ্যতা ও সংস্কৃতির কোন কোণকেই ইসলাম তার অনুসারীদের বিবেকে অগ্রহণযোগ্য বিবেচনা করে না। বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য এবং

সুদের অবৈধতা

সূদের অবৈধতা


আল্লাহ তাআলা সুদকে সর্বতোভাবে কঠোররূপে হারাম গণ্য করেছেন এবং সুদখোরদের বিরুদ্ধে তিনি ও তাঁর রসূলের তরফ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করে মানবজাতিকে ভীতিপ্রদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন:

﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ (278) فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللهِ وَرَسُولِهِ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُؤُوسُ أَمْوَالِكُمْ لا تَظْلِمُونَ وَلا تُظْلَمُونَ﴾

অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (লোকদের নিকট) তোমাদের সুদের যা বকেয়া আছে, তা ছেড়ে দাও--- যদি তোমরা ঈমানদার হও। আর যদি তোমরা এরূপ না কর (সুদ না ছাড়) তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা কবুল করে নাও। কিন্তু

সুদখোরের নিন্দাবাদ কুরআন ও হাদিসে

সুদখোরের নিন্দাবাদ


আল্লাহ তাআলা বলেন:

﴿الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبا لا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبا وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا﴾

অর্থাৎ, যারা সুদ খায় তারা (কিয়ামতের দিন) সেই অবস্থায় উঠবে যে অবস্থা হয় একজন শয়তান (জিবন) পাওয়া লোকের। তাদের উক্তরূপ হাশর হওয়ার কারণ এই যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতই! অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম। (সূরা বাক্বারাহ ২৭৫ আয়াত)
হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,

‘সূদ’ বা সুদ এর সংজ্ঞার্থ

‘সূদ’ এর সংজ্ঞার্থ


কুরআন ও হাদীসের পরিভাষায় সুদকে (ربا) ‘রিবা’ বলা হয়। এই শব্দের মূল ধাতু হল (ر ب و ) যার আভিধানিক অর্থ হল, বাড়, বৃদ্ধি, আধিক্য, স্ফীতি প্রভৃতি।  رَبَاঅর্থাৎ বেড়েছে বা বৃদ্ধি পেয়েছে। ربا السويق অর্থাৎ ছাতু ঘোলার পর ফেঁপে উঠেছে। ربا في حجره অর্থাৎ সে তার কোলে প্রতিপালিত (বড়) হয়েছে। أربى الشيء সে জিনিসটাকে বাড়িয়েছে ইত্যাদি অর্থ অভিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
 কুরআন মাজীদেও উক্ত শব্দ ‘বৃদ্ধি’র অর্থে ব্যবহূত হয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:

জাহেলিয়াতের সুদ

জাহেলিয়াতের সুদ


এবারে আসুন, আমরা দেখি, জাহেলিয়াতের সুদ কেমন ছিল; যে সুদের অবৈধতার উপর কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে এবং যে ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।
 জাহেলিয়াতের যুগে কারবারের যে পদ্ধতিকে ‘রিবা’ বা সুদ বলা হত তার বিভিন্ন ধরন একাধিক বর্ণনায় পাওয়া যায়।
 কারবারের একটি ধরন এরূপ ছিল;
হযরত কাতাদাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

ব্যবসা এবং সুদের মধ্যে পার্থক্য

ব্যবসা এবং সুদের মধ্যে পার্থক্য


ব্যবসা বা ক্রয়-বিক্রয় এই যে, বিক্রেতা কোন জিনিসকে বিক্রয় করার জন্য পেশ করে। বিক্রেতা ও ক্রেতার মাঝে সেই জিনিসের দাম কত তা নির্দিষ্ট ও নিষ্পত্তি হয়। অতঃপর সেই দাম বা মূল্যের বিনিময়ে ক্রেতা সেই জিনিসটাকে বিক্রেতার নিকট থেকে গ্রহণ করে।
 পক্ষান্তরে সুদ এই যে, কোন ব্যক্তি তার মূলধন কোন অপর এক ব্যক্তিকে ধার দেয় এবং এই শর্ত আরোপ করে যে, ‘এত সময়ের মধ্যে আসলের উপর এত টাকা বেশী নেব।’ আসল টাকা ছাড়া এ বাড়তি টাকার নামই হল সুদ। যা কোন জিনিসের মূল্য নয় বরং তা হল কেবল (ঋণ গ্রহীতাকে তার ঋণ পরিশোধে) কিছু সময় ও অবকাশ দেওয়ার বিনিময়।
 অতএব ব্যবসা এবং সুদ এই উভয় প্রকার লেন-দেন নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনার পর নিম্নোক্ত পার্থক্য পরিদৃষ্ট হয়ঃ-

সুদ ও ভাড়া বা মজুরীর মাঝে পার্থক্য

সুদ ও ভাড়া বা মজুরীর মাঝে পার্থক্য


আমরা প্রথমেই একথা আলোচনা করেছি যে, সুদ অতিরিক্ত ও বাড়তি কিছুর নাম। পক্ষান্তরে মজুরীর আভিধানিক অর্থ হল ‘সেবার বিনিময়ে দেয় পরিবর্ত বা অর্থ।’ আর ভাড়া বলে (সাময়িক ব্যবহারের বিনিময়ে নির্দিষ্ট কালান্তরে দেয় অর্থ। অর্থাৎ) সেই নির্দিষ্ট মুনাফার মূল্যকে ভাড়া বলা হয়, যার উপর উভয়পক্ষ (ভাড়াদাতা ও গ্রহীতা) আপোসে চুক্তি করে নেয়। বুঝা গেল যে, মজুরী বা ভাড়া এবং মুনাফা (উপকার লাভ) এর মাঝে রয়েছে ঘনিষ্ট সম্পর্ক। আল্লামা ইবনে কুদামা (রাহিমাহুল্লাহু) বলেন, ‘ইজারাহ’ ‘আজ্র’ মূলধাতু থেকে উৎপত্তি। যার অর্থ হল বিনিময় বা পরিবর্ত। এই অর্থেই সওয়াব বা নেকীকে ‘আজ্র’ বলা হয়। যেহেতু আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর আনুগত্যের বিনিময়ে বদলা বা মজুরী দান করেন।
 এ থেকে পরিষ্কার হল যে,

আমানত ও গচ্ছিত ধন

আমানত ও গচ্ছিত ধন


ফিক্হবিদগণ إيداع ‘ঈদা’ শব্দের সংজ্ঞা এরূপ করেছেন,

تسليط الغير على حفظ ماله.

অর্থাৎ নিজের মাল হিফাযতে রাখার উদ্দেশ্যে অপরকে ভারার্পণ করা।
 আর وديعة (আমানত) সেই মালকে বলা হয় যা আমানতদারের নিকট (গচ্ছিত) রাখা হয়। বর্তমান কালের ব্যাংকে ডিপোজিট্ রাখা টাকা শরয়ী অর্থে আমানত এই হিসাবে বলা হয় যে, ব্যাংকে টাকা জমাকর্তা এই উদ্দেশ্যে জমা করে, যাতে তার টাকা হিফাযতে থাকে এবং প্রয়োজন সময়ে তা চাইবা মাত্র ফিরে পাওয়া যায়।
 কিন্তু তা আমানত বললেও

ঋণের সংজ্ঞা

ঋণের সংজ্ঞা


ঋণের নিম্নরূপ সংজ্ঞা করা হয়েছে,

دفع مال لمن ينتفع به ويرد بدله

অর্থাৎ এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তিকে কোন মাল (ধার) দেওয়া, যাতে সে (বর্তমানে) নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারে এবং পরে সে তার এ (দেনার) পরিবর্ত ফিরিয়ে দেয়।
 কর্জ বা ঋণ লেন-দেন করার সময় ঋণের নির্দিষ্ট পরিমাণ, তার গুণ ও বৈশিষ্ট্য (কোয়ানটিটি ও কোয়ালিটি) জেনে রাখা একান্ত জরুরী।
 সমাজের মানুষের সুবিধার্থে ইসলামী শরীয়তে কর্জ নেওয়া-দেওয়াকে বৈধ করা হয়েছে। কিন্তু এ ঋণ ব্যবস্থা অর্থ উপার্জনের কোন প্রকার অসীলা বা উপায় বলে বিবেচিত নয় এবং

সূদ- সুদ প্রতিহত করার বিভিন্ন পদ্ধতি

সূদ প্রতিহত করার বিভিন্ন পদ্ধতি


ইসলাম যখন কোন বস্ত্তকে হারাম ঘোষণা করে, তখন সেই বস্ত্তর কাছে পৌছে দেয় এমন সকল প্রকার রাস্তা উপায়, উপকরণ, অসীলা ও ছিদ্রপথকেও এক সঙ্গে বন্ধ করে দেয়। বরং যে স্থান হতে সেই বস্ত্তর প্রতি যাওয়ার জন্য উদ্যোগ শুরু হয় সেই স্থানেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেয়। যাতে মানুষ তার নিকটেও পৌঁছতে না পারে।
 বলা বাহুল্য, ইসলাম প্রত্যেক সেই জিনিসকে হারাম ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে যা মুসলিমকে সূদ পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং যা সূদের অসীলা ও ছিদ্রপথ। আমরা নিম্নে এমন কয়েকটি জিনিস নিয়ে আলোচনা করব যাকে সূদের উপায় ও পথ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে ইসলাম নিষিদ্ধ বর্ণনা করেছেঃ-
  1. রিবাল ফায্লঃ

সূদ বা সুদ খাওয়ার কতিপয় নয়া পদ্ধতি

সূদ খাওয়ার কতিপয় নয়া পদ্ধতি


সূদ খাওয়ার বহু ধরনেরই বাহানা ও পথ রয়েছে যা গণনা করা সম্ভব নয়। প্রত্যেক যুগেই সূদখোর লোকেরা সুদ খাওয়ার নিত্যনতুন পথ ও পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে এবং তার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর শরীয়তকে ধোঁকা দিতে প্রয়াস পেয়েছে। এই ধরনের কিছু পথ ও পদ্ধতির কথা আমরা এখানে উল্লেখ করছিঃ-
১- বাই-এ ঈনাহঃ-

সুদের অপকারিতা

সূদের অপকারিতা


প্রিয় পাঠক! এবারে আসুন আমরা সমীক্ষা করে দেখি যে, ইসলাম কেন সূদকে নিষিদ্ধ ও কঠোরভাবে হারাম ঘোষণা করেছে? সূদের মধ্যে কি এমন ক্ষতি, অপকারিতা ও অনিষ্টকারিতা আছে? মানুষের চরিত্রে, সমাজে, রাষ্ট্রে এবং সারা বিশ্বে কি এমন মন্দ প্রভাব ও ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে সূদে? যার প্রেক্ষিতে না তো সূদ কোন বিবেক ও যুক্তিসম্মত। না তা ন্যায়পরায়ণতার অনুকূল। আর না-ই তা জীবন-জীবিকার কোন অপরিহার্য ও প্রয়োজনীয় লেন-দেন।
 এক্ষণে আমরা এ অভিশপ্ত বস্ত্তর বিভিন্ন দিক থেকে

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ