Showing posts with label নাস্তিকতা-অমুসলিম. Show all posts
Showing posts with label নাস্তিকতা-অমুসলিম. Show all posts

Monday, January 22, 2018

অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা

অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা

একটি মুসলিম দেশে ইসলাম মুসলিমকে শুধু অমুসলিমদের সঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতেই বলে না, রাষ্ট্রে তাদের সার্বিক নিরাপত্তা এবং সুখ-সমৃদ্ধিও নিশ্চিত করে। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহয় একাধিক স্থানে অমুসলিম সংখ্যালঘুদের অধিকার তুলে ধরা হয়েছে। অমুসলিমরা নিজ নিজ উপাসনালয়ে উপাসনা করবেন। নিজ ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মালয়কে সুরক্ষিত রাখবেন। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তারা সমান। তাদের প্রতি কোনো প্রকার বৈষম্য ইসলাম বরদাশত করে না। যেসব অমুসলিমের সঙ্গে কোনো সংঘাত নেই, যারা শান্তিপূর্ণভাবে মুসলিমদের সঙ্গে বসবাস করেন তাদের প্রতি বৈষম্য দেখানো নয়; ইনসাফ করতে বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন,٨]
‘আল্লাহ নিষেধ করেন না ওই লোকদের সঙ্গে সদাচার ও ইনসাফপূর্ণ ব্যবহার করতে যারা

Sunday, January 14, 2018

কাদিয়ানী মতবাদ এবং খতমে নবুওয়াত

কাদিয়ানী মতবাদ এবং খতমে নবুওয়াত
আবদুল্লাহিল হাদী বিন আবদুল জলীল / 30/11/2010
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
: ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ ﻭ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ
ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺃﻣﺎ ﺑﻌﺪ
আরব সহ সমগ্র বিশ্ব তখন গভীর তিমিরে আচ্ছন্ন। সবর্ত্র
বিরাজ করছে এক প্রকার গুমোট অস্থিরতা। এমনি এক
মূহুর্তে মক্কার আকাশে নতুন এক সুর্যের আবির্ভাব হল। সে
সূর্য হল নবুওয়তের সূর্য। আলোকিত হয়ে উঠল মক্কার
আকাশ। ঘরে ঘরে পৌঁছতে লাগল আলোক রশ্মী। নবী
মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষকে সে আলোর পথে

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন?

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন?

অনুবাদকের ভূমিকা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন যে, কিয়ামত এর পূর্বে ৩০ এর মত মিথ্যুক লোক নবুওয়াতের দাবী করবে, তাঁর সে ভবিষ্যদ্বাণীর প্রমাণ আমরা দেখতে পাই গোলাম আহম্মেদ কাদিয়ানীর নবুওয়াতের দাবীর মাঝ দিয়ে। আমাদের দেশের আলেমগণ অনেক আগ থেকেই বিভিন্ন ভাবে তার দাবীর অবৈধতা প্রমাণ করেছিলেন, এবং এক সময় আলেমরা সবাই তার বিরুদ্ধে এজমা, বা ঐক্যমত পোষণ করে অমুসলিম ভন্ড নবুওয়াতের দাবীদার বলে তার ফেৎনা কে সাময়িক ভাবে রুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। অনেকে তার সাথে বিতর্কে

Monday, January 8, 2018

খৃষ্টীয় নববর্ষ উদযাপন: শরিয়ত কি বলে?

 খৃষ্টীয় নববর্ষ উদযাপন: শরিয়ত কি বলে

undefined
 খৃষ্টীয় নববর্ষ উদযাপন: শরিয়ত কি বলে
উৎসব পালন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে একটি সামগ্রিক ফিনমিনন। সুনির্দিষ্ট কোনো দিবসকে স্মরণীয় করে রাখার গভীর বাসনা থেকে, অথবা আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ, কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করা ইত্যাদি থেকে জন্ম নেয় বর্ষান্তরে উৎসব পালনের ঘটনা।
আল্লাহ তাআলা মানুষের এ স্বভাবজাত বাসনা সম্পর্কে সুপরিজ্ঞাত। তাই তিনি তা প্রকাশের মার্জিত ও সম্মানজনক পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন। সৃষ্টিসংলগ্ন সামগ্রিক প্রজ্ঞাময়তা, পৃথিবীবক্ষে মানবপ্রজন্মের দায়দায়িত্ব, আল্লাহর ইবাদত ও দাসত্বের জিম্মাদারি ইত্যাদি বিবেচনায় রেখেই তিনি দিয়েছেন উৎসব পালনে সম্মানজনক বিধান। আনাস রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,

Saturday, December 16, 2017

যে সকল কারণে একজন মুসলমান ইসলামচ্যুত হয়ে যায় তথা কাফির হয়ে যায়!!

যে সকল কারণে একজন মুসলমান ইসলামচ্যুত হয়ে যায় তথা কাফির হয়ে যায়


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
অনুবাদক: আবদুল্লাহ সাঈদ খান
শাইখ আব্দুল আজীজ ইবন আবদুল্লাহ ইবনে বা’য (রহ) বলেন: আল্লাহ সকল মানুষকে ইসলামে প্রবেশ করে এর সাথে লেগে থাকতে বলেছেন এবং ইসলামের বিপরীত যে কোন কিছু থেকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। তিনি তার নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে পাঠিয়েছেন মানুষকে ইসলামের পথে ডাকার জন্য। তিনি বলেন যে যারা নবীর অণুসরন করবে তারা সুপথ প্রাপ্ত হবে এবং যারা তার থেকে দূরে সরে যাবে তারা বিপথগামী হবে। কোরআনের বহু আয়াতে তিনি ধর্মত্যাগের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন সকল প্রকার শির্ক ও কুফরি থেকে।

নাস্তিকতার ভয়ংকর ছোবলে বাংলাদেশের যুবসমাজ!

নাস্তিকতার ভয়ংকর ছোবলে বাংলাদেশের যুবসমাজ -আহমাদ আব্দুল্লাহ ছাকিব গত ১৫ই ফেব্রুয়ারী’১৩ রাজধানী ঢাকায় জনৈক নাস্তিক ব্লগার রাজীব হায়দারের নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে নাস্তিকতার যে ভয়াল চিত্র উন্মোচিত হয়েছে, তা সমগ্র দেশবাসীকে স্তম্ভিত করেছে। নাস্তিকতা যে কত নিকৃষ্ট হতে পারে, ধর্মহীনতা যে মানুষকে পশুত্বের ও নৈতিক অবক্ষয়ের কোন অতলে নিক্ষেপ করতে পারে, তথাকথিত ‘মুক্তবুদ্ধি’র চর্চার আড়ালে ইসলাম-বিদ্বেষের যে কি জঘন্যতম কুৎসিত অবয়ব লুকিয়ে আছে, তার এক বাস্তব প্রতিমূর্তি অত্যন্ত প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে এই চিত্রে। লক্ষ্যণীয় যে,

সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরেপেক্ষতা একটি নাস্তিক্যবাদী কুফুরী মতবাদ! সেকুলারিজম কি? সেকুলারিজম কুফুরী/নাস্তিকতা কেনো?

সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরেপেক্ষতা একটি নাস্তিক্যবাদী কুফুরী মতবাদ

সেকুলারিজম কি?
সেকুলারিজম বা ধর্ম নিরপেক্ষতা একটা মতবাদ যেই মতবাদ অনুযায়ী ধর্ম শুধু মসজিদ, মন্দির বা গির্জার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। মানুষের জীবনের সবগুলো দিক ধর্ম দিয়ে পরিচালিত হবে না। যেমন শিক্ষা, রাজনীতি, অর্থনীতি এইগুলো কোনো ধর্ম দিয়ে চলবে না। এইগুলো চলবে মানুষের মতামতের ভিত্তিতে, কোনো ধর্মের হস্তক্ষেপ এখানে চলবে না।

সেকুলারিজম কুফুরী/নাস্তিকতা কেনো?

সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে কে? একটি সরল উত্তর:

সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে কে? একটি সরল উত্তর:


“ডি-জুস”-কালচারে-বড়-হওয়া নিজের দ্বীন-
সম্বন্ধে-একেবারে-অজ্ঞ কোন কিশোর বা তরুণকে যে ক’টি প্রশ্ন
করে ভড়কে দেয়, তার একটি হচ্ছে:
“সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন?” অথচ, একটু চিন্তা করলেই
দেখা যাবে যে, এই প্রশ্নটা সেই গ্রাম্য “শঠ-পন্ডিতের”
সাথে “সত্যিকার পন্ডিতের” বিতর্কের প্রসিদ্ধ গল্পের মত –
যেখানে “শঠ-পন্ডিত” তার প্রতিদ্বন্দিকে জিজ্ঞেস করেছিল: I don’t
know – মানে কি?

প্রশ্নঃসূর্য কি পৃথিবীর চার দিকে ঘুরে?

প্রশ্নঃসূর্য কি পৃথিবীর চার দিকে ঘুরে?
(ফতোওয়া আরকানুল ইসলাম-আল্লামা উসাইমীন রাহ)
উত্তরঃ- মান্যবর শায়খ উত্তরে বলেন যে, শরীয়তের প্রকাশ্য
দলীলগুলো প্রমাণ করে যে, সূর্যই পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘুরে।
এই ঘুরার কারণেই পৃথিবীতে দিবা-রাত্রির আগমণ ঘটে। আমাদের
হাতে এই দলীলগুলোর চেয়ে বেশী শক্তিশালী এমন
কোন দলীল নাই, যার মাধ্যমে আমরা সূর্য ঘূরার দলীলগুলোকে
ব্যাখ্যা করতে পারি। সূর্য ঘুরার দলীলগুলো হলঃ আল্লাহ তাআ’লা
বলেন,

মুসলিমরা জান্নাতে যাবে আর হিন্দুরা বা অন্য ধর্মের লোকেরা জাহান্নামে যাবে, এতে কি আল্লাহ্ সবার জন্য সুবিচার করেছেন?

মুসলিমরা জান্নাতে যাবে আর হিন্দুরা বা অন্য ধর্মের লোকেরা জাহান্নামে যাবে, এতে কি আল্লাহ্ সবার জন্য সুবিচার
করেছেন?
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য,আমাদের মুসলিমদের মধ্যে অনেক নাম ধারি মুসলিম আছে যারা চিরকালের জন্য জাহান্নামে থাকবে। তাই মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করা সত্ত্বেও অনেক মানুষ চির কালের জন্য জাহান্নামে যাবে। তাই যারা

বোকা বানানো তত্ত্ব. স্টিফেন হকিং তত্ত্ব –

বোকা বানানো তত্ত্ব. স্টিফেন হকিং তত্ত্ব –


প্রত্যেক যুগেই একদল মানুষ নিজেকে ধর্মের বাঁধন থেকে মুক্ত রাখতে চেয়েছে।আজকের যুগেও বাস্তবিক অবস্থা খুব একটা পরিবর্তিত হয়নি।এখনো মানুষ নিজেকে এ ধর্ম নামক শিকল থেকে মুক্ত করতে চায়।মুক্ত স্বাধীন হতে চায় ধর্মের দেয়াল থেকে। ধর্ম অস্বীকারকারীরা একে কারাগার বলে, স্বাধীনতা হরনকারী হিসেবে আখ্যা দিলেও আমি ধর্মকে বিশাল গিরিখাতের সামনে একটু সুউচ্ছ প্রাচীর বলে আখ্যা দিব।যে প্রাচীর আমাদেরকে গিরিখাত নামক মৃত্যুকূপ থেকে রক্ষার জন্য স্রষ্টার রহমতের এক অসাধারন বহিঃপ্রকাশ। স্রষ্টার দাসত্ব মুক্তি চেয়ে মানুষ মুলত প্রবৃত্তির দাসে পরিনত হতে চায়।এতে তার জীবন নামক গাড়ির হুইলটি শয়তান নিয়ে নেয়। ফলে

বিবেকবান অমুসলিম বন্ধুর প্রতি এ ক টি আহবান!

বিবেকবান অমুসলিম বন্ধুর প্রতি এ ক টি আ হ বা ন

সুপ্রিয় ভাই! এই পৃথিবীতে যত প্রকার লোক এবং যত প্রকার জাতি বসবাস করছে প্রায় সকলে এই
বিষয়ে একমত যে, আমাদের তথা দৃশ্যমান পৃথিবীর এক জন না এক জন সৃষ্টিকর্তা আছেন।
আর এই বিশ্বাসের যুক্তিও স্পষ্ট। কারণ,

পরকালের জীবনের প্রমাণ কি? (যৌক্তিক ভাবে)

পরকালের জীবনের প্রমাণ কি? (যৌক্তিক ভাবে)


ক. পরকালে আস্থা অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় অনেকেই আশ্চার্য হয়ে যান, বৈজ্ঞানিক ও যুক্তিসম্মত প্রকৃতির কোনো মানুষ কিভাবে পরকাল বা মৃত্যু পরে আর একটি জীবনের ওপরে আস্থা রাখতে পারে? তারা ধারণা করে যে, যারা পরকালে আস্থাশীল তাদের যে আস্থা, তা একটি অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। পরকালে আমার আস্থা সঙ্গত যুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। খ. ‘পরকাল’ একটি যৌক্তিক বিশ্বাস বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি নিয়ে জ্যোতির্ময় কুরআনঅন্তত হাজারের ওপরে আয়াত ধারণ করে আছে (এ প্রসঙ্গে বই কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সুসঙ্গত অথবা অসঙ্গত) বিগত কয়েক শতাব্দীতে কুরআন বর্ণিত বিজ্ঞানের অসংখ্য বিষয় সত্যায়িত হয়েছে। কিন্তু

পদার্থ নাকি স্রষ্টা?

পদার্থ নাকি স্রষ্টা?


যা মানুষের জীবনের সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্ন।  একজন চিন্তাশীল মানুষ স্বাভাবিক ভাবে এই প্রশ্নের সমাধান চায়। সে মানবজাতি, জীবন ও মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা করে এবং একটি সঠিক সমাধানে পৌছাত যুগ যুগ ধরে এই বিষয়গুলো উত্তর দিতে গিয়ে অনেক দর্শনের জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি মতবাদ কার্ল মার্ক্সের দ্বান্ধিক বস্তুবাদ (dialectical materialism)। এই দর্শন আমাদের কাছে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে,তা হল- “ মহাবিশ্বের চরম উৎস কোনট ,পদার্থ নাকি স্রষ্টা?”

প্রশ্নঃ- কাফেরের জন্য কি ইসলাম গ্রহণ করা আবশ্যক?

প্রশ্নঃ- কাফেরের জন্য কি ইসলাম গ্রহণ করা আবশ্যক?
উত্তরঃ- প্রত্যেক কাফেরের উপরই ইসলাম গ্রহণ করা
ওয়াজিব। চাই সে কাফের ইয়াহুদী হোক বা খৃষ্টান হোক।
আল্লাহ তাআ’লা কুরআন মাজীদে এরশাদ করেন,

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله و الصلاة و السلام على رسول الله و على آله و صحبه.
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম শ্রেষ্ঠ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এবং শান্তি বর্ষিত হউক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের প্রতি ।
অতঃপর:

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ভূমিকা
মানুষকে আল্লাহর পথে আহবান একটি অর্পিত দায়িত্ব।
মুসলিম জাতির সচেতন অংশ খুব ভালো করেই জানেন যে, ইসলাম একটি বিশ্বজনীন জীবন ব্যবস্থা, যা গোটা মানব জাতির জন্য দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তা’য়ালা সমগ্র সৃষ্টিজগতের সৃষ্টিকর্তা বিধাতা প্রতিপালক এবং তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ সমর্পিত মানুষ, অর্থাৎ ‘মুসলিম’-তাদেরকে বাছাই করে নির্বাচন করা হয়েছে, মানব জাতির প্রতিটি সদস্যের কাছে তাঁর বাণী যথাযথভাবে পৌঁছে দেবার দায়িত্বশীল করে।
কিন্তু হায়! অধিকাংশ মুসলিম তার সে দায়িত্বের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। যেখানে আমাদের নিজেদের স্বার্থে জীবন যাপনের শ্রেষ্ঠতম পদ্ধতি হিসেবে পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করাই ছিল একমাত্র কাজ। সেখানে আমাদের বাস্তবতা আজ এই যে, এতটুকু ইচ্ছাও কারো মধ্যে অনুভুত হয়না যে, যাদের কাছে এখন পর্যন্ত এ বাণী পৌঁছেনি তাদেরকে এই পরম সত্যের অংশীদার করে নেই।
আরবী শব্দ ‘দা’ওয়াহর’ অর্থ আহবান বা আমন্ত্রণ। ইসলামী পরিভাষায় এর

ইসলাম সম্পর্কে অভিযোগ: ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তলোয়ারের মাধ্যমে আর মুসলমানরা অসহিঞ্চু।’ বাস্তবতা কতটুকু?

ইসলাম সম্পর্কে অভিযোগ: ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তলোয়ারেরমাধ্যমে আর মুসলমানরা অসহিঞ্চু।’ বাস্তবতা কতটুকু?

অনেক সামাজিক গ্রন্থে যে দৃশ্যটি দেখানো হয় তা হল, একজন ঘোড় সোওয়ার। যার এক হাতে রয়েছে উন্মুক্ত
তলোয়ার আর এক হাতে কুরআন। সে জোর করে মানুষকে ইসলামে দিক্ষীত করার জন্য যুদ্ধে ছুটে যাচ্ছে।
মূলতঃ এ দৃশ্যটি ইসলামের প্রকৃত রূপ নয়। ইসলাম সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টির জন্য এ জাতীয় একটি কল্পিত চিত্র
তুলে ধরা হয়েছে। ইসলাম কখনো অন্য কোন ধর্মাবলম্বীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করতে বলেনি। বরং সকল ধর্মকে সম্মান করতে শিক্ষা দিয়েছে। সকল ধর্মাবলম্বীদেরকে প্রদান করেছে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা। আল্লাহ তা’আলা
বলেনঃ

ইসলাম কি শুধু আরবদের জন্য!?

ইসলাম কি শুধু আরবদের জন্য!?

কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মানুষকে বলতে শোনা যায়, মুহাম্মাদ
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু আরবের অধিবাসী ছিলেন
তাই ইসলাম শুধু আরবদের জন্য। তাই তারা ‘আরবের ইসলাম’,
‘মুহাম্মাদের ইসলাম’ ইত্যাদি কথা বলে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের
মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায়। কিন্তু এ ধারণা কি ঠিক? উত্তর হল, না। অবশ্যই ঠিক
নয়। কারণ, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমগ্র বিশ্ববাসীর
নবী। সমগ্র মানবতার নবী। কুরআনে বলা হয়েছেঃ “আমি তো
তোমাকে সমগ্র মানবতার জন্য সতর্ককারী এবং শুভসংবাদদানকরী
হিসেবে প্রেরণ করেছি।” (সূরা সাবাঃ ২৮)
অতএব,

আল্লাহ কি সত্যিই আছেন !!!??

আল্লাহ কি সত্যিই আছেন !!!??


বিসমিল্লাহির রাহমানি রাহিম আস সালামু ‘আলাইকুম! যে কোন অনুশীলনরত মুসলিমের কাছে তো বটেই, এমন কি নামমাত্র মুসলিম বলে আখ্যায়িত করা যায় এমন কারো কাছেও “আল্লাহ্ কি সত্যিই আছেন?” এমন একটা প্রশ্ন, প্রাথমিক পর্যায়ে অবান্তর মনে হতে পারে। অনেকেই বলবেন যে, “মাদার ন্যাচার”, প্রকৃতি বা নিয়তি – এমন শব্দাবলীর আড়ালে বহু বস্তুবাদী বা মানবতাবাদীও আসলে আল্লাহর অস্তিত্বই স্বীকার করে থাকেন। তা সত্ত্বেও প্রশ্নটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং মুসলিম উম্মাহর জন্যই তা সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। চলুন আমরা ভেবে দেখি কেন? কুর’আনে একটি আয়াত রয়েছে যেখানে বলা হচ্ছে:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ