Showing posts with label মজলিসের আদব. Show all posts
Showing posts with label মজলিসের আদব. Show all posts

Friday, November 24, 2017

মজলিস থেকে উঠে চলে যাওয়ার সময় সালাম দেয়া

মজলিস থেকে উঠে চলে যাওয়ার সময় সালাম দেয়া


মজলিস থেকে উঠে চলে যাওয়ার সময় সালাম দিয়ে যান।

মজলিস শেষ হলে কাফ্ফারাতুল মাজলিসের দু‘আ পড়ুন

মজলিস শেষ হলে কাফ্ফারাতুল মাজলিসের দু‘আ পড়ুন


আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি এমন কোন মজলিসে বসে, যাতে তার শোর-গোল বেশী হয়ে থাকে, তবে ঐ মজলিস থেকে উঠার পূর্বে যদি সে (নিম্নের দু‘আ) বলে তবে উক্ত মজলিসে তার স্বকৃত গোনাহসমূহকে মার্জনা করা হয়। (দু‘আটি নিম্নেররূপ)ঃ

سُبْحَانَكَ اللّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلهَ إِلاَّ أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ

‘সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা অবিহামদিকা আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লা আন্তা আস্তাগফিরুকা অআতূবু ইলাইক্।’
অর্থাৎ- হে আল্লাহ!

মজলিসে বসে থাকা অবস্থায় দু'আ

মজলিসে বসে থাকা অবস্থায় দু'আ


মজলিসে বসে থাকা অবস্থায় বেশী বেশী নিম্নের দু‘আ পড়ুন।  
রাসুল (সাঃ) এই দু‘আ মজলিসে প্রায় ১০০ বার পাঠ করতেন।

رَبِّ اغْفِرْلِيْ وَتُبْ عَلَيَّ، إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُوْرُ

উচ্চারণঃ রাবিবগফিরলী অতুব আলাইয়্যা, ইন্নাকা আন্তাত্ তাউওয়া-বুল গাফূর।
অর্থঃ হে আমার প্রভু! আমাকে ক্ষমা কর এবং আমার তওবা গ্রহণ কর। নিশ্চয় তুমি তওবা গ্রহণকারী মহাক্ষমাশীল।[1]

মজলিসে কেউ কথা বললে কান দিয়ে শুনুন

মজলিসে কেউ কথা বললে কান দিয়ে শুনুন


মজলিসে কেউ কথা বললে কান দিয়ে শুনুন। বক্তার সামনে অমনোযোগিতা, চাঞ্চল্য, চাপল্য ও বৈমুখ্য প্রকাশ করবেন না। যা বলা হচ্ছে আপনি তার সবকিছুই জানলে বা বক্তা অপেক্ষা আপনি বেশী জানলে আপনি আপনার ভাবে-ভঙ্গিমায় বা চেহারায় তা প্রকাশ হতে দিবেন না। এমন স্থিরভাবে বসে থাকুন,

মজলিসে বসার সময় আদবের সাথে থাকুন

মজলিসে বসার সময় আদবের সাথে থাকুন


মজলিসে বসার সময় আদবের সাথে থাকুন। যাতে লোকে আপনাকে খারাপ ভাবে সে রকম কাজ করবেন না। যেমন কারো দিকে পা করে বা পা মেলে বসবেন না। দুজনের জায়গা একা নিয়ে বসবেন না। সীট বা টেবিলের উপর পা তুলে বসবেন না। দাঁত বা নাক খুঁটবেন না। হাওয়া ছাড়বেন না। কারো হাওয়া ছাড়া শুনে হাসবেন না। যেহেতু মহানবী (সাঃ) কারো হাওয়া ছাড়া শুনে হাসতে নিষেধ করেছেন।[1] তিনি বলেছেন,

মজলিসে থাকাকালে ঘেউ ঘেউ করে ঢেকুর তোলা

মজলিসে থাকাকালে ঘেউ ঘেউ করে ঢেকুর তোলা


মজলিসে থাকাকালে ঘেউ ঘেউ করে ঢেকুর তোলা উচিত নয়। ঢেকুর এলে যথাসম্ভব শব্দ দমন করে নিন। যেহেতু লোকেরা তা পছন্দ করে না। ঢেকুরের সাথে এমন গ্যাস বের হতে পারে, যা লোকেদের নাকে খারাপ লাগে। একদা আল্লাহর রসূল (সাঃ) এর কাছে এক ব্যক্তি ঢেকুর তুললে তিনি তাকে বললেন,

মজলিসে না হাসা

মজলিসে না হাসা


মজলিসে প্রগলভ হয়ে প্রায় সর্বদা সব কথাতে, হাসির কথাতে এবং অহাসির কথাতেও ‘হো-হো, হা-হা’ করে হাসা বৈধ নয়। রাসুল (সাঃ) বলেন,

পরকীয় কথায় কানাচি পাতা হারাম

পরকীয় কথায় কানাচি পাতা হারাম


লোকেরা কোন গোপন কথা আড়ালে আস্তে বলাবলি করলে অথবা দূরে ফিস্ফিসিয়ে কথা বললে কোন দেওয়াল বা দরজা বা পর্দার আড়াল থেকে কান খাড়া করে কর্ণপাত করা বা তাদের সেই গোপন কথা কান পেতে শোনা বৈধ নয়, যে কথা শোনাতে তারা অপছন্দ করে।
রাসুল (সাঃ) বলেন,

একই মজলিসে ৩ জন বসে থাকলে তাদের একজনকে বাদ দিয়ে কথা না বলা

একই মজলিসে ৩ জন বসে থাকলে তাদের একজনকে বাদ দিয়ে কথা না বলা


একই মজলিসে ৩ জন বসে থাকলে তাদের একজনকে বাদ দিয়ে অপরজনকে নিয়ে আপনি কোন গোপন কথা বলবেন না অথবা ফিস্ফিসিয়ে কোন কথাই বলবেন না অথবা দূরে নিয়ে গিয়ে কোন আলোচনা করবেন না। কারণ এতে ঐ তৃতীয় ব্যক্তির মনে কষ্ট হবে। সে আপনাদের প্রতি কুধারণা করবে। হয়তো বা মনে করবে যে,

মজলিসে উপস্থিত হয়ে যেখানে মজলিস শেষ হয়েছে সেখানে বসা

মজলিসে উপস্থিত হয়ে যেখানে মজলিস শেষ হয়েছে সেখানে বসা


মজলিসে উপস্থিত হয়ে যেখানে মজলিস শেষ হয়েছে আপনি সেখানে বসে যান। সাহাবী জাবের বিন সামুরাহ (রাঃ) বলেন,

মজলিসে দুই জনের মাঝখানে না বসা

মজলিসে দুই জনের মাঝখানে না বসা


মজলিসে দুটি লোক (আত্মীয় বা বন্ধু) একত্রে বসে থাকলে, আপনি গিয়ে তাদের মাঝে বসে উভয়ের মাঝে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করবেন না। যেহেতু তাতে তাদের মনে কষ্ট হবে। অবশ্য অনুমতি দিলে অথবা তারা নিজ থেকে আপনাকে তাদের মাঝে বসালে আপনি বসতে পারেন।
প্রিয় রাসুল (সাঃ) বলেন,

মজলিসে বসে থাকা অবস্থায় সমস্ত জায়গা ভর্তি হয়ে গেলে

মজলিসে বসে থাকা অবস্থায় সমস্ত জায়গা ভর্তি হয়ে গেলে


কোন মজলিসে বসে থাকা অবস্থায় সমস্ত জায়গা ভর্তি হয়ে গেলে, নড়ে-সড়ে বসলে অল্প-বিস্তর জায়গা হয়েই যায়। সেই সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের জন্য মজলিস প্রশস্ত করে বসতে জায়গা দেওয়া মুমিনের কর্তব্য। এই আদব বর্ণনা করে মহান আল্লাহ বলেন,

মজলিসে এসে কাউকে উঠিয়ে তার জায়গায় বসবেন না, কাউকে বসাবেন না

মজলিসে এসে কাউকে উঠিয়ে তার জায়গায় বসবেন না, কাউকে বসাবেন না


কেউ কোন প্রয়োজনে উঠে গেলে এবং পুনরায় সে ফিরে আসবে বলে মনে হলে তার জায়গাতেও বসবেন না। কারণ সেটা তার জায়গা, সেই তার বেশী হকদার।
আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, ‘‘যখন কোন ব্যক্তি তার বসার জায়গা থেকে উঠে যায়, অতঃপর সে ফিরে আসে, তখন সেই তার বেশী হকদার হয়।’’[1]
আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) বলেন,

মজলিসে সালাম দেয়া

মজলিসে সালাম দেয়া


কোন মজলিসে এলে সালাম দিন। অতঃপর যেখানে ফাঁক পান সেখানে বসে যান।

এমন ঢঙে বসবেন না, যেমন ঢঙে বসতে আমাদের শরীয়ত আমাদেরকে নিষেধ করেছে

এমন ঢঙে বসবেন না, যেমন ঢঙে বসতে আমাদের শরীয়ত আমাদেরকে নিষেধ করেছে


শারীদ বিন সুয়াইদ (রাঃ) বলেন, একদা রাসুল (সাঃ) আমার নিকট এলেন। তখন আমি এমন ঢঙে বসেছিলাম যে, বাম হাতকে পশ্চাতে রেখেছিলাম এবং (ডান) হাতের চেটোর উপর ভরনা দিয়েছিলাম। এ দেখে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) আমাকে বললেন,

এমন জায়গায় বসবেন না, যেখানে বসলে পাপ হওয়ার আশঙ্কা আছে

এমন জায়গায় বসবেন না, যেখানে বসলে পাপ হওয়ার আশঙ্কা আছে


রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘খবরদার! তোমরা রাস্তার ধারে বসো না। আর একান্তই যদি বসতেই হয়, তাহলে তার হক আদায় করো।’’ লোকেরা জিজ্ঞাসা করল, ‘রাস্তার হক কি?

মজলিসে মুনাফিক ও ইসলামের গোপন শত্রুদের সাথে না বসা

মুনাফিক ও ইসলামের গোপন শত্রুদের সাথে না বসা


তদনুরূপ এমন লোকদের সাথেও বসবেন না, যারা মুনাফিক ও ইসলামের গোপন শত্রু। যারা নামে মুসলমান হলেও কামে শয়তান। যারা আল্লাহর দ্বীন ও আয়াত নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে, কুফরী করে। তাদের মজলিসে বসতে নিষেধ করে মহান আল্লাহ আমাদেরকে বলেন,

কার সাথে বন্ধুত্ব বা উঠা-বসা করবেন?

কার সাথে উঠা-বসা করবেন?


মানুষ যার সাথে উঠা-বসা করবে, সে অবশ্যই তার দ্বারা কিছু না কিছু প্রভাবান্বিত হবে। আর সে জন্যই কারো কাছে বসার আগে জেনে নেওয়া উচিত, সে ভালো লোক কি না?
আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন, ‘‘মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের অনুসারী হয়। সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকের দেখা উচিত যে, সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।’’[1] আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন,

আল্লাহর জিকির ও নবী (সাঃ) এর উপর দরূদ পড়া


আল্লাহর জিকির ও নবী (সাঃ) এর উপর দরূদ পড়া


যে মজলিসে বসবেন, সে মজলিসে আল্লাহর জিকির করতে ও তাঁর নবী (সাঃ) এর উপর দরূদ পড়তে ভুল করবেন না।
যেহেতু রাসুল (সাঃ) বলেন,

مَا جَلَسَ قَوْمٌ مَجْلِسًا لَمْ يَذْكُرُوا اللَّهَ فِيهِ، وَلَمْ يُصَلُّوا عَلَى نَبِيِّهِمْ، إِلاَّ كَانَ عَلَيْهِمْ تِرَةً، فَإِنْ شَاءَ عَذَّبَهُمْ وَإِنْ شَاءَ غَفَرَ لَهُمْ

‘‘যে সম্প্রদায়ই এমন কোন মজলিসে বসে যেখানে তারা আল্লাহর জিকির করে না এবং নবীর (সাঃ) উপর দরূদ পাঠ করে না, সেই সম্প্রদায়েরই ক্ষতিকর পরিণাম হবে। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদেরকে আযাব দেবেন, নচেৎ ইচ্ছা করলে মাফ করে দেবেন।’’[1]
আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ