Showing posts with label ধুমপান-বিড়ি-সিগারেট. Show all posts
Showing posts with label ধুমপান-বিড়ি-সিগারেট. Show all posts

Friday, December 15, 2017

ধূমপান একটি অপরাধ : কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে


ধূমপান একটি অপরাধ : কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে
আমরা সকলে জানি ধূমপান স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর। কথাটা অনেকে সেচ্ছায় বলেন অনেকে বলেন বাধ্য হয়ে। যাই হোক ধুমপানের ক্ষতির তুলনায় শ্লোগানটা খুবই হাল্কা। কারণ ধূমপান শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর, আত্নার জন্য ক্ষতিকর, স্বভাব-চরিত্রের জন্য ক্ষতিকর, পরিবার-পরিজন প্রতিবেশী সমাজ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আমার কাছে এর চেয়ে বড় ক্ষতির দিক হলো ধুমপানের মাধ্যমে ইসলামের নীতি আদর্শ লংঘন। আমি অনেক ধর্মপ্রান লোকজনকে দেখেছি তারা ধূমপান করেন। এমনকি

Monday, November 13, 2017

ধূমপান ছাড়ার বিজ্ঞান সম্মত উপায়!

ধূমপান ছাড়ার বিজ্ঞানসম্মত উপায়! ধূমপান ত্যাগ করা খুব সহজ কোনো ব্যাপার নয়। তামাকের ব্যবহার প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। কিন্তু বেশ কিছু সমীক্ষায় দেখা গেছে, সম্পূর্ণ ধূমপান ত্যাগের জন্য ৩০বার পর্যন্ত চেষ্টা করা লাগতে পারে। গত জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্রের এফ.ডি.এ. (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) সিগারেটে নিকোটিনের এর পরিমাণ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করে যাতে ব্যাবহারকারীদের এর প্রতি আসক্তি কমে। গবেষকরা মনে করেন সিগারেটে নিকোটিন এর পরিমান কমিয়ে আনা গেলে ধূমপায়ীদের জন্য ধূমপান ছাড়াও সহজ হবে, একই সঙ্গে নতুন ধূমপায়ীদের ধূমপানে আসক্তি থেকে বিরত রাখাও সহজ হবে। ধূমপান ত্যাগের সহায়ক হিসেবে আছে চমৎকার কিছু বৈজ্ঞানিক উপায়।

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১১২. দূর্গন্ধযুক্ত কোন বস্ত্ত যেমন: কাঁচা পিয়াজ, রসুন, বিড়ি, সিগারেট, হুঁকো ইত্যাদি খেয়ে বা পান করে সরাসরি মসজিদে চলে আসা।

১১২. দূর্গন্ধযুক্ত কোন বস্ত্ত যেমন: কাঁচা পিয়াজ, রসুন, বিড়ি, সিগারেট, হুঁকো ইত্যাদি খেয়ে বা পান করে সরাসরি মসজিদে চলে আসা


দূর্গন্ধযুক্ত কোন বস্ত্ত যেমন: কাঁচা পিয়াজ, রসুন, বিড়ি, সিগারেট, হুঁকো ইত্যাদি খেয়ে বা পান করে সরাসরি মসজিদে চলে আসা আরেকটি কবীরা গুনাহ্ ও হারাম কাজ।
’উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:

Friday, November 10, 2017

ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া


ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া
তামাক এবং এর বিভিন্ন উৎপাদনসহ তা ব্যবহারের পদ্ধতির সমালোচনায় বলা যায় যে, এটি এমন একটি উপকরণ যা প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। কারণ তামাক ব্যবহারে স্বাস্থ্যের ক্ষতি সাধিত হয় বিধায় ইহা প্রতিরোধ করা ঐ সকল লোকদের কর্তব্য যারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাজ করে। শুধু তাই নয় বরং এটি সমাজের প্রতিটি স্তরেই বিস্তার লাভ করেছে। কাজেই শিক্ষকমণ্ডলী, সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদ, অর্থনীতিবিদ, আইনজীবি, মনোবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী এবং সাধারণ লোকসহ সকলেই এ বিধ্বংসী জিনিসের প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, যার দ্বারা

ধুমপান হারাম যে সব কারণে ও ধূমপান ছাড়ার ১৩ কৌশল:

ধুমপান হারাম যে সব কারণে ও ধূমপান ছাড়ার ১৩ কৌশল:
১) এটি বিভিন্ন রোগের কারণ ও স্বাস্থের জন্য ক্ষতি কারক। নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হারাম।(বাকারা:১৯৫)
২) এটি মৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ। আর আত্মহত্যা করা হারাম। (নিসা: ২৯)
৩) এর মাধ্যমে ধুমপায়ী নিজের যেমন ক্ষতি করে অন্যের ক্ষতি করে।ইসলামে নিজের বা অন্যের ক্ষতি করা হারাম।(মুয়াত্তা মালিক)
৪) দূর্গন্ধময়। যা অন্যের কষ্টের কারণ। কোন  মুসলমানকে কষ্ট দেয়া হারাম। (সূরা আহযাব: ৯৮)  ৩) অর্থ অপচয়। “অর্থ অপচয়কারী শয়তানের ভাই।” (সূরা ইসরা: ২৭)
৫) এটি একটি নাপাক বস্তু।আল্লাহ তায়ালা

সিগারেট,জর্দা,নেশাদারদ্রব্য ও ধুমপান করা হারাম*

সিগারেট,জর্দা,নেশাদারদ্রব্য ও ধুমপান করা হারাম*

عَنْ عُثْمَانَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اِجْتَنِبُوا الْخَمْرَ فَإنَّهاَ أُمُّ الْخَبَائِثِ فَمَنْ لَمْ يَجْتَنِبْهَا فَقَدْ عَصَى اللهَ وَرَسُوْلَهُ وَاسْتَحَقَّ الْعَذَابَ بِمَعْصِيَةِ اللهِ وَرَسُوْلِهِ قال الله تعالى وَمَن يَعْصِ اللهَ وَرَسُوْلَهُ وَيَتَعَدَّ حُدُوْدَهُ يُدْخِلْهُ نَارًا خَالِدًا فِيْهَا وَلَهُ عَذَابٌ مُهِيْنٌ.
ওছমান (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তোমরা নেশাদার দ্রব্য থেকে বেঁচে থাক। কেননা নেশাদার দ্রব্য হচ্ছে অশ্লীল কর্মের মূল। যে ব্যক্তি নেশাদার দ্রব্য থেকে বেঁচে থাকে না তারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নাফরমানী করে এবং আল্লাহ ও তার রাসূলের নাফরমানী করার কারণে সে শাস্তির হক্বদার হয়’। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নাফরমানী করে এবং তার সীমালঙ্ঘন করে, আল্লাহ তাকে এমন আগুনে প্রবেশ করাবেন যেখানে সে চিরকাল থাকবে। তার জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি’ (নিসা ১৪; নাসাঈ, হাদীছ ছহীহ)।
ঊপদেশ, হাদিস নং ৭০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ خَمْرٍ حَرَامٌ وَمَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا وَمَاتَ لَمْ يَتُبْ مِنْهَا وَهُوَ مُدْمِنُهَا لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الْآخِرَةِ.
ইবনু ওমর (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,

Wednesday, November 8, 2017

ধুমপানের কাল্পনিক উপকারসমূহ এবং ধূমপান সংক্রান্ত আরো কিছু কথা:

ধূমপানের কাল্পনিক উপকারসমূহ


ধূমপায়ীরা নিজেদের দোষকে ঢাকা দেয়ার জন্য অধূমপায়ীদেরকে ধূমপানের কিছু কাল্পনিক উপকার বুঝাতে চায় যা নিম্নরূপ:
ক. মনের অশান্তি দূর করার জন্যই ধূমপান করা হয়। তাদের এ কথা নিশ্চিতভাবেই জানা উচিৎ যে, একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলার যিকিরের মাধ্যমেই মানুষের অন্তরে শান্তির সঞ্চার হয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«أَلَا بِذِكْرِ اللهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوْبُ»
‘‘জেনে রাখো, আল্লাহ্ তা‘আলার স্মরণেই অন্তর শান্তি পায়’’। (রা’দ্ : ২৮)
খ. ধূমপান কোন ব্যাপারে গভীর চিন্তা করতে সহযোগিতা করে। মূলত ব্যাপারটা সম্পূর্ণ এর উল্টো। বরং ধূমপান শ্বাসকষ্ট ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার দরুন মানুষের চিন্তাশক্তিকে বিক্ষিপ্ত করে দেয়।
গ. ধূমপান মানুষের স্নায়ুগুলোকে সতেজ করে তোলে। মূলত ব্যাপারটা সম্পূর্ণ এর বিপরীত। বরং ধূমপান মানুষের স্নায়ুগুলোকে দুর্বল করে দেয় এবং এরই প্রভাবে দ্রুত হৃদকম্পন শুরু হয়ে যায়।
ঘ. ধূমপানে বন্ধু বাড়ে। এ কথা একাংশে ঠিক। তবে ধূমপানে ধূমপায়ী বন্ধু বাড়ে, ভালো বন্ধু নয়।
ঙ. ধূমপানে ক্লান্তি দূর হয়। এ কথা একেবারেই ঠিক নয়। বরং ধূমপানে ক্লান্তি আরো বেড়ে যায়। কারণ, ধূমপানে স্নায়ু দৌর্বল্য ও রক্ত চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করে।
আবার কেউ কেউ তো অন্যের অনুকরণে ধূমপান করে থাকে। কাউকে ধূমপান করতে দেখে তার খুব ভালো লেগেছে তাই সেও ধূমপান করে। কিয়ামতের দিন তার এ অনুসরণ কোন কাজেই আসবে না।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَبَرَزُوْا لِلهِ جَمِيْعًا، فَقَالَ الضُّعَفَآءُ لِلَّذِيْنَ اسْتَكْبَرُوْا إِنَّا كُنَّا لَكُمْ تَبَعًا، فَهَلْ أَنْتُمْ مُّغْنُوْنَ عَنَّا مِنْ عَذَابِ اللهِ مِنْ شَيْءٍ، قَالُوْا لَوْ هَدَانَا اللهُ لَهَدَيْنَاكُمْ، سَوَآءٌ عَلَيْنَآ أَجَزِعْنَآ أَمْ صَبَرْنَا مَا لَنَا مِنْ مَّحِيْصٍ»
‘‘সবাই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট উপস্থিত হলে দুর্বলরা অহঙ্কারীদেরকে বলবে, আমরা তো তোমাদের অনুসারীই ছিলাম। অতএব তোমরা কি আমাদেরকে আল্লাহ্ তা‘আলার শাস্তি থেকে এতটুকুও রক্ষা করতে পারবে? তারা বলবে: আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদেরকে সঠিক পথ দেখালে অবশ্যই আমরা তোমাদেরকে তা দেখাতাম। এখন আমরা ধৈর্যচ্যুত হই অথবা ধৈর্যশীল হই তাতে কিছুই আসে যায় না। এখন আমাদের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার আযাব থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার আর কোন পথ নেই’’। (ইব্রাহীম : ২১)
আবার কেউ কেউ তো দাম্ভিকতা দেখিয়ে বলেন: আমি বুঝে শুনেই ধূমপান করছি। এতে তোমাদের কি যায় আসে? এ জাতীয় ব্যক্তিদেরকে এখন থেকেই পরকালের পরিণতির কথা চিন্তা করা উচিৎ।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَخَابَ كُـلُّ جَبَّارٍ عَنِيْدٍ، مِنْ وَّرَآئِهِ جَهَنَّمُ، وَيُسْقَى مِنْ مَّآءٍ صَدِيْدٍ، يَتَجَرَّعُهُ وَلَا يَكَادُ يُسِيْغُهُ، وَيَأْتِيْهِ الْمَوْتُ مِنْ كُلِّ مَكَانٍ، وَمَا هُوَ بِمَيِّتٍ، وَمِنْ وَّرَآئِهِ عَذَابٌ غَلِيْظٌ»
‘‘প্রত্যেক উদ্ধত স্বৈরাচারী ব্যর্থকাম হলো। পরিণামে তাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে জাহান্নাম এবং তাদেরকে পান করানো হবে গলিত পুঁজ। অতি কষ্টেই তারা তা গলাধ:করণ করবে; সহজে নয়। সর্বদিক থেকে মৃত্যু তার দিকে ধেয়ে আসবে; অথচ সে মরবে না এবং এর পরেও তার জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি’’। (ইব্রাহীম : ১৫-১৭)
যেভাবে আপনি ধূমপান ছাড়বেন:
ধূমপানের উপরোক্ত ব্যক্তিগত ও সামাজিক অপকার জানার পর আশাতো আপনি এখনি ধূমপান থেকে তাওবা করতে প্রস্ত্তত। তবে এ ক্ষেত্রে কয়েকটি ব্যাপার আপনাকে বিশেষ সহযোগিতা করবে যা নিম্নরূপ:
ক. আল্লাহ্ তা‘আলার উপর পূর্ণ ভরসা রেখে ধূমপান ত্যাগের ব্যাপারে কঠিন প্রতিজ্ঞা তথা তাওবা করতে হবে এবং এ ব্যাপারে পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে আল্লাহ্ তা‘আলার সহযোগিতা চেয়ে তাঁর কাছে বিশেষভাবে ফরিয়াদ করতে হবে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَتُوْبُوْا إِلَى اللهِ جَمِيْعًا أَيُّهَا الْـمُؤْمِنُوْنَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ»
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সবাই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট প্রত্যাবর্তন করো; যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো’’। (নূর : ৩১)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
«أَمَّنْ يُّجِيْبُ الْـمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوْءَ وَيَجْعَلُكُمْ خُلَفَآءَ الْأَرْضِ، أَإِلَهٌ مَّعَ اللهِ، قَلِيْلًا مَّا تَذَكَّرُوْنَ»
‘‘তিনিই তো উত্তম যিনি আর্তের আহবানে সাড়া দেন যখন সে তাঁকে ডাকে, বিপদ-আপদ দূরীভূত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করেন। আল্লাহ্ তা‘আলার পাশাপাশি অন্য কোন মা’বূদ আছে কি? তোমরা তো অতি সামান্যই উপদেশ গ্রহণ করে থাকো’’। (নাম্ল : ৬২)
খ. ধূমপানের অপকারগুলো দৈনিক নিজে ভাবুন এবং নিজ বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও স্ত্রী-সন্তানদের সামনে এগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
গ. ধূমপায়ীদের সঙ্গ ছেড়ে দিন। অন্ততপক্ষে ধূমপানের মজলিস থেকে বহু দূরে এবং কল্যাণকর কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকুন।
ঘ. ধূমপানকে ঘৃণা করতে চেষ্টা করুন এবং সর্বদা এ কথা ভাবুন যে, কেউ একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলার সন্তুষ্টির জন্য কোন হারাম বস্ত্ত পরিত্যাগ করলে আল্লাহ্ তা‘আলা এর প্রতিদান হিসেবে তাকে এর চাইতে আরো উন্নত ও কল্যাণকর বস্ত্ত দান করবেন।
আল্লাহ্ তা‘আলার সন্তুষ্টির জন্য কেউ কোন হারাম বস্ত্ত পরিত্যাগ করলে তা সহজেই পরিত্যাগ করা সম্ভব। তবে আল্লাহ্ তা‘আলা সর্ব প্রথম আপনাকে অবশ্যই পরীক্ষা করে দেখবেন যে, আপনি উক্ত হারাম বস্ত্ত পরিত্যাগে কতটুকু সত্যবাদী। তখন আপনি এ ব্যাপারে ধৈর্য ধরতে পারলে তা পরিশেষে সত্যিই মজায় রূপান্তরিত হবে।
ধূমপান পরিত্যাগ করলে প্রথমত: আপনার গভীর ঘুম নাও আসতে পারে। রক্তে ঘাটতি দেখা দিবে। দীর্ঘ সময় কোন কিছু নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে পারবেন না। রাগ ও অস্থিরতা বেড়ে যাবে। নাড়ির সাধারণ গতি কমে যাবে। ব্রেইন কেমন যেন হালকা ও নিস্তেজ হয়ে পড়বে। ধূমপানের জন্য অন্তর কিলবিল করতে থাকবে। তবে তা কিছু দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে।
ঙ. কখনো মনের ভেতর ধূমপানের ইচ্ছে জন্মালে সাথে সাথে মিস্ওয়াক করুন অথবা চুইঙ্গাম খেতে থাকুন।
চ. চা ও কপি খুব কমই পান করুন। বরং এরই পরিবর্তে সাধ্যমত ফল-মূলাদি খেতে চেষ্টা করুন।
ছ. প্রতিদিন নাস্তার পর এক গ্লাস লেবু বা আঙ্গুরের জুস পান করুন। তা হলে ধূমপানের চাহিদা একটু করে হলেও হ্রাস পাবে।
জ. যত্ন সহকারে নিয়মিত ফরয নামাযগুলো আদায় করুন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَأَقِمِ الصَّلَاةَ، إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَآءِ وَالْـمُنْكَرِ، وَلَذِكْرُ اللهِ أَكْبَرُ، وَاللهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُوْنَ»
‘‘নামায কায়েম করো। কারণ, নামাযই তো তোমাকে অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে। আল্লাহ্ তা‘আলার স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। তোমরা যাই করছো আল্লাহ্ তা‘আলা তা সবই জানেন’’। (‘আন্কাবূত : ৪৫)
ঝ. বেশি বেশি রোযা রাখার চেষ্টা করুন। কারণ, তা মনোবলকে শক্তিশালী করায় ও কুপ্রবৃত্তি মোকাবিলায় বিশেষ সহযোগিতা করবে।
ঞ. বেশি বেশি কুর‘আন তেলাওয়াত করুন।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ يَهْدِيْ لِلَّتِيْ هِيَ أَقْوَمُ»
‘‘নিশ্চয়ই এ কুর‘আন সঠিক পথ প্রদর্শন করে’’। (ইস্রা’/বানী ইস্রাঈল : ৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
«يَآ أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَآءَتْكُمْ مَّوْعِظَةٌ مِّنْ رَبِّكُمْ، وَشِفَآءٌ لِّمَا فِيْ الصُّدُوْرِ، وَهُدًى وَّرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ»
‘‘হে মানব সকল! তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট উপদেশ, অন্তরের চিকিৎসা এবং মু’মিনদের জন্য হিদায়াত ও রহমত এসেছে’’। (ইউনুস : ৫৭)
চ. বেশি বেশি যিকির করুন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«أَلَا بِذِكْرِ اللهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوْبُ»
‘‘জেনে রাখো, একমাত্র আল্লাহ্ তা‘আলার যিকির বা স্মরণেই মানব অন্তর প্রশান্তি লাভ করে’’। (রা’দ্ : ২৮)
ছ. সর্বদা আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করুন। কারণ, শয়তানই তো গুনাহ্সমূহকে মানব সম্মুখে সুশোভিত করে দেখায়।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«تَاللهِ لَقَدْ أَرْسَلْنَآ إِلَى أُمَمٍ مِّنْ قَبْلِكَ فَزَيَّنَ لَـهُمُ الشَّيْطَانُ أَعْمَالَـهُمْ، فَهُوَ وَلِيُّهُمُ الْيَوْمَ، وَلَـهُمْ عَذَابٌ أَلِيْمٌ»
‘‘আল্লাহ্’র কসম! আমি তোমার পূর্বেও বহু জাতির নিকট রাসূল প্রেরণ করেছি; কিন্তু শয়তান তাদের (অশোভনীয়) কর্মকান্ডকে তাদের নিকট সুশোভিত করে দেখিয়েছে। সুতরাং শয়তান তো আজ তাদের বন্ধু অভিভাবক এবং তাদেরই জন্য (কিয়ামতের দিন) যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে’’। (নাহ্ল : ৬৩)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
«وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللهِ، إِنَّهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ»
’’শয়তানের কুমন্ত্রণা যদি তোমাকে প্ররোচিত করে তা হলে তুমি আল্লাহ্ তা‘আলার আশ্রয় কামনা করো। তিনিই তো সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ’’।
(আ’রাফ : ২০০)
জ. নেককার লোকদের সাথে চলুন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِيْنَ يَدْعُوْنَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيْدُوْنَ وَجْهَهُ، وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيْدُ زِيْنَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا، وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَنْ ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ، وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا»
‘‘তুমি সর্বদা নিজকে ওদের সংস্রবেই রাখবে যারা সকাল-সন্ধ্যায় নিজ প্রভুকে ডাকে একমাত্র তাঁরই সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। কখনো তাদের থেকে নিজ দৃষ্টি ফিরিয়ে নিবে না পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনায়। তবে ওদের অনুসরণ কখনোই করো না যাদের অন্তর আমি আমার স্মরণ থেকে গাফিল করে দিয়েছি এবং যারা নিজ খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে নিজ কর্মকান্ডে সীমাতিক্রম করে’’। (কাহ্ফ : ২৮)
একবার দু’বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও কখনো নিরাশ হবেন না। কারণ, নিরাশ হওয়া কাফিরের পরিচয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«وَلَا تَيْأَسُوْا مِنْ رَّوْحِ اللهِ، إِنَّهُ لَا يَيْأَسُ مِنْ رَّوْحِ اللهِ إِلاَّ الْقَوْمُ الْكَافِرُوْنَ»
‘‘আল্লাহ্ তা‘আলার রহমত থেকে তোমরা কখনো নিরাশ হয়ো না। কারণ, একমাত্র কাফিররাই তো আল্লাহ্ তা‘আলার রহমত থেকে নিরাশ হয়ে থাকে’’। (ইউসুফ : ৮৭)
আপনি দ্রুত ধূমপান ছাড়তে না পারলেও অন্ততপক্ষে তা কমাতে চেষ্টা করুন এবং তা প্রকাশ্য পান করবেন না তা হলে কোন এক দিন আপনি তা সম্পূর্ণরূপে ছাড়তে পারবেন।

ধূমপান সংক্রান্ত আরো কিছু কথা:


# আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার ১৯৮৩ সনের রিপোর্টে বলা হয়, বর্তমান বিশ্বে সিগারেট কেনার পেছনে যে অর্থ ব্যয় করা হয় উহার দুই তৃতীয়াংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হলে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা অবশ্যই সম্ভবপর হবে।
# আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার আরেকটি রিপোর্টে বলা হয়, ধূমপানের অপকারিতায় বছরে শুধুমাত্র আমেরিকাতেই ৩ লাখ ৪৬ হাজার ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করে। তেমনিভাবে চীনে ১ লাখ ৪০ হাজার, ব্রিটেনে ৫৫ হাজার, সুইডেনে আট হাজার এবং পুরো বিশ্বে ২৫ লাখ ব্যক্তি প্রতি বছর মৃত্যু বরণ করে।
# চীনের সাঙ্গাহাই শহরের এক মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়, সেখানকার ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত ৬৬০ জনের ৯০ ভাগই ধূমপায়ী।
# আরেক রিপোর্টে বলা হয়, ধূমপানের অপকারিতায় মৃত্যুর হার দুর্ঘটনা ও যুদ্ধ ক্ষেত্রের মৃত্যুর হারের চাইতেও অনেক বেশি।
# ৪৬ বছর ও ততোধিক বয়সের লোকদের মধ্যে ধূমপায়ীদের মৃত্যুর হার অধূমপায়ীদের তুলনায় পঁচিশ গুণ বেশি।
# ধূমপান হচ্ছে পদস্খলনের প্রথম কারণ।
# কেউ দৈনিক ২০ টি সিগারেট পান করলে তার শরীরে শতকরা পনেরো ভাগ হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি দেখা দেয়।
# ধূমপানের অপকারিতায় ব্রিটেনে দৈনিক ৪৪ ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করে।
# বিড়ি ও সিগারেটের শেষাংশ প্রথমাংশের তুলনায় আরো বেশি ক্ষতিকর।
# লজ্জাজনক বিষয় হচ্ছে এই যে, চতুষ্পদ জন্তুর সামনে তামাক রাখা হলে ওরা তা খেতে চায় না; অথচ মানুষ খুব সহজভাবেই তা দৈনিক প্রচুর পরিমাণে গলাধ:করণ করে যাচ্ছে।

ধুমপান কি হারাম ?

ধূমপান


ধূমপানও মাদকদ্রব্যের অধীন এবং তা প্রকাশ্য গুনাহ্গুলোর অন্যতম। ব্যাপারটি খুবই ভয়াবহ; তবে সে অনুযায়ী উহার প্রতি কোন গুরুত্বই দেয়া হচ্ছে না। বরং তা বিশেষ অবহেলায় পতিত। তাই ভিন্ন করে উহার অপকার ও হারাম হওয়ার কারণগুলো বিশেষভাবে উল্লেখ করার প্রয়াস পাচ্ছি। যা নিম্নরূপ:
১. ধূমপান খুবই নিকৃষ্ট কাজ এবং বিড়ি, সিগারেট ইত্যাদি অত্যন্ত নিকৃষ্ট বস্ত্ত। আর সকল নিকৃষ্ট বস্ত্তই তো শরীয়তের দৃষ্টিতে হারাম।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

মদখোরের শাস্তি

মদখোরের শাস্তি


কারোর ব্যাপারে মদ অথবা মাদকদ্রব্য পান কিংবা সেবন করে নেশাগ্রস্ত হওয়া প্রমাণিত হয়ে গেলে তাকে আশিটি বেত্রাঘাত করা হবে। সে যতবারই পান করে ধরা পড়বে ততবারই তার উপর উক্ত দন্ডবিধি প্রয়োগ করা হবে। তবে তাকে এ জন্য কখনোই হত্যা করা হবে না। যা সকল গবেষক ’উলামাদের ঐকমত্যে প্রমাণিত।
মু‘আবিয়া ও আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদখোর সম্পর্কে বলেন:

মাদকদ্রব্য সেবনের অপকারসমূহ

মাদকদ্রব্য সেবনের অপকারসমূহ


ক. নিয়মিত প্রচুর মাদকদ্রব্য সেবনে মানব মেধা সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হয়ে যায়।
খ. এরই মাধ্যমে সমাজে বহু প্রকারের খুন ও হত্যাকান্ড বিস্তার লাভ করে। তথা সামাজিক সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়।
গ. এরই মাধ্যমে অনেক সতী-সাধ্বী মহিলার ইয্যত বিনষ্ট হয়। এরই সুবাদে দিন দিন সকল প্রকারের অপকর্ম, ব্যভিচার ও সমকাম বেড়েই চলছে। এমনো শুনা যায় যে, অমুক মদ্যপায়ী নেশার তাড়নায় নিজ মেয়ে, মা অথবা বোনের সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছে। এমন অঘটন করতে তো মুসলিম দূরে থাক অনেক সুস্থ বিবেক সম্পন্ন ইহুদি, খ্রিষ্টান, হিন্দু এবং বৌদ্ধও লজ্জা পায়।

কবিরা গুনাহঃ ২১. মদ্য পান অথবা যে কোন মাদকদ্রব্য সেবন

২১. মদ্য পান অথবা যে কোন মাদকদ্রব্য সেবন


মদ্য পান অথবা যে কোন নেশাকর দ্রব্য গ্রহণ তথা সেবন (চাই তা খেয়ে কিংবা পান করেই হোক অথবা ঘ্রাণ নেয়া কিংবা ইন্জেকশন গ্রহণের মাধ্যমেই হোক) একটি মারাত্মক কবীরা গুনাহ্। যার উপর আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অভিশাপ ও অভিসম্পাত রয়েছে।
আল্লাহ্ তা‘আলা কুর‘আন মাজীদের মধ্যে মদ্যপান তথা যে কোন নেশাকর দ্রব্য গ্রহণ অথবা সেবনকে শয়তানের কাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন। শয়তান চায় এরই মাধ্যমে মানুষে মানুষে শত্রুতা, হিংসা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং আল্লাহ্’র স্মরণ ও নামায থেকে মানুষকে গাফিল করতে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

Tuesday, October 31, 2017

তামাক,বিড়ি,জর্দা,সিগারেট গুল,মদ খাওয়া কি?

 তামাক,বিড়ি,জর্দা,সিগারেট গুল,মদ খাওয়া কি?♨♨♨♨
উত্তরইনশাআল্লাহ আপনি ছাড়তে পারবেন ।
হারাম, মাকরু নয়, কুরআন ও হাদিসের আলোকে হারামহারাম 
ব্যাখ্যাঃ
(১)
তামাক, জর্দা, বিড়ি খাওয়া হারাম।
তামাক, জর্দা শরীরের জন্য কত টুকু উপকারী?
নিশ্চয়ই বলবেন যে, ক্ষতি ছাড়া কোন উপকার
নেই!
তাহলে দেখুন আল্লাহ পাক কী বলছেন!

Monday, October 16, 2017

বিড়ি সিগারেট বাধার কাজ করে অথবা তার ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন হালাল কি?

বিড়ি সিগারেট বাধার কাজ করে অথবা তার ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন হালাল কি?


বিড়ি সিগারেট পান করা হারাম। আর  যে জিনিস পানাহার করা হারাম, তার মূল্য, উপার্জন ও ভাড়া খাওয়াও হারাম। মহানবী (সঃ) বলেছেন, “মহান আল্লাহ যখন কোন জিনিশকে হারাম করেন, তখন তার মূল্যকেও হারাম করেন।” (আহমাদ, আবু দাউদ, দারকুত্বনী, বাইহাকি প্রমুখ)

বিড়ি সিগারেট হারাম হওয়ার স্পষ্ট দলীল শরীয়তে আছে কি? না থাকলে তা হারাম হয় কিভাবে?

বিড়ি সিগারেট হারাম হওয়ার স্পষ্ট দলীল শরীয়তে আছে কি? না থাকলে তা হারাম হয় কিভাবে?

শরীয়তের বিধানের সকল কিছুর স্পষ্ট দলীল নেই। আর না থাকলে কোন জিনিস যে হালাল, তা নয়। শরীয়তের স্পষ্ট উক্তিসমুহ থেকে ফকীহগন এমন কিছু নীতি নির্ণয় করেন, যার দ্বারা বলা যায় কোনটা হালাল, আর কোনটা হারাম। যে সকল নীতির মাধ্যমে বিড়ি-সিগারেটকে হারাম করা হয়, তার কিছু নিম্নরুপঃ-

(ক) এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম।
(খ) এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম।
(গ) বেশি পরিমাণ পান করলে, তাতে  জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম।

(ঘ) এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে।

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ