Showing posts with label চুল-দাড়ি. Show all posts
Showing posts with label চুল-দাড়ি. Show all posts

Sunday, February 4, 2018

দাড়ী পুরুষের সৌন্দর্য

দাড়ী পুরুষের সৌন্দর্য

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
দাড়ী আল্লাহর একটি মহান ও বড় নে’য়ামত। দাড়ী দ্বারা তিনি পুরুষকে অনুগৃহীত করেছেন এবং নারী জাতি থেকে তাকে বৈশিষ্ট মন্ডিত করেছেন।
দাড়ী শুধুমাত্র মুখমন্ডলের উপর কয়েকটি কেশগুচ্ছই নয়; বরং ইহা ইসলামের বাহ্যিক বড় একটি নিদর্শন। দাড়ী ছেড়ে রেখে এবং তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। আল্লাহ্ বলেন,

ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ

“এই কারণে যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শন সমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে, এটা তো তার হৃদয়ের তাকওয়ারই পরিচয়।” [ সূরা হাজ্জ- ৩২]
দাড়ী মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর অনুসৃত নীতির একটি অন্যতম পরিচয়। তিনি দাড়ী ছেড়ে দিতে ও লম্বা করতে আদেশ করেছেন।
কিন্তু

Saturday, December 23, 2017

অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়•• পাকা চুলে কলপ ব্যবহারের ইসলামী বিধান••

••অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়•• পাকা চুলে কলপ ব্যবহারের বিধান••
Posted by আব্দুল্লাহিল হাদী
••অল্প বয়সে চুল পাকলে••
ছেলেদের চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে। প্রথমেই জানতে হবে কেন অল্প বয়সে চুল পাকে। এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।
•কেন চুল পাকে•

Friday, December 15, 2017

••অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়•• পাকা চুলে কলপ ব্যবহারের বিধান••

••অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়•• পাকা চুলে কলপ ব্যবহারের বিধান••
Posted by আব্দুল্লাহিল হাদী
••অল্প বয়সে চুল পাকলে••
ছেলেদের চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে। প্রথমেই জানতে হবে কেন অল্প বয়সে চুল পাকে। এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।
•কেন চুল পাকে•
১. স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া
২. ঘুম কম হওয়া
৩. চুলের যত্ন না করা,
৪. কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা
৫. জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা
••চুল পাকা রোধে যা করবেন••

Wednesday, December 13, 2017

চাকুরির জন্য দাড়ি শেভ করার শর্ত দিলে করনীয় কী??

চাকুরির জন্য দাড়ি শেভ করার শর্ত দিলে করনীয় কী??
উত্তর -
চাকুরির জন্য দাড়ি শেভ করা শর্ত দিলে এ চাকুরী করবেন না: শাইখ ইবন বায রহ. বলেন, যদি কাউকে কোনো কোম্পানী বা মালিক এ শর্তে কাজ দেয় যে, দাড়ি শেভ করতে হবে, তাহলে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে এ দাড়ি শেভের শর্তে একমত না হয় এবং এ কাজ না নেয়। কেননা, রিয্‌কের বহু পথ রয়েছে, এ পথ বন্ধ নয়, বরং সর্বদা খোলা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

Tuesday, December 5, 2017

দাড়ি লম্বা করার হুকুম:

দাড়ি লম্বা করা


দাড়ি লম্বা করার হুকুম:
পুরুষের জন্য দাড়ি লম্বা করা ওয়াজিব। এর কারণ নিম্নরূপ:
১। মহানাবী () দাড়ি লম্বা করার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশটা ওয়াজিব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। মানদূব (যা আমল করলে সাওয়াব পাওয়া যাবে আর পরিত্যাগ করলে শাস্তি হবে না) অর্থে ব্যবহৃত হওয়ার কোন ইঙ্গিত এখানে নেই।
এ ব্যাপারে মহানাবী ()এর বাণী হলো:
خالفوا المشركين : وفروا اللحى وأحفوا الشوارب
 (দাড়ি ও গোফের ব্যাপারে) তোমরা মুশরিকদের বিপরীত কর। দাড়ি লম্বা কর এবং গোঁফ ছোট কর।[1]
তিনি আরও বলেন:

Sunday, November 19, 2017

চুলে বা দাড়িতে কালো খেযাব / কালোকলপ বা কালো রং ব্যবহারকারী জান্নাতে তো যাবেই না, জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না- (চুল-দাড়ি সাদা হয়ে গেলে তাহলে করনীয় কি?

চুলে বা দাড়িতে কালো খেযাব / কালোকলপ বা কালো রং ব্যবহারকারী জান্নাতে তো যাবেই না, জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না- (চুল-দাড়ি সাদা হয়ে গেলে তাহলে করনীয় কি? 
============================= 
রাসূল (ছাঃ)বলেছেন, শেষ যামানায় এক শ্রেণীর লোক চুল দাঁড়িতে কালো রং দ্বারা খেযাব দেবে। দেখতে কবুতরের বুকের মত সুন্দর লাগবে। তারা জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না। (সহিহ আবু দাউদ হা/৪২১২-তাওহিদ পাবলিকেশন) 

চুল বা দারী পাক ধরলে(সাদা হয়ে গেলে) করনীয় কি? 

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১০৪. চুল বা দাঁড়িতে কালো রং লাগানো

১০৪. চুল বা দাঁড়িতে কালো রং লাগানো


চুল বা দাঁড়িতে কালো রং লাগানো আরেকটি হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
يَكُوْنُ قَوْمٌ يَخْضِبُوْنَ فِيْ آخِرِ الزَّمَانِ بِالسَّوَادِ ؛ كَحَوَاصِلِ الْـحَمَامِ، لَا يَرِيْحُوْنَ رَائِحَةَ الْـجَنَّةِ.
‘‘শেষ যুগে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা (চুল বা দাঁড়িতে) কালো রং লাগাবে। যা দেখতে কবুতরের পেটের ন্যায়। তারা জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না’’। (আবূ দাউদ ৪২১২; নাসায়ী ৫০৭৭)
কারোর মাথার চুল বা দাঁড়ি সাদা হয়ে গেলে তাতে কালো ছাড়া যে কোন কালার লাগানো সুন্নাত।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 إِنَّ الْيَهُوْدَ وَالنَّصَارَى لَا يَصْبُغُوْنَ ؛ فَخَالِفُوْهُمْ.
‘‘ইহুদী ও খ্রিস্টানরা (মাথার চুল বা দাঁড়ি) কালার করে না। সুতরাং তোমরা তাদের বিপরীত করবে তথা কালার করবে’’। (আবূ দাউদ ৪২০৩)
জাবির বিন্ আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
أُتِيَ بِأَبِيْ قُحَافَةَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ، وَرَأْسُهُ وَلِحْيَتُهُ كَالثَّغَامَةِ بَيَاضًا فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ : غَيِّرُوْا هَذَا بِشَيْءٍ، وَاجْتَنِبُوْا السَّوَادَ.
‘‘মক্কা বিজয়ের দিন (আবূ বকর (রাঃ) এর পিতা) আবূ ক্বুহাফাহ্কে (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে) উপস্থিত করা হলো। তখন তার মাথার চুল ও দাঁড়ি সাদা ফল ও ফুল বিশিষ্ট গাছের ন্যায় দেখাচ্ছিলো। তা দেখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাদেরকে বললেন: তোমরা কোন কিছু দিয়ে এর কালার পরিবর্তন করে দাও। তবে কালো কালার কিন্তু লাগাবে না’’।
 (আবূ দাউদ ৪২০৪; নাসায়ী ৫০৭৮)
তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাধারণত মেহেদি, জাফরান ও অর্স (লাল গোলাপের রস) দিয়ে কালার করতেন।
আবূ রিম্সাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি ও আমার পিতা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসলে তিনি আমার পিতাকে বলেন: এ ছেলেটি কে? তখন আমার পিতা বললেন: সে আমারই ছেলে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি তার সাথে অপরাধমূলক আচরণ করো না। আবূ রিম্সাহ্ বলেন: তখন তাঁর দাঁড়ি মেহেদি লাগানো ছিলো।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
كَانَ النَّبِيُّ يَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ، وَيُصَفِّرُ لِحْيَتَهُ بِالْوَرْسِ وَالزَّعْفَرَانِ.
‘‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চামড়ার জুতো পরিধান করতেন এবং অর্স তথা লাল গোলাপের রস ও জাফরান দিয়ে দাঁড়িটুকু হলুদ করে নিতেন’’। (আবূ দাউদ ৪২১০)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন:
إِنَّ أَحْسَنَ مَا غُيِّرَ بِهِ هَذَا الشَّيْبُ : الْحِنَّاءُ وَالْكَتَمُ.
‘‘নিশ্চয়ই সর্বশ্রেষ্ঠ বস্ত্ত যা দিয়ে বার্ধক্যের সাধা বর্ণকে পরিবর্তন করা যায় তা হচ্ছে মেহেদি ও কাতাম; যার ফল মরিচের ন্যায়’’। (আবূ দাউদ ৪২০৫; নাসায়ী ৫০৮০)

কবীরা গুনাহঃ ৭২. চেহারায় দাগ দেয়া, চেহারার কেশ উঠানো, নিজের চুলের সাথে অন্য চুল সংযোজন কিংবা দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করা

৭২. চেহারায় দাগ দেয়া, চেহারার কেশ উঠানো, নিজের চুলের সাথে অন্য চুল সংযোজন কিংবা দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করা


চেহারায় দাগ দেয়া, চেহারার কেশ উঠানো, নিজের চুলের সাথে অন্য চুল সংযোজন কিংবা দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করাও হারাম এবং কবীরা গুনাহ্।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ মাস্ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَعَنَ اللهُ الْوَاشِمَاتِ وَالْـمُوْتَشِمَاتِ وَالْـمُتَنَمِّصَاتِ وَالْـمُتَفَلِّجَاتِ لِلْحُسْـنِ، الْـمُغَيِّرَاتِ خَلْقَ اللهِ.
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা লা’নত করেন সে মহিলাকে যে অপরের চেহারা দাগে এবং যে অপরকে দিয়ে নিজ চেহারা দাগ করায়, যার চেহারার কেশ উঠানো হয় এবং যে মহিলা সৌন্দর্যের জন্য নিজ দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে; আল্লাহ্ প্রদত্ত গঠন পরিবর্তন করে’’।

Wednesday, October 25, 2017

রোযা অবস্থায় মাথার চুল বা নাভির নিচের লোম চাঁছা কি বৈধ?

রোযা অবস্থায় মাথার চুল বা নাভির নিচের লোম চাঁছা কি বৈধ?


রোযাদারদের জন্য নিজ মাথার চুল বা নাভির নিচের লোম ইত্যাদি চাঁছা বৈধ। তাতে যদি কোন স্থানে কেটে রক্ত পড়লেও রোযার কোন ক্ষতি হয়না। পক্ষান্তরে দাড়ি চাঁছা সব সময়কার জন্য হারাম; রোযা অবস্থায় অথবা অন্য কোন অবস্থায়। (মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্যাহ ১৯/ ১৬৫)

Saturday, October 21, 2017

#দাড়ি_রাখা_সম্পর্কে_ভ্রান্ত_ধারণা_দূর_করুন !

আমাদের দেশে দাড়ি রাখা সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা আছে, সেটা হল ''দাড়ি রাখা সুন্নত; অতএব দাড়ি রাখলে ভাল আর না রাখলে তেমন কোন সমস্যা নেই, একটা সুন্নত পালন করা হল না এই আর কি।'' জেনে রাখুন, এটা সম্পূর্ণ একটা ভুল ধারণা।
দাড়ি রাখা কোন অর্থে সুন্নত আর কোন অর্থে ফরয বা ওয়াজিব আগে সেটা বুঝার চেষ্টা করুন। ইসলামে শরীয়তের বিধানের প্রধান সুত্র হচ্ছে কুরআন ও রাসুল (সাঃ) এর সহীহ সুন্নাহ অর্থাৎ সহীহ হাদিস। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্‌পাক যেসকল বিষয়ে আদেশ দিয়েছেন ও নিষেধ করেছেন তা পালন করা আমাদের জন্য ফরয। আশা করি বিষয়টি সকলের কাছেই পরিষ্কার অর্থাৎ বুঝতে কষ্ট হবার কথা নয়।
এবার আসুন, দাড়ি রাখা কোন অর্থে সুন্নত আর কোন অর্থে ফরয বা ওয়াজিব সেটা জানার ও বুঝার চেষ্টা করি।
আল্লাহ্‌পাক পবিত্র কুরআনে বহু আয়াতে রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশ মেনে চলার জন্য আমাদের বলেছেন। তাঁর মানে হল, রাসুল (সাঃ) যে সকল বিষয়ে আমাদের আদেশ ও নিষেধ করেছেন তা মেনে চলাও আমাদের জন্য ফরয/ওয়াজিব । কুরআনের আয়াতগুলো এখানে দেয়া হল -

Tuesday, October 17, 2017

আমি গরিব মানুষ। নাপিতের কাজ করে পেত চালাই। কিন্তু কেউ কেউ বলছে, ‘দাড়ি চেঁছে পয়সা কামানো হালাল নয়।’ এ কথা কি ঠিক ?

জী হ্যাঁ, এ কথা ঠিক। কারণ, দাড়ি চাঁছা হারাম। আর তা চেঁছে দিয়ে পয়সা নেওয়াও হারাম। মহান আল্লাহ বলেছেন, “সৎ কাজ ও আত্ন সংযমে তোমরা পরস্পর সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনের কাজে একে অন্যকে সাহায্য করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তিদানে অতি কঠোর।” (মাহিদাহঃ ২)

Sunday, October 15, 2017

দাড়ি রাখতে বললে বা অন্য সৎকাজের উপদেশ দিলে অনেকে বলে, ‘তাকওয়া বুকে’ । এ কথা বলে সৎকাজ থেকে পিছল কাটা কি ঠিক?

দাড়ি রাখতে বললে বা অন্য সৎকাজের উপদেশ দিলে অনেকে বলে, ‘তাকওয়া বুকে’ । এ কথা বলে সৎকাজ থেকে পিছল কাটা কি ঠিক?


অবশ্যই ঠিক নয়। মহানবী (সঃ) নিজে বুকের প্রতি ইঙ্গিত করে অবশ্যই বলেছেন ‘তাকওয়া এখানে’। কিন্তু তা এ কথার দলিল নয় যে,  বাহ্যিক আমল জরুরী নয়। তাছাড়া হৃদয়ে তাকওয়া থাকলে বাহ্যিক দেহ ও আমলে তাঁর বহিঃপ্রকাশ অবশ্যই ঘটবে। যেহেতু রাসুল (সঃ) বলেছেন, “দেহের মধ্যে একটি গোশতপিণ্ড রয়েছে, যখন তা সুস্থ থাকে, তখন গোটা দেহটাই সুস্থ হয়ে থাকে। আর যখন তা খারাপ হয়ে যায়, তখন গোটা দেহটাই খারাপ হয়ে যায়। শোন! তা হল হৃদপিণ্ড (অন্তর)” (বুখারি ও মুসলিম)

Saturday, October 14, 2017

দাড়ি কি মোটেই ছাঁটা চলবে না? নাকি সৌন্দর্যের জন্য এক মুঠির বেশি দাড়ি ছেঁটে ফেলা যায়?

দাড়ি কি মোটেই ছাঁটা চলবে না? নাকি সৌন্দর্যের জন্য এক মুঠির বেশি দাড়ি ছেঁটে ফেলা যায়?


নবী – এর ব্যাপক নির্দেশ পালন করতে গিয়ে দাড়িকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া ভাল। যেহেতু তিনি যে দাড়ি ছাঁটতেন, তাঁর সহীহ দলীল নেই। তবে সাহাবীদের আমল থেকে বুঝা যায় যে, এক মুঠির অতিরিক্ত দাড়ি ছেঁটে ফেলা যায়।  

দাড়ি রাখা কি সুন্নত, নাকি ওয়াজেব?

দাড়ি রাখা কি সুন্নত, নাকি ওয়াজেব?


দাড়ি রাখা সকল নবীর সুন্নত (তরীকা)। কিন্তু উম্মতের জন্য তা পালন করা ওয়াজেব। যেহেতু আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা দাড়ি বাড়াও আর মোছ ছোট কর, পাকা চুলে (কালো ছাড়া অন্য রঙ) খেযাব লাগাও এবং ইয়াহুদ ও নাসারার সাদৃশ্য অবলম্বন করো না।” (আহমাদ, সহীহুল জামে ১০৬৭ নং)
তিনি আরো বলেছেন, “মোছ ছেঁটে ও দাড়ি রেখে অগ্নিপূজকদের বৈপরীত্য কর।” (মুসলিম ২৬০ নং)


চুল নখ ইত্যাদি কেটে ফেলার পর তা দাফন করা কি বিধেয়?


সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন উমার কর্তৃক এরূপ আমল বর্ণিত আছে। অনেক ফুকাহাও তা মুস্তাহাব মনে করেন। (ইবনে উষাইমীন) আর এ কথা বিদিত যে, বহু যাদুকর তা দিয়ে যাদুও করে থাকে। সুতরাং সতর্কতাই বাঞ্ছনীয়।

শোনা যায়, ‘মোছের পানি হারাম।’ – একথা কি ঠিক?

শোনা যায়, ‘মোছের পানি হারাম।’ – একথা কি ঠিক?


যে পানিতে মোছ ডুবেছে, সে পানি প্রকৃতিগতভাবে ঘৃণ্য হতে পারে। তবে সে পানি পান করা হারাম, তা বলা যায় না। অবশ্য মোছ ছেঁটে ছোট করার নির্দেশ আছে শরীয়তে। আল্লাহ্‌র রাসুল  বলেছেন, “তোমরা দাড়ি বাড়াও, মোছ ছোট কর, পাকা চুলে (কালো ছাড়া অন্য) খেযাব লাগাও এবং ইয়াহুদ ও নাসারার সাদৃশ্য অবলম্বন করো না।”  (আহমাদ, সহীহুল জামে ১০৬৭ নং)
তিনি আরও বলেছেন, “যে ব্যক্তি তাঁর মোছ ছাঁটে না, সে আমার দলভুক্ত নয়।”৬৯৬ (তিরমিযী ২৭৬২, সহীহুল জামে ৬৫৩৩ নং)

অনেক মহিলার ধারনা, লম্বা নখে সৌন্দর্য আছে। সুতরাং নখ লম্বা ছেড়ে রাখায় কোন দোষ আছে কি?

অনেক মহিলার ধারনা, লম্বা নখে সৌন্দর্য আছে। সুতরাং নখ লম্বা ছেড়ে রাখায় কোন দোষ আছে কি?


লম্বা নখে সৌন্দর্য নেই। অবশ্য বিকৃত পছন্দের অনেকের নিকট তা থাকতে পারে। কিন্তু শরীয়তে নখ লম্বা করার অনুমতি নেই। বরং মানুষের প্রকৃতি তা লম্বা রাখার বিরোধী। তাই চল্লিশ দিনের মাথায় তা কেটে ফেলতেই হবে। মহানবী  বলেছেন, “প্রকৃতিগত আচরণ পাঁচটি অথবা পাঁচটি কাজ প্রকৃতিগত আচরণ,
(১) খাতনা (লিঙ্গত্বক ছেদন) করা।
(২) লজ্জাস্থনের লোম কেটে পরিষ্কার করা।

স্বামীর চোখে অধিক সুন্দরী সাজার জন্য কি মাথার পরচুলা, নকল চুল বা টেসেল ব্যবহার করা যায়?

স্বামীর চোখে অধিক সুন্দরী সাজার জন্য কি মাথার পরচুলা, নকল চুল বা টেসেল ব্যবহার করা যায়?


মহিলার সুকেশ সৌন্দর্যের অন্যতম। মাথায় আদৌ চুল না থাকলে ত্রুটি ঢাকার জন্য পরচুলা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু অধিক চুল দেখাবার জন্য তা বৈধ নয়। যেহেতু ‘যে অপরের মাথার পরচুলা বেঁধে দেয় এবং সে নিজের মাথায় তা বাঁধে, এমন উভয় মহিলাকেই নবী (সঃ) অভিশাপ করেছেন।’ (বুখারী ৫৯৪১, মুসলিম ২১২২, ইবনে মাজাহ ১৯৮৮ নং)


হাদীসের নির্দেশমতে বগলের লোম ছিঁড়ে বা তুলে ফেলতে হয়। কিন্তু

পাকা চুল দাড়িতে কি কালো কলপ ব্যবহার করা বৈধ?

পাকা চুল দাড়িতে কি কালো কলপ ব্যবহার করা বৈধ?


পাকা চুল দাড়ি সাদা না রেখে রাঙিয়ে রাখা তাকীদাপ্রাপ্ত সুন্নত। তবে তাতে কালো কলপ ব্যবহার করা বৈধ নয়। জাবের (রাঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের দিনে আবু কুহাফাকে আনা হল। তখন তাঁর চুল দাড়ি ছিল ‘ষাগামা’ ফুলের মত সাফেদ (সাদা)। নবী (সঃ) বললেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ