Showing posts with label ব্যাংকের সুদ কি হালাল- শাইখ মুশ্তাক আহমাদ কারীমী. Show all posts
Showing posts with label ব্যাংকের সুদ কি হালাল- শাইখ মুশ্তাক আহমাদ কারীমী. Show all posts

Sunday, December 3, 2017

ব্যাংকের সুদ কি হালালঃ ইলাহী ও নববী বিধান

ইলাহী ও নববী বিধান


ইলাহী বিধান ঃ

﴿الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبا لا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبا وَأَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبا﴾

অর্থাৎ, যারা সুদ খায় তারা (কিয়ামতের দিন) সেই অবস্থায় উঠবে যে অবস্থা হয় একজন শয়তান (জিন) পাওয়া লোকের। তাদের উক্তরূপ হাশর হওয়ার কারণ এই যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতই! অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম।[1]

ব্যাংকের সুদ কি হালালঃ অনুবাদকের কথা

অনুবাদকের কথা


চকচক করলেই সোনা হয় না। সোনা চেনা দায়। সোনা চিনতে কষ্টিপাথর কিনে তাতেও যদি ভেজাল থাকে তাহলে আরো বড় দায়। কুরআন-হাদীসের কষ্টিপাথরে ভুল বুঝ ও ব্যাখ্যার ভেজাল থাকলে সত্যই যে সংকটাবর্তের সৃষ্টি হয় তা ফিৎনা ছাড়া আর কি? ব্যবসা মাত্রেই হালাল নয়। হারাম বস্ত্তর ব্যবসা, হারাম মিশ্রিত বা সন্দিগ্ধ ব্যবসা তথা হারাম উপায়ে ব্যবসা অবশ্যই হারাম। আর যা হারাম তার সহায়তা করাও হারাম।
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

ব্যাংকের সুদ কি হালালঃ ভূমিকা

ভূমিকা


إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمداً عبده ورسوله، أما بعد :

ইসলাম বিশ্বজনীন ও কালজয়ী ধর্ম। এর আহকাম ও নির্দেশাবলী ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ। ইসলাম শান্তি, সন্ধি ও নিরাপত্তার ধর্ম। ইসলাম ভ্রাতৃত্ববোধ সম্প্রীতি, মিলন, সহানুভূতি ও সমবেদনার ধর্ম। ইসলাম উন্নয়ন ও বদান্যতার ধর্ম। যার আহকাম ও নীতিমালায় রয়েছে সরলতা ও উদারতা।
 সঙ্কীর্ণতা, কঠিনতা, জটীলতা ও কষ্ট-সমষ্টির নাম ইসলাম নয়। সভ্যতা ও সংস্কৃতির কোন কোণকেই ইসলাম তার অনুসারীদের বিবেকে অগ্রহণযোগ্য বিবেচনা করে না। বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য এবং

সুদের অবৈধতা

সূদের অবৈধতা


আল্লাহ তাআলা সুদকে সর্বতোভাবে কঠোররূপে হারাম গণ্য করেছেন এবং সুদখোরদের বিরুদ্ধে তিনি ও তাঁর রসূলের তরফ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করে মানবজাতিকে ভীতিপ্রদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন:

﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ (278) فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللهِ وَرَسُولِهِ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُؤُوسُ أَمْوَالِكُمْ لا تَظْلِمُونَ وَلا تُظْلَمُونَ﴾

অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (লোকদের নিকট) তোমাদের সুদের যা বকেয়া আছে, তা ছেড়ে দাও--- যদি তোমরা ঈমানদার হও। আর যদি তোমরা এরূপ না কর (সুদ না ছাড়) তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা কবুল করে নাও। কিন্তু

সুদখোরের নিন্দাবাদ কুরআন ও হাদিসে

সুদখোরের নিন্দাবাদ


আল্লাহ তাআলা বলেন:

﴿الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبا لا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبا وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا﴾

অর্থাৎ, যারা সুদ খায় তারা (কিয়ামতের দিন) সেই অবস্থায় উঠবে যে অবস্থা হয় একজন শয়তান (জিবন) পাওয়া লোকের। তাদের উক্তরূপ হাশর হওয়ার কারণ এই যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতই! অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম। (সূরা বাক্বারাহ ২৭৫ আয়াত)
হযরত জাবের রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,

‘সূদ’ বা সুদ এর সংজ্ঞার্থ

‘সূদ’ এর সংজ্ঞার্থ


কুরআন ও হাদীসের পরিভাষায় সুদকে (ربا) ‘রিবা’ বলা হয়। এই শব্দের মূল ধাতু হল (ر ب و ) যার আভিধানিক অর্থ হল, বাড়, বৃদ্ধি, আধিক্য, স্ফীতি প্রভৃতি।  رَبَاঅর্থাৎ বেড়েছে বা বৃদ্ধি পেয়েছে। ربا السويق অর্থাৎ ছাতু ঘোলার পর ফেঁপে উঠেছে। ربا في حجره অর্থাৎ সে তার কোলে প্রতিপালিত (বড়) হয়েছে। أربى الشيء সে জিনিসটাকে বাড়িয়েছে ইত্যাদি অর্থ অভিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
 কুরআন মাজীদেও উক্ত শব্দ ‘বৃদ্ধি’র অর্থে ব্যবহূত হয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:

জাহেলিয়াতের সুদ

জাহেলিয়াতের সুদ


এবারে আসুন, আমরা দেখি, জাহেলিয়াতের সুদ কেমন ছিল; যে সুদের অবৈধতার উপর কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে এবং যে ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা।
 জাহেলিয়াতের যুগে কারবারের যে পদ্ধতিকে ‘রিবা’ বা সুদ বলা হত তার বিভিন্ন ধরন একাধিক বর্ণনায় পাওয়া যায়।
 কারবারের একটি ধরন এরূপ ছিল;
হযরত কাতাদাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন,

ব্যবসা এবং সুদের মধ্যে পার্থক্য

ব্যবসা এবং সুদের মধ্যে পার্থক্য


ব্যবসা বা ক্রয়-বিক্রয় এই যে, বিক্রেতা কোন জিনিসকে বিক্রয় করার জন্য পেশ করে। বিক্রেতা ও ক্রেতার মাঝে সেই জিনিসের দাম কত তা নির্দিষ্ট ও নিষ্পত্তি হয়। অতঃপর সেই দাম বা মূল্যের বিনিময়ে ক্রেতা সেই জিনিসটাকে বিক্রেতার নিকট থেকে গ্রহণ করে।
 পক্ষান্তরে সুদ এই যে, কোন ব্যক্তি তার মূলধন কোন অপর এক ব্যক্তিকে ধার দেয় এবং এই শর্ত আরোপ করে যে, ‘এত সময়ের মধ্যে আসলের উপর এত টাকা বেশী নেব।’ আসল টাকা ছাড়া এ বাড়তি টাকার নামই হল সুদ। যা কোন জিনিসের মূল্য নয় বরং তা হল কেবল (ঋণ গ্রহীতাকে তার ঋণ পরিশোধে) কিছু সময় ও অবকাশ দেওয়ার বিনিময়।
 অতএব ব্যবসা এবং সুদ এই উভয় প্রকার লেন-দেন নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনার পর নিম্নোক্ত পার্থক্য পরিদৃষ্ট হয়ঃ-

সুদ ও ভাড়া বা মজুরীর মাঝে পার্থক্য

সুদ ও ভাড়া বা মজুরীর মাঝে পার্থক্য


আমরা প্রথমেই একথা আলোচনা করেছি যে, সুদ অতিরিক্ত ও বাড়তি কিছুর নাম। পক্ষান্তরে মজুরীর আভিধানিক অর্থ হল ‘সেবার বিনিময়ে দেয় পরিবর্ত বা অর্থ।’ আর ভাড়া বলে (সাময়িক ব্যবহারের বিনিময়ে নির্দিষ্ট কালান্তরে দেয় অর্থ। অর্থাৎ) সেই নির্দিষ্ট মুনাফার মূল্যকে ভাড়া বলা হয়, যার উপর উভয়পক্ষ (ভাড়াদাতা ও গ্রহীতা) আপোসে চুক্তি করে নেয়। বুঝা গেল যে, মজুরী বা ভাড়া এবং মুনাফা (উপকার লাভ) এর মাঝে রয়েছে ঘনিষ্ট সম্পর্ক। আল্লামা ইবনে কুদামা (রাহিমাহুল্লাহু) বলেন, ‘ইজারাহ’ ‘আজ্র’ মূলধাতু থেকে উৎপত্তি। যার অর্থ হল বিনিময় বা পরিবর্ত। এই অর্থেই সওয়াব বা নেকীকে ‘আজ্র’ বলা হয়। যেহেতু আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর আনুগত্যের বিনিময়ে বদলা বা মজুরী দান করেন।
 এ থেকে পরিষ্কার হল যে,

আমানত ও গচ্ছিত ধন

আমানত ও গচ্ছিত ধন


ফিক্হবিদগণ إيداع ‘ঈদা’ শব্দের সংজ্ঞা এরূপ করেছেন,

تسليط الغير على حفظ ماله.

অর্থাৎ নিজের মাল হিফাযতে রাখার উদ্দেশ্যে অপরকে ভারার্পণ করা।
 আর وديعة (আমানত) সেই মালকে বলা হয় যা আমানতদারের নিকট (গচ্ছিত) রাখা হয়। বর্তমান কালের ব্যাংকে ডিপোজিট্ রাখা টাকা শরয়ী অর্থে আমানত এই হিসাবে বলা হয় যে, ব্যাংকে টাকা জমাকর্তা এই উদ্দেশ্যে জমা করে, যাতে তার টাকা হিফাযতে থাকে এবং প্রয়োজন সময়ে তা চাইবা মাত্র ফিরে পাওয়া যায়।
 কিন্তু তা আমানত বললেও

ঋণের সংজ্ঞা

ঋণের সংজ্ঞা


ঋণের নিম্নরূপ সংজ্ঞা করা হয়েছে,

دفع مال لمن ينتفع به ويرد بدله

অর্থাৎ এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তিকে কোন মাল (ধার) দেওয়া, যাতে সে (বর্তমানে) নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারে এবং পরে সে তার এ (দেনার) পরিবর্ত ফিরিয়ে দেয়।
 কর্জ বা ঋণ লেন-দেন করার সময় ঋণের নির্দিষ্ট পরিমাণ, তার গুণ ও বৈশিষ্ট্য (কোয়ানটিটি ও কোয়ালিটি) জেনে রাখা একান্ত জরুরী।
 সমাজের মানুষের সুবিধার্থে ইসলামী শরীয়তে কর্জ নেওয়া-দেওয়াকে বৈধ করা হয়েছে। কিন্তু এ ঋণ ব্যবস্থা অর্থ উপার্জনের কোন প্রকার অসীলা বা উপায় বলে বিবেচিত নয় এবং

সূদ- সুদ প্রতিহত করার বিভিন্ন পদ্ধতি

সূদ প্রতিহত করার বিভিন্ন পদ্ধতি


ইসলাম যখন কোন বস্ত্তকে হারাম ঘোষণা করে, তখন সেই বস্ত্তর কাছে পৌছে দেয় এমন সকল প্রকার রাস্তা উপায়, উপকরণ, অসীলা ও ছিদ্রপথকেও এক সঙ্গে বন্ধ করে দেয়। বরং যে স্থান হতে সেই বস্ত্তর প্রতি যাওয়ার জন্য উদ্যোগ শুরু হয় সেই স্থানেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেয়। যাতে মানুষ তার নিকটেও পৌঁছতে না পারে।
 বলা বাহুল্য, ইসলাম প্রত্যেক সেই জিনিসকে হারাম ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে যা মুসলিমকে সূদ পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং যা সূদের অসীলা ও ছিদ্রপথ। আমরা নিম্নে এমন কয়েকটি জিনিস নিয়ে আলোচনা করব যাকে সূদের উপায় ও পথ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে ইসলাম নিষিদ্ধ বর্ণনা করেছেঃ-
  1. রিবাল ফায্লঃ

সূদ বা সুদ খাওয়ার কতিপয় নয়া পদ্ধতি

সূদ খাওয়ার কতিপয় নয়া পদ্ধতি


সূদ খাওয়ার বহু ধরনেরই বাহানা ও পথ রয়েছে যা গণনা করা সম্ভব নয়। প্রত্যেক যুগেই সূদখোর লোকেরা সুদ খাওয়ার নিত্যনতুন পথ ও পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে এবং তার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর শরীয়তকে ধোঁকা দিতে প্রয়াস পেয়েছে। এই ধরনের কিছু পথ ও পদ্ধতির কথা আমরা এখানে উল্লেখ করছিঃ-
১- বাই-এ ঈনাহঃ-

সুদের অপকারিতা

সূদের অপকারিতা


প্রিয় পাঠক! এবারে আসুন আমরা সমীক্ষা করে দেখি যে, ইসলাম কেন সূদকে নিষিদ্ধ ও কঠোরভাবে হারাম ঘোষণা করেছে? সূদের মধ্যে কি এমন ক্ষতি, অপকারিতা ও অনিষ্টকারিতা আছে? মানুষের চরিত্রে, সমাজে, রাষ্ট্রে এবং সারা বিশ্বে কি এমন মন্দ প্রভাব ও ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে সূদে? যার প্রেক্ষিতে না তো সূদ কোন বিবেক ও যুক্তিসম্মত। না তা ন্যায়পরায়ণতার অনুকূল। আর না-ই তা জীবন-জীবিকার কোন অপরিহার্য ও প্রয়োজনীয় লেন-দেন।
 এক্ষণে আমরা এ অভিশপ্ত বস্ত্তর বিভিন্ন দিক থেকে

সুদের চরিত্রগত ও নৈতিক ক্ষতি

সূদের চরিত্রগত ও নৈতিক ক্ষতি


সচ্চরিত্র ও আত্মা মানবতার মৌলিক উপাদান। আমাদের এই উপাদানে যা ক্ষতিসাধন করে তা সর্বাবস্থায় পরিত্যাজ্য; চাহে তার অন্যান্য উপকারিতা যতই বর্ণনা করা হোক না কেন। এখন যদি আপনি সূদের মনস্তাত্ত্বিক সমীক্ষা করেন তাহলে বিদিত হবেন যে, অর্থ সঞ্চয় করার আকাঙক্ষা থেকে শুরু করে সূদী কারবারের বিভিন্ন পর্যায় ও অবস্থান্তরে পূর্ণ মানসিক আচরণ স্বার্থপরতা, কৃপণতা, সংকীর্ণমনতা, নির্মমতা এবং

সুদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষতি

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষতি


যে সমাজের সদস্যরা পরস্পর স্বার্থপরতাপূর্ণ ব্যবহার করে; নিজ নিজ স্বার্থ ও লাভ ছাড়া কেউ কারো কাজে না আসে এবং একজনের অভাব ও অর্থ প্রয়োজন দেখা দিলে অপর জনের মুনাফা অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ লাভ হয়, এমন নির্মম সমাজ কোনদিন সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। বরং সে সমাজ চিরকালের জন্য বিশৃঙ্খলা ও বৈষম্যের দিকে ঝুঁকে যায়। ঠিক এর বিপরীত যে সমাজের সমাজ-ব্যবস্থা আপোসে সহানুভূতিপূর্ণ ব্যবহারের ভিত্তিতে পরিচালিত, যার সদস্যগণ পরস্পর দানশীলতার সহিত সদ্ব্যবহার করে,

সুদের অর্থনৈতিক ক্ষতি

অর্থনৈতিক ক্ষতি


জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতি সম্পর্কীয় বিভিন্ন দিক দিয়েও সূদের অপকারিতা এত বেশী যে, রাজনীতিবিদ্ এবং অর্থনীতিজ্ঞ বড় বড় পন্ডিতগণ এ কথা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন যে, সারা বিশ্ব আজ যে সকল সংকটের সম্মুখীন তার পশ্চাতে রয়েছে সূদের হাত। তাঁরা এ কথাও বলেছেন যে, বিশ্বের অর্থ-ব্যবস্থা কখনই সফলতা অর্জন করতে পারে না; যদি না সূদী কারবারকে শূন্যের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়; অর্থাৎ সূদকে তার মূল ও বুনিয়াদ থেকে নির্মূল করে উৎখাত না করা পর্যন্ত অর্থনৈতিক সফলতা আদৌ সম্ভব নয়।
 এক অর্থনীতি-বিশেষজ্ঞ সত্যই বলেছেন,

সরকারের বৈদেশিক ঋণ

সরকারের বৈদেশিক ঋণ


এবারে দেখুন, সরকার দেশের বাইরের বিদেশী মহাজনদের নিকট থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে তাতে অর্থনৈতিক কি ক্ষতি সাধন হয়ে থাকে; এ ধরনের ঋণ সাধারণতঃ ১০/২০ কোটির মাত্রা অতিক্রম করে ১০০ থেকে ১০০০০ কোটির পর্যায়ে পৌঁছে থাকে। এ ধরনের ঋণ সরকার সাধারণতঃ তখন গ্রহণ করে থাকে যখন দেশে কোন অস্বাভাবিক সংকটাবর্ত ও দুরবস্থা আপতিত হয় এবং দেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক উপায়-উপকরণ সে বিপদ থেকে নিস্কৃতি লাভে যথেষ্ট প্রমাণিত হয় না। আবার

কারবারে বিভিন্ন প্রকারভেদ (DIFFERENT KINDS OF BUSINESS)

কারবারে বিভিন্ন প্রকারভেদ (DIFFERENT KINDS OF BUSINESS)


মালিকানার দিক থেকে কারবার তিন প্রকারেরঃ-
১- ব্যক্তিগত (PRIVATE  PROPRIETORSHIP) কারবার।
২- অংশীদারী (PARTNERSHIP) কারবার।
৩- যৌথ (JOINT STOCK  COMPANY) কারবার।
 প্রথমোক্ত দুই প্রকারের কারবার ও ব্যবসা মানুষ যখন থেকে কারবার করতে শুরু করেছে, তখন থেকেই প্রচলিত। ইসলামী ফিক্হবিদগণ উভয়ের মৌলিক ও সবিস্তার বিবরণ এবং বিভিন্ন রীতি-নিয়ম (ফিক্হ গ্রন্থে) উল্লেখ করেছেন। এই শ্রেণীর কারবারের বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের থেকে মৌলিকভাবে ভিন্নতর নয়। আর এ জন্যই এখানে আমরা তার বিস্তারিত আলোচনার দিকে যাচ্ছি না। সুতরাং

কোম্পানীর পরিচিতি

কোম্পানীর পরিচিতি


কোম্পানীর আভিধানিক অর্থ হল সংঘ। অবশ্য কখনো কখনো ‘সঙ্গী’র অর্থেও ব্যবহার করা হয়। ইউরোপে শিল্পিক বিপলব বিকাশ হওয়ার পরে সপ্তদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বড় বড় কারখানা প্রতিষ্ঠিত করার নিমিত্তে যখন বিরাট অংকের পুঁজির প্রয়োজন দেখা দিল; পরন্তু ঐ পরিমাণ পুঁজি কোন এক ব্যক্তি বা কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা জমা বা যোগাড় করা সম্ভবপর ছিল না,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ