Showing posts with label সন্তান/ছেলেমেয়ে লালন-পালন. Show all posts
Showing posts with label সন্তান/ছেলেমেয়ে লালন-পালন. Show all posts

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (৭/২৪৭) : ছোট শিশুদের বাঁশিযুক্ত জুতা পরানো যাবে কি?

প্রশ্ন (৭/২৪৭) : ছোট শিশুদের বাঁশিযুক্ত জুতা পরানো যাবে কি?

-আতীকুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম, চট্টগ্রাম।


উত্তর : বাদ্য-বাজনা ইসলামে হারাম। তাই বাঁশি ও বাজনাযুক্ত জুতা পরানো যাবে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন, দু’টি বস্ত্ত দুনিয়া ও আখেরাতে অভিশপ্ত। আনন্দের সময় বাঁশি বাজানো এবং মুছীবতের সময় বিলাপ করা (বাযযার, ছহীহুত তারগীব হা/৩৫২৭; মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/৪০১৭)। তিনি আরো বলেন, আমি দু’টি নির্বোধসূলভ ও পাপাচারমূলক চিৎকার নিষেধ করেছি। আনন্দের সময় খেল-তামাশা, শয়তানের বাঁশি বাজানো ও বিপদের সময় চিৎকার করা, মুখমন্ডলে আঘাত করা এবং জামার সম্মুখভাগ ছিঁড়ে ফেলা আর শয়তানের মত (চিৎকার করে) কান্নাকাটি করা (হাকেম হা/৬৮২৫; তিরমিযী হা/১০০৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৫১৯৪)। অতএব কোমলমতি শিশুদের এসব শব্দ শুনানো থেকে বিরত রাখতে হবে।

Monday, March 19, 2018

প্রশ্ন:-' প্রথমে কন্যা সন্তান হওয়া বরকতের কারণ' ;কথাটি কি সঠিক??

প্রশ্ন:-' প্রথমে কন্যা সন্তান হওয়া বরকতের কারণ' ;কথাটি কি সঠিক??
==================================
উত্তর : কন্যা সন্তান অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ কিন্তু প্রথমে কন্যা সন্তান হওয়া বরকতের কারণ কথাটি ঠিক নয়।
প্রথমে কন্যা সন্তান হওয়া বরকতের কারণ - এ মর্মে কিছু হাদীস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো একটিও বিশুদ্ধ নয়। বিজ্ঞ মুহাদ্দিসগণ সেগুলোর কোন কোনটিকে যঈফ আর কোন কোনটিকে মউজু বা বানোয়াট হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
ইমাম সাখাবী তার মাকাসেদে হাসানাহ গ্রন্থে, সুয়ুতী কাশফুল খাফা গ্রন্থে এবং আলবানী সিলসিলা যঈফা গ্রন্থে এ সব জাল-যঈফ হাদীসগুলো সম্পর্কে ব্স্তিারিত আলোচনা করেছেন। সুতরাং আমাদের কতর্ব্য, হাদীস জাচায়-বাছায় করা ছাড়া সেগুলো প্রচার না করা। সাবধান!
কন্যা সন্তানের ফযীলত সম্পর্কে পড়ুন নিচের লেখাটি:

Friday, February 9, 2018

একজন সফল অভিভাবকের গুণাবলি


একজন সফল অভিভাবকের গুণাবলি

লেখকঃ মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

পরিবারের নেতৃত্ব দেন একজন পুরুষ। আল কুরআন পুরুষের ঘাড়েই গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্বভার অর্পণ করেছে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে পুরুষের নেতৃত্ব আদিকাল থেকে চলে-আসা একটি কালচার, যা প্রাকৃতিক কারণেই ঘটে থাকে। পুরুষের মনোগঠন, সপ্রতিভ আচরণ, দৃঢ়চিত্ততা, সাহসিকতা, প্রতিকূল পরিবেশে – আবেগ নয়- বরং বুদ্ধিচালিত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের যোগ্যতা, অধিকন্তু শীত-বর্ষা-হেমন্ত-বসন্ত রোদ-বৃষ্টি, আলো-অন্ধকার সকল পরিস্থিতিতে দেহ সঞ্চালিত করে রুটি-রুজির ব্যবস্থা করার শারীরিক ক্ষমতা পুরুষকে সমাসীন করেছে নেতৃত্বের আসনে। তাই

সন্তানের হক

সন্তানের হক

সন্তানের হক
إن الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله وعلى آله وصحبه أجمعين أما بعد :
আল্লাহ তা‘আলা মানব জীবনকে সন্তান-সন্তুতির মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় করেছেন। পারিবারিক জীবনে সন্তান-সন্ততি কতবড় নিয়ামত তা যার সন্তান হয়নি তিনি সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করে থাকেন। যাদেরকে আল্লাহ রাববুল আলামীন সন্তান দান করেছেন তাদের উপর এক মহান দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। পিতা-মাতার জন্য সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হবে যদি সন্তানকে আদর্শবান রূপে গড়ে না তুলতে পারেন। কেননা আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

সন্তানকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে যে কয়েকটা জিনিস শেখানো উচিৎ

সন্তানকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে যে কয়েকটা জিনিস শেখানো উচিৎঃ
একজন বাবা মা হিসেবে আপনার সন্তান যেন আত্ম বিশ্বাসী হয়ে উঠে এর জন্য আপনাকেই তার দিকে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে ।
আত্মবিশ্বাস একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য পানি বাতাস এর মতই অত্যন্ত জরুরি এবং তাঁর মানব সত্তার জন্য অপরিহার্য। যুগ যুগ ধরে যে সকল মানুষের মহৎ অবদানে আজকের মানবজাতি,তাঁদের প্রত্যেকেরই ছিল অসীম আত্মবিশ্বাস। আর একজন মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার জন্য শিশুকালের চেয়ে বোধ করি আর কোন ভাল সময় নেই। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে গড়ে তুলবেন আপনার শিশুকে আত্মবিশ্বাসী। এর জন্য কি কোন কোচিং সেন্টার আছে? আছে কোন প্রাইভেট টিউটর?

সন্তান লালন: মাতা-পিতার এক মহান দায়িত্ব

সন্তান লালন: মাতা-পিতার এক মহান দায়িত্ব 



সন্তান লালন: মাতা-পিতার এক মহান দায়িত্ব 
 
জীবনের শুরুতেই সন্তান যাদের হাতের স্পর্শ পায়, যাদেরকে সামনে দেখে, যাদের গন্ধ শুঁকে, তারা হলেন মাতা-পিতা। মাতা-পিতার হাত ধরেই সন্তান প্রবেশ করে কোলাহলময় পৃথিবীতে, গাত্রে লাগায় ইহজাগতিক আলো-বাতাস। মাতা-পিতার কাছ থেকেই শেখে প্রথম শব্দমালা। তাই মাতা-পিতার স্কন্ধেই অর্পিত সন্তানকে যথার্থরূপে মর্দে মুমিন তথা মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব।
 
ইমাম গাজালি রহ. বলেছেন:

সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়


সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়
পৃথিবী জুড়ে মুসলমানদের ঘরে ঘরে প্রতি দিন আগমন হচ্ছে নতুন মেহমান ও নতুন সন্তানের। কিন্তু আমরা কজন আছি যারা এ সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের সূচনা লগ্নে ইসলামি আদর্শের অনুশীলন করি!? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লামের বাতলানো সব সুন্নতগুলো পালন করি! পরিতাপের বিষয়, আমরা অনেকেই তা করি না। এর কারণ, সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে আমাদের উদাসীনতা। তবে এটাও ঠিক যে, ইচ্ছা থাকা সত্বেও অনেকে না-জানার কারণে তা করতে সক্ষম হয় না। আবার কেউ কেউ এ ক্ষেত্রে ইসলামি আদর্শ ত্যাগ করে বিধর্মী ও অমুসলিমদের অনুসরণ করে, অথচ তারা মুসলমান !

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্বঃ

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্বঃ
 আমাদের মা-বাবা, ভাই-বোন কে নিয়ে পরিবার গড়ে উঠে। একজন শিশু সন্তান জন্মের পর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের পূর্বে ৪-৫ বছর পরিবারে বেড়ে ওঠে। এ সময়টিতে তার মানসিক বিকাশ ও নৈতিক চরিত্র গঠন হয়ে থাকে। শিশুর মায়ের কোল তার শিক্ষার হাতে খড়ি। ফলে পরিবার থেকেই শিশু প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে। পরিবার মানব সন্তানের প্রথম শিক্ষা নিকেতন। ছেলে-মেয়েদের জীবনে পারিবারিক শিক্ষার মূল্য অনেক। সন্তানের মূল্যবোধ, আখলাক, চেতনা ও বিশ্বাস জন্ম নেয় পরিবার থেকেই। পিতা- মাতার সঠিক লালন-পালনে সন্তানরা সফল হতে পারে। পিতা-মাতা যে আদর্শ লালন করেন তাদের সন্তানরাও তাই ধারণ করার চেষ্টা করে। হাদীস শরীফে এসেছে,

শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]


অনুবাদকের কথা
শিশুই হল, দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। শিশুদের বাল্য কালের শিক্ষা-দীক্ষা যদি ভালো হয়, তবে তাদের আগামী দিন ও ভবিষ্যৎ ভালো হবে। তাতে দেশ, জাতি ও সমাজ তাদের দ্বারা হবে লাভবান ও উপকৃত। এ জন্য শিশুদের শিক্ষা, তালীম, তরবিয়ত ও তাদের চরিত্রবান করে ঘড়ে তোলার প্রতি গুরুত্ব দেয়া, অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে কোন কিছু লিখে জাতির সামনে তুলে ধরার চিন্তা ও স্বপ্ন অনেক দিন থেকেই লালন করছি। কিন্তু যোগ্যতার সীমাবদ্ধতা ও সময়ের অভাবে তা আর বাস্তবে রূপ দিতে পারি নি। তবে সম্প্রতি আমার প্রাণ-প্রিয় সাইট ইসলাম হাউসে শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ. এর একটি রিসালা এ বিষয়ে পেয়ে আমি আমার চিন্তা ও লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগটি গ্রহণ করি। চিন্তা করলাম এ লিখকের বইটি যদি অনুবাদ করে বাংলা-ভাষাভাষীদের জন্য তুলে ধরা হয়, তাতে তারা উপকৃত হবে এবং আমি নিজে কিছু লেখার চেয়েও এ রিসালাটি অনুবাদ করা অধিক ফলপ্রসূ হবে।
লেখক এ বইটিতে কুরআন ও হাদিসের আলোকে শিশুদের উপদেশ দেয়া, মাতা-পিতার সাথে সৎ ব্যবহার

Thursday, February 8, 2018

মা হিসেবে একজন মুসলিম নারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য

মা হিসেবে একজন মুসলিম নারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য


মুসলিম সমাজ তথা মুসলিম জাতির পরিপূর্ণতার জন্য এমন রক্ষণশীল আদর্শ নারীর প্রয়োজন, যে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জানে এবং তার উপর অর্পিত আমানতকে অনুধাবন করে; যে নিজের পথ দেখতে পায় এবং অন্য কেও পথ দেখাতে পারে ,আর এ ক্ষেত্রে সে সবার আগে যার ওপর পূর্ণ অধিকার রাখে তা হল তার সন্তান । যার প্রতি পরিপূর্ণ দায়িত্ব- কর্তব্য পালন করার পরই আল্লাহ্‌ চাইলে নিজেকে একজন সার্থক মা হিসেবে নিজেকে দেখতে পাবেন ।
নারীর এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্যের সূচনার প্রথম ধাপ হল তার শিশু সন্তানদের পিতা গ্রহণের ক্ষেত্রে বর বাছাইয়ের জটিল ধাপ বা স্তরটি। যে কেউ তাকে বিয়ে করতে ইচ্ছা পোষণ করে বিয়ের প্রস্তাব পেশ করলেই সে তা গ্রহণ করবে না; বরং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রহণযোগ্য স্বামী নির্বাচনের জন্য সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন:

Wednesday, February 7, 2018

মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ= 528 Sweet Baby Girls Islamic Names With Bangla Meanings

মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫২৮ টি ইসলামিক নামের বাংলা অর্থ

========================================== 
১.আফরা = অর্থ = সাদা
২.সাইয়ারা = অর্থ = তারকা
৩.আফিয়া =অর্থ = পুণ্যবতী
৪.মাহমুদা = অর্থ = প্রশংসিতা
৫.রায়হানা = অর্থ = সুগন্ধি ফুল
৬.রাশীদা = অর্থ = বিদুষী
৭.রামিসা = অর্থ = নিরাপদ
৮.রাইসা =অর্থ = রাণী
৯.রাফিয়া = অর্থ = উন্নত
১০.নুসরাত = অর্থ = সাহায্য

 
১১.নিশাত = অর্থ = আনন্দ

Monday, February 5, 2018

মেয়ে শিশুদের নাম “আ” অক্ষর দিয়ে

মেয়ে শিশুদের নাম “আ” অক্ষর দিয়ে


আরজু আকাঙক্ষা
আরমানী আশাবাদী
আছিয়া স্তম্ব
আজরা রায়হানা কুমারী সুগন্ধী ফুল
আজরা রাশীদা কুমারী বিদুষী
আজরা রুমালী কুমারী কবুতর
আজরা সাবিহা কুমারী রূপসী
আজরা সাদিয়া কুমারী সৌভাগ্যবতী
আজরা সাদিকা কুমারী পুন্যবতী

ছেলে শিশুর ইসলামিক নাম “আ” দিয়ে

ছেলে শিশুর ইসলামিক নাম “আ” দিয়ে
ছেলের নাম আ দিয়ে
নামের অর্থ
আবদুল্লাহ আল্লাহর দাস
আবদুল আলি মহানের গোলাম
আবদুল আলিম মহাজ্ঞানীর গোলাম
আবদুল আযীম মহাশ্রেষ্ঠের গোলাম
আবদুল আযীয মহাশ্রেষ্ঠের গোলাম
আশা সুখী জীবন
আশিকুল ইসলাম ইসলামের বন্ধু
আবাদ অনন্ত কাল
আব্বাস সিংহ
আবদুল বারী সৃষ্টিকর্তার গোলাম
আয়মান আওসাফ নির্ভীক গুনাবলী
আইউব একজন নবীর নাম
আজম শ্রেষ্ঠতম

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন

শিশুর নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলামের যে সকল বিধান মনে রাখা প্রয়োজন
 (শিশুর কতিপয় নির্বাচিত নাম সহ)
ভূমিকা: শিশুর জন্মের পর তার জন্য একটি সুন্দর ইসলামী নাম রাখা প্রত্যেক মুসলিম পিতা-মাতার কর্তব্য। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানদের ন্যায় বাংলাদেশের মুসলমানদের মাঝেও ইসলামী সংস্কৃতি ও মুসলিম ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে শিশুর নাম নির্বাচন করার আগ্রহ দেখা যায়। এজন্য তাঁরা নবজাতকের নাম নির্বাচনে পরিচিত আলেম-ওলামাদের শরণাপন্ন হন। তবে সত্যি কথা বলতে কী এ বিষয়ে আমাদের পড়াশুনা অতি অপ্রতুল। তাই ইসলামী নাম রাখার আগ্রহ থাকার পরও অজ্ঞতাবশত আমরা এমনসব নাম নির্বাচন করে ফেলি যেগুলো আদৌ ইসলামী নামের আওতাভুক্ত নয়। শব্দটি আরবী অথবা কুরআনের শব্দ হলেই নামটি ইসলামী হবে তাতো নয়। কুরআনে তো পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কাফেরদের নাম উল্লেখ আছে। ইবলিস, ফেরাউন, হামান, কারুন, আবু লাহাব ইত্যাদি নাম তো কুরআনে উল্লেখ আছে; তাই বলে কী এসব নামে নাম রাখা সমীচীন হবে!? তাই এ বিষয়ে সঠিক নীতিমালা আমাদের জানা প্রয়োজন।
সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে-

Saturday, February 3, 2018

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

কুরবানীর একাংশে আক্বীকা দেওয়া প্রসঙ্গ

Untitledলেখক: শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
সম্পাদক: শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
আল্ হামদুলিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ কারীম। আম্মা বাদঃ
অতঃপর কুরবানীর সময় আমরা আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত আমল দেখতে পাই, তা হচ্ছে, গরু কিংবা উট কুরবানী দেয়ার সময় তাতে সন্তানের আক্বীকা দেওয়া। বিষয়টির ব্যাখ্যা এই রকম যে, যেহেতু একটি গরু কিংবা উটে সাতটি ভাগ প্রমাণিত। অর্থাৎ সাত ব্যক্তি শরীক হয়ে কুরবানী দিতে পারে এবং সেটি সাত জনের পক্ষে স্বীকৃত। তাই কোন কুরবানীদাতা যদি কুরবানীর উদ্দেশ্যে একটি গরু বা উট ক্রয় করে, অতঃপর

Thursday, February 1, 2018

ইসলামে আকীকা করার বিধান

ইসলামে আকীকা করার বিধান

ভূমিকাঃ المقدمة  সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জন্য দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। দরূদ ও শান্তির অবিরাম ধারা বর্ষিত হোক নবীকুল শিরোমণী মুহাম্মাদ (সাঃ) এবং তাঁর পবিত্র বংশধর ও সম্মানিত সাথীদের উপর। ইসলাম একটি শান্তিময় জীবন বিধান। নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মৃত্যু বরণ করার পূর্বেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই দ্বীনকে মুসলমানদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। একজন মানুষের জন্ম থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম সুন্দর সুন্দর বিধান প্রদান করেছে। নবজাতক শিশু জন্ম গ্রহণ করার পর সন্তানের পিতা-মাতা বা তার অভিবাবকের উপর আকীকার বিধান ইসলামের সৌন্দর্যময় বিধান সমূহের মধ্য হতে অন্যতম একটি বিধান। আমরা অত্র প্রবন্ধে ইসলামে আকীকার বিধান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব, ইনশা-আল্লাহ।
আকীকার অর্থঃ تعريف العقيقة ইসলামের পরিভাষায় সন্তান জন্ম গ্রহণ করার পর আল্লাহর শুকরিয়া ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে পশু জবাই করা হয়, তাকে আকীকা বলা হয়।
আকীকার হুকুমঃ حكم العقيقة অধিকাংশ আলেমের মতে সন্তানের আকীকা করা সুন্নাতে মুআক্কাদাহ। রাসূসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ

আকীকা র ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত

আকীকা র ক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত

মুআত্তা ইমাম মালেক (রঃ)কে আকীকাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ আমি আকীকাহ শব্দটি পছন্দ করি না। কারণ আকীকাহ শব্দটি আরবী عق শব্দ হতে গৃহীত। আক্কা অর্থ নাফরমানী করা অবাধ্য হওয়া। পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়াকে আরবীতে عقوق الوالدين উকুকুল ওয়ালিদাইন বলা হয়। তাই ইমাম মালেক (রঃ) সন্তান জন্ম উপলক্ষে এবাদত হিসেবে যেই পশু যবেহ করা হয় তাকে আকীকাহ নামে নামকরণ করাকে অপছন্দ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত বিধানাবলি

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত বিধানাবলি
যে সুন্নতগুলোর তাৎপর্য অনেক কিন্তু আমরা তার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেই না আকীকা তার অন্যতম। ইসলাম পূর্বকাল থেকে চলে আসা এই আমলের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। তিনি একে অনুমোদন করেছেন, নিজে করেছেন এবং অন্যদের করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। কিন্তু এ সুন্নতটি আজ বিস্মৃতপ্রায়। মুসলিমগণ এর আমল বাদ দিয়ে এর স্থলে চালু করেছেন নানা বিজাতীয় ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন রীতিনীতি।
অথচ ইসলামী মনস্তত্ত্ব বিবেচনায় আকীকার গুরুত্ব অপরিসীম। এর প্রতি আমরা উন্নাসিকতা দেখিয়ে নিজেদেরই বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছি। হাদীসের ইঙ্গিত থেকে যেমন অনুমিত হয়, এর সঙ্গে শিশুর পার্থিব ও অপার্থিব কল্যাণ জড়িত। আমরা দেখি নব জাতকের এটা-সেটা রোগ-বালাই লেগেই থাকে। রোজই তার চিকিৎসার পেছনে,

Wednesday, January 31, 2018

সোনামনিদের হাদীস শিক্ষা আসর-১

সোনামনিদের হাদীস শিক্ষা আসর-১
পূর্বকথা
ঘুমিয়ে আছে জাতির পিতা সব শিশুরই অন্তরে। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। শিশুদের হাতেই নির্মিত হবে আমাদের আগামীর দিনগুলো। কথাগুলো আমরা প্রায়ই বলে থাকি। এসব বাক্য থেকে শিশুদের সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলার গুরুত্ব সহজেই অনুমেয়। এরা যদি যোগ্য, নৈতিকতাসম্পন্ন ও আদর্শে বলীয়ান হয়ে গড়ে ওঠে তাহলে আমাদের ভবিষ্যত আলোকিত হবে। অন্যথায় তা হবে তমসাপূর্ণ।
শিশুদের মেধার সুষ্ঠু বিকাশ ও নৈতিকতার উন্মেষ ঘটাতে সবচেয়ে জরুরী তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তাদের পর্যাপ্ত সুস্থ বিনোদন ও নির্মল পঠনসামগ্রীর ব্যবস্থা করা। এতে ব্যর্থ হলে

Sunday, January 28, 2018

পিতা জীবিতকালীন নির্মিত ঘরে কি উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে?

পিতা জীবিতকালীন নির্মিত ঘরে কি
উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে?
Question
প্রশ্ন : আমার পিতা তিন ছেলে ও চার মেয়ে রেখে
মারা গেছেন। আমার পিতা শুরুতে গরিব ছিলেন, কিন্তু
আমরা যখন বড় হই, আল্লাহ আমাদের প্রচুর ধন-সম্পদ
দান করেন। এমন জায়গা থেকে তিনি আমাদের রিয্ক দান
করেছেন, যার কল্পনা আমাদের অন্তরে ছিল না।
আল-হামদুলিল্লাহ। আমাদের একটি পুরনো বাড়ি ছিল, আমি

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ