Showing posts with label পশু পক্ষির সাথে ব্যবহার. Show all posts
Showing posts with label পশু পক্ষির সাথে ব্যবহার. Show all posts

Friday, November 24, 2017

পশু পাখির ব্যাপারে

পশু পাখির ব্যাপারে


ইসলাম শান্তির ধর্ম, রহমতের ধর্ম। এ ধর্মে কেউ অত্যাচারের শিকার হয় না। মানুষ তো নয়ই, এমনকি জীব-জন্তুও নয়। জীবে-দয়া প্রদর্শন করতে আদিষ্ট হয়েছে প্রত্যেক মুসলিম। সুতরাং পশু-পক্ষীর প্রতি কি ধরনের আচরণ করতে নির্দেশ দেয় ইসলাম তা আমাদের জানা প্রয়োজনঃ
   ১। সৌন্দর্যের জন্য কোন পাখীকে পিঞ্জারায় বা মাছকে পানির হওয বা কাঁচের পাত্রে আবদ্ধ করতে পারেন। তবে শর্ত হল, যেন তার প্রতি কোন প্রকার অত্যাচার না করা হয়; যথাসময়ে পানাহার করতে দেওয়া হয় এবং তার প্রতি দয়া ও স্নেহ প্রদর্শন করা হয়।[1]
   ২। গৃহপালিত অথবা পিঞ্জারাবদ্ধ পশু বা পক্ষী হলে তাকে নিয়মিত পানাহার করতে দিতে হবে। তা না দিলে এবং তার ফলে সে মারা গেলে গোনাহগার হতে হবে।
আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন,

Tuesday, November 14, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৯২. কোন মুহ্রিমের জন্য ইহ্রামরত থাকাবস্থায় কোন পশু শিকার করা

১৯২. কোন মুহ্রিমের জন্য ইহ্রামরত থাকাবস্থায় কোন পশু শিকার করা


কোন মুহ্রিমের (যে ব্যক্তি হজ্জ বা ’উমরাহ্ করার জন্য মিক্বাত থেকে দু’টি সাদা কাপড় পরেছে) জন্য ইহ্রামরত থাকাবস্থায় কোন পশু শিকার করা হারাম।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

কবীরা গুনাহঃ ১৭৮. মদীনার হারাম এলাকার কোন গাছ কাটা, শিকার তাড়ানো এবং তাতে কোন বিদ্‘আত করা

১৭৮. মদীনার হারাম এলাকার কোন গাছ কাটা, শিকার তাড়ানো এবং তাতে কোন বিদ্‘আত করা


মদীনার হারাম এলাকার কোন গাছ কাটা, শিকার তাড়ানো এবং তাতে কোন বিদ্‘আত করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
الـْمَدِيْنَةُ حَرَامٌ مَا بَيْنَ عَائِرَ إِلَى ثَوْرٍ، لَا يُخْتَلَى خَلَاهَا، وَلَا يُنَفَّرُ صَيْدُهَا، وَلَا تُلْتَقَطُ لُقَطَتُهَا إِلاَّ لِمَنْ أَشَادَ بِهَا، وَلَا يَصْلُحُ لِرَجُلٍ أَنْ يَحْمِلَ فِيْهَا السِّلَاحَ لِقِتَالٍ، وَلَا يَصْلُحُ أَنْ يُقْطَعَ مِنْهَا شَجَرَةٌ إِلاَّ أَنْ يَعْلِفَ رَجُلٌ بَعِيْرَهُ.
‘‘মদীনার ‘আয়ির পাহাড় থেকে সাউর পাহাড় পর্যন্ত হারাম এলাকা। সেখানকার

কবীরা গুনাহঃ ১৭৫. কোন পশুর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া

১৭৫. কোন পশুর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া


কোন পশুর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Monday, November 13, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৫৭. বড়ো বড়ো দাঁত বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পশু ও বড়ো বড়ো নখ বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পাখির গোস্ত খাওয়া

১৫৭. বড়ো বড়ো দাঁত বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পশু ও বড়ো বড়ো নখ বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পাখির গোস্ত খাওয়া


বড়ো বড়ো দাঁত বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পশু ও বড়ো বড়ো নখ বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পাখির গোস্ত খাওয়া হারাম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
كُلُّ ذِيْ نَابٍ مِنَ السِّبَاعِ فَأَكْلُهُ حَرَامٌ.
‘‘প্রত্যেক বড়ো বড়ো দাঁত বিশিষ্ট থাবা মেরে ছিঁড়ে খাওয়া হিংস্র পশুর গোস্ত খাওয়া হারাম’’। (মুসলিম ১৯৩৩)
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

১৩৯. কোন পশুকে খাদ্য-পানীয় না দিয়ে দীর্ঘ সময় এমনিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেঁধে রাখা যাতে সে ক্ষিধা-পিপাসায় মরে যায়

১৩৯. কোন পশুকে খাদ্য-পানীয় না দিয়ে দীর্ঘ সময় এমনিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেঁধে রাখা যাতে সে ক্ষিধা-পিপাসায় মরে যায়


কোন পশুকে খাদ্য-পানীয় না দিয়ে দীর্ঘ সময় এমনিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেঁধে রাখা যাতে সে ক্ষিধা-পিপাসায় মরে যায় এমন করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ১৩৫. মক্কার হারাম শরীফের কোন গাছ কাটা, শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানকার কোন পশু-পাখি তাড়ানো এবং সেখানকার রাস্তা থেকে কোন হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেয়া

১৩৫. মক্কার হারাম শরীফের কোন গাছ কাটা, শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানকার কোন পশু-পাখি তাড়ানো এবং সেখানকার রাস্তা থেকে কোন হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেয়া


মক্কার হারাম শরীফের কোন গাছ কাটা, শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানকার কোন পশু-পাখিকে তাড়ানো এবং সেখানকার রাস্তা থেকে কোন হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেয়া আরেকটি হারাম কাজ।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহাঃ ৭৯. কোন জীবিত পশুর এক বা একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে তাকে বিশ্রী বা বিকৃত করা

৭৯. কোন জীবিত পশুর এক বা একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে তাকে বিশ্রী বা বিকৃত করা


কোন জীবিত পশুর এক বা একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে তাকে বিশ্রী বা বিকৃত করা আরেকটি হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Saturday, November 11, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৬৫. মৃত পশু, প্রবাহিত রক্ত অথবা শুকরের গোস্ত খাওয়া

৬৫. মৃত পশু, প্রবাহিত রক্ত অথবা শুকরের গোস্ত খাওয়া


মৃত পশু, প্রবাহিত রক্ত অথবা শুকরের গোস্ত খাওয়া হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«قُلْ لَآ أَجِدُ فِيْ مَآ أُوْحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَّطْعَمُهُ إِلَّآ أَنْ يَّكُوْنَ مَيْتَتَةً أَوْ دَمًا مَّسْفُوْحًا أَوْ لَـحْمَ خِنْزِيْرٍ، فَإِنَّهُ رِجْسٌ»
‘‘(হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!) তুমি বলে দাও: আমার কাছে যে ওহী পাঠানো হয়েছে তাতে আমি আহারকারীর জন্য কোন কিছু হারাম পাইনি শুধু তিনটি বস্ত্ত ছাড়া। আর তা হচ্ছে, মৃত পশু, প্রবাহিত রক্ত এবং শুকরের গোস্ত। কেননা, তা নাপাক’’। (আন্‘আম : ১৪৫)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:

Thursday, November 9, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৩৮. কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া

৩৮. কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া


কোন পশুর চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়াও কবীরা গুনাহ্’র অন্যতম। তাই তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ জাতীয় মানুষকে লা’নত ও অভিসম্পাত এবং এ জাতীয় কাজ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
نَهَى رَسُوْلُ اللهِ  عَنِ الضَّرْبِ فِيْ الْوَجْهِ وَعَنِ الْوَسْمِ فِيْ الْوَجْهِ.
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেহারায় প্রহার করা এবং চেহারায় পুড়িয়ে দাগ দেয়া থেকে নিষেধ করেন’’। (মুসলিম ২১১৬ ইব্নু খুযাইমাহ্, হাদীস ২৫৫১)
জাবির (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন:

Tuesday, October 17, 2017

শখের বসে কুকুর পোষা বৈধ কি ?

শখের বসে কুকুর পোষা বৈধ কি ?
পাশ্চাত্য সভ্যতায় প্রভাবান্বিত হয়ে শখের বসে বাড়িতে কুকুর পোষা বৈধ নয়। যেহেতু রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, “সে ঘরে (রহমতের) ফিরিশতা প্রবেশ করেন না। সে ঘরে কুকুর থাকে এবং সে ঘরেও নয়, যে ঘরে ছবি বা মূর্তি থাকে।” (বুখারি ও মুসলিম)
“যে ব্যক্তি এমন কুকুর পোষে, যা শিকারের জন্য নয়,

শিশুদের খেলার জন্য, মনোরঞ্জনের জন্য অথবা সৌন্দর্যের জন্য পিঞ্জারাবদ্ধ করে পাখি পোষা বৈধ কি?

শিশুদের খেলার জন্য, মনোরঞ্জনের জন্য অথবা সৌন্দর্যের জন্য পিঞ্জারাবদ্ধ করে পাখি পোষা বৈধ কি?
যদি পাখিকে ঠিকমত পানাহার দেওয়া হয় এবং কোন প্রকার কষ্ট না দেওয়া হয়, তাহলে বৈধ। (ইবনে বাজ)

পশুর দেহে বা কানে দাগ করে চিহ্ন দেওয়া জায়েজ কি না?

পশুর দেহে বা কানে দাগ করে চিহ্ন দেওয়া জায়েজ কি না?

প্রয়োজনের ভিত্তিতে দাগ করে চিহ্ন দেওয়া জায়েজ। মহানবী (সঃ) সদকার উটের দেহে এমন চিহ্ন দিয়েছেন। (বুখারি ১৫০২, মুসলিম ২১১৯ নং) তিনি ছাগলের কানেও দাগ দিয়ে চিহ্নিত করেছেন। (বুখারি ৫৫৪২, মুসলিম ২১১৯, আহমাদ ১২৩৩৯, ইবনে মাজাহ ৩৫৬৫ নং) তিনি হজ্জের উটের কুজে দাগ দিয়ে চিহ্নিত করেছেন। (বুখারি ১৬৯৪, ১৬৯৫ নং) তবে চেহারায় দাগা বা দাগ দেওয়া নিষেধ। (মুসলিম ২১১৭ নং)

বাড়িতে যে সব অবাঞ্ছিত ও ক্ষতিকর প্রাণী, যেমন পিপড়া, আরশোলা, ছারপোকা ইত্যাদি থাকে, তা হত্যা করা বৈধ কি?

বাড়িতে যে সব অবাঞ্ছিত ও ক্ষতিকর প্রাণী, যেমন পিপড়া, আরশোলা, ছারপোকা ইত্যাদি থাকে, তা হত্যা করা বৈধ কি?

যে প্রাণী মানুষের জন্য ক্ষতিকর, তা মেরে ফেলা বৈধ। তবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে নয়। যেহেতু “আগুনের মালিক (আল্লাহ) ছাড়া আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়া আর কারও জন্য সঙ্গত নয়।” (আবু দাউদ)

Friday, October 6, 2017

বাড়িতে যে সব অবাঞ্ছিত ও ক্ষতিকর প্রাণী, যেমন পিপড়া, আরশোলা, ছারপোকা ইত্যাদি থাকে, তা হত্যা করা বৈধ কি?

বাড়িতে যে সব অবাঞ্ছিত ও ক্ষতিকর প্রাণী, যেমন পিপড়া, আরশোলা, ছারপোকা ইত্যাদি থাকে, তা হত্যা করা বৈধ কি?


যে প্রাণী মানুষের জন্য ক্ষতিকর, তা মেরে ফেলা বৈধ। তবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে নয়। যেহেতু “আগুনের মালিক (আল্লাহ) ছাড়া আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়া আর কারও জন্য সঙ্গত নয়।” (আবু দাউদ)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ