Showing posts with label সাজসজ্জা ও প্রসাধন. Show all posts
Showing posts with label সাজসজ্জা ও প্রসাধন. Show all posts

Tuesday, October 17, 2017

নারী বা মহিলার প্রসাধন ও অঙ্গসজ্জা কখন ও কিভাবে করবে?

প্রসাধন ও অঙ্গসজ্জা
নারীর রূপমাধুরী ও সৌন্দর্যলাবণ্য নারীর গর্ব। তার এ রূপ-যৌবন সৃষ্টি হয়েছে একমাত্র কেবল তার  স্বামীর জন্য।  স্বামীকে সে রূপ উপহার না দিতে পারলে কোন মূল্যই থাকে না নারীর। এই রূপ-যৌবন  স্বামীকে উপহার দিয়ে কত যে আনন্দ, সে তো নারীরাই জানে। সুন্দর অঙ্গের উপর অঙ্গরাগ দিয়ে আরো মনোহারী ও লোভনীয় করে  স্বামীকে উপহার দিয়ে উভয়েই পরমানন্দ ও প্রকৃত দাম্পত্য-সুখ লুটতে পারে পার্থিব সংসারে।
সুতরাং অঙ্গ যার জন্য নিবেদিত অঙ্গরাগও তার জন্যই নির্দিষ্ট।  স্বামী ব্যতীত অন্য কারো জন্য অঙ্গসজ্জা করা ও তা প্রদর্শন করা বৈধ নয়।
যুগের তালে তালে নারীদের অঙ্গরাগ, মেকআপ ও প্রসাধন-সামগ্রী অতিশয় বেড়ে উঠেছে। যার হালাল ও হারাম হওয়ার কষ্টিপাথর হল এই যে,

Sunday, October 15, 2017

হাফ প্যান্ট পরে ব্যায়াম চর্চা করা বা খেলা বৈধ কি? এমন চর্চাকারীকে দর্শন করাই বা কি?

হাফ প্যান্ট পরে ব্যায়াম চর্চা করা বা খেলা বৈধ কি? এমন চর্চাকারীকে দর্শন করাই বা কি?
ব্যায়াম চর্চা করা বৈধ। যদি তা কোন ওয়াজেব জিনিস বা কর্ম থেকে উদাসীন ও প্রবৃত্ত করে না ফেলে। কারণ তা যদি কোন ওয়াজিব কর্ম থেকে প্রবৃত্ত করে, তাহলে হারাম হবে। আবার যদি ব্যায়াম করা কারো চিরচারিত অভ্যাস হয়, যাতে তার অধিকাংশ সময় তাতেই ব্যয় হয়, তাহলে তা সময় নষ্টকারী অভ্যাস। যার সর্বনিম্ন মান হবে মাকরূহ।
পক্ষান্তরে

Saturday, October 14, 2017

দাড়ি কি মোটেই ছাঁটা চলবে না? নাকি সৌন্দর্যের জন্য এক মুঠির বেশি দাড়ি ছেঁটে ফেলা যায়?

দাড়ি কি মোটেই ছাঁটা চলবে না? নাকি সৌন্দর্যের জন্য এক মুঠির বেশি দাড়ি ছেঁটে ফেলা যায়?


নবী – এর ব্যাপক নির্দেশ পালন করতে গিয়ে দাড়িকে নিজের অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া ভাল। যেহেতু তিনি যে দাড়ি ছাঁটতেন, তাঁর সহীহ দলীল নেই। তবে সাহাবীদের আমল থেকে বুঝা যায় যে, এক মুঠির অতিরিক্ত দাড়ি ছেঁটে ফেলা যায়।  

দাড়ি রাখা কি সুন্নত, নাকি ওয়াজেব?

দাড়ি রাখা কি সুন্নত, নাকি ওয়াজেব?


দাড়ি রাখা সকল নবীর সুন্নত (তরীকা)। কিন্তু উম্মতের জন্য তা পালন করা ওয়াজেব। যেহেতু আল্লাহ্‌র রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা দাড়ি বাড়াও আর মোছ ছোট কর, পাকা চুলে (কালো ছাড়া অন্য রঙ) খেযাব লাগাও এবং ইয়াহুদ ও নাসারার সাদৃশ্য অবলম্বন করো না।” (আহমাদ, সহীহুল জামে ১০৬৭ নং)
তিনি আরো বলেছেন, “মোছ ছেঁটে ও দাড়ি রেখে অগ্নিপূজকদের বৈপরীত্য কর।” (মুসলিম ২৬০ নং)


চুল নখ ইত্যাদি কেটে ফেলার পর তা দাফন করা কি বিধেয়?


সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন উমার কর্তৃক এরূপ আমল বর্ণিত আছে। অনেক ফুকাহাও তা মুস্তাহাব মনে করেন। (ইবনে উষাইমীন) আর এ কথা বিদিত যে, বহু যাদুকর তা দিয়ে যাদুও করে থাকে। সুতরাং সতর্কতাই বাঞ্ছনীয়।

শোনা যায়, ‘মোছের পানি হারাম।’ – একথা কি ঠিক?

শোনা যায়, ‘মোছের পানি হারাম।’ – একথা কি ঠিক?


যে পানিতে মোছ ডুবেছে, সে পানি প্রকৃতিগতভাবে ঘৃণ্য হতে পারে। তবে সে পানি পান করা হারাম, তা বলা যায় না। অবশ্য মোছ ছেঁটে ছোট করার নির্দেশ আছে শরীয়তে। আল্লাহ্‌র রাসুল  বলেছেন, “তোমরা দাড়ি বাড়াও, মোছ ছোট কর, পাকা চুলে (কালো ছাড়া অন্য) খেযাব লাগাও এবং ইয়াহুদ ও নাসারার সাদৃশ্য অবলম্বন করো না।”  (আহমাদ, সহীহুল জামে ১০৬৭ নং)
তিনি আরও বলেছেন, “যে ব্যক্তি তাঁর মোছ ছাঁটে না, সে আমার দলভুক্ত নয়।”৬৯৬ (তিরমিযী ২৭৬২, সহীহুল জামে ৬৫৩৩ নং)

অনেক মহিলার ধারনা, লম্বা নখে সৌন্দর্য আছে। সুতরাং নখ লম্বা ছেড়ে রাখায় কোন দোষ আছে কি?

অনেক মহিলার ধারনা, লম্বা নখে সৌন্দর্য আছে। সুতরাং নখ লম্বা ছেড়ে রাখায় কোন দোষ আছে কি?


লম্বা নখে সৌন্দর্য নেই। অবশ্য বিকৃত পছন্দের অনেকের নিকট তা থাকতে পারে। কিন্তু শরীয়তে নখ লম্বা করার অনুমতি নেই। বরং মানুষের প্রকৃতি তা লম্বা রাখার বিরোধী। তাই চল্লিশ দিনের মাথায় তা কেটে ফেলতেই হবে। মহানবী  বলেছেন, “প্রকৃতিগত আচরণ পাঁচটি অথবা পাঁচটি কাজ প্রকৃতিগত আচরণ,
(১) খাতনা (লিঙ্গত্বক ছেদন) করা।
(২) লজ্জাস্থনের লোম কেটে পরিষ্কার করা।

হাদিসে এসেছে, ‘সাধাসিদা বা আড়ম্বরহীন হয়ে থাকা ঈমানের অন্ত ভুক্ত।’ তাঁর মানে কি সৌন্দর্য অবলম্বন করা ঈমানের আলামত নয়?

হাদিসে এসেছে, ‘সাধাসিদা বা আড়ম্বরহীন হয়ে থাকা ঈমানের অন্ত ভুক্ত।’ তাঁর মানে কি সৌন্দর্য অবলম্বন করা ঈমানের আলামত নয়?


উক্ত হাদীসের অর্থ হল, লেবাসে-পোশাকে মুসলিম অতিরঞ্জন, বাড়াবাড়ি, বিলাসিতা ও অপচয় করবেনা। তাঁর পোশাকে জাঁকজমক, ঠাটবাট ও আড়ম্বর থাকবে না। নচেৎ সৌন্দর্য অবলম্বন করা দোষের নয়। আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেন, “যার হৃদয়ে অণু পরিমাণও অহংকার থাকবে সে জান্নাতে যাবে না।” এক ব্যক্তি বলল, ‘লোকে তো পছন্দ করে যে, তাঁর পোশাক ও জুতা সুন্দর হোক (তাহলে সে ব্যক্তির কী হবে?)’ নবী (সাঃ) বললেন,

শিশু কিশোরীকে বুক ওঠার আগে বগল কাটা ফ্রক পরানো কি বৈধ নয়?

শিশু কিশোরীকে বুক ওঠার আগে বগল কাটা ফ্রক পরানো কি বৈধ নয়?


উত্তরঃ মুসলিম মায়ের উচিৎ, শৈশব থেকেই মায়ের ইসলামী লেবাসে অভ্যস্ত করে তোলা। কিশোরী মেয়ের প্রতি পাশবিক অত্যাচারের খবর প্রায় শোনা যায়। সুতরাং তাঁর প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করা আদৌ উচিৎ নয়। বলা বাহুল্য, শেলোয়ারের সাথে ফুল হাতা কামিস বা ফ্রকই পরানো উচিৎ। সেই সাথে মাথায় ওড়না। যাতে শৈশব থেকেই তাঁর মনে লজ্জাশীলতা, অপ্রগলভতা ও ধর্মভীরুতা স্থান করে নিতে পারে।

নক্সাদার বোরখা পরা কি বৈধ? চোখের পাতায় অতিরিক্ত লোম বা ল্যাশ লাগানো বৈধ কি?

নক্সাদার বোরখা পরা কি বৈধ?


মহিলার লেবাসের সৌন্দর্য; দৃষ্টি-আকর্ষী রঙ, নক্সা, ফুল ইত্যাদি গোপন করার জন্যই বোরখা বা চাদর ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সেই বোরখা বা চাদরই যদি জরিদার, এমব্রয়ডারি করা, ফুলছাপা ইত্যাদি হয়, তাহলে তো আর উপরে আরো একটা বোরখা পরা ওয়াজেব হয়ে যায়। সুতরাং চাদর বা বোরখা সাদা-সিধা হবে, যা সৌন্দর্য গোপন করবে এবং বিতরণ করবে না। যা দেখে পুরুষের মনে শ্রদ্ধা সৃষ্টি করবে এবং আকর্ষণ সৃষ্টি করবে না।  (ইবনে জিবরীন) 

চোখের পাতায় অতিরিক্ত লোম বা ল্যাশ লাগানো বৈধ কি?


বৈধ নয়। এটাও পরচুলা লাগানোর মতো জালিয়াতির পর্যায়ে পড়ে। আর এমন প্রসাধিকা মহিলা অভিশপ্তা।  (ইবনে জিবরীন)

বাড়িতে পাখি পোষা কি জায়েয়? চোখের ভিতরে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা কি বৈধ?

বাড়িতে পাখি পোষা কি জায়েয়?


সৌন্দর্য ও বিলাসিতার জন্য পিঞ্জারা বা ঘরের মধ্যে আবদ্ধ রেখে পাখি পোষা, হওয বা পাত্রের মধ্যে পানি রেখে মাছ পোষা বৈধ, যদি সঠিকভাবে খেতে ও পান করতে দেওয়া হয় এবং কোন প্রকারে যুলুম না করা হয়।
আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) বলেন, “একজন মহিলা একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে গেছে, যাকে সে বেঁধে রেখে খেতে দেয়নি এবং ছেড়েও দেয়নি; যাতে সে নিজে স্থলচর কীটপতঙ্গ ধরে খেত।” (বুখারী ২৩৬৫, ৩৪৮২, মুসলিম ২২৪২ নং)
বুঝা গেল, যদি তাকে খেতে দিত, তাহলে জাহান্নামে যেত না।  (ইবনে বায)

চোখের ভিতরে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা কি বৈধ?


প্রয়োজন হলে অবশ্যই বৈধ। তবে বিনা প্রয়োজনে কেবল চোখের সৌন্দর্য আনয়নের জন্য অর্থের অপচয় ঘটানো ঠিক নয়। বৈধ নয় অনুরূপ সৌন্দর্য নিয়ে কাউকে ধোঁকা দেওয়া।  (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

বৈধ খেলাধুলার সময় শর্ট প্যান্ট পরা কি বৈধ কি?

বৈধ খেলাধুলার সময় শর্ট প্যান্ট পরা কি বৈধ কি?


যে প্যান্টে জাং খোলা যায়, সে প্যান্ট পরাই বৈধ নয়। হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট পরে খেলাধুলা করা বা সাঁতার কাটা যায়। জাং খোলা খেলোয়ারের খেলা দেখাও দর্শকের জন্য বৈধ নয়।
মহানবী (সঃ) বলেন, “তুমি তোমার ঊরু খুলে রেখো না এবং কোন জীবিত অথবা মৃতের উরুর দিকে তাকিয়ে দেখো না।”  (আবূ দাঊদ, সহীহুল জামে ৭৪৪০ নং)
অন্যত্র বলেন, “তুমি তোমার জাং ঢেকে নাও। কারণ, জাং হল লজ্জাস্থান।” (আহমাদ, আবূ দাঊদ, তিরমিযী, হাকেম ইবনে হিব্বান, সহীহুল জামে ৭৯০৬ নং)
পক্ষান্তরে কিশোরী ও যুবতীদের জন্য বৈধ নয় কোন পুরুষ (প্রশিক্ষক বা অন্য পুরুষের) সামনে অনুরূপ ব্যায়াম, শরীর-চর্চা বা খেলাধুলা করা অথবা সাঁতার কাটা বৈধ নয় এবং তা দর্শন করাও বৈধ নয়।

সৌন্দর্যের জন্য প্লাস্টিক সার্জারি বৈধ কি?

সৌন্দর্যের জন্য প্লাস্টিক সার্জারি বৈধ কি?


প্লাস্টিক সার্জারি দুটি উদ্দেশ্যে করা হয়ঃ আঙ্গিক ত্রুটি দূরীকরণের উদ্দেশ্যে অথবা অতিরিক্ত সৌন্দর্য আনয়নের উদ্দেশ্যে। প্রথম উদ্দেশ্যে বৈধ। যেমন বিকৃত ও কুশ্রী মুখমণ্ডলে সৌন্দর্য আনয়নের উদ্দেশ্যে করা যায়। কিন্তু দ্বিতীয় উদ্দেশ্যে বৈধ নয়। কারণ তাতে আল্লাহ্‌র সৃষ্টিতে বিকৃতি সৃষ্টি করা হয়। যা শয়তানের প্ররোচনায় করা হয়। (সূরা নিসা ১১৯ আয়াত)
আর মহানবী (সঃ) (হাত বা চেহারায়) দেগে যারা নকশা করে দেয় অথবা করায়, চেহারা থেকে যারা লোম তুলে ফেলে (ভ্রু চাছে), সৌন্দর্য আনার জন্য যারা দাঁতের মাঝে ঘসে (ফাঁক ফাঁক করে) এবং আল্লাহ্‌র সৃষ্টি প্রকৃতিতে পরিবর্তন ঘটায় (যাতে তাঁর অনুমতি নেই) এমন সকল মহিলাদেরকে আল্লাহ্‌র অভিশাপ দিয়েছেন।  (বুখারী ৪৮৮৬ নং, মুসলিম ২১২৫ নং, আসহাবে সুনান)

স্বামীর চোখে অধিক সুন্দরী সাজার জন্য কি মাথার পরচুলা, নকল চুল বা টেসেল ব্যবহার করা যায়?

স্বামীর চোখে অধিক সুন্দরী সাজার জন্য কি মাথার পরচুলা, নকল চুল বা টেসেল ব্যবহার করা যায়?


মহিলার সুকেশ সৌন্দর্যের অন্যতম। মাথায় আদৌ চুল না থাকলে ত্রুটি ঢাকার জন্য পরচুলা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু অধিক চুল দেখাবার জন্য তা বৈধ নয়। যেহেতু ‘যে অপরের মাথার পরচুলা বেঁধে দেয় এবং সে নিজের মাথায় তা বাঁধে, এমন উভয় মহিলাকেই নবী (সঃ) অভিশাপ করেছেন।’ (বুখারী ৫৯৪১, মুসলিম ২১২২, ইবনে মাজাহ ১৯৮৮ নং)


হাদীসের নির্দেশমতে বগলের লোম ছিঁড়ে বা তুলে ফেলতে হয়। কিন্তু

বিউটি পার্লারে সুন্দরী সাজতে যাওয়া কি মুসলিম মহিলাদের জন্য বৈধ?

বিউটি পার্লারে সুন্দরী সাজতে যাওয়া কি মুসলিম মহিলাদের জন্য বৈধ?


কয়েকটি কারণে বৈধ নয়ঃ
(ক) অপ্রয়োজনে তাতে অর্থের অপচয় হয়।
(খ) পুরুষ কর্মচারীর স্পর্শ নিতে হয়।
(গ) অপরের সামনে লজ্জাস্থান খুলতে হয়।
(ঘ) সৌন্দর্যে অনেক ক্ষেত্রে কাফের মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বন হয়।
(ঙ) অনেক সময় গুপ্ত ক্যামেরায় মহিলার নগ্ন ছবি ধরে রাখা ও নেটে প্রচার করা হয়।

হাতের নখ লম্বা করা কি হারাম? নখে নখ পালিশ লাগানো কি বৈধ?

হাতের নখ লম্বা করা কি হারাম?


হাতের নখ কেটে ফেলা প্রকৃতিগত সুন্নত। নবী (সঃ)বলেছন, “প্রকৃতিগত আচরণ (নবীগণের তারীকা) পাঁচটি অথবা পাঁচটি কাজ প্রকৃতিগত আচরণ,
(১) খাতনা (লিঙ্গাত্বক ছেদন )করা।
(২) লজ্জাস্থানের লোম কেটে পরিষ্কার করা।
(৩) নখ কাটা।
(৪) বগলের লোম ছিঁড়া।
(৫) গোঁফ ছেঁটে ফেলা।”  (বুখারী, মুসলিম)
আনাস (রঃ) বলেন,

সৌন্দর্যের জন্য ভ্রু চাঁছা কি বৈধ?

সৌন্দর্যের জন্য ভ্রু চাঁছা কি বৈধ?


বৈধ নয়। কারণ ‘আল্লাহর অভিশাপ হোক সেই সব নারীদের উপর, যারা দেহাঙ্গে উল্কি উৎকীর্ণ করে এবং যারা উৎকীর্ণ করায় এবং সে সব নারীদের উপর, যারা ভ্রু চেঁছে সরু করে, যারা সৌন্দর্যের মানসে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে, যারা আলাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।’ (বুখারী, মুসলিম)    

মুসলিম মহিলার জন্য শাড়ি পরা কি বৈধ?

মুসলিম মহিলার জন্য শাড়ি পরা কি বৈধ?


শাড়ি যদি সারা দেহকে ঢেকে নেয়, তাহলে বৈধ। বলা বাহুল্য, পেট-পিঠ বের করে রেখে অথবা পাতলা শাড়ি পরা বৈধ নয়। অনুরূপ এমন লেবাসও বৈধ নয় যাতে নারী দেহের কোনও সৌন্দর্য প্রকাশ প্রকাশ পায়। যে নারীরা এমন শাড়ি বা লেবাস পরে, তারা সেই নারীদলের অন্তর্ভুক্ত, যাঁদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) বলেছেন,

পুরুষদের জন্য সোনা ছাড়া অন্য ধাতুর চেন পরা কি বৈধ?

পুরুষদের জন্য সোনা ছাড়া অন্য ধাতুর চেন পরা কি বৈধ?


যে অলংকার সাধারণতঃ মহিলাদের, তা পুরুষদের পরা বৈধ নয়। গলার চেন, কানের দুল, হাতে বালা ইত্যাদি পুরুষরা পরতে পারে না। কারণ তাতে মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বন হয়। যেমন মহিলারা পুরুষদের মতো প্যান্ট শার্ট পরতে পারে না। কারণ তাতে পুরুষদের সাদৃশ্য অবলম্বন হয়। আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) নারীর বেশ ধারণকারী পুরুষদেরকে এবং

পুরুষদের জন্য সোনা ব্যবহার হারাম। কিন্তু শোনা যায়, চার আনা পরিমাণ নাকি জায়েয, যাতে বিপদে কাজে আসে। --- এ কথা কি ঠিক?

পুরুষদের জন্য সোনা ব্যবহার হারাম। কিন্তু শোনা যায়, চার আনা পরিমাণ নাকি জায়েয, যাতে বিপদে কাজে আসে। --- এ কথা কি ঠিক?


পুরুষের জন্য সোনার চেন, ঘড়ি, আংটি, বোতাম, কলম ইত্যাদি ব্যবহার বৈধ নয়। যেহেতু মহানবী (সঃ) বলেন, “সোনা ও রেশম আমার উম্মতের মহিলাদের জন্য হালাল এবং পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে।”  (তিরমিযী, নাসাঈ, মিশকাত ৪৩৪১ নং)
ইবনে আব্বাস (রঃ) হতে বর্ণিত, একদা আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) এক ব্যক্তির হাতে সোনার আংটি দেখলেন। তিনি তাঁর হাত থেকে তা খুলে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং বললেন,

বিনা অহংকারে পরিহিত বস্ত্র গাঁটের নিচে ঝুলানো হারাম কি না?

বিনা অহংকারে পরিহিত বস্ত্র গাঁটের নিচে ঝুলানো হারাম কি না?


পুরুষদের জন্য পরিহিত বস্ত্রপায়ের গাঁটের নিচে ঝুলান হারাম, তাতে অহংকারের উদ্দেশ্য হোক অথবা অহংকারের উদ্দেশ্যে না হোক। তবে যদি তা অহংকারের প্রকাশের উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে তার শাস্তি অধিকতর কঠিন ও বড়। যেহেতু সহীহ মুসলিমের আবূ যার (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে নবী (সঃ)বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ