Showing posts with label মহিলার সাজ-সজ্জা ও সুগন্ধি- আতর. Show all posts
Showing posts with label মহিলার সাজ-সজ্জা ও সুগন্ধি- আতর. Show all posts

Friday, March 23, 2018

বান্দার হক নষ্ট করার পর সঠিকভাবে মনে না থাকলে করণীয় , কুরআন-হাদিস নিয়ে তামাশা করার বিধান কি, মেয়েদের চুল কাটা ও ছাটার বিধান কি?

 বান্দার হক নষ্ট করার পর সঠিকভাবে মনে না থাকলে-
প্রশ্ন : এক লোক আগে অনেক মানুষের কাছে টাকা ধার করত কিন্তু ঠিক মত পরিশোধ করত না। অনেক বছর পর তার ঈমানী চোখ খুলল, সে তওবা করল এবং এটাও বুঝতে শিখল যে, আল্লাহ বান্দার হক ক্ষমা করেন না। তাই এখন সে টাকা পরিশোধ করতে রাজি। ।কিন্তু তার সঠিক মনে নেই যে, কে কত পাবে? এমন অবস্থায় তার কী করা উচিত?
উত্তর:
বান্দার হক নষ্ট করা হলে তওবার জন্য শর্ত হল, তা তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে, তাকে না পেলে তার ওয়ারিশ (উত্তরাধীকারী)দেরকে ফেরত দিতে হবে। তাদের কাউকে না পেলে তা আল্লাহর পথে বা জনকল্যাণ মূলক কাজে ব্যয় করে আল্লাহর নিকট দুআ করতে হবে যেন, তিনি এর যাবতীয় সওয়াব এর মালিককে প্রদান করেন।
যদি পরিমাণ স্বরণ করতে না পারে যে, তাহলে আনুমানিক ধারণা করবে যে, এই পরিমাণ হতে পারে। তারপর তা নিজের সম্পদ থেকে আলাদা করে দান করে দিবে। এমনভাবে করবে যেন মনে হয় যে, সে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পেরেছে। আল্লাহু আলাম।
~~~~~

Sunday, December 31, 2017

মহিলাদের কৃত্রিম রূপচর্চার পরকালীণ ভয়াবহতা!

মহিলাদের কৃত্রিম রূপচর্চা

নকল চুল বা পরচুলা লাগানো, উলকি উৎকীর্ণ করা [চামড়ায় ছুঁচ ফুটিয়ে দিয়ে তাতে রং ঢেলে নক্সা আঁকা বা নাম লেখা] সৌন্দর্যের জন্য দাঁত ঘষে সরু করা বা দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করা নিষিদ্ধ।  আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿  অর্থাৎ তাঁর [আল্লাহর] পরিবর্তে তারা কেবল দেবীদের পূজা করে এবং তারা কেবল বিদ্রোহী শয়তানের পূজা করে। আল্লাহ তাকে [শয়তানকে] অভিসম্পাত করেছেন এবং সে [শয়তান] বলেছে, ‘আমি তোমার দাসদের এক নির্দিষ্ট অংশকে [নিজের দলে] গ্রহণ করবই এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট করবই; তাদের হৃদয়ে মিথ্যা বাসনার সৃষ্টি করবই, আমি তাদেরকে নিশ্চয় নির্দেশ দেব, ফলে তারা পশুর কর্ণচ্ছেদ করবেই এবং তাদেরকে নিশ্চয় নির্দেশ দেব, ফলে

Tuesday, December 26, 2017

নারীদের হাই-হিল পরার হুকুম কি?

নারীদের হাই-হিল পরার হুকুম কি?

আলহামদুলিল্লাহ
নারীদের জন্য হাই-হিল পরা বৈধ নয়, কেননা হাই-হিল পরে নারীদের পড়ে যাওয়ার আশংকা থাকে। আর ইসলামি শরিয়ত সাধারণ অর্থে আমাদেরকে আশঙ্কাজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে: (আর তোমরা নিজদেরকে হত্যা করো না।) [ সূরা আন-নিসা:২৯ ] অন্য এক আয়াতে এসেছে: (তোমরা তোমাদের নিজদেরকে ধ্বংসে নিপতিত করো না। [ সূরা আল বাকারা:১৯৫ ]
হাই-হিল একজন নারীকে  বাস্তবের তুলনায় অধিক দীর্ঘকায় করে দেখায় এবং তাদের নিতম্বকে করে তোলে  অধিক দৃশ্যমান। এতে একপ্রকার প্রতারণা রয়েছে বললে ভুল হবে না। পাশাপাশি এর মাধ্যমে নারীর কিছু সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়ে যায় যা ঢেকে রাখার নির্দেশ তাকে দেয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে:

Monday, December 25, 2017

জান্নাতে নারীদের অবস্থা কেমন হবে ?

জান্নাতে নারীদের অবস্থা

সকল প্রশংসা নিখিল জগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসূলকুলের সর্বশ্রেষ্ঠ আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর।
পরকথা, জান্নাতে নারীদের অবস্থা কী হবে, জান্নাতে তাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে- এ ব্যাপারে প্রায়শই আমাকে নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। তাই ভাবলাম সঠিক প্রমাণ ও আলেমদের অভিমতের আলোকে এমন কয়েকটি পয়েন্ট একত্রিত করে দেই যা থেকে তারা এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণায় উপনীত হতে পারবেন। চলুন আল্লাহর ওপর ভরসা করে শুরু করা যাক :

Sunday, December 24, 2017

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা

بسم الله الرحمن الرحيم
   আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবীকুল শিরমনী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে হিদায়াত (পথ নির্দেশ) ও সত্য ধর্ম, (আনুগত্যের একমাত্র সত্য বিধান) সহ প্রেরণ করেছেন। যাতে তিনি রাব্বুল আলামীনের আদেশানুসারে মানব মন্ডলীকে কুফরের অন্ধকার থেকে ঈমানের আলোর দিকে বের করে নিয়ে আসেন। আল্লাহ তাআলা তাকে ইবাদতের মর্মার্থ বাস্তবায়িত করার জন্য পাঠিয়েছেন। এবং তা আল্লাহর বিধি-বিধানকে প্রবৃত্তির অনুসরণ ও শয়তানি খেয়ালখুশি চরিতার্থ করার উপর অগ্রাধিকার দিয়ে একান্ত বিনয়, নম্রতা ও আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর আদেশাবলী পালন করা এবং নিষেধাবলী থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকার মাধ্যমে হয়ে থাকে ।
     মহান রাব্বুল আলামীন ইসলামি মতে নৈতিক চরিত্রের পরিপূর্ণতা সাধনের উদ্দেশ্যে

ইসলামে হিজাবের বিধান আরোপের কারণ যৌন কামনা রোধ করা নয়।

ইসলামে হিজাবের বিধান আরোপের কারণ যৌন কামনা রোধ করা নয় প্রশ্ন: আপনাদের ধর্ম বা সংস্কৃতিতে নারীদের যে আবরণ পরতে হয় আমি সে ব্যাপারে জানতে আগ্রহী। এই পোশাক আমাদের খ্রিষ্টানদের কাছে সত্যিই খুব অসার মনে হয়। কারণ এটি এমন ইঙ্গিত করে যেন একজন নারী ভাবে সে এই পোশাক না পরলে প্রতিটা পুরুষ তাকে কামনা করবে। আরও ইঙ্গিত করে যে সৌন্দর্যের কারণে আপনার ধর্মের বা সংস্কৃতির অনুসারী কোন নারীর ক্ষেত্রে পুরুষদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। কারণ আপনি মনে করছেন যে আপনাকে কামনা করা হবে। কিন্তু

Tuesday, December 19, 2017

নারী ও পুরুষ সকলের দৃষ্টি আকরষনঃনারী ও পুরুষদের পোশাক সংক্রান্ত ব্যপারে কিছু দিক নির্দেশনাঃ

নারী ও পুরুষ সকলের দৃষ্টি আকরষনঃনারী ও
পুরুষদের পোশাক সংক্রান্ত ব্যপারে কিছু
দিক নির্দেশনাঃ
১. সালাতের বাইরে পুরুষদের জন্য সতর
হচ্ছে নাভী থেকে হাটু পর্যন্ত। আর
সালাতের ভেতরে নাভী থেকে হাঁটু
পর্যন্ত আর দুই কাঁধ। অনেকে গোসলের
পরে বা গরমে খালি গায়ে সতর উন্মুক্ত
করে রাখে, সম্পূর্ণ হারাম। আর

Wednesday, November 22, 2017

মহিলাদের কপালে ব্যবহার্য কোন অলঙ্কার বা সাজ-সজ্জার বিধান

কপাল


ইসলামে মহিলাদের জন্য কপালে ব্যবহার্য কোন অলঙ্কার বা সাজ-সজ্জার বিধান নেই। সুতরাং সেখানে কোন রঙ (ফোঁটা, টিপ) বা অলঙ্কার ব্যবহার যদি অমুসলিম মহিলাদের অনুকরণ করে হয়ে থাকে তাহলে তা অবৈধ। বিশেষ করে লাল টিপ ও

মহিলাদের সুগন্ধি ও আতর ব্যবহারের বিধান

 

সুগন্ধি ও আতর


মহিলার রূপ ও সৌন্দর্যের সাথে সুগন্ধি হল স্বামীর মন আকৃষ্ট করার জন্য আজব যাদু। ঘরে একাকিনী অথবা কেবল মহিলাদের মাঝে থাকলে সেন্ট্ ব্যবহার তার জন্য বৈধ। স্বামীর জন্য ব্যবহার করা বিধেয়। গোলাপের সৌন্দর্যের সাথে সৌরভের মিলন না থাকলে গোলাপের কদর থাকে না। এ জন্যই স্বামী-সোহাগিনী স্ত্রীদের কাছে সেন্ট্ অতি প্রিয় জিনিস।
মহিলা আতর ব্যবহার করবে কেবল নিজের জন্য এবং নিজের স্বামীর জন্য। স্বামী যেন

মহিলাদের লজ্জাস্থানের বিধান

লজ্জাস্থান


পূর্বেই বলা হয়েছে যে, মহিলার দেহের প্রায় সবটাই হল লজ্জাস্থান। সুতরাং সেই লজ্জাস্থানকে গোপন করে লজ্জাশীলতা আনয়ন করা মহিলার একটি প্রকৃতিগত স্বভাব। আর এই প্রকৃতিগত লজ্জাশীলতা ও গোপনীয়তায়ই রয়েছে মহিলার প্রকৃত সৌন্দর্য। আর সে সৌন্দর্য দেখার অধিকারী হল একমাত্র স্বামী।
লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার ব্যাপারে পুরুষের মতই মহিলারও বিধান রয়েছে। অবশ্য

মহিলাদের হাত-পায়ের নখ রাখার বিধান

হাত-পায়ের নখ


নখ কেটে ফেলা মানুষের এক প্রকৃতিগত রীতি। প্রতি সপ্তাহে একবার না পারলেও ৪০ দিনের ভিতর কেটে ফেলতে হয়।[1] কিন্তু এই প্রকৃতির বিপরীত করে কতক মহিলা নখ লম্বা করায় সৌন্দর্য আছে মনে করে। অথচ সভ্য দৃষ্টিতে তা পশুবৎ লাগে এবং ঐ নখে নানা ময়লা জমা হতে থাকে। নিছক পাশ্চাত্যের মহিলাদের অনুকরণে

মহিলাদের জুতা পড়ার আদব

জুতার আদব


মহিলাদের জন্য হিল তোলা জুতা ব্যবহার বৈধ নয়। বিশেষ করে পেনসিল হিল জুতা মুসলিম মহিলাদের জন্য পরাই উচিত নয়।
হাই হিল জুতা পরা একাধিক কারণে নিষিদ্ধ ঃ
   (ক) নিজেকে লম্বা দেখাবার উদ্দেশ্যে এই জুতা পরার মানে হল, আল্লাহর সৃষ্টি আকৃতির ব্যাপারে অসন্তুষ্টি প্রকাশ।
   (খ) লম্বা ও উঁচু দেখানোর উদ্দেশ্যে পরলে লোককে ধোকা দেওয়া হয়।
   (গ) এই জুতা

মহিলাদের পা ও তার অলঙ্কার কেমন হবে ?

পা ও তার অলঙ্কার


মহিলাদের পায়ের অলঙ্কার রসূল (সাঃ) এর যুগেও প্রচলিত ছিল। বর্তমানেও পায়ের মল, নুপুর বা তোড়া যদি বাজনাহীন হয় এবং বেগানা পুরুষ থেকে গুপ্ত রাখা হয়, তাহলে তা বৈধ।
মহিলার পায়ে ঘুঙুর ও বাজনাবিশিষ্ট নুপুর স্বামী ও এগানা ছাড়া অন্যের কাছে প্রকাশ পাওয়া হারাম। যেহেতু

মহিলাদের আঙ্গুল ও তার সৌন্দর্যের বিধান

আঙ্গুল ও তার সৌন্দর্য


রাসুল (সাঃ) এর যুগে মহিলারা আংটি ব্যবহার করত। তবে লোহার আংটি ব্যবহার বৈধ নয়। বৈধ নয় পয়গামের আংটি। যেমন কোন বালা-মসীবত দূর করার জন্য কোন আংটি ব্যবহার করা শির্ক।
কোন বিকৃত অঙ্গে সৌন্দর্য আনয়নের জন্য অপারেশন বৈধ। কিন্তু

মহিলাদের হাত ও তার অলঙ্কার কেমন হবে ?

হাত ও তার অলঙ্কার


মেহেন্দি লাগিয়ে হাত রঙিয়ে রাখাই মহিলার কর্তব্য। যাতে মহিলার হাত থেকে পুরুষের হাত পৃথক বুঝা যায়। রাসুল (সাঃ) এর যুগে মহিলারা মেহেন্দি দ্বারা রঙিয়ে রাখত।
হাতের চুড়ি প্রচলিত ছিল তখনও। অবশ্য তা বিবাহিত মহিলা চিহ্নরূপে প্রচলিত ছিল না। বলাই বাহুল্য যে, বিবাহিত মহিলার হাতে চুড়ি রাখা জরুরী ভাবা, চুড়ি খুললে স্বামীর কোন ক্ষতি হবে ধারণা করা অথবা হাত খালি করতে নেই মনে করা শির্ক ও বিদআত।
যেমন বেগানা

মহিলাদের বক্ষঃস্থলের বিধান

বক্ষঃস্থল


নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য গোপন থাকে তার বুকের মাঝে। সেহেতু বক্ষঃস্থল তার একান্ত গোপনীয় অঙ্গ। লেবাসের ভিতরেও এ অঙ্গ আকর্ষণীয় (উঁচু) করে রাখা বোরকা-ওয়ালীদের জন্যও বৈধ নয়।
কেবল স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ব্রা ব্যবহার বৈধ। অন্যের জন্য ধোকার উদ্দেশ্যে তা অবৈধ।[1]
বক্ষের ভিতরে আছে হৃদয়। এই হৃদয় হল মানুষের মূল। হৃদয় ভালো হলে,

মহিলাদের ঘাড় ও গলার বিধান।

ঘাড় ও গলা


মহিলাদের ঘাড়ের অলঙ্কার হিসাবে হার ও মালা পরার প্রথা আল্লাহর রসূল (সাঃ) এর যুগেও প্রচলিত ছিল।[1] সুতরাং তা আজও মহিলার সৌন্দর্যবর্ধক এক শ্রেণীর অলংকার।
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, মহিলার গলার আওয়াজ বেগানা পুরুষের জন্য শোনা বৈধ হলেও

মহিলাদের দাঁত, দাঁতের যত্ন কিভাবে করবে ?

দাঁত, দাঁতের যত্ন


দাঁতের যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে পুরুষের মত মহিলারও দাঁতন করার বিধান রয়েছে ইসলামে।
রূপচর্চায় দুই দাঁতের মধ্যবর্তী স্থান ঘষে ফাঁক-ফাঁক করে চিরনদাঁতীর রূপ আনা বৈধ নয়। এমন নারীও রসূল (সাঃ) এর মুখে অভিশপ্তা।[1]
অবশ্য কোন দাঁত অস্বাভাবিক ও অশোভনীয় রূপে

মহিলাদের ওষ্ঠাধর বা ঠোটের বিধান

ওষ্ঠাধর


প্রকৃতিগতভাবে মহিলার গোঁফ হয় না। কিন্তু অস্বাভাবিকভাবে তা যদি হয়েই থাকে, তাহলে তা তুলে ফেলা বৈধ; যেমন এ কথা পূর্বে আলোচিত হয়েছে।
স্বামীর দৃষ্টি ও মন আকর্ষণের জন্য ঠোঁট-পালিশ (লিপ্স্টিক), গাল-পালিশ প্রভৃতি অঙ্গরাগ ব্যবহার বৈধ; যদি তাতে কোন প্রকার হারাম বা ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত না থাকে।[1]
প্রকাশ থাকে যে,

মহিলাদের নাক, নাকের পরিচ্ছন্নতা ও অলঙ্কার কেমন হবে ?

নাক, নাকের পরিচ্ছন্নতা ও অলঙ্কার


নাক পানি দিয়ে পরিষ্কার রাখা প্রকৃতিগত একটি সুন্নাত। আর তার জন্য রয়েছে ওযূর বিধান।
নাক ছিদ্র করার প্রথা রসূল (সাঃ) বা তাঁর সাহাবার যুগে ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে দেশের প্রথা হিসাবে মহিলা নাক ফুড়িয়ে তাতে কোন অলঙ্কার ব্যবহার করতে পারে।[1] ব্যবহার করতে

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ