Showing posts with label তাহাজ্জুদের সালাত বা রাতের নামাজ. Show all posts
Showing posts with label তাহাজ্জুদের সালাত বা রাতের নামাজ. Show all posts

Wednesday, April 11, 2018

তাহাজ্জুদ নামাযে ভুলক্রমে তৃতীয় রাকাআতের জন্য দাঁড়িয়ে পড়লে করণীয় কি?

(২৭৩) তাহাজ্জুদ নামাযে ভুলক্রমে তৃতীয় রাকাআতের জন্য দাঁড়িয়ে পড়লে করণীয় কি?


স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে বসে পড়বে। অন্যথায় তার নামায বাতিল হয়ে যাবে। কেননা ইচ্ছাকৃতভাবে তার নামায বৃদ্ধি হয়ে গেল। ইমাম আহমাদ বলেছেন, কোন লোক যদি রাতের নফল নামাযে তৃতীয় রাকাআতের জন্য দন্ডায়মান হয়, তবে সে যেন ফজর নামাযে তৃতীয় রাকাতের জন্য দন্ডায়মান হওয়া বৈধ করে নিল। এ অবস্থায় সে যদি না বসে যায় তবে তার ছালাত বাতিল হয়ে যাবে। তবে বিতর নামায এর বিপরীত। যদি নিয়ত করে (দু’সালামে) তিন রাকাত বিতর পড়বে। (অর্থাৎ- দু’রাকাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে এক রাকাআত পড়বে) কিন্তু দু’রাকাত পড়ে না বসে ভুলক্রমে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েছে।

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : তাহাজ্জুদের ছালাত অনিয়মিতভাবে আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (২৩/২৬৩) : তাহাজ্জুদের ছালাত অনিয়মিতভাবে আদায় করা যাবে কি?

-তাসনীমুল হক প্রধান, বগুড়া।
উত্তর : যাবে। তবে নিয়মিত পড়াই উত্তম। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তোমরা রাতের ছালাত ছেড়ে দিয়ো না। কারণ রাসূল (ছাঃ) এ ছালাত ছাড়তেন না। যখন তিনি অসুস্থ বা দুর্বল বোধ করতেন তখন তা বসে আদায় করতেন (আহমাদ হা/২৬১৫৭; আবুদাঊদ হা/১৩০৭, সনদ ছহীহ)।  এছাড়া

Monday, January 29, 2018

তাহাজ্জুদ নামায পড়ার ফযীলত

তাহাজ্জুদ নামায পড়ার ফযীলত
মহান আল্লাহ বলেন,
﴿ ﻭَﻣِﻦَ ﭐﻟَّﻴۡﻞِ ﻓَﺘَﻬَﺠَّﺪۡ ﺑِﻪِۦ ﻧَﺎﻓِﻠَﺔٗ ﻟَّﻚَ ﻋَﺴَﻰٰٓ ﺃَﻥ ﻳَﺒۡﻌَﺜَﻚَ
ﺭَﺑُّﻚَ ﻣَﻘَﺎﻣٗﺎ ﻣَّﺤۡﻤُﻮﺩٗﺍ ٧٩ ﴾ ‏( ﺍﻻﺳﺮﺍﺀ : ٧٩ ‏)
অর্থাৎ রাত্রির কিছু
অংশে তাহাজ্জুদ কায়েম কর;
এটা তোমার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য।
আশা করা যায়, তোমার প্রতিপালক
তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন
প্রশংসিত স্থানে। (সূরা বানী ইসরাইল
৭৯ আয়াত)
তিনি আরও বলেছেন,

তাহাজ্জুদ নামাজ :বান্দাদের প্রতিআল্লাহ পাকের অসাধারণ একটি উপহার

তাহাজ্জুদ নামাজ :বান্দাদের প্রতিআল্লাহ পাকের অসাধারণ একটিউপহার  
তাহাজ্জুদ নামাজ সুন্নাত। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হরহামেশাএ নামাজ নিয়মিতিভাবে পড়তেন এবং সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)কে তা নিয়মিত আদায় করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতেন। পবিত্র কুরআনে তাহাজ্জুদনামাজের জন্য বিশেষভাবে তাকিদ করা হয়েছে । যেহেতু উম্মতকে নবীর অনুসরণকরার হুকুম করা হয়েছে সে জন্যে তাহাজ্জুদের এ তাকীদ পরোক্ষভাবে গোটাউম্মতের জন্য করা হয়েছে।“এবং রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদের নামায পড়তে থাক। এ তোমার জন্যেআল্লাহর অতিরিক্ত ফযল ও করম। শীঘ্রই আল্লাহ তোমাকে উভয় জগতে বাঞ্ছিতমর্যাদায় ভূষিত করবেন” (বনি ইসরাইল :৭৯)যারা নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামায আদায় করে

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে রাতের সালাত বা তাহাজ্জুদ সালাত

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে রাতের সালাত

প্রথম অধ্যায়: তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল
 প্রথম: তাহাজ্জুদের আভিধানিক অর্থ:
আরবিতে বলা হয়: “هجد الرجل” লোকটি রাতে ঘুমিয়েছে। “هجد” রাতে সালাত আদায় করেছে। আর “المتهجِّد” হচ্ছে ঘুম থেকে উঠে সালাতে দণ্ডায়মান ব্যক্তি।[1]
 দ্বিতীয়: তাহাজ্জুদের হুকুম:
তাহাজ্জুদের সালাত সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।[2] কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ইজমা দ্বারা তা প্রমাণিত। আল্লাহ তা‘আলা রহমানের বান্দাদের গুণাগুণ সম্পর্কে বলেন:
﴿ وَٱلَّذِينَ يَبِيتُونَ لِرَبِّهِمۡ سُجَّدٗا وَقِيَٰمٗا ٦٤ ﴾ [الفرقان: ٦٤]
“আর যারা তাদের রবের জন্য সিজদারত ও ‎‎দণ্ডায়মান হয়ে রাত্রি যাপন করে”। [সূরা ফুরকান: (৬৪)]‎ অন্যত্র তিনি মুত্তাকীদের গুণাগুণ আলোচনায় বলেন:

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব কোন কোন কাজে

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব কোন কোন কাজে


 ভূমিকা:
সকল প্রশংসা দু’জাহানের পালনকর্তা আল্লাহ তা’আলার জন্য এবং দরূদ ও সালাম নাযিল হোক সর্বশেষ নবী ও রাসূল, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তার পরিবার ও সাথী এবং সকলের ওপর ।
অতঃপর,
কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ফযিলত আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কোন সন্দেহ নেই। ফরয সালাতের পর এ সালাতের স্থান। এ সালাতের বৈশিষ্ট্য শুধু ব্যক্তির পাপ মোচন করা নয়, বরং পাপে লিপ্ত হওয়া থেকে হিফাযত করা। যেমন আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:

Saturday, November 18, 2017

তাহাজ্জুদ নামাযের কাযা

তাহাজ্জুদ নামাযের কাযা


যে তাহাজ্জুদ-গুযার বান্দার কোন কারণবশত: রাতের ১১ রাকআত নামায ছুটে যায় সে তা দিনে বিশেষ করে চাশতের সময় ১২ রাকআত কাযা করতে পারে।
মহানবী (সাঃ)-এর তাহাজ্জুদ ঘুম বা ব্যথা-বেদনার কারণে ছুটে গেলে দিনে ১২ রাকআত কাযা পড়তেন। (মুসলিম, সহীহ) হযরত উমার বিন খাত্তাব (রাঃ) প্রমুখাৎ বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেছেন,

তাহাজ্জুদের ক্বিরাআত

তাহাজ্জুদের ক্বিরাআত


তাহাজ্জুদ নামাযের ক্বিরাআত লম্বা হওয়া বাঞ্ছনীয়। মহানবী (সাঃ) বলেন, “শ্রেষ্ঠ নামায হল লম্বা কিয়াম।” (আহমাদ, মুসনাদ, মুসলিম,  মিশকাত ৪৬, ৮০০নং)
ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেন, এক রাতে নবী (সাঃ)-এর সাথে নামায পড়লাম। তিনি কিয়াম করতেই থাকলেন, পরিশেষে আমি মন্দ ইচ্ছা করে ফেলেছিলাম। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, সে মন্দ ইচ্ছাটি কি? তিনি বললেন, আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বসে যাব! (বুখারী, মুসলিম, সহীহ)
হুযাইফা বিন ইয়ামান বলেন, এক রাতে নবী (সাঃ)-এর সাথে নামায পড়লাম। তিনি

তাহাজ্জুদের রাকআত-সংখ্যা

তাহাজ্জুদের রাকআত-সংখ্যা


রাতের নামাযের কোন নির্দিষ্ট রাকআত সংখ্যা নেই। এক রাকআত পড়লেও রাতের নামায পড়া হয়। ইবনে আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, মহানবী (সাঃ) তাহাজ্জুদের ব্যাপারে বলেন, “(রাতের নামায) অর্ধ রাত্রি, এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ, উট বা ছাগলের দুধ দোয়াবার সময় একবার দুইয়ে দ্বিতীয়বার দুয়ানোর জন্য যতটুকু বিরতি দেওয়া ততটুক (সামান্য) সময়ও।” (ত্বাবারানী, মু’জাম, তামামুল মিন্নাহ্‌, আলবানী ২৪৮পৃ:)
তবে উত্তম হল

তাহাজ্জুদের সময়

তাহাজ্জুদের সময়


তাহাজ্জুদ নামাযের সময় শুরু হয় এশার নামাযের পর থেকে এবং শেষ হয় ফজর উদয় হওয়ার সাথে সাথে। রাতের প্রথমাংশে, মধ্য রাতে এবং শেষাংশে যে কোন সময়ে তাহাজ্জুদ পড়া যায়। হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আমরা রাতের যে কোন অংশে নবী (সাঃ)-কে নামায পড়তে দেখতে চাইতাম, সেই সময়ই দেখতে পেতাম, তিনি নামায পড়ছেন। আবার রাতের যে কোন অংশে আমরা তাঁকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তখনই আমরা দেখতে পেতাম, তিনি ঘুমিয়ে আছেন।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, নাসাঈ, সুনান, মিশকাত ১২৪১নং)
সুতরাং এ কথা স্পষ্ট যে,

তাহাজ্জুদের বিভিন্ন আদব

তাহাজ্জুদের বিভিন্ন আদব


১। ঘুমাবার আগে তাহাজ্জুদের নিয়ত করে ঘুমাতে হবে। এতে সে শেষ রাত্রে ঘুম থেকে জেগে নামায পড়তে সক্ষম না হলেও তার জন্য তাহাজ্জুদের সওয়াব লিখা হবে।
হযরত আবু দারদা (রাঃ) নবী (সাঃ) এর নিকট হতে বর্ণনা করে বলেন, তিনি বলেছেন, “রাত্রে উঠে তাহাজ্জুদ পড়বে এই নিয়ত (সংকল্প) করে যে ব্যক্তি নিজ বিছানায় আশ্রয় নেয়, অতঃপর তার চক্ষুদ্বয় তাকে নিদ্রাভিভূত করে ফেলে এবং যদি এই অবস্থাতেই তার ফজর হয়ে যায় তবে তার আমলনামায় তাই লিপিবদ্ধ হয় যার সে নিয়ত (সংকল্প) করেছিল। আর তার ঐ নিদaf তার প্রতিপালকের তরফ হতে সদকাহ্‌ (দান) রুপে প্রদত্ত হয়।” (নাসাঈ, ইবনে মাজাহ্‌, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ তারগীব ৫৯৮নং)
২। ঘুম থেকে উঠে, চোখ মুছে দাঁতন করা এবং সূরা আলে ইমরানের শেষের ১০ আয়াত পাঠ করা সুন্নত। (বুখারী ১৮৩নং, মুসলিম, সহীহ)
৩। ওযূ করার পর হাল্কা দুই রাকআত পড়ে তাহাজ্জুদের নামায শুরু করা কর্তব্য। মহানবী (সাঃ) বলেন, “তোমাদের কেউ (তাহাজ্জুদের জন্য) রাত্রে উঠলে সে যেন তার নামায হাল্কা দুই রাকআত দিয়ে শুরু করে।” (মুসলিম, সহীহ)
৪। তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য নিজের স্ত্রীকে জাগানো মুস্তাহাব। এর জন্য

তাহাজ্জুদ নামাযের গুরুত্ব ও ফজিলত

এই নামাযের মাহাত্ম


এই নামাযের কথা উল্লেখ করত: মহান আল্লাহ তাঁর রসূল মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে সম্বোধন করে বলেন,
(وَمِنَ اللَّيْلِ فَتَهَجَّدْ بِهِ نَافِلَةً لَّكَ، عَسَى أَنْ يَّبْعَثَكَ رَبُّكَ مَقَاماً مَّحْمُوْداً)
অর্থাৎ, রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ নামায পড়; এ তোমার জন্য একটি অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে মাকামে মাহ্‌মূদে (প্রশংসিত স্থানে) প্রতিষ্ঠিত করবেন। (কুরআন মাজীদ ১৭/৭৯)
“হে বস্ত্র আচ্ছাদনকারী (নবী)! উপাসনার জন্য রাত্রিতে উঠ (জাগরণ কর); রাত্রির কিছু অংশ বাদ দিয়ে; অর্ধরাত্রি অথবা তদপেক্ষা অল্প। অথবা তদপেক্ষা বেশী। কুরআন তেলাওয়াত কর ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে। আমি তোমার উপর অবতীর্ণ করেছি গুরুত্বপূর্ণ বাণী। ইবাদতের জন্য রাত্রি জাগরণ গভীর অভিনিবেশ ও হৃদয়ঙ্গম করার পক্ষে অতিশয় অনুকূল।” (কুরআন মাজীদ ৭৩/১-৫)
“রাত্রিতে তাঁর প্রতি সিজদাবনত হও এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।” (কুরআন মাজীদ ৭৬/২৬)
এ সম্বোধন মহানবীর জন্য হলেও তাঁর অনুসরণ করতে মুসলিম উম্মাহ্‌ অনুপ্রাণিত হয়েছে।
যাঁরা তাহাজ্জুদ পড়েন, তাঁরা অবশ্যই সৎলোক, মহান আল্লাহর কৃপা ও অনুগ্রহের অধিকারী। মহান আল্লাহ বলেন,

তাহাজ্জুদ নামায

তাহাজ্জুদ নামায


রাতের নিঃঝুম পরিবেশে যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকে, নিদ্রার আবেশে মানুষ যখন মহান সৃষ্টিকর্তা ও প্রতিপালকের কথা বিস্মৃত হয়, সেই সময় আল্লাহর কিছু খাস বান্দা নিদ্রা, আরাম-আয়েশ ও স্ত্রীর শয্যা ত্যাগ করে আল্লাহকে বিশেষভাবে স্মরণ করার জন্য, তাঁর সাথে মুনাজাতে নিমগ্ন হওয়ার জন্য উঠে ওযূ করে তাহাজ্জুদ পড়েন। আল্লাহর ক্ষমা লাভ করতে প্রয়াস পান। চেয়ে নেন

Tuesday, October 24, 2017

অনেক সময় একাকী নামায পড়তে হলে ইকামত দেওয়া এবং রাতের নামায সশব্দে পড়া জরুরী কি?

অনেক সময় একাকী নামায পড়তে হলে ইকামত দেওয়া এবং রাতের নামায সশব্দে পড়া জরুরী কি?

একাকী নামাযীদের জন্য ইকামত দেওয়া এবং রাতের নামায সশব্দে পড়া জরুরী নয়। এ কেবল জামাআতের জন্য জরুরী। ১৯৭

১৯৭ (ইবনে জিবরীন)

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ