Showing posts with label ইমাম-ইমামতি-মুয়াজ্জিন. Show all posts
Showing posts with label ইমাম-ইমামতি-মুয়াজ্জিন. Show all posts

Wednesday, April 11, 2018

ইমাম ভুলক্রমে এক রাকাআত নামায বৃদ্ধি করেছেন। আমি মাসবূক হিসেবে ইমামের অতিরিক্ত নামায আমার নামাযের সাথে মিলিয়ে নিয়েছি। আমার নামায কি বিশুদ্ধ হয়েছে? আর যদি ঐ রাকাতের হিসাব না ধরি তবে তার বিধান কি?

(২৭২) ইমাম ভুলক্রমে এক রাকাআত নামায বৃদ্ধি করেছেন। আমি মাসবূক হিসেবে ইমামের অতিরিক্ত নামায আমার নামাযের সাথে মিলিয়ে নিয়েছি। আমার নামায কি বিশুদ্ধ হয়েছে? আর যদি ঐ রাকাতের হিসাব না ধরি তবে তার বিধান কি?


সঠিক মত হচ্ছে আপনার নামায বিশুদ্ধ হয়েছে। কেননা আপনি নামায পূর্ণভাবে আদায় করেছেন। ইমাম যে ভুল করেছেন সে তার উপর বর্তাবে। ভুল হওয়ার কারণে তিনি মা‘যুর (অপারগ ও অক্ষম)। কিন্তু আপনি যদি ঐ রাকাআতের হিসাব না ধরেন এবং অতিরিক্ত রাকাআত আদায় করেন,

Tuesday, April 3, 2018

মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা শেষ হওয়ার পূর্বে ইমাম রুকূতে চলে গেলে মুক্তাদীর করণীয় কি?

(৩০২) মুক্তাদীর সূরা ফাতিহা শেষ হওয়ার পূর্বে ইমাম রুকূতে চলে গেলে মুক্তাদীর করণীয় কি?


মুক্তাদী যদি এমন সময় নামাযে শরীক হয় যখন ইমাম রুকূর ইচ্ছা করছেন। আর মুক্তাদী সূরা ফাতিহা পূর্ণ করতে পারেনি যদি দু’এক আয়াত বা অনুরূপ বাকী থাকে তবে তা পড়ে নিয়েই ইমামের সাথে রুকূতে শামিল হবে। আর এটাই উত্তম। কিন্তু যদি সূরা ফাতিহা পূর্ণ করতে অনেকাংশ অবশিষ্ট রয়ে যায়, আর

Monday, April 2, 2018

মুক্তাদী যদি ইমামকে সিজদা অবস্থায় পায়, তবে কি ইমামের সিজদা থেকে উঠার অপেক্ষা করবে? নাকি সিজদা অবস্থাতেই নামাযে শামিল হবে?

(৩০৩) মুক্তাদী যদি ইমামকে সিজদা অবস্থায় পায়, তবে কি ইমামের সিজদা থেকে উঠার অপেক্ষা করবে? নাকি সিজদা অবস্থাতেই নামাযে শামিল হবে?


উত্তম হচ্ছে ইমামকে যে অবস্থাতেই মুক্তাদী পাবে নামাযে শামিল হবে, কোনরূপ অপেক্ষা করবে না। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

যেসমস্ত নামাযে নীরবে কিরাআত পাঠ করা হয় সে সমস্ত নামাযে মুক্তাদীর ফাতিহার পর অন্য সূরা পাঠ করার বিধান কি?

(৩০৪) যেসমস্ত নামাযে নীরবে কিরাআত পাঠ করা হয় সে সমস্ত নামাযে মুক্তাদীর ফাতিহার পর অন্য সূরা পাঠ করার বিধান কি?


ইমামের রুকূ করার পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত মুক্তাদী পড়তেই থাকবে। যদিও সে সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পাঠ করে থাকে। চুপ থাকবে না। এমনকি প্রথম তাশাহুদের পর শেষের দু’রাকাতেও সূরা ফাতিহা পড়ার পর যদি দেখে ইমাম রুকূ করেননি, তবে অন্য সূরা পড়া শুরু করবে। কেননা

ইমামের আগে আগে কোন কাজ করার বিধান কি?

(৩০৫) ইমামের আগে আগে কোন কাজ করার বিধান কি?


ইমামের আগে বেড়ে কোন কাজ করা হারাম। কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
أَمَا يَخْشَى الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ قَبْلَ الْإِمَامِ أَنْ يُحَوِّلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ
“যে ব্যক্তি ইমামের পূর্বে মাথা উঠায় সে কি ভয় করে না যে, আল্লাহ্‌ তার মাথাটি গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দিবেন না? অথবা তার আকৃতিকে গাধার আকৃতিতে পরিবর্তন করে দিবেন না?”  আরো প্রমাণিত হয়েছে। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

গুনাহ্‌গার (ফাসেক) লোকের পিছনে নামায পড়া কি জায়েয?

(৩০৬) গুনাহ্‌গার (ফাসেক) লোকের পিছনে নামায পড়া কি জায়েয?


প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তি- যদিও সে কিছু কিছু গুনাহ্‌র কাজে লিপ্ত থাকে- তার পিছনে নামায আদায় করা জায়েয ও নামায বিশুদ্ধ। এটাই বিশুদ্ধ মত। কিন্তু নিঃসন্দেহে পরহেজগার ও বাহ্যিকভাবে পরিশুদ্ধ লোকের পিছনে নামায আদায় করা উত্তম। ঐ গুনাহ্‌গার ব্যক্তির পাপ সমূহ যদি এমন পর্যায়ের হয় যা ইসলাম ভঙ্গকারী, তাহলে তার পিছে নামায আদায় করা বৈধ হবে না। কেননা তার নিজের নামাযই তো বিশুদ্ধ নয়। কেননা

Monday, January 29, 2018

কুরআন সুন্নাহর আলোকে নামাযের কাতারে দাড়ানো / জামায়াতে সালাত পড়তে দাড়ানো:

কুরআন সুন্নাহর আলোকে নামাযের
কাতারে দাড়ানো / জামায়াতে সালাত পড়তে
দাড়ানো:
সহীহ বুখারী শরীফে আনাস (রাঃ)
থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি রাসূল (সঃ)
থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূল (সঃ)
বলেছেন, “তোমরা তোমাদের কাতার
সোজা করো, কেননা, আমি
তোমাদিগকে আমার পিঠের পিছন থেকে
(বাঁকা অবস্থায়) দেখতে পাই। আনাস (রাঃ)
বলেন: (রাসূল (সঃ) এর নির্দেশের
পরিপ্রেক্ষিতে) আমাদের একজন তাঁর কাঁধ

ইমামের পিছনে মুক্তাদী কি সূরা ফাতিহা পাঠ করবেন?

ইমামের পিছনে মুক্তাদী কি সূরা ফাতিহা পাঠ করবেন?

ইমাম ও মুক্তাদী সকলের জন্য সকল প্রকার ছালাতে প্রতি রাক‘আতে সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা ফরয। প্রধান দলীল সমূহ :
(১) হযরত উবাদাহ বিন ছামিত (রাঃ) হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَّمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ، مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ(‘লা ছালা-তা লিমান লাম ইয়াক্বরা’ বিফা-তিহাতিল কিতা-ব’) ‘ঐ ব্যক্তির ছালাত সিদ্ধ নয়, যে ব্যক্তি সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করে না’। [22]
(২) ছালাতে ভুলকারী (مسئ الصلاة) জনৈক ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, … ثُمَّ اقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَبِمَا شَآءَ اللهُ أَنْ تَقْرَأَ ‘অতঃপর তুমি ‘উম্মুল কুরআন’ অর্থাৎ সূরায়ে ফাতিহা পড়বে এবং যেটুকু আল্লাহ ইচ্ছা করেন কুরআন থেকে পাঠ করবে’…। [23]
(৩) আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন,

ইমাম ও ইমামতির বিস্তারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য-১

ইমাম ও ইমামতি
আল্ হাল হামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু
আলা রাসূলিল্লাহ্, আম্মা বাদ:
ইমাম ও ইমামতি ইসলাম ধর্মের এবং মুসলিম সমাজের
একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রয়োজনীয় বিষয়। একটি দেশ
থেকে নিয়ে একটি গ্রাম পর্যন্ত এমনকি একটি পরিবারেও এই পদের
প্রয়োজনীয়তা লক্ষণীয়। তাই এই বিষয়টির সম্পর্কে আমাদের
সমাজের প্রত্যেক ইমামকে বিশেষ ভাবে এবং অন্যান্য
মুসলিমদের সাধারণ ভাবে জ্ঞান রাখা আবশ্যক। উক্ত
কারণে বিষয়টির অবতারণা। আল্লাহ যেন সঠিক লেখার এবং তার
প্রতি আমল করার তাওফীক দেন। আমীন।
ইমাম শব্দের আভিধানিক অর্থ:

ইমাম ও ইমামতির বিস্তারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য-১

ইমাম ও ইমামতি
আল্ হাল হামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু
আলা রাসূলিল্লাহ্, আম্মা বাদ:
ইমাম ও ইমামতি ইসলাম ধর্মের এবং মুসলিম সমাজের
একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রয়োজনীয় বিষয়। একটি দেশ
থেকে নিয়ে একটি গ্রাম পর্যন্ত এমনকি একটি পরিবারেও এই পদের
প্রয়োজনীয়তা লক্ষণীয়। তাই এই বিষয়টির সম্পর্কে আমাদের
সমাজের প্রত্যেক ইমামকে বিশেষ ভাবে এবং অন্যান্য
মুসলিমদের সাধারণ ভাবে জ্ঞান রাখা আবশ্যক। উক্ত
কারণে বিষয়টির অবতারণা। আল্লাহ যেন সঠিক লেখার এবং তার
প্রতি আমল করার তাওফীক দেন। আমীন।
ইমাম শব্দের আভিধানিক অর্থ:

ইমাম ও ইমামতির বিস্তারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য-১

ইমাম ও ইমামতি
আল্ হাল হামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু
আলা রাসূলিল্লাহ্, আম্মা বাদ:
ইমাম ও ইমামতি ইসলাম ধর্মের এবং মুসলিম সমাজের
একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রয়োজনীয় বিষয়। একটি দেশ
থেকে নিয়ে একটি গ্রাম পর্যন্ত এমনকি একটি পরিবারেও এই পদের
প্রয়োজনীয়তা লক্ষণীয়। তাই এই বিষয়টির সম্পর্কে আমাদের
সমাজের প্রত্যেক ইমামকে বিশেষ ভাবে এবং অন্যান্য
মুসলিমদের সাধারণ ভাবে জ্ঞান রাখা আবশ্যক। উক্ত
কারণে বিষয়টির অবতারণা। আল্লাহ যেন সঠিক লেখার এবং তার
প্রতি আমল করার তাওফীক দেন। আমীন।
ইমাম শব্দের আভিধানিক অর্থ:

ইমাম ও ইমামতির বিস্তারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য-১

ইমাম ও ইমামতি
আল্ হাল হামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু
আলা রাসূলিল্লাহ্, আম্মা বাদ:
ইমাম ও ইমামতি ইসলাম ধর্মের এবং মুসলিম সমাজের
একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রয়োজনীয় বিষয়। একটি দেশ
থেকে নিয়ে একটি গ্রাম পর্যন্ত এমনকি একটি পরিবারেও এই পদের
প্রয়োজনীয়তা লক্ষণীয়। তাই এই বিষয়টির সম্পর্কে আমাদের
সমাজের প্রত্যেক ইমামকে বিশেষ ভাবে এবং অন্যান্য
মুসলিমদের সাধারণ ভাবে জ্ঞান রাখা আবশ্যক। উক্ত
কারণে বিষয়টির অবতারণা। আল্লাহ যেন সঠিক লেখার এবং তার
প্রতি আমল করার তাওফীক দেন। আমীন।
ইমাম শব্দের আভিধানিক অর্থ:

ইমাম যদি বসে ইমামতি করেন, তাহলে মুক্তাদীগণ কিভাবে নামায পূর্ণ করবেন?

ইমাম যদি বসে ইমামতি করেন, তাহলে মুক্তাদীগণ কিভাবে নামায পূর্ণ করবেন?

ইমাম যদি অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে ইমামতি
করতে অক্ষম হয়, তাহলে অন্যকে তার
স্থলাভিষিক্ত করা মুস্তাহাব। কারণ বসে আদায় কারীর
নামাযের চেয়ে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর নামায অধিক
পরিপূর্ণ।
যেসব মুসাল্লাী দাড়িয়ে নামায পড়তে সক্ষম,
তাদের ইমামের জন্য অসুস্থতা বা অন্য কারণে
বসে ইমামতি করা সম্পর্কে আলেমদের থেকে
একাধিক মত পাওয়া যায়।
১) ইমাম যদি অসুস্থতা বা অন্য কারণে দাঁড়িয়ে নামায
পড়তে দাঁড়াতে সক্ষমদের জন্য বসে ইমামতি
করে তাহলে তর ইমামতি জায়েয হবে এবং
মুক্তদীদের উপর ওয়াজিব হচ্ছে তারাও বসে নামায
পূর্ণ করবে। তাদের দলীল হচ্ছে, নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ

ইমাম ও ইমামতি- ১ম পর্ব

ইমাম ও ইমামতি- ১ম পর্ব
লেখক: আব্দুর রাকীব (মাদানী)
সম্পাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী
আল্ হাল হামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিল্লাহ্, আম্মা বাদ:
ইমাম ও ইমামতি ইসলাম ধর্মের এবং মুসলিম সমাজের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রয়োজনীয় বিষয়। একটি দেশ থেকে নিয়ে একটি গ্রাম পর্যন্ত এমনকি একটি পরিবারেও এই পদের প্রয়োজনীয়তা লক্ষণীয়। তাই এই বিষয়টির সম্পর্কে আমাদের সমাজের প্রত্যেক ইমামকে বিশেষ ভাবে এবং অন্যান্য মুসলিমদের সাধারণ ভাবে জ্ঞান রাখা আবশ্যক। উক্ত কারণে বিষয়টির অবতারণা। আল্লাহ যেন সঠিক লেখার এবং তার প্রতি আমল করার তাওফীক দেন। আমীন।
ইমাম শব্দের আভিধানিক অর্থ:

ইমাম ও ইমামতি (পর্ব-২)

ইমাম ও ইমামতি (পর্ব-২)

লেখক: আব্দুর রাকীব মাদানী
দাঈ, দাওয়াহ সেন্টার খাফজী (সউদী আরব)
১-যার অবস্থা অজ্ঞাত, এমন ইমামের পিছনে নামাযঃ
কোথাও অপরিচিত ইমামের পিছনে নামায আদায় করার সময় মুসাল্লীকে ইমামের দ্বীনী অবস্থা সম্পর্কে জানা বা খোঁজ নেওয়া জরূরী নয়; বরং তার বাহ্যিক অবস্থাই গ্রহণীয়। আবুল্ ইয্ শারহু আক্বীদাতিত্ ত্বাহাবিয়ায় বলেনঃ ‘মুক্তাদীর জন্য ইমামের আক্বীদা জানা শর্ত নয় আর না তাকে পরীক্ষা করবে এই বলে যে, তোমার আক্বীদা কি? বরং সে অবস্থা অজ্ঞাত এমন ইমামের পিছনে নামায আদায় করবে’। [শারহুল্ আক্বীদা আত্ ত্বাহাবিয়্যাহ,২/৫৬৮]
সউদী স্থায়ী উলামা পরিষদকে জিজ্ঞাসা করা হয়, যে ব্যক্তি কোন শহরে বা গ্রামে অবস্থান করে, তার উপর জরূরী কি যে, সে নামায আদায়ের পূর্বে তার ইমামের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে?

ইমাম ও ইমামতি-পর্ব (৩)

ইমাম ও ইমামতি-পর্ব (৩)
আব্দুর রাকীব মাদানী
নামাযের পূর্বে ইমামের করণীয়ঃ
১-আযানের পর কিছুক্ষণ বিরতি প্রদানঃ
আযানের পর এবং নামায শুরু করার পূর্বে ইমাম কতক্ষণ বিরতি দিবেন বা অপেক্ষা করবেন, তার কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা সহী হাদীস দ্বারা বর্ণিত নয়। তবে বিভিন্ন হাদীসের আলোকে কিছুক্ষণ বিরতি দেওয়া প্রমাণিত। কারণ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ‘‘প্রত্যেক দুই আযানের মাঝে নামায রয়েছে’’। [বুখারী,নং ৫৮৮] অর্থাৎ আযান ও ইকামতের মাঝে নফল নামায আছে। এমনকি তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাগরিবের ফরয নামাযের পূর্বেও নামায পড়ার আদেশ দেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

ইমাম ও ইমামতি (পর্ব-৪)

ইমাম ও ইমামতি (পর্ব-৪)
আ ব্দু র রা কীব মা দা নী
ইমামতির বিবিধ মাসাইলঃ
১-যে ইমামকে মুসল্লীগণ অপছন্দ করে তার ইমামতি:
এমন ইমাম যাকে মুসাল্লীরা অপছন্দ করে সেই ইমামের ইমামতি করা মাকরূহ। তবে বিদ্বানগণ মনে করেন, অপছন্দের কারণ যেন দ্বীনী কারণ হয়; কোন দুনিয়াবী কারণ না হয়। অনুরূপ অপছন্দকারীর সংখ্যা যেন বেশী হয়, দু-চার জনের অপছন্দ করা যথেষ্ট নয়। [নায়লুল আউত্বার, শাওকানী,৩/২২৫]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “তিন শ্রেণীর লোকের নামায তাদের মাথার উপর থেকে এক বিঘতও উঠানো হয় না (অর্থাৎ তাদের নামায আল্লাহর নিকট কবূল হয় না)।

ইমাম ও ইমামতি (৫ম পর্ব)

ইমাম ও ইমামতি (৫ম পর্ব) আব্দুর রাকীব (মাদানী) মুক্তাদী সংক্রান্ত মাস্আলা-মাসাইলঃ যদিও আমাদের আলোচনা ইমাম ও ইমামতিকে কেন্দ্র করে কিন্তু যেহেতু মুক্তাদী ছাড়া ইমাম ধারণা করা যায় না অর্থাৎ ইমাম ও মুক্তাদী একে অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত তাই এ পর্যায়ে আমরা মুক্তাদীর মাস্আলা- মাসাইল নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। ১-মুক্তাদীগণ নামাযের উদ্দেশ্যে কখন কাতারবদ্ধ হবেন? নামায শুরু হওয়ার সময় ইমাম যদি মসজিদের ভিতরে পূর্ব থেকে অবস্থান না করেন; বরং তাঁর বাসস্থান থেকে এসে ইমামতির স্থানে দাঁড়ায় তবে (নামাযের সময় হয়ে গেলে) মুক্তাদীগণ ইমামকে মসজিদে আসতে দেখলেই নামাযে দাঁড়াবেন এবং মুয়াযযিন ইকামত দিবেন, যদিও এখনও ইমাম তাঁর ইমামতির স্থানে না পৌঁছে থাকেন। আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত,

Thursday, November 16, 2017

এক নামায পড়ার পর অপর নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফযীলত

এক নামায পড়ার পর অপর নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফযীলত


আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি নামাযের অবস্থাতেই থাকে যতক্ষণ নামায তাকে (অন্যান্য কর্ম হতে) আটকে রাখে। তাকে নামায ব্যতীত অন্য কিছু তার পরিবারের নিকট ফিরে যেতে বাধা দেয় না।” (বুখারী ৬৫৯নং, মুসলিম ৬৪৯নং)
বুখারী শরীফের এক বর্ণনায় এরুপ এসেছে, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি নামাযেই থাকে যতক্ষণ নামায তাকে আটকে রাখে। (আগামী নামায পড়ার জন্য অপেক্ষা করে মসজিদেই বসে থাকে।) আর সেই সময় ফিরিশ্‌তাবর্গ বলতে থাকেন,

ইমামের তকবীর পৌছানো

ইমামের তকবীর পৌছানো


ইমামের আওয়াজ ক্ষীণ হলে অথবা জামাআত বড় হলে ইমামের তকবীর সকল মুসল্লী পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে মুক্তাদীর উচ্চস্বরে তকবীর বলা বৈধ।
একদা মহানবী (সাঃ) অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি বসে বসে নামায পড়েন। তাঁর আওয়াজ ছিল ক্ষীণ। হযরত আবূ বাক্‌র (রাঃ) তাঁর তকবীর শুনে তকবীর বলছিলেন এবং লোকেরা আবূ বাকরের তকবীর শুনে তকবীর বলছিল। (বুখারী ৭১২-৭১৩, মুসলিম, সহীহ)
মুক্তাদীদের মধ্যে যে মুবাল্লেগ নির্বাচিত হবে সে ইমামের তকবীর বলার পরই তকবীর বলবে। তাঁর আগে-আগে বা সাথে-সাথে বলবে না। ইমাম ‘সামিআল্লাহু লিমানহামিদাহ্‌’ বললে মুবাল্লেগ ‘রাব্বানা অলাকালহাম্‌দ’ বলবে।
প্রকাশ থাকে যে,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ