Showing posts with label সালাতে তাশাহুদ বা শেষ বৈঠক. Show all posts
Showing posts with label সালাতে তাশাহুদ বা শেষ বৈঠক. Show all posts

Wednesday, April 11, 2018

প্রথম তাশাহুদ না পড়ে দাঁড়িয়ে পড়লে করণীয় কি? এক্ষেত্রে কখন সাহু সিজদা করতে হবে?

(২৭৪) প্রথম তাশাহুদ না পড়ে দাঁড়িয়ে পড়লে করণীয় কি? এক্ষেত্রে কখন সাহু সিজদা করতে হবে?


এ অবস্থায় ফিরে আসবেন না তথা বসে পড়বেন না; বরং নামায চালিয়েই যাবেন। কেননা আপনি তাশাহুদ থেকে পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং পরবর্তী রুকনে চলে গিয়েছেন। এ অবস্থায় ফিরে আসা মাকরূহ, তবে যদি ফিরে এসে বসে পড়েন, তবে নামায বাতিল হবে না। কেননা আপনি হারাম কিছু করেননি। তবে এ অবস্থায় সাহু সিজদা করতে হবে। আর তা সালামের পূর্বে।

Tuesday, October 24, 2017

নামাযের শেষ তাশাহহুদে কি নিজের ভাষায় দুআ করা যায়?

নামাযের শেষ তাশাহহুদে কি নিজের ভাষায় দুআ করা যায়?

অনেক উলামার মতে বৈধ নয়। যেহেতু নামায আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ভাষায়, সুতরাং সেই ভাষাতেই দু'আ হওয়া উচিৎ। সে সব কুরাআনী ও হাদীসী দু'আ জানা আছে, তাই পড়া উচিৎ। যা জানা নেই, তা নামাযের বাইরে অন্য সময় নিজের ভাষায় করা উচিৎ। অনেকে ‘ইচ্ছামত দু'আ’ বলতে ‘ইচ্ছামত ভাষা’য় দু'আ বলেছেন। সুতরাং নিজের ভাষায় দু'আ করা যাবে। আমরা বলি, না করাই উচিৎ। যেহেতু ইবাদত প্রমাণ সাপেক্ষ। আর নবী (সঃ) এর বানী, “যখন তোমাদের মধ্যে কেউ (শেষ) তাশাহহুদ সম্পন্ন করবে, তখন সে যেন আল্লাহ্‌র নিকট চারটি জিনিস থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে। এরপর সে ইচ্ছামতো দু'আ করবে।” এ ব্যাপারে ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, “বর্ণিত ও বিদিত দু'আ করবে।” যেহেতু নিজের ভাষায় দু'আ হল সাধারণ মানুষের কথা। আর তা নামাযে বলা বৈধ নয়। ২১৬

২১৬ (আল-মুগনী ১/৬২০)

সাউদী আরবের অধিকাংশ লোকেরা নামাযে ‘জালসায়ে ইস্তিরাহাহ’ করে না কেন?

সাউদী আরবের অধিকাংশ লোকেরা নামাযে ‘জালসায়ে ইস্তিরাহাহ’ করে না কেন?

সেখানকার অধিকাংশ উলামা মনে করেন, তা সুন্নত নয়। কারণ নবী (সঃ) এর নামায পদ্ধতির অধিকাংশ হাদীসে তা বর্ণিত হয়নি। কেবল মালেক বিন হুয়াইরিসের একটিমাত্র হাদিসে তা বর্ণিত হয়েছে। ১৮৫ আর তাঁর মনে করেন, নবী (সঃ) বার্ধক্য অথবা অন্য কারণে উক্ত (দ্বিতীয় বা চতুর্থ রাকাআতে ওঠার পূর্বে)বৈঠকে বসেছেন। তবে সঠিক এই যে উক্ত ‘জালসাহ’ সর্বদা মুস্তাহাব। আর অন্য বর্ণনায় উল্লেখ না হওয়া এ কথার দলীল নয় যে, তা সুন্নত বা মুস্তাহাব নয়। যেহেতু নবী (সঃ) যে কাজ করেন, সাধারণতঃ তা অনুসরনীয় তারিকা হিসেবেই করেন। তাছাড়া আবূ হুমাইদ সায়েদীর হাদীসেও উক্ত জালসার কথা উল্লেখ হয়েছে। তিনি দশজন সাহাবীর সামনে ঐ জলসাহ করে নবী (সঃ) এর নামাযের পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন এবং সকলেই তা সমর্থন করেছেন। ১৮৬

১৮৫ (বুখারী ৮১৮ নং), ১৮৬ (আহমাদ ৫/৪২৪, আবূ দাঊদ ৭০৩ নং)(লাজনাহ দায়েমাহ)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ