Showing posts with label গর্ব- দাম্ভিকতা ও আত্মঅহঙ্কার. Show all posts
Showing posts with label গর্ব- দাম্ভিকতা ও আত্মঅহঙ্কার. Show all posts

Wednesday, January 17, 2018

অল্পে তুষ্ট হওয়া এবং প্রবৃত্তির দাসত্ব বর্জন করার মাহাত্ম্য

 অল্পে তুষ্ট হওয়া এবং প্রবৃত্তির দাসত্ব বর্জন করার মাহাত্ম্য

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿۞فَخَلَفَ مِنۢ بَعۡدِهِمۡ خَلۡفٌ أَضَاعُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَٱتَّبَعُواْ ٱلشَّهَوَٰتِۖ فَسَوۡفَ يَلۡقَوۡنَ غَيًّا ٥٩ إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ يَدۡخُلُونَ ٱلۡجَنَّةَ وَلَا يُظۡلَمُونَ شَيۡ‍ٔٗا ٦٠ ﴾ [مريم: ٥٩،  ٦٠]
অর্থাৎ “তাদের পর এল অপদার্থ পরবর্তীগণ, তারা নামায নষ্ট করল ও প্রবৃত্তিপরায়ণ হল; সুতরাং তারা অচিরেই অমঙ্গল প্রত্যক্ষ করবে। কিন্তু তারা নয় যারা তাওবা করেছে, ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে; তারা তো জান্নাতে প্রবেশ করবে; আর তাদের প্রতি কোন যুলুম করা হবে না।” (সূরা মারয়্যাম ৫৯-৬০ আয়াত)
তিনি আরো বলেন,
অর্থাৎ “কারূন তার সম্প্রদায়ের সম্মুখে জাঁকজমক সহকারে বাহির হল। যারা পার্থিব জীবন কামনা করত তারা বলল, আহা! কারূনকে যা দেওয়া হয়েছে সেরূপ যদি আমাদেরও থাকত; প্রকৃতই সে মহা ভাগ্যবান। আর যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছিল তারা বলল, ধিক্ তোমাদের! যারা বিশ্বাস করে ও সৎকাজ করে, তাদের জন্য আল্লাহর পুরস্কারই শ্রেষ্ঠ। আর ধৈর্যশীল ব্যতীত তা অন্য কেউ পায় না।” (সূরা কাস্বাস ৭৯-৮০ আয়াত)
আরো অন্য জায়গায় তিনি বলেছেন,

Monday, November 13, 2017

কবীরা গুনাহঃ ১৬৪. বংশ নিয়ে অন্যের সাথে গর্ব করা

১৬৪. বংশ নিয়ে অন্যের সাথে গর্ব করা


বংশ নিয়ে অন্যের সাথে গর্ব করা হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আবূ মালিক আশ্‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
أَرْبَعٌ فِيْ أُمَّتِيْ مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ، لَا يَتْرُكُوْنَهُنَّ: الْفَخْـرُ فِيْ الْأَحْسَابِ، وَالطَّعْنُ فِيْ الْأَنْسَابِ، وَالاسْتِسْقَاءُ بِالنُّجُوْمِ، وَالنِّيَاحَةُ.
‘‘আমার উম্মতের মাঝে জাহিলী যুগের চারটি কাজ চালু থাকবে। তারা তা কখনোই ছাড়বে না। বংশ নিয়ে গৌরব, অন্যের বংশে আঘাত, কোন কোন নক্ষত্রের উদয়াস্তের কারণে বৃষ্টি হয় বলে বিশ্বাস এবং বিলাপ’’। (মুসলিম ৯৩৪ ’হা-কিম : ১/৩৮৩ ত্বাবারানি/কাবীর, হাদীস ৩৪২৫, ৩৪২৬ বায়হাক্বী: ৪/৬৩; বাগাওয়ী ১৫৩৩ ইব্নু আবী শাইবাহ্ : ৩/৩৯০; আহমাদ : ৫/৩৪২, ৩৪৩, ৩৪৪ ‘আব্দুর রায্যাক : ৩/৬৬৮৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবীরা গুনাহঃ ১৫০. মানুষকে দেখানো অথবা গর্ব করার জন্য ঘোড়ার প্রতিপালন

১৫০. মানুষকে দেখানো অথবা গর্ব করার জন্য ঘোড়ার প্রতিপালন


মানুষকে দেখানো অথবা গর্ব করার জন্য ঘোড়ার প্রতিপালন হারাম ও কবীরা গুনাহ্।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
الْـخَيْلُ لِثَلَاثَةٍ: لِرَجُلٍ أَجْرٌ وَلِرَجُلٍ سِتْرٌ وَعَلَى رَجُلٍ وِزْرٌ، فَأَمَّا الَّذِيْ لَهُ أَجْرٌ: فَرَجُلٌ رَبَطَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ.. وَرَجُلٌ رَبَطَهَا تَغَنِّيًا وَتَعَفُّفًا وَلَمْ يَنْسَ حَقَّ اللهِ فِيْ رِقَابِهَا وَلَا ظُهُوْرِهَا فَهِيَ لَهُ سِتْرٌ، وَرَجُلٌ رَبَطَهَا فَخْرًا وَرِيَاءً فَهِيَ عَلَى ذَلِكَ وِزْرٌ.
‘‘ঘোড়া তিন জাতীয় মানুষের জন্য। কারোর জন্য তা সাওয়াব কামানোর মাধ্যম হবে। আবার কারোর জন্য তা নিজ সম্মান রক্ষা করার মাধ্যম হবে। আবার কারোর জন্য তা গুনাহ্’র কারণ হবে। যার জন্য তা সাওয়াব কামানোর মাধ্যম হবে সে ওই ব্যক্তি যে ঘোড়াটিকে আল্লাহ্’র রাস্তায় জিহাদের জন্য প্রতিপালন করছে। ... দ্বিতীয় ব্যক্তি হচ্ছে সে যে ঘোড়াটিকে সচ্ছলতা ও আরেক জনের নিকট হাত পাতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রতিপালন করছে। আর সে এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা‘আলার অধিকারসমূহ ভুলে যায়নি। তা হলে তা তার জন্য সম্মান রক্ষার মাধ্যম হবে। আরেকজন ঘোড়াটিকে লোক দেখানো এবং গর্ব করার জন্য প্রতিপালন করছে। তা হলে তা তার জন্য গুনাহ্’র কারণ হবে’’। (বুখারী ৭৩৫৬; মুসলিম ৯৮৭)

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৮০. কোন মু’মিন বা মুসলিম ব্যক্তি অহঙ্কারকারী কৃপণ অথবা কঠিন হৃদয় সম্পন্ন হওয়া

৮০. কোন মু’মিন বা মুসলিম ব্যক্তি অহঙ্কারকারী কৃপণ অথবা কঠিন হৃদয় সম্পন্ন হওয়া


কোন মু’মিন বা মুসলিম ব্যক্তি অহঙ্কারকারী কৃপণ অথবা কঠিন হৃদয় সম্পন্ন হওয়া আরেকটি কবীরা গুনাহ্ ও হারাম।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
 لَا يَدْخُلُ الْـجَنَّةَ الْـجَوَّاظُ وَالْـجَعْظَرِيُّ.
‘‘অহঙ্কারকারী কৃপণ ও কঠিন হৃদয় সম্পন্ন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না’’।  (স’হীহুল্ জামি’, হাদীস ৪৫১৯)


Thursday, November 9, 2017

অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ : অহংকার

অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ : অহংকার

অহংকার বা কিবিরের সংজ্ঞা
কিবিরের আভিধানিক অর্থ:
আল্লামা ইবনে ফারেছ রহ. বলেন, কিবির অর্থ: বড়ত্ব, বড়াই, অহংকার ইত্যাদি। অনুরূপভাবে الكبرياء অর্থও বড়ত্ব, বড়াই, অহংকার। প্রবাদে আছে:
ورثوا المجد كابرًا عن كابر.
অর্থাৎ, ইজ্জত সম্মানের দিক দিয়ে যিনি বড়, তিনি তার মত সম্মানীদের থেকে সম্মানের উত্তরসূরি বা উত্তরাধিকারী হন।
আর আল্লামা ইবনু মানযূর উল্লেখ করেন, الكِبْر শব্দটিতে কাফটি যের বিশিষ্ট। এর অর্থ হল, বড়ত্ব, অহংকার ও দাম্ভিক।
আবার কেউ কেউ বলেন, তাকাব্বারা শব্দটি কিবির হতে নির্গত। আর تَكابَر من السن শব্দটি দ্বারা বার্ধক্য বুঝায়। আর তাকাব্বুর ও ইস্তেকবার শব্দটির অর্থ হল, বড়ত্ব, দাম্ভিক ও অহমিকা।[1]
ইসলামী পরিভাষায় কিবিরের সংজ্ঞা:
রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] নিজেই স্বীয় হাদিসে কিবিরের সংজ্ঞা বর্ণনা করেন।
অর্থ, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ রা. হতে বর্ণিত, রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলেন,

Wednesday, November 8, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৩১. কারোর বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা

৩১. কারোর বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা


কারোর বংশ মর্যাদা হানি করাও কবীরা গুনাহ্সমূহের অন্যতম। যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাষায় কুফরি বলে আখ্যায়িত।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

কবিরা গুনাহঃ ২০. গর্ব, দাম্ভিকতা ও আত্মঅহঙ্কার

২০. গর্ব, দাম্ভিকতা ও আত্মঅহঙ্কার


গর্ব, দাম্ভিকতা, অহঙ্কার ও অহংবোধ একটি মারাত্মক অপরাধ। যা আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট খুবই অপছন্দনীয় এবং যা আল্লাহ্ তা‘আলার বিশেষ অসন্তুষ্টি ও জান্নাত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণও বটে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْـمُسْتَكْبِرِيْنَ»
‘‘নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) অহংকারীদেরকে ভালোবাসেন না’’। (না’হ্ল : ২৩)
আব্দুল্লাহ্ বিন্ ’উমর (রাযিয়াল্লাহু আন্হুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ