Showing posts with label রাসুলুল্লাহ- বিশ্বনবী সঃ. Show all posts
Showing posts with label রাসুলুল্লাহ- বিশ্বনবী সঃ. Show all posts

Tuesday, May 1, 2018

খেজুর গাছের কান্নাঃ

খেজুর গাছের কান্নাঃ নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনার মসজিদে যখন জুমার খুতবা দিতেন, তখন একটি খেজুর গাছের উপর ভর করে দাঁড়াতেন। গাছটি রাসুলের স্পর্শ পেয়ে যেন ধন্য। কিছুদিন পর এক আনসারী মহিলা তার কাঠমিস্ত্রি ছেলেকে দিয়ে রাসুলের জন্যে একটি মিম্বরের ব্যবস্থা করে দিলেন। যেনো খেজুর গাছের পরিবর্তে রাসুল এটি ব্যবহার করেন। সুতরাং, তখন খেজুর গাছটি সরিয়ে নতুন কাঠের মিম্বর রাখা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন খুতবার জন্য ওই নতুন মিম্বরে দাঁড়ালেন, সবাইকে অবাক করে দিয়ে খেজুর গাছটি ছোট্ট বাচ্চার মতো কেঁদে ওঠলো। আসলে

Wednesday, February 28, 2018

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ‘সালাত ও সালাম’ এর অর্থ কি এবং সবচেয়ে উত্তম ও সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত দরুদ কোনটি?


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ‘সালাত ও সালাম’ এর অর্থ কি এবং সবচেয়ে উত্তম ও সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত দরুদ কোনটি?
▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রশ্ন: ক. সূরা আহযাব এর ৫৬ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন: “আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি সালাত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা তাঁর প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করো।” এ কথাটার অর্থ কি?
খ. সব চেয়ে ছোটো দরুদ কোনটি যা সব সময় পড়া আমাদের জন্য সহজ হবে?
উত্তর :
 সালাত ও সালামের অর্থ:
আল্লাহ বলেন,
إِنَّ اللَّـهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
“নিশ্চয় আল্লাহ ও ফিরিশতাগণ নবীর প্রতি সলাত পেশ করে। হে ঈমানদারগণ, তোমরা তার প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করো।” (সূরা আহযাব: ৫৬)
শাব্দিক দৃষ্টিকোন থেকে সালাত অর্থ রহমত আর সালাম অর্থ শান্তি ও নিরাপত্তা।
 নবীর প্রতি সালাম এর অর্থ তাঁর জীবদ্বশায় তার শারীরিকভাবে সুস্থতা, দ্বীনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, কবরে শান্তি এবং আখিরাতে মুক্তির জন্য আল্লাহর নিকট দুআ করা।
 আর তার প্রতি সালাতের অর্থের ব্যাপারে দুটি মত পাওয়া যায়। যথা:

Saturday, February 17, 2018

নবীগৃহে ঈদ

নবীগৃহে ঈদ

undefined
নবী ঘরে ঈদ
(আল্লাহ তাআলা আমাদের ও তোমাদের রোজা, তারাবির নামাজ ও অন্যান্য সকল নেক আমল কবুল করুক। আর তোমরা সারাটি বছর সুখে থাক।)
মদীনার ইতিহাসে একটি আলোকোজ্জল দিন তথা ঈদের দিন সকাল বেলায় নবীঘর ও আশে পাশের সবকয়টি জায়গায় ঈদ উৎসবের আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছিল। আর এ সব কিছুই হচ্ছিল মানবতার মুক্তিদূত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চোখের সামনে। প্রত্যেকে ঈদ উৎসবে নিজ নিজ অনুভূতি ব্যক্ত করছিল। তারা সকলেই চাইত তাদের নিজ নিজ অনুষ্ঠান সম্পর্কে যাতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবগত হন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভালোবাসা ও সম্মানের খাতিরেই তারা এসব করেছিল।
এদিকে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘরের অবস্থা সম্পর্কে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বর্ণনা হলো : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন আমার ঘরে আগমন করলেন,

Thursday, February 15, 2018

রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন (১ম পর্ব)


পূর্ব কথা
তাকওয়া অর্জন সিয়াম সাধনার মুখ্য উদ্দেশ্য। আত্মার পরিশুদ্ধি, পার্থিবতায় সর্বাঙ্গ আরোপণ থেকে চেতনা ও মনোজগত বিমুক্তিকরণ, বস্তুকেন্দ্রিকতার রাহুগ্রাস থেকে নিজেকে স্বাধীন করে পরকালমুখীনতার সার্বক্ষণিক চর্চা ও লালন সুগম করে দেয় তাকওয়া অর্জনের পথ-পথান্তর। তবে, তার জন্য শর্ত হল, সিয়াম সাধনার প্রতিটি ক্ষণ যাপিত হতে হবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রোজা-যাপন ও সিয়াম-সাধনার উসওয়া-আদর্শ চেতনায়, অনুভূতিতে, আন্তর ও বহির আচরণে জাগ্রত রেখে, সার্বক্ষণিকভাবে।
রোজা যাপন অবস্থায় মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বীয় প্রতিপালকের সান্নিধ্যে নিজের আবেগ-

রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন (২য় পর্ব)

১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ
রমজানে প্রিয় সহধর্মিণীদের সাথে রাসূলের আচরণ
সহধর্মিণীদের সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ বিশ্লেষণ করলে আমাদের সামনে ফুটে উঠবে তার আচরণের অসাধারণ এক ভারসাম্য, জীবনের সূচনা থেকে সমাপ্তি অবধি যা তিনি বজায় রেখেছেন অত্যন্ত সার্থকতার সাথে। রাসূল নিজ গুণ সম্পর্কে বলেন :
إنَّ أتقاكم وأعلمكم بالله أنا.
তোমাদের মাঝে সর্বাধিক আল্লাহভীরু ও আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞাত হলাম আমি।[১৮৯]
ভিন্ন এক হাদিসে তিনি এরশাদ করেন :
قد علمتم أني أتقاكم لله وأصدقكم وأبركم.
তোমরা জেনেছ যে, আমি তোমাদের মাঝে সর্বাধিক আল্লাহভীরু, সত্যবাদী ও সৎ।[১৯০]
হাদিসে আরো এসেছে,

Sunday, February 11, 2018

সহীহ হাদিসের গল্প – জাবের (রা:)-এর মেহমানদারী ও রাসূ্ল (সাঃ)-এর মুজিযা

সহীহ হাদিসের গল্প – জাবের (রা:)-এর মেহমানদারী ও রাসূ্ল (সাঃ)-এর মুজিযা
জাবের (রা:) বলেন, খন্দকের যুদ্ধের প্রাক্কালে আমরা পরিখা খনন করছিলাম। এমন সময় একটা শক্ত পাথর দেখা দিল। তখন লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এসে বলল, পরিখা খননকালে একটি শক্ত পাথর পাওয়া গেছে। তিনি বললেন, ‘আচ্ছা আমি নিজেই খন্দকের মধ্যে নামব। অতঃপর তিনি দাঁড়ালেন, সে সময় তাঁর পেটে পাথর বাঁধা ছিল।আর আমরাও তখন তিনদিন পর্যন্ত কিছু খেতে পায়নি। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কোদাল হাতে নিয়ে পাথরটির উপর আঘাত করলে তা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে বালুকণায় পরিণত হয়।
জাবের (রা:) বলেন, আমি আমার স্ত্রীর নিকটে এসে বললাম,

রাসূলুল্লাহ সঃ এর ১১জন স্ত্রী কিভাবে বিবাহ হলো ও বিস্তারিত .

রাসূলুল্লাহ সঃ এর 11 জন স্ত্রী কিভাবে বিবাহ হলো ও বিস্তারিত .


রাসূল (সা.) এর স্ত্রী ছিলেন ১১ জনরাসূল (সা.) এর স্ত্রী ছিলেন ১১ জন। ইসলাম প্রচারওউম্মতের বৃহত্তর প্রয়োজনে তিনি এসব বিয়েকরেন। তাদেরমধ্যে দুজন খাদিজা ও জয়নব (রা.) মহানবীরজীবদ্দশায়ইন্তেকাল করেন। বাকিরা সবাই নবীজি (সা.) এরদুনিয়া ত্যাগের পর মারা যান।খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ (রা.) : তিনি মহানবী (সা.) এরপ্রথম স্ত্রী। নবীজির চারিত্রিক গুণাবলিতে মুগ্ধহয়ে খাদিজা (রা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। উভয়পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।বিয়েতে খাদিজা (রা.) এর চাচা আমর ইবনে আসাদেরপ্রস্তাবে দেনমোহর ৫০০ দিরহাম নির্ধারণ করা হয়।বিয়ের সময় রাসূল (সা.) এর বয়স ছিল ২৫ আর খাদিজা(রা.)এর বয়স ৪০ বছর। তার

Monday, February 5, 2018

হাদীস জাল করার সূত্রপাত কখন হলো?

হাদীস জাল করার সূত্রপাত কখন হলো?
ডঃ মুসতাফা হুসনী আস-সুবায়ী
হিজরী চল্লিশ সন হলো সুন্নাতের অনাবিল বিশুদ্ধতা এবং এর মধ্যে মিথ্যার অনুপ্রবেশ ও জাল হাদীস রচনার একটি চিহ্নিত সীমারেখা। এরপর সুন্নতে চললো সংযোজন; সুন্নতকে করা হলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের হাতিয়ার এবং অভ্যন্তরীন বিচ্ছিন্নতাবাদের মাধ্যম। অর্থাৎ হিজরী চল্লিশ সন পর্যন্ত সুন্নত ছিল পবিত্র। তারপর এ দুর্ঘটনাটি ঘটল তখন, যখন হযরত আলী ( রাঃ ) ও হযরত মুয়াবিয়া ( রাঃ ) এর মধ্যকার বিরোধ যুদ্ধের রূপ পরিগ্রহ করলো। রক্ত ক্ষয় হলো প্রচুর, অনেক লোক প্রাণ হারালো, মুসলমানরা হয়ে পড়লো বিভক্ত বিভিন্ন দলে। বেশিরভাগ লোকই ছিলো হযরত আলী ( রাঃ ) এর পক্ষে মুয়াবিয়া ( রাঃ ) এর বিপক্ষে। তারপর উদ্ভব

হাদীস কেন সহিহ ও জয়ীফ হয়? আমরা কোন হাদীসে উপর আমল করবো?

হাদীস কেন সহিহ ও জয়ীফ হয়? আমরা কোন হাদীসে উপর আমল করবো?

হাদীস কেন সহিহ ও যয়ীফ হয় ?? সহীহ হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যে হাদীসের মধ্যে ৫ টি শর্ত পূরণ হয়েছে তাকে সহীহ হাদীস বা বিশুদ্ধ হাদীস বলে। শর্ত ৫ টি হল- ১) হাদীসের সকল বর্ণনাকারী বা রাবী পরিপূর্ণ সৎ ও বিশ্বস্ত বলে প্রমানিত। একে ‘আদালত’ বলে। ২) সকল রাবীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ পূর্ণরূপে বিদ্যমান বলে প্রমানিত। একে ‘যাবতা’ বলে। ৩) সনদের প্রত্যকে রাবী তাঁর ঊর্ধ্বতন রাবী থেকে স্বকর্ণে হাদিসটি শুনেছেন বলে প্রমানিত। একে ‘ইত্তিসাল’ বলে। ৪) হাদীসটি অন্যান্য প্রমানিত হাদীসের বর্ণনার বিপরীত নয় বলে প্রমানিত। একে ‘শুযুয মুক্তি’ বলে। ৫) হাদিসটির মধ্যে সূক্ষ্ম কোন সনদগত বা অর্থগত ত্রুটি নেই বলে প্রমানিত। একে ‘ইল্লাত মুক্তি’ বলে। হাসান হাদীসঃ মুহাদ্দিসগণের পরিভাষায় যেসব হাদীসে সহীহ হাদীসের ৫ টি শর্ত বিদ্যমান, কিন্তু দ্বিতীয় শর্ত অর্থাৎ, ‘যাবতা’ বা হাদীস বর্ণনাকারীর ‘নির্ভুল বর্ণনা ক্ষমতা’ কিছুটা দুর্বল বলে বোঝা যায়,

★ হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ>>> হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

★ হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ>>> হাদীসের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ <<<পরবর্তী পোষ্ট: সহীহহাদীস এর সংজ্ঞা এবং কেন সহীহ হাদীসের উপর আমাদের আমলকরতে হবে।প্রসংগ কথাবিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।সকল প্রশংসা কেবল মহান আল্লাহ রাবুল আলামিনয়ের, অসংখ্যদরুদ বিশ্ব মানবতার মহান শিক্ষক ও নেতা রাসুল পাক (স:) ও তারবংশ ধরদের প্রতি এবং হাজার ও সালাম সে সব বীর মুজাহিদদেরপ্রতি, যারা যুগে যুগে আল্লাহর জমিনে আল্লাহরদ্বীনকে বিজয়ী করতে নিজেদের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন।আমার প্রাণ প্রিয় জ্ঞান পিপাসু মুমিন মুক্তাকী ভাইএবং বোনেরা আমি হাদীস শাস্ত্রের কতিপয় পরিভাষা আল্লাহরমেহের বানীতে এই জন্য লেখার প্রয়োজন মনে করলাম আমাদেরঅনেক বাংলাদেশী ভাই এবং বোনেরা কুয়েতে এবং অন্যান্যা মুসলিমরাষ্ট্রে বসবাস করছে এবং এদের ভিতর যারা আলেমতারা মাশাআল্লাহ এ বিষয়ে জ্ঞান রাখেন। কিন্তু যারা আলেমনা কিন্তু কুরআন হাদীস পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে চান বিশেষকরে সেই দ্বীনি ভাইয়েরা এবং বোনেরা আশা করি অনেক উপকৃতহবেন।হাদীস কাকে বলে?হাদীস শব্দের আভিধানিক অর্থ কথা, বাণী, সংবাদ

সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা, হাদীসে কুদসী এবংকোরআন ও হাদীসে কুদসী’র মধ্যে পার্থক্য ।

>>>> সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা, হাদীসে কুদসী এবংকোরআন ও হাদীসে কুদসী’র মধ্যে পার্থক্য <<<<ইসলামী শরীয়তের দুটি মূল উৎস হচ্ছে পবিত্র কুরআন ও ছহীহ্হাদীছ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন,আমি তোমাদের মাঝে দুটি বস্তু রেখে যাচ্ছি, যতক্ষণ পর্যন্ততোমরা ঐ দুটিকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্তপথভ্রষ্ট হবে না। সে দুটি হল আল্লাহর কিতাব (আল-কুরআন)এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত (আল-হাদীছ)। (মুওয়াত্ত্বা ইমাম মালেক, মিশকাত হা/১৮৬; আল-মুস্তাদরাক লিল হাকেম, সনদ হাসান)যেহেতু উপরোক্ত দুটি উৎসই ইসলামী জীবন-যাপনের মূল হাতিয়ারএবং এর উপরেই মুসলমানদের হেদায়াত নির্ভরশীল, সেহেতু যুগপরস্পরায় ইসলামের শত্রুরা এ দুটি মূল উৎসের মাঝেই ভেজালঢুকানোর চেষ্টা করেছে। কুরআন যেহেতু মহানবী সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময়েই লিখিত আকারে সংরক্ষিত ছিল।কণ্ঠস্থ ছিল বহু ছাহাবীর। কাজেই তারা কুরআনে হাত দেওয়ারদুঃসাহস দেখাতে পারেনি। কিন্তু

সুন্নাত উপেক্ষার পরিণাম

সুন্নাত উপেক্ষার পরিণাম

আবূ নাফিয লিলবার আল-বারাদী
মানবতার হেদায়াতের জন্য মহান আল্লাহ যুগে যুগে নবী-রাসূলগণকে প্রেরণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ হ’লেন মুহাম্মাদ (ছাঃ)। তাঁর উম্মত তথা মুসলিম জাতিকে হেদায়াতের জন্য মহাগ্রন্থ আল-কুরআন দান করেছেন। হাদীছ বা সুন্নাত হচ্ছে কুরআনের নির্ভুল ব্যাখ্যা। কুরআন সঠিকভাবে বুঝে সে অনুযায়ী আমল করতে হ’লে হাদীছ বা সুন্নাহর কোন বিকল্প নেই। সুতরাং মুমিন জীবনে সুন্নাহর গুরুত্ব অপরিসীম। পক্ষান্তরে সুন্নাতকে উপেক্ষা করা, তাকে অবজ্ঞা-অবহেলা ভরে প্রত্যাখ্যান করা রাসূল (ছাঃ)-কে প্রত্যাখ্যান করার নামান্তর। এহেন গর্হিত কাজের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আলোচ্য নিবন্ধে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হ’ল।
সুন্নাহর পরিচিতি :

সুন্নতে নববীকে আঁকড়ে ধরা ও জীবনে এর প্রভাব

সুন্নতে নববীকে আঁকড়ে ধরা ও জীবনে এর প্রভাব
উপস্থাপকের কথা,
সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা‘আলার, দরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর। হে আল্লাহ আপনি তাঁর উপর রহমত ও শান্তি নাযিল করুন।
আজকের এ মহিমান্বিত রাতে আমরা সবাই সৌভাগ্যবান – আশা করি আপনারা সকলেও- যে, আমরা এক মহান আলেমের সাথে মিলিত হয়েছি। তিনি তার মূল্যবান সময় ও ত্যাগ ইলম এবং তালিবে ইলমের খেদমতে দিয়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে এর বিনিময়ে সাওয়াব ও প্রতিদান ছাড়া তিনি পার্থিব কোনো কিছু আশা করেন না। তিনি হলেন মহামান্য শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালিহ আল-উসাইমীন,

সালাম ও তার বিধি-বিধান

সালাম ও তার বিধি-বিধান


ভূমিকা
 

الحمد لله رب العالمين وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله  وعلى آله وأصحابه أجمعين،
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সমগ্র সৃষ্টিকুলের রব্ব। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ক ইলাহ নেই তিনি একক তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর তার পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর উপর।
হে পাঠক ভাইয়েরা! ‘আসসালামু আলাইকুম ওরাহ মাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’ আল্লাহ তোমাদের দয়া করুক!
তোমরা অবশ্যই একটি কথা মনে রাখবে, মুসলিমদের মধ্যে সালামের প্রচার-প্রসার ইসলামের একটি মহান ঐতিহ্য ও বিশেষ সৌন্দর্য। আর সালাম পরস্পর সালাম বিনিময় করা একজন মুসলিমের উপর অপর মুসলিমের অধিকার ও দায়িত্ব। এ ছাড়াও সালাম বিনিময় করা ঈমানের জন্য আবশ্যকীয় বিষয়-মুসলিমদের মধ্যে পরস্পর মহব্বত ও ভালোবাসা- যা একজন মুসলিমকে জান্নাতে নিয়ে যায়, তা সৃষ্টির কারণ হয়। যেমন- আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলেন,

সহিহ হাদিসে কুদসি (১ম পর্ব)

 
 
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য এবং দরূদ ও সালাম আল্লাহর রাসূল, তার পরিবারবর্গ, তার সাথী ও তার সকল অনুসারীদের ওপর। অতঃপর,
“সহিহ হাদিসে কুদসি” গ্রন্থটি আমার নিকট বিশুদ্ধ প্রমাণিত  হাদিসে কুদসির বিশেষ সংকলন। এখানে আমি সনদ ও ব্যাখ্যা ছাড়া হাদিসে কুদসিগুলো উপস্থাপন করেছি। হাদিসগুলো সূত্রসহ উল্লেখ করে হুকুম ও শব্দের জরুরী অর্থ বর্ণনা করে ক্ষান্ত হয়েছি। আল্লাহ আমার এ আমল কবুল করুন এবং এর দ্বারা সকল মুসলিমকে উপকৃত করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব হাদিস আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করে বর্ণনা করেছেন আলেমগণ সেগুলোকে “হাদিসে কুদসি” নামে অভিহিত করেছেন। আল্লাহর নাম “কুদ্দুস” এর সাথে সম্পর্কযুক্ত করে এসব হাদিসকে ‘কুদসি’ বলা হয়। (“কুদ্দুস” অর্থ পবিত্র ও পুণ্যবান।)
“হাদিসে কুদসি” ও কুরআনুল কারিমের মধ্যে পার্থক্য:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

بسم الله الرحمن الرحيم

ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টিকুলের মহান রব আল্লাহর জন্য। উত্তম পরিণতি কেবল মুত্তাকীদের জন্য। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার বান্দা ও রাসূল আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর; যাকে সকল সৃষ্টির জন্য রহমত ও সমস্ত বান্দাদের জন্য দলীল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে। আরও নাযিল হোক তার পরিবার-পরিজন ও সাথী-সঙ্গীদের উপর; যারা অত্যন্ত আমানতদারিতা ও দৃঢ়তার সাথে তাদের পবিত্র মহান প্রভুর কিতাব ও তাদের নবীর সুন্নাহ্‌কে বহন করেছে এবং শব্দ ও অর্থ পরিপূর্ণ সংরক্ষণ করে তাদের পরবর্তীদের নিকট পৌঁছিয়েছে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট ও তাদের খুশি করুন এবং আমাদেরকে তাদের সুন্দর অনুসারী হিসেবে কবুল করুন।
পূর্বের ও পরবর্তী যুগের সমস্ত আলেম এ বিষয়ে একমত যে,

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ -১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ পার্ট এক


ভূমিকা
  إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
নিশ্চয়ই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আমরা তারই প্রশংসা করি, তার কাছে সাহায্য চাই, তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও আমাদের কর্মসমূহের মন্দ পরিণতি থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নেই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্যিকার ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরিক নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর, তার পরিবার-পরিজন ও তার সাহাবীদের উপর এবং যারা কিয়ামত অবধি এহসানের সাথে তাদের অনুসরণ করেন তাদের উপর।
জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হল সময়।

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি: আমাদের করণীয়

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি: আমাদের করণীয়

 রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি: আমাদের করণীয়
إن الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله وعلى آله وصحبه أجمعين أما بعد:
আল্লাহ তা‘আলা মানবজাতির হিদায়াতের জন্য যুগে যুগে রাসূল প্রেরণ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশ্ব মানবগোষ্ঠীর জন্য সর্বশেষ রাসূল। তিনি সকল জনগোষ্ঠীর জন্য প্রেরিত নবী। আরবী, অনারবী, সাদা-কালো সবার জন্য তিনি নবী ও রাসূল। তিনি সকল নবী ও রাসূলেরও নেতা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার ১০০উপায়

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে
সাহায্য-সমর্থন করার ১০০উপায়
প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা, আপনাদের কারো অজানা নয়
যে, কাফের সম্প্রদায় কখনো ইসলাম নিয়ে,
কখনো মুসলমানদের নিয়ে কখনো নবী মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে আবার
কখনো ইসলামে বিশেষ কোন দিক নিয়ে
আক্রমণাত্মক, ব্যাঙ্গাক্তক ও উস্কানি মূলক কার্যক্রম
পরিচালনা করে থাকে। সম্প্রতি আমেরিকায় নবী
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ইসলাম নিয়ে
ব্যঙ্গাক্ত ফ্লিম তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে
আমরা কিভাবে নবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে
সাহায্য ও সমর্থন করতে পরি এ প্রবন্ধে সে
ব্যাপারে একশটি উপায় তা আলোচনা করা হয়েছে।
সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

রাসূলের মহব্বতকারী নাকি দুশমন?

রাসূলের মহব্বতকারী নাকি দুশমন?

একবিংশ শতাব্দীর গোড়ায় দাঁড়িয়ে যখন নিত্যনতুনবাদ-মতবাদের আঘাত একেরপর এক আছড়েপড়ছে ইসলামের কূলে, তখন ভ্রান্ত বিদআতীগোষ্ঠী নতুন করে মাঠে নেমেছে মানুষেরঈমান হরণে। সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে তাদেরমুখোশ উন্মোচন করা এবং জাহান্নামের আগুনথেকে মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করা। বিষয়টিমাথায় রেখে ভাবলাম স্বতন্ত্র একটি ছোট্টহলেও নিবন্ধ লেখা যায় কি না। বলাবাহুল্য সে ক্ষুদ্রপ্রয়াসই এই লেখা।যুগে যুগে মানুষের ঈমানহরণে এমন বহু চেষ্টাহয়েছে। কোনোকালেই এ চেষ্টা থেমেছিল না। আজও থেমে নেই। বরং নিত্যনতুন প্রযুক্তিও মিডিয়ার বদৌলতে তাদের প্রচারে যেন গতিসঞ্চারিত হয়েছে। ১২ রবিউল আউয়ালকেসর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবের দিন বানাতে হালুয়া-রুটি আরওরসের মান্নতি মহিষের গোস্ত খাওয়া মুসলিমভাইদের কী উৎকট চেষ্টা! আরে ভাই, রাসূলেরঅনিশ্চিত জন্মদিবস আর নিশ্চিত মৃত্যদিবসে কীভাবেউৎসব করেন?

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ