Showing posts with label যাদুকর ও জ্যোতিষীর গলায় ধারালো তরবারি- ওয়াহীদ বিন আব্দুস সালাম বালী. Show all posts
Showing posts with label যাদুকর ও জ্যোতিষীর গলায় ধারালো তরবারি- ওয়াহীদ বিন আব্দুস সালাম বালী. Show all posts

Wednesday, November 29, 2017

যাদুর আভিধানিক অর্থ, শরীয়তের পরিভাষায় যাদুর সংজ্ঞাঃ এবং অতএব যাদুর প্রকৃতি হলো

যাদুর আভিধানিক অর্থ


লাইছ বলেনঃ যাদু হল এমন কর্ম যার মাধ্যমে শয়তানের নিকটবর্তী হয়ে তার সাহায্য নেয়া হয়।
আজহারী বলেনঃ মূলতঃ যাদু হল বস্তুর বাস্তবতাকে অবাস্তবে পরিণত করা।
ইবনে ফারেস বলেনঃ অসত্যকে সত্য বলে দেখানোকেই যাদু বলা হয়।
 
 

শরীয়তের পরিভাষায় যাদুর সংজ্ঞাঃ

যাদুর আভিধানিক অর্থঃ শয়তানের নিকটতম হওয়ার জন্য যাদুকরদের কতিপয় উপায়

শয়তানের নিকটতম হওয়ার জন্য যাদুকরদের কতিপয় উপায়


যাদুকরদের মধ্যে কেউ কেউ কুরআন মজীদ পায়ের নিচে দলিত করে পায়খানায় নিয়ে যায়, কেউ ময়লা বা জঘন্য জিনিস দ্বারা কুরআনের আয়াত লিখে থাকে, কেউ আয়াতকে উভয় পায়ের নিচে লিখে, কেউ সূরা ফাতেহাকে উল্টাভাবে লিখে, কেউ নিজের বসার স্থানের নিচে রাখে, তাদের কেউ বিনা ওযুতে নামায আদায় করে, কেউ সর্বদা নাপাক থাকে, তাদের কেউ আল্লাহর নাম না নিয়ে শয়তানের উদ্দেশ্যে যবাই করে যবাইকৃত পশুটি

কুরআন ও হাদীসের আলোকে যাদুঃ প্রথমঃ কুরআন দ্বারা প্রমাণ

প্রথমঃ কুরআন দ্বারা প্রমাণ


জ্বিন ও শয়তানের অস্তিত্বের প্রমাণঃ জ্বিন ও যাদুর মাঝে গভীর সম্পর্ক রয়েছে; বরং জ্বিন ও শয়তানই হল মূলতঃ যাদুর প্রধান চালিকা শক্তি। কতিপয় লোক জ্বিনের অস্তিত্বের বিষয়টি অস্বীকার করেছে এবং যাদুও অস্বীকার করেছে। তাই আমি এখানে এসবের অস্তিত্বের প্রমাণসমূহ উপস্থাপন করবঃ
প্রথমঃ কুরআন দ্বারা প্রমাণ
১। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

وَإِذْ صَرَفْنَا إِلَيْكَ نَفَرًا مِنَ الْجِنِّ يَسْتَمِعُونَ الْقُرْآنَ

অর্থ “স্মরণ কর, আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম একদল জিনকে, যারা কুরআন পাঠ শুনছিল। (সূরা আহকাফঃ ২৯)
২। আল্লাহ তায়ালার বাণীঃ

কুরআন ও হাদীসের আলোকে যাদুঃ দ্বিতীয়তঃ হাদীস দ্বারা প্রমাণ

দ্বিতীয়তঃ হাদীস দ্বারা প্রমাণ


১। ইবনে মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ এক রাতে আমরা রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর আমরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে হারিয়ে ফেললাম। এ ব্যাপারে আমরা উপত্যকায় এবং বিভিন্ন গোত্রে খোজতে লাগলাম; কিন্তু না পেয়ে আমরা ধারণা করলাম যে, হয়ত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে উধাও বা অপহরণ করা হয়েছে। এরপর সেই রাত খুব খারাপ রাত হিসেবে কাটালাম। যখন সকাল হল হঠাৎ দেখি হেরা গুহার দিক থেকে আসছেন। আমরা বললামঃ হে আল্লাহ রাসূল!

কুরআন ও হাদীসের আলোকে যাদুঃ কুরআন দ্বারা প্রমাণঃ ও হাদীস দ্বারা প্রমাণঃ

যাদুর অস্তিত্বের প্রমাণসমূহ


কুরআন দ্বারা প্রমাণঃ

১। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ وَمَا أُنْزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُوتَ  وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّىٰ يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ ۖ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ وَمَا هُمْ بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ  وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا بِهِ أَنْفُسَهُمْ  لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ

অর্থঃ “এবং সুলাইমানের রাজত্বকালে শয়তানরা যা আবৃত্তি করতো, তারা তারই অনুসরণ করছে এবং সুলাইমান কুফুরী করেননি কিন্তু শয়তানরাই কুফুরী করেছিল। তারা লোকদেরকে যাদু বিদ্যা এবং যা বাবেল শহরে হারূত-মারত ফেরেশতাদ্বয়ের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছিল তা শিক্ষা দিতো, এবং তারা উভয়ে কাউকেও ওটা শিক্ষা দিতো না,

কুরআন ও হাদীসের আলোকে যাদুঃ একটি সংশয় ও তার নিরসন

একটি সংশয় ও তার নিরসন


মাযারী (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ (বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত উল্লেখিত যাদুর) এই হাদীসটি বিদআতীরা এই বলে অস্বীকার করে থাকে যে, ঘটনাটি নবুয়ত ও রিসালাতের মর্যাদার অপলাপ ও পরিপন্থি। নবুয়তে সন্দেহ সৃষ্টিকারী। এ ধরণের ঘটনা সাব্যস্ত হওয়া শরীয়তের বিশ্বাস যোগ্যতার পরিপন্থী ইত্যাদি। মাযারী (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ তারা যা বলে তা তাদের নিছক ভ্রান্তির বহিঃপ্রকাশ। কেননা রিসালাতের দলীল প্রমাণ হলো মু'জিযা। যা তার আল্লাহর পক্ষ হতে শ্রেষ্ঠ মর্যাদায় উন্নীত হওয়ার ও তার নিষ্কলুষতার সত্যতার প্রমাণ বহন করে। আর দলীল প্রমাণবিহীন কোন কিছু দাবী বা সাব্যস্ত করা ভ্রান্ততা ছাড়া কিছু নয়। (যাদুল মুসলিমঃ ৪/২২১)
আবু জাকনী ইউসুফী (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ

কুরআন ও হাদীসের আলোকে যাদুঃ তৃতীয়তঃ যাদুর অস্তিত্ব সম্পর্কে মনীষীদের উক্তি ও মতামতঃ

তৃতীয়তঃ যাদুর অস্তিত্ব সম্পর্কে মনীষীদের উক্তি ও মতামতঃ


১। খাত্তাবী (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ প্রকৃতিবাদীদের একদল যাদুকে অস্বীকার করে ও তার বাস্তবতাকে খন্ডন করে।
এর উত্তরঃ নিশ্চয় যাদু প্রমাণিত ও তার বাস্তবতা রয়েছে। আরব অনারব তথা পারস, ভারত উপমহাদেশীয় দেশসমূহ, রোমানও এরূপ অধিকাংশ জাতিই একমত যে, যাদু প্রমাণিত। অথচ এরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের দিক দিয়ে সমগ্র বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম জাতির অন্তর্ভুক্ত।
আর আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেনঃ

ইমাম রাযী (রাহেমাহুল্লাহ) নিকট যাদুর প্রকারভেদ

ইমাম রাযী (রাহেমাহুল্লাহ) নিকট যাদুর প্রকারভেদ


ইমাম রাযী (রাহেমাহুল্লাহ) যাদুকে সাত ভাগে বিভক্ত করেছেন।

১। তারকা পূজারীদের যাদুঃ এরা সাতটি ঘূর্ণায়মান তারকার পূজা করত এবং তাদের বিশ্বাস ছিল যে, এই তারকাসমূহ বিশ্বকে পরিচালনাকারী এবং এগুলোর নির্দেশেই মানুষের মঙ্গল-অমঙ্গল হয়ে থাকে। আর এগুলোর কাছে আল্লাহ তায়ালা ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-কে প্রেরণ করেছেন।
২। ধারণাপ্রবণ কঠিন হৃদয় ওয়ালাদের যাদুঃ কল্পনা ও ধারণা দ্বারা মানুষ খুবই প্রভাবিত; কেননা মানুষের স্থলে রশি অথবা বাশের উপর যত সহজে চলা সম্ভব তা গভীর সমুদ্রে অথবা বিপদজনক কিছুর উপরে বা ঝুলন্ত বাশের উপর চলা সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেনঃ

ইমাম রাগেব (রাহেমাহুল্লাহ)-এর নিকট যাদুর প্রকার

ইমাম রাগেব (রাহেমাহুল্লাহ)-এর নিকট যাদুর প্রকার


ইমাম রাগেব (রাহেমাহুল্লাহ) বলেনঃ যাদুর ব্যবহার বিভিন্ন অর্থে হয়ে থাকেঃ

১ । প্রত্যেক ঐ জিনিস যা অতি সূক্ষ ও গোপনীয় হয়ে থাকে। তাইতো বলা হয় سحرت الصبى অর্থাৎ আমি বাচ্চাটিকে প্রতারিত করেছি ও আকৃষ্ট করেছি। অতএব যেই কোন কিছুকে আকৃষ্ট করতে পারে সেই তাকে যেন
যাদু করল। এরই অন্তর্ভুক্ত হলো কবিদের কবিতা, অন্তর কেড়ে নেয়ার জন্য। অনুরূপ আল্লাহর বাণীঃ

যাদুর প্রকারভেদ কেন্দ্রিক একটি প্রতিপাদন

যাদুর প্রকারভেদ কেন্দ্রিক একটি প্রতিপাদন


ইমাম রাযী, রাগেব ও অন্যান্য মনীষীদের যাদুবিদ্যার প্রকারভেদ সম্পর্কে গবেষণা ও প্রতিপাদনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তারা যাদুর মধ্যে এমন কিছুও অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা তার অন্তর্ভুক্ত নয়। তার কারণ হলো তারা তা যাদুর শাব্দিক/আভিধানিক অর্থের ভিত্তিতে করেছেন। অর্থাৎ যার কারণ সূক্ষ ও গোপনীয়। এ থেকে তারা আশ্চর্যজনক সৃষ্টি বা কিছু হাতের মার-প্যাচে করা হয়ে থাকে বা মানুষের মাঝে একে অপরের গোপনে যা লাগিয়ে থাকে এ ধরণের অনেক কিছুকে যাদুর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে যার কারণ সূক্ষ, অস্পষ্ট ও গোপনীয়।
উল্লেখিত বিষয়গুলি আমাদের আলোচ্য বিষয় নয়;

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ যাদুকর ও শয়তানের মধ্যে চুক্তি

যাদুকর ও শয়তানের মধ্যে চুক্তি


সাধারণত যাদুকর এবং শয়তান এই কথার উপর ঐক্যবদ্ধ হয় যে, যাদুকর কতক শিরকভুক্ত কাজ করবে অথবা প্রকাশ্য কুফুরি কাজ করবে। এর পরিবর্তে শয়তান যাদুকরের সেবায় নিয়োজিত হবে বা অন্য কাউকে তার অধীন করে দিবে যে তার সেবা করবে। আর চুক্তিটি হয়ে থাকে সাধারণত যাদুকর এবং জ্বিন শয়তানের গোত্র প্রধানের সাথে । সুতরাং থাকে। আর সেই জ্বিন অথবা শয়তান গোপনীয় তথ্য যাদুকরকে প্রদান করে, দুজনের মাঝে শক্রতা সৃষ্টি বা উভয়ের মাঝে মুহাব্বাত সৃষ্টি করিয়ে দিয়ে থাকে বা

যাদুকর কিভাবে জিন হাজির করে?

যাদুকর কিভাবে জিন হাজির করে?


জিন হাজির করার অনেক প্রকার রয়েছে। আর প্রত্যেক প্রকারেই স্পষ্ট শিরক বা কুফরী জড়িত রয়েছে। সেগুলির কতিপয় উল্লেখ করা হবে ইনশাআল্লাহ। নিম্নে আটটি পন্থা ও প্রত্যেক পন্থায় শিরকের কি ধরণ কিছু সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করা হবে। পরিপূর্ণ বর্ণনা দেয়া হবে না। যাতে কেউ তা শিখে ব্যবহার না করতে পারে। যার কারণে তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিলুপ্ত করে উল্লেখ করা হবে। আর এগুলি এজন্যেই বর্ণনা হলো,

যাদুকরের জিন হাজির করার পদ্ধতি - প্রথম পদ্ধতিঃ শপথ করা

যাদুকরের জিন হাজির করার পদ্ধতি - প্রথম পদ্ধতিঃ শপথ করা


যাদুকর একটি অন্ধকার ঘরে প্রবেশ করে আগুন জ্বালায় । আগুনে তার উদ্দেশ্য মত এক ধরণের ধূপ দেয়। সে যদি পরস্পর বিভেদ সৃষ্টি বা শক্ৰতা-হিংসা বা এমন কিছু ইচ্ছা পোষণ করে তবে আগুনে সে দূর্গন্ধযুক্ত ধূপ নিক্ষেপ করে। আর যদি পরস্পর মুহাব্বত সৃষ্টি বা স্ত্রীর প্রতি স্বামীকে আকৃষ্ট করা বা অন্য যাদু নষ্ট করার ইচ্ছা হয় তবে সে আগুনে সুগন্ধযুক্ত ধূপ মিশ্রণ করে। তারপর যাদুকর নির্ধারিত শিরকী মন্ত্র পড়তে থাকে। যাতে সে জ্বিনদের সরদারের দোহায় বা শপথ দেয়, তার

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ যবাই করা

দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ যবাই করা


যাদুকর একটি পাখি বা জন্তু বা মুরগি বা কবুতর বা অন্য কিছু জিনের আবদার অনুযায়ী হাজির করে। সাধারণত যা কাল রঙের হয়ে থাকে। কেননা জিন কাল রং পছন্দ করে। তারপর আল্লাহর নাম না নিয়ে তা যবাই করে। অতঃপর কখনও সে রক্ত রুগীকে মাখায়। কখনও এরূপ না করে পরিত্যাক্ত গৃহে বা কূপে বা মরুভূমিতে নিক্ষেপ করে। যেগুলিতে সাধারণত জিন বসবাস করে থাকে। নিক্ষেপের সময় আল্লাহর নাম নেয় না। এরপর স্বীয় ঘরে ফিরে এসে শিরকী মন্ত্র পড়ে। তারপর জিনকে যা ইচ্ছা হুকুম করে ।
উক্ত পদ্ধতির বিশ্লেষণঃ এ পদ্ধতিতে দু’ভাবে শিরক হয়ে থাকে।
প্রথমতঃ জিনের উদ্দেশ্যে যবাই করা। যা পূর্ব ও পরবর্তী সকল ইমামের ঐক্যমতে হারাম;

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ তৃতীয় পদ্ধতিঃ নিকৃষ্টতম পদ্ধতি

তৃতীয় পদ্ধতিঃ নিকৃষ্টতম পদ্ধতি


এটি অতি নিকৃষ্টতম পদ্ধতি। এতে শয়তানের এক বড় দল অংশ নেয় ও যাদুকরের খেদমত করে এবং তার হুকুম বাস্তবায়ন করে। কেননা যাদুকর এতে সর্ববৃহৎ কুফরী ও কঠিনভাবে নাস্তিকের পরিচয় দেয়।
পদ্ধতির বিশ্লেষণঃ যাদুকর (আল্লাহর লা'নত হোক) জুতা পায়ে কুরআন মাজীদ পদদলিত করে তা নিয়ে পায়খানায় প্রবেশ করে। অতঃপর পায়খানায় কুফরী কালাম পড়ে একটি কক্ষে ফিরে আসে এবং জিনকে যা ইচ্ছা হুকুম করে। জিন দ্রুত তখন তার অনুসরণ করে ও

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ চতুর্থ পদ্ধতিঃ অপবিত্রতার পদ্ধতি ও পঞ্চম পদ্ধতিঃ উল্টাকরণ পদ্ধতি

চতুর্থ পদ্ধতিঃ অপবিত্রতার পদ্ধতি


এ পদ্ধতিতে মালাউন যাদুকর কুরআনের সূরা ঋতুস্রাবের (হায়েজের) রক্ত দ্বারা বা অন্য কোন অপবিত্র কিছু দ্বারা লিখে; তারপর শিরকী মন্ত্র পড়ে, যার ফলে জিন হাজির হয়। এরপর তার যা ইচ্ছা তাকে হুকুম করে।
এ পদ্ধতি যে স্পষ্ট কুফরী তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেননা কোন সূরা এবং কোন আয়াতকে উপহাস করা আল্লাহর সাথে কুফরী। আর যেখানে তা অপবিত্র জিনিস দ্বারা লিখা হয়, আল্লাহর নিকট আমরা এ অবমাননা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করি এবং

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ ষষ্ঠ পদ্ধতিঃ জ্যোতিষ পদ্ধতি

ষষ্ঠ পদ্ধতিঃ জ্যোতিষ পদ্ধতি


এ পদ্ধতিকে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিও বলা হয়। কেননা যাদুকর নির্ধারিত এক তারকা উদয়ের উপেক্ষায় থাকে। অতঃপর সে তাকে সম্বোধন করে যাদু মন্ত্র পড়তে থাকে। তারপর অন্যান্য শিরকী ও কুফরী কালাম পড়তে থাকে। যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। তারপর সে এমনভাবে নড়া-চড়া করে যাতে সে ধারণা পোষণ করায় যে, সে উক্ত তারকার আধ্যাত্মিকতার ভিত্তিতে তা করছে; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে আল্লাহ ব্যতীত তারকার ইবাদত করছে। যদিও এ

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ সপ্তম পদ্ধতিঃ পাঞ্জা পদ্ধতি

সপ্তম পদ্ধতিঃ পাঞ্জা পদ্ধতি


এ পদ্ধতিতে যাদুকর ছোট এমন একটি বালককে হাজির করে যে, এখনও প্রাপ্ত বয়সে পৌছেনি। আর সে যেন বিনা ওযু হয় তারপর সে বালকের বাম পাঞ্জা ধরে তার হাতে এরূপ চতুর্ভূজ অংকন করে।



অতঃপর এই চতুর্ভূজের পার্শ্বে শিরকী যাদুমন্ত্র লিখে। আর এ যাদুমন্ত্র সে তার চার কর্ণারে লিখে থাকে। অতঃপর বালকের হাতের তালুতে চতুর্ভূজের মধ্যখানে কিছু তৈল, একটি নীল ফুল বা কিছু তৈল ও নীল কালি রাখে । এরপর আবার অন্য এক মন্ত্র লিখে একক অক্ষর দ্বারা এক লম্বা কাগজে, তারপর সে কাগজ বালকটির চেহারার উপর ছাতার আকৃতিতে রাখে। তার উপর পরিয়ে দেয় একটি টুপী যাতে তা ঠিক থাকে। তারপর

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ অষ্টম পদ্ধতিঃ চিহ্ন গ্রহণ পদ্ধতি

অষ্টম পদ্ধতিঃ চিহ্ন গ্রহণ পদ্ধতি


এ পদ্ধতিতে যাদুকর রুগীর নিকট হতে তার কোন চিহ্ন তলব করে। যেমনঃ রুমাল, পাগড়ী, জামা বা এমন কোন ব্যবহৃত জিনিস যাতে রুগীর গায়ের গন্ধ পাওয়া যায়। তারপর সে রুমালের এক পাশ্বে গিরা দেয়। এরপর চার আঙ্গুল পরিমাণ পর খুব শক্ত করে রুমালটি ধারণ করে সূরা কাউসার বা অন্য যে কোন ছোট একটি সূরা স্বজোরে পড়ে চুপি চুপি শিরকী মন্ত্র পড়ে। তারপর জিনকে ডাকতে থাকে ও বলতে থাকেঃ

যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতিঃ যাদুকর চেনার উপায় ও আলামত

যাদুকর চেনার উপায় ও আলামত


কোন চিকিৎসক বা কবিরাজের মধ্যে এ সমস্ত লক্ষণ বা আলামতের কোন একটিও পাওয়া গেলে নিঃসন্দেহে বুঝা যাবে যে সে যাদুকর। আলামতগুলি নিম্নরূপঃ
১। রুগীর নাম ও মায়ের নাম জিজ্ঞেস করা।
২। রোগীর কোন চিহ্ন গ্রহণ করা। যেমনঃ কাপড়, টুপী, রুমাল ইত্যাদি।
৩। যবাই করার জন্য কোন নির্দিষ্ট জীব-জন্তু চাওয়া, এবং তা আল্লাহর নামে যবাই না করা। কখনও তার রক্ত ব্যথার স্থানে মাখান বা বিরান ঘর বা জায়গায় তা নিক্ষেপ করা।
৪। রহস্যময় মায়াজাল বা মন্ত্র লিখা।
৫ । অস্পষ্ট তন্ত্ৰ-মন্ত্র ও মায়াজাল পাঠ করা।

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ