Showing posts with label লেখাপড়া-পড়ালেখা. Show all posts
Showing posts with label লেখাপড়া-পড়ালেখা. Show all posts

Monday, February 19, 2018

(৩৮৪) ইসলামী জ্ঞান শিক্ষায় নিয়োজিত ছাত্রকে যাকাত দেয়ার বিধান কি?


ইসলামী জ্ঞান শিক্ষার কাজে সম্পূর্ণরূপে নিয়োজিত ছাত্রদেরকে যাকাত দেয়া জায়েয, যদিও তারা কামাই রোজগার করার সামর্থ রাখে। কেননা ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা করা এক প্রকার জিহাদ। আর আল্লাহর পথে জিহাদ হচ্ছে যাকাতের একটি খাত। আল্লাহ বলেন,

Friday, January 5, 2018

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফতোয়া (১ম পর্ব)

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফতোয়া (১ম পর্ব)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ وَمَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ إِلَّا رِجَالٗا نُّوحِيٓ إِلَيۡهِمۡۖ فَسۡ‍َٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ٤٣ ﴾ [النحل: ٤٣]
“তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষই প্রেরণ করেছিলাম; তোমরা যদি না জান, তবে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর।” – (সূরা আন-নাহল: ৪৩)।
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِۦ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسۡلِمُونَ ١٠٢﴾ [ال عمران: ١٠٢]
“হে মুমিনগণ! তোমরা যথার্থভাবে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং তোমরা মুসলিম (পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণকারী) না হয়ে কোনো অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করো না।” – (সূরা আলে ইমরান: ১০২)।
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ ٱتَّقُواْ رَبَّكُمُ ٱلَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفۡسٖ وَٰحِدَةٖ وَخَلَقَ مِنۡهَا زَوۡجَهَا وَبَثَّ مِنۡهُمَا رِجَالٗا كَثِيرٗا وَنِسَآءٗۚ وَٱتَّقُواْ ٱللَّهَ ٱلَّذِي تَسَآءَلُونَ بِهِۦ وَٱلۡأَرۡحَامَۚ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلَيۡكُمۡ رَقِيبٗا ١ ﴾ [النساء: ١]
“হে মানুষ!

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফতোয়া (২য় পর্ব)

গাড়ীর চালকের সাথে ছাত্রীদের ভ্রমণ
প্রশ্ন: প্রশ্নকারী বলেন: কিছু সংখ্যক মানুষ (আল্লাহ তাদেরকে হেদায়াত দান করুক) তাদের মেয়েদেরকে মাদরাসা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অপরিচিত ড্রাইভারদের সাথে প্রেরণ করেন এবং তারা এই কাজের ফলাফলের দিকে লক্ষ্য করেন না। সুতরাং আমি (আপনাদের নিকট) তাদের উদ্দেশ্যে নসিহত বা উপদেশ কামনা করছি, বিশেষ করে মাদরাসাসমূহ খোলার সময়ের ব্যাপারে?
উত্তর: এই কাজটি দু’ভাবে হতে পারে:

Tuesday, December 26, 2017

নারী শিক্ষা সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি!

নারী শিক্ষা সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি
জ্ঞানার্জনের কোনো বিকল্প ইসলামে নেই। সুতরাং ইসলাম জ্ঞানের আলোকবর্তিকা দিকে দিকে ছড়িয়ে দিতে শুরু করে। ফলে ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞানে অগ্রসর হতে থাকে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে জ্ঞানচর্চার যে প্রবাহ শুরু হয়, নারীরাও সেখানে শামিল হয়েছিল। পরবর্তীতে আববাসীয় ও উমাইয়্যা যুগে নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটে।[1]
ইসলাম নারী-পুরুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে উভয়কে সমভাবে জ্ঞানার্জনের আদেশ দিয়েছে। কুরআনের নির্দেশও তাই। কুরআন সকল পাঠককেই আদেশ করছে পড়তে

Sunday, December 17, 2017

৭৯১ টি প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান
সংকলন ও গ্রন্থনা : মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
(১ম পর্ব)
বিষয়: ঈমান ও আক্বীদা
১. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌।
২. প্রশ্নঃ আল্লাহর কতগুলো নাম রয়েছে?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলার নাম অসংখ্য-অগণিত।
৩. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন?

এক তালিবে ইল্‌ম নারীদেরকে ইল্‌ম শিক্ষা দিতে গিয়ে নিজে তাদের একজনের সাথে বিশেষ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন

এক তালিবে ইল্‌ম নারীদেরকে ইল্‌ম শিক্ষা দিতে গিয়ে নিজে তাদের একজনের সাথে বিশেষ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন
প্রশ্নঃ আমাদের দেশে একজন তালিবে ইল্‌ম আছে। তাঁর ইল্‌ম ভাল। তিনি আমাদেরকে ইলম অর্জন, তাকওয়া, সুন্নাহর অনুসরণ ও আলেমদের সাথে আদব মেনে চলার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেন। আমরা তাঁকে হকপন্থী সালাফী হিসেবে জানি। তিনি আমাদেরকে দ্বীনের খুঁটিনাটি যা কিছু শিক্ষা দেন আমরা তাঁকে অনুসরণ করে চলি। কুরআনে কারীম ও রাসূল (সাঃ) এর হাদিস শিক্ষাদানের জন্য তিনি সনদপ্রাপ্ত। যদিওবা

ইসলামে আরবী ভাষা, এর গুরুত্ব ও উম্মতের পুনর্জাগরণে এর ভূমিকা !

ইসলামে আরবী ভাষা, এর গুরুত্ব ও উম্মতের
পুনর্জাগরণে এর ভূমিকা !ভাষা তাঁর আরও এক নিদর্শন
হচ্ছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা
ও বর্ণের বৈচিত্র্য। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের
জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে। [রূম: ২২]ভাষা একে
অপরের সাথে চিন্তা, ভাবনা ও ধারনার
যোগাযোগের মাধ্যম। এর মাধ্যমে চিন্তা-ভাবনা
একজন থেকে অন্য জনে প্রবাহিতহয়,

ইলম অন্বেষণের ফযীলত ও মর্যাদা

ইলম অন্বেষণের ফযীলত ও মর্যাদা

 [প্রিয় পাঠক, এটি লেখকের ইলম অন্বেষণ সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনার প্রথম কিস্তি। ইলম হাসিলের মর্যাদা ও উদ্দেশ্য এবং ইলম অর্জনের নীতিমালা, অন্তরায় ও ভুল-ভ্রান্তিসমূহ ইত্যাকার নানা বিষয়ে আমরা কয়েক কিস্তিতে সুনির্দিষ্ট আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।]
আমাদের এই মহান ধর্মে ইলমকে অনেক মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ইলমের ধারক-বাহকরা নবী-রাসূলদের উত্তরাধিকারী। আর আবেদ ও আলেমের মর্যাদার ফারাক আসমান ও যমীনের মতো। কায়স ইবন কাছীর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
মদীনা থেকে এক ব্যক্তি দামেশকে আবূ দারদা রাদিআল্লাহু আনহুর কাছে এলো। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে ভাই, কোন জিনিস এখানে তোমার আগমন ঘটিয়েছে?
তিনি বললেন :

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব?

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব?

ভূমিকা :
আল-কুরআনুল কারীম মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত সর্বশ্রেষ্ঠ ও চিরন্তন মু‘জিযা, বিশ্ব মানবতার মুক্তিসনদ। এতে রয়েছে মানব জীবনের সকল দিক ও বিভাগ সম্পর্কে সুস্পষ্ট হিদায়াত ও দিক-নির্দেশনা, রয়েছে আলোকবর্তিকা, উপদেশ, রহমত ও অন্তরের যাবতীয় ব্যাধির উপশম। আল্লাহ সুবহানাহু বলেন,

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা (১ম পর্ব)- মুমিন হতে হলে ইলম জরুরী

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা (১ম পর্ব)


ইলমের সংজ্ঞা
ওলামায়ে কেরামের পরিভাষায় শব্দটি একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন-
العلم بالكسر وسكون اللام: في عرف العلماء يطلق على معان منها، الإدراك مطلقا
ইলম শব্দটির একাধিক অর্থ রয়েছে। এগুলোর একটি অর্থ হচ্ছে অনুধাবন ও উপলব্ধি করা। দার্শনিকগণ এই অর্থের প্রবক্তা।
কেউ কেউ বলেন,

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা (২য় পর্ব)- ইলম অন্বেষণের বিভিন্ন ঘটনা

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা (২য় পর্ব)
২য় পরিচ্ছেদ:
ইলম অন্বেষণের বিভিন্ন ঘটনা
রাখালের ইলম: পৃথিবীর যাবতীয় ইলম ছয়টি বস্তুর মধ্যে!
মাঠে এক রাখালের সঙ্গে ঈসা (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাত হলো। তিনি রাখালকে বললেন, হে যুবক! তুমি গোটা জীবন এই পশুচারণের মধ্যে কাটিয়ে দিলে! যদি জীবনকে ইলম অন্বেষণের কাজে ব্যয় করতে হবে কতই না উত্তম হতো! জবাবে রাখাল বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমি ইলম ভাণ্ডার থেকে ছয়টি বস্তু গ্রহণ করেছি এবং সে অনুযায়ী আমল করি। যথা-

ইলমের ফযীলত.

ইলমের ফযীলত
আল্লাহ বলেন,  ﴿ وَقُل رَّبِّ زِدۡنِي عِلۡمٗا ١١٤ ﴾ (طه: ١١٤)
অর্থাৎ বল, হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি কর। (ত্বা-হা ১১৪ আয়াত)
তিনি অন্যত্র বলেন,   ﴿  قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُونَ وَٱلَّذِينَ لَا يَعۡلَمُونَۗ ٩ ﴾ (الزمر: ٩)
অর্থাৎ বল, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? (যুমার ৯ আয়াত)
আল্লাহ আরও বলেন,﴿ يَرۡفَعِ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ مِنكُمۡ وَٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡعِلۡمَ دَرَجَٰتٖۚ ١١ ﴾ (المجادلة: ١١)
অর্থাৎ যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে বহু মর্যাদায় উন্নত করবেন। (মুজাদালা ১১ আয়াত)
তিনি অন্য জায়গায় বলেন,

Saturday, December 16, 2017

প্রাথমিক তাওহীদ শিহ্মা – পৃথিবীর সব চেয়ে দামী ঞ্জান

প্রাথমিক তাওহীদ শিহ্মা – পৃথিবীর সব চেয়ে দামী ঞ্জান

 ভূমিকাঃ ‘লা ইলা হা ইল্লাল্লাহ’ অর্থ আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন উপাস্য নেই। অর্থাৎ প্রকৃত ও সত্য ইলাহ একজনই আছেন। তিনি হলেন আল্লাহ রব্বুল আলামীন। তিনি ছাড়া আর যা কিছুর ইবাদত করা হয় যেমন মূর্তি, জ্বিন, সূর্য, কবর, পাথর, মাযার ইত্যাদি; এগুলো কারো না কারো মা’বূদ বা উপাস্য কিন্তু সবই বাতিল, অপ্রকৃত এবং মিথ্যা মা’বূদ। এ বক্তব্যের সার কথাই হল তাওহীদ বা একত্ববাদ। আর নিচে একত্ববাদের মর্ম কথা তুলে ধরা হ’ল।
তাওহীদের গুরুত্বঃ 

৯০ টি প্রশ্নোত্তরে সহজ তাওহীদ শিক্ষা (চার ইমামের আক্বীদা অবলম্বনে)

প্রশ্নোত্তরে সহজ তাওহীদ শিক্ষা

(চার ইমামের আক্বীদা অবলম্বনে)
অনুবাদকের কথা
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তাঁর পরিবার-পরিজন, ছাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম) এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাঁদের পথের পথিকদের উপর। অতঃপর আরয এই যে, আক্বীদা ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একজন মুসলিমের জীবনে যার প্রয়োজন সদা-সর্বদা। কিন্তু

৭৯১ টি প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান
সংকলন ও গ্রন্থনা : মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
(১ম পর্ব)
বিষয়: ঈমান ও আক্বীদা
১. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌।
২. প্রশ্নঃ আল্লাহর কতগুলো নাম রয়েছে?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলার নাম অসংখ্য-অগণিত।
৩. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন?
উত্তরঃ সপ্তাকাশের উপর আরশে আযীমে। (সূরা ত্বহাঃ ৫)
৪. প্রশ্নঃ আল্লাহর আরশ কোথায় আছে?

Sunday, November 12, 2017

বাংলা বোখারী পড়লে গোমড়া হয়ে যাবেন!!!

বাংলা বোখারী পড়লে গোমড়া হয়ে যাবেন!!!
-------------------------------------------------------------
জনাব???? বাংলায় বুখারি মুসলিম হাদিসের কিতাব গুলো পড়লে মানুষ গোমড়া হয় কিন্তু উর্দু বা ফার্সি তে কিতাব পড়লে গোমড়া হয়না?? কেননা কোরআন হাদিস নাজিল হয়েছে আরবি ভাষায়। সেই আরবিকে উর্দু ও ফার্সিতে রুপান্তর করে কেন পড়তে হবে?? মাদ্রাসাগুলতে খোঁজ নিয়ে দেখেন উর্দু ফার্সি কোন অবস্থানে আছে?
বাংলা বোখারী পড়লে গোমড়া হয়ে যাবেন!
-
এই স্লোগানটা একেবারেই নতুন, আজ থেকে ৪/৫ বছর আগেও এই স্লোগান ছিলো না।যদিও বাংলা বেখারী দেখেছি আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও।
তবে ইদানিং

Friday, November 10, 2017

প্রশ্ন: পরীক্ষায় নকল করার হুকুম (বিধান) কী?

প্রশ্ন: পরীক্ষায় নকল করার হুকুম (বিধান)
কী?
উত্তর: সমস্ত প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক
আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম
আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের উপর; আর সালাম (শান্তি)
বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল
সঙ্গী-সাথীর উপর।
পরীক্ষায় নকল করাটা এক ধরনের প্রতারণা;
আর প্রতারণার বিষয়টি সুস্পষ্ট এবং তার
বিধানও স্পষ্ট; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
“যে প্রতারণা করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।”
– (তিরমিযী, হাদিস নং- ১৩১৫); অতঃপর
পরীক্ষায় নকল (প্রতারণা) করা অত্যন্ত
বিপজ্জনক বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত; কারণ, তার
ক্ষতির দিকটি সম্পদের ক্ষতি বা ঝুঁকির মত
নয়, যার কারণে হাদিস বর্ণিত হয়েছে; বরং
তার ভয়াবহতা আরও প্রকট, কেননা
-তা হচ্ছে গোটা জাতির সাথে
বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা; কারণ, যে
ছাত্র নকল করে পাশ করেছে, তার মানে হল:
সে যে সার্টিফিকেট (সনদ) অর্জন করেছে,
তার মান অনুযায়ী সে একটি বড় ধরণের বলয়
তৈরি করবে, অথচ বাস্তবে সে তার উপযুক্ত
নয়; আর তখন এই বৃত্ত বা বলয়ের মধ্যে তার
অবস্থান এমন হবে, যেই অবস্থানটি এই
সার্টিফিকেট অর্জন করা ব্যতীত কোনো
ব্যক্তির পক্ষে দখল করা সম্ভব নয়, ফলে
সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হল;
-এই নকল প্রবণতার আরও একটি ক্ষতিকর দিক
আছে, আর তা হল শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক
দৃষ্টিকোণ থেকে; কারণ, যখন জাতির
শিক্ষিত সমাজ পরীক্ষায় নকল বা প্রতারণার
আশ্রয় নিয়ে পাশ করে বের হয়ে আসবে, তখন
তাদের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অবস্থান হবে
নড়বড়ে, শিক্ষা বিমুখ;
-অতঃপর (শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে) অন্যের উপর
তাদের অবস্থান হবে রিক্তহস্ত; কারণ, এটা
জানা কথা যে, যে ব্যক্তি পরীক্ষায় নকল
করে পাশ করে, তার পক্ষে শিক্ষা দানের
সময় ছাত্রদের প্রশ্নের জবাব দেয়া সম্ভব
হয়ে উঠে না;
সুতরাং রাষ্ট্রের সাথে এই ধরনের প্রতারণা
করা থেকে বিরত থাক, যা তুমি নিজেও
কখনও পছন্দ করবে না; অতএব পরিদর্শক,
পর্যবেক্ষক ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে
এই নকল প্রবণতা প্রতিরোধে নিরন্তর
সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে; কারণ, কোনো
একজন যদি প্রতারণা করে, তবে সেই প্রতারক
রাষ্ট্র বা সরকারের লক্ষ্যমাত্রা বিনষ্ট
করবে এবং তার (রাষ্ট্রের) সাথে
বিশ্বাসঘাতকতা করবে; অথচ আল্লাহ
তা‘আলা বলেন:
“হে ঈমানদারগণ! জেনে-বুঝে আল্লাহ ও তাঁর
রাসূলের খেয়ানত করো না এবং তোমাদের
পরস্পরের আমানতেরও খেয়ানত করো না; আর
জেনে রাখ, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-
সন্ততি তো এক পরীক্ষা। আর নিশ্চয় আল্লাহ,
তাঁরই কাছে রয়েছে মহাপুরস্কার। – (সূরা
আল-আনাফাল: ২৭ ও ২৮)।
আর এই ব্যাপারে কোন এক বিষয় থেকে অপর
কোন বিষয়ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই;
সুতরাং উদাহরণস্বরূপ তাফসীর বিষয় ও
ইংরেজি ভাষা বিষয়ে আমাদের নকল করার
মধ্যে বিধানগত কোন পার্থক্য নেই; কারণ,
এক স্তর থেকে অন্য স্তরে ছাত্রের অগ্রগতি
হওয়ার বিষয়টি বিন্যস্ত হয় সকল বিষয়ের উপর
এবং তার উপরই নির্ভর করে ছাত্রকে
সার্টিফিকেটের মত প্রমাণপত্র দেয়ার
বিষয়টি; সুতরাং সবই প্রতারণা, আর সবই
হারাম।
আর আমি যুবকদেরকে তাদের এই পর্যায়ের
অধঃপতন হওয়ার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ
করছি এবং তাদেরকে আহ্বান করছি, তারা
যাতে যোগ্যতা প্রমাণের মাধ্যমে মর্যাদা
লাভের ব্যাপারে প্রচণ্ড আগ্রহী হয়; ফলে
এটা তাদের দীন ও দুনিয়ার ক্ষেত্রে তাদের
জন্য মঙ্গলজনক হবে।
শাইখ ইবনু ‘উসাইমীন
ফতোয়া ইসলামীয়া ( ﻓﺘﺎﻭﻯ ﺇﺳﻼﻣﻴﺔ ): ৪ / ৩৩১

Thursday, November 9, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৪০. নিরেট ধর্মীয় জ্ঞান দুনিয়া কামানো বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে শিক্ষা করা

৪০. নিরেট ধর্মীয় জ্ঞান দুনিয়া কামানো বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে শিক্ষা করা


নিরেট ধর্মীয় জ্ঞান দুনিয়া কামানো বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে শিক্ষা করাও আরেকটি বড় অপরাধ। তাই তো উক্ত ব্যক্তি কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। বরং সে হবে তখন জাহান্নামী।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَنْ تَعَلَّمَ عِلْمًا مِمَّا يُبْتَغَى بِهِ وَجْهُ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ ؛ لَا يَتَعَلَّمُهُ إِلاَّ لِيُصِيْبَ بِهِ عَرَضًا مِنَ الدُّنْيَا لَمْ يَجِدْ عَرَفَ الْـجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
‘‘যে ব্যক্তি দুনিয়ার কোন সম্পদ পাওয়ার জন্য এমন কোন জ্ঞান শিখে যা একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলার সন্তুষ্টির জন্যই শিখতে হয় এমন ব্যক্তি কিয়ামতের দিন জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না’’। (আবূ দাউদ ৩৬৬৪; ইব্নু মাজাহ্ ২৫২)
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর, আবূ হুরাইরাহ্ ও হুযাইফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Tuesday, October 17, 2017

আঙ্গুলে থুথু লাগিয়ে বইয়ের পাতা উল্টানো লোকের অভ্যাস, কুরআন মজিদের পাতাও কি ঐভাবে উল্টানো যায়?

আঙ্গুলে থুথু লাগিয়ে বইয়ের পাতা উল্টানো লোকের অভ্যাস, কুরআন মজিদের পাতাও কি ঐভাবে উল্টানো যায়?

কুরআন মজিদ আল্লাহর কালাম, তা মুসলিমদের অত্যন্ত  তা’যীমযোগ্য জিনিস। সুতরাং তাতে থুথু লাগানো বৈধ নয়। আমাদের কেউ যদি আঙ্গুলে থুথু লাগিয়ে অন্যের মুখে লাগিয়ে দেয়, তাহলে তাতে ঘৃণা প্রকাশ করতে দেখা যায়। অতএব এমন ঘৃণ্য আচরণ আল্লাহর কালামের সাথে করা আদৌ উচিৎ নয়।

Monday, October 16, 2017

আমার চাকরি করার যোগ্যতা আছে, কিন্তু সার্টিফিকেট নেই। নকল সার্টিফিকেট বানিয়ে চাকরি নিতে পারি কি?

আমার চাকরি করার যোগ্যতা আছে, কিন্তু সার্টিফিকেট নেই। নকল সার্টিফিকেট বানিয়ে চাকরি নিতে পারি কি?


নকল সার্টিফিকেট শো করে চাকরি নেওয়া বৈধ নয়। কারণ তাতে রয়েছে মিথ্যা জালিয়াতি, ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা। যার সবটাই হারাম। (ইবনে বাজ)
আল্লাহর রাসুল (সঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি আমাদেরকে ধোঁকা দেয়, সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়। ধোঁকা ও চালবাজি জাহান্নামে যাবে।” (ত্বাবারানীর, কাবির ও সাগির, ইবনে হিব্বান ৫৫৩৩, সহিহুল জামে ৬৪০৮ নং)

একজনের তরফ থেকে চাকরির ইন্টারভিউ বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে তাকে চাকরি পাইয়ে দেওয়া কি বৈধ?


এমন কাজ বৈধ নয়। কারণ তাতে রয়েছে ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা। এর ফোলে অযোগ্য লোককে চাকরির উপযুক্ত বানিয়ে দেওয়া হয়। যার পরিণাম নিশ্চয় শুভ নয়। (ইবনে বাজ)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ