Showing posts with label ইমান- তাওহীদ- আকিদাহ. Show all posts
Showing posts with label ইমান- তাওহীদ- আকিদাহ. Show all posts

Friday, March 16, 2018

বাংলাদেশে সহি আকিদার মাদরাসা ৭২টি দেখুন

বাংলাদেশে সহি আকিদার মাদরাসা ৭২টি দেখুন 
🌷 🌷 🌷 🌷 🌷 🌷 🌷 🌷 🌷 🌷 🌷

সাতক্ষীরা :: ১::দারুল হাদিস আহমাদিয়া সালাফিয়্যাহ দাখিল মাদ্রাসা, বাঁকাল (পুরুষ)
২::দারুল হাদিস আহমাদিয়া সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসা, বাঁকাল ( মহিলা)

☞ময়মনসিংহ জেলাঃ 
১. মাদ্রাসাতুত তাওহীদ আস-সালাফিয়্যাহ্ ময়মনসিংহ।যোগাযোগ ০১৭৩৪৬৭০৬৬১

☞সিলেট জেলাঃ
১. কিউসেট ইন্সটিটিউট, মিরের ময়দান, সিলেট।

Wednesday, February 21, 2018

ঈমানী দুর্বলতার লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা গুলি কি?


ঈমানী দুর্বলতার লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা গুলি কি?
====================
দুর্বল ঈমানের লক্ষণ-
১। পাপে নিমজ্জিত হওয়া, হারাম কাজ করা।
২। অন্তকরণে কাঠিন্য অনুভব, উপদেশ বা জানাজা দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া।
৩। ইবাদতে একাগ্রতার অভাব, বরং উদাসীনতা।
৪। ইবাদত ও আনুগত্যে শৈথিলতা ও অলসতা প্রদর্শন।
৫। মেজাজের ভারসাম্যহীনতা ও বক্ষের অপ্রশস্থততা।
৬। কুরআনের আয়াত দ্বারা প্রভাবিত না হওয়া।
৭। আল্লাহর জিকির ও দুয়ার ব্যাপারে গাফিল হওয়া।
৮। হারাম কাজ হতে দেখলেও খারাপ না লাগা।
৯। নিজেকে প্রকাশ করতে ভালবাসা।
১০। কৃপণতা।

Wednesday, February 7, 2018

গাইরুল্লাহর (আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছু) ইবাদতের দিকেআহ্বান কারী শয়তান!!

গাইরুল্লাহর (আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছু) ইবাদতের দিকেআহ্বান কারী শয়তান!!তাগুতের সবচেয়ে বড় নেতা হচ্ছে শয়তান।এর প্রমাণ আল্লাহ তায়ালার নিন্মোক্ত বাণীঃ “হেআদম সন্তান গণ!আমি কি তোমাদেরকে বলে রাখিনি যে, শয়তানেরইবাদত করোনা,কেননা, সে তোমাদের প্রকাশ্যদুশমন।” (ইয়াসীন: ৬০)শয়তান দুই প্রকার- মানুষ শয়তান এবং জ্বিন শয়তান।আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “বল, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছিমানুষের রবের, মানুষের মালিকের, মানুষের ইলাহর।আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে।যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে। জিনেরমধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে ।”জ্বিন শয়তান এবং মানুষ শয়তান তাদের কর্মেরকারণে এ শ্রেনীর তাগুতের অন্তর্ভূক্ত হতেপারে।আল্লামা আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আবা-বাতীন(রহঃ) বলেন,

Monday, February 5, 2018

পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?

চরমোনাই, গোলাপবাগ, দেওয়ানবাগ, রাজারবাগ,কুতুবাগ, আটরসি, শাহাপুর, কালিয়াপুর, ওলিপুর ও মাইজভান্ডারী সহ সকল পীর ও পীরের মুরিদগনকে বলছি, নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেন.?

১.পৃথীবির ইতিহাসে প্রথম পীর কে??
২.পির প্রথা আরব দেশে নেই কেন? মক্কা মদিনার ইমামরা কেন মুরিদ করেন না?
৩.পিরেরাই যে আল্লাহর ওলি এর প্রমাণ কি?পীর বা মুরিদ না হয়ে কি ওলি হওয়া যায় না?
৪.পিরেরা তার মুরিদদের শাফায়াত করবেইএর গ্যারান্টি কোথায় পেল? তার নিজের নাজাতের নিশ্চয়তা কি?
৫.পির ধরা কি সবার জন্য ফরজ? কোরানের কোন আয়াত দ্বারা ফরয হয়েছে?
৬.বাংলাদেশে প্রায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার পির আছে। এদের মধ্যে কে হাক্কানি পির?

Monday, January 29, 2018

মৃত ব্যক্তির জন্যে ইছালে ছাওয়াব: শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

মৃত ব্যক্তির জন্যে ইছালে ছাওয়াব: শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

 بسم الله الرحمن الرحيم
ইছালে ছাওয়াব কি :
‘ইছালে ছাওয়াব’ ফারসী শব্দ। আরবীতে হবে ‘ঈসালুস সওয়াব’। আভিধানিক অর্থ সওয়াব পৌঁছে দেয়া। অনেকে বলে থাকেন ‘সওয়াব রেসানী।’ এ শব্দটি ফারসি ভাষার হলেও, বাংলায় বহুল ব্যবহৃত বলে সাধারণ সমাজে খুবই পরিচিত। কেহ কেহ বলেন—‘সওয়াব বখশে দেয়া।’ নানা প্রকাশে শব্দগুলোর অর্থ ও মর্ম একই : পুণ্য বা সওয়াব প্রেরণ করা।
পরিভাষায় ইছালে ছাওয়াব হল, মৃত ব্যক্তির কল্যাণের জন্য কোন নেক আমল (সৎকর্ম) বা ইবাদত-বন্দেগী করে তা উক্ত ব্যক্তির জন্য উৎসর্গ করা।
ইছালে ছাওয়াবের প্রচলিত পদ্ধতিসমূহ

হৃদয়সংলগ্ন ৩০ টি আমল


১- আল্লাহ তাআলার উপর ঈমান আনা
আল্লাহকে বিশ্বাস করা এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনার অর্থ শুধু আল্লাহ তাআলার অস্তিত্ব স্বীকার করা নয়; বরং অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাসের সঙ্গে সঙ্গে তিনি যে অনাদি, অনন্ত, চিরঞ্জীব তা স্বীকার করা। তার সিফাত অর্থাৎ মহৎ গুণাবলি স্বীকার করা এবং তিনি যে এক, অদ্বিতীয়, সর্বশক্তিমান ও দয়াময় এটাও স্বীকার করা এবং তিনি ব্যতীত অন্য কেউ ইবাদতের যোগ্য নয় একথা বিশ্বাস করা।
২- সবই আল্লাহ তাআলার সৃষ্ট এর উপর ঈমান রাখা
প্রত্যেক মুসলমানকে এ বিষয়ে অকাট্য বিশ্বাস ও ঈমান রাখতে হবে যে, ভাল-মন্দ ছোট বড় সমস্ত বিষয় ও বস্তুর সৃষ্টিকর্তা একমাত্র আল্লাহ তাআলা। সৃষ্টিকর্তা হিসেবে একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ নেই।
৩- ফেরেশতা সম্পর্কে ঈমান রাখা
ফেরেশতাগণ নিস্পাপ, তারা আল্লাহর প্রিয় ও ফরমাবরদার বান্দা। কোন কাজেই তারা বিন্দুমাত্র নাফরমানি করেনা এবং  তাদের আল্লাহপ্রদত্ব ক্ষমতাও অনেক বেশি। আল্লাহ তাআলা তাদের উপর অনেক জিম্মাদারি অর্পণ করেছেন।

৪- আল্লাহর কিতাব সম্বন্ধে ঈমান রাখা

সফলতার পথ-পথান্তর

সফলতার পথ-পথান্তর

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সাফল্য, চূড়ান্ত লক্ষ্য- ঈমানদার ও মুসলিমবৃন্দ যার দিকে ছুটে চলে অবিরাম। জ্ঞানী বুদ্ধিমান মানুষেরা যা হাসিল করার জন্য সচেষ্ট থাকে অবিরত। মহান আল্লাহও যার প্রতি উৎসাহ মূলক নির্দেশ দিয়ে বলেছেন,
এরূপ সাফল্যের জন্যই ‘আমলকারীদের আমল করা উচিত। [ সূরা সাফ্ফাত: ৬১]
সাফল্যের আরবি শব্দরূপ হচ্ছে,  ‘ফওয’, লিসানুল আরব অভিধানে এর অর্থ করা হয়েছে, কল্যাণ ও কাঙ্খিত লক্ষ্য সাধনের মাধ্যমে কৃতকার্য হওয়া।
প্রখ্যাত ভাষাবিদ ইমাম রাগেব বলেছেন, ‘ফওয’ অর্থ, শান্তি ও নিরাপত্তাসহ কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে কৃতকার্য হওয়া।
সাফল্যের উপায়-উপকরণ:

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ ঈমানের শাখা -গুলোর বর্ণনা

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ ঈমানের শাখা -গুলোর বর্ণনা

ইবনে হিব্বান (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত ঈমানের শাখা -গুলো হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী ফতহুল বারীতে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন। এই শাখা গুলো তিন প্রকার। (১) এমন কিছু শাখা আছে যা অন্তরের সাথে সম্পৃক্ত। (২) কতিপয় শাখা জবানের সাথে সম্পৃক্ত এবং (৩) এমন কতিপয় শাখা রয়েছে, শরীরের সাথে সম্পৃক্ত।
প্রথমতঃ
অন্তরের কাজসমূহঃ নিয়ত ও বিশ্বাস হচ্ছে অন্তরের কাজ। ঈমানের যেসমস্ত শাখা অন্তরের সাথে সম্পৃক্ত তার সংখ্যা ২৪টি। নিম্নে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হল।
(১) আল্লাহর প্রতি ঈমানঃআল্লাহর জাত (সত্বা), সিফাত (গুণাবলী) এবং একত্ববাদের প্রতি ঈমান আনয়নও আল্লাহর প্রতি ঈমানের অন্তর্ভূক্ত। তবে স্মরণ রাখা জরুরী যে, আল্লাহ্ স্বীয় সত্বা ও গুণাবলী কোন সৃষ্টির মত নয়। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

Friday, January 26, 2018

দুর্বল ঈমানের লক্ষণ গুলো কি কি?

দুর্বল ঈমানের লক্ষণ সমূহআপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করে থাকবেন, আমাদের ঈমান কখন বাড়ে আবার কখন কমে। এ সম্পর্কে রাসূল (সা) বলেন, আমাদের প্রত্যেকের ঈমান ক্রমশ জীর্ণ হতে থাকে যেভাবে সাউব (এক ধরনের পোশাক) জীর্ণ হয়ে যায় (পোশাক ক্রমশ পরিধান করতে থাকলে যেমন একটা সময় জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে যায়, আমাদের ঈমানও ঠিক তেমনি করে জীর্ণ হয়ে যায়)। আর তাই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম এর উপদেশ হল, (যেহেতু আমাদের ঈমান জীর্ণ হয়ে যায়) অতএব, প্রত্যেক মুসলমানের উচিত হৃদয়ে ঈমানের নবায়নের জন্য আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করা
x




[হাদীসটি আল-হাকিম তার আল-মুসতাদ্‌রাক গ্রন্থে, আল-হায়সামি তার মাজমা আল-যাঈদ গ্রন্থে, আল-তাবারানি তার আল-কাবীর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।]
আত্ম-সচেতনতার জন্য দুর্বল ঈমানের লক্ষণগুলো ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক; দুর্বল ঈমানের কিছু লক্ষণ হল:

Tuesday, January 23, 2018

ইন্টারনেট ঈমান, আখলাক ও বিবেক-বুদ্ধির পরীক্ষা

ইন্টারনেট ঈমান, আখলাক ও বিবেক-বুদ্ধির পরীক্ষা

এই পৃষ্ঠাগুলো ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের শুভ ও কল্যাণকর ব্যবহার কীভাবে সম্ভব সে বিষয়ে কিছু ধারণার সন্নিবেশ। আশা করি এ প্রবন্ধে নিম্নবর্ণিত পয়েন্টগুলোর প্রতি আলোকপাত করতে সক্ষম হব:
১- ইন্টানেট একটি পরীক্ষা।
২- কীভাবে ইন্টারনেটের সদ্ব্যবহার সম্ভব।
৩- শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ থেকে সতর্কতা।
৪- সময় নির্দিষ্টকরণ ও উদ্দেশ্য নির্ণয়।
৫- শেষ ফলাফলের প্রতি দৃষ্টি।
৬- দৃষ্টি অবনত রাখা।
৭- নিশ্চিত হওয়া।
৮- ভেবে-চিন্তে অভিমত ব্যক্ত করা।

Tuesday, January 16, 2018

যোগ্য আলেম কে? কার কাছ থেকে ফতওয়া নিতে হবে? ফুটপাথের ফতওয়া নেয়া যাবে কিনা?


যোগ্য আলেম কে? কার কাছ থেকে ফতওয়া নিতে হবে? ফুটপাথের ফতওয়া নেয়া যাবে কিনা?

যারা দ্বীন শেখার প্রচন্ড তাগিদ ও উত্সাহ নিয়ে বিভিন্ন ইমাম, খতিব বা দেশীয় ভাষায় হুজুরদের পেছনে পেছনে ঘুরেছেন তারা হয়ত বুঝে থাকবেন, আমাদের দেশে দ্বীন শেখার সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে ভাল আলেম নির্বাচন।
কারন এই আলেমদের কথায় কেউ মাজারে সিজদা দিচ্ছে, কেউ বায়তুল মোকাররমে জুতা ছুড়াছুড়ি করছে, কেউ বা পীর সাহেবের নামে মুরগী জবাই করছে, কেউ চিল্লা দিয়ে জান্নাতের সার্টিফিকেট নিচ্ছে, কেউ ক্লিন সেভ করা যায়েজ মনে করছে, কেউ বা মিলাদ পড়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায় করছে, কেউ বা জিহাদের ডাক না দেওয়া সকল আলেম কে জালেম/কাফের/গোমরাহ মনে করছে, কেউ বা ইসলামের মধ্যে হরতাল-গনতন্ত্র ইত্যাদী আবিস্কার করছে। এ অবস্হায় কোনদিকে যাব বা কার কথা মানব এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া বড় কঠিন ব্যাপার। বিশেষ করে এ ধরনের প্রশ্ন তো থেকেই যায় যে,

মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি

মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি

ইসলামী শরীয়তের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে, ভালো কাজের প্রতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং খারাপ ও মন্দ কাজের পরিণতি হতে তাদের হেফাজত করা। মানুষ যাতে কোন খারাপ কাজে লিপ্ত না হয় তার জন্য তাদের সতর্ক ও সংশোধন করা। এ কারণেই মানুষের কাজের হিসাব নেয়া ও তা পর্যালোচনার গুরুত্ব অপরিসীম। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ করতে নিষেধ করার মর্যাদা ও গুরুত্ব আল্লাহ তা‘আলার নিকট অধিক।
ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজ হতে নিষেধ করা সমাজ সংশোধনের চাবিকাঠি ও সামাজিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সফলতার অন্যতম উপকরণ। একটি মুসলিম সমাজে এর প্রয়োজন এত তীব্র যে, বলতে গেলে এরই মাধ্যমে মুসলিমের ঈমান-আক্বীদার সংরক্ষণ হয়। ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজকে সমাজ থেকে প্রতিহত করা না হলে, ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত কঠিন।
একজন মুসলিম তার স্বীয় মর্যাদা রক্ষা ও বাতিলকে প্রতিহত করতে হলে এর কোন ব্যতিক্রম কখনোই খুঁজে পাবে না। শুধু চুপ করে বসে থাকার মাধ্যমে

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় (২য় পর্ব)

মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয় (২য় পর্ব)

১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
মুক্তিপ্রাপ্ত দলের পাথেয়
আকীদা আগে না হুকুমত আগে ?
মক্কা মোকাররমার প্রসিদ্ধ দারুল হাদিসে এক আলোচনায় বিশ্ব বরেণ্য ইসলামি চিন্তাবিদ প্রখ্যাত শায়খ মুহাম্মাদ কুতুব অতি গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশ্নটির জবাব দিয়েছিলেন, আমরা এখানে সে উত্তরটি সম্মনীত পাঠক সমীপে উপস্থাপন করছি।
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: বর্তমানে কিছুলোক বলে থাকেন, ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠিত হলে ইসলাম পুনরুজ্জীবিত হত। আবার অন্যেরা বলেন: ইসলাম আবারো তাজা হবে যদি আকীদাকে সহিহ করার মেহনত করা হয় এবং জামাআত সুসংগঠিত করা হয়। এর কোনটা সত্য ?

মাযহাব মানা ফরয নাকি রাসূলের আনুগত্য করা ফরয?

মাযহাব মানা ফরয নাকি রাসূলের আনুগত্য করা
ফরয?
(1) হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং
রাসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর। আর তোমাদের
আমলসমুহ বিনষ্ট করো না। (Muhammad: 33)
(2) রাসুল তোমাদের যা দেন তা গ্রহন কর এবং যা
নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক। (Al-Hashr :
07)
(3) আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের
আনুগত্য করে আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর
তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই কৃতকার্য। (An-Noor:
52)

মাজহাব মানা ও না মানা এর সংশয় নিরসন

মাজহাব মানা ও না মানা এর সংশয় নিরসন

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর। দুরুদ ও সালাম নাজিল হোক প্রিয় নবী(সা) এর উপর।

ইসলামের ৪ মহান ইমাম-
ইমাম আবু হানীফা(রহ), ইমাম মালেক ইবন আনাস(রহ),ইমাম শাফেয়ী(রহ) এবং ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল(রহ)
এছাড়াও আরো মুজতাহিদ ইমাম ছিলেন,তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ইমাম সুফিয়ান ছাওরী, ইমাম আওযাঈ,ইমাম ইসহাক ইবন রাহ’ওয়া।
বর্তমানে আমাদের মুসলিমদের মধ্যে একটি বড় ব্যাধি হল – মাজহাব মানা ও না মানা নিয়ে ঝগড়া করা।
মাজহাব মানা বলতে বুঝানো হচ্ছে

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ২)

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ২)

undefinedপ্রশ্নঃ (১১) যেই শরীয়ত (দ্বীন) অনুযায়ী আল্লাহর এবাদত করতে বলা হয়েছে, তা কোনটি?
উত্তরঃ সেটি হচ্ছে, দ্বীনে হানীফ তথা মিল্লাতে ইবরাহীম। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الأِسْلاَمُ
“আল্লাহর নিকট ইসলাম হচ্ছে একমাত্র মনোনীত দ্বীন”। (সূরা আল-ইমরানঃ ১৯) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ
أَفَغَيْرَ دِينِ اللَّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَالأرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا
“তারা কি আল্লাহর দ্বীনের পরিবর্তে অন্য কোন দ্বীন তালাশ করছে? অথচ আসমান-যমীনে যা কিছু রয়েছে স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তারই অনুগত”। (সূরা আল-ইমরানঃ ৮৩) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ১)

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ১)
উত্তরঃ বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব হচ্ছে, তাদেরকে আল্লাহ তা’আলা যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন, তাদের থেকে যে বিষয়ের অঙ্গীকার নিয়েছেন, যে বিষয় দিয়ে রাসূল প্রেরণ করেছেন এবং কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। এ বিষয়টির জন্যই আল্লাহ্ তাআলা দুনিয়া-আখেরাত, জান্নাত-জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ের জন্যেই কিয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবে, দাড়িপাল্লা স্থাপন করা হবে, আমলনামা প্রদান করা হবে। এ বিষয়টির কারণেই কেউ সৌভাগ্যবান হবে আবার কেউ হবে হতভাগা। এ অনুযায়ী কিয়ামতের দিন নূর বণ্টিত হবে। সে দিন আল্লাহ যাকে নূর দান করবেন না, তার কোন নূর থাকবে না।
প্রশ্নঃ (২) সুতরাং ঐ বিষয়টি কি, যার জন্য আল্লাহ্ তাআ’লা মানুষ সৃষ্টি করেছেন?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলা মানুষ ও জিন জাতিকে পৃথিবীতে তাঁর একত্ববাদ ও এবাদত প্রতিষ্ঠা করার জন্যে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ্ তাআ’লা বলেনঃ
প্রশ্নঃ (৩) আব্দ অর্থ কি?
উত্তরঃ আব্দ দ্বারা যদি অধিনস্ত উদ্দেশ্য হয়, তাহলে আসমান-যমীনের সকল জ্ঞানবান ও জ্ঞানহীন, তাজা-শুকনা, চলমান-স্থির, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য কাফের-মুমিন, সৎ-অসৎ সব কিছুই উদ্দেশ্য। সবই আল্লাহর সৃষ্টি, আল্লাহ কর্তৃক প্রতিপালিত, তাঁর অধিনস্ত, তাঁর পরিচালনাধীন। প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য নির্দিষ্ট একটি গন্তব্যস্থল রয়েছে। সেখানে গিয়ে তার যাত্রা শেষ হবে। প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট একটি সময়ের উদ্দেশ্যে চলমান। তার জন্যে নির্ধারিত সীমা ছেড়ে একটি সরিষার দানা পরিমাণ স্থানও অতিক্রম করতে পারবে না। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
আর আব্দ দ্বারা যদি এবাদতকারী, অনুগত ও প্রিয় উদ্দেশ্য হয় তাহলে আব্দ অর্থ হবে আল্লাহর সম্মানিত মুমিন ব্যক্তিগণ। তারা হবেন আল্লাহর পরহেজগার বন্ধু। তাদের কোন ভয় নেই। আর তারা চিন্তিতও হবে না।
প্রশ্নঃ (৪) এবাদত কাকে বলে?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলা বান্দার যেসমস্ত প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য কথা ও কাজকে ভালবাসেন ও পছন্দ করেন এবং যে সমস্ত বিষয় আল্লাহর ভালবাসা ও পছন্দের বিপরীত ও পরিপন্থী, তা থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার নামই এবাদত।
প্রশ্নঃ (৫) বান্দার আমল কখন এবাদতে পরিণত হয়?
উত্তরঃ আমলের মধ্যে যখন দু’টি বস্তু পরিপূর্ণ অবস্থায় পাওয়া যাবে তখন তা এবাদতে পরিণত হবে। (১) আল্লাহকে পরিপূর্ণরূপে ভালবাসা এবং (২) আল্লাহর সামনে পরিপূর্ণভাবে বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশ করা। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
প্রশ্নঃ (৬) বান্দা যে আল্লাহ্কে ভালবাসে, তার আলামত কী?
উত্তরঃ বান্দা কর্তৃক আল্লাহকে ভালবাসার প্রমাণ হল, সে আল্লাহর প্রিয় বস্তুকে ভালবাসবে এবং আল্লাহ যা অপছন্দ করেন, সে তা অপছন্দ করবে। আল্লাহর আদেশ মেনে চলবে এবং তাঁর নিষেধ থেকে দূরে থাকবে। আল্লাহর বন্ধুদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করবে এবং আল্লাহর শত্রু মনে করবে। এ জন্যই আল্লাহর জন্য কাউকে ভালবাসা এবং আল্লাহর জন্যই কাউকে ঘৃণা করা ঈমানের সবচেয়ে মজবুত হাতল।
প্রশ্নঃ (৭) বান্দা কিভাবে আল্লাহর প্রিয় ও সন্তুষজনক কাজগুলো জানতে পারবে?
উত্তরঃ আল্লাহ যা পছন্দ করেন ও ভালবাসেন, তা আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন আদেশের মাধ্যমে এবং যা অপছন্দ করেন তা জানিয়ে দিয়েছেন নিষেধের মাধ্যমে। সুতরাং রাসূল প্রেরণ এবং আসমানী কিতাব নাযিলের মাধ্যমে বান্দাগণ আল্লাহর পছন্দনীয় আমলসমূহ জানতে পেরেছে। এর মাধ্যমেই তাদের নিকট আল্লাহর অকাট্য দলীল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তাঁর পরিপূর্ণ হিকমত প্রকাশিত হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
প্রশ্নঃ (৮) ইবাদতের শর্ত কয়টি?
উত্তরঃ এবাদতের শর্ত হচ্ছে তিনটি। (১) ‘সিদকুল আযীমাহ’ তথা এবাদত করার সুদৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করা। আর এটি হচ্ছে এবাদতের অস্তিত্বের শর্ত। (২) নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়া। (৩) আল্লাহ তা’আলা যে শরীয়ত (দ্বীন) অনুযায়ী এবাদত করতে বলেছেন, এবাদতটি সেই শরীয়ত অনুযায়ী হওয়া। শেষ দু’টি হচ্ছে এবাদত কবুল হওয়ার শর্ত।
প্রশ্নঃ (৯) ‘সিদকুল আযীমাহ’ তথা সুদৃঢ় ইচ্ছা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ তা হচ্ছে এবাদত করতে গিয়ে সম্পূর্ণরূপে অলসতা পরিহার করা এবং কথা ও কাজে পরিপূর্ণ মিল থাকা। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
উত্তরঃ নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়ার অর্থ হচ্ছে বান্দা তার প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্য সকল কথা ও কাজের মাধ্যমে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করবে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ
x
মূল: হাফেজ বিন আহমদ আল হাকামী রহ.
অনুবাদক: আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
undefinedপ্রশ্নঃ (১) বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব কী?
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لاَعِبِينَ * مَا خَلَقْنَاهُمَا إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لاَ يَعْلَمُونَ
“আমি নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবতী সবকিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা বুঝে না”। (সূরা আদ্ দুখানঃ ৩৮-৩৯) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا بَاطِلاً ذَلِكَ ظَنُّ الَّذِينَ كَفَرُوا
“আমি আকাশ ও পৃথিবী এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে তা অযথা সৃষ্টি করি নি। এটা কাফেরদের ধারণা মাত্র”। (সূরা সোয়াদাঃ ২৭) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
وَخَلَقَ اللَّهُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ بِالْحَقِّ وَلِتُجْزَى كُلُّ نَفْسٍ بِمَا كَسَبَتْ وَهُمْ لاَ يُظْلَمُونَ
“আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার উপার্জনের ফল পায়। তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না”। (সূরা জাসিয়াঃ ২২) আল্লাহ্ তাআ’লা আরো বলেনঃ
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالإِنسَ إِلاَّ لِيَعْبُدُونِ
“আর আমি জিন এবং মানব  কেবল আমার দাসত্ব করার জন্য সৃষ্টি করেছি”। (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬)
ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ
“আর এটি হল মহা পরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী আল্লাহর নির্ধারণ”। (সূরা ইয়াসীনঃ ৩৮)
وَالَّذِينَ آمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا لِلَّهِ
“আর যারা ঈমানদার, তারা আল্লাহ্কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসে”। (সূরা বাকারাঃ ১৬৫) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ
إِنَّ الَّذِينَ هُمْ مِنْ خَشْيَةِ رَبِّهِمْ مُشْفِقُونَ
“নিশ্চয়ই মুমিনগণ তাদের পালনকর্তার ভয়ে সদা সন্ত্রস্ত থাকে”। (সূরা মুমিনূনঃ ৫৭) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ
إِنَّهُمْ كَانُوا يُسَارِعُونَ فِي الْخَيْرَاتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
“তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়ত, আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকত এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত”। (সূরা আম্বীয়াঃ ৯০)
رُسُلاً مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ لِئَلاَ يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ
“সুসংবাদদাতা এবং ভীতি প্রদর্শনকারী রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি। যাতে রাসূলগণকে প্রেরণের পরে আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করার মত কোন সুযোগ না থাকে”। (সূরা নিসাঃ ১৬৫) আল্লাহ তাআ’লা আরো বলেনঃ

Sunday, December 31, 2017

মাতৃগর্ভে কি আছে তা আল্লাহই ভাল জানেন।

মাতৃগর্ভে কি আছে তা আল্লাহই ভাল জানেন
প্রশ্নঃ- বর্তমান কালের ডাক্তারগণ মাতৃগর্ভে পুত্র
সন্তান আছে না কন্যা সন্তান বলে দিতে পারে। আর
কুরআনে আছে,অর্থঃ “মাতৃগর্ভে কি আছে তা
আল্লাহই জানেন।” ইবনে জারীর মুজাহিদ থেকে
বর্ণনা করেন যে, একজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করল, আমার স্ত্রী
কি সন্তান প্রসব করবে? তখন উক্ত আয়াত নাযিল হয়।
কাতাদা থেকেও অনুরূপ তাফসীর বর্ণিত আছে।
আল্লাহর বাণী, “গর্ভে যা আছে” এ কথাটি ব্যাপক। এ

Tuesday, December 19, 2017

সতর্কতাঃতোফাজজল হোসেন ভৈরবী ও আবু সুফিয়ান আল কাদেরী

সতর্কতাঃতোফাজজল হোসেন ভৈরবী ও আবু সুফিয়ান আল কাদেরী


আবেদন, প্লিজ পোষ্ট টি শেয়ার করে সতর্ক করুন সবাইকে!!!
সতর্কতা!!!! আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় ভাই ও বোন,
সমাজে একজন বহুল পরিচিত সুন্দর কন্ঠের বক্তা আছেন, যার
ওয়াজ মাহফিল শহর ও গ্রামের প্রায় অধিকাংশ লোকের কাছেই
আছে. বিশেষ করে এই বক্তার ওয়াজ মাহফিল
শোনে

Monday, December 18, 2017

ইমাম আবু হানীফাহ্ (রঃ)-এর আক্বীদাহ!

ইমাম আবু হানীফাহ্ (রঃ)-এর আক্বীদাহ!-(ক) তাওহীদ বিষয়ে ইমাম আবূ হানীফাহ্ (রঃ)-এর মতামত সমূহঃ
প্রথমতঃ আল্লাহ্র তাওহীদ-(একত্ববাদ) সম্পর্কে তাঁর আক্বীদাহ এবং শারয়ী অছীলা ধরা (মাধ্যম ধরা)-এর বিবরণ ও
বিদয়াতি অছীলা ধরা বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে আলোচনাঃ


(১) আবূ হানীফাহ্ (রঃ) বলেছেনঃ “কোন ব্যক্তির উচিৎ নয় যে, সে আল্লাহকে অন্য কোন মাধ্যম দ্বারা আহবান করবে। যে দু’আ করতে অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং যার সঙ্গে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা হল, আল্লাহর উক্ত বাণী থেকে যা অর্জন করা হচ্ছে-

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ