Showing posts with label দ্বীন ও ইসলাম. Show all posts
Showing posts with label দ্বীন ও ইসলাম. Show all posts

Tuesday, January 16, 2018

দ্বীন কায়েম বলতে কী বুঝায় ?

দ্বীন কায়েম বলতে কী বুঝায় ?
Deen Kayem
দ্বীন কায়েমের ব্যাপারে আল্লাহ যে আয়াত
অবতীর্ণ করেছেন তা হল : তিনি তোমাদের
জন্যে নির্ধারণ করেছেন দ্বীন যার নির্দেশ
দিয়েছিলেন তিনি নূহকে আর যা আমি ওহী করেছিলাম
তোমাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইবরাহীম, মূসা
ও ঈসাকে, এই বলে যে, তোমরা এই দ্বীনকে
কায়েম কর এবং ওতে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করো না। তুমি

Sunday, December 17, 2017

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইট ও গ্রুপ।

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইট ও গ্রুপ।

কুরআন ও সহীহ হাদীস ভিত্তিক ওয়েবসাইট গুলো ফলো করুন ।

1. www.hadithbd.com

2. www.quraneralo.com

3. www.preachingauthenticislmainbangla.blogspot.com

4. www.salafibd.wordpress.com

5. www.waytojannah.com

6. www.eshoallahorpothe.wordpress.com

7. islamijiggasa.wordpress.com

8. islamijiggasa.blogspot.com

9. www.islamhouse.com

10. https://islamqa.info/bn/

11. www.sotterdikeahobban.com


Group:

সম্পদ আর মর্যাদা কামাইয়ের উদ্দেশ্যে দীনকে ব্যবহার করার ভয়াবহতা!

সম্পদ আর মর্যাদা কামাইয়ের উদ্দেশ্যে দীনকে ব্যবহার করার ভয়াবহতা:
প্রখ্যাত সাহাবী কা’ব বিন মালেক আনসারী তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিন বলেন,
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

Saturday, December 16, 2017

১০টি ইসলাম ধ্বংসকারী বিষয়

১০টি ইসলাম ধ্বংসকারী বিষয়

 
 
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত। দরূদ ও সালাম অবতীর্ণ হোক সেই মহান নবীর উপর যার পরে আর কোন নবী নেই। আরো নাযিল হোক তাঁর পরিবার বর্গ, সহচর বৃন্দ এবং তাঁর হেদায়াতের অনুসারীদের উপর।
অত:পর হে মুসলিম ভাই! এ কথা জেনে নিন যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সকল বান্দার উপর ইসলামে প্রবেশ করা, উহা আঁকড়ে ধরা এবং উহার পরিপন্থী বিষয় থেকে সতর্ক থাকা ফরজ করেছেন। আর নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সে দিকে আহবান করার জন্যই প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ্‌ এই মর্মে ঘোষণা দিয়ে বলেন,

৭৯১ টি প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান

প্রশ্নোত্তরে ইসলামী জ্ঞান
সংকলন ও গ্রন্থনা : মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী (লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
(১ম পর্ব)
বিষয়: ঈমান ও আক্বীদা
১. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি?
উত্তরঃ আল্লাহ্‌।
২. প্রশ্নঃ আল্লাহর কতগুলো নাম রয়েছে?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলার নাম অসংখ্য-অগণিত।
৩. প্রশ্নঃ আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌ কোথায় আছেন?
উত্তরঃ সপ্তাকাশের উপর আরশে আযীমে। (সূরা ত্বহাঃ ৫)
৪. প্রশ্নঃ আল্লাহর আরশ কোথায় আছে?

তাওহীদ ও ঈমান (১ম পর্ব)- শিরকের ভয়াবহতা :

তাওহীদ ও ঈমান (১ম পর্ব)


তাওহীদ ও ঈমান (১ম পর্ব)
হে মানব সকল! তোমরা স্বীয় প্রতিপালকের ইবাদত কর যিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের সৃষ্টি করেছেন, এতে তোমরা আল্লাহ ভীরু ও মুত্তাকী হতে পারবে। যিনি তোমাদের জন্যে ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন। আর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তোমাদের জন্যে ফল-ফসল উৎপাদন করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসাবে। অতএব তোমরা জেনে- শুনে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকেও সমকক্ষ করোনা। (সূরা বাকারা : ২১-২২)
১- তাওহীদ:

কালিমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর অর্থ, শর্তসমূহ এবং ব্যক্তি ও সমাজ জীবন

الحمد لله رب العالمين و العاقبة للمتقين والصلاة و السلام على رسوله الأمين وعلى آله و صحبه أجمعين و بعد ،
বর্তমান পৃথিবীর এক পঞ্চমাংশ মানুষ মুসলিম হলেও প্রকৃত মুসলিম ও ঈমানদারের সংখ্যা উল্লেখিত অংকের যে বহুগুণ নীচে তা অস্বীকার করার উপায় নেই; কারণ অনেক লোক নামধাম দিয়ে ইসলাম ও ঈমানের দাবী করলেও প্রকৃত অর্থে তারা শির্কের বেড়াজাল থেকে নিজদের মুক্ত করতে পারেনি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

কালিমা মেনে চলার শর্তাবলী!!

কালেমা মেনে চলার শর্তাবলী!!


  1. “কালেমা” মেনে চলার শর্তাবলীএক : কালেমা তাইয়েবার অর্থ জানা। অর্থাৎ একালেমার দুটো অংশ রয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে জানা।সে দুটো অংশ হলো:
  2. ১. কোন হক মা’বুদ নেই২. আল্লাহ ছাড়া (অর্থাৎ তিনিই শুধু মা’বুদ)
  3. দুই : কালেমা তাইয়েবার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা।অর্থাৎ সর্ব-প্রকার সন্দেহ ও সংশয়মুক্ত পরিপূর্ণবিশ্বাস থাকা।
  4. তিন : কালেমার উপর এমন একাগ্রতা ও নিষ্ঠা রাখা, যাসর্বপ্রকার শিরকের পরিপন্থী।
  5. চার : কালেমাকে মনে প্রাণে সত্য বলে জানা,যাতে কোন প্রকার মিথ্যা বা কপটতা না থাকে।

ইসলামে আধুনিকতাবাদ!!

ইসলামে আধুনিকতাবাদ!!


মূল: জামাল-আল-দীন জারাবযো ; লিখেছেন শায়খ
এনামুল হক, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ICD
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম; আস সালামু আলাইকুম
আধুনিকতাবাদ কি এবং এর উৎপত্তি
সমকালীন “আধুনিকতাবাদী আন্দোলন” [বা
Modernist Movement’’] যে দশর্নের অনুসারী,
সেই দর্শন আমাদের হিজরী ৩য় শতাব্দীর একটি
গোষ্ঠীর কথা মনে করিয়ে দেয়। এই
গোষ্ঠীর নাম: মু’তাযিলা । যদিও

১০ টি ইসলাম/ঈমান বিনষ্টকারী বিষয়!

ইসলাম/ঈমান বিনষ্টকারী বিষয় সমুহ- Activity that destroy our eman

লেখক: মুহাম্মদ আব্দুর রব্ব আফ্ফান
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয় দশটি:
১। আল্লাহর ইবাদতে কোন কিছুকে শরীক করা:
আল্লাহ তাআলা বলেন:

ইসলাম বা ইমান বিনষ্টকারী ২৬ টি কারণ!

ইসলাম বিনষ্টকারী কারণসমূহ

ইসলামে এমন কিছু আমল আছে, তার কোনো একটিও যদি কোনো মুসলিম সম্পাদন করে তবে সে শিরক করল বলে বিবেচিত হবে। ফলে তার সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে যাবে এবং চিরস্থায়ীভাবে (জাহান্নামের) আগুনে প্রবেশ করবে। সেসব গুনাহ মহান আল্লাহ তওবা ব্যতীত ক্ষমা করেন না । নিম্নে সেগুলি বর্ণিত হল:
১। গাইরুল্লাহর নিকট দোআ করা। এ সম্বন্ধে আল্লাহ তাআলা বলেন:

ইসলাম সম্পর্কে অভিযোগ: ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তলোয়ারের মাধ্যমে আর মুসলমানরা অসহিঞ্চু।’ বাস্তবতা কতটুকু?

ইসলাম সম্পর্কে অভিযোগ: ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তলোয়ারেরমাধ্যমে আর মুসলমানরা অসহিঞ্চু।’ বাস্তবতা কতটুকু?

অনেক সামাজিক গ্রন্থে যে দৃশ্যটি দেখানো হয় তা হল, একজন ঘোড় সোওয়ার। যার এক হাতে রয়েছে উন্মুক্ত
তলোয়ার আর এক হাতে কুরআন। সে জোর করে মানুষকে ইসলামে দিক্ষীত করার জন্য যুদ্ধে ছুটে যাচ্ছে।
মূলতঃ এ দৃশ্যটি ইসলামের প্রকৃত রূপ নয়। ইসলাম সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টির জন্য এ জাতীয় একটি কল্পিত চিত্র
তুলে ধরা হয়েছে। ইসলাম কখনো অন্য কোন ধর্মাবলম্বীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করতে বলেনি। বরং সকল ধর্মকে সম্মান করতে শিক্ষা দিয়েছে। সকল ধর্মাবলম্বীদেরকে প্রদান করেছে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা। আল্লাহ তা’আলা
বলেনঃ

ইসলাম কি শুধু আরবদের জন্য!?

ইসলাম কি শুধু আরবদের জন্য!?

কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মানুষকে বলতে শোনা যায়, মুহাম্মাদ
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেহেতু আরবের অধিবাসী ছিলেন
তাই ইসলাম শুধু আরবদের জন্য। তাই তারা ‘আরবের ইসলাম’,
‘মুহাম্মাদের ইসলাম’ ইত্যাদি কথা বলে ইসলাম সম্পর্কে মানুষের
মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায়। কিন্তু এ ধারণা কি ঠিক? উত্তর হল, না। অবশ্যই ঠিক
নয়। কারণ, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমগ্র বিশ্ববাসীর
নবী। সমগ্র মানবতার নবী। কুরআনে বলা হয়েছেঃ “আমি তো
তোমাকে সমগ্র মানবতার জন্য সতর্ককারী এবং শুভসংবাদদানকরী
হিসেবে প্রেরণ করেছি।” (সূরা সাবাঃ ২৮)
অতএব,

Wednesday, October 25, 2017

ফরজ ওয়াজিব এবং সুন্নত কাকে বলে ?এসবেরহুকুম কি?

ফরজ ওয়াজিব এবং সুন্নত কাকে বলে ?এসবের
হুকুম কি?

ফরজ কাকে বলে?
যে বিধানটি ক্বতয়ী তথা অকাট্য দলীল দ্বারা প্রমাণিত।
তাকে ফরজ বলা হয়। অর্থাৎ যা আল্লাহর নির্দেশিত
পালনীয় আমল হবার বিষয়ে বিন্দু পরিমাণ কোন সন্দেহ না
থাকে। সেটি ফরজ।
যেমন নামায, রোযা, হজ্ব, যাকাত ইত্যাদি।
ফরজ অস্বিকারকারী কাফের।

শরীয়ত, কুফুরী, মুশরেকী, মুনাফেকী, ফাসেকী, ইহসান কাকে বলে?

প্রশ্নঃ শরীয়ত কাকে বলে?
উত্তরঃ পবিত্র কোরআন এবং হাদীস শরীফ দ্বারা ইসলামের
যে বিধান আমাদের উপর বিধিবদ্ধ হয়েছে তাই এক কথায়
শরীয়ত নামে অভিহিত।
প্রশ্নঃ কুফুরী কাকে বলে?
উত্তরঃ পবিত্র কোরআন শরীফ এবং হাদীস শরীফ
বিশ্বাসগত এবং আমলগত যে সব বিষয় অত্যাবশ্যকীয় রূপে
চিহ্নিত করেছে, সে গুলির মধ্যে হতে কোন একটির
অস্বীকৃতির নামই হলো কুফরী।
প্রশ্নঃ মুশরেকী কাকে বলে?

Sunday, October 22, 2017

‘বিদআত’ কাকে বলে? ‘বিদআতে হাসনাহ’ বলে কি কোন বিদআত আছে?

বিদআত বলা হয় দ্বীন বিষয়ক কোন নতুন কর্মকে, যার কোন দলীল শরীয়তে নেই। মহানবী (সঃ) বলেছেন, “ অবশ্যই তোমাদের মধ্যে যারা আমার বিদায়ের পর জীবিত থাকবে তাঁরা অনেক রকমের মতভেদ দেখতে পাবে। অতএব তোমরা আমার ও আমার সুপথপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদ্বীনের  সুন্নাহ অবলম্বন করো, তা দাঁত দ্বারা দৃঢ়তার সাথে ধারণ করো। (তাতে যা পাও মান্য কর এবং অন্য কোনও মতের দিকে আকৃষ্ট হয়ো না।) আর (দ্বীনে) নবরচিত কর্মসমূহ হতে সাবধান! কারণ, নিশ্চয় প্রত্যেক বিদআত (নতুন আমল) হল ভ্রষ্টতা।”(আবু দাঊদ ৪৪৪৩, তিরমিযী ২৮১৫, ইবনে নাজাহ ৪২ নং)
আর নাসাঈর এক বর্ণনায় আছে, “ আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতা জাহান্নামে(নিয়ে যায়)।” উক্ত হাদিস থেকে এ কথাও প্রমাণ হয় যে, বিদআতে হাসানাহ (ভাল বিদআত) বলে কোন বিদআত নেই। কারণ মহানবী (সঃ) বলেছেন, “প্রত্যেক বিদআত হল ভ্রষ্টতা।”

আপনি দ্বীন কায়েম করতে চান?

আপনি দ্বীন কায়েম করতে চান?
=========================
আপনি দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় ইসলামকে বিজয়ী দেখতে চান?
তাহলে কোরআনের এই আয়াতটি অনুধাবনের চেষ্টা করুন।
-আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঈমান আনবে ও সৎ কাজ করবে তাদেরকে তিনি পৃথিবীতে ঠিক তেমনিভাবে খিলাফত দান করবেন যেমন তাদের পূর্বে অতিক্রান্ত লোকদেরকে দান করেছিলেন, তাদের জন্য তাদের দীনকে মজবুত ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করে দেবেন, যাকে আল্লাহ তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের (বর্তমান) ভয়-ভীতির অবস্থাকে নিরাপত্তায় পরিবর্তিত করে দেবেন৷ তারা শুধু

বিদআত’ কাকে বলে? কখন কোন কাজকে ‘বিদআত’ বলে আখ্যায়ন করা হবে?

বিদআত’ কাকে বলে? কখন কোন কাজকে ‘বিদআত’ বলে আখ্যায়ন করা হবে?

বিদআত বলা হয় দ্বীন ও ইবাদতে নব আবিষ্কৃত কাজকে। অর্থাৎ দ্বীন বা ইবাদত মনে করে করা এমন কাজকে বিদআত বলা হবে, যে কাজের কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর কোন দলীল নেই। রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন,
“তোমরা (দ্বীন) নব উদ্ভাবিত কর্মসমূহ (বিদআত) থেকে বেঁচে থাকবে। কারণ, প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” ৮১ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী)
“যে ব্যক্তি আমার এই দ্বীনে (নিজের পক্ষ থেকে) কোন নতুন কিছু উদ্ভাবন করল--- যা তাঁর মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যানযোগ্য।” ৮২ (বুখারী ও মুসলিম)
মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে ব্যাক্তি এমন কাজ করল, যে ব্যপারে আমাদের নির্দেশ নেই, তা বর্জনীয়।”
বলা বাহুল্য, নব আবিষ্কৃত পার্থিব কোন বিষয়কে বিদআত বলা যাবে না। যেমন শরীয়াতে নিষিদ্ধ কোন কাজকে বিদআত বলা হয় না। বরং তাকে অবৈধ, হারাম বা মাকরূহ বলা হয়।

যে ব্যক্তি মনে করে, নারী-পুরুষের সমান অধিকার না দিয়ে ইসলাম নারীর প্রতি যুলুম করেছে, সে ব্যক্তির বিধান কি?

ইসলাম নারীকে পুরুষের সমান অধিকার না দিলেও, তাকে তাঁর যথাযথ অধিকার দান করেছে। ইসলাম তাঁর প্রতি কোন অন্যায় করেনি। ইসলামের এ অধিকার বণ্টনকে যদি কেও অস্বীকার করে এবং অন্যায় ও অবিচার মনে করে, তাহলে সে কাফের। ৮০ (ইবনে বায)

যে ব্যক্তি শরীয়তের কোন বিধানকে ‘অচল’ বা ‘বস্তাপচা’ মনে করে, সে ব্যক্তির বিধান কি?

যে ব্যক্তি শরীয়তের কোন বিধানকে ‘অচল’ বা ‘বস্তাপচা’ মনে করে, সে ব্যক্তির বিধান কি?

সে ব্যক্তি কাফের। যেহেতু শরীয়তের কোন বিধান অচল ও বস্তাপচা নয়। শরীয়তের বিধান বুঝার জন্য অথবা তা বহাল করার জন্য মানুষের বিবেক বুদ্ধি অচল হতে পারে। কিন্তু সে বিধান শাশ্বত, চিরন্তন ও কালজয়ী। ৭৯ (ইবনে বায)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ