Showing posts with label দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচারের দুয়া ও জিকির. Show all posts
Showing posts with label দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনাচারের দুয়া ও জিকির. Show all posts

Monday, November 20, 2017

১২৩. আনন্দদায়ক কোনো সংবাদ আসলে যা করবে

১২৩. আনন্দদায়ক কোনো সংবাদ আসলে যা করবে


২৪২- “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কোনো আনন্দদায়ক সংবাদ এলে মহান ও বরকতময় আল্লাহ তা‘আলার শুকরিয়া আদায়স্বরূপ সিজদায় পড়ে যেতেন।”[1]
ফুটনোটঃ[1] হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত অপরাপর সুনান গ্রন্থকারগণ উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ নং ২৭৭৪; তিরমিযী নং ১৫৭৮; ইবন মাজাহ্‌ ১৩৯৪। আরও দেখুন,

১২২. আশ্চর্যজনক ও আনন্দজনক বিষয়ের পর দো‘আ

১২২. আশ্চর্যজনক ও আনন্দজনক বিষয়ের পর দো‘আ


240-(1) «سُبْحَانَ اللَّهِ!».
(সুবহা-নাল্লা-হ)
২৪০- “আল্লাহ পবিত্র-মহান।”[1]
241-(2) «اللَّهُ أَكْبَرُ!».
(আল্লা-হু আকবার)
২৪১- “আল্লাহ সবচেয়ে বড়।”[2]

১১৪. কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

১১৪. কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে


232- «اللَّهُمَّ لاَ تُؤَاخِذْنِي بِمَا يَقُولُونَ، وَاغْفِرْ لِي مَا لاَ يَعْلَمُونَ، [وَاجْعَلْنِي خَيْراً مِمَّا يَظُّنُّونَ]».

 (আল্লা-হুম্মা লা-তুআ-খিযনী বিমা ইয়াক্বূলূনা, ওয়াগফিরলী মা-লা ইয়ালামূনা, [ওয়াজআলনী খাইরাম মিম্মা ইয়াযুন্নূনা])
২৩২- “হে আল্লাহ, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন,

১১৩. কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

১১৩. কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে


২৩১- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ কারো প্রশংসা করতেই হয়, তখন যেন সে বলে,

« أَحْسِبُ فُلاَناً وَاللَّهُ حَسِيبُهُ، وَلاَ أُزَكِّي عَلَى اللَّهِ أَحَداً، أَحْسِبُهُ – إِنْ كَانَ يَعْلَمُ ذَاكَ – كَذَا وَكَذَا».

“অমুক প্রসঙ্গে আমি এ ধারণা রাখি, আর আল্লাহই তার ব্যাপারে সঠিক হিসাবকারী, আল্লাহ্‌র উপর (তাঁর জ্ঞানের উপরে উঠে) কারও প্রশংসা করছি না। আমি মনে করি,

১১২. যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

১১২. যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ


২৩০- রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«اللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ».

 (আল্লা-হুম্মা ফাআইয়্যূমা মুমিনিন্ সাবাবতুহু ফাজ্আল যা-লিকা লাহু কুরবাতান ইলাইকা ইয়াউমাল ক্বিয়া-মাতি)।
“হে আল্লাহ! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি,

১০৯. কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

১০৯. কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে


২২৭- “আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,
«وَعَلَيْكُمْ»
(ওয়া ‘আলাইকুম।)
“আর তোমাদেরও উপর।”[1]

১০৮. সালামের প্রসার

১০৮. সালামের প্রসার


২২৪-(১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা পরস্পরকে না ভালোবাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না।  আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালবাসবে? (তা হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রসার ঘটাও।”[1]
২২৫-(২) “তিনটি জিনিস যে ব্যক্তি একত্রিত করতে পারবে সে ঈমান একত্রিত করল,

৯৩. কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দো‘আ

৯৩. কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দো‘আ


204- «وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ».

 (ওয়াফীকা বা-রাকাল্লা-হ)
২০৪- “আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ বরকত দিন।”[1]

৯০. আপনাকে কেউ তার সম্পদ দান করার জন্য পেশ করলে তার জন্য

৯০. আপনাকে কেউ তার সম্পদ দান করার জন্য পেশ করলে তার জন্য দো‘আ


201- «بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ».

 (বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিকা)।
২০১- “আল্লাহ আপনার পরিবারে ও সম্পদে বরকত দান করুন।”[1]

৮৯. যে ব্যক্তি বলবে, ‘আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি’— তার জন্য দো‘আ

৮৯. যে ব্যক্তি বলবে, ‘আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি’— তার জন্য দো‘আ


200- «أَحَبَّكَ الَّذِي أَحْبَبْتَنِي لَهُ».

(আহাব্বাকাল্লাযী আহ্বাবতানী লাহু)।
২০০- “যাঁর জন্য আপনি আমাকে ভালোবেসেছেন, তিনি আপনাকে ভালোবাসুন।”[1]

৮৫. বৈঠকের কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ)

৮৫. বৈঠকের কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ)


196- «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ».
 (সুব্‌হা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা)।
১৯৬- “হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং

৮৪. মজলিসে যা বলতে হয়

৮৪. মজলিসে যা বলতে হয়


“ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, গণনা করে দেখা যেত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে শতবার এই দো‘আ পড়তেনঃ

৭৮. কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে

৭৮. কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে


189-(2) «يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ».
 (ইয়াহদীকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম)।
১৮৯- “আল্লাহ আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন এবং আপনাদের অবস্থা উন্নত করুন।”[1]
 
[1] তিরমিযী ৫/৮২, নং ২৭৪১; আহমাদ ৪/৪০০, নং ১৯৫৮৬; আবু দাউদ, ৪/৩০৮, নং ৫০৪০। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ২/৩৫৪।

৭৭. হাঁচির দো‘আ

৭৭. হাঁচির দো‘আ


১৮৮-(১) তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে বলবে,
 «الْحَمْدُ لِلَّهِ»
 (আলহামদু লিল্লা-হি)
“সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র” এবং তার মুসলিম ভাই বা সাথী যেন অবশ্যই বলে,
 « يَرْحَمُكَ اللَّهُ »
(ইয়ারহামুকাল্লা-হ)
“আল্লাহ আপনাকে রহমত করুন”। যখন তাকে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা হয়, তখন হাঁচিদাতা যেন তার উত্তরে বলে,

৭৬. ফলের কলি দেখলে পড়ার দো‘আ

৭৬. ফলের কলি দেখলে পড়ার দো‘আ


187- «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي ثَمَرِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّنَا».
 (আল্লা-হুম্মা বা-রিক লানা ফী সামারিনা, ওয়াবা-রিক লানা ফী মাদ্বীনাতিনা, ওয়াবা-রিক লানা ফী সাইনা, ওয়াবা-রিক লানা ফী মুদ্দিনা)
১৮৭- “হে আল্লাহ, আপনি আমাদের ফল-ফলাদিতে বরকত দিন, আমাদের শহরে বরকত দিন,

৭৩. কোনো পরিবারের কাছে ইফতার করলে তাদের জন্য দো‘আ

৭৩. কোনো পরিবারের কাছে ইফতার করলে তাদের জন্য দো‘আ


184- «أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلاَئِكَةُ».
 (আফত্বারা ইন্দাকুমুস সা-ইমূন, ওয়া আকালা ত্বাআ-মাকুমুল আবরা-রু, ওয়াসাল্লাত আলাইকুমুল মালা-ইকাহ)
১৮৪- “আপনাদের কাছে রোযাদাররা ইফতার করুন, আপনাদের খাবার যেন সৎলোকেরা খায়, আর

৭২. দো‘আর মাধ্যমে খাবার বা পানীয় চাওয়ার ইঙ্গিত করা

৭২. দো‘আর মাধ্যমে খাবার বা পানীয় চাওয়ার ইঙ্গিত করা


183- «اللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي، وَاسْقِ مَنْ سَقَانِي».
 (আল্লা-হুম্মা আত্বইম মান আত্বআমানী ওয়াসক্বি মান সাক্বা-নী)।
১৮৩- “হে আল্লাহ! যে আমাকে আহার করাবে আপনি তাদেরকে আহার করান এবং

৭১. আহারের আয়োজনকারীর জন্য মেহমানের দো‘আ

৭১. আহারের আয়োজনকারীর জন্য মেহমানের দো‘আ


182- «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُم، وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ».
 (আল্লা-হুম্মা বা-রিক লাহুম ফীমা রাযাক্তাহুম ওয়াগফির লাহুম ওয়ারহামহুম)।
১৮২- “হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে যে রিযিক দান করেছেন তাতে তাদের জন্য বরকত দিন এবং তাদের গুনাহ মাফ করুন, আর

৭০. আহার শেষ করার পর দো‘আ

৭০. আহার শেষ করার পর দো‘আ


180-(1) «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا، وَرَزَقَنِيهِ، مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاَ قُوَّةٍ».
 (আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আতআমানী হা-যা ওয়া রাযাকানীহি মিন গাইরি হাউলিম মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন)।
১৮০-(১) “সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি আমাকে এ আহার করালেন এবং এ রিযিক দিলেন যাতে ছিল না আমার পক্ষ থেকে কোনো উপায়, ছিল না কোনো শক্তি-সামর্থ্য।”[1]
181-(2) «الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْداً كَثِيراً طَيِّباً مُبَارَكاً فِيهِ، غَيْرَ [مَكْفِيٍّ وَلاَ ] مُوَدَّعٍ، وَلاَ مُسْتَغْنَىً عَنْهُ رَبَّنَا».
 (আলহামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান তায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহি, গাইরা মাকফিয়্যিন ওয়ালা মুয়াদ্দাইন, ওয়ালা মুসতাগনান আনহু রব্বানা)।
১৮১-(২) “আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা; এমন প্রশংসা যা অঢেল,

৬৯. খাওয়ার পূর্বে দো‘আ

৬৯. খাওয়ার পূর্বে দো‘আ


১৭৮-(১) “যখন তোমাদের কেউ আহার শুরু করে তখন সে যেনো বলে,

«بِسْمِ اللَّهِ»

(বিসমিল্লাহ)
“আল্লাহর নামে।” আর শুরুতে বলতে ভুলে গেলে যেন বলে,

«بسمِ اللَّهِ فِي أَوَّلِهِ وَآخِرِهِ»

(বিস্‌মিল্লাহি ফী আওওয়ালিহী ওয়া আখিরিহী)
“এর শুরু ও শেষ আল্লাহ্‌র নামে।”[1]
১৭৯-(২) “যাকে আল্লাহ কোনো খাবার খাওয়ায় সে যেন বলে,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ