Showing posts with label শাফাআত বা শাফায়াত. Show all posts
Showing posts with label শাফাআত বা শাফায়াত. Show all posts

Monday, January 29, 2018

শাফায়াত বা সুপারিশ কে করতে পারবে?

শাফায়াত বা সুপারিশ কে করতে পারবে?


শাফায়াৎ বা সুপারিশ বিষয়েঃ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।
১) কিয়ামাত বা হাসরের দিনে কারো সুপারিশ গৃহীত হবে না (সুরাহ বাকারাহ ২: ৪৮, ১২৩, ২৫৪, সুরাহ আন’আম ৬: ৫১, ৭০, সুরাহ রূম ৩০: ১৩, সুরাহ ইউনুস ১০: ১৮, সুরাহ সিজদাহ ৩২: ৪)
২) তবে,

Thursday, January 25, 2018

কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের জন্য কতিপয় আমল

কিয়ামতের দিন শাফায়াত লাভের জন্য কতিপয় আমল: আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবলেছেন:« ﺃَﺳْﻌَﺪُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺑِﺸَﻔَﺎﻋَﺘِﻰ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﻣَﻦْ ﻗَﺎﻝَ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ، ﺧَﺎﻟِﺼًﺎﻣِﻦْ ﻗَﻠْﺒِﻪِ ﺃَﻭْ ﻧَﻔْﺴِﻪِ »“কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত লাভে সেই ব্যক্তি সৌভাগ্য মণ্ডিতহবে, যে আন্তরিকভাবে বলবে: `লাইলাহা ইল্লাল্লাহ’ তথাআল্লাহ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই।” (সহীহ বুখারী,অনুচ্ছেদ,হাদীসের প্রতি আগ্রহ, হাদীস নং ৯৯,শামেলা)২) কুরআন পাঠ করা: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেন:ﺍﻗْﺮَﺀُﻭﺍ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻳَﺄْﺗِﻲ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﺷَﻔِﻴﻌًﺎ ﻟِﺄَﺻْﺤَﺎﺑِﻪِ“তোমরা কুরআন পাঠ কর। কেননা,কুরআন কিয়ামতের দিন তারপাঠকদের জন্য সুপারিশ কারী হবে।”(সহীহ মুসলিম)।৩) রোযা রাখা: আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত। রাসূলসাল্লাল্লাহু আলাই হওয়া সাল্লাম বলেছেন:« ﺍﻟﺼِّﻴَﺎﻡُ ﻭَﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻳَﺸْﻔَﻌَﺎﻥِ ﻟِﻠْﻌَﺒْﺪِ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟْﻘِﻴَﺎﻣَﺔِ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺍﻟﺼِّﻴَﺎﻡُ ﺃَﻯْ ﺭَﺏِّﻣَﻨَﻌْﺘُﻪُ ﺍﻟﻄَّﻌَﺎﻡَ ﻭَﺍﻟﺸَّﻬَﻮَﺍﺕِ ﺑِﺎﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﻓَﺸَﻔِّﻌْﻨِﻰ ﻓِﻴﻪِ. ﻭَﻳَﻘُﻮﻝُ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥُ ﻣَﻨَﻌْﺘُﻪُﺍﻟﻨَّﻮْﻡَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻓَﺸَﻔِّﻌْﻨِﻰ ﻓِﻴﻪِ. ﻗَﺎﻝَ ﻓَﻴُﺸَﻔَّﻌَﺎﻥِ“রোযা এবং কুরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে।রোযা বলবে, হে প্রভু, আমি তাকে দিনের বেলায় খাদ্য ওপ্রবৃত্তির চাহিদা পূরণে বাধা দিয়েছিলাম। অত:এব আপনি তারব্যাপারে আমার শাফায়ত কবুল করুন। আর কুরআন বলবে, আমিতাকে রাতের বেলায় ঘুম থেকে বাধা দিয়েছিলাম। অতএব,তারব্যাপারে আমার শাফায়ত কবুল করুন। অত:পর তাদের শাফায়াতকবুল করা হবে।” (মুসনাদ আহমদ, মুসনাদ আব্দুল্লাহ ইবনেআমর হাদীস নং ৬৭৮৫, শামেলা, সনদ সহীহ)৪) আযানের দুয়া পাঠ করা: আলী ইবনু আইয়াশ (রহঃ) জাবির ইবনুআবদুল্লাহ (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আজান শোনার পর এদোয়া পড়বে:

Saturday, December 16, 2017

মুমিনদের শাফা‘আত

মুমিনদের শাফা‘আত

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
ক্বিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর বিচারের পরে যারা সৎকর্মশীল তারা জান্নাতে চলে যাবে। আর মুমিনরা অন্য মুমিনদের জন্য আল্লাহর কাছে সুফারিশ করবে। ফলে বহু মানুষ জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। এ সম্পর্কেই নিম্নোক্ত হাদীছটি।
আবু সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত,

নবী-রাসূল, অলী-আউলিয়া, বুজুর্গ, আলেম প্রমুখের নিকট কি শাফায়াত প্রার্থনা করা যায়? অথবা তাদের অসীলায় কি আল্লাহর নিকট কোন কিছু চাওয়া জায়েজ আছে?


১ম প্রশ্ন: অনেকে বলে, আমরা অলী-আউলিয়া ও বুজুর্গ লোকদের নিকট বিপদাপদ থেকে উদ্ধার কামনা করি। তবে তাদের নিকট আমরা যা চাই তা হল কিয়ামতের দিন যেন তারা আল্লাহর দরবারে আমাদের জন্য শাফায়াত করে। কারণ তারা সৎ লোক। আল্লাহর নিকট তাদের বিশাল মর্যাদা রয়েছে। তাই এই মর্যাদার কারণে আমরা চাই তারা আমাদের সুপারিশ করে পরকালে কঠিন বিপদ থেকে আল্লাহ আমাদেরকে উদ্ধার করবেন। এটা কি ঠিক?
——————————————————————-
উত্তর: আরবের মুশরিকরা তো তাদের শিরকের স্বপক্ষে হুবহু এ কথাই বলত। তার পরে ও মহান আল্লাহ তাদেরকে-কাফের মুশরিক বলে অবিহিত করেছেন। যেমন, আল্লাহ তায়ালা বলেন,

কোরআন-হাদীসের আলোকে শাফাআত

কোরআন-হাদীসের আলোকে শাফাআত

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সকল প্রশংসা আল্লাহর । সালাত-সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর। এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবী ও অনুসারীদের উপর।
কোরআন-সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মত দ্বারা একথা প্রমাণিত যে, আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বময় কর্তৃত্ব, রাজত্বের অধিকারী । সব কিছুর মালিকানা তাঁরই।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
বস্তুতঃ ইহকাল ও পরকাল আল্লাহরই। ( সূরা নাজম : ২৫)
জেনে রাখো, সৃষ্টি ও কর্তৃত্ব তাঁরই। ( সূরা আ’রাফ : ৫৪)
আকাশ ও জমীনে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। ( সূরা বাকারা : ২৮৪)
বলো হে নবী,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ