Showing posts with label পানাহার. Show all posts
Showing posts with label পানাহার. Show all posts

Monday, February 5, 2018

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?
 
প্রশ্ন: আমার পরিচিত এক ভাইয়ের বাড়িতে প্রতি শুক্রবার আকিদার দরস হয়, তার দাওয়াতে সেখানে আমি অংশ গ্রহণ করি। খাবারের সময় আমাদের একজন বাম
হাতে গ্লাস নিয়ে ডান হাতের তালুর উল্টো পিঠে রেখে পানি পান করছিল,উপস্থিত একজন তাকে বাঁধা দিয়ে বলল:“না,এভাবে পানি পান করবেন না। ডান হাতেই পানি পান করুন, গ্লাসে খাবার লাগলে লাগুক”। এরকম ঘটনা আমার জীবনে এটাই প্রথম।
আমার জিজ্ঞাসা আমরা যে বাম হাতে গ্লাস বা পানির পাত্র তুলে ডান হাতের সাহায্যে পান করি, তা কি সুন্নতের খিলাফ, অথবা বাম হাতে খাওয়া শয়তানী কর্মের অন্তর্ভুক্ত? জানিয়ে বাধিত করবেন।
 
আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দিন।
 
উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ, হাদিসে স্পষ্টভাবে ডান হাতে পান করার নির্দেশ ও বাম হাতে পান করার নিষেধাজ্ঞা এসেছে। ইব্ন ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?

প্রশ্ন ডান হাতের সাহায্য নিয়ে বাম
হাতে পান করা কি সুন্নত পরিপন্থী?
শাইখ মুফতি সানাউল্লাহ নজির আহমদ
প্রশ্ন: আমার পরিচিত এক ভাইয়ের
বাড়িতে প্রতি শুক্রবার আকিদার দরস হয়,
তার
দাওয়াতে সেখানে আমি অংশ গ্রহণ
করি।
খাবারের সময় আমাদের একজন বাম
হাতে গ্লাস নিয়ে ডান হাতের তালুর
উল্টো পিঠে রেখে পানি পান করছিল,
উপস্থিত একজন তাকে বাঁধা দিয়ে বলল:
“না,
এভাবে পানি পান করবেন না। ডান
হাতেই
পানি পান করুন, গ্লাসে খাবার
লাগলে লাগুক”। এরকম ঘটনা আমার
জীবনে এটাই প্রথম। আমার
জিজ্ঞাসা আমরা যে বাম হাতে গ্লাস
বা পানির পাত্র তুলে ডান হাতের
সাহায্যে পান করি, তা কি সুন্নতের
খিলাফ,
অথবা বাম
হাতে খাওয়া শয়তানী কর্মের
অন্তর্ভুক্ত?

Tuesday, November 14, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৮৯. বাম হাতে খাওয়া, সহজে হাত বের করা যায় না অথবা অসতর্কতাবস্থায় লজ্জাস্থান খুলে যাওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এমনভাবে কাপড় পরিধান করা

১৮৯. বাম হাতে খাওয়া, সহজে হাত বের করা যায় না অথবা অসতর্কতাবস্থায় লজ্জাস্থান খুলে যাওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এমনভাবে কাপড় পরিধান করা


বাম হাতে খাওয়া, সহজে হাত বের করা যায় না অথবা অসতর্কতাবস্থায় লজ্জাস্থান খুলে যাওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এমনভাবে কাপড় পরিধান করা হারাম।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

Monday, November 13, 2017

১৩৯. কোন পশুকে খাদ্য-পানীয় না দিয়ে দীর্ঘ সময় এমনিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেঁধে রাখা যাতে সে ক্ষিধা-পিপাসায় মরে যায়

১৩৯. কোন পশুকে খাদ্য-পানীয় না দিয়ে দীর্ঘ সময় এমনিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেঁধে রাখা যাতে সে ক্ষিধা-পিপাসায় মরে যায়


কোন পশুকে খাদ্য-পানীয় না দিয়ে দীর্ঘ সময় এমনিতেই ইচ্ছাকৃতভাবে বেঁধে রাখা যাতে সে ক্ষিধা-পিপাসায় মরে যায় এমন করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৯৪. ধন-সম্পদের অপচয়

৯৪. ধন-সম্পদের অপচয়


ধন-সম্পদ অপচয় করাও আরেকটি হারাম কাজ এবং কবীরা গুনাহ্। যদিও তা নিজেরই হোক না কেন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَكُلُوْا وَاشْرَبُوْا وَلَا تُسْرِفُوْا، إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْـمُسْرِفِيْنَ»
‘‘তোমরা খাও এবং পান করো। কিন্তু অপচয় করো না। কারণ, আল্লাহ্ তা‘আলা অপচয়কারীদেরকে ভালোবাসেন না’’। (আ’রাফ : ৩১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Saturday, November 11, 2017

৬১. নিজ প্রয়োজনের বেশি পানি ও ঘাস অন্যকে দিতে অস্বীকার করা

৬১. নিজ প্রয়োজনের বেশি পানি ও ঘাস অন্যকে দিতে অস্বীকার করা


নিজ প্রয়োজনের বেশি পানি ও ঘাস অন্যকে দিতে অস্বীকার করাও কবীরা গুনাহ্।
‘আমর বিন্ শু‘আইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَنْ مَنَعَ فَضْلَ مَاءٍ أَوْ كَلَأٍ مَنَعَهُ اللهُ فَضْلَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
‘‘যে ব্যক্তি বাড়তি পানি ও ঘাস অন্যকে দিতে অস্বীকার করলো আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তাকে তাঁর অনুগ্রহ করতে অস্বীকার করবেন’’। (আহমাদ ৬৬৭৩, ৬৭২২, ৭০৫৭ স’হীহুল্ জামি’, হাদীস ৬৫৬০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৫৬. সোনা বা রুপার প্লেট কিংবা গ্লাসে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করা

৫৬. সোনা বা রুপার প্লেট কিংবা গ্লাসে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করা


সোনা বা রুপার প্লেট কিংবা গ্লাসে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্।
উম্মে সালামাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
إِنَّ الَّذِيْ يَأْكُلُ أَوَ يَشْرَبُ فِيْ آنِيَةِ الْفِضَّةِ وَالذَّهَبِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِيْ بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ.
‘‘যে ব্যক্তি সোনা বা রুপার আসবাবপত্রে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করে সে যেন নিজের পেটে জাহান্নামের আগুন ঢুকায়’’। (বুখারী ৫৬৩৪; মুসলিম ২০৬৫)
সোনা, রুপার প্লেট-বাটি এবং হাল্কা বা ঘন সিল্ক দুনিয়াতে কাফির পুরুষরাই ব্যবহার করবে। মুসলিমরা নয়। কারণ, মুসলিমদের জন্য তা প্রস্ত্তত রয়েছে আখিরাতে।
’হুযাইফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Wednesday, October 25, 2017

ফজরের আযান হলেই কি পানাহার বন্ধ করা জরুরী?

ফজরের আযান হলেই কি পানাহার বন্ধ করা জরুরী?


আযান দেখার বিষয় নয়। দেখার বিষয় হল ফজর উদয়ের সময়। যেমন সময়ের ঘড়িও মজবুত হওয়া প্রয়োজন। নচেৎ মুআযযিন আগে আযান দিলে অথবা ঘড়ি মজবুত ফাস্ট থাকলে যেমন খাওয়া বন্ধ করা বিধেয় নয়, তেমনি মুআযযিন দেরি করে আযান দিলে অথবা ঘড়ি স্লো থাকলে খেয়ে যেতেই থাকা বৈধ নয়। বলা বাহুল্য, এ বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা কর্তব্য। (ইবনে বায)

Wednesday, October 18, 2017

অলীমাহ বা বউভোজ অনুষ্ঠান করার গুরুত্ব!!

অলীমাহ
অলীমাহ বা বউভোজ করা ওয়াজেব।[1] যদিও বা একটি মাত্র ছাগল যবেহ করা হয়।[2] এই ভোজ অনুষ্ঠান তিন দিন পর্যন্ত করা চলে।[3]
এই ভোজের অধিক হকদার দ্বীনদার পরহেযগার মুসলিমরা। প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,
لاَ تُصَاحِبْ إِلاَّ مُؤْمِنًا وَلاَ يَأْكُلْ طَعَامَكَ إِلاَّ تَقِىٌّ.
‘‘মুমিন ছাড়া কারো সঙ্গী হয়ো না এবং পরহেযগার ব্যক্তি ছাড়া তোমার খাদ্য যেন অন্য কেউ না খেতে পায়।’’[4]
অলীমার জন্য গোশত হওয়া জরুরী নয়। যে কোন খাদ্য দ্বারা

বিবাহের দিনে করণীয় - বর্জনীয়

বিবাহের দিন
বিবাহ বন্ধন ও মজলিসের জন্য বর, কনে ও অভিভাবক ছাড়া আর মাত্র দুটি লোকের প্রয়োজন। তাও তো মিনিট কয়েকের ব্যাপার। কিন্তু এত বিপুল আয়োজন, এত ঘটা কিসের? এগুলো লোক প্রদর্শন নয় কি? ১০/২০টা ডুলার বিবি, ৮০/১০০টা বরযাত্রী; তাতে অমুসলিমও থাকবে! এত লোকের রাখা ও খাওয়ানোর দায়িত্ব পাত্রীপক্ষের ঘাড়ে। কোন অধিকারে? ‘এত জন পারব না’ বললেও উপায় নেই। সমস্ত কুটুম্বের মান রাখতেই হবে। জোর করে যাবে ১০০ জন বরযাত্রী। পাত্রীপক্ষ বাধ্য হয়েই রাজী হয়। এটা কি যুলুম নয়? যুলুম করে কি কারো বাড়িতে নিমন্ত্রণ খাওয়া চলে? এমন পেটুকেরা কি লুটেরা নয়? কুটুম বুঝাতে নিজে খাওয়াও। পরের ঘাড়ে কেন কুটুমের মান রাখ? নাকি ‘পরের লেজে পা পড়লে তুলোপানা ঠেকে, আর নিজের লেজে পা পড়লে ক্যঁাক করে ডাকে।’ তাই না?

Tuesday, October 17, 2017

কোন অমুসলিম ইফতারি পার্টি দিলে তা খাওয়া বৈধ কি?

হালাল খাদ্য দিয়ে ইফতারি করালে এবং সেখানে কোন আপত্তিকর জিনিস (গান-বাজনা, ছবি ইত্যাদি) না থাকলে তা খেয়ে ইফতারি করা বৈধ।
তবে যেন তা কেবল বন্ধুত্বের খাতিরে না হয়। বরং তাতে যেন তাকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার নিয়ত থাকে, ইসলামী শিষ্টাচার প্রকাশের মাধ্যমে ইসলামকে উচ্চ করার উদ্দেশ্য থাকে,
মহান আল্লাহ বলেছেন,

অমুসলিমের ঘরে পানাহার বৈধ কি ?

যদি পানাহারের জিনিস ইসলামে ‘হারাম’ না হয় এবং তা বৈধ পাত্রে পেশ করা হয়, তাহলে বৈধ। ইসলামের দিকে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে অমুসলিমের খাওয়া এবং খাওয়ানো দোষের  নয়। অবশ্য তাদের কোন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান উপলক্ষে ক্রয়ক্রীত বা প্রস্তুতকৃত কোন খাবার --- তা মুলতঃ ‘হালাল’ হলেও খাওয়া বৈধ নয়।

রোজাদার ব্যক্তি ভুল করে পানাহার করলে আল্লাহই তাকে খাওয়ান এবং তাঁর রোজাও শুদ্ধ। কিন্তু যে ব্যক্তি তাকে পানাহার করতে দেখবে, সে কি তাকে রোজার কথা স্মরণ করিয়ে পানাহারে বাধা দেবে? নাকি আল্লাহ খাওয়াচ্ছেন বলে তাকে খাওয়ার সুযোগ দেবে?

যে ব্যক্তি রোজাদার ব্যক্তিকে পানাহার করতে দেখবে, তাঁর জন্য ওয়াজেব তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া। যেহেতু সে ভুলে পানাহার করেছে। আর রোজা অবস্থায় পানাহার হারাম। অনুরূপ রোজাদারের উচিৎ, স্মরণ হওয়া মাত্র সাথে সাথে মুখ থেকে খাবার ফেলে দেওয়া। (ইবনে উসাইমিন)

Monday, October 16, 2017

কোন কাফেরকে ইসলামে নিষিদ্ধ খাবার খেতে দেয়া বৈধ কি?

কোন কাফেরকে ইসলামে নিষিদ্ধ খাবার খেতে দেয়া বৈধ কি?

সহকর্মী বা কার্যক্ষেত্রে কোন অমুসলিমকে এমন জিনিস উপহার বা পানাহার করতে দেয়া বৈধ নয়, যা তাদের ধর্মে বৈধ হলেও ইসলামে অবৈধ। যেমন কোন কাজ করার সময় লেবার কে মদ বা বিড়ি সিগারেট পেশ করাও অবৈধ। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ  ১/১১০

কোন কাফের দাওয়াত দিলে খাওয়া এবং তাদের প্রস্তুতকৃত খাদ্য খাওয়া বৈধও কি?

কোন কাফের দাওয়াত দিলে খাওয়া বৈধ কি?

কোন কাফেরের দাওয়াতে হালাল খাদ্য খাওয়া অবৈধ না। আল্লাহর ওয়াস্তে তার মনকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য খাওয়া যায়। আমাদের আদর্শ নবী কাফেরদের দাওয়াতে তাদের তৈরি হালাল খাদ্য খেয়েছেন। অবশ্য তাদের পূজা (তদনুরূপ মাজারিদের উরস) উপলক্ষে প্রস্তুতকৃত খাদ্য, মূর্তি বা মাজারে উৎসর্গকৃত খাদ্য, ঠাকুরের প্রসাদ, মাজারের তবরুক ইত্যাদি খাওয়া বৈধ নয়। যেহেতু তাতে শিরকে মৌন সম্মতি ও সমর্থন প্রকাশ পায়।

(মাজাল্লাতুল বুহূসিল ইসলামিয়্য্যাহ ২৬/১০৯,২৮/৮২, ৮৪)

কাফেরদের প্রস্তুতকৃত খাদ্য খাওয়া বৈধও কি?

কাফেরদের প্রস্তুতকৃত খাদ্য ও পানীয় খাওয়া আবৈধ নয়। যেমন তাদের প্রস্তুত, সেলাই ও ধৌত করা কাপড় ব্যবহার করা বৈধ। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ  ১/২০০)

খাওয়ার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ এর উপর ‘রাহমানির রাহীম’ যোগ করা বিধয়ে কি?

খাওয়ার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ এর উপর ‘রাহমানির রাহীম’ যোগ করা বিধয়ে কি?

অনেকে বলছেন, যোগ করে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বলা উত্তম। কিন্তু মহানবী (সঃ) এর সুন্নতই সবচেয়ে উত্তম। তিনি কেবল ‘বিসমিল্লাহ’ বলারই নির্দেশ নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন আহার করবে, সে যেন শুরুতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে। যদি শুরুতে তা ভুলে যায়, তাহলে সে যেন ‘বিসমিল্লাহি  আওয়াল্লাহু অ আখেরাহ।” (তিরমিজি ১৮৫৭ নং) (আলবানী)

মাছ মারা গিয়ে পানির উপর ভেসে থাকলে তা খাওয়া বৈধ কি না?

মাছ মারা গিয়ে পানির উপর ভেসে থাকলে তা খাওয়া বৈধ কি না?

মহানবী (সঃ) বলেছেন, “সমুদ্রের পানি পবিত্র এবং তার মৃত হালাল।” (আহমাদ, সুনান আরবাআহ প্রমুখ, সিলসিলাহ সহিহাহ ৪৮০ নং) এই হাদিস থেকে এই কথা বুঝা যায় যে, মাছ মারা গিয়ে পানির উপর ভেসে উঠলেও তা হালাল। পক্ষান্তরে মাছ মরে গিয়ে পানির উপর ভেসে উঠলে তা খাওয়া নিষেধ হওয়ার ব্যাপারে হাদিস সহিহ নয়। (সিলসিলাহ সহিহাহ ১/৮৬৪) বরং পাঁইটে ভাসা আম্বর মাছ সাহাবাদের খাওয়ার ব্যাপারে ঘটনা হাদিসে প্রসিদ্ধ। আর তারা নিরুপায় ছিলেন বলেই নয়, যেহেতু মহানবী (সঃ) ও সেই মাছের কিছু অংশ খেয়েছিলেন।

চামচ দিয়ে খাওয়া কি সুন্নত বিরোধী? ঘোড়ার গোশত খাওয়া বৈধ কি?

চামচ দিয়ে খাওয়া কি সুন্নত বিরোধী?

মহানবী (সঃ) তিনটি আঙ্গুল যোগে খেতেন। কিন্তু চামচ লাগিয়ে খাওয়া অবৈধ নয়। যেহেতু তা শরই ব্যাপার নয়, বরং তা পার্থিব ব্যবহারিক ব্যাপার। যেমন আধুনিক মাধ্যম বাস-ট্রেন, সাইকেল-গাড়ি ইত্যাদি ব্যবহার করা আবৈধ নয়। (আলবানী )

ঘোড়ার গোশত খাওয়া বৈধ কি?

সহিহ হাদিসের মতে ঘোড়ার গোশত হালাল। হানাফি মাজহাবের বড় ইমামগণও হালাল বলছেন। আবু জাফর ত্বাহাবি হালাল হওয়ার কথাই প্রাধান্য দিয়েছেন। যেহেতু হারাম হওয়ার দলিলে হাদিস সহিহ নয়। (আলবানী)

দাঁড়িয়ে পানাহার করা কি হারাম?

দাঁড়িয়ে পানাহার করা কি হারাম?

দাঁড়িয়ে পানাহার করা হারাম। যেহেতু আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ যেন দাঁড়িয়ে পান না করে। কেউ ভুলে গিয়ে পান করে থাকলে সে যেন তা বমি করে ফেলে।” (মুসলিম ২০২৬  )

আনাস (রাঃ) বলেন, ‘নবী (সাঃ) নিষেধ করেছেন যে, কোন লোক যেন দাঁড়িয়ে পান না করে।’ আনাস (রাঃ) কে দাঁড়িয়ে খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা তো আরও খারাপ ও আরও নোংরা।’ (মুসলিম ২০২৪ নং)

হাদিসে দাঁড়িয়ে পান করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) ধমক দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, “(তুমি দাঁড়িয়ে পান করলে) তোমার সাথে শয়তান পান করেছে।”

অবশ্য দাঁড়িয়ে পান বৈধ হওয়ার ব্যাপারেও হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (বুখারি ১৬৩৭, ৫৬১৫, মুসলিম ২০২৭, ইবনে মাজাহ ৩৩০১ নং প্রমুখ) সুতরাং বসার জায়গা না থাকলে অথবা অন্য কোন অসুবিধায় বা প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে পানাহার করা হারাম নয়। (আলবানি, সিঃ সহিহাহ ১৭৫ নং)

পরিবেশন করার সময় বুজুর্গকে আগে দিতে হবে, নাকি ডান দিক থেকে শুরু করতে হবে?

ডান দিক থেকেই শুরু করতে হবে। অবশ্য বুজুর্গ বা যে চেয়ে খেতে চাইবে তাকে আগে দিতে হবে। (আলবানী, সিসিঃ ১৭৭১ নং)

কোন গোশতের ব্যাপারে ‘ঠিকমত জবেহ করা হয়েছে কি না’ - এই সন্দেহ হলে বাড়িওয়ালা অথবা হোটেল মালিককে জিজ্ঞাসা করা কি জরুরী? নাকি জিজ্ঞাসা না করেও খাওয়া যায়?

কোন গোশতের ব্যাপারে ‘ঠিকমত জবেহ করা হয়েছে কি না’ - এই সন্দেহ হলে বাড়িওয়ালা অথবা হোটেল মালিককে জিজ্ঞাসা করা কি জরুরী? নাকি জিজ্ঞাসা না করেও খাওয়া যায়?

যদি প্রবল ধারনায় জানা যায় যে, জবেহকারী ঠিকমত জবেহ করেছে, তাহলে জিজ্ঞাসা করা বিধেয় নয়। যেহেতু মহানবী (সঃ) ইয়াহুদিদের জবেহ করা ছাগলের গোশত খেয়েছেন এবং জিজ্ঞাসাও করেননি যে, তা ঠিকভাবে জবেহ করা হয়েছে কি না? (বুখারি ২৬১৭, ২০৬৯, ২৫০৮, মুসলিম ২১৯০ নং)

একদা একদল লোক নবী (সঃ) কে জিজ্ঞেসা করল, ‘এক নও মুসলিম সম্প্রদায় আমাদের নিকট গোশত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, তার জবেহকালে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কি না।’ তিনি বললেন, “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা ভক্ষণ কর।” (বুখারি ২০৫৭, ৫৫০৭ নং)

উক্ত হাদিসে নবী (সঃ) তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে সন্দেহ দূরীভূত করতে নির্দেশ দেননি। এমন নির্দেশ হলে নিশ্চয় মানুষ বড় সমস্যায় পতিত হতো।  (ইবনে উসাইমিন)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ