Showing posts with label মেহমান নেওয়াযীর আদব. Show all posts
Showing posts with label মেহমান নেওয়াযীর আদব. Show all posts

Friday, November 24, 2017

মেহমানকে বিদায়কালে বাড়ির দরজা পর্যন্ত তার সাথে সাথে যাওয়া

মেহমানকে বিদায়কালে বাড়ির দরজা পর্যন্ত তার সাথে সাথে যাওয়া


মেহমানকে বিদায়কালে বাড়ির দরজা পর্যন্ত তার সাথে সাথে যাওয়া উচিত। গাড়িতে চড়ার সময় তার সহযোগিতা করা, ভারী কিছু থাকলে বয়ে দেওয়া ইত্যাদি কর্ম সুন্দর ব্যবহার ও চরিত্রের পরিচায়ক। যেহেতু

মেহমানদারীর সময়সীমা

মেহমানদারীর সময়সীমা


মেহমান গিয়ে তিনদিনের বেশী মেহমানি করা উচিত নয়। উচিত নয় মেযবানকে গোনাহ অথবা কষ্টে ফেলা। যেহেতু মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘মেহমানের পারিতোষিক হল এক দিন-রাত। মেহমান-নেওয়াযী তিন দিন। আর তার বেশী হল সদকাহ স্বরূপ। কোন মুসলিমের জন্য তার ভায়ের নিকট এতটা থাকা বৈধ নয়, যাতে সে তাকে গোনাহগার করে ফেলে।’’ লোকেরা জিজ্ঞাসা করল,

মেযবান যে খাবার পেশ করে, তাই সন্তুষ্টচিত্তে খাওয়া

মেযবান যে খাবার পেশ করে, তাই সন্তুষ্টচিত্তে খাওয়া


মেযবান যে খাবার পেশ করে, তাই সন্তুষ্টচিত্তে খাওয়া উচিত মেহমানের। ‘এটা খাই না, ওটা খাই না, এটা আমাদের ছাগলে খায়, এ খাবার আমরা ফেলে দিই --’ ইত্যাদি বলে নাক সিঁটকানো অহংকার প্রদর্শনের শামিল। রুচি না হলে,

মেযবানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

মেযবানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


পানাহারের পর মেহমানের উচিত, মেযবানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং তার জন্য দু‘আ করা। যেমনঃ
ক)

اَللّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيْمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা বা-রিক লাহুম ফীমা রাযাক্বতাহুম অগফির লাহুম অরহামহুম।
অর্থঃ  হে আল্লাহ! ওদের তুমি যা দান করেছ তাতে ওদের জন্য বরকত দান কর। ওদেরকে ক্ষমা করে দাও এবং ওদের প্রতি রহম কর।[1]

খ)

মজলিসে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রাধান্য দেয়া

মজলিসে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রাধান্য দেয়া


দাওয়াতের মজলিসে বয়োজ্যেষ্ঠ লোকদের অন্যান্যদের আগে খাতির হওয়া দরকার। যেহেতু ইসলামে ছোটদের তুলনায় বড়দের পৃথক মর্যাদা রয়েছে। মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করে না এবং আমাদের বড়দের অধিকার চিনে না, সে ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়।’’[1]
তিনি আরো বলেন,

অহেতুক প্রশ্ন না করা

অহেতুক প্রশ্ন না করা


মুসলিম ভাই দাওয়াত খাওয়ালে বা কোন খাবার পেশ করলে তাকে এ প্রশ্ন করা বৈধ নয় যে, সে খাবার হালাল, না হারাম? যেহেতু তাতে মুসলিম ভায়ের প্রতি কুধারণা হয় এবং তার বেইজ্জতি হয়। তাছাড়া তা হল এক প্রকার অতিরঞ্জন ও বাড়াবাড়ি।
রাসুল (সাঃ) বলেন,

দাওয়াতে যা করা বৈধ নয়

দাওয়াতে যা করা বৈধ নয়


কারো দাওয়াত পেলে খাওয়ার খুব আগেভাগে যাওয়া এবং খাওয়ার শেষে গল্প করতে থাকা বৈধ নয়। কারণ তাতে মেজবানের অসুবিধা হতে পারে। এই সুন্দর আদব বর্ণনা করে কুরআন বলে,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَدْخُلُوا بُيُوتَ النَّبِيِّ إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ إِلَى طَعَامٍ غَيْرَ نَاظِرِينَ إِنَاهُ وَلَكِنْ إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانْتَشِرُوا وَلَا مُسْتَأْنِسِينَ لِحَدِيثٍ إِنَّ ذَلِكُمْ كَانَ يُؤْذِي النَّبِيَّ فَيَسْتَحْيِي مِنْكُمْ وَاللَّهُ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ

অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ!

মেহমানের খাতিরে অতিরঞ্জন

মেহমানের খাতিরে অতিরঞ্জন


মেহমানের খাতিরে বাড়াবাড়ি করা মেযবানের জন্য বৈধ নয়। স্বাভাবিকভাবে যতটা খাওয়াবার তার সাধ্য আছে তার থেকে বেশী খাওয়াবার চেষ্টা করা এবং তার জন্য নতুন নতুন দামী দামী ও নানা রকমের চর্ব্য-চোষ্য-লেহ্য-পেয় এবং টক-মিষ্টি-ঝাল-লবণ জাতীয় নানা খাদ্য প্রস্ত্তত অথবা ক্রয় করা মেযবানীতে অতিরঞ্জন করার পর্যায়ভুক্ত।
রাসুল (সাঃ) বলেন,

মেহমানের সাথে যদি কোন অনাহূত লোক অযাচিতভাবে আসে

মেহমানের সাথে যদি কোন অনাহূত লোক অযাচিতভাবে আসে


মেহমানের সাথে যদি কোন অনাহূত লোক অযাচিতভাবে এসে যোগ দেয়, তাহলে তার ব্যাপারে মেযবানের কাছে অনুমতি নেওয়া জরুরী। এ ক্ষেত্রে ঐ বিনা দাওয়াতের অযাচিত লোকটির খাতির-তোয়ায করা মেযবানের জন্য ওয়াজেব নয়। বরং সে চাইলে ঐ ফাউ লোকটিকে অনুমতি নাও দিতে পারে।
একদা এক আনসারী আল্লাহর রাসুল (সাঃ)

দাওয়াতের দিনে রোযা থাকলে

দাওয়াতের দিনে রোযা থাকলে


দাওয়াতের দিনে রোযা অবস্থায় থাকলেও দাওয়াতে উপস্থিত হওয়া জরুরী। রোযা ফরয হলে খাওয়া যাবে না। নফল হলে তার এখতিয়ার আছে। অবশ্য দাওয়াতদাতার মন ভাঙ্গার ভয় থাকলে নফল রোযা ভেঙ্গে খাওয়াই উত্তম। এ ব্যাপারে রাসুল (সাঃ)-এর নির্দেশ নিম্নরূপ

মৌখিক বা সরাসরি দাওয়াত না হলেও দূত, এলচি, চিঠি, কার্ড বা টেলিফোনের মাধ্যমে দাওয়াত গ্রহণ করা ওয়াজেব

মৌখিক বা সরাসরি দাওয়াত না হলেও দূত, এলচি, চিঠি, কার্ড বা টেলিফোনের মাধ্যমে দাওয়াত গ্রহণ করা ওয়াজেব


অবশ্য দাওয়াত কেবল দায় সারার নিয়তে দেওয়া উচিত নয়। দাওয়াত দেওয়াতে আন্তরিকতা থাকা আবশ্যিক। উপর উপর কেবল ‘দাওয়াত নেবেন নাকি? আমার বাড়িতে খানা খাবেন নাকি? আমার বাড়িতে একদিন খান না কেন?

দাওয়াত কবুল করা ওয়াজেব

দাওয়াত কবুল করা ওয়াজেব


বাহির থেকে যে লোক আপনার সাক্ষাৎ বা সাহায্য কামনা করে আপনার কাছে আসে, সে বহিরাগত অতিথি আপনার মেহমান। যাকে যিয়াফত অথবা দাওয়াত দিয়ে আপনি আপ্যায়ন করতে চান সেও আপনার মেহমান। আর আপনি হবেন মেযবান;
   উল্লেখ্য যে, আপনার জন্য মেহমান-নেওয়াযী অর্থাৎ মেহমানের খাতির করার গুরুত্ব রয়েছে ইসলামে। রাসুল (সাঃ) বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ