Showing posts with label সুদ-ব্যাংক. Show all posts
Showing posts with label সুদ-ব্যাংক. Show all posts

Sunday, November 12, 2017

কবীরা গুনাহঃ ৯৯. কারোর জন্য অন্যের কাছে কোন ব্যাপারে সুপারিশ করে তার থেকে কোন উপঢৌকন গ্রহণ করা।

৯৯. কারোর জন্য অন্যের কাছে কোন ব্যাপারে সুপারিশ করে তার থেকে কোন উপঢৌকন গ্রহণ করা


কারোর জন্য অন্যের কাছে কোন ব্যাপারে সুপারিশ করে তার থেকে কোন উপঢৌকন গ্রহণ করা আরেকটি কবীরা গুনাহ্ ও হারাম।
আবূ উমামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
مَنْ شَفَعَ لِأَخِيْهِ بِشَفَاعَةٍ فَأَهْدَي لَهُ هَدِيَّةً عَلَيْهَا، فَقَبِلَهَا مِنْهُ، فَقَدْ أَتَى بَابًا عَظِيْمًا مِنْ أَبْوَابِ الرِّبَا.
‘‘কেউ নিজ কোন মুসলিম ভাইয়ের জন্য অন্যের নিকট কোন ব্যাপারে সুপারিশ করলে সে যদি তাকে এ জন্য কোন উপঢৌকন দেয় এবং উক্ত ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তা হলে সে যেন সুদের এক বিরাট দরোজায় ঢুকে পড়লো’’। (আবূ দাউদ ৩৫৪১)
বর্তমান যুগে তো এমন অনেক লোকই পাওয়া যায় যার আয়ের অধিকাংশই এ জাতীয়। তার অবশ্যই এ কথা জানা দরকার যে,

Thursday, November 9, 2017

ডিজিটাল পদ্ধতিতে সুদখাওয়া কি বৈধ?

<<<<<ডিজিটাল পদ্ধতিতে সুদখাওয়া কি বৈধ?>>>>>======================বাংলাদেশকে যেমন ডিজিটাল করা হচ্ছে, ঠিক তেমনই কিছু সুদি মহল সুদকে ডিজিটাল শব্দব্যবহার করে সমাজে নারীর ইজ্জত লুন্ঠন আর জাহান্নামে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।★কিছু লোক # মাল্টিপারপাছনামে সুদি কারবার করছে আর সেটাকে হালাল মনে করছে যাখুবই নিকৃষ্ট কাজ।আরেকটি ডিজিটাল সুদের নামহলো #কিস্তি , যার প্রভাব এত ভয়ানক ভাবে বিস্তার করেছে যেমনে হয় ডিজিটাল বাংলাদেশে আনুমানিক বেশির ভাগ মানুষ এই ডিজিটাল সুদে জর্জরিতহয়ে পরেছে। এই সুদ নেওয়া দেওয়ার প্রক্রিয়া এমন হচ্ছে যে যদি সময় মত কিস্তি না দিতে পারে, তাহলে

সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব কুরআন-হাদিসের আলোকে

কুরআন-হাদিসের আলোকে সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব

সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব
প্রথম পর্ব : প্রাক ইসলামি যুগে সুদ। এ পর্বে রয়েছে তিনটি অধ্যায়। যথা-
প্রথম অধ্যায় : রিবা বা সুদের শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ।
দ্বিতীয় অধ্যায় : ইহুদি ধর্মে সুদ।
তৃতীয় অধ্যায় : জাহিলি যুগে সুদ।
দ্বিতীয় পর্ব : ইসলাম ধর্মে সুদের অবস্থান। এ পর্বে রয়েছে চারটি অধ্যায়। যথা-
প্রথম অধ্যায় : সুদ সম্পর্কে সতর্কিকরণ।
দ্বিতীয় অধ্যায় : রিবায়ে ফযল- (ক) রিবায়ে ফযল সম্পর্কে বর্ণিত কয়েকটি বক্তব্য। (খ) এর বিধান এবং রিবার সকল প্রকার। এবং (গ) রিবা হারাম হওয়ার কারণ ও হিকমত।
তৃতীয় অধ্যায় : রিবায়ে নাসিয়া। (ক) সংজ্ঞা (খ) রিবায়ে নাসিয়া সম্পর্কে বর্ণিত কয়েকটি বক্তব্য।
চতুর্থ অধ্যায় : বাইয়ে ইনা। (ক) সংজ্ঞা (খ) এর বিধান এবং তার নিন্দায় বর্ণিত কয়েকটি উদ্ধৃতি।
তৃতীয় পর্ব : যে সব ক্ষেত্রে কম-বেশি করা বা বাকি দেয়া জায়িয আছে। এ পর্বে রয়েছে তিনটি অধ্যায়। যথা-

Sunday, November 5, 2017

কবিরা গুনাহঃ ৪-সুদ

৪. সুদ


সুদ খাওয়া মারাত্মক অপরাধ। এ জন্যই তো আল্লাহ্ তা‘আলা সুদখোরের সাথে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। যা অন্য কোন পাপীর সাথে দেননি।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«يَآ أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا اتَّقُوْا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِيْنَ، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوْا فَأْذَنُوْا بِحَرْبٍ مِّنَ اللهِ وَرَسُوْلِهِ»
‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করো এবং সুদের যা অবশিষ্ট রয়েছে তা বর্জন করো যদি তোমরা মু’মিন হওয়ার দাবি করে থাকো। আর যদি তোমরা তা না করো তাহলে আল্লাহ্ তা‘আলা ও তদীয় রাসূলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্ত্তত হয়ে যাও’’। (বাক্বারাহ্ : ২৭৮-২৭৯)
অর্থনৈতিক মন্দাভাব, ঋণ পরিশোধে অক্ষমতা, অকর্মের সংখ্যাবৃদ্ধি,

Tuesday, October 24, 2017

আমার বেতন মাসিক ত্রিশ হাজার টাকা। আমার নিসাব পরিমাণ টাকা ব্যাংকে আছে। আমি কি প্রত্যেক মাসের বেতনের টাকার যাকাত প্রত্যেক মাসেই বের করব?

আমার বেতন মাসিক ত্রিশ হাজার টাকা। আমার নিসাব পরিমাণ টাকা ব্যাংকে আছে। আমি কি প্রত্যেক মাসের বেতনের টাকার যাকাত প্রত্যেক মাসেই বের করব?


যে নিসাব পরিমাণ টাকা যে মাসে হাতে এসেছে, সেই টাকা বছর ঘুরলে সেই মাসের যাকাত আগাম দেওয়া হয়, তাহলে তা উত্তম। সুতরাং সাড়া বছরের মধ্যেজদি বরকতময় রমযান মাসকে যাকাত আদায়ের জন্য নির্ধারিত করা হয় এবং শাবান মাসের বেতনের যাকাতও সব টাকার সাথে মিলিয়ে আদায় করে দেওয়া হয়, তাহলে সমস্যা এড়ানো যাবে। আল্লাহ্‌র পথে দু’টাকা  বেশি যাক, তা ভাল। কিন্তু কম যেন না হয়।

ব্যাংক বা কোম্পানির শেয়ারে কি যাকাত আছে? ভাড়ায় দেওয়ার জন্য একাধিক গাড়ি আছে। তাতে কি যাকাত আছে?

ব্যাংক বা কোম্পানির শেয়ারে কি যাকাত আছে?


পণ্যদ্রব্যের মতোই ফি-বছর তাঁর যাকাত আছে। ২৩৬ (লাজনাহ দায়েমাহ)

ভাড়ায় দেওয়ার জন্য একাধিক গাড়ি আছে। তাতে কি যাকাত আছে?


তাতে যাকাত নেই। ভাড়ার টাকাসহ অন্য টাকা নিসাব পরিমাণ পৌছলে ফি-বছর তাতে যাকাত আছে। ২৩৪(লাজনাহ দায়েমাহ)

ব্যাংকে ডিপোজিট ও জমা রাখা টাকার যাকাত দিতে হবে কি?

ব্যাংকে ডিপোজিট ও জমা রাখা টাকার যাকাত দিতে হবে কি?


ব্যাংকে জমা রাখা টাকা আমানত; তা যে কোন সময় তোলা যায়। অতএব তা নিসাব পরিমাণ হলে এবং বছর ঘুরলে ঋণদাতাকে সে টাকার বাৎসরিক যাকাত আদায় করতে হবে। তদনুরূপ কোন ব্যক্তি বিশেষের কাছে রাখা আমানতের টাকা; যা চাইবা মাত্র পাওয়া যাবে তারও যাকাত বাৎসরিক আদায় করা ফরয।
প্রকাশ থাকে যে, ব্যাংকের সূদ হারাম। অতএব সে সূদে যাকাতও নেই।

Monday, October 16, 2017

ব্যাংকিং সোর্স প্রয়োগ করা কি ঘুসের মতো? যাকাতের মাল কি কোন মিসকীনকে হজ্জ করার জন্য দেওয়া যায়?

ব্যাংকিং সোর্স প্রয়োগ করা কি ঘুসের মতো?


ব্যাংকিং সোর্স প্রয়োগ করার ফলে যদি অন্যের হক নষ্ট করে নিজের জন্য আদায় করা হয়, তাহলে কোন যোগ্যতর লোককে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে তা হারাম। কিন্তু যদি তাতে কার হক নষ্ট না হয়, তাহলে তা বৈধ সুপারিশের পর্যায়ভুক্ত। (লাজনাহ দায়েমাহ)
আবু মুসা আশআরী (রাঃ) বলেন, যখন নবী (সঃ) এর নিকটে  কোন ব্যক্তি প্রয়োজনে আসতো, তখন তিনি তার সঙ্গীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলতেন , “(এর জন্য)  তোমরা সুপারিশ কর, তোমাদেরকে প্রতিদান দেওয়া হবে। আর আল্লাহ তায়ালা তার নবীর জবানে যা পছন্দ করেন, তা ফয়সালা করে দেন।” (বুখারি, মুসলিম)

যাকাতের মাল কি কোন মিসকীনকে হজ্জ করার জন্য দেওয়া যায়?


যাকাতের মাল কোন মিসকীনকে হজ্জ করার জন্য দেওয়া যায়। যেহেতু হজ্জ ‘সাবীলিল্লাহ’র পর্যায়ভুক্ত। ২৩৯ (আলবানী)

ব্যাংকের সুদ হারাম। কিন্তু তা কি ব্যাংকেই ছেড়ে দেব, নাকি তুলে নিয়ে কোন কাজে লাগাব? অন্যান্য হারাম মাল থেকে হালাল মালকে পবিত্র করার উপায় কি?

ব্যাংকের সুদ হারাম। কিন্তু তা কি ব্যাংকেই ছেড়ে দেব, নাকি তুলে নিয়ে কোন কাজে লাগাব? অন্যান্য হারাম মাল থেকে হালাল মালকে পবিত্র করার উপায় কি?


ব্যাংকের সুদ ব্যাংকে ছেড়ে দিলে তা অবৈধ পথে অথবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যয় হতে পারে। সুতরাং তা তুলে নিয়ে নিঃস্ব মানুষদের মাঝে সওয়াবের নিয়ত না রেখে বিতরণ করে দেওয়া কোন জনকল্যাণমূলক কর্মে ব্যয় করা যায়। হারাম উপায়ে উপার্জিত মাল ও তওবার পরে উক্তরূপে ব্যয় করা যায়। ( ইবনে জিবরীন)


ব্যাংকের শেয়ার ক্রয় বিক্রয় বৈধ কি?


কারবারের শেয়ার হলে বৈধ নয়। যেহেতু ইসলামে সুদ বৈধ নয়। (ইবনে জিবরীন)

সূদী ব্যাংকে টাকা রাখা বৈধ কি?


কোন সুদী ব্যাংকে টাকা রাখা বৈধ নয়। বরং সুদী ব্যাঙ্কের মাধ্যমে কোন কারবারই বৈধ নয়। যেহেতু মহান আল্লাহ বলেন,
“সৎ কাজ ও আত্নসংযমে তোমরা পরস্পর সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘনের  কাজে একে অন্যের সাহায্য করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তিদানে অত্যন্ত কঠোর।”  (মায়িদাহঃ ২)
কিন্তু ইসলামী ব্যাংক না থাকলে মানুষ টাকার হিফাজতের জন্য রাখতে বাধ্য হলে সে কথা ভিন্ন।

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ