Showing posts with label সহীহ আক্বীদার মানদন্ডে তাবলীগী নিসাব- মুরাদ বিন আমজাদ. Show all posts
Showing posts with label সহীহ আক্বীদার মানদন্ডে তাবলীগী নিসাব- মুরাদ বিন আমজাদ. Show all posts

Monday, November 27, 2017

১। তাবলীগী জামাআতের প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি

১। তাবলীগী জামাআতের প্রতিষ্ঠাতার পরিচিতি


হিন্দুস্থানের উত্তর পশ্চিম সীমান্তের একটি রাজ্যের এখনকার নাম হবিয়ানা পূর্বের নাম পাঞ্জাব। হিন্দুস্থানের রাজধানী দিল্লীর দক্ষিণে হরিয়ানায় একটি এলাকার নাম মেওয়াত। যার পরিধি দিল্লীর সীমান্ত থেকে রাজস্থান রাজ্যের জয়পুর জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই মেওয়াতে (১৩০৩) হিজরীতে এক হানাফী সূফি বুজুর্গের জন্ম হয়। তাঁর ঐতিহাসিক নাম ‘‘আখতার ইলিয়াস’’। কিন্তু

২। তাবলীগী নিসাব পরিচিতি

২। তাবলীগী নিসাব পরিচিতি


তাবলীগী জামাআতের মূল গ্রন্থ হলো ‘তাবলীগী নিসাব’ তাবলীগ অর্থ প্রচার এবং নিসাব অর্থ নির্দ্দিষ্ট পাঠ্যসূচী অর্থাৎ তাবলীগী নিসাবে যা কিছু আছে তা তাবলীগের অনুসারীদের জন্য নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচি এবং পালনীয়। জামাআতের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইলিয়াস এর নির্দেশে ভারতেরই এক রাজ্য উত্তর প্রদেশের সাহারামপুর জেলার কান্ধেলাহ নিবাসী ও মাযাহিরুল উলুম সাহারানপুরের সাবেক শাইখুল হাদীস যাকারিয়া হানফী নয় খানা বই লেখেন উর্দু ভাষায়। বইগুলির সমষ্টিগত পূর্ব নাম তাবলীগী নিসাব এবং বর্তমান ফাযায়েলে আমাল নামে পরিচিত, নয়টি বই এর আলাদা নাম নিম্মরূপ-

তাবলীগী নিসাব বা ফাযায়েলে আ‘মালের মধ্যে অনেক স্থানে আমানাতের খিয়ানত

তাবলীগী নিসাব বা ফাযায়েলে আ‘মালের মধ্যে অনেক স্থানে আমানাতের খিয়ানত


‘তাবলীগী নিসাব’ তথা ‘ফাযায়েলে আ‘মাল’ লেখক জনাব জাকারিয়া উল্লিাখিত গ্রস্থদ্বয়ে অনেক স্থানে আরবী উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং তার উর্দু অনুবাদ তিনি নিজেই করেছেন, অথচ উর্দু তরজমায় তিনি আমানাত দারীর পরিচয় দিতে, ব্যার্থ হয়েছেন। কারণ তিনি আরবী অনুবাদের উদ্ধৃতি সম্পূর্ণটা উর্দুতে করেননি। যেমন ‘ফাযায়েলে নামায’ বইয়ের ‘দুসরী ফাসল’ এর

তাবলীগী জামাআত কী?

তাবলীগী জামাআত কী?


তাবলীগ আরবী শব্দ যার অর্থ প্রচার করা। আর জামাআতও আরবী শব্দ যার অর্থ দল, সঙ্ঘ, সম্প্রদায় ইত্যাদি। অতএব তাবলীগ জামাআত অর্থ হলো প্রচারের দল। প্রচারকারী দল বিভিন্ন রকমের হতে পারে। ইসলাম প্রচারের দলকে ‘ইসলামী তাবলীগী জামাআত’ অথবা ‘দাওয়াতে ইসলামী’ নাম হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু

তাবলীগী জামাআত কী প্রচার করে?

তাবলীগী জামাআত কী প্রচার করে?


সার্বিকভাবে মূলতঃ তারা পূর্ণাঙ্গ ভাবে ইসলাম প্রচার করে না। তারা ইসলামের কথা মুখে বললেও মূলতঃ তারা মাযহাবের নামে ফিরকা ও তরীকার নামে তাসাউফের দিকে আহবান করে থাকে। ঈমানের দাওয়াতের নামে তারা মুলতঃ  ওহাদাতুল ওজুদ অর্থাৎ সর্ব ইশ্বর বাদের দিকে আহবান করে যা মুলতঃ কুফর, মুসলমানদের সালাতের দাওয়াত দেন, সৎ কাজের উপদেশ দেন, ও অসৎ কাজ হতে দূরে থাকার আনুরোধ করেন। কিন্তু সমাজ সংস্কারের জন্য কুরআন জানা ও তাঁর বিধি-বিধানকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কোন চেষ্টা করা হয় না। কুরআনকে শুধু তুতার বুলিরমত তিলাওয়াত পর্যন্ত সিমাবদ্ধ রাখা হয়। তাঁকে

তাবলীগী জামাআতের কর্মসূচী


তাবলীগী জামাআতের কর্মসূচী


তাঁদের উসূল ছয়টি। যথা :
১। কলেমা ২। নামায ৩। ইলম ও যিকির ৪। ইকরামুল মুসলিমিন ৫। তাসিয়ে নিয়ত ৬। তাবলীগ।
অথচ ইসলামের মূল স্তম্ভ পাঁচটি : ১. ঈমান, ২. সালাত, ৩. যাকাত, ৪. সিয়াম ও ৫. হজ্জ। (মুত্তাফাকুন আলাই)
শুরু থেকেই তাবলীগী জামাআত ইসলামের মূল বুনিয়াদ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে যাত্রা শুরু করেছে। তবে আল কুরআনের আদর্শ বাস্তবায়ন করার জন্য এ ধরণের কর্মসূচী নিয়ে কাজ করা ইসলাম বিরোধী নয়। কিন্তু যদি কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আদর্শকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র ঐ একই কর্মসূচী নিয়ে সারা জীবন মেহনত চলতে এবং

তাবলীগী নিসাবের লেখক পরিচিতি

তাবলীগী নিসাবের লেখক পরিচিতি


১। জাকারীয়া বিন ইয়াহিয়া ১৩১৫ হিজরী রমযানুল মুবারাক। প্রথম নাম মুহাম্মাদ মুসা প্রসিদ্ধ নাম জাকারীয়া, প্রাথমি শিক্ষা গাংগুহ থেকে বাকী শিক্ষা সাহারানপুর শেষ।
২। মুজাহেরুল উলুম সাহারানপুরে ১৩৩৫হিঃ ১৫ টাকা বেতনে কর্ম বা চাকুরী জীবন শুরু করেন।
৩। ৬ বার হজ্জ পালন করেছেন অতপর ১৯৭৩ সনে মদিনা মুনাওয়ারায় স্থায়ি কিয়াম করেন।
৪। প্রথম স্ত্রীরির ইন্তেকালের পর দ্বিতীয় বিবাহ করেন। ১টি ছেলে ৫টি মেয়ে জন্ম দেন তাদের নাম নিম্নরূপ :

সহীহ আক্বীদার মানদন্ডে তাবলীগী নিসাব

সহীহ আক্বীদার মানদন্ডে তাবলীগী নিসাব


এই হাকীকাত বা বাস্তবতাকে কিভাবে অস্বীকার করা যায় যে, ছোট একটি তাবলীগী জামা‘আত দ্বীনের দা‘ওয়াত নিয়ে হিন্দুস্থানের বতী জনপদ (দিল্লীর) নিজামউদ্দ্বীন থেকে সর্বপ্রথম কাজ শুরু করে এবং পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। এখন প্রত্যেক গ্রামে-গঞ্জে, জনপদে গাস্তের প্রচলন এবং রাতের বেলায় মাসজিদে কিয়াম (অবস্থান) বা শবগুযারী প্রসিদ্ধ। এছাড়া

‘ইলমে গায়িব বা অদৃশ্যের জ্ঞান

‘ইল্মে গায়িব বা অদৃশ্যের জ্ঞান


‘‘শায়েখ আবু ইয়াকুব ছনুছী (রহঃ) বলেন, আমার একজন মুরীদ আমার নিকট আসিয়া বলিল আমি আগামী কাল জোহরের সময় মরিয়া যাইব। তাহার কথা মত অপর দিন জোহরের সময় সে হারাম শরীফে আসিল ও তওয়াফ করিল এবং কিছু দূরে গিয়া মরিয়া গেল। আমি তাহকে গোছল দিলাম ও দাফন করিলাম। যখন তাহাকে কবরে রাখিলাম তখন সে চোখ খুলিল। আমি বলিলাম মউতের পরেও কি জীবিত থাকা যায় না কি? সে বললি আমি জীবিত আছি এবং আল্লাহর প্রতিটি প্রেমিকই জীবিত থাকেন।’’   ([রওজ] ফাজায়েলে সাদাকাত বাংলা ২য় খন্ড-২৭০ পৃঃ)
‘‘জনৈক বুজুর্গ বলেন,

শ্রেষ্ঠ দাতা কে?

শ্রেষ্ঠ দাতা কে?


তাবলীগী-নিসাবের ফাযায়েলে সদাকাতের ২৪নং শিরোনামে জনাব যাকারীয়া লিখেছেন :
‘‘মিশরে একজন নেক বখত লোক ছিলেন। অভাব গ্রস্থ হইয়া লোক লোক তাহার নিকট আসিলে তিনি চাঁদা উসুল করিয়া তাহাকে দিয়া দিতেন। একদা জনৈক ফকীর আসিয়া বলিল আমার একটা ছেলে হইয়াছে। তাহার এছলাহের ব্যবস্থার জন্য আমার নিকট কিছুই নাই। এই ব্যক্তি উঠিল ও ফকীরকে অনেক লোকের নিকট লইয়া গিয়াও ব্যর্থ হইয়া ফিরিল। অবশেষে নৈরাশ হইয়া একজন দানবীর ব্যক্তির কবরের নিকট গিয়া সমস্ত কথা তাহাকে শুনাইল। অতঃপর

একটি যুবকের কাশ্ফের বয়ান ও সত্তর হাজার বার কালিমা পড়ার ফাযীলাত

একটি যুবকের কাশ্ফের বয়ান ও সত্তর হাজার বার কালিমা পড়ার ফাযীলাত


শায়েখ আবু করতবী (রহঃ) বলেন, আমি শুনিয়াছি, যে ব্যক্তি সত্তর হাজার বার কালেমা পড়িবে সে দোজখ হইতে নাজাত পাইবে। ইহা শুনিয়া আমি নিজের জন্য সত্তর হাজার বার ও আমার স্ত্রীর জন্য সত্তর হাজার বার এবং এইরূপে এই কালেমা কয়েক নেছাব আদায় করিয়া পরকালের ধন সংগ্রহ করি। আমাদের নিকটেই একজন যুবক কাশফওয়ালা বলিয়া খ্যাতি লাভ করিয়াছিল। সে নাকি বেহেশেত ও দোজখ দেখিতে পাইত আমি উহাতে সন্দেহ করিতাম। এক সময়

হাদীস যাচাইয়ে স্বপ্ন বা কাশ্ফ গ্রহণযোগ্য নয়

হাদীস যাচাইয়ে স্বপ্ন বা কাশ্ফ গ্রহণযোগ্য নয়


শায়খের শেষোক্ত কথা দ্বারা জানা যায় হয় যে, কাশ্ফের মাধ্যমে উল্লেখিত হাদীসটি সহীহ প্রমাণিত হয়েছে। অথচ যা বিদ‘আতী ও ‘ইল্মহীন পীরদের দৌরাত্মের এ যুগে ভয় হয়, যেসব রিওয়ায়াতকে এ কিতাবে হাদীস বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতিতে জাল বা ভিত্তিহীন বলে চিহ্নিত করা হয়েছে বা হবে, সেগুলো সম্পর্কে কেউ এই টাল-বাহানা না করে যে, যদিও এগুলো হাদীস বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে মাওযূ‘ তথা জাল; কিন্তু আমি বা আমার পীর সাহেব খাব, কাশ্ফ বা ইলহামের মাধ্যমে এগুলো সঠিক বলে জানতে পেরেছি।
মনে রাখবেন

কাশ্ফ ও ইলহাম

কাশ্ফ ও ইলহাম


কাশ্ফ ও ইলহামকেও তথাকথিত কতিপয় তরীকাপন্থী বড় করে দেখে। কাশ্ফের মাধ্যমে কোন কথা জানতে পারাকে বুযুর্গীর সনদ মনে করে থাকে। আর কেউ কেউ তো কাশ্ফ ও ইলহামকে শারী‘আতের সনদই গণ্য করে থাকে এবং শুধু কাশফ ও ইলহাম অর্জন করার জন্য সুন্নাত নয়, এমন অনেক মুজাহাদায় লিপ্ত হয়। অথচ কুরআন-সহীহ হাদীসে কাশ্ফ ও

কাশ্ফের পরিচয়

কাশ্ফের পরিচয়


অদৃশ্য জগতের কোন কথা প্রকাশিত হওয়াকে কাশ্ফ বলা হয়। এ কাশ্ফ কখনও সঠিক হয় আবার কখনও মিথ্যা হয়, তাই এটি শারী‘আতের কোন দলীল তো নয়ই উপরন্তু একে শারী‘আতের কষ্টিপাথরে যাচাই করা যরূরী। এমনিভাবে কাশ্ফ কোন ইচ্ছাধীন কোন কিছু নয় যে, তা অর্জন করা শারী‘আতের কাম্য হবে অথবা সওয়াবের কাজ হবে। অনুরূপ

ফেরেশতারাও কি ভুল করে?

ফেরেশতারাও কি ভুল করে?


সলাতের ফাযীলাত বর্ণনা করতে গিয়ে জনাব শায়খুল হাদীস সাহেব লিখেছেন- ‘‘হযরত উম্মু কুলছুমের স্বামী আবদুর রহমান অসুস্থ ছিলেন। একবার তিনি এমন অচেতন অবস্থায় পতিত হলেন যে, সকলেই তাঁহাকে মৃত বলে সাব্যস্ত করিল। উম্মু কুলসুম তাড়াতাড়ি নামাযে দাঁড়াইলেন। নামায শেষ করিবা মাত্র আবদুর রহমান জ্ঞান লাভ করলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, আমার অবস্থা কি মৃত্যুর অনুরূপ হইয়াছিল?

দ্বীন ইসলামের দা‘ওয়াত

দ্বীন ইসলামের দা‘ওয়াত


মুসলিমদের এমন একটি জামা‘আত হবে যার মধ্যে ফিরকাবন্দী ও মাযহাব অবলম্বনকারী পাওয়া যায় না। অর্থাৎ যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম কবূল করে সে শুধু মুসলিম হয়, কোন মাসলাক, কোন মাযহাব, কোন মাকতাবা ফিকির, কোন ফিরকাবন্দী রায় ভিত্তিক ফিক্হ এর অনুসারী হয় না। এদেরতো শুধু একটিই দ্বীন এবং তা হল ইসলাম। তারা শুধু কুরআন মাজীদ এবং সহীহ হাদীসের  আহ্কামের পাবন্দ হয় এবং তাওহীদ ও সুন্নাতের পথযাত্রী হয়। সত্যিকার মুসলিম তাওহীদ ও ইত্তেবায়ে সুন্নাতের উপর দৃঢ়তার সাথে প্রতিষ্ঠিত থাকে। আর

তাবলীগ নিসাবের অনুবাদক কর্তৃক কুরআনের আয়াতের অর্থ বিকৃতি

তাবলীগ নিসাবের অনুবাদক কর্তৃক কুরআনের আয়াতের অর্থ বিকৃতি


فمن يكفر بالطاغوت ويومن بالله فقد استمسك...لانفصام لها
অর্থঃ যে মুর্তিকে অস্বীকার করিল এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনিল সে মজবুত রজ্জুকে আকড়াইয়া ধরিল যাহা কিছুতেই ছিন্ন হইবার নয়।     (ফাজায়েলে জিকির- ৩৩৪ পৃঃ)
উল্লেখিত আয়াতের অর্থ করতে গিয়ে তিনি যে ভুলটি করেছেন। তিনি طاغوت (তাগুত) শব্দের অর্থ লিখেছেন মূর্তি। অথচ

তাগুতের অর্থ এবং প্রধান প্রধান প্রকারসমূহ


তাগুতের অর্থ এবং প্রধান প্রধান প্রকারসমূহ


জেনে রাখুন! আল্লাহ আপনার প্রতি দয়া প্রদর্শন করুন আল্লাহ তা‘আলা আদম সন্তানের উপর প্রথম যে জিনিসটি ফারয্ করেছেন তা হচ্ছে তাগুতকে অস্বীকার করা এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখা। এর প্রমাণ আল্লাহর বাণী :
{وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولاً أَنِ اعْبُدُوا اللهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ}
‘‘আমি প্রত্যেক জাতির মধ্যে এ কথা বলে একজন করে রসূল পাঠিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহর ‘ইবাদাত কর এবং তাগুত থেকে বিরত থাক।’’   (সূরা আন-নাহল ৩৬)
তাগুতকে অস্বীকার করার ব্যাখ্যা হচ্ছে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কারোর

আরো একটি আয়াতের অর্থ বিকৃতি

আরো একটি আয়াতের অর্থ বিকৃতি


নিসাবের গ্রন্থকার কুরআনের আর একটি আয়াতের বিকৃত অনুবাদ করে চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছেন। তিনি সূরা কামারের ১৭ নং আয়াতখানি তুলে তার তরজমা করেছেন এভাবে :
وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ
هم نـ كلام اك كو حفظ كرنـ كـ لئـ سهل كرركها هـ كوئ هـ خفظ كرنـ ولا؟
‘‘আমি কোরআনকে হেফজ করিবার জন্য সহজ করিয়া দিয়াছি, কোন ব্যক্তি কি হেফজ করিতে প্রস্ত্তত আছে?’’      (ফাজায়েলে কুরআন- ২২৬)
উক্ত আয়াতটির উপরে তিনি লিখেছেন, প্রকৃতপক্ষে

উম্মাতের মতবিরোধ রহমত

উম্মাতের মতবিরোধ রহমত


 اختلاف امتى رحمة ‘‘উম্মাতের মতবিরোধ রহমত’’ যঈফ ও জাল হাদীসঃ ১/১০৬ পৃঃ, হাঃ ৫৭।
শাইখ সাহেব তার ফাজায়েলে তাবলীগে এ বিষয়ে একটি অধ্যায় রচনা করেছেন। ‘আলিমদের মতবিরোধ রহমত স্বরূপ’ এছাড়া এ বিষয়ে তিনি একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থও রচনা করেছেন উল্লিখিত জাল হাদীসের উপর ভিত্তি করে। এবার লক্ষ্য করুন, হাদীসটি কতটুকু সত্য।
আল্লামা আলবানী (রহ.) বলেন, এর কোন ভিত্তি নেই এবং এই হাদীস নিজের অর্থের দিক থেকে সত্যপন্থী আলিমদের নিকট গ্রহণের অযোগ্য। ইবনু হাযাম এটাকে নিতান্তই বাজে কথা বলে ঘোষণা করেছেন। মানাবী সুবকীর উদ্ধৃতিতে বলেছেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ