Showing posts with label আমল- নেক আমল. Show all posts
Showing posts with label আমল- নেক আমল. Show all posts

Tuesday, May 1, 2018

একাকী বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তোমরা কখনো একা থেকো না, কখনো দলছুট হয়ে যেও না। শেয়ালকে দেখেছো?

. একাকী বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাই তোমরা কখনো একা থেকো না, কখনো দলছুট হয়ে যেও না। শেয়ালকে দেখেছো? সে কিন্তু দলছুট ভেড়াটিকেই নিজের খাদ্য বানায়। শয়তানও সেরকম, যে দু’জন লোক একসাথে থাকে, তাদের তুলনায় সে একাকী ব্যক্তির অধিক কাছাকাছি থাকে। তাই তুমি যেখানেই থাকো, অন্তত একজন লোককে নিজের সঙ্গী বানিয়ে নাও আর খেয়াল রেখো এই ব্যক্তিটি যেন অবশ্যই পরহেজগার হয়। . অনেকগুলো টেস্টটিউবকে একসাথে জুড়ে দিলে দেখবে, একটি ভরে যাবার পর পরেরটিও পানিতে ভরে উঠছে। এভাবে একটি একটি করে একসময় সবগুলো টিউব-ই পানিতে ভরে যাবে। যতক্ষণ না প্রত্যেকটির পানির পরিমাণ সমান হয়ে যায়, ততোক্ষণ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। বন্ধুদের বিষয়টিও এমন। তুমি যদি বাজে লোকের সঙ্গে মেশো, তাহলে তারা তোমার বহু ভালো স্বভাবকে নষ্ট করে দেবে। একটা সময় আসবে যখন তোমার আর তাদের মাঝে কোন পার্থক্য থাকবে না। ঠিক সেই টিউবগুলোর মত! এক দল বন্ধুর দিকে তাকিয়ে দেখবে, সবাই একই রকম। যত দিন যাবে, বন্ধুত্ব যত গাঢ় হবে, তাদের প্রত্যেকের আচার-আচরণ আর চরিত্র ততোই একরকম হতে থাকবে। একজন ভালো লোক বেশিদিন একটা মন্দ লোকের সাথে মিশতে পারে না। যদি মন্দ লোকটা তার দেখাদেখি নিজেকে শুধরে নেয়, তাহলেই কেবল সে বন্ধুত্ব টিকে থাকা সম্ভব। . এ জন্যেই

হয়েছে হয়েছে! নিজে আগে কি ছিলে মনে আছে?" -- হুহ !

হয়েছে হয়েছে! নিজে আগে কি ছিলে মনে আছে?" -- হুহ ! পর্দা শিখাতে আসছে কদিন আগে নিজেই বের্পদা চলাফেরা করতো ! -- "হাহাহা ! গার্লফ্রেন্ড নিয়া এখানে সেখানে কতো ঘুরছিস এখন নতুন ফতোয়া দিচ্ছিস →প্রেম হারাম!" -- "কত পাপ কাজ করলি জীবনে এখন এটা হারাম ওটা হালাল করিস কেন ?তুই কি একাই মুসলিম !" নতুন করে দ্বীনের পথে আসা ,হেদায়েত পাওয়া মানুষের কাছে এসব খোঁচা কথা , অতীতের গুনাহের কথা বলে পেইন দেয়ার মত পেইনফুল জিনিস দ্বিতীয়টি নেই ! নিজে হয়তো ইসলাম ঠিকমতো মানতে পারছেন না তাই বলে দ্বীনের পথে আসা একজনকে খোঁচা দেয়া , অতীতের দোষ মনে করিয়ে দিয়ে আসলেই কি ভাল কাজ করছি আমরা ? পরিবার থেকে শুরু করে আত্মীয়, বন্ধু বান্ধবসহ এই কাজটা অনেকেই করে থাকে! একটা মেয়ে /ছেলে আল্লাহর কাছে আসতে কতো স্ট্রাগল করতে হয়, কত বাধা পেরোতে হয় , কত পছন্দের জিনিসগুলো ত্যাগ করতে হয় সেটা আল্লাহই ভাল জানেন ! হুট করে একটা মেয়ে দুনিয়াবী ফ্যাশন-স্টাইলের ভীড়ে নিজেকে কালো বোরখায় আপাদমস্তক জড়িয়ে নেয়,!!! বন্ধুমহলের মর্ডান হ্যান্ডসাম হিসেবে পরিচিত ছেলেটি হঠাৎ করেই সুন্নাতী দাঁড়ি আর লেবাসকে ভালবাসতে শুরু করে। হঠাৎ করেই ৪/৫ বছরের পুরনো প্রেমের সম্পর্ক মেয়েটি শেষ করে দেয়! গানের মধ্যে ডুবে থাকা ছেলেটি গান-বাজনা ছেড়ে কোরআনের মধ্যে শান্তি খুঁজে বেড়ায়........................... এতকিছু,

Friday, March 23, 2018

বান্দার হক নষ্ট করার পর সঠিকভাবে মনে না থাকলে করণীয় , কুরআন-হাদিস নিয়ে তামাশা করার বিধান কি, মেয়েদের চুল কাটা ও ছাটার বিধান কি?

 বান্দার হক নষ্ট করার পর সঠিকভাবে মনে না থাকলে-
প্রশ্ন : এক লোক আগে অনেক মানুষের কাছে টাকা ধার করত কিন্তু ঠিক মত পরিশোধ করত না। অনেক বছর পর তার ঈমানী চোখ খুলল, সে তওবা করল এবং এটাও বুঝতে শিখল যে, আল্লাহ বান্দার হক ক্ষমা করেন না। তাই এখন সে টাকা পরিশোধ করতে রাজি। ।কিন্তু তার সঠিক মনে নেই যে, কে কত পাবে? এমন অবস্থায় তার কী করা উচিত?
উত্তর:
বান্দার হক নষ্ট করা হলে তওবার জন্য শর্ত হল, তা তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে, তাকে না পেলে তার ওয়ারিশ (উত্তরাধীকারী)দেরকে ফেরত দিতে হবে। তাদের কাউকে না পেলে তা আল্লাহর পথে বা জনকল্যাণ মূলক কাজে ব্যয় করে আল্লাহর নিকট দুআ করতে হবে যেন, তিনি এর যাবতীয় সওয়াব এর মালিককে প্রদান করেন।
যদি পরিমাণ স্বরণ করতে না পারে যে, তাহলে আনুমানিক ধারণা করবে যে, এই পরিমাণ হতে পারে। তারপর তা নিজের সম্পদ থেকে আলাদা করে দান করে দিবে। এমনভাবে করবে যেন মনে হয় যে, সে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পেরেছে। আল্লাহু আলাম।
~~~~~

Monday, February 19, 2018

(৩৮৩) দুর্বল ঈমানের অধিকারী কোন ব্যক্তিকে ঈমান শক্তিশালী করার জন্য যাকাত দেয়া যাবে কি? সে কিন্তু কোন এলাকার নেতা বা সরদার নয়।

(৩৮৩) দুর্বল ঈমানের অধিকারী কোন ব্যক্তিকে ঈমান শক্তিশালী করার জন্য যাকাত দেয়া যাবে কি? সে কিন্তু কোন এলাকার নেতা বা সরদার নয়।


মাসআলাটি বিদ্বানদের মাঝে মতবিরোধপূর্ণ। আমার মতে ইসলামের প্রতি ধাবিত করতে ঈমান শক্তিশালী করার জন্য তাকে যাকাত দিলে কোন অসুবিধা নেই। যদিও সে কোন কবীলা বা এলাকায় সরদার বা নেতা না হয়। যদিও একান্ত ব্যক্তিগতভাবে উক্ত উদ্দেশ্যে দেয়া হয়। কেননা আল্লাহ বলেন,

Saturday, February 17, 2018

কুরবানী: ফযিলত ও আমল

কুরবানী: ফযিলত ও আমল

 ﺇﻥ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻋﻠﻰ ﺁﻟﻪ ﻭﺻﺤﺒﻪ ﺃﺟﻤﻌﻴﻦ ﺃﻣﺎ ﺑﻌﺪ কুরবানী আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে এক বিশেষ অনুগ্রহ। কেননা বান্দাহ কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নিকটবর্তী হতে পারে। কুরবান শব্দটি কুরবুন শব্দ থেকে উৎকলিত। অর্থাৎ নিকটবর্তী হওয়া, সান্নিধ্য লাভ করা। যেহেতু আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার মাধ্যম হল কুরবানী তাই এর নাম কুরবানীর ঈদ। এই দিনে ঈদ পালন করা হয়ে থাকে এজন্য একে কুরবানীর ঈদ বলে। এ ঈদের অপর নাম ঈদুল আদ্বহা। আরবি শব্দ আদ্বহা অর্থ কুরবানীর পশু, যেহেতু এই দিনে কুরবানীর পশু যবেহ করা হয়, তাই একে ঈদুল আদ্বহা বলা হয়। কুরবানীর গুরুত্ব কুরবানী হলো ইসলামের একটি শি’য়ার বা মহান নিদর্শন। কুরআন মাজীদে আল্লাহ তা‘আলা নির্দেশ দিয়েছেন: ﴿ ﻓَﺼَﻞِّ ﻟِﺮَﺑِّﻚَ ﻭَﭐﻧۡﺤَﺮۡ ٢ ﴾ ‏[ ﺍﻟﻜﻮﺛﺮ : ٢‏] ‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও পশু কুরবানী কর।’ [সূরা আল-কাউসার : ২] আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামীর বৈশিষ্ট্য!

আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,  ﴿ﻭَﻣِﻦۡ ﺀَﺍﻳَٰﺘِﻪِۦٓ ﺃَﻥۡ ﺧَﻠَﻖَ ﻟَﻜُﻢ ﻣِّﻦۡ ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢۡ ﺃَﺯۡﻭَٰﺟٗﺎ ﻟِّﺘَﺴۡﻜُﻨُﻮٓﺍْ  ﺇِﻟَﻴۡﻬَﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﺑَﻴۡﻨَﻜُﻢ ﻣَّﻮَﺩَّﺓٗ ﻭَﺭَﺣۡﻤَﺔًۚ ﺇِﻥَّ ﻓِﻲ ﺫَٰﻟِﻚَ ﻟَﺄٓﻳَٰﺖٖ ﻟِّﻘَﻮۡﻡٖ  ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮُﻭﻥَ ٢١ ﴾ ‏[ﺍﻟﺮﻭﻡ : ٢١ ‏]  “আর তাঁর নিদর্শনাবলীর  মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য  তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের  সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের  কাছে প্রশান্তি পাও। আর  তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও  দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এর  মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে সে কওমের  জন্য, যারা চিন্তা করে”। [সূরা : আর্-রূম: ২১]  হাদীসে এসেছে,  ﻋَﻦِ ﺍﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ، ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻗَﺎﻝَ :  ‏« ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻟِﺄَﻫْﻠِﻪِ، ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻟِﺄَﻫْﻠِﻲ ‏»  ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু  ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,  “তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই সর্বোত্তম  যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম, আর  আমি তোমাদের মধ্যে আমার স্ত্রীদের  নিকট সর্বোত্তম ব্যক্তি” ।[1]  স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের 

Tuesday, February 13, 2018

কাজকে ‘না’ বলুন; রোযাকে নয়!

কাজকে ‘না’ বলুন; রোযাকে নয়
[বড় দিন, প্রচণ্ড গরম, ধান রোপণ, কঠিন কাজ, পরীক্ষা ইত্যাদির কারণে রোযা পালন না করা]
লেখক: আব্দুর রাকীব মাদানী
দাঈ, দাওয়া সেন্টার খাফজী, সউদী আরব
আল্ হামদু ল্লিল্লাহি রাব্বিল্ আলামীন, ওয়াস স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ আমীন। আম্মা বাদ:
রহমত ও বরকতের পবিত্র রামাযান মাস আমাদের মাঝে এমন সময় সমাগত যে সময় আমাদের দেশের কৃষকগণ প্রধানত: ধান রোপণের কাজে ব্যস্ত থাকে। আল্লাহর রহমতে বাংলার জমীনে এই সময় মৌসুমি বৃষ্টিপাত হয়।

Monday, February 5, 2018

হাদীস কেন সহিহ ও জয়ীফ হয়? আমরা কোন হাদীসে উপর আমল করবো?

হাদীস কেন সহিহ ও জয়ীফ হয়? আমরা কোন হাদীসে উপর আমল করবো?

হাদীস কেন সহিহ ও যয়ীফ হয় ?? সহীহ হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যে হাদীসের মধ্যে ৫ টি শর্ত পূরণ হয়েছে তাকে সহীহ হাদীস বা বিশুদ্ধ হাদীস বলে। শর্ত ৫ টি হল- ১) হাদীসের সকল বর্ণনাকারী বা রাবী পরিপূর্ণ সৎ ও বিশ্বস্ত বলে প্রমানিত। একে ‘আদালত’ বলে। ২) সকল রাবীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ পূর্ণরূপে বিদ্যমান বলে প্রমানিত। একে ‘যাবতা’ বলে। ৩) সনদের প্রত্যকে রাবী তাঁর ঊর্ধ্বতন রাবী থেকে স্বকর্ণে হাদিসটি শুনেছেন বলে প্রমানিত। একে ‘ইত্তিসাল’ বলে। ৪) হাদীসটি অন্যান্য প্রমানিত হাদীসের বর্ণনার বিপরীত নয় বলে প্রমানিত। একে ‘শুযুয মুক্তি’ বলে। ৫) হাদিসটির মধ্যে সূক্ষ্ম কোন সনদগত বা অর্থগত ত্রুটি নেই বলে প্রমানিত। একে ‘ইল্লাত মুক্তি’ বলে। হাসান হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যেসব হাদীসে সহীহ হাদীসের ৫ টি শর্ত বিদ্যমান, কিন্তু দ্বিতীয় শর্ত অর্থাৎ, ‘যাবতা’ বা হাদীস বর্ণনাকারীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ কিছুটা দুর্বল বলে বোঝা যায়,

Sunday, February 4, 2018

পথের হক

পথের হক

পথের হক
عن أبي سعيد الخدري- رَضِيَ اللهُ عَنْهُ- أنَّ النَّبِيَّ- صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ- قَالَ : إيَّاكُمْ وَ الْجُلُوْسَ فِي الطُّرُقَاتِ، فَقَالُوْا: يَا رَسُوْلَ اللهِ، مَا لَنَا مِنْ مَجَالِسِنَا بُدٌّ نَتَحَدَّثُ فِيْهَا، فَقَالَ : فَإذَا أبَيْتُمْ إلاَّ الْمَجْلِسَ فَأعْطُوا الطَّرِيْقَ حَقَّهُ. قَالُوْا: وَمَا حَقُّ الطَّرِيْقِ يَا رَسُوْلَ اللهِ ؟ قَالَ: غَضُّ الْبَصَرِ، و كَفُّ الأذى، وَ رَدُّ السَّلاَمِ، وَ الْأمْرُ بِالْمَعْرُوْفِ وَ النَّهْيُ عَنِ الْمُنْكَرِ. (متفق عليه)
আবু সাঈদ খুদরী রা. বর্ণনা করেন যে, রাসূল সা. বলেন, তোমরা রাস্তায় বসে থাকা থেকে বিরত থাক। সাহাবিগণ রা. আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আমাদের প্রয়োজনীয় কথার জন্য রাস্তায় বসার বিকল্প নেই। রাসূল সা. বললেন, যদি তোমাদের একান্ত বসতেই হয়, তাহলে রাস্তার হক আদায় কর। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! রাস্তার হক কি ? তিনি বললেন, চক্ষু অবনত করা, কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা, সালামের উত্তর প্রদান করা, সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধ করা।[১]
হাদিস বর্ণনাকারীঃ

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

بسم الله الرحمن الرحيم
 
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণতার গুণাবলী দ্বারা অনুগ্রহ করেছেন এবং তাদের একের উপর অন্যের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন; যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করা যায় সেসব বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে, যা থেকে তাদেরকে দেয়া হয়েছে; আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, তার রয়েছে বিরাট রাজত্ব, আর তিনি সুউচ্চ; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে প্রেরণ করা হয়েছে সর্বোত্তম চরিত্র ও সুন্দর কর্মের পরিপূর্ণতা বিধান করার জন্য; রাত-দিন আল্লাহ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন তাঁর প্রতি, তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি, তাঁর সাহাবীগণের প্রতি এবং তাঁদের সর্বোত্তম অনুসরণকারী তাবে‘য়ীগণের প্রতি …।
অতঃপর:
আল্লাহ তা‘আলা মহান রিসালাতের দায়িত্ব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অর্পণ করেছেন; আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

“আস্তাগফিরুল্লাহ” নাউযুবিল্লাহঃ-জাযাকাল্লাহু খায়রান, আল হামদুলিল্লাহ: ইনশাআল্লাহ, মাশা আল্লাহ: সুবহানাল্লাহ: শব্দের অর্থ ও ব্যবহার।

“আস্তাগফিরুল্লাহ” নাউযুবিল্লাহঃ-জাযাকাল্লাহু খায়রান, আল হামদুলিল্লাহ: ইনশাআল্লাহ, মাশা আল্লাহ: সুবহানাল্লাহ: শব্দের অর্থ ও ব্যবহার।



“আস্তাগফিরুল্লাহ” অর্থ- আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। মানুষ যখন অশ্লীল কিছু দেখবে বা যেকোন ধরনের পাপ করবে, তখন সে ক্ষমার জন্য আস্তাগফিরুল্লাহ বলবে। যেমননটি রাসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম করতেন।
নাউযুবিল্লাহঃ-
নাউযুবিল্লাহ শব্দের অর্থ, আমরা মহান আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই। যে কোনো মন্দ ও গুনাহের কাজ দেখলে তার থেকে নিজেকে আত্মরক্ষার্থে এটি বলা হয়ে থাকে।
আল হামদুলিল্লাহ:

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলিঃ

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলিঃ

নবীজির চারিত্রিক গুণাবলি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুন্দর আকৃতিবিশিষ্ট, সৌরভে সুবাসিত, গঠনে মধ্যম, দেহে সবল, মস্তক ছিল বড়,দাড়ি ছিল ঘন, হস্ত ও পদ-দ্বয় ছিল মাংসল,উভয় কাঁধ ছিল বড়, চেহারায় ছিল রক্তিম ছাপ, নেত্র দ্বয় ছিল কালো, চুল ছিল সরল, গণ্ড দ্বয় কোমল। চলার সময় ঝুঁকে চলতেন,
মনে হত যেন উঁচু স্থান হতে নিচুতে অবতরণ করছেন। যদি কোন দিকে ফিরতেন, পূর্ণ ফিরতেন। মুখমণ্ডলের
ঘাম সুঘ্রাণের কারণে মনে হত সিক্ত তাজা মুক্তো। তার উভয় কাঁধের মাঝখানে নবুয়তের মোহর ছিল্তঅর্থাৎ
সুন্দর চুল ঘেরা গোশতের একটি বাড়তি অংশ।

নবীজীর চরিত্র: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুমহান, পূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতর চরিত্রে সুসজ্জিত,
সবদিকে অতুলনীয়। মহান আল্লাহ বলেন :

দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুন্নাত আমল!

দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু সুন্নাত আমল!


১. ভালো কোন কিছু খাওয়া বা পান করা সময়, কোন কিছু লেখা বা পড়ার সময়, কোন কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করে । -(বুখারীঃ ৫৩৭৬) ২. ভালো কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোন শোভ সংবাদ শোনা হলে, কেউ কেমন আছো জিজ্ঞেস করলে- তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা। – (ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৫) ৩. কারো হাঁচি আসলে ”আলহামদু লিল্লাহী ‘আলা কুল্লী হা-ল” বলা । – (আত তিরমিযীঃ ২৭৪১) ৪. কোন হাঁচি দাতা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুনলে- ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা । -(বুখারীঃ ৬২২৪) ৫. আল্লাহ তা’আলার শ্রেষ্ঠত্ব, মহত্ব বা বড়ত্বের কোন কৃতিত্ব দেখলে কিংবা শুনলে ‘আল্লাহু আকবর’ বলা। স্বাভাবিকের মধ্যে কোন ব্যতিক্রম দেখলে কিংবা আশ্চর্য ধরণের কোন কথা শুনলে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা । – (বুখারীঃ ৬২১৮) ৬. ভালো যে কোন কিছু বেশি বা ব্যতিক্রম দেখলে ‘মা-শা আল্লাহ’ বলা । -(মুসলিমঃ ৩৫০৮) ৭. ভবিষ্যতে কোন কিছু করবে বললে

যয়ীফ হাদিস অথচ মানুষ এগুলোই সবচেয়ে বেশী আমল করে!

যয়ীফ হাদিস অথচ মানুষ এগুলোই সবচেয়ে বেশী আমল করে-
১- যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় আউজু বিল্লাহিস সামি’ইল আলিমি মিনাশ সাইতনির রজিম বলে সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা দুয়া করবেন ও ঐ দিন তার মৃত্যু হলে শহীদী মৃত্যু হবে। (হাদিস জয়ীফ- জয়ীফ আত তিরমিজি-২৯২২)

২- যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসিন ১বার পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে ১০বার কুরআন খতমের নেকী দিবেন। (এর সনদ খুবই দুর্বল- সিলসিলাহ যয়িফাহ ১৩৩৬)

৩- যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পাঠ করবে,

Monday, January 29, 2018

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব কোন কোন কাজে

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব কোন কোন কাজে


 ভূমিকা:
সকল প্রশংসা দু’জাহানের পালনকর্তা আল্লাহ তা’আলার জন্য এবং দরূদ ও সালাম নাযিল হোক সর্বশেষ নবী ও রাসূল, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তার পরিবার ও সাথী এবং সকলের ওপর ।
অতঃপর,
কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ফযিলত আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কোন সন্দেহ নেই। ফরয সালাতের পর এ সালাতের স্থান। এ সালাতের বৈশিষ্ট্য শুধু ব্যক্তির পাপ মোচন করা নয়, বরং পাপে লিপ্ত হওয়া থেকে হিফাযত করা। যেমন আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:

দানে বাড়ে সম্পদ বৃদ্ধি পায় মর্যাদা

দানে বাড়ে সম্পদ বৃদ্ধি পায় মর্যাদা

আল্লাহ তাআলা চাইলে সব মানুষকে ধনী বানিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি । আসলে বিত্তশালীরা, বিত্তহীনদের সাথে কেমন আচরণ করে আল্লাহ তাআলা তা দেখতে চান। চলমান সময়ে মুসলমানদের অধিকাংশই আল্লাহর কোনো বিধানই যথাযথভাবে পালন করছে না। মুসলিম সমাজ যদি জাকাত, সদকা সম্বন্ধে আল্লাহর নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করত;  তবে বিশ্ব মুসলিম আজকের মত দারিদ্র্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হতো না। মুসলমানদের সকল কাজে মৌলিক একটি উদ্দেশ্য থাকে, আর তাহলো আল্লাহর রেজামন্দি বা সন্তুষ্টি। যে কোনো দাতা দানের প্রাক্কালে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কাজটি সম্পাদন করেন তাহলে এতে তার অফুরন্ত সাওয়াবও হবে এবং সম্পদও বৃদ্ধি পাবে ।صَدَقَةٌ  ‘সাদাকাতুন’ একটি আরবি শব্দ, বাংলা অর্থ হলো: দান করা। আর এ দান প্রধানত: দুই প্রকার,
এক, ওয়াজিব যা অপরিহার্য ও বাধ্যতামূলক ।
যেমন,

মৃত ব্যক্তির জন্যে ইছালে ছাওয়াব: শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

মৃত ব্যক্তির জন্যে ইছালে ছাওয়াব: শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

 بسم الله الرحمن الرحيم
ইছালে ছাওয়াব কি :
‘ইছালে ছাওয়াব’ ফারসী শব্দ। আরবীতে হবে ‘ঈসালুস সওয়াব’। আভিধানিক অর্থ সওয়াব পৌঁছে দেয়া। অনেকে বলে থাকেন ‘সওয়াব রেসানী।’ এ শব্দটি ফারসি ভাষার হলেও, বাংলায় বহুল ব্যবহৃত বলে সাধারণ সমাজে খুবই পরিচিত। কেহ কেহ বলেন—‘সওয়াব বখশে দেয়া।’ নানা প্রকাশে শব্দগুলোর অর্থ ও মর্ম একই : পুণ্য বা সওয়াব প্রেরণ করা।
পরিভাষায় ইছালে ছাওয়াব হল, মৃত ব্যক্তির কল্যাণের জন্য কোন নেক আমল (সৎকর্ম) বা ইবাদত-বন্দেগী করে তা উক্ত ব্যক্তির জন্য উৎসর্গ করা।
ইছালে ছাওয়াবের প্রচলিত পদ্ধতিসমূহ

মৃত-ব্যক্তির জন্য করণীয় কাজের মাসনূন পদ্ধতি

মৃত-ব্যক্তির জন্য করণীয় কাজের মাসনূন পদ্ধতি

মৃত-ব্যক্তির প্রতি সাওয়াব প্রেরণের মাসনূন পদ্ধতি
মৃত্যু পরবর্তী জীবনের সফলতা, মুক্তি, শান্তি ও নেয়ামত লাভের ইচ্ছা ও চেষ্টা সকল ধর্মের অনুসারিগণই করেন। এই জাতীয় সকল কর্ম একান্তই ধর্মীয় ও বিশ্বাসভিত্তিক। বিভিন্ন জাতির মধ্যে ধর্মহীনতা ও অজ্ঞানতার প্রসারের ফলে এ বিষয়ে অনেক কুসংস্কার ও উদ্ভট ধারণা বিরাজমান। যেমন, অনেক সমাজে মনে করা হয়, মৃতের জীবিত আত্মীয়স্বজনের দান, খাদ্য প্রদান বা কিছু অনুষ্ঠান পালনের উপরে মৃতব্যক্তির পারলৌকিক মুক্তি নির্ভরশীল।
ইসলামে এ সকল কুসংস্কারের মূলোৎপাটন করা হয়েছে। ইসলামের শিক্ষা অনুসারে মানুষের পারলৌকিক মুক্তি,

কবরের আজাব মাফের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ হাদীস ও তার আমল

কবরের আজাব মাফের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ হাদীস ও তার আমল

কবরের শাস্তি থেকে বাচার সবগুলো হাদিস একত্রে দেওয়া হলো আশা করি নিজে আমল করবেন এবং অন্যকে উৎসাহিত করবেন। <<< যাদেরকে কবরের শাস্তি থেকে মুক্ত রাখা হবে >>> ১। প্রতিরাতে সুরাহ মুলক তিলায়াত করা (কুরআন দেখে দেখে বা মুখস্ত যে কোন ভাবেই হোক) রাসূল (সাঃ) বলেন : “যে ব্যাক্তি প্রত্যেক রাতে তাবারকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক (সুরাহ মূলক) পাঠ করবে এর মাধ্যমে মহিয়ান আল্লাহ্ তাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন । সাহাবায়ি কিরাম বলেন , রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগে আমরা এ সুরাহ টিকে আল-মানি’আহ বলতাম । অর্থাৎ আমরা একে “কবরের আযাব থেকে প্রতিরোধকারী ” হিসেবে নামকরণ করেছিলাম । সুরাহ মূলক মহান আল্লাহ্র কিতাবের এমন একটি সুরাহ , যে ব্যাক্তি এটি প্রতি রাতেই পাঠ করে সে অধিক করলো এবং অতি উত্তম কাজ করলো ।” (নাসায়ী, সহীহ আত- তারগীব) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত । রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,

হে আল্লাহ তুমি আমার পাপ সমূহ পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও

হে আল্লাহ তুমি আমার পাপ সমূহ পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দাও


লেখক: ইমাম ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ) অনুবাদঃইউসুফ ইয়াসীন Printহে আল্লাহ তুমি আমার পাপসমূহ পানি, বরফ ওশিশির দ্বারা ধৌত করে দাও’প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা,আসুন আমাদের অন্তরকে ধুয়ে ফেলি দুঃখ ওভয়ের পরিষ্কার পানি দ্বারা। আল্লাহসুবহানাহু ওয়া তায়ালার স্মরণকে আমাদেরজন্য তাঁর মহান স্মরণের অংশ বানাই।“সুতরাং,তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিওতোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমারকৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না”।(বাকারাহ ১৫২) আমরা যখম আমাদের পরমকরুণাময় প্রভূর কথা স্মরণ করব তখন তিনিওআমাদের কথা স্মরণ করবেন। আমাদেরজীবনের প্রতিটি মুহুর্তেই প্রয়োজন সেইমহান সত্তাকে যিনি

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ