Showing posts with label বিপদ- বালা- মুসিবত. Show all posts
Showing posts with label বিপদ- বালা- মুসিবত. Show all posts

Monday, January 29, 2018

রোগ, বালা মুসিবতে ইমানদারের করণীয়।

রোগ, বালা মুসিবতে ইমানদারের করণীয়।


রোগ-ব্যাধিতে ঈমানদারের করণীয়!
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
১) এ বিশ্বাস রাখা যে, রোগ-ব্যাধিতে একমাত্র আরোগ্যদানকারী মহান আল্লাহ। তিনি ছাড়া অন্য কেউ রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

Sunday, January 28, 2018

বিপদে ধৈর্যধারণ : দশটি উপদেশ

বিপদে ধৈর্যধারণ : দশটি উপদেশ কে আছে এমন, যে পিতা-মাতা, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব, প্রিয়জন কিংবা কোন নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুতে শোকাহত হয়নি, চক্ষুদ্বয় অশ্রু বিসর্জন করেনি; ভর দুপুরেও গোটা পৃথিবী ঝাপসা হয়ে আসেনি; সুদীর্ঘ, সুপ্রশস্ত পথ সরু ও সংকীর্ণ হয়ে যায়নি; ভরা যৌবন সত্ত্বেও সুস্থ দেহ নিশ্চল হয়ে পড়েনি; অনিচ্ছা সত্ত্বেও অপ্রতিরোধ্য ক্রন্দন ধ্বনি তুলতে তুলতে গলা শুকিয়ে আসেনি; অবিশ্বাস সত্ত্বেও মর্মন্তুদ কঠিন বাস্তবতা মেনে নিতে বাধ্য হয়নি; এই বুঝি চলে গেল, চির দিনের জন্য; আর কোন দিন ফিরে আসবে না; কোন দিন তার সাথে দেখা হবে না; শত আফসোস ঠিকরে পড়ে, কেন তাকে কষ্ট দিয়েছি; কেন তার বাসনা পূর্ণ করিনি;

Friday, January 26, 2018

দুশ্চিন্তা-মুসিবত ও পেরেশানী দূর করার উপায়

দুশ্চিন্তা-মুসিবত ও পেরেশানী দূর করার উপায়

পার্থিব জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ও স্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে দুঃখ, দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানী। কারণ, দুনিয়া কষ্ট, মুসিবত ও সঙ্কটপূর্ণ স্থান। দুনিয়া এবং জান্নাতের মধ্যে পার্থক্য এখানেই। জান্নাতে নেই কোন দুঃখ, দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা। আল্লাহ তাআলা বলেন,
لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُمْ مِنْهَا بِمُخْرَجِينَ
‘সেখানে তাদেরকক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তারা সেখান থেকে বহিষ্কৃতও হবে না।’ (  সূরা হিজর : ৪৮)
জান্নাতবাসীদের অন্তর কখনো কলুষিত হবে না এবং কষ্টদায়ক কোন শব্দ তাদের কানে পৌঁছবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন,

Sunday, November 12, 2017

প্রশ্ন : বিপদগ্রস্তদের জন্য কি কোনো আমল আছে? যদি বিপদের আশংকা থাকলে তাহলে কি দুয়া বা আমল করা যায় ? নিজের কোনো বিপদের আশংকা করলে বা বিপদগ্রস্ত হলে পিরিয়ড অবস্থায় কি কি আমাল বা দুয়া করা যাবে।

প্রশ্ন : বিপদগ্রস্তদের জন্য কি কোনো আমল আছে? যদি বিপদের আশংকা থাকলে তাহলে কি দুয়া বা আমল করা যায় ? নিজের কোনো বিপদের আশংকা করলে বা বিপদগ্রস্ত হলে পিরিয়ড অবস্থায় কি কি আমাল বা দুয়া করা যাবে।
উত্তর : বিপদ-মসিবতে পাঠ করার জন্য কতিপয় দুয়া এবং এর জন্য আমল: 
১) উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) কে বলতে শুনেছি, মানুষের ওপর কোনো বিপদ এলে সে যদি এই দোয়া পাঠ করে- আল্লাহতায়ালা তাকে তার বিপদের প্রতিদান দেন এবং সে যা কিছু হারিয়েছে তার বদলে তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করেন। 

কারোর উপর কোন বিপদ আসলে তাকে যা করতে হয়। বিপদাপদ আসলে যে চিকিৎসাগুলো গ্রহণ করতে হয়।

কারোর উপর কোন বিপদ আসলে তাকে যা করতে হয়


কারোর উপর কোন বিপদ আসলে তাকে নিম্নোক্ত দো‘আ পড়তে হয়:
إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُوْنَ، اللَّهُمَّ آجِرْنِيْ فِيْ مُصِيْبَتِيْ وَأَخْلِفْ لِيْ خَيْرًا مِنْهَا.
উম্মে সালামাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আন্হা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ৮৩. কোন বিপদ আসলে তা সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে না নিয়ে বরং আল্লাহ্ তা‘আলার উপর অসন্তুষ্ট হওয়া

৮৩. কোন বিপদ আসলে তা সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে না নিয়ে বরং আল্লাহ্ তা‘আলার উপর অসন্তুষ্ট হওয়া


কোন বিপদ আসলে তা সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে না নিয়ে বরং আল্লাহ্ তা‘আলার উপর অসন্তুষ্ট হওয়া আরেকটি কবীরা গুনাহ্ এবং হারাম।
মু’মিন বলতেই তাকে এ কথা অবশ্যই মেনে নিতে হবে যে, তার জীবনে যে কোন অঘটন ঘটুক না কেন তা একমাত্র তারই কিঞ্চিৎ কর্মফল। এর চাইতে আর বেশি কিছু নয়।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

Saturday, November 11, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৬৩. আল্লাহ্ তা‘আলার পাকড়াও থেকে নিজকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ মনে করা

৬৩. আল্লাহ্ তা‘আলার পাকড়াও থেকে নিজকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ মনে করা


আল্লাহ্ তা‘আলার পাকড়াও থেকে নিজকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ মনে করাও আরেকটি কবীরা গুনাহ্। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«أَفَأَمِنُوْا مَكْرَ اللهِ فَلَا يَأْمَنُ مَكْرَ اللهِ إِلاَّ الْقَوْمُ الْـخَاسِرُوْنَ»
‘‘তারা কি নিজেদেরকে আল্লাহ্ তা‘আলার সূক্ষ্ম পাকড়াও থেকে নিরাপদ মনে করে? বস্ত্তত: একমাত্র ক্ষতিগ্রস্তরাই আল্লাহ্ তা‘আলার পাকড়াও থেকে নি:শঙ্ক হতে পারে’’। (আ’রাফ : ৯৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:

কবিরা গুনাহঃ ৫০. বিপদের সময় ধৈর্যহীন হয়ে বিলাপ ধরা, মাথা, গাল বা বুকে আঘাত করা, মাথার চুল বা পরনের জামাকাপড় ছেঁড়া, মাথা মুন্ডন করা এবং নিজের সমূহ ধ্বংস বা যে কোন অকল্যাণ কামনা করা

৫০. বিপদের সময় ধৈর্যহীন হয়ে বিলাপ ধরা, মাথা, গাল বা বুকে আঘাত করা, মাথার চুল বা পরনের জামাকাপড় ছেঁড়া, মাথা মুন্ডন করা এবং নিজের সমূহ ধ্বংস বা যে কোন অকল্যাণ কামনা করা।


কারোর উপর আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে কোন বিপদ আসলে তাতে অধৈর্য হয়ে বিলাপ করা, মাথা, গাল বা বুকে আঘাত করা, মাথার চুল বা পরনের জামাকাপড় ছেঁড়া, মাথা মুন্ডন করা বা নিজের সমূহ ধ্বংস কিংবা যে কোন অকল্যাণ কামনা করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
اثْنَتَانِ فِيْ النَّاسِ هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ، الطَّعْنُ فِيْ النَّسَبِ وَالنِّيَاحَةُ عَلَى الْـمَيِّتِ.
‘‘মানুষের মধ্যে দু’টি চরিত্র কুফরি পর্যায়ের। তার মধ্যে একটি হচ্ছে কারোর বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা আর অপরটি হচ্ছে কোন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে বিলাপ করা’’। (মুসলিম ৬৭)
আবূ মালিক আশ্‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ