Showing posts with label ইখতেলাফ - মতবিরোধ - মাযহাব. Show all posts
Showing posts with label ইখতেলাফ - মতবিরোধ - মাযহাব. Show all posts

Tuesday, January 16, 2018

প্রশ্নঃ সূফি তরিকাসমূহ যেমনঃ সায়ারি’য়া, তারিকা, হাকিকা এবং মা’রিফা; এই তরিকাগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাগণ(রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দের শিক্ষা দিয়েছেন?

প্রশ্নঃ সূফি তরিকাসমূহ যেমনঃ সায়ারি’য়া, তারিকা, হাকিকা এবং মা’রিফা; এই তরিকাগুলো কি সত্যিই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাগণ(রাদিয়াল্লাহু আনহুম) দের শিক্ষা দিয়েছেন?
প্রশংসা আল্লাহর জন্যে,
আমরা অবশ্যই জেনে নিব যে, আল-সুফিয়াহ (সূফিবাদ) শব্দটি দ্বারা ওলের তৈরি পোশাক পরিধান করাকে (আরবি শব্দ ‘সুফ’ মানে ‘উল’) বুঝায় এবং এছাড়া কিছু নয়।

শিয়া-রাফেযী সম্প্রদায়ের ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা র. এর বক্তব্য- ৬২টি প্রশ্নত্তর

শিয়া-রাফেযী সম্প্রদায়ের ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা র. এর বক্তব্য- ৬২টিপ্রশ্নের আকারে১. প্রশ্ন: শিয়া-রাফেযীসম্প্রদায়েরব্যাপারেশাইখুলইসলামইবনুতাইমিয়্যার. এরবক্তব্যকী?১. উত্তর: তারা অজ্ঞতা ও যুলুমের দিক বিবেচনায় ভীষণভাবে প্রবৃত্তির পূজারী;নবীগণের পরে প্রথম সারির মুহাজির ও আনসার এবং যাঁরা তাঁদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণকরেছে (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তাঁরাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট), তাঁদেরমধ্যকার আল্লাহ তা‘আলার উত্তম বন্ধুদের সাথে তারা (রাফেযীরা) শত্রুতা করে; পক্ষান্তরেতারা ইয়াহূদী, খ্রিষ্টান, মুশরিক এবং নুসাইরি (তথাকথিত সিরিয়ার আলাভী সম্প্রদায়), ইসমাঈলিয়্যা(আগাখানী সম্প্রদায়) ও অন্যান্য পথভ্রষ্ট নাস্তিকদের বিভিন্ন কাফির ও মুনাফিকদেরকেবন্ধুরূপে গ্রহণ করে। [পৃ. ২০, ১ম খণ্ড]।* * *২. প্রশ্ন: তারাকিইয়াহূদীদেরসহযোগিতাকারী ?

লালন ফকির ও গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে

লালন ফকির ও গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে

শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই কবিতা লেখার কাজটিকে প্রীতির চোখেই দেখা হয়। যদিও এই দেখার মধ্যে সর্বদা যে প্রীতিই প্রতিভাত হয় তা নয়, অবজ্ঞা, করুণা ও কৌতুকও মিশ্রিত থাকে। অর্থাৎ কবিরা নিজে যাই ভাবুন, বিদগ্ধ সাহিত্যপ্রেমীরা যাই বলুন- এটা সত্য যে, কবিদের সামাজিক মূল্য বিশেষ আশাপ্রদ নয়, উল্লেখযোগ্যও নয়। নোবেল পুরস্কার পেয়ে কেউ কেই আকস্মিকভাবে ধনাঢ্য ও জগদ্বিখ্যাত হয়ে যান বটে, কিন্তু সে নিতান্তই ব্যতিক্রম। অধিকাংশ কবিই আমৃত্যু এক ধরণের অবহেলার মধ্যেই জীবন যাপন করেন। অবশ্য একালের কবিরা যেহেতু একটু চতুর প্রকৃতির, তাঁরা কবিতার সঙ্গে সঙ্গে অন্যদিকেও যথোচিত মনোনিবেশ করেন। তাঁরা যুগপৎ শিক্ষিত,

যোগ্য আলেম কে? কার কাছ থেকে ফতওয়া নিতে হবে? ফুটপাথের ফতওয়া নেয়া যাবে কিনা?


যোগ্য আলেম কে? কার কাছ থেকে ফতওয়া নিতে হবে? ফুটপাথের ফতওয়া নেয়া যাবে কিনা?

যারা দ্বীন শেখার প্রচন্ড তাগিদ ও উত্সাহ নিয়ে বিভিন্ন ইমাম, খতিব বা দেশীয় ভাষায় হুজুরদের পেছনে পেছনে ঘুরেছেন তারা হয়ত বুঝে থাকবেন, আমাদের দেশে দ্বীন শেখার সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে ভাল আলেম নির্বাচন।
কারন এই আলেমদের কথায় কেউ মাজারে সিজদা দিচ্ছে, কেউ বায়তুল মোকাররমে জুতা ছুড়াছুড়ি করছে, কেউ বা পীর সাহেবের নামে মুরগী জবাই করছে, কেউ চিল্লা দিয়ে জান্নাতের সার্টিফিকেট নিচ্ছে, কেউ ক্লিন সেভ করা যায়েজ মনে করছে, কেউ বা মিলাদ পড়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায় করছে, কেউ বা জিহাদের ডাক না দেওয়া সকল আলেম কে জালেম/কাফের/গোমরাহ মনে করছে, কেউ বা ইসলামের মধ্যে হরতাল-গনতন্ত্র ইত্যাদী আবিস্কার করছে। এ অবস্হায় কোনদিকে যাব বা কার কথা মানব এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বড় কঠিন ব্যাপার। বিশেষ করে এ ধরনের প্রশ্ন তো থেকেই যায় যে,

যে কোন ‘আলেম, নেতা বা মুরুব্বীর আনুগত্যই “শর্ত সাপেক্ষ”

যে কোন ‘আলেম, নেতা বা মুরুব্বীর আনুগত্যই “শর্ত সাপেক্ষ”

আল্লাহর আদেশে মুসলিমরা তাদের ইমামের কি সাংঘাতিক রকমের আনুগত্যই না করে!! বাইরে থেকে যদি, মুসলিম নয় এমন একজন লোক ১০, ১৫ বা ২০ লক্ষ লোকের একটা জামাত দেখে – যেমনটা মক্কার মসজিদুল হারামে হজ্জ বা তারাবীর সময় দেখা যায় – তবে তার অবাক হবারই কথা। একজন মানুষের command-এ কিভাবে এতগুলো লোক রুকুতে বা সিজদায় যাচ্ছে – বুঝিবা তাদের নিজস্ব কোন সত্তাই নেই! কিন্তু এই আনুগত্য কি unconditional বা নিঃশর্ত ?

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় (১ম পর্ব)

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় (১ম পর্ব)

ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম
(পরম দয়ালু, করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু করছি)
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের। আমরা তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি । অন্তরের অনিষ্ট (কুমন্ত্রণা) এবং মন্দ আমল হতে তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা করছি। যাকে আল্লাহ হিদায়েত দান করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না, আর যে গোমরাহ হয়ে যায় তাকে কেউ হিদায়েত দিতে পারে না।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া সত্যিকারের কোনো মাবুদ নেই এবং তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল।
পূর্ব যুগে মানুষের দু:খ-দুর্দশা বিশেষত: মুসলমানদের কষ্ট-মুসিবত, যুদ্ধ-ফেতনা ইত্যাদির কারণ অনুসন্ধান করে দেখা গেছে তাওহিদ সম্পর্কে জ্ঞানের অপ্রতুলতা, উদাসীনতা ও নানা শিরকি কাজে জড়িয়ে পড়াই ছিল এর মূল কারণ। শিরকমুক্ত তাওহিদের চর্চ-অনুশীলন না থাকার সুযোগটি শয়তান গ্রহণ করেছে । এবং

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় (২য় পর্ব)

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় (২য় পর্ব)

১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয়
আকীদা আগে না হুকুমত আগে ?
মক্কা মোকাররমার প্রসিদ্ধ দারুল হাদিসে এক আলোচনায় বিশ্ব বরেণ্য ইসলামি চিন্তাবিদ প্রখ্যাত শায়খ মুহাম্মাদ কুতুব অতি গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশ্নটির জবাব দিয়েছিলেন, আমরা এখানে সে উত্তরটি সম্মনীত পাঠক সমীপে উপস্থাপন করছি।
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: বর্তমানে কিছুলোক বলে থাকেন, ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠিত হলে ইসলাম পুনরুজ্জীবিত হত। আবার অন্যেরা বলেন: ইসলাম আবারো তাজা হবে যদি আকীদাকে সহিহ করার মেহনত করা হয় এবং জামাআত সুসংগঠিত করা হয়। এর কোনটা সত্য ?

মাযহাব মানা ফরয নাকি রাসূলের আনুগত্য করা ফরয?

মাযহাব মানা ফরয নাকি রাসূলের আনুগত্য করা
ফরয?
(1) হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং
রাসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর। আর তোমাদের
আমলসমুহ বিনষ্ট করো না। (Muhammad: 33)
(2) রাসুল তোমাদের যা দেন তা গ্রহন কর এবং যা
নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক। (Al-Hashr :
07)
(3) আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের
আনুগত্য করে আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর
তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই কৃতকার্য। (An-Noor:
52)

মাজহাব মানা ও না মানা এর সংশয় নিরসন

মাজহাব মানা ও না মানা এর সংশয় নিরসন

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর। দুরুদ ও সালাম নাজিল হোক প্রিয় নবী(সা) এর উপর।

ইসলামের ৪ মহান ইমাম-
ইমাম আবু হানীফা(রহ), ইমাম মালেক ইবন আনাস(রহ),ইমাম শাফেয়ী(রহ) এবং ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল(রহ)
এছাড়াও আরো মুজতাহিদ ইমাম ছিলেন,তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ইমাম সুফিয়ান ছাওরী, ইমাম আওযাঈ,ইমাম ইসহাক ইবন রাহ’ওয়া।
বর্তমানে আমাদের মুসলিমদের মধ্যে একটি বড় ব্যাধি হল – মাজহাব মানা ও না মানা নিয়ে ঝগড়া করা।
মাজহাব মানা বলতে বুঝানো হচ্ছে

ভন্ড পীরদেরকে নিয়ে খুবই চমৎকার একটি কবিতা

ভন্ড পীরদেরকে নিয়ে খুবই চমৎকার একটি কবিতা


*ভন্ড পীরদেরকে নিয়ে কবিতা* বিয়ে হল আজ সাতটি বছর, বাচ্ছা আসেনি কোলে।দিন কাটে তাই রহিম মিয়ার, নিদ্রা আহার ভুলে।শ্বাশুড়ী বলল- যাওনা বাবা, পাগলা পীরের কাছে, খুলে বল তারে মনের কথা, ,ইচ্ছে যত আছে। পরের দিন’ই রহীম মিয়া, ছুটল পীরের বাড়ি।সাথে নিয়েছে ফলফলাদি, মিষ্টি রসের হাড়ি। পৌঁছল এসে ঠিক দুপুরে, যেইখানে আছেপীর। দেখল সেথা খানকা ঘিরে, প্রচুর লোকের ভীড়। পীরের হাতে সোনার আংটি, গলায় টাকার মালা। চেয়ারখানা শৌখিন বটে, ম্যালা টাকার ঠেলা . ভাবলোবসে রহীম মিয়া, মুখে দিয়ে তার হাত। পীরে তাকে বাচ্ছা দিবে, রক্ষে হবে জাত। খানিক বাদে ডাক এসেছে,’ রহীম মিয়া’ বলে। সুড়সুড়িয়ে পীরের কাছে, রহীম এল চলে। বলল

ভন্ডপীর দেওয়ানবাগীর মুখোশ উন্মোচন।

❑ ভন্ডপীর দেওয়ানবাগীর মুখোশ
উন্মোচন।
একটু কষ্ট করে পড়ুন এবং পড়া শেষ
হলে ছবিটি সবার সাথে শেয়ার করে এই
ভণ্ডের মুখোশ সবার মাঝে খুলে দিন।
নাম মাহবুব এ খোদা,
সর্বস্তরে দেওয়ানবাগী নামে পরিচিত।
জন্ম ২৭ শে অগ্রহায়ন ১৩৫৬
বাংলা মোতাবেক ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৪৯
ইংরেজী। জন্মস্থান ব্রাক্ষনবাড়ীয়
জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন বাহাদুরপুর
গ্রামে। পিতা সৈয়দ আব্দুর রশিদ সরদার।
মাতা জোবেদা খাতুন । ছয় ভাই দুই বোন।
ভাইদের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠ।এক
নজরে দেওয়ানবাগীর
লিখা এবং বলা কিছু আকিদা ও

ফিরকায়ে নাযিয়া এর পরিচয়

ফিরকায়ে নাযিয়া এর পরিচয়

অনুবাদ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেছেন যে, নিশ্চয়ই আমার উম্মতের উপরে তেমন অবস্থা আসবে, যেমন এসেছিল বনু ইস্রাঈলের উপরে এক জোড়া জুতার পরস্পরের সমান হওয়ার ন্যায়। এমনকি তাদের মধ্যে যদি এমন কেউ থাকে, যে তার মায়ের সাথে প্রকাশ্যে যেনা করেছে, তাহ’লে আমার উম্মতের মধ্যে তেমন লোকও পাওয়া যাবে যে এমন কাজ করবে। আর বনু ইস্রাঈল ৭২ ফের্কায় বিভক্ত হয়েছিল, আমার উম্মত ৭৩ ফের্কায় বিভক্ত হবে। সবাই জাহান্নামে যাবে, একটি দল ব্যতীত। তারা বললেন, সেটি কোন দল হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, যারা আমি ও আমার ছাহাবীগণ যার উপরে আছি, তার উপরে টিকে থাকবে’। – অতঃপর

Monday, January 15, 2018

তাবলীগী ভাইদের ফাযায়েলে আমাল সম্পর্কে সৌদি আরবের উলামাদের ফাতওয়া

তাবলীগী ভাইদের ফাযায়েলে আমাল সম্পর্কে সৌদি আরবের উলামাদের ফাতওয়া

প্রশংসা আল্লাহর জন্য
 “ফাযায়েলে আমাল” বই এর আসল নাম “তাবলীগ ই নিসাব” লিখেছেন মুহাম্মাদ যাকারিয়া আল-কান্দলভী যেখানে তিনি নৈতিক উৎকর্ষ সম্পন্ন কাজের জন্য কিছু অনুচ্ছেদ সমষ্টিবদ্ধ করেছেন। লেখক এ জন্যই বইটি লিখেছেন যেন তাবলীগ ই জামাতের লোকেরা বইটি থেকে উদ্ধৃতি দিতে পারে। এই বইটি তাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তারা বইটি তাদের সমাবেশে, স্কুলে এবং মসজিদে পড়ে থাকে। এটা উর্দুতে লিখা, যার ফলে আরব দেশগুলোতে বইটি ব্যাপকতা লাভ করেনি, কিন্তু বইটি ব্যাপকভাবে পরিচিত সেই দেশগুলোতে যেখানে তাবলীগ ই জামাত এর পরিচিতি আছে, যেমন ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান।
শায়খ হাম্মুদ আত- তুওাইজিরি “কওয়াল আল- বালিগ” এ বলেছেন-

তাবলীগ জামাত এড় কিছু ঈমাণধ্বংসকারী বিশ্বাস — ১ ও ২

তাবলীগ জামাত এড় কিছু
ঈমাণধ্বংসকারী বিশ্বাস — ১
সাবধান মুসলিম।
ফাজায়েল সাদাকাত, ২য় খণ্ড, ২৮০
পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
“আবু আলি রোদবারি (রঃ) বলেন, ঈদের
দিন একজন ফকির
আসিয়া আমাকে বলিল
যে এখানে কি কোন পরিস্কার
জায়গা যেখানে একজন ফকির
মরিতে পারে?

তাবলীগ জামায়াত ও বিশ্ব ইজতেমা : একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণঃ

তাবলীগ জামায়াত ও বিশ্ব ইজতেমা : একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণঃ
-আকরাম হোসাইন
ভূমিকা :
বর্তমানে মুসলিম সমাজ শিরক
বিদ‘আতের সর্দিতে ভুগছে।
সস্তা ফযীলতের ধোঁকায় পড়ে মুসলিম
জাতি আজ দিশেহারা।
তারা খুঁজে ফিরছে সত্যের সন্ধানে।
কোথায় পাওয়া যাবে সঠিক পথের
দিশা, কোথায়
পাওয়া যাবে সত্যিকারের আদর্শ?

তাবলীগ জামাত কি ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে?


তাবলীগ জামাত কি ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে? ইসলামই আল্লাহ্র নিকট একমাত্র দীন”। …… সূরা আলে ইমরান ৩:১৯।“আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দীন পূর্ণাঙ্গ করিলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন মনোনীত করিলাম”। ……….সূরা মায়িদা ৫:৩। “আল্লাহ্ কাহাকেও সৎপথে পরিচালিত করিতে চাহিলে তিনি তার বক্ষ ইসলামের জন্য প্রশস্ত করিয়া দেন এবং কাহাকোও বিপথগাম ী করিতে চাহিলে তিনি তাহার বক্ষকে অতিশয় সকীর্ণ করিয়া দেন”। ….সূরা আনাম ৬:১২৫।“কেহ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দীন গ্রহন করিতে চাহিলে তাহলে তাহা কখনও কবূল করা হইবে না এবং সে আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্থ অন্তর্ভুক্ত হইবে”। ………সূরা আলে ইমরান ৩:৮৫।“হে মু’মিনগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করিও না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু”। ……….. সূরা বাকারা ২:২০৮। “বিধান দিবার অধিকার কেবল আল্লাহ্রই।

ডাঃ জাকির নায়েকের নামে তোলা প্রধান ২৪ টি অপবাদের জবাব


ডাঃ জাকির নায়েকের নামে তোলা প্রধান ২৪ টি অপবাদের জবাব

আল্লাহর নামে শুরু যিনি পরম করুণাময় ও দয়ালু।
বর্তমানে কিছু মুসলিম ভাই-বোন ডাঃ জাকির নায়েক এর বিরদ্ধে এমন ভাবে লেগে পরেছেন যা কিনা কাফিরদের বিরদ্ধেও তারা লাগেন না। আমাদের সমাজে শিরক,কুফর,বিদ’আত  এত পরিমাণে বিদ্যমান যা বলার অবকাশ রাখে না কিন্তু আমরা তার বিরোধিতা না করে বিরোধিতা করছি তার, যে দ্বীন(ইসলাম) এর একজন বড় দায়ী। যিনি অমুসলিমদের কাছে ইসলামকে সুন্দর করে উপস্থাপন করছেন তার পিছনে আমরা লেগে আমরা কিসের পরিচয় দিচ্ছি?

ডঃ জাকির নায়েক নাকি বলেছেন কুরআনে ভুল আছে?

ডঃ জাকির নায়েক নাকি বলেছেন কুরআনে ভুল আছে?


ডাঃ জাঁকির নায়েক নাকি বলেছেন বর্তমানে কিছু মুসলিম ভাই-বোন  ডাঃ জাকির নায়েক এর বিরদ্ধে এমন  ভাবে লেগে পরেছেন  যা কিনা কাফিরদের বিরদ্ধেও  তারা লাগেন না। আমাদের  সমাজে শিরক,কুফর,বিদ’আত এত  পরিমাণে বিদ্যমান যা বলার  অবকাশ রাখে না কিন্তু  আমরা তার  বিরোধিতা না করে বিরোধিতা করছি  তার,  যে দ্বীন(ইসলাম) এর একজন বড়  দায়ী। যিনি অমুসলিমদের  কাছে ইসলামকে সুন্দর  করে উপস্থাপন করছেন তার  পিছনে আমরা লেগে আমরা কিসের  পরিচয় দিচ্ছি?কোরআনে ব্যাকারনগত ভুল আছে। উত্তরঃ কোরআনে ব্যাকারনগত ভুল  আছে এই কথা ডাঃ জাঁকির  নায়েক বলতেই পারেন না। বরং, 

ডঃ জাকির নায়েক কোর্ট, টাই,shirt. ও pant পরিধান করেন এটা কি জায়েজ?

ডঃ জাকির নায়েক কোর্ট, টাই,shirt. ও pant পরিধান করেন এটা কি জায়েজ?


ডাঃ যাকির নায়েক সার্ট pant পরিধান করেন। এটি কি জায়েয? উত্তরঃ কোরআন বা সহীহ হাদিস এর কথাও এরুপ পোশাক পরিধান করাকে হারাম বলা হয়ে নি। হিজাব এর নিয়মেও এরুপ পোশাক পরিধান করাকে নিষেধ করা হয়ে নি। হাদিসে রাসুলুল্লাহ(সা) কামিস পরিধান করেছেন বলে প্রমান পাওয়া যায়ে। কিন্তু এই কারনে সার্ট ও প্যান্ট পরিধান করাকে হারাম বলা যাবে না। কেননা আজ আমরা মোবাইল ব্যবহার করছি কিন্তু রাসুলুল্লাহ(সা) তো তা করেন নি, তাই বলে কি মোবাইল ব্যবহার করা হারাম হচ্ছে? না, ঠিক তেমনি সার্ট ও প্যান্ট পরিধান করাও হারাম হচ্ছে না। মজার বিষয় হচ্ছে- যারা পোশাক পরিধানে রাসুলুল্লাহ(সা) কে অনুসরণকে বাধ্যতামুলক বলছে তারাই ইবাদাতে রাসুলুল্লাহ(সা) কে বাদ দিয়ে বিভিন্ন মানুষের অনুসরণ করছে। ডাঃ যাকির নায়েক ‘টাই’ পরিধান করেন, এটি খ্রিস্টানদের প্রতীক। উত্তরঃ কোরআন বা সহীহ হাদিস
পরিধান করেন। এটি কি জায়েয?

“জাকির নায়েক এবার ফতোয়া দিলেন রাসূলকে(সঃ) মানা যাবে না।”


“জাকির নায়েক এবার ফতোয়া দিলেন রাসূলকে(সঃ) মানা যাবে না।” ইয়া মোটা মোটা হরফে লেখা শিরোনাম। বই বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করলাম দাম কত বইটার। উত্তর পাইলাম দশ টাকা মাত্র। কিনে কোন গাধা। জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়া শুরু করলাম। লেকচারের কয়েকটা ফুটেজ, আর সাথে বক্তব্যগুলো। বইয়ের শেষে একটা ইউটিউব লিঙ্ক। বাসায় এসেই ইউটিউবে ঢুঁ মারলাম। একটা কাটছাঁট লেকচারের অংশ প্রশ্নোত্তর পর্বের। মজার বিষয় লেকচারটার ভিডিও সিডি আরও দু’মাস আগে থেকেই আমার বাসায় ছিল। ভারতের জামুতে দেওয়া হিন্দি লেকচার। আমি

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ