Showing posts with label নামায জমা করে পড়ার বিধান. Show all posts
Showing posts with label নামায জমা করে পড়ার বিধান. Show all posts

Friday, November 17, 2017

নামাজ জমা বিষয়ক অন্যান্য জরুরী মাসায়েল

জমা বিষয়ক অন্যান্য জরুরী মাসায়েল


জ্ঞাতব্য যে, ত্বরান্বিত জমা (তাক্বদীম) অপেক্ষা (কষ্ট না হলে) বিলম্বিত (তা’খীর) জমাই উত্তম। এ ছাড়া যখন যার জন্য যেমন সুবিধা তার জন্য সেই জমাই উত্তম। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ৪/৪৬১-৫৬৪) অবশ্য প্রথম অক্তে জমা না করলে সে সময়ে জমার নিয়ত জরুরী। নচেৎ, জমার নিয়ত ছাড়া বিনা ওযরে কোন নামাযকে যথাসময় থেকে পার করে দেওয়া হারাম। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ৪/৫৭৪)
বলা বাহুল্য, প্রথম অক্তে জমার নিয়ত না রেখে সময় পার হওয়ার পর পরের ওয়াক্তের সাথে জমার নিয়ত সহীহ নয়। বরং

অন্য কোন অসুবিধার কারণে নামায জমা

অন্য কোন অসুবিধার কারণে নামায জমা


ভয় বা বৃষ্টি ছাড়াও অন্য কোন বড় অসুবিধার কারণেও দুই নামাযকে জমা করে পড়া বৈধ। উপর্যুক্ত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর হাদীস সে কথাই ইঙ্গিত করে।
এ ছাড়া বুখারী ও মুসলিম শরীফের একটি যৌথ বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, মহানবী (সাঃ) মদ্বীনায় যোহ্‌র ও আসর এবং মাগরেব ও এশাকে জমা করে পড়েছেন। (বুখারী ৫৪৩, মুসলিম, সহীহ)
আব্দুল্লাহ বিন শাকীক বলেন, একদা হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) আসরের পর আমাদের মাঝে বক্তব্য রাখলেন। এই অবস্থায় সূর্য ডুবে গেল এবং আকাশে তারা ফুটে উঠল। আর লোকেরা বলতে লাগল, ‘নামাযের সময় হয়ে গেছে, নামাযের সময় হয়ে গেছে।’
বনী তামীমের এক ব্যক্তি ‘নামায, নামায’

বৃষ্টি-বাদলে নামায জমা করে পড়া

বৃষ্টি-বাদলে নামায জমা


বৃষ্টি-বাদলের দিনে কাদায় পা পিছলে পড়ে যাওয়া বা পানিতে ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় বারবার মসজিদ আসতে মুসল্লীদের কষ্ট হবে বলেই সরল শরীয়তে সে সময়ও দুই নামাযকে এক সাথে জমা করে পড়ে নেওয়ার অনুমতি দান করেছে।
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘মহানবী (সাঃ) মদ্বীনায় যোহ্‌র ও আসর এবং মাগরেব ও এশাকে জমা করে পড়েছেন।’ (এক বর্ণনাকারী) আইয়ুব (আবুশ শা’ষা জাবেরকে) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সম্ভবত: বৃষ্টির সময়?’ উত্তরে (জাবের) বললেন,

কোন্‌ কোন্‌ অবস্থায় নামাজ জমা করা যায়?

কোন্‌ কোন্‌ অবস্থায় জমা করা যায়?


যথা সময়ে নামায পড়াই প্রত্যেক মুসলিম নরনারীর জন্য ফরয। কিন্তু দলীলের ভিত্তিতেই নিম্নোক্ত সময় ও অবস্থায় এক সময়ের নামাযকে অন্য সময়ের নামাযের সাথে জমা করে পড়া বৈধ :-
আরাফাত মুযদালিফায় :
বিদায়ী হ্‌জ্জে মহানবী (সাঃ) আরাফাতে যোহ্‌র ও আসরের নামাযকে যোহরের সময় এবং মুযদালিফায় মাগরেব ও এশার নামাযকে এশার সময় জমা করে পড়েছিলেন।
সফরে মুসাফির অবস্থায় :
সফরে পথে অথবা

নামায জমা করে পড়ার বিধান

নামায জমা করে পড়ার বিধান


মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি বড় দয়াবান, বড় অনুগ্রহশীল। তিনি বান্দার কষ্ট চান না। তাই অনুগ্রহ করেই বিধান দিয়েছেন দুই সময়ের নামাযকে প্রয়োজনে এক সময়ে একত্রিত করে পড়ার। অনুমতি দিয়েছেন আগের নামাযকে পরের সাথে (বিলম্ব করে) অথবা পরের নামাযকে আগের সাথে (ত্বরান্বিত করে) পড়ার।
অবশ্য এ কেবল সীমাবদ্ধ নামাযের মাঝেই সম্ভব। যেমন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ