Showing posts with label হত্যা-নির্যাতন-জুলুম. Show all posts
Showing posts with label হত্যা-নির্যাতন-জুলুম. Show all posts

Friday, December 15, 2017

যুলুমের ভয়াবহ পরিণাম ও বাঁচার উপায়

যুলুমের ভয়াবহ পরিণাম ও বাঁচার উপায়

 
যুলম শব্দটি আরবী। বাংলায় এর অর্থ অত্যাচার করা, অবিচার করা, নির্যাতন করা বা সীমা অতিক্রম করা। অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ দখল করা, কারো চরিত্র হনন করা, কারো অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, কাউকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণ করার ব্যবস্থা করা, মিথ্যা মামলা দেয়া, কাউকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করা, কারো জমি দখল করা, অন্যায়ভাবে চাকরীচ্যুত করাসহ ইত্যাদি কাজ যুলুমের অন্তর্ভুক্ত।
যুলম এমন একটি ভয়ানক বিষয় যে,

জুলুম : পীড়িতের অশ্রু পীড়কের পরাজয়

জুলুম : পীড়িতের অশ্রু পীড়কের পরাজয়

পৃথিবীর সবাই শান্তি চায়। তাবৎ রাষ্ট্রই চায় সুখ-সমৃদ্ধি অর্জন করতে। কিন্তু সুখ নামের সোনার হরিণটি কেন জানি অধরাই থেকে যায়! কারণ কী? কারণ হলো শান্তি কামনা করলেও অধিকাংশই পারে না শান্তির পথ অবলম্বন করতে। সুখ ও শান্তির দেখা পেতে হলে আবশ্যক মানুষের মধ্যে অধিকার ও ইনসাফ নিশ্চিত করা। পরস্পরে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির চর্চা করা। অধিকার ও ইনসাফ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কেবল প্রশান্তি ছড়ায়। নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা পায়। সমাজে একে অপরের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় হয়। ধনী-গরিবের মধ্যে আস্থা গড়ে ওঠে। সম্পদ উন্নত ও রাষ্ট্র সমৃদ্ধ হয়। স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পায় এবং অস্থিতির পরিবর্তে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জালিম শাষকদের শেষ পরিণতি!!

জালিম শাষকদের শেষ পরিণতি!!


মাম ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ) অনুবাদঃ ইউসুফইয়াসীন  অত্যাচারী শাসকের শেষ পরিণতিঅত্যাচারী শাসকের শেষ পরিণতিযালিমদের শেষ পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহর নিদর্শনপর্যায়ক্রমিকভাবে আসছে এবং অত্যাচারীদেরউপর তাদের শাস্তি বিরতিহীনভাবে এসে পড়ছে।বেন আলী এবং মোবারকের ঘটনা এখনো বিশ্বদৃষ্টির অন্তরাল হয়নি। সুতরাং প্রত্যেক শুরুরই শেষআছে এবং প্রত্যেক শাসনকালের একটি নির্দিষ্টমেয়াদ আছে। মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা‘য়ালা বলেন,﴾ এবং তোমার রব তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কেমোটেই উদাসীন নন।﴿ [৬: ১৩২]মহান আল্লাহ যালিমদের শেষ পরিণতির জন্য কারণ তৈরিকরেছেন এবং

Thursday, December 7, 2017

কবীরা গুনাহ !ইমাম আয -যাহাবী

কবীরা গুনাহ !ইমাম আয -যাহাবী

কবীরা গুনাহ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর । আমরা শুধু তারই প্রশংসা করি এবং তার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি ও তার নিকট ক্ষমা চাই। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দিবেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারবে না। আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন তাকে কেউ পথ দেখাতে পারে না এবং আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন উপাস্য নেই। তিনি একক, তার কোন শরীক নেই। আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
ইরশাদ হচ্ছে-

ইসলামের দৃষ্টিতে আত্নহত্যা হারাম!! ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মহত্যা.আত্মহত্যা কী?

ইসলামের দৃষ্টিতে আত্নহত্যা হারাম!!


ইসলামের দৃষ্টিতে আত্মহত্যা.আত্মহত্যা কী? আত্মহত্যা মানে নিজকেনিজে ধ্বংস করা। নিজ আত্মাকে চরম কষ্ট ওযন্ত্রণা দেয়া। নিজ হাতে নিজের জীবনেরযাবতীয় কর্মকাণ্ডেরপরিসমাপ্তি ঘটানো। আমাদের বাংলাদেশেঅনেক নারী-পুরুষ বিশেষত যুবতী বোনেরাজীবন সংগ্রামের পরিবর্তে জীবন থেকেপালিয়ে যাবার জন্যআত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। তুচ্ছপারিবারিক কলহ, বিদ্যালয়ের গমনাগন পথেবখাটেদের উৎপাত, ভালোবাসায় ব্যর্থতা ওপ্রতারণা ইত্যাদিকে কেন্দ্রকরে তরুণীরা এবং স্বামীর নির্যাতন-অত্যাচার, যৌতুক সমস্যা, স্বামীরঅর্থনৈতিক অক্ষমতা, পারিবারিক অশান্তিথেকে বাঁচার পথ হিসেবে অনেকমহিলা আত্মহত্যাকে বেছে নিচ্ছে। এসবই বড়ভুল,

Tuesday, November 14, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৮৫. কোন নির্দোষকে অন্যের দোষে দন্ডিত করা

১৮৫. কোন নির্দোষকে অন্যের দোষে দন্ডিত করা


কোন নির্দোষকে অন্যের দোষে দন্ডিত করা হারাম।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَلَا تَكْسِبُ كُلُّ نَفْسٍ إِلاَّ عَلَيْهَا، وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزْرَ أُخْرَى».
‘‘প্রত্যেক ব্যক্তি স্বীয় কৃতকর্মের জন্য নিজেই দায়ী। কোন পাপীই অন্যের পাপের বোঝা নিজে বহন করবে না’’। (আন্‘আম : ১৬৪)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
«وَمَنْ يَّكْسِبْ خَطِيْئَةً أَوْ إِثْمًا ثُمَّ يَرْمِ بِهِ بَرِيْئًا فَقَدِ احْتَمَلَ بُهْتَانًا وَّإِثْمًا مُّبِيْنًا».
‘‘যে ব্যক্তি নিজেই কোন অপরাধ বা পাপ করে তা নিরপরাধ কোন ব্যক্তির উপর আরোপ করে তা হলে সে নিজেই উক্ত অপবাদ ও প্রকাশ্য গুনাহ্ বহন করবে’’। (নিসা’ : ১১২)
‘আমর বিন্ আ’হ্ওয়াস্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বিদায় হজ্জের দিবসে নিম্নোক্ত কথা বলতে শুনেছি। তিনি বলেন:

কবীরা গুনাহঃ ১৮২. হিংসা-বিদ্বেষ, শত্রুতা, দালালি ও কারোর পেছনে পড়া

১৮২. হিংসা-বিদ্বেষ, শত্রুতা, দালালি ও কারোর পেছনে পড়া


হিংসা-বিদ্বেষ, শত্রুতা, দালালি ও কারোর পেছনে পড়া হারাম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَا تَحَاسَدُوْا، وَلَا تَنَاجَشُوْا، وَلَا تَبَاغَضُوْا، وَلَا تَدَابَرُوْا، وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ، وَكُوْنُوْا عِبَادَ اللهِ إِخْوَانًا، الْـمُسْلِمُ أَخُـوْ الـْمُسْلِمِ، لَا يَظْلِمُهُ، وَلَا يَخْذُلُهُ، وَلَا يَحْقِرُهُ، التَّقْوَى هَاهُنَا، وَيُشِيْرُ إِلَى صَدْرِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، بِحَسْبِ امْرِئٍ مِّنَ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْـمُسْلِمَ، كُلُّ الْـمُسْلِمِ عَلَى الْـمُسْلِمِ حَرَامٌ دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ.
‘‘তোমরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ করো না। ক্রয়-বিক্রয়ে দালালি করো না। একে অপরের প্রতি শত্রুতা পোষণ করো না। কারোর পেছনে পড়ো না। কেউ অন্যের বিক্রির উপর দ্বিতীয় বিক্রি করবে না। বরং তোমরা এক আল্লাহ্ তা‘আলার বান্দাহ্ হিসেবে পরস্পর ভাই-ভাই হয়ে যাও। সত্যিই এক মুসলিম অন্য মুসলিমের ভাই। তাই

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১১৭. শরীয়ত সম্মত ভালো কোন উদ্দেশ্য ছাড়া যালিমদের নিকট যাওয়া, তাদেরকে সম্মান করা ও ভালোবাসা এমনকি যুলুমের কাজে তাদের সহযোগিতা করা

১১৭. শরীয়ত সম্মত ভালো কোন উদ্দেশ্য ছাড়া যালিমদের নিকট যাওয়া, তাদেরকে সম্মান করা ও ভালোবাসা এমনকি যুলুমের কাজে তাদের সহযোগিতা করা


শরীয়ত সম্মত ভালো কোন উদ্দেশ্য ছাড়া যালিমদের নিকট যাওয়া, তাদেরকে সম্মান করা ও ভালোবাসা এমনকি যুলুমের কাজে তাদের সহযোগিতা করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্। 
কা’ব বিন্ ’উজ্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ১০৫. অসিয়ত বা দানের ক্ষেত্রে সন্তানদের কাউকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যের ক্ষতি করা

১০৫. অসিয়ত বা দানের ক্ষেত্রে সন্তানদের কাউকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যের ক্ষতি করা


অসিয়ত বা দানের ক্ষেত্রে সন্তানদের কাউকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যের ক্ষতি করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
মূলতঃ কারোর নিজ কোন সন্তানের জন্য কোন কিছুর অসিয়ত করাই না জায়িয। কারণ, সে তো ওয়ারিশ। আর ওয়ারিশের জন্য অসিয়ত করা তো কোন প্রকারেই জায়িয নয়। সুতরাং কোন সন্তানের জন্য কোন কিছুর অসিয়ত করা মানেই অন্য সন্তানের ক্ষতি করা।
আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৮৫. কোন ঝগড়া-ফাসাদে যুলুমের সহযোগিতা করা

৮৫. কোন ঝগড়া-ফাসাদে যুলুমের সহযোগিতা করা


কোন ঝগড়া-ফাসাদে যুলুমের সহযোগিতা করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্ এবং হারাম।
কেউ অবৈধভাবে অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়েছে তা জেনেশুনেও অন্য কেউ এ ব্যাপারে তাকে সহযোগিতা করলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَنْ أَعَانَ عَلَى خُصُوْمَةٍ بِظُلْمٍ ؛ لَمْ يَزَلْ فِيْ سَخَطِ اللهِ حَتَّى يَنْزِعَ عَنْهُ.
‘‘কেউ যদি জেনেশুনে অন্যায় মূলক বিবাদে অন্যকে সহযোগিতা করে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর খুবই রাগান্বিত হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে’’। (ইব্নু মাজাহ্ ২৩৪৯; ’হা’কিম ৪/৯৯)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَنْ أَعَانَ ظَالِمًا لِيُدْحِضَ بِبَاطِلِهِ حَقًّا فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ ذِمَّةُ اللهِ وَذِمَّةُ رَسُوْلِهِ.
‘‘কেউ যদি কোন যালিমকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করলো যে, সে তার বাতিল দিয়ে কোন হক্বকে প্রতিহত করবে তখন আল্লাহ্ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যিম্মাদারি তার উপর থেকে উঠিয়ে নেয়া হয়’’।
(সা’হী’হুল্ জা’মি’ ৬০৪৮)

কবীরা গুনাহঃ ৭৭. শরীয়তের যে কোন দন্ডবিধি প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করা

৭৭. শরীয়তের যে কোন দন্ডবিধি প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করা


শরীয়তের যে কোন দন্ডবিধি প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
কোন ব্যক্তি কারোর ক্বিসাস্ অথবা দিয়াত বাস্তবায়নের পথে বাধা সৃষ্টি করলে তার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা, ফিরিশ্তা ও সকল মানুষের অভিশাপ নিপতিত হয়।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৭৪. কবীরা গুনাহ্’র কারণে কোন ক্ষমতাসীনকে কাফির সাব্যস্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা

৭৪. কবীরা গুনাহ্’র কারণে কোন ক্ষমতাসীনকে কাফির সাব্যস্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা


কবীরা গুনাহ্’র কারণে কোন ক্ষমতাসীনকে কাফির সাব্যস্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা আরকটি কবীরা গুনাহ্।
এ জাতীয় ব্যক্তিকে আরবীতে খারিজী এবং একের অধিককে খাওয়ারিজ বলা হয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জাতীয় খারিজীদেরকে জাহান্নামের কুকুর এবং আকাশের নিচের সর্বনিকৃষ্ট নিহত বলে আখ্যায়িত করেছেন।
ইব্নু আবী আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৭১. কারোর দিকে ছুরি বা কোন অস্ত্র দিয়ে ইঙ্গিত করা

৭১. কারোর দিকে ছুরি বা কোন অস্ত্র দিয়ে ইঙ্গিত করা


কারোর দিকে দা, ছুরি বা অন্য কোন অস্ত্র দিয়ে ইঙ্গিত করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَنْ أَشَارَ إِلَى أَخِيْهِ بِحَدِيْدَةٍ فَإِنَّ الْـمَلَائِكَةَ تَلْعَنُهُ حَتَّى يَدَعَهُ، وَإِنْ كَانَ أَخَاهُ لِأَبِيْهِ وَأُمِّهِ.
‘‘কেউ নিজ কোন মুসলিম ভাইয়ের দিকে লোহা জাতীয় কোন অস্ত্র দিয়ে ইঙ্গিত করলে ফিরিশ্তারা তাকে লা’নত করতে থাকে যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে। যদিও উক্ত ব্যক্তি তার সহোদর ভাইই হোক না কেন’’। (মুসলিম ২৬১৬)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য হাদীসে এ নিষেধের কারণও উল্লেখ করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Thursday, November 9, 2017

জালিম শাষকদের শেষ পরিণতি কি ?

জালিম শাষকদের শেষ পরিণতি!!


ইমাম ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ) অনুবাদঃ ইউসুফইয়াসীন অত্যাচারী শাসকের শেষ পরিণতিঅত্যাচারী শাসকের শেষ পরিণতিযালিমদের শেষ পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহর নিদর্শনপর্যায়ক্রমিকভাবে আসছে এবং অত্যাচারীদেরউপর তাদের শাস্তি বিরতিহীনভাবে এসে পড়ছে।বেন আলী এবং মোবারকের ঘটনা এখনো বিশ্বদৃষ্টির অন্তরাল হয়নি। সুতরাং প্রত্যেক শুরুরই শেষআছে এবং প্রত্যেক শাসনকালের একটি নির্দিষ্টমেয়াদ আছে। মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা‘য়ালা বলেন,

ঘুষের ভয়াবহতা ও তা থেকে উত্তরণের উপায় !

ঘুষের ভয়াবহতা ও তা থেকে উত্তরণের উপায়
ঘুষ একটি সামাজিক ব্যাধি। ঘুষ হচ্ছে স্বাভাবিক ও বৈধ উপায়ে যা কিছু পাওয়া যায় তার উপর অবৈধ পন্থায় অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করা। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী তার দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত বেতন/ভাতা পাওয়া সত্ত্বেও যদি বাড়তি কিছু অবৈধ পন্থায় গ্রহণ করে তাহলে তা ঘুষ হিসাবে বিবেচিত। অনেক সময় স্বীয় অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ঘুষ দেওয়া হয়। আবার অনেক সময় টাকা-পয়সা ছাড়াও উপহারের নামে নানা সমগ্রী প্রদান করা হয়। সুতরাং যেভাবেই হোক, আর যে নামেই হোক তা ঘুষের অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

Wednesday, November 8, 2017

কেউ অবৈধভাবে অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়েছে তা জেনেশুনেও অন্য কেউ এ ব্যাপারে তাকে সহযোগিতা করলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।

কেউ অবৈধভাবে অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়েছে তা জেনেশুনেও অন্য কেউ এ ব্যাপারে তাকে সহযোগিতা করলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।


‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কেউ কারোর কাছ থেকে কোন ব্যাপারে কসম গ্রহণ করতে চাইলে সে ব্যক্তি কসমের শব্দ থেকে যাই বুঝবে উহার ভিত্তিতেই কসমের সত্যতা কিংবা অসত্যতা নিরূপিত হবে। কসমকারীর নিয়তের ভিত্তিতে নয়। তবে যদি কসম গ্রহণকারী যালিম হয়ে থাকে এবং কসমকারীর কথার ভিত্তিতেই সে ব্যক্তি যুলুম করার সুযোগ পাবে তখন কসমকারীর নিয়তই গ্রহণযোগ্য হবে।

কেউ কারোর কাছ থেকে কোন ব্যাপারে কসম গ্রহণ করতে চাইলে সে ব্যক্তি কসমের শব্দ থেকে যাই বুঝবে উহার ভিত্তিতেই কসমের সত্যতা কিংবা অসত্যতা নিরূপিত হবে। কসমকারীর নিয়তের ভিত্তিতে নয়। তবে যদি কসম গ্রহণকারী যালিম হয়ে থাকে এবং কসমকারীর কথার ভিত্তিতেই সে ব্যক্তি যুলুম করার সুযোগ পাবে তখন কসমকারীর নিয়তই গ্রহণযোগ্য হবে।


আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবিরা গুনাহঃ ৩০. অবিচার এবং বিচার সংক্রান্ত কিছু কথা

৩০. অবিচার


কুর‘আন ও হাদীসের সুস্পষ্ট জ্ঞান ও তা যথাস্থানে প্রয়োগ করার যথেষ্ট প্রজ্ঞা ছাড়া বিচারকার্য পরিচালনা করা অথবা কোন ব্যাপারে সত্য উদ্ভাসিত হয়ে যাওয়ার পরও তা পাশ কাটিয়ে গিয়ে অন্যায়মূলক বিচার করা একটি মারাত্মক অপরাধ।
বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ: وَاحِـدٌ فِيْ الْـجَنَّةِ، وَاثْنَانِ فِيْ النَّارِ، فَأَمَّا الَّذِيْ فِيْ الْـجَنَّةِ ؛ فَرَجُلٌ عَرَفَ الْـحَقَّ فَقَضَى بِهِ، وَرَجُلٌ عَرَفَ الْـحَقَّ فَجَارَ فِيْ الْـحُكْمِ ؛ فَهُوَ فِيْ النَّارِ، وَرَجُلٌ قَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ ؛ فَهُوَ فِيْالنَّارِ.
‘‘বিচারক তিন প্রকারের। তম্মধ্যে একজন জান্নাতী আর অপর দু’জন জাহান্নামী। যিনি জান্নাতী তিনি হচ্ছেন এমন বিচারক যে সত্য উদ্ঘাটন করে উহার আলোকেই বিচার করেন। আরেকজন এমন যে,

কবিরা গুনাহঃ ২৭. যুলুম, অত্যাচার ও কারোর উপর অন্যায় মূলক আক্রমণ

২৭. যুলুম, অত্যাচার ও কারোর উপর অন্যায় মূলক আক্রমণ


কারোর জন্য অন্যের উপর যে কোনভাবে যুলুম, অত্যাচার অথবা অন্যায় মূলক আক্রমণ হারাম ও কবীরা গুনাহ্। কাউকে মারা, হত্যা করা, আহত করা, গালি দেয়া, অভিসম্পাত করা, ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া, দুর্বলের উপর হাত উঠানো চাই সে হোক নিজের কাজের ছেলে কিংবা নিজের কাজের মেয়ে অথবা নিজ স্ত্রী-সন্তান; তেমনিভাবে জোর করে কারোর কোন অধিকার হরণ ইত্যাদি ইত্যাদি যুলুমেরই অন্তর্গত।
যুলুম পারস্পরিক বন্ধুত্ব বিনষ্ট করে। আত্মীয়-স্বজনের মাঝে বৈরিতা সৃষ্টি করে। মানুষের মাঝে হিংসা ও বিদ্বেষের জন্ম দেয় এবং এরই কারণে ধনী ও গরীবের মাঝে ধীরে ধীরে ঘৃণা ও শত্রুতা জেগে উঠে। তখন উভয় পক্ষই দুনিয়ার বুকে অশান্তি নিয়েই জীবন যাপন করতে বাধ্য হয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা যালিমদের জন্য জাহান্নামে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন। যা তাকে গ্রহণ করতেই হবে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

কবিরা গুনাহঃ ২৬. চাঁদাবাজি

২৬. চাঁদাবাজি


চাঁদাবাজি আরেকটি মারাত্মক অপরাধ। কোন প্রভাবশালী চক্র কর্তৃক জোর পূর্বক কাউকে কোথাও নিজ কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য অথবা নির্দিষ্ট স্থান অতিক্রম করা ইত্যাদির জন্য নির্দিষ্ট অথবা অনির্দিষ্ট পরিমাণে চাঁদা দিতে বাধ্য করাকে সাধারণত চাঁদাবাজি বলা হয়। দস্যুতার সাথে এর খুবই মিল। চাঁদা উত্তোলনকারী, চাঁদা লেখক ও চাঁদা গ্রহণকারী সবাই উক্ত গুনাহ্’র সমান অংশীদার। এরা যালিমের সহযোগী অথবা সরাসরি যালিম।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ