Showing posts with label গোসল-পবিত্র. Show all posts
Showing posts with label গোসল-পবিত্র. Show all posts

Saturday, March 31, 2018

জুমআর দিবসে গোসল করার বিধান কি নারী ও পুরুষের সকলের জন্য? এ দিনের এক বা দু’দিন পূর্বে গোসল করার হুকুম কি?

(৩২৫) জুমআর দিবসে গোসল করার বিধান কি নারী ও পুরুষের সকলের জন্য? এ দিনের এক বা দু’দিন পূর্বে গোসল করার হুকুম কি?


জুমআর দিবসে গোসল ও সাজ-সজ্জার বিধান শুধুমাত্র পুরুষদের জন্যই। কেননা সেই জুমআর নামাযে উপস্থিত হবে। গোসল ও সৌন্দর্য গ্রহণ পুরুষকে উদ্দেশ্য করেই বলা হয়েছে। নারীদের জন্য এটা শরীয়ত সম্মত নয়। তবে যে কোন মানুষ নিজের শরীরে বা অঙ্গে ময়লা-আবর্জনা দেখতে পেলেই তা পরিস্কার করবে। কেননা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ইসলামে প্রশংসিত বিষয়, এতে উদাসীনতা কারো জন্য উচিৎ নয়।

Monday, March 26, 2018

মৃত ব্যক্তির গোসলের বিশুদ্ধ পদ্ধতি কি?

(৩৪৩) মৃত ব্যক্তির গোসলের বিশুদ্ধ পদ্ধতি কি?


মৃত ব্যক্তির গোসলের বিশুদ্ধ পদ্ধতি হচ্ছেঃ গোসল দেয়ার সুন্নাত হল, প্রথমে তার লজ্জাস্থান ঢেঁকে দেবে, তারপর তার সমস্ত কাপড় খুলে নিবে। অতঃপর তার মাথাটা বসার মত করে উপরের দিকে উঠাবে এবং আসে- করে পেটে চাপ দিবে, যাতে করে পেটের ময়লা বেরিয়ে যায়। এরপর বেশী করে পানি ঢেলে তা পরিস্কার করে নিবে। তারপর হাতে কাপড় জড়িয়ে বা হাত মুজা পরে তা দিয়ে উভয় লজ্জা স্থানকে (নযর না দিয়ে) ধৌত করবে। তারপর ‘বিসমিল্লাহ্‌’ বলবে এবং ছালাতের ন্যায় ওযু করাবে। তবে মুখে ও নাকে পানি প্রবেশ করাবে না। বরং

Saturday, March 3, 2018

বীর্য, মযী ও অদী নিয়ে বিভ্রান্তির অবসানঃ

বীর্য, মযী ও অদী নিয়ে বিভ্রান্তির অবসানঃ
নিজেকে পবিত্র রাখতে ও পবিত্র করতে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষদের যে বিষয়টি জানা জরুরী - যাহা অধিকাংশ পুরুষদের মধ্যেই হয়ে থাকে এবং যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা সন্দেহে থাকি সেই গুলো সহীহ হাদিসের আলোকে নীচে দেওয়া হলঃ
প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে প্রস্রাব ছাড়াও আরও তিন রকম তরল পদার্থ বের হয়। যে গুলোকে আরবীতেঃ-
১) মনী বা বীর্য। 
২) মযী বা কামরস এবং
৩) অদী - বলা হয়ে থাকে।
উপরের তিনটির মধ্যে মযী ও অদী জাতীয় তরল পদার্থ বের হলে গোসল ফরয হয় না।

Friday, February 16, 2018

তীব্র শীতে সহবাসের পর শুধু তায়াম্মুম করলে কি চলবে?

তীব্র শীতে সহবাসের পর শুধু তায়াম্মুম করলে কি চলবে?
প্রশ্ন: তীব্র শীতে সহবাসের পর আমি কি শুধু তায়াম্মুম করে সলাত আদায় করতে পারি? কারণ আমি জানি, তাৎক্ষনিক ভাবে গোসল করে পবিত্র হওয়া আমার জন্য সম্ভব নয়। অধিকন্তু, প্রচণ্ড শীত আমার পিঠের পীড়াকে ভীষণ রকম বাড়িয়ে তোলে। ফলে আমি অসুস্থ হয়ে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
উত্তর: প্রশংসা মাত্রই আল্লাহ্‌র জন্য।
যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাসের কারণে অপবিত্র হয়ে যাবে তাকে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হয়ে স্বলাত আদায় করতে হবে। কারণ আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন:

প্রশ্নঃ কি কি কারণে গোসল ফরয হয়?

প্রশ্নঃ কি কি কারণে গোসল ফরয হয়?
উত্তরঃ গোসল ফরয হওয়ার কারণ সমূহ নিম্নরূপঃ
১)     জাগ্রত বা নিদ্রা অবস্থায় উত্তেজনার সাথে বীর্যপাত হওয়া। কিন্তু নিদ্রা অবস্থায় উত্তেজনার অনুভব না হলেও গোসল করা ফরয। কেননা নিদ্রা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে মানুষ অনেক সময় তা বুঝতে পারে না।
২)     স্ত্রী সহবাস। সহবাসের ক্ষেত্রে স্ত্রীর যৌনাঙ্গে পুরুষাঙ্গের সর্বনিম্ন আগাটুকু প্রবেশ করালেই গোসল ফরয হয়ে যাবে।
কেননা প্রথমটির ব্যাপারে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
“পানি নির্গত হলেই পানি ঢালতে হবে।”[মুসলিম, অধ্যায়ঃ হায়েয, অনুচ্ছেদঃ পানি নির্গত হলেই পানি ঢালা। হা/ ৩৪৩।]
অর্থাৎ বীর্যের পানি নির্গত হলেই গোসল করতে হবে।
আর দ্বিতীয় কারণের ব্যাপারে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

প্রশ্ন: সহবাসের পর যদি মনি নির্গত না হয়, তবে কি গোসল করা ওয়াযিব? না-কি মনি নির্গত ব্যতীত গোসল ওয়াযিব হয় না ?

প্রশ্ন: সহবাসের পর যদি মনি নির্গত না হয়, তবে কি গোসল করা ওয়াযিব? না-কি মনি নির্গত ব্যতীত গোসল ওয়াযিব হয় না ?
উত্তর:
আল-হামদুলিল্লাহ
এ ব্যাপারে সকল আলেম একমত যে, সহবাসের ফলে গোসল ওয়াযিব হয়।
আল-মাওসুআতুল ফিকহিয়াহ : (৩১/১৯৮)
স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে, মনি নির্গত না হলেও গোসল ওয়াযিব হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ সিদ্ধান্ত আবূ হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহুর হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন :

Tuesday, February 13, 2018

রোযাবস্থায় বীর্যপাত এবং স্বপ্নদোষের বিধান

রোযাবস্থায় বীর্যপাত এবং স্বপ্নদোষের বিধান 

আলহামদুলিল্লাহ্ ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মাবাদঃ রামাযান মাসে সাউম পালনকারী ভাইদের পক্ষ থেকে উপরোক্ত বিষয়ে প্রায় প্রায় প্রশ্ন করা হয়। এ সম্পর্কে শরীয়ার সঠিক বিধান না জানা থাকার কারণে অনেকে অনেক রকমের ধারণা করে। কেউ মনে করে তার রোযা নষ্ট হয়ে গেছে, কেউ বলে রোযা মাকরূহ হয়ে গেছে, কেউ ভাবে তার দ্বারা গুনাহ হয়ে গেছে আর কেউ সংশয়ে থাকে। তাই সংক্ষিপ্তাকারে বিষয়টির শারঈ সমাধান উল্লেখ করার নিয়ত করেছি। আল্লাহই তাওফীকদাতা। প্রথমতঃ আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে, রোযা/ সাউম হচ্ছে, আল্লাহর ইবাদতের উদ্দেশ্যে ফজর হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় পানাহার ও যৌনসঙ্গম হতে বিরত থাকা। [ফাতহুল বারী, ৪/১৩২] তাই যৌন সঙ্গম হচ্ছে রোযা ভংগের একটি অন্যতম কারণ। অতঃপর জানা উচিৎ যে, রোযাবস্থায় বীর্যপাতের দুটি অবস্থা রয়েছে। যথা: (ক) রোযাদার স্বেচ্ছায় স্বয়ং তার বীর্যপাত ঘটায়। অর্থাৎ

Monday, February 5, 2018

প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে? উত্তর:- শুধু পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করলেই পবিত্রতা অর্জিত হয়ে যাবে। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন পায়খানায় প্রবেশের ইচ্ছা পোষন করতেন তখন আমি ও আরেকটি ছেলে পানি ভর্তি পাত্র এবং একটি বর্শা নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা ইস্তেঞ্জা করতেন। (মুত্তাফাক আলাইহ, মিশকাত- হা/৩৪২)। আয়েশা (রাঃ) একবার মহিলাদের লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা তোমাদের স্বামীদের পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে বল কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)- কে অনুরুপই করতে দেখেছি। (তিরমিযী- হা/১৯, সনদ সহীহ)। ইমাম তিরমিযী বলেন, বিদ্বানগণ পানিকেই যথেষ্ট মনে করেন। পানি না পেলে কুলুখ নিবে। উল্লেখ্য যে কুলুখ ব্যাবহার করার পর পানি ব্যাবহার করতে হবে এই মর্মে যে কথা সমাজে প্রচালিত আছে তা ঠিক নয়। (ইউয়াউল গালীল হা/৪২- এর আলোচনা দ্রঃ) সুতরাং

পানি থাকা সত্বেও কুলুখ নেয়া অথবা কুলুখ নেয়ার পর পূনরায় পানি নিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ইসলামের বিধান কি?

পানি থাকা সত্বেও কুলুখ নেয়া অথবা কুলুখ নেয়ার
পর পূনরায় পানি নিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ইসলামের বিধান কি?
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। অগণিত দুরূদ ও সালাম নাযিল হউক প্রিয় নবী মুস্তফা আহাম্মদে মুজতবা সায়্যিদুল আম্বিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের প্রতি। শান্তি বর্ষিত হউক আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরাম রেজুয়ানাল্লাহি তা’আলা আজমাঈন গণের উপর।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
আমাদের সমাজে, রাস্তাঘাটে, মাদ্রসায়, মসজিদে ও বিভিন্ন জায়গায় হরহামেশা দেখা যায় প্রায় মানুষই প্রস্রাবের পর ঢিলা-কুলূখ ধরে দাড়িয়ে থাকে। শুধু দাড়িয়েই থাকেনা; লজ্জাস্থানে ধরে রেখে বেহায়া, নির্লজ্জের মত হাটাহাটি করে, জোরে জোরে কাশি দেয়, উঠবস করে, পায়ে পায়ে কাঁচি দেয়। অথচ

Saturday, February 3, 2018

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ
নিচে নারী ও পুরুষের উভয়ের জন্যই
পবিত্রতা অর্জনের সঠিক পদ্ধতি বর্ণনা
করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে বলার পরেও
অনেকে আবার প্রশ্ন করেন, নারীদের
পবিত্রতার পদ্ধতি কি? নারী ও পুরুষের
উভয়ের পদ্ধতিই এক।
_______________________________
পেশাব-পায়খানার পরে নাপাকী দুইভাবে দূর
করা যেতে পারে –
১. পানি দ্বারা
২. ঢিলা-কুলুখ দ্বারা

Wednesday, January 31, 2018

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

 জামা‘আতে সালাত আদায় করার অপরিহার্যতা
শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায
মুসলিম পাঠকবৃন্দের প্রতি আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বাযের একটি বিশেষ আহবান। আল্লাহ তা‘আলা  তাঁর সন্তুষ্টির কাজে তাদের তাওফীক দান করুন এবং আমাকেও তাদের সেই সমস্ত লোকের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা তাঁকে ভয় করে তার নির্দেশ মেনে চলে। আমীন!

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারলাম যে, অনেক লোক জামা‘আতে সালাত আদায়ে অবহেলা করছেন এবং কোনো কোনো আলেমের ছাড়প্রবণ বক্তব্যকে এর পক্ষে দলীল হিসেবে পেশ করছেন। তাই, আমার কর্তব্য হলো, সবাইকে এই বিষয়ের গুরুত্ব ও এর ভয়ঙ্কর দিকগুলো স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া এবং এই কথাও বলে দেওয়া যে, কোনো মুসলিমের পক্ষে এমন বিষয়ে অবহেলার আচরণ করা উচিত নয়

Monday, January 29, 2018

পবিত্রতা সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি প্রশ্নোত্তর

পবিত্রতা সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি প্রশ্নোত্তর

(ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম থেকে)
মূল: আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালিহ আল উছাইমীন (রাহ:)
অনুবাদক: শাইখ মুহা: আব্দুল্লাহ আল কাফী
প্রশ্নঃ (১২১) অপবিত্রতা ও বাহ্যিক নাপাক বস্তু থেকে পবিত্রতা অর্জন করার প্রকৃত মাধ্যম কি?
উত্তরঃ যে কোন নাপাকী থেকে পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম হচ্ছে পানি। পানি ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করা যাবে না। চাই উক্ত পানি পরিচ্ছন্ন হোক বা পবিত্র কোন বস্তু তাতে পড়ার কারণে তাতে কোন পরিবর্তন দেখা যাক। কেননা বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে, পবিত্র কোন বস্তুর কারণে যদি পানির মধ্যে পরিবর্তন দেখা যায়, তবে তাকে পানিই বলা হবে। এর পবিত্র করণের ক্ষমতা বিনষ্ট হবে না। এই পানি নিজে পবিত্র অন্যকেও পবিত্র করতে পারে।
পানি যদি না পাওয়া যায় বা পানি ব্যবহার করলে ক্ষতির আশংকা দেখা যায়, তবে তায়াম্মুমের দিকে অগ্রসর হবে। দু’হাত মাটিতে মেরে তা দ্বারা মুখমন্ডল মাসেহ করবে এবং উভয় হাত কব্জি পর্যন্ত মাসেহ করবে।
আর বাহ্যিক ও প্রকাশ্য নাপাক বস্তু থেকে পবিত্রতা

পেশাব করার পর মনে হয় কয়েক ফোটা বের হয়েছে

পেশাব করার পর মনে হয় কয়েক ফোটা বের হয়েছে


পেশাব করার পর মনে হয় কয়েক ফোটা বের হয়েছে
প্রশ্ন :
জনৈক ব্যক্তি পেশাব শেষ করে পেশাবের স্থান ধৌত করে নেয়। কিন্তু যখনই সে নড়াচড়া করে ও দাঁড়ায়, তখন অনুভব হয় যে, কয়েক ফোটা পেশাব বের হয়েছে। এ জন্য সে দীর্ঘ সময় পেশাবের স্থানে বসে থাকে আর বলে : কি করব ? সে কি তার এ অনুভূতি ও ধারণা ত্যাগ করে অযূ পূর্ণ করে নেবে ? না, পরিপূর্ণ পেশাব বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে ? আশা করি উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন। আল্লাহ আপনাদের কল্যাণ করুন।

ত্বাহারাত বা পবিত্রতা< ওযূর ফযীলত

ত্বাহারাত বা পবিত্রতা< ওযূর ফযীলত

ছালাতের আবশ্যিক পূর্বশর্ত হ’ল ত্বাহারাত বা পবিত্রতা অর্জন করা। যা দু’প্রকারের : আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক, অর্থাৎ দৈহিক। ‘আভ্যন্তরীণ পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় হৃদয়কে যাবতীয় শিরকী আক্বীদা ও ‘রিয়া’ মুক্ত রাখা এবং আল্লাহর ভালবাসার ঊর্ধ্বে অন্যের ভালবাসাকে হৃদয়ে স্থান না দেওয়া। ‘দৈহিক পবিত্রতা’ বলতে বুঝায় শারঈ তরীকায় ওযূ, গোসল বা তায়াম্মুম সম্পন্ন করা। আল্লাহ বলেন, إِنَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوَّابِيْنَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِيْنَ (البقرة ২২২)- ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ (অন্তর থেকে) তওবাকারী ও (দৈহিকভাবে) পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালবাসেন’ 

Saturday, December 16, 2017

পবিত্রতা সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি প্রশ্নোত্তর

পবিত্রতা সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ৬২টি প্রশ্নোত্তর

(ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম থেকে)
মূল: আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালিহ আল উছাইমীন (রাহ:)
অনুবাদক: শাইখ মুহা: আব্দুল্লাহ আল কাফী
প্রশ্নঃ (১২১) অপবিত্রতা ও বাহ্যিক নাপাক বস্তু থেকে পবিত্রতা অর্জন করার প্রকৃত মাধ্যম কি?
উত্তরঃ যে কোন নাপাকী থেকে পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম হচ্ছে পানি। পানি ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করা যাবে না। চাই উক্ত পানি পরিচ্ছন্ন হোক বা পবিত্র কোন বস্তু তাতে পড়ার কারণে তাতে কোন পরিবর্তন দেখা যাক। কেননা বিশুদ্ধ কথা হচ্ছে, পবিত্র কোন বস্তুর কারণে যদি পানির মধ্যে পরিবর্তন দেখা যায়, তবে তাকে পানিই বলা হবে। এর পবিত্র করণের ক্ষমতা বিনষ্ট হবে না। এই পানি নিজে পবিত্র অন্যকেও পবিত্র করতে পারে।
পানি যদি না পাওয়া যায় বা

Tuesday, December 5, 2017

পানির প্রকারভেদঃ পানি বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। তবে তা নিম্নোক্ত দু’প্রকারের বাইরে নয়। যথা:

পানির প্রকারভেদ


পানি বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। তবে তা নিম্নোক্ত দুপ্রকারের বাইরে নয়। যথা:
১। সাধারণ পানি (পবিত্র পানি):
এ প্রকার পানি তার সৃষ্টিগত মৌলিকতার উপর বজায় থাকে। এটা ঐ সমস্ত পানি যা ভূমি থেকে উদ্ভূত হয় অথবা আকাশ থেকে বর্ষিত হয়।  মহান আল্লাহ্‌ বলেন:
﴿وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُمْ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً لِيُطَهِّرَكُمْ بِهِ
অর্থাৎ: তিনি আকাশ হতে তোমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর যাতে এর মাধ্যমে তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করেন। (সূরা আনফাল-১১)
এ প্রকার পানির অন্তর্ভুক্ত হলো:

মহিলাদের ব্যবহার করা অতিরিক্ত পানি দিয়ে পুরুষদের গোসল করা বৈধ কি না

মহিলাদের ব্যবহার করা অতিরিক্ত পানি দিয়ে পুরুষদের গোসল করা বৈধ কি না


মহিলাদের ওযূ বা গোসলের অতিরিক্ত পানি দ্বারা পুরুষের পবিত্রতা অর্জনের বিধানের ব্যাপারে আলিমগণের মাঝে দু’টি অভিমত লক্ষ্য করা যায়:
১ম মতামত: মহিলাদের ব্যবহৃত অতিরিক্ত পানি দ্বারা পুরুষের পবিত্রতা অর্জন করা বৈধ নয়। এটা ইবনে উমার, আবদুল্লাহ ইবনে সারজাস, উম্মুল মুমিনীন জুয়ায়রিয়্যাহ বিনতে হারেস, হাসান, আহমাদ ইবনে হাম্বল, ইসহাক্ব, শাবী ও দাউদ জাহেরী এর মতামত।[1]
তাদের দলীল হলো:

Thursday, October 26, 2017

ওযু নষ্ট হওয়ার কারণসমূহ জেনে নিন সহিহ হাদিসের আলকে।

ওযু নষ্ট হওয়ার কারণসমূহ


১। পেশাব ও পায়খানা দ্বার হতে কিছু (পেশাব, পায়খানা, বীর্য, মযী, হাওয়া, রক্ত, কৃমি, পাথর প্রভৃতি) বের হলে ওযু ভেঙ্গে যায়। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন /২২০)
তদনুরুপ দেহের অন্যান্য অঙ্গ থেকে (যেমন অপারেশন করে পেট থেকে পাইপের মাধ্যমে) অপবিত্র (বিশেষ করে পেশাব-পায়খানা) বের হলেও ওযু নষ্ট হয়ে যাবে। (ঐ১/২২১)
২। যাতে গোসল ওয়াজেব হয়, তাতে ওযুও নষ্ট হয়।
৩। কোন প্রকারে বেহুশ বা জ্ঞানশূন্য হলে ওযু নষ্ট হয়।
৪। গাঢ়ভাবে ঘুমিয়ে পড়লে ওযু ভাঙ্গে। আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন,

রোগীর পবিত্রতা ও ওযু-গোসল

রোগীর পবিত্রতা ও ওযু-গোসল


রোগী হলেও গোসল ওয়াজেব হলে গোসল এবং ওযুর দরকার হলে ওযু করা জরুরী।
ঠান্ডা পানি ব্যবহার করায় ক্ষতির আশঙ্কা হলে রোগী গরম পানি ব্যবহার করবে। পানি ব্যবহারে একেবারেই অসমর্থ হলে বা রোগ-বৃদ্ধি অথবা আরোগ্য লাভে বিলম্বের আশঙ্কা হলে তায়াম্মুম করবে।
রোগী নিজে ওযু বা তায়াম্মুম করতে না পারলে অন্য কেউ করিয়ে দেবে।
ওযুর কোন অঙ্গে ক্ষত থাকলেও তা ধুতে হবে। অবশ্য পানি লাগলে ঘা বেড়ে যাবে এমন আশঙ্কা থাকলে হাত ভিজিয়ে তার উপর বুলিয়ে মাসাহ্‌ করবে। মাসাহ্‌ করাও ক্ষতিকারক হলে ঐ অঙ্গের পরিবর্তে তায়াম্মুম করে নেবে।
ক্ষতস্থানে পটি বাঁধা বা প্লাস্টার করা থাকলে অন্যান্য অঙ্গ ধুয়ে পটির উপর মাসাহ্‌ করবে।

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ