Showing posts with label মাসিক-হায়েয/নেফাস-ইদ্দত. Show all posts
Showing posts with label মাসিক-হায়েয/নেফাস-ইদ্দত. Show all posts

Saturday, February 17, 2018

প্রশ্ন জনৈক স্ত্রীর মাসিক ঋতু সাতদিন স্থায়ী থাকে, স্বামী এ-সময় ধৈর্যধারণ করতে পারে না, যেহেতু তার যৌন চাহিদা প্রবল, তাই এ-সমস্যার সমাধানে কী করা উচিত?



প্রশ্ন
জনৈক স্ত্রীর মাসিক ঋতু সাতদিন স্থায়ী থাকে, স্বামী এ-সময় ধৈর্যধারণ করতে পারে না, যেহেতু তার যৌন চাহিদা প্রবল, তাই এ-সমস্যার সমাধানে কী করা উচিত?
উত্তর
আল-হামদুলিল্লাহ
স্ত্রীর ঋতুকালীন সহবাস ব্যতীত সবধরণের ভোগ-ক্রীড়া স্বামীর জন্য বৈধ। ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে মেলামেশা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :

Thursday, January 25, 2018

(৩৯৬) জনৈক বালিকা ছোট বয়সে ঋতুবতী হয়ে গেছে। সে অজ্ঞতা বশতঃ ঋতুর দিনগুলোতে রোযা পালন করেছে। এখন তার করণীয় কি?

(৩৯৬) জনৈক বালিকা ছোট বয়সে ঋতুবতী হয়ে গেছে। সে অজ্ঞতা বশতঃ ঋতুর দিনগুলোতে রোযা পালন করেছে। এখন তার করণীয় কি?


তার উপর আবশ্যক হচ্ছে, ঋতু অবস্থায় যে কয়দিনের ছিয়াম আদায় করেছে সেগুলোর কাযা আদায় করা। কেননা ঋতু অবস্থায় ছিয়াম পালন করলে বিশুদ্ধ হবে না এবং গ্রহণীয় হবে না। যদিও তা অজ্ঞতা বশতঃ হয়ে থাকে। তাছাড়া পরবর্তীতে যে কোন সময় তা কাযা করা সম্ভব। কাযা আদায় করার জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় নেই।
এর বিপরীত আরেকটি মাসআলা হচ্ছে, অল্প বয়সে জনৈক বালিকা ঋতুবতী হয়ে গেছে। কিন্তু

Wednesday, January 24, 2018

(৪১৭) ঋতুবতী যদি ফজরের পূর্বে পবিত্র হয় এবং ফজর হওয়ার পর গোসল করে, তবে তার রোযার বিধান কি?

(৪১৭) ঋতুবতী যদি ফজরের পূর্বে পবিত্র হয় এবং ফজর হওয়ার পর গোসল করে, তবে তার রোযার বিধান কি?


ফজরের পূর্বে পবিত্র হয়েছে এব্যাপারে নিশ্চিত হলে, তার ছিয়াম বিশুদ্ধ হবে। কেননা নারীদের মধ্যে অনেকে এমন আছে, ধারণা করে যে পবিত্র হয়ে গেছে অথচ সে আসলে পবিত্র হয়নি। এই কারণে নারীরা আয়েশা (রাঃ) এর কাছে আসতেন তাদের লজ্জাস্থানে তুলা লাগিয়ে উক্ত তুলার চিহ্ন দেখানোর জন্য যে, তারা কি পবিত্র হয়েছেন? তখন তিনি বলতেন, لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ  ‘তোমরা তাড়াহুড়া করবে না যতক্ষণ না তোমরা কাছ্‌ছা বাইযা (বা সাদা পানি) না দেখ।’ অতএব নারী অবশ্যই ধীরস্থিরতার সাথে লক্ষ্য করবে এবং নিশ্চিত হবে পূর্ণরূপে পবিত্র হয়েছে কিনা। যদি পবিত্র হয়ে যায় তবে ছিয়ামের নিয়ত করে নিবে। ফজর হওয়ার পর গোসল করবে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু নামাযের দিকে লক্ষ্য রেখে দ্রুত গোসল সেরে নেয়ার চেষ্টা করবে, যাতে

Tuesday, January 2, 2018

হায়েজ বা ঋতুস্রাব অবস্থায় মহিলাদের জন্য যে সকল কাজ করা হারাম!!

হায়েজ বা ঋতুস্রাব অবস্থায় মহিলাদের জন্য

যে সকল কাজ করা হারাম
গ্রন্থনায়: আবদুল্লাহ আল কাফী
সম্পাদনয়: আব্দুল্লাহিল হাদী
(ক) ঋতুবতী মহিলার সাথে সহবাসে লিপ্ত হওয়া হারাম:
এ কথার দলীল, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন:

Sunday, December 31, 2017

মহিলাদের স্রাব ও প্রসূতি অবস্থার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৬০টি প্রশ্ন

মহিলাদের স্রাব ও প্রসূতি অবস্থার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৬০টি প্রশ্ন

بسم الله الرحمن الرحيم
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দরূদ এবং সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), তাঁর পরিবার-পরিজন, ছাহাবীবর্গ এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত তাঁর পথের পথিকদের উপর।
হে মুসলিম বোন! ইবাদতের ক্ষেত্রে মহিলাদের ঋতুস্রাবের বিধিবিধান সংক্রান্ত নানাবিধ প্রশ্ন আলেম সমাজের নিকট উপস্থাপিত হয়। বিধায় আমরা এ সংক্রান্ত বারংবার পেশকৃত প্রশ্নাবলী একত্রিত করার কথা ভেবেছি। আর সংক্ষিপ্ত করার মানসে প্রশ্নগুলোকে বেশী বিস্তারিত করা হয়নি।
মুসলিম বোন! ইসলামী শরীআতে ফিক্বহ-এর অপরিসীম গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে প্রশ্নগুলোকে আমরা একত্রিত করেছি, যাতে সেগুলো সর্বদা আপনার হাতের নাগালে থাকে এবং জাগ্রত জ্ঞান সহকারে আপনি আল্লাহর ইবাদত করতে পারেন।
দৃষ্টি আকর্ষণঃ

Tuesday, December 26, 2017

নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব সংক্রান্ত ফাতাওয়া

নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব


ভূমিকা
নারী জাতি সাধারণত: তিন প্রকার রক্তস্রাবে আক্রান্ত হয়ে থাকে।
যথা:
১) হায়েয মাসিক রক্তস্রাব)।
২) ইস্তেহাযাহ হায়েয ও নেফাসের দিন উত্তীর্ণ হওয়ার পর যে রক্তস্রাব হয়)।
৩) নেফাস সন্তান প্রসবের পরের রক্তস্রাব)।
উপরোক্ত তিন প্রকার রক্তস্রাব এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর অন্তর্ভুক্ত যার বিধি-বিধানের বর্ণনা অতীব জরুরী এবং

Tuesday, November 14, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৮১. ইদ্দত চলাকালীন সময় বিধবা মহিলার শরীয়ত নিষিদ্ধ যে কোন কাজ করা

১৮১. ইদ্দত চলাকালীন সময় বিধবা মহিলার শরীয়ত নিষিদ্ধ যে কোন কাজ করা


ইদ্দত চলা কালীন সময় বিধবা মহিলার শরীয়ত নিষিদ্ধ যে কোন কাজ করা হারাম।
উম্মে ‘আত্বিয়্যাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ১৭৯. ইদ্দত চলাকালীন অবস্থায় কোন মহিলার সাথে সহবাস করা

১৭৯. ইদ্দত চলাকালীন অবস্থায় কোন মহিলার সাথে সহবাস করা


ইদ্দত চলাকালীন অবস্থায় কোন মহিলার সাথে সহবাস করা হারাম। ইদ্দত বলতে এখানে কাফিরদের সাথে যুদ্ধকালীন সময়ে কোন বিবাহিতা বান্দিকে ধরে আনার পর তার একটি ঋতুস্রাব অতিক্রম করা অথবা তার পেটে বাচ্চা থাকলে তার বাচ্চাটি প্রসব হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাকে বুঝানো হয়।
রুওয়াইফি’ বিন্ সাবিত আন্সারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ’হুনাইন যুদ্ধের সময় বলতে শুনেছি তিনি বলেন:

Monday, November 13, 2017

১৫৫. স্বামী ছাড়া অন্য কোন আত্মীয়া-বান্ধবীর জন্য কোন মহিলার তিন দিনের বেশি শোক পালন করা

১৫৫. স্বামী ছাড়া অন্য কোন আত্মীয়া-বান্ধবীর জন্য কোন মহিলার তিন দিনের বেশি শোক পালন করা


স্বামী ছাড়া অন্য কোন আত্মীয়া-বান্ধবীর জন্য কোন মহিলার তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম।
যায়নাব বিন্তে আবী সালামাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: যখন শাম দেশ থেকে আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) এর মৃত্যু সংবাদ আসলো তখন এর তৃতীয় দিনে (তাঁর মেয়ে) উম্মে ’হাবীবাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) তাঁর দু’ হাত ও উভয় গন্ডদেশে হলুদ রঙ্গের খোশবু লাগিয়ে বললেন:

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৯৭. ঋতুবতী মহিলার সাথে সহবাস করা

৯৭. ঋতুবতী মহিলার সাথে সহবাস করা


ঋতুবতী মহিলার সাথে সহবাস করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্ ও হারাম।
আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন:
«وَيَسْأَلُوْنَكَ عَنِ الْـمَحِيْضِ، قُلْ هُوَ أَذًى، فَاعْتَزِلُوْا النِّسَاءَ فِي الْـمَحِيْضِ، وَلَا تَقْرَبُوْهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ»
‘‘তারা আপনাকে নারীদের ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছে। আপনি বলে দিন: তা হচ্ছে অশুচিতা। অতএব তোমরা ঋতুকালে স্ত্রীদের নিকট থেকে দূরে থাকো। এমনকি তারা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তীও হবে না’’। (বাকারাহ : ২২২)
আবূ হুরাইরাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

প্রশ্ন : বিপদগ্রস্তদের জন্য কি কোনো আমল আছে? যদি বিপদের আশংকা থাকলে তাহলে কি দুয়া বা আমল করা যায় ? নিজের কোনো বিপদের আশংকা করলে বা বিপদগ্রস্ত হলে পিরিয়ড অবস্থায় কি কি আমাল বা দুয়া করা যাবে।

প্রশ্ন : বিপদগ্রস্তদের জন্য কি কোনো আমল আছে? যদি বিপদের আশংকা থাকলে তাহলে কি দুয়া বা আমল করা যায় ? নিজের কোনো বিপদের আশংকা করলে বা বিপদগ্রস্ত হলে পিরিয়ড অবস্থায় কি কি আমাল বা দুয়া করা যাবে।
উত্তর : বিপদ-মসিবতে পাঠ করার জন্য কতিপয় দুয়া এবং এর জন্য আমল: 
১) উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে বলতে শুনেছি, মানুষের ওপর কোনো বিপদ এলে সে যদি এই দোয়া পাঠ করে- আল্লাহতায়ালা তাকে তার বিপদের প্রতিদান দেন এবং সে যা কিছু হারিয়েছে তার বদলে তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করেন। 

ঋতু চলা কালীন সময় কুরআন তিলাওয়াত করা বা কুরআন স্পর্শ করার হুকুম কি?

*ঋতু চলা কালীন সময় কুরআন তিলাওয়াত করা বা কুরআন স্পর্শ করার হুকুম।*
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
❓প্রশ্ন ১: মেয়েদের মাসিকের সময় কুরআন মেমরি থেকে তেলাওয়াত কি জায়েজ?
❓ প্রশ্ন ২: মুখস্থ সূরা ভুলে যাওয়ার আশংকা থাকলে হ্যান্ড গ্লাভস পরে মেয়েরা কি কুরআন ধরে পড়তে পারবে পিরিওডের সময়?

✅ উত্তর: অধিকাংশ আলিমের মতে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঋতু অবস্থায় কুরআন পাঠ করা জায়েয নেই। তবে বিশেষ প্রয়োজন হলে জায়েয রয়েছে। যেমন, কুরআন ভুলে যাওয়ার আশংকা, কুরআনের পরীক্ষা, কুরআন শিক্ষা দান যদি বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকে ইত্যাদি।
যদিও

Monday, November 6, 2017

কবিরা গুনাহঃ ১৭. স্ত্রীর গুহ্যদ্বার ব্যবহার অথবা মাসিক অবস্থায় তার সাথে সঙ্গম করা

১৭. স্ত্রীর গুহ্যদ্বার ব্যবহার অথবা মাসিক অবস্থায় তার সাথে সঙ্গম করা


১৭. স্ত্রীর গুহ্যদ্বার ব্যবহার অথবা মাসিক অবস্থায় তার সাথে সঙ্গম করা:
কামোত্তেজনা প্রশমনের জন্য স্ত্রীদের মলদ্বার ব্যবহার অথবা মাসিক অবস্থায় তার সাথে সঙ্গম করা আরেকটি মারাত্মক অপরাধ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত কর্মকে ছোট সমকাম বলে আখ্যায়িত করেছেন।
‘আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Wednesday, October 25, 2017

পরিজনের সাথে এক সঙ্গে রোযা রাখার উদেশ্যে মহিলারা ট্যাবলেট খেয়ে মাসিক বন্ধ রাখতে পারে কি?

পরিজনের সাথে এক সঙ্গে রোযা রাখার উদেশ্যে মহিলারা ট্যাবলেট খেয়ে মাসিক বন্ধ রাখতে পারে কি?


মহান আল্লাহ্‌র দেওয়া এ প্রাকৃতিকে রোধ করলে তাঁর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। মাসিক নিবারক ট্যাবলেট ব্যবহারে মহিলার গর্ভাশয়েরও নানান ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে; যেমন সে কথা ডাক্তারগণ উল্লেখ করে থাকেন। সুতরাং ঔষধ ঐভাবে মাসিক বন্ধ রেখে এবং পবিত্রতা থেকে রোযা রাখে, তাহলে সে রোযা শুদ্ধ ও যথেষ্ট হয়ে যাবে। ২৬১ (ইবনে উষাইমীন)

শোনা যায়, ফিতরা না দিলে রোযা কবুল হয় না।--- এ কথা কি সত্যি?


এ মর্মে একটি হাদীস বর্ণিত আছে, যা সহীহ নয়। ২৬০ (সিঃ যয়ীফাহ ৪৩ নং)

Tuesday, October 24, 2017

কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ?

কোন কোন মহিলা ঋতু বন্ধের পরেও গোসল করতে দেরি করে। অতঃপর যখন গোসল করে, তারপর থেকে নামায পড়তে শুরু করে। তাঁদের এমন কাজ কি বৈধ? যেমন এক মহিলার আসরের সময় খুন বন্ধ হল। অতঃপর নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় থেকে রাত্রের গোসল করল না। পরদিন দুপুরে গোসল করে যোহরের নামায পড়ল। গোসল করার পূর্বে যে নামাযগুলো ছেড়ে দিল, সেগুলি কি মাফ?

অবশ্যই মাফ নয়। তাঁর উচিৎ, যথাসময়ে গোসল করে নামায শুরু করা। কোন বৈধ কারণে যদি গোসল করতে দেরিও হয়, খুন বন্ধ হওয়ার পর থেকে যে নামায ছুটে গেছে, সেগুলো ক্বাযা পড়তে হবে। নামায নিজের ইচ্ছামতো পড়ার জিনিস নয়। মিথ্যা ওজর দিয়ে এড়িয়ে গিয়ে সন্মান বাঁচানোর জিনিস নয়। মহান আল্লাহ্‌র কাছে হিসাব লাগবে। মানুষকে ঠকানো গেলেও, তাকে ঠকানো যাবে না। তিনি বলেছেন, “তাঁদের পর এল অপদার্থ পরবর্তীগন, তাঁরা নামায নষ্ট করল ও প্রবৃত্তিপরায়ণ হল; সুতরাং তাঁরা অচিরেই অমঙ্গল প্রত্যক্ষ করবে।”(মারয়্যামঃ ৫৯)
“সুতরাং পরিতাপ সেই নামায আদায়কারীদের জন্য; যারা তাঁদের নামাযে অমনোযোগী। যারা লোক প্রদর্শন (করে তা আদায়) করে।” (মাঊনঃ ৪-৬)

Sunday, October 22, 2017

গর্ভাবস্থায় নিয়মিত খুন দেখা গেলে, তা হায়েয, নাকি ইস্তিহাযা?

গর্ভাবস্থায় নিয়মিত খুন দেখা গেলে, তা হায়েয, নাকি ইস্তিহাযা?


সঠিক মতে তা হায়েয বা মাসিকের খুন। যদি মহিলার পূর্বেকার অভ্যাস অনুযায়ী তা এসে থাকে। যেহেতু কিতাব ও সুন্নাহতে এমন দলীল নেই, যাতে বুঝা যায় যে, গর্ভকালের খুন মাসিক নয়। ১৩৪ (ইবনে উষাইমীন)

ঋতুরোধক ঔষধ ব্যবহার করে মাসিক ঋতু বন্ধ রেখে যথাসময়ে রোযা বা হজ্জ করা কি মহিলাদের জন্য বৈধ?

ঋতুরোধক ঔষধ ব্যবহার করে মাসিক ঋতু বন্ধ রেখে যথাসময়ে রোযা বা হজ্জ করা কি মহিলাদের জন্য বৈধ?


বৈধ, যদি তাতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা স্বাস্থ্যগত ক্ষতি না থাকে তবে। এ ব্যাপারে বিশিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। ১১৯ (লাজনাহে দায়েমাহ)

Wednesday, October 18, 2017

নিফাস এর বিধিবিধান।

নিফাস
প্রসবের ২/১ দিন পূর্ব থেকে বা প্রসবের পর থেকেই লাগাতার ক্ষরণীয় খুনকে নিফাসের খুন বলে। এই খুন সর্বাধিক ৪০ দিন ঝরতে থাকে এবং এটাই তার সর্বশেষ সময়। সুতরাং ৪০ দিন পর খুন দেখা দিলেও মহিলা গোসল করে নামায-রোযা করবে। অবশ্য ৪০ দিনের মাথায় যদি প্রসূতির মাসিক আসার সময় হয় এবং খুন একটানা থেকে যায়, তবে তার অভ্যাসমত মাসিককালও অপেক্ষা করে তারপর গোসল করবে।
৪০ দিন পূর্বে এই খুন বন্ধ হলেও গোসল সেরে নামায-রোযা করবে।  স্বামী সহবাসও বৈধ হবে। কিন্তু

ইস্তিহাযার বিস্তারিত বিধিবিধান।

ইস্তিহাযা
মাসিকের খুন একটানা আসতেই থাকলে অথবা ২/১ দিন ছাড়া সারা মাসে খুন বন্ধ না হলে এমন খুনকে ইস্তিহাযার খুন বলে। আর যে নারীর এমন খুন আসে তাকে মুস্তাহাযা বলে।
মুস্তাহাযার তিন অবস্থা হতে পারেঃ-
১- একজন মহিলার পূর্বে যথানিয়মে মাসিক হত। কিন্তু পরে ধারাবাহিক খুন এসে আর বন্ধ হয় না। সুতরাং এমন মহিলার অভ্যাসগতভাবে যে ক’দিন খুন আসত সেই ক’দিনকে মাসিক ধরে বাকী পরের দিনগুলিকে ইস্তিহাযার খুন ধরে নেবে। সুতরাং

নারীর মাসিক বা হায়েজের বিস্তারিত বিধিবিধান। মাসিক অবস্থায় নারীদের জন্য যেসকল কাজকর্ম হারাম!

অশুচিতা
যুবতী নারীর সৃষ্টিগত প্রকৃতি মাসিক রক্তস্রাব তার ইদ্দত ইত্যাদির হিসাব দেয়, গর্ভের খবর জানা যায়। আর ঐ স্রাবই তার গর্ভস্থিত ভ্রূণের আহার হয়।
গর্ভাবস্থাতেও মাসিক আসতে পারে। এমন হলে এই মাসিকে তালাক হারাম নয়। কারণ, তার ইদ্দত হল গর্ভকাল।[1]
অভ্যাসগত দিনে আগে-পিছে হয়ে মাসিক হলেও তা মাসিকের খুন, অভ্যাস ৭ দিনের থাকলে যদি ৬ দিনে পবিত্রা হয় তবে সে পবিত্রা, ৮ম দিনেও খুন বিদ্যমান থাকলে তা মাসিকের খুন।[2]
মাসিকের খুন সাধারণতঃ রক্তের ন্যায়। কিন্তু

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ