Showing posts with label বিচার- সাক্ষী. Show all posts
Showing posts with label বিচার- সাক্ষী. Show all posts

Monday, February 5, 2018

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি: আমাদের করণীয়

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি: আমাদের করণীয়

 রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি: আমাদের করণীয়
إن الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله وعلى آله وصحبه أجمعين أما بعد:
আল্লাহ তা‘আলা মানবজাতির হিদায়াতের জন্য যুগে যুগে রাসূল প্রেরণ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশ্ব মানবগোষ্ঠীর জন্য সর্বশেষ রাসূল। তিনি সকল জনগোষ্ঠীর জন্য প্রেরিত নবী। আরবী, অনারবী, সাদা-কালো সবার জন্য তিনি নবী ও রাসূল। তিনি সকল নবী ও রাসূলেরও নেতা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

Monday, November 13, 2017

১৫৩. বিচারকের মাধ্যমে কারোর নিকট এমন কিছু দাবি করা যা আপনার নয়

১৫৩. বিচারকের মাধ্যমে কারোর নিকট এমন কিছু দাবি করা যা আপনার নয়


বিচারকের মাধ্যমে কারোর নিকট এমন কিছু দাবি করা যা আপনার নয় হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৮২. মানুষকে অযথা শাস্তি দেয়া কিংবা প্রহার করা

৮২. মানুষকে অযথা শাস্তি দেয়া কিংবা প্রহার করা


মানুষকে অযথা শাস্তি দেয়া কিংবা প্রহার করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্ ও হারাম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا، قَوْمٌ مَعَهُمْ سِيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُوْنَ بَهَا النَّاسَ.
‘‘দু’ জাতীয় মানুষ এমন রয়েছে যারা জাহান্নামী। তবে আমি তাদেরকে এখনো দেখিনি। তাদের মধ্যে এক জাতীয় মানুষ এমন যে, তাদের হাতে থাকবে লাঠি যা দেখতে গাভীর লেজের ন্যায়। এগুলো দিয়ে তারা অযথা মানুষকে প্রহার করবে’’। (মুসলিম ২১২৮)
আবূ উমামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Thursday, November 9, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৩৩. ঘুষ নিয়ে কারোর পক্ষে বা বিপক্ষে বিচার করা

৩৩. ঘুষ নিয়ে কারোর পক্ষে বা বিপক্ষে বিচার করা


ঘুষ নিয়ে কারোর পক্ষে বা বিপক্ষে বিচার করাও একটি মহাপাপ এবং হারাম কাজ। তাই তো আল্লাহ্’র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষ খেয়ে অন্যায়ভাবে বিচারকারীকে লা’নত করেন।
আবূ হুরাইরাহ্ ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর বিন্ ‘আস্ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
لَعَنَ رَسُوْلُ اللهِ  الرَّاشِيْ وَالْـمُرْتَشِيْ فِيْ الْـحُكْمِ.
‘‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লানত করেন বিচারের ব্যাপারে ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়কেই’’। (তিরমিযী ১৩৩৬, ১৩৩৭; আবূ দাউদ ৩৫৮০; ইব্নু মাজাহ্ ২৩৪২)

Wednesday, November 8, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৩২. আল্লাহ্ তা‘আলার দেয়া কল্যাণময় বিধানকে লঙ্ঘন করে মানব রচিত যে কোন বিধানের আলোকে বিচার কার্য পরিচালনা বা তা গ্রহণ করা

৩২. আল্লাহ্ তা‘আলার দেয়া কল্যাণময় বিধানকে লঙ্ঘন করে মানব রচিত যে কোন বিধানের আলোকে বিচার কার্য পরিচালনা বা তা গ্রহণ করা


আল্লাহ্ তা‘আলার দেয়া কল্যাণময় বিধানকে লঙ্ঘন করে মানব রচিত যে কোন বিধানের আলোকে বিচার কার্য পরিচালনা বা গ্রহণ করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَمَنْ لَّمْ يَحْكُمْ بِمَآ أَنْزَلَ اللهُ فَأُوْلَآئِكَ هُمُ الْكَافِرُوْنَ»
‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলার দেয়া বিধানানুযায়ী বিচার করে না সে তো কাফির’’। (মা’য়িদাহ্ : ৪৪)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:

নিজেই ভুলের উপর তা জেনেশুনেও কেউ অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।

নিজেই ভুলের উপর তা জেনেশুনেও কেউ অন্যের সাথে বিবাদে লিপ্ত হলে আল্লাহ্ তা‘আলা তার উপর অসন্তুষ্ট হন যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে।


‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কোন ধনী ব্যক্তি অন্যের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে টালবাহানা করলে অথবা কেউ কাউকে কোন ব্যাপারে অপবাদ দিলে এবং লোকটিও সে ব্যাপারে সন্দেহভাজন হলে তাকে জেলে আটকে রাখা হবে যতক্ষণ না সে উক্ত ব্যাপারে সুস্পষ্ট উক্তি করে।

কোন ধনী ব্যক্তি অন্যের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে টালবাহানা করলে অথবা কেউ কাউকে কোন ব্যাপারে অপবাদ দিলে এবং লোকটিও সে ব্যাপারে সন্দেহভাজন হলে তাকে জেলে আটকে রাখা হবে যতক্ষণ না সে উক্ত ব্যাপারে সুস্পষ্ট উক্তি করে।


শারীদ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَيُّ الْوَاجِدِ يُحِلَّ عِرْضَهُ وَعُقُوْبَتَهُ.
‘‘ধনী লোকের টালবাহানা তার ইয্যত বিনষ্ট করা এবং তাকে শাস্তির সম্মুখীন করাকে জায়িয করে দেয়’’। (আবূ দাউদ ৩৬২৮)
মু‘আবিয়া বিন্ ’হাইদাহ্ (রাহিমাহুল্লাহ্) থেকে বর্ণিত তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন:

আপনার স্বেচ্ছাচারিতা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়

আপনার স্বেচ্ছাচারিতা যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়


আপনার মালিকানাধীন জায়গায় আপনি যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন না যাতে অন্য জন কষ্ট পায়। বরং এমনভাবেই আপনি আপনার জমিন ব্যবহার করবেন যাতে আপনার পাশের ব্যক্তি কোনভাবেই কষ্ট না পায়।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ ও ’উবাদাহ্ বিন্ স্বামিত্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্ত্তকে বৈধ করে দেয় না। সুতরাং কেউ বিচারের মাধ্যমে কোন কিছু পেয়ে গেলে যা তার নয় সে যেন অতিসত্বর তা মালিককে পৌঁছিয়ে দেয়। সে যেন অবৈধভাবে তা ভোগ বা ভক্ষণ না করে।

বিচারকের বিচার কোন অবৈধ বস্ত্তকে বৈধ করে দেয় না। সুতরাং কেউ বিচারের মাধ্যমে কোন কিছু পেয়ে গেলে যা তার নয় সে যেন অতিসত্বর তা মালিককে পৌঁছিয়ে দেয়। সে যেন অবৈধভাবে তা ভোগ বা ভক্ষণ না করে।


উম্মে সালামাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ، وَإِنَّكُمْ تَخْتَصِمُوْنَ إِلَيَّ، وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُوْنَ أَلْـحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ، وَأَقْضِيْ لَهُ عَلَى نَحْوِ مَا أَسْمَعُ، فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيْهِ شَيْئًا فَلَا يَأْخُذْ، فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ.
‘‘আমি তো মানুষ মাত্র। আর তোমরা আমার কাছে মাঝে মাঝে বিচার নিয়ে আসো। হয়তো বা তোমাদের কেউ কেউ নিজ প্রমাণ উপস্থাপনে অন্যের চাইতে অধিক পারঙ্গম। অতএব

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী এবং বাদীর কসমের ভিত্তিতেও বিচার করা যেতে পারে।

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের অধিকার সংরক্ষণের খাতিরে একজন সাক্ষী এবং বাদীর কসমের ভিত্তিতেও বিচার করা যেতে পারে।


আবূ হুরাইরাহ্, জাবির ও ‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন:
قَضَى رَسُوْلُ اللهِ بِالْيَمِيْنِ مَعَ الشَّاهِدِ.
‘‘একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাক্ষী ও বাদীর কসমের ভিত্তিতে ফায়সালা করেন। (আবূ দাউদ ৩৬০৮, ৩৬১০; ইব্নু মাজাহ্ ২৩৯৭, ২৩৯৮, ২৩৯৯)

বিচারের ক্ষেত্রে কোন কারণে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভবপর না হলে অন্ততপক্ষে পরস্পরের ছাড়ের ভিত্তিতে একান্ত বুঝাপড়ার মাধ্যমে কোন এক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াও জায়িয।

বিচারের ক্ষেত্রে কোন কারণে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভবপর না হলে অন্ততপক্ষে পরস্পরের ছাড়ের ভিত্তিতে একান্ত বুঝাপড়ার মাধ্যমে কোন এক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াও জায়িয।


আবূ হুরাইরাহ্ ও ‘আমর বিন্ ‘আউফ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

বিচারের ক্ষেত্রে যাদের সাক্ষ্য গহণযোগ্য নয়।কোন ধরনের সুযোগ পেয়ে নিজের নয় এমন জিনিস দাবি করলে সে মুসলিম থাকে না। বরং তার ঠিকানা হয় তখন জাহান্নাম।

যাদের সাক্ষ্য গহণযোগ্য নয়


আত্মসাৎকারী পুরুষ ও মহিলার সাক্ষ্য, কারোর বিপক্ষে তার শত্রুর সাক্ষ্য, ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীর সাক্ষ্য, কাউকে ব্যভিচারের অপবাদ দিয়ে তার বিরুদ্ধে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারার দরুন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য, কোন পরিবারের পক্ষে তাদের কাজের লোকের সাক্ষ্য এবং শরীয়তের বিধি-বিধানের ব্যাপারে একেবারেই অজ্ঞ লোকের সাক্ষ্য কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর বিন্ ‘আস্ব (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

কেউ কারোর কাছ থেকে কোন ব্যাপারে কসম গ্রহণ করতে চাইলে সে ব্যক্তি কসমের শব্দ থেকে যাই বুঝবে উহার ভিত্তিতেই কসমের সত্যতা কিংবা অসত্যতা নিরূপিত হবে। কসমকারীর নিয়তের ভিত্তিতে নয়। তবে যদি কসম গ্রহণকারী যালিম হয়ে থাকে এবং কসমকারীর কথার ভিত্তিতেই সে ব্যক্তি যুলুম করার সুযোগ পাবে তখন কসমকারীর নিয়তই গ্রহণযোগ্য হবে।

কেউ কারোর কাছ থেকে কোন ব্যাপারে কসম গ্রহণ করতে চাইলে সে ব্যক্তি কসমের শব্দ থেকে যাই বুঝবে উহার ভিত্তিতেই কসমের সত্যতা কিংবা অসত্যতা নিরূপিত হবে। কসমকারীর নিয়তের ভিত্তিতে নয়। তবে যদি কসম গ্রহণকারী যালিম হয়ে থাকে এবং কসমকারীর কথার ভিত্তিতেই সে ব্যক্তি যুলুম করার সুযোগ পাবে তখন কসমকারীর নিয়তই গ্রহণযোগ্য হবে।


আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব একমাত্র বাদীর উপর এবং কসম হচ্ছে বিবাদীর উপর

বিচারের ক্ষেত্রে সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থাপনের দায়িত্ব একমাত্র বাদীর উপর এবং কসম হচ্ছে বিবাদীর উপর


শু‘আইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা তাঁর খুৎবায় বলেন:
الْبَيِّنَةُ عَلَى الْمُدَّعِيْ وَالْيَمِيْنُ عَلَى الْـمُدَّعَى عَلَيْهِ.
‘‘বাদীর উপর সাক্ষী-প্রমাণ এবং বিবাদীর উপর কসম’’। (তিরমিযী ১৩৪১)

বিচারক বিচারের সময় কোন ব্যাপারেই রাগান্বিত হতে পারবেন না

বিচারকের নিকট যে কোন ব্যক্তির অভিযোগ পৌঁছানো যেন কোনভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয় উহার প্রতি বিচারককে অবশ্যই যত্নবান হতে হবে


‘আমর বিন্ মুর্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَا مِنْ إِمَامٍ يُغْلِقُ بَابَهُ دُوْنَ ذَوِيْ الْـحَاجَةِ وَالْـخَلَّةِ وَالْـمَسْكَنَةِ ؛ إِلاَّ أَغْلَقَ اللهُ أَبْوَابَ السَّمَاءِ دُوْنَ خَلَّتِهِ وَحَاجَتِهِ وَمَسْكَنَتِهِ.
‘‘কোন সমস্যায় জর্জরিত ব্যক্তি কোন রাষ্ট্রপতি অথবা বিচারকের নিকট তার অভিযোগ উত্থাপন করতে বাধাগ্রস্ত হলে সেও আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট নিজ সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে বাধাগ্রস্ত হবে’’। (তিরমিযী ১৩৩২)

বিচারক বিচারের সময় কোন ব্যাপারেই রাগান্বিত হতে পারবেন না


আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবিরা গুনাহঃ ৩০. অবিচার এবং বিচার সংক্রান্ত কিছু কথা

৩০. অবিচার


কুর‘আন ও হাদীসের সুস্পষ্ট জ্ঞান ও তা যথাস্থানে প্রয়োগ করার যথেষ্ট প্রজ্ঞা ছাড়া বিচারকার্য পরিচালনা করা অথবা কোন ব্যাপারে সত্য উদ্ভাসিত হয়ে যাওয়ার পরও তা পাশ কাটিয়ে গিয়ে অন্যায়মূলক বিচার করা একটি মারাত্মক অপরাধ।
বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ: وَاحِـدٌ فِيْ الْـجَنَّةِ، وَاثْنَانِ فِيْ النَّارِ، فَأَمَّا الَّذِيْ فِيْ الْـجَنَّةِ ؛ فَرَجُلٌ عَرَفَ الْـحَقَّ فَقَضَى بِهِ، وَرَجُلٌ عَرَفَ الْـحَقَّ فَجَارَ فِيْ الْـحُكْمِ ؛ فَهُوَ فِيْ النَّارِ، وَرَجُلٌ قَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ ؛ فَهُوَ فِيْالنَّارِ.
‘‘বিচারক তিন প্রকারের। তম্মধ্যে একজন জান্নাতী আর অপর দু’জন জাহান্নামী। যিনি জান্নাতী তিনি হচ্ছেন এমন বিচারক যে সত্য উদ্ঘাটন করে উহার আলোকেই বিচার করেন। আরেকজন এমন যে,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ