Showing posts with label পেসাব/প্রস্রাব-পায়খানা. Show all posts
Showing posts with label পেসাব/প্রস্রাব-পায়খানা. Show all posts

Monday, February 5, 2018

প্রশ্ন:- প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যাবহার করা কি জায়েয? প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যাবহার করা কি জায়েয?
প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?
উত্তর:- প্রস্রাব করার পর পানি ব্যাবহার করার জন্য পানি না পাওয়া গেলে টিস্যু ব্যাবহার করা যাবে এটা হারাম নয়। তবে সেক্ষেত্রে সর্তকভাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন টিস্যুর পরিমান বেশি থাকে যাতে প্রস্রাবের পানি টিস্যু অতিক্রম করে শরীরে এবং হাতে না লেগে যায়। সুতরাং প্রস্রাবের পর পবিত্র হওয়ার জন্য পানি ব্যাবহার করার মত ব্যাবস্থা না থাকলে টিস্যু ব্যাবহার করাতে কোনো বাধা নেই। তবে পানি ব্যাবহার করার মত ব্যাবস্থা থাকলে শুধু মাত্র পানিই ব্যাবহার করতে হবে টিস্যু ও পানি একসাথে নয়।
প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে?

প্রশ্ন:- পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না ব্যাবহার করে শুধু পানি ব্যাবহার করলে কি পবিত্রতা অর্জন হবে? উত্তর:- শুধু পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করলেই পবিত্রতা অর্জিত হয়ে যাবে। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন পায়খানায় প্রবেশের ইচ্ছা পোষন করতেন তখন আমি ও আরেকটি ছেলে পানি ভর্তি পাত্র এবং একটি বর্শা নিয়ে যেতাম। তিনি পানি দ্বারা ইস্তেঞ্জা করতেন। (মুত্তাফাক আলাইহ, মিশকাত- হা/৩৪২)। আয়েশা (রাঃ) একবার মহিলাদের লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা তোমাদের স্বামীদের পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে বল কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)- কে অনুরুপই করতে দেখেছি। (তিরমিযী- হা/১৯, সনদ সহীহ)। ইমাম তিরমিযী বলেন, বিদ্বানগণ পানিকেই যথেষ্ট মনে করেন। পানি না পেলে কুলুখ নিবে। উল্লেখ্য যে কুলুখ ব্যাবহার করার পর পানি ব্যাবহার করতে হবে এই মর্মে যে কথা সমাজে প্রচালিত আছে তা ঠিক নয়। (ইউয়াউল গালীল হা/৪২- এর আলোচনা দ্রঃ) সুতরাং

পানি থাকা সত্বেও কুলুখ নেয়া অথবা কুলুখ নেয়ার পর পূনরায় পানি নিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ইসলামের বিধান কি?

পানি থাকা সত্বেও কুলুখ নেয়া অথবা কুলুখ নেয়ার
পর পূনরায় পানি নিয়ে ইস্তিঞ্জা করা ইসলামের বিধান কি?
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। অগণিত দুরূদ ও সালাম নাযিল হউক প্রিয় নবী মুস্তফা আহাম্মদে মুজতবা সায়্যিদুল আম্বিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের প্রতি। শান্তি বর্ষিত হউক আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরাম রেজুয়ানাল্লাহি তা’আলা আজমাঈন গণের উপর।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^
আমাদের সমাজে, রাস্তাঘাটে, মাদ্রসায়, মসজিদে ও বিভিন্ন জায়গায় হরহামেশা দেখা যায় প্রায় মানুষই প্রস্রাবের পর ঢিলা-কুলূখ ধরে দাড়িয়ে থাকে। শুধু দাড়িয়েই থাকেনা; লজ্জাস্থানে ধরে রেখে বেহায়া, নির্লজ্জের মত হাটাহাটি করে, জোরে জোরে কাশি দেয়, উঠবস করে, পায়ে পায়ে কাঁচি দেয়। অথচ

Saturday, February 3, 2018

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ

ইস্তিঞ্জা ও ঢিলা-কুলুখের সুন্নতী তরীকাঃ
নিচে নারী ও পুরুষের উভয়ের জন্যই
পবিত্রতা অর্জনের সঠিক পদ্ধতি বর্ণনা
করা হচ্ছে। স্পষ্ট করে বলার পরেও
অনেকে আবার প্রশ্ন করেন, নারীদের
পবিত্রতার পদ্ধতি কি? নারী ও পুরুষের
উভয়ের পদ্ধতিই এক।
_______________________________
পেশাব-পায়খানার পরে নাপাকী দুইভাবে দূর
করা যেতে পারে –
১. পানি দ্বারা
২. ঢিলা-কুলুখ দ্বারা

Monday, January 29, 2018

পেশাব করার পর মনে হয় কয়েক ফোটা বের হয়েছে

পেশাব করার পর মনে হয় কয়েক ফোটা বের হয়েছে


পেশাব করার পর মনে হয় কয়েক ফোটা বের হয়েছে
প্রশ্ন :
জনৈক ব্যক্তি পেশাব শেষ করে পেশাবের স্থান ধৌত করে নেয়। কিন্তু যখনই সে নড়াচড়া করে ও দাঁড়ায়, তখন অনুভব হয় যে, কয়েক ফোটা পেশাব বের হয়েছে। এ জন্য সে দীর্ঘ সময় পেশাবের স্থানে বসে থাকে আর বলে : কি করব ? সে কি তার এ অনুভূতি ও ধারণা ত্যাগ করে অযূ পূর্ণ করে নেবে ? না, পরিপূর্ণ পেশাব বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে ? আশা করি উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন। আল্লাহ আপনাদের কল্যাণ করুন।

Monday, November 13, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৫১. সাধারণ শৌচাগারে নিম্নবসন ছাড়া কারোর প্রবেশ করা অথবা নিজ স্ত্রীকে প্রবেশ করতে দেয়া

১৫১. সাধারণ শৌচাগারে নিম্নবসন ছাড়া কারোর প্রবেশ করা অথবা নিজ স্ত্রীকে প্রবেশ করতে দেয়া


সাধারণ শৌচাগারে নিম্নবসন ছাড়া কারোর প্রবেশ করা অথবা নিজ স্ত্রীকে প্রবেশ করতে দেয়াও হারাম। কারণ, এ জাতীয় শৌচাগারে পর্দা রক্ষা করা অসম্ভবই বটে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ১৩৮. মানুষের চলাচলের পথে, গাছের ছায়ায় কিংবা পুকুর ও নদ-নদীর ঘাটে মল ত্যাগ

১৩৮. মানুষের চলাচলের পথে, গাছের ছায়ায় কিংবা পুকুর ও নদ-নদীর ঘাটে মল ত্যাগ


মানুষের চলাচলের পথে, গাছের ছায়ায় কিংবা পুকুর ও নদ-নদীর ঘাটে মল ত্যাগ আরেকটি হারাম কাজ কিংবা কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
اتَّقُوْا اللَّاعِنَيْنِ، قَالُوْا: وَمَا اللَّاعِنَانِ يَا رَسُوْلَ اللهِ ؟! قَالَ: الَّذِيْ يَتَخَلَّى فِيْ طَرِيْقِ النَّاسِ أَوْ ظِلِّهِمْ.
‘‘তোমরা অভিশাপের দু’টি কারণ হতে দূরে থাকো। সাহাবা (রাযিয়াল্লাহু আন্হুম) বললেন: অভিশাপের কারণ দুটি কি? তিনি বললেন: পথে-ঘাটে অথবা ছায়াবিশিষ্ট গাছের তলায় মল-মূত্র ত্যাগ করা’’। (আবূ দাউদ ২৫)
মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

Thursday, November 9, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৩৭. প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন না করা

৩৭. প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন না করা


প্রস্রাব থেকে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন না করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্। যা খ্রিস্টানদের একান্ত বৈশিষ্ট্য এবং যে কারণে কবরে শাস্তি পেতে হয়।
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘আববাস্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন:
مَرَّ النَّبِيُّ بِقَبْرَيْنِ، فَقَالَ: إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ، وَمَا يُعَذَّبَانِ فِيْ كَبِيْرٍ، وَفِيْ رِوَايَةٍ: بَلَى إِنَّهُ كَبِيْرٌ، أَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ لَا يَسْتَتِرُ مِنَ الْبَوْلِ، وَأَمَّا الْآخَرُ فَكَانَ يَمْشِيْ بِالنَّمِيْمَةِ، ثُمَّ أَخَذَ جَرِيْدَةً رَطْبَةً فَشَقَّهَا نِصْفَيْنِ، فَغَرَزَ فِيْ كُلِّ قَبْرٍ وَاحِدَةً، قَالُوْا: يَا رَسُوْلَ اللهِ! لِمَ فَعَلْتَ هَذَا ؟ قَالَ: لَعَلَّهُ يُخَفَّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا.
‘‘একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: এ দু’ জন কবরবাসীকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। তবে তা আপাত দৃষ্টিতে কোন বড় অপরাধের জন্য নয়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, বাস্তবে তা সত্যিই বড় অপরাধ অথবা বস্ত্তত: উক্ত দু’টি গুনাহ্ থেকে রক্ষা পাওয়া তাদের জন্য

গুরুত্বপূর্ণ কিছু হারাম কাজ যা আমরা নিজের অজান্তেই করে ফেলি।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু হারাম কাজ যা আমরা নিজের অজান্তেই করে ফেলি।


বেখেয়ালে কিছু নিষিদ্ধ কাজ আমরা করি !! অথচ জানিনা যে, এগুলো করা হারাম!
✒ গোসলখানায় প্রসাব করা যাবে না। (ইবনে মাজাহঃ ৩০৪)
✒ কেবলামুখি বা তার উল্টো হয়ে প্রসাব, পায়খানা করা যাবে না। (সহিহ
বুখারি ৩৯৫, নাসায়ীঃ ২১, আত তিরমিজিঃ ৮)

Sunday, November 5, 2017

ক্বিবলা বা কাবা ঘরের অভিমুখ

ক্বিবলার অভিমুখ


যারা কা’বার আশেপাশে নামায পড়ে এবং কা’বা তাদের দৃষ্টির সামনে থাকে, তাদের জন্য হুবহু কা’বার প্রতি মুখ ফেরানো জরুরী। পক্ষান্তরে যারা কা’বা দেখতে পায় না তাদের জন্য হুবহু কা’বার প্রতি মুখ ফেরানো জরুরী নয়। যেহেতু মহানবী (সাঃ) বলেন, “পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝামাঝি হল ক্বিবলার দিক।” (তিরমিযী, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, মিশকাত ৭১৫নং)
তিনি বলেন, “প্রস্রাব-পায়খানা করার সময় তোমরা ক্বিবলাহ্‌কে সামনে বা পিছন করে বসো না; বরং

Wednesday, October 25, 2017

রোযা অবস্থায় পায়খানা-দ্বারে ঔষধ ব্যবহার করা যায় কি?

রোযা অবস্থায় পায়খানা-দ্বারে ঔষধ ব্যবহার করা যায় কি?


রোযাদারের জ্বর হলে তাঁর জন্য পায়খানা-দ্বারে ঔষধ (সাপোজিটরি) রাখা যায়। তদনুরূপ জ্বর মাপা বা অন্য কোন পরীক্ষার জন্য মল-দ্বারে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা দোষাবহ বা রোযার পক্ষে ক্ষতিকর নয়। কারণ, এ কাজকে খাওয়া বা পান করা কিছুই বলা হয় না। (এবং পায়খানা-দ্বার পানাহারের পথও নয়।) ২৮৬ (মুমতে ৬/৩৮১)

Sunday, October 22, 2017

যৌন উত্তেজনার সময় পানির মতো আঠালো যে তরল পদার্থ বের হয়, তা কি নাপাক?

যৌন উত্তেজনার সময় পানির মতো আঠালো যে তরল পদার্থ বের হয়, তা কি নাপাক?


একে “মাযী” বলে। আর তা নাপাক। তা বের হলে উযূ নষ্ট হয়ে যায়। শরমগাহ ধুতে হয় এবং কাপড়ে লাগলে পরিষ্কার করতে হবে। অবশ্য খুলে না ধুলেও চলে। কেবল এক লোটা পানি নিয়ে তাঁর উপর ছিটিয়ে দিলেই হয়। ১৩৩ (আবূ দাঊদ ২১০, তিরমিযী ১১৫, ইবনে মাজাহ ৫০৬নং)যেহেতু তা এমন তা এমন এক অপবিত্র পদার্থ, যা থেকে বাঁচা অনেক দুষ্কর। তাই তাঁর ব্যাপারে পবিত্রতার এই হালকা বিধান।

শৌচকর্মের সময় ঢিলা ও পানি উভয়ই ব্যবহার করা বিধেয়? দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা কি বৈধ?

শৌচকর্মের সময় ঢিলা ও পানি উভয়ই ব্যবহার করা বিধেয়?


এ ব্যপারে কোন সহীহ দলীল নেই। সুতরাং পানির পূর্বে ঢিল ব্যবহার করাটা অতিরঞ্জনের পর্যায়ভুক্ত। যেহেতু মহানবী (সঃ) এর কর্ম হল, দুটির মধ্যে একটি ব্যবহার করা। আর তাঁর আদর্শই হল, সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ। ১২৯ (আলবানী)

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা কি বৈধ?


প্রস্রাবের ছিটা লাগার ভয় না থাকলে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা বৈধ। এর বৈধতা ও অবৈধতার বিষয়ে উভয় প্রকার দলীল রয়েছে। ১৩০ (আলবানী)

বাথরুমের ভিতরে ক্বিবলামুখী হয়ে প্রস্রাব-পায়খানা করা বৈধ?

বাথরুমের ভিতরে ক্বিবলামুখী হয়ে প্রস্রাব-পায়খানা করা বৈধ?


সঠিক মতে বৈধ নয়। রুমের ভিতরে যদি ক্বিবলার দিকে থুথু ফেলা নিষিদ্ধ হয়, তাহলে ক্বিবলার দিকে মুখ বা পিঠ করে করে প্রস্রাব-পায়খানা অধিকরূপে নিষিদ্ধ হওয়ার কথা। ১২৮ (আলবানী)

বাথরুমে প্রবেশ করার পূর্বে “বিসমিল্লাহ” কি সশব্দে পড়তে হবে?

বাথরুমে প্রবেশ করার পূর্বে “বিসমিল্লাহ” কি সশব্দে পড়তে হবে?


হাদীসে এসেছে, প্রস্রাবাগার বা পায়খানা ঘরে বা স্থানে প্রবেশ হওয়ার পূর্বে “বিসমিল্লাহ” পড়লে আল্লাহ্‌র হুকুমে জ্বিনদের চোখে পর্দা পড়ে যায়। ১২৬(তিরমিযী ৬০৬, ইবনে মাজাহ ২৯৭ নং)কিন্তু সশব্দে বলার নির্দেশ নেই। সুতরাং নিঃশব্দেই বলা বিধেয়। ১২৭(আলবানী)

Sunday, October 15, 2017

কিবলার দিকে মুখ করে পেশাব পায়খানা করা নিষেধ জানি, কিন্তু সে দিকে থুথু ফেলাও কি নিষেধ? কিবলার দিকে থুথু ফেলা নিষেধ হওয়ার ব্যাপারটা কি নামাযের মধ্যে সীমিত নয়?

কিবলার দিকে মুখ করে পেশাব পায়খানা করা নিষেধ জানি, কিন্তু সে দিকে থুথু ফেলাও কি নিষেধ? কিবলার দিকে থুথু ফেলা নিষেধ হওয়ার ব্যাপারটা কি নামাযের মধ্যে সীমিত নয়?

আনাস (রঃ) বলেন, নবী (সঃ) কিবলার (দিকের দেওয়ালে) থুথু দেখতে পেলেন। এটা তাঁর প্রতি খুব ভারী মনে হল; এমনকি তাঁর চেহারার সে চিহ্ন দেখা গেল। ফলে দাঁড়ালেন এবং তিনি তা নিজ হাত দ্বারা ঘসে তুলে ফেললেন। তারপর বললেন,

খবরের কাগজ বিছিয়ে খাওয়া, তা দিয়ে প্রস্রাব পায়খানা পরিষ্কার করা, তার উপ বসা বা পা দেওয়া বৈধ কি?

খবরের কাগজ বিছিয়ে খাওয়া, তা দিয়ে প্রস্রাব পায়খানা পরিষ্কার করা, তার উপ বসা বা পা দেওয়া বৈধ কি?


যে কোন কাগজে আল্লাহর নাম অথবা আল্লাহর নামযুক্ত কোন ব্যক্তি বা বস্তুর নাম থাকলে অথবা কুরানের আয়াত থাকলে বিছিয়ে খাওয়া, তা দিয়ে প্রস্রাব পায়খানা পরিষ্কার করা, তার উপর বসা বা পা দেওয়া বৈধ নয়।যেমন কুরানের পাতা, বই পুস্তক বা পত্র পত্রিকা পবিত্র জায়গায় দাফন করা অথবা পুড়িয়ে ফেলা বিধেয়। যাতে আল্লাহর নাম বা কুরানের আয়াতের কোন অমর্যাদা না হয়। ( ইবনে বাজ)

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা কি আদৌ বৈধ নয়?

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা কি আদৌ বৈধ নয়?


প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা যায়। যদি কাপড়ে তার ছিটা লাগার ভয় না থাকে। নবী (সঃ) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন। (বুখারি ২২২৪, মুসলিম ২৭৩ নং) তবে বসে প্রস্রাব করাই উত্তম। যাতে সাবধান হওয়া যায়। আল্লাহর রাসুল (সঃ) বলেন, “তোমরা প্রস্রাব থেকে সাবধানতা অবলম্বন কর। কারণ, অধিকাংশ কবরের আযাব এই প্রস্রাব (থেকে সাবধান না হওয়ার) ফলেই হয়ে থাকে।" ( দারাকুত্বনী, সহিহ তারগিব ১৫১ নং)

Saturday, October 14, 2017

কিবলার দিকে মুখ করে প্রস্রাব পায়খানা নিষেধ, কিন্তু স্ত্রী সহবাস বৈধ কি? সহবাস চলাকালে নিজেদের লজ্জাস্থান দেখলে কি কোন ক্ষতি আছে?

কিবলার দিকে মুখ করে প্রস্রাব পায়খানা নিষেধ, কিন্তু স্ত্রী সহবাস বৈধ কি?


কিবলামুখী হয়ে স্বামী স্ত্রী সহবাস করা অবৈধ এমন কোন দলীল নেই। যারা স্ত্রী সহবাসকে প্রস্রাব পায়খানা করার মতো মনে করেন, তারা অবশ্য তা অবৈধ বলেন। আর যাঁদের নিকট ঘরের ভিতর কিবলামুখে প্রস্রাব পায়খানা বৈধ, তাঁদের নিকট স্ত্রী সহবাসও বৈধ। আল্লাহু আলাম।

সহবাস চলাকালে নিজেদের লজ্জাস্থান দেখলে কি কোন ক্ষতি আছে?


সহবাস চলাকালে নিজেদের লজ্জাস্থান দেখলে কোন ক্ষতি নেই। তা দেখলে কোন পাপও হয় না এবং চোখেরও কোন ক্ষতি হয় না। “তিনি আমার লজ্জাস্থান দেখেননি এবং আমি তার লজ্জাস্থান দেখিনি”-বলে মা আয়েশা (রঃ)র প্রচলিত উক্তি সহীহ নয়।  

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ