Showing posts with label সফরের আদব- মুসাফির- কসরের সালাত. Show all posts
Showing posts with label সফরের আদব- মুসাফির- কসরের সালাত. Show all posts

Monday, April 2, 2018

রেডিও-টিভিতে প্রচারিত নামাযের অনুসরণ করা জায়েয আছে কি? অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে?

(৩১০) রেডিও-টিভিতে প্রচারিত নামাযের অনুসরণ করা জায়েয আছে কি?


টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে প্রচারিত নামাযে ইমামের অনুসরণ করা কোন মুসলমানের জন্য জায়েয নয়। কেননা নামাযের জন্য জামাআতের অর্থ হচ্ছে একস্থানে সমবেত হওয়া। অতএব তাদেরকে একস্থানে একত্রিত হওয়া জরূরী। কাতার সমূহ মিলিত করা আবশ্যক। ঐ দু’টি কারণে মিডিয়ার মাধ্যমে নামায জায়েয হবে না। কেননা তা দ্বারা উক্ত উদ্দেশ্য হাসিল হয় না। যদি এটা জায়েয হয়, তবে আর মসজিদের কোন প্রয়োজন থাকে না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ গৃহে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুমআর নামায আদায় করে নিবে। নিঃসন্দেহে এটা জামাআত ও জুমআ প্রতিষ্ঠিত করার শরীয়ত নির্দেশিত হিকমতের পরিপন্থী। অতএব নারী-পুরুষ কারো জন্য রেডিও বা টেলিভিশনের অনুসরণ করে নামায আদায় করা বৈধ নয়। (আল্লাহ্‌ সবাইকে তাওফীক দিন)

 
অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে?

কতটুকু দূরত্বে গেলে মুসাফির নামায কসর করতে পারে? কসর না করেই কি দু’নামাযকে একত্রিত করা যায়?

(৩১২) কতটুকু দূরত্বে গেলে মুসাফির নামায কসর করতে পারে? কসর না করেই কি দু’নামাযকে একত্রিত করা যায়?


কোন কোন বিদ্বানের মতে ৮৩ (তিরাশী) কিলোমিটার পরিমাণ দুরত্ব অতিক্রম করলে নামায কসর করবে। কোন কোন বিদ্বান বলেছেন, সমাজে প্রচলিত রীতিনীতিতে বা দেশীয় প্রথায় যাকে সফর বলা হয় তাতেই নামায কসর করবে। যদিও তা ৮০ কিলোমিটার না হয়। আর মানুষ যদি তাকে সফর না বলে, তবে তা সফর নয়; যদিও তা ১০০ কিঃ মিঃ হয়। এটাই শায়খুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া (রহঃ)এর মত। কেননা আল্লাহ্‌ তা’আলা নির্দিষ্টভাবে সফরের কোন দুরত্ব নির্ধারণ করেননি। অনুরূপভাবে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকেও সফরের দুরত্ব নির্ধারণের ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা পাওয়া যায় না। আনাস বিন মালেক (রাঃ) বলেন,

জনৈক ব্যক্তি লিখা-পড়ার জন্য জুমআর দিন সন্ধ্যায় রিয়াদ গমণ করে ও সোমবার দিন প্রত্যাবর্তন করে। সে কি মুসাফিরের মত নামায কসর করে আদায় করবে?

(৩১৩) জনৈক ব্যক্তি লিখা-পড়ার জন্য জুমআর দিন সন্ধ্যায় রিয়াদ গমণ করে ও সোমবার দিন প্রত্যাবর্তন করে। সে কি মুসাফিরের মত নামায কসর করে আদায় করবে?


নিঃসন্দেহে এ ব্যক্তি মুসাফির। কেননা লিখা-পড়ার শহর তার স্থায়ী আবাসস্থল নয়। সেখানে থেকে যাওয়ার বা বসবাস করারও কোন নিয়ত সে করেনি। বরং নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে কয়েকদিন তথায় অবস্থান করছে। কিন্তু সে যদি এমন শহরে অবস্থান করে যেখানে জামাআতের সাথে নামায হয়, তবে নামাযের জামাআতে উপস্থিত হওয়া তার জন্য ওয়াজিব। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি কথা প্রচলিত আছে যে, মুসাফিরের জন্য জুমআ বা জামাআতে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক নয়- একথার কোন ভিত্তি নেই, কোন দলীল নেই। মুসাফির যদি যুদ্ধের ময়দানে লড়াইয়ে থাকে তবুও তার জন্য জামাআতে নামায আদায় করা ওয়াজিব। আল্লাহ্‌ বলেন,

সফর অবস্থায় কি কি বিষয়ে রুখসত বা অবকাশ রয়েছে?

(৩১৫) সফর অবস্থায় কি কি বিষয়ে রুখসত বা অবকাশ রয়েছে?


সফর অবস্থায় চারটি ক্ষেত্রে রুখসত বা অবকাশ রয়েছেঃ
১)      চার রাকাআত বিশিষ্ট নামায দু’রাকাআত আদায় করা।
২)      রামাযানে রোযা ভঙ্গ করা। এবং পরবর্তীতে তার কাযা আদায় করা।
৩)      তিনদিন তিনরাত মোজার উপর মাসেহ করা। প্রথমবার মাসেহ করার পর থেকে উক্ত সময়সীমা হিসাব করতে হবে।

Wednesday, January 31, 2018

সফরের বিধান

সফর তিন প্রকার:
এক – প্রশংসনীয় সফর :
যে সফর আল্লাহর আদেশ বা নিষেধ র্কাযকর করার উদ্দেশ্যে হয়। যেমন-হজ-ওমরা পালন অথবা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ, দ্বীনের দাওয়াত, ইলমেদ্বীন শিক্ষা, আত্মীয়তার সর্ম্পক বজায় রাখা অথবা দ্বীনি ভাইদের সাথে সাক্ষাত ইত্যাদি উদ্দেশ্যে সফর করা।
দুই – নিন্দনীয় সফর :
এমন কোন খারাব উদ্দেশ্যে সফর করা, যার অনুমতি ইসলামী শরীয়ত প্রদান করেনি। যেমন- কোন পীর, বুজুর্গ বা ওলীর মাযার ও কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করা। অথবা হারাম বা নিষিদ্ধ ব্যবসার উদ্দেশ্যে সফর করা। যেমন- মদ বা নেশা জাতীয় কোন বস্তু ক্রয়-বিক্রয় বা আমদানি-রপ্তানি ইত্যাদি উদ্দেশ্যে সফর করা। এ ছাড়াও যে কোন অসৎ কাজ, অশ্লীল বিনোদন ও ফাসাদ সৃষ্টি করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করা।
তিন- বৈধ সফর :

Thursday, January 25, 2018

(৪০২) কখন এবং কিভাবে মুসাফির নামায ও রোযা আদায় করবে?

(৪০২) কখন এবং কিভাবে মুসাফির নামায ও রোযা আদায় করবে?


 মুসাফির নিজ শহর থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত দু’দু রাকাত নামায আদায় করবে। আয়েশা (রাঃ) বলেন,
أَوَّلَ مَا فُرِضَتِ الصَّلَاةُ رَكْعَتَيْنِ فَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ وَأُتِمَّتْ صَلَاةُ الْحَضَرِ
“সর্বপ্রথম যে নামায ফরয করা হয়েছিল তা হচ্ছে দু’রাকাত। সফরের নামাযকে ঐভাবেই রাখা হয়েছে এবং গৃহে অবস্থানের সময় নামাযকে পূর্ণ (চার রাকাত) করা হয়েছে।” অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, “গৃহে অবস্থানের সময় নামায বৃদ্ধি করা হয়েছে।” আনাস বিন মালেক (রাঃ) বলেন, আমরা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সাথে মদ্বীনা থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম। তিনি মদ্বীনা ফিরে আসা পর্যন্ত দু’দু রাকাত করে নামায আদায় করলেন।
কিন্তু

(৪০৩) সফর অবস্থায় কষ্ট হলে রোযা রাখার বিধান কি?

(৪০৩) সফর অবস্থায় কষ্ট হলে রোযা রাখার বিধান কি?


সফর অবস্থায় যদি এমন কষ্ট হয় যা সহ্য করা সম্ভব, তবে সে সময় রোযা রাখা মাকরূহ। কেননা একদা সফরে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেখলেন জনৈক ব্যক্তির পাশে লোকজন ভীড় করছে এবং তাকে ছাঁয়া করছে। তিনি বললেন, এর কি হয়েছে? তারা বলল, লোকটি রোযাদার। তখন তিনি বললেন, لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ “সফর অবস্থায় ছিয়াম পালন করা কোন পূণ্যের কাজ নয়।”
কিন্তু

Thursday, November 23, 2017

ঘরে প্রবেশ করতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলুন

ঘরে প্রবেশ করতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলুন


ঘরে প্রবেশ করার সময় আল্লাহর জিকির করা উত্তম। এতে শয়তান ঘরে স্থান পায় না।[1] এ বিষয়ে নির্দিষ্ট দু‘আ (খাইরাল মাওলাজ) এর হাদীসটি যয়ীফ।[2]

জিহাদ বা হজ্জ থেকে ফিরে এলে দু'আ

জিহাদ বা হজ্জ থেকে ফিরে এলে দু'আ


জিহাদ বা হজ্জ থেকে ফিরে এলে নিম্নের দু‘আ পড়বেন,

لاَ إِلهَ إِلاَّ الله وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

   অতঃপর সফর থেকে ফিরে আসার উপরোক্ত (আ-ইবূনা---) দু‘আটি পড়বেন। তারপর এই দু‘আটি যুক্ত করবেন, 

সফর থেকে বাড়ি ফিরে এলে দু'আ

সফর থেকে বাড়ি ফিরে এলে দু'আ


সফর থেকে বাড়ি ফিরে এলে সফরে বের হওয়ার সময় দু‘আটির সাথে নিম্নের দু‘আটিও যোগ করবেন,

آئِبُوْنَ تَائِبُوْنَ عَابِدُوْنَ لِرَبِّنَا حَامِدُوْنَ

   উচ্চারণঃ  -------আ-ইবূনা তা-ইবূনা আ-বিদূনা লিরাব্বিনা হা-মিদূন।
অর্থঃ -----(আমরা সফর থেকে) প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর প্রশংসাকারী।[1]

বাড়ি ফিরার আগে পরিবারে খবর জানানো

বাড়ি ফিরার আগে পরিবারে খবর জানানো


লম্বা সফর থেকে বাড়ি ফিরার আগে পরিবারের লোক যদি আপনার আসার খবর না জানে, তাহলে রাত্রে হঠাৎ করে বাড়ি প্রবেশ করবেন না। কারণ, এতে হয়তো আপনি আপনার পরিবারে এমন কিছু লক্ষ্য করবেন, যা আপনি পছন্দ করেন না। আর তাতে আপনার সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং বাড়ির কাছাকাছি কোন জায়গায় রাত কাটিয়ে দিনের বেলায় বাড়ি প্রবেশ করা উচিত। বরং সম্ভব হলে আগে খবর পাঠানো দরকার।
মহানবী (সাঃ) বলেন,

সফরের কাজ শেষ হলে অতি সত্বর বাড়ি ফিরে আসুন

সফরের কাজ শেষ হলে অতি সত্বর বাড়ি ফিরে আসুন


যেহেতু মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘‘সফর হল আযাবের একটি টুকরা। সফর তোমাদেরকে (নিয়মিত) পানাহার ও নিদ্রা থেকে বিরত রাখে। সুতরাং নিজ প্রয়োজন শেষ হলেই পরিবারের প্রতি সত্বর প্রত্যাবর্তন কর।’’[1]
ফুটনোটঃ[1]. বুখারী তাওহীদ পাবঃ হা/ ১৮০৪, মুসলিম আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা হা/১৯২৭ প্রমুখ

সফরকারীর ভোরের জিকির পাঠ করুন

সফরকারীর ভোরের জিকির পাঠ করুন


سَمِعَ سَامِعٌ بِحَمْدِ اللهِ وَحُسْنِ بَلاَئِهِ عَلَيْنَا، رَبَّنَا صَاحِبْنَا وَأَفْضِلْ عَلَيْنَا عَائِذاً بِاللهِ مِنَ النَّارِ

   উচ্চারণঃ সামিআ সা-মিউন বিহামদিল্লা-হি অহুসনি বালা-ইহী আলাইনা, রাব্বানা স্বা-হিবনা অ আফয্বিল আলাইনা, আ-ইযাম বিল্লা-হি মিনান্না-র।
অর্থঃ শ্রবণকারী (আমাদের) আল্লাহর প্রশংসা ও আমাদের উপর উত্তম পরীক্ষার (শুক্র) শ্রবণ করেছে। হে আমাদের প্রভু!

বাজারে প্রবেশের দু'আ

বাজারে প্রবেশের দু'আ


কোন বাজার প্রবেশ করলে প্রচুর সওয়াবের আশায় নিম্নের দু‘আ পাঠ করুনঃ

لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ، وَهُوَ حَيٌّ لاَّ يَمُوْتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

   উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহদাহু লা শারীকা লাহ, লাহুল মুলকু অলাহুল হামদু য়্যুহয়ী অ য়্যুমীতু অহুয়া হাইয়্যুল লা য়্যামূত, বিয়্যাদিহিল খাইরু অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থঃ আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক,

কোন গ্রাম বা শহর প্রবেশকালে সেখানকার লোকদের অনিষ্টকারিতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা

কোন গ্রাম বা শহর প্রবেশকালে সেখানকার লোকদের অনিষ্টকারিতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা


কোন গ্রাম বা শহর প্রবেশকালে সেখানকার লোকদের অনিষ্টকারিতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে নিম্নের দু‘আ পড়ুনঃ

اَللّهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبَّ الأَرَضِيْنَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ، أَسْأَلُكَ خَيْرَ هذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيْهَا

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা রাববাস সামা-ওয়া-তিস সাব্ই অমা আযলালনা, অরাব্বাল আরায্বীনাস সাব্ই অমা আক্বলালনা, অরাববাশ্ শায়া-ত্বীনি অমা আয্বলালনা, অরাব্বর রিয়া-হি অমা যারাইনা, আসআলুকা খাইরা হা-যিহিল ক্বারয়্যাতি অখাইরা আহলিহা অখাইরা মা ফীহা। অ আঊযু বিকা মিন শাররিহা অশাররি আহলিহা অশাররি মা ফীহা।
অর্থঃ হে আল্লাহ!

সফরে কোন অচেনা স্থানে বিশ্রামের সময় নিম্নের দু‘আ পড়ুন

সফরে কোন অচেনা স্থানে বিশ্রামের সময় নিম্নের দু‘আ পড়ুন


 أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

   উচ্চারণঃ আউযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্ব।
অর্থঃ আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর অসীলায় তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার মন্দ হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এই দু‘আটি পড়লে

সফরে রাত্রিকালে কোন ফাঁকা জায়গায় ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিতে হলে রাস্তার উপর শোবেন না

সফরে রাত্রিকালে কোন ফাঁকা জায়গায় ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিতে হলে রাস্তার উপর শোবেন না


কারণ রাত্রের অন্ধকারে হিংস্র প্রাণীরা মানুষের চলা-পথে অবতরণ করে। এ ব্যাপারে হাদীসে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।[1]

সফরে যানবাহনের উপরেও নফল নামায পড়তে পারেন

সফরে যানবাহনের উপরেও নফল নামায পড়তে পারেন


ফরয নামাযের সময় হলে এবং যানবাহন থামা সম্ভব না হলে যদি গন্তব্যস্থল আসার আগেই নামাযের সময় অতিবাহিত হওয়ার আশঙ্কা হয়, তাহলে

পথ চলতে চলতে আল্লাহর জিকির করুন

পথ চলতে চলতে আল্লাহর জিকির করুন


পথ চলাকালে উঁচু জায়গায় উঠতে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং নিচু জায়গায় নামতে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা কর্তব্য।[1]

পথিমধ্যে যানবাহন দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে শয়তানকে গালি দেবেন না

পথিমধ্যে যানবাহন দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে শয়তানকে গালি দেবেন না


ঘোড়া, উট বা গাড়ি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হলে শয়তানকে গালিমন্দ করতে নেই। কারণ এতে সে তৃপ্তি পায়। তাই এই সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলতে হয়। তাতে শয়তান ছোট হয়ে যায়।[1]

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ