Showing posts with label আকিকা-নামকরণ. Show all posts
Showing posts with label আকিকা-নামকরণ. Show all posts

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : নামের শেষে অনেকে জিহাদী, ইউসুফী, ফারুকী, ছিদ্দীক্বী, আনছারী, কুরায়শী যুক্ত করেন, যা তার মূল নামের অংশ নয়। বিষয়টি কতটুকু শরী‘আতসম্মত?

প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : নামের শেষে অনেকে জিহাদী, ইউসুফী, ফারুকী, ছিদ্দীক্বী, আনছারী, কুরায়শী যুক্ত করেন, যা তার মূল নামের অংশ নয়। বিষয়টি কতটুকু শরী‘আতসম্মত?

-আমজাদ হোসাইন, কাটাখালী, পাবনা।


উত্তর : পরবর্তীতে এরূপ পদবী না রাখা উচিৎ। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না। তোমাদের মধ্যে কে সর্বাধিক নেক আমলকারী সে সম্পর্কে আল্লাহই সম্যক অবগত (মুসলিম হা/২১৪২; মিশকাত হা/৪৭৫৬)। তবে জন্মের পর পিতা-মাতা যদি এরূপ নাম রাখেন, তাহ’লে তাতে কোন দোষ নেই। আক্বীক্বার সময় শিশু সন্তানের নাম ঐরূপ রাখা তার জন্য আত্মপ্রশংসা নয়। বরং পিতা ও অভিভাবকদের পক্ষ হ’তে তার জন্য শুভ কামনা বা দো‘আ স্বরূপ। যেমন রাসূল (ছাঃ)-এর নাম তাঁর দাদা রেখেছিলেন ‘মুহাম্মাদ’ ও মা রেখেছিলেন ‘আহমাদ’ (প্রশংসিত)। অনুরূপ

প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : জন্মের ১ দিন পর সন্তান মারা গেলে সপ্তম দিনে তার আক্বীক্বা দিতে হবে কি?

প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : জন্মের ১ দিন পর সন্তান মারা গেলে সপ্তম দিনে তার আক্বীক্বা দিতে হবে কি?

-হিযবুল্লাহ, বালিয়াপুকুর, রাজশাহী।


উত্তর : সপ্তম দিনের পূর্বে সন্তান মারা গেলেও তার আক্বীক্বা দিবে। কারণ আক্বীক্বা দেওয়ার জন্য বাচ্চা সপ্তম দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকা শর্ত নয় (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১১/৪৪৫)। আর রাসূল (ছাঃ) বলেন,

Saturday, February 17, 2018

কুরবানীর একাংশে আকিকা দেওয়া প্রসঙ্গে!

কুরবানীর একাংশে আকিকা দেওয়া প্রসঙ্গে!


আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ কারীম। আম্মা বাদঃ
অতঃপর কুরবানীর সময় আমরা আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত
আমল দেখতে পাই, তা হচ্ছে, গরু কিংবা উট কুরবানী দেয়ার
সময় তাতে সন্তানের আক্বীকা দেওয়া। বিষয়টির ব্যাখ্যা এই
রকম যে, যেহেতু একটি গরু কিংবা উটে সাতটি ভাগ প্রমাণিত।
অর্থাৎ সাত ব্যক্তি শরীক হয়ে কুরবানী দিতে পারে এবং
সেটি সাত জনের পক্ষে স্বীকৃত। তাই কোন কুরবানীদাতা
যদি কুরবানীর উদ্দেশ্যে একটি গরু বা উট ক্রয় করে,

ইসলামে আকিকা করার বিধানঃ কুরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকিকা দেয়া কি বৈধ?

ইসলামে আকিকা করার বিধানঃ কুরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকিকা দেয়া কি বৈধ?

ভূমিকাঃ ﺍﻟﻤﻘﺪﻣﺔ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জন্য
দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। দরূদ ও শান্তির
অবিরাম ধারা বর্ষিত হোক নবীকুল শিরোমণী মুহাম্মাদ (সাঃ)
এবং তাঁর পবিত্র বংশধর ও সম্মানিত সাথীদের উপর। ইসলাম একটি
শান্তিময় জীবন বিধান। নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মৃত্যু বরণ করার
পূর্বেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দ্বীনকে
মুসলমানদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। একজন
মানুষের জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের
প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম সুন্দর সুন্দর বিধান প্রদান করেছে।

Friday, February 9, 2018

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে যা করণীয়

সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে যা করণীয়
আল হামদু লিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মা বাদ:
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, সন্তান-সন্ততি আল্লাহর বিশেষ দান ও অনুগ্রহ। এটি যে কত বড় দান, তা কেবল সেই দম্পতিই জানে, যাদের আল্লাহ এই নেয়ামত থেকে মাহরূম রেখেছেন। আল্লাহ বলেন: “তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা তাকে করে দেন বন্ধ্যা, তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।“ [ সূরা শূরা/৪৯-৫০]
যার কোলে ও যার ঘরে এই নেয়ামতের আগমন ঘটবে, সেই সৌভাগ্যবান। আর তার জন্য ইসলাম দিয়েছে কিছু উপদেশ কিছু আদেশ যা প্রমাণ করে যে ইসলাম একটি সর্বজনীন সামাজিক ধর্ম এবং পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থার নাম। আমরা এখানে তারই কিছুটা বর্ণনা দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
১- যে এই আশিসে ধন্য হবে, তাঁকে অভিনন্দন প্রদান করা: আল্লাহ বলেন:

Wednesday, February 7, 2018

মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ= 528 Sweet Baby Girls Islamic Names With Bangla Meanings

মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ

========================================== 
১.আফরা = অর্থ = সাদা
২.সাইয়ারা = অর্থ = তারকা
৩.আফিয়া =অর্থ = পুণ্যবতী
৪.মাহমুদা = অর্থ = প্রশংসিতা
৫.রায়হানা = অর্থ = সুগন্ধি ফুল
৬.রাশীদা = অর্থ = বিদুষী
৭.রামিসা = অর্থ = নিরাপদ
৮.রাইসা =অর্থ = রাণী
৯.রাফিয়া = অর্থ = উন্নত
১০.নুসরাত = অর্থ = সাহায্য

 
১১.নিশাত = অর্থ = আনন্দ

Monday, February 5, 2018

মেয়ে শিশুদের নাম “আ” অক্ষর দিয়ে

মেয়ে শিশুদের নাম “আ” অক্ষর দিয়ে


আরজু আকাঙক্ষা
আরমানী আশাবাদী
আছিয়া স্তম্ব
আজরা রায়হানা কুমারী সুগন্ধী ফুল
আজরা রাশীদা কুমারী বিদুষী
আজরা রুমালী কুমারী কবুতর
আজরা সাবিহা কুমারী রূপসী
আজরা সাদিয়া কুমারী সৌভাগ্যবতী
আজরা সাদিকা কুমারী পুন্যবতী

ছেলে শিশুর ইসলামিক নাম “আ” দিয়ে

ছেলে শিশুর ইসলামিক নাম “আ” দিয়ে
ছেলের নাম আ দিয়ে
নামের অর্থ
আবদুল্লাহ আল্লাহর দাস
আবদুল আলি মহানের গোলাম
আবদুল আলিম মহাজ্ঞানীর গোলাম
আবদুল আযীম মহাশ্রেষ্ঠের গোলাম
আবদুল আযীয মহাশ্রেষ্ঠের গোলাম
আশা সুখী জীবন
আশিকুল ইসলাম ইসলামের বন্ধু
আবাদ অনন্ত কাল
আব্বাস সিংহ
আবদুল বারী সৃষ্টিকর্তার গোলাম
আয়মান আওসাফ নির্ভীক গুনাবলী
আইউব একজন নবীর নাম
আজম শ্রেষ্ঠতম

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন
 (শিশুর কতিপয় নির্বাচিত নাম সহ)
ভূমিকা: শিশুর জন্মের পর তার জন্য একটি সুন্দর ইসলামী নাম রাখা প্রত্যেক মুসলিম পিতা-মাতার কর্তব্য। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানদের ন্যায় বাংলাদেশের মুসলমানদের মাঝেও ইসলামী সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন করার আগ্রহ দেখা যায়। এজন্য তাঁরা নবজাতকের নাম নির্বাচনে পরিচিত আলেম-ওলামাদের শরণাপন্ন হন। তবে সত্যি কথা বলতে কী এ বিষয়ে আমাদের পড়াশুনা অতি অপ্রতুল। তাই ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ ইসলামী নামের আওতাভুক্ত নয়। শব্দটি আরবী অথবা কুরআনের শব্দ হলেই নামটি ইসলামী হবে তাতো নয়। কুরআনে তো পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কাফেরদের নাম উল্লেখ আছে। ইবলিস, ফেরাউন, হামান, কারুন, আবু লাহাব ইত্যাদি নাম তো কুরআনে উল্লেখ আছে; তাই বলে কী এসব নামে নাম রাখা সমীচীন হবে!? তাই এ বিষয়ে সঠিক নীতিমালা আমাদের জানা প্রয়োজন।
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে-

Saturday, February 3, 2018

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

Untitledলেখক: শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
সম্পাদক: শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ কারীম। আম্মা বাদঃ
অতঃপর কুরবানীর সময় আমরা আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত আমল দেখতে পাই, তা হচ্ছে, গরু কিংবা উট কুরবানী দেয়ার সময় তাতে সন্তানের আক্বীকা দেওয়া। বিষয়টির ব্যাখ্যা এই রকম যে, যেহেতু একটি গরু কিংবা উটে সাতটি ভাগ প্রমাণিত। অর্থাৎ সাত ব্যক্তি শরীক হয়ে কুরবানী দিতে পারে এবং সেটি সাত জনের পক্ষে স্বীকৃত। তাই কোন কুরবানীদাতা যদি কুরবানীর উদ্দেশ্যে একটি গরু বা উট ক্রয় করে, অতঃপর

Thursday, February 1, 2018

ইসলামে আকীকা করার বিধান

ইসলামে আকীকা করার বিধান

ভূমিকাঃ المقدمة  সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জন্য দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। দরূদ ও শান্তির অবিরাম ধারা বর্ষিত হোক নবীকুল শিরোমণী মুহাম্মাদ (সাঃ) এবং তাঁর পবিত্র বংশধর ও সম্মানিত সাথীদের উপর। ইসলাম একটি শান্তিময় জীবন বিধান। নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মৃত্যু বরণ করার পূর্বেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দ্বীনকে মুসলমানদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। একজন মানুষের জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম সুন্দর সুন্দর বিধান প্রদান করেছে। নবজাতক শিশু জন্ম গ্রহণ করার পর সন্তানের পিতা-মাতা বা তার অভিবাবকের উপর আকীকার বিধান ইসলামের সৌন্দর্যময় বিধান সমূহের মধ্য হতে অন্যতম একটি বিধান। আমরা অত্র প্রবন্ধে ইসলামে আকীকার বিধান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব, ইনশা-আল্লাহ।
আকীকার অর্থঃ تعريف العقيقة ইসলামের পরিভাষায় সন্তান জন্ম গ্রহণ করার পর আল্লাহর শুকরিয়া ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে পশু জবাই করা হয়, তাকে আকীকা বলা হয়।
আকীকার হুকুমঃ حكم العقيقة অধিকাংশ আলেমের মতে সন্তানের আকীকা করা সুন্নাতে মুআক্কাদাহ। রাসূসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ

আকীকা র ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত

আকীকা র ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত

মুআত্তা ইমাম মালেক (রঃ)কে আকীকাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ আমি আকীকাহ শব্দটি পছন্দ করি না। কারণ আকীকাহ শব্দটি আরবী عق শব্দ হতে গৃহীত। আক্কা অর্থ নাফরমানী করা অবাধ্য হওয়া। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়াকে আরবীতে عقوق الوالدين উকুকুল ওয়ালিদাইন বলা হয়। তাই ইমাম মালেক (রঃ) সন্তান জন্ম উপলক্ষে এবাদত হিসেবে যেই পশু যবেহ করা হয় তাকে আকীকাহ নামে নামকরণ করাকে অপছন্দ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত বিধানাবলি

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত বিধানাবলি
যে সুন্নতগুলোর তাৎপর্য অনেক কিন্তু আমরা তার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেই না আকীকা তার অন্যতম। ইসলাম পূর্বকাল থেকে চলে আসা এই আমলের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। তিনি একে অনুমোদন করেছেন, নিজে করেছেন এবং অন্যদের করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। কিন্তু এ সুন্নতটি আজ বিস্মৃতপ্রায়। মুসলিমগণ এর আমল বাদ দিয়ে এর স্থলে চালু করেছেন নানা বিজাতীয় ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন রীতিনীতি।
অথচ ইসলামী মনস্তত্ত্ব বিবেচনায় আকীকার গুরুত্ব অপরিসীম। এর প্রতি আমরা উন্নাসিকতা দেখিয়ে নিজেদেরই বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছি। হাদীসের ইঙ্গিত থেকে যেমন অনুমিত হয়, এর সঙ্গে শিশুর পার্থিব ও অপার্থিব কল্যাণ জড়িত। আমরা দেখি নব জাতকের এটা-সেটা রোগ-বালাই লেগেই থাকে। রোজই তার চিকিৎসার পেছনে,

Wednesday, January 3, 2018

একটি ভুল মাসআলা : সন্তানের আকীকার গোস্ত কি মা-বাবা খেতে পারবে না?এটি হাদীস নয় : আপনার জুতায় আরশ ধন্য হয়েছেএকটি ভুল কথা : খোদার পর বাবা-মা তারপর নবীজী! একটি ভুল ধারণা : গোঁফ স্পর্শ করা পানি পান করা কি হারাম?

একটি ভুল মাসআলা : সন্তানের আকীকার গোস্ত কি মা-বাবা খেতে পারবে না?

আকীকার গোস্ত বণ্টন নিয়ে কোথাও কোথাও বিভ্রান্তি দেখা যায়। অনেকের ধারণা, সন্তানের আকীকার গোস্ত  মা-বাবা খেতে পারবে না। বরং আশেপাশের ঘর-বাড়ি এবং গরীব-মিসকীনের মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে।
এ ধারণা ঠিক নয়। আকীকার গোস্ত সন্তানের মা-বাবা,পরিবার পরিজন,আত্নীয় স্বজন,প্রতিবেশী বা মিসকীন যে কেউ খেতে পারবে।

Saturday, December 16, 2017

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি না তার সমাধান:

মানুষকে ‘মাওলানা’ বলা যাবে কি না তার সমাধান:

‘মাওলা’ শব্দের অর্থ হচ্ছেঃ প্রভু, মনিব, বন্ধু, সাহায্যকারী, অভিভাবক, মিত্র, আযাদকৃত দাস ইত্যাদি। ইমাম নভুভী বলেন, এই শব্দের ১৬টি অর্থ আছে। এই কারণে শব্দটি সালাফে সালেহীনের মধ্যে ব্যবহারের প্রচলন ছিল। যেমন দাসগণ তাদের মনিবদের উদ্দেশ্যে ‘মাওলা’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। রাসূলুল্লাহ সা. এক হাদীছে দাসকে নিষেধ করেছেন মনিবকে ‘মাওলায়া’ বা আমার প্রভূ বলতে। আবার আরেক রেয়াওয়াতে অনুমতি দিয়েছেন যে দাস তার মনিবকে বলবে ‘সাইয়্যেদী ও মাওলায়া’। (উভয় বর্ণনা সহীহ মুসলিমে আছে)
এখানে ‘মাওলা’ শব্দের শেষে ‘ইয়া’ সর্বনাম যোগ করলে একবচন বক্তা বুঝায়, আর ‘না’ সর্বনাম যোগ করলে বহুবচন বক্তা বুঝায়।
এখন হাদীছে এক বর্ণনায় নিষেধ আরেক বর্ণনায় অনুমতির তাৎপর্য কি?

Sunday, November 12, 2017

১১৬. কাউকে খারাপ কোন নামে ডাকা

১১৬. কাউকে খারাপ কোন নামে ডাকা


কাউকে খারাপ কোন নামে ডাকা আরেকটি হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَلَا تَلْمِزُوْا أَنْفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوْا بِالْأَلْقَابِ، بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوْقُ بَعْدَ الْإِيْمَانِ، وَمَنْ لَمْ يَتُبْ فَأُوْلَآئِكَ هُمُ الظَّالِمُوْنَ».
‘‘তোমরা অন্য কোন মুসলিম ভাইকে কোন কিছুর অপবাদ দিও না এবং কোন খারাপ নামেও ডেকো না। কারণ, কারোর জন্য ঈমান আনার পর ফাসিকী উপাধিটি খুবই নিকৃষ্ট। যারা উক্ত অপকর্ম থেকে তাওবা করবে না তারাই তো সত্যিকারার্থে যালিম’’। (’হুজুরাত : ১১)
কোন মানুষকে এমন কোন উপাধিতে ভূষিত করা যা শুনলে

কবীরা গুনাহঃ ৮৮. কারোর নিজের জন্য রাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করা

৮৮. কারোর নিজের জন্য রাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করা


কারোর নিজের জন্য রাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করাও হারাম এবং কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
أَغْيَظُ رَجُلٍ عَلَى اللهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَخْبَثُهُ وَأَغْيَظُهُ عَلَيْهِ رَجُلٌ كَانَ يُسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ، لَا مَلِكَ إِلاَّ اللهُ.
‘‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা‘আলা সর্ব বেশি রাগান্বিত হবেন সে ব্যক্তির উপর এবং সে তাঁর নিকট সর্বনিকৃষ্টও বটে যাকে একদা রাজাধিরাজ বলে ডাকা হতো। অথচ সত্যিকার রাজা একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলাই’’। (মুসলিম ২১৪৩; বাগাওয়ী ৩৩৭০)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন:

Saturday, October 21, 2017

কিয়ামতে প্রত্যেক সন্তানকে কি তাঁর মায়ের নাম জুড়ে ডাকা হবে নাকি পিতার নাম ধরে?

কিয়ামতে প্রত্যেক সন্তানকে কি তাঁর মায়ের নাম জুড়ে ডাকা হবে?
এ ব্যাপারে যে হাদিস বর্ণিত আছে, তা সহীহ নয়।৫১ সুতরাং সঠিক হল এই যে, ‘প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর বাপের নাম জুড়েই ডাকা হবে।’ মহানবী (সঃ) বলেছেন, ‘কিয়ামতে তোমাদেরকে তোমাদের ও তোমাদের বাপের নাম ধরে ডাকা হবে।’ নবী (সঃ) আরও বলেছেন,

তকদীর যদি সত্য হয়, তাহলে কি আমল বৃথা নয়?

তকদীর যদি সত্য হয়, তাহলে কি আমল বৃথা নয়?
না। তকদীর সত্য এবং তদবীরও সঠিক। বান্দা নিজ এখতিয়ারে ভাল-মন্দ কর্ম করে। আর মহান আল্লাহ সেই বান্দা ও তাঁর কর্মের সৃষ্টিকর্তা। বান্দার ভাগ্যে যা লেখা থাকে, তা তাঁর জন্য সহজ হয়ে যায়। মহান আল্লাহ বলেছেন,

এ কথা কি ঠিক যে, যার নাম “মুহাম্মদ” হবে সে জান্নাতী হবে এবং তাঁকে গালি দেওয়া ও প্রহার করা যাবে না?

এ কথা কি ঠিক যে, যার নাম “মুহাম্মদ” হবে সে জান্নাতী হবে এবং তাঁকে গালি দেওয়া ও প্রহার করা যাবে না?
এ কথা আদৌ সঠিক নয়। কারো নাম বা বংশ তাঁকে সন্মান ও মুক্তি দিতে পারে না। আসলে উক্ত কথা নবী (সঃ)-এর নাম নিয়ে অতিরঞ্জন ও মনগড়া অত্যুক্তি ছাড়া কিছু নয়। ২৩
অনুরূপ এ কথাও মনগড়া যে, যে মেয়ের নাম ‘মার‍্য়্যাম’, ‘মারিয়াম’ বা ‘মরিয়ম’ হবে সে জাহান্নামে যাবে না। কারণ তা এক নবীর মায়ের নাম।
ফুটনোটঃ২৩ (ইবন বায)
 লেখক/সংকলকঃ আবদুল হামীদ ফাইযী

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ