Showing posts with label জান্নাত ও জাহান্নাম. Show all posts
Showing posts with label জান্নাত ও জাহান্নাম. Show all posts

Wednesday, April 11, 2018

নামাযের ক্বিরাতে জান্নাত ও জাহান্নামের আলোচনা আসলে জান্নাতের প্রার্থনা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় কামনা করা জায়েয কি?

(২৭০) নামাযের ক্বিরাতে জান্নাত ও জাহান্নামের আলোচনা আসলে জান্নাতের প্রার্থনা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় কামনা করা জায়েয কি?


হ্যাঁ, এটা জায়েয। এক্ষেত্রে ইমাম, মুক্তাদী বা একক ব্যক্তির মাঝে কোন পার্থক্য নেই। তবে মুক্তাদীর যেন ইমামের ক্বিরআত নীরব থেকে শোনার ব্যাপারে কোন ব্যাঘাত না

Sunday, January 28, 2018

মুমিনের গুণাবলী গুলো কি কি ?

মুমিনের গুণাবলী

-প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ آمَنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوْا وَجَاهَدُوْا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيْلِ اللهِ أُولَئِكَ هُمُ الصَّادِقُوْنَ- (سورت الحجرات ১৫)-
‘প্রকৃত মুমিন তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। অতঃপর তাতে কোনরূপ সন্দেহ পোষণ করে না এবং তাদের মাল ও জান দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে। বস্ত্ততঃপক্ষে তারাই হ’ল সত্যনিষ্ঠ’ (হুজুরাত ৪৯/১৫)।
অত্র আয়াতে প্রকৃত মুমিনের দু’টি গুণ বর্ণিত হয়েছে। ১. সন্দেহমুক্ত দৃঢ় ঈমান এবং ২. আল্লাহর পথে সংগ্রাম ও সৎকর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত ঈমানের প্রমাণ উপস্থাপন।
‘জিহাদ’ অর্থ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা। যা কথা, কলম, সংগঠন তথা সার্বিকভাবেই হয়ে থাকে। সশস্ত্র জিহাদও এর মধ্যে শামিল। যুগে যুগে উদ্ভূত শিরকী দর্শনচিন্তা ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে তাওহীদভিত্তিক দর্শনচিন্তা ও সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশ সাধনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিয়োজিত করাই হ’ল ইসলামের চিরন্তন জিহাদ। স্থান-কাল-পাত্র নির্বিশেষে যা সর্বদা সর্বত্র প্রযোজ্য। সেদিকে ইঙ্গিত করেই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,

মুমিনদের জন্যে আল্লাহর পক্ষ হতে ২৫টি প্রতিশ্রুতি

মুমিনদের জন্যে আল্লাহর পক্ষ হতে ২৫টি প্রতিশ্রুতি

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বের দিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের মনে অবশ্যই এই ধারণা জন্মানো উচিত যে, যখন আল্লাহ্‌ কোন প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন তখন তিনি তা পূরণ করেই থাকেন, আর প্রতিশ্রুতি পূরণ করাই আল্লাহ্‌র সুন্নাহ।
“আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না।” [সূরা ঝুমার ২০]
এবং আরেকটি আয়াতে তিনি বলছেন,
“সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। আল্লাহর ওয়াদা যথার্থ। তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়”। [লুকমান ৯ ]
কাজেই যখন কাউকে দেখা যায় যে সে দাবী করছে তার জীবনে আল্লাহ্‌র দেয়া ওয়াদা কার্যকর হয়নি, কিংবা

Thursday, January 25, 2018

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১৫টি অসাধারণ হাদীস!!

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১৫টি অসাধারণ হাদীস!!



*১-গীবত থেকে দূরে থাকা- আসমা বিনতে ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেন, “যে ব্যাক্তি তার (মুসলিম) ভায়ের অনুপস্থিতিতে (তার গীবত করা ও ইজ্জত লুটার সময় প্রতিবাদ করে) তার সম্ভ্রম রক্ষা করে সেই ব্যাক্তি আল্লাহ্‌র নিকট এই অধিকার পায় যে তিনি তাঁকে দোযখ থেকে মুক্ত করে দেন।”(আহমদ, ত্বাবারানী, সহীহুল জামে- ৬২৪০)
#কিন্তু এখন অবস্থা তোঁ পুরোই উল্টা, কোথাও কারো নিন্দা করা হলে আমরা প্রতিবাদ না করে বরং

Tuesday, January 16, 2018

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ২)

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ২)

undefinedপ্রশ্নঃ (১১) যেই শরীয়ত (দ্বীন) অনুযায়ী আল্লাহর এবাদত করতে বলা হয়েছে, তা কোনটি?
উত্তরঃ সেটি হচ্ছে, দ্বীনে হানীফ তথা মিল্লাতে ইবরাহীম। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
إِنَّ الدِّينَ عِنْدَ اللَّهِ الأِسْلاَمُ
“আল্লাহর নিকট ইসলাম হচ্ছে একমাত্র মনোনীত দ্বীন”। (সূরা আল-ইমরানঃ ১৯) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ
أَفَغَيْرَ دِينِ اللَّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَالأرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا
“তারা কি আল্লাহর দ্বীনের পরিবর্তে অন্য কোন দ্বীন তালাশ করছে? অথচ আসমান-যমীনে যা কিছু রয়েছে স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, তারই অনুগত”। (সূরা আল-ইমরানঃ ৮৩) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ১)

দুই শতাধিক প্রশ্নোত্তরে নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ (পর্ব ১)
উত্তরঃ বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব হচ্ছে, তাদেরকে আল্লাহ তা’আলা যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন, তাদের থেকে যে বিষয়ের অঙ্গীকার নিয়েছেন, যে বিষয় দিয়ে রাসূল প্রেরণ করেছেন এবং কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, সে সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। এ বিষয়টির জন্যই আল্লাহ্ তাআলা দুনিয়া-আখেরাত, জান্নাত-জাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ের জন্যেই কিয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবে, দাড়িপাল্লা স্থাপন করা হবে, আমলনামা প্রদান করা হবে। এ বিষয়টির কারণেই কেউ সৌভাগ্যবান হবে আবার কেউ হবে হতভাগা। এ অনুযায়ী কিয়ামতের দিন নূর বণ্টিত হবে। সে দিন আল্লাহ যাকে নূর দান করবেন না, তার কোন নূর থাকবে না।
প্রশ্নঃ (২) সুতরাং ঐ বিষয়টি কি, যার জন্য আল্লাহ্ তাআ’লা মানুষ সৃষ্টি করেছেন?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলা মানুষ ও জিন জাতিকে পৃথিবীতে তাঁর একত্ববাদ ও এবাদত প্রতিষ্ঠা করার জন্যে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ্ তাআ’লা বলেনঃ
প্রশ্নঃ (৩) আব্দ অর্থ কি?
উত্তরঃ আব্দ দ্বারা যদি অধিনস্ত উদ্দেশ্য হয়, তাহলে আসমান-যমীনের সকল জ্ঞানবান ও জ্ঞানহীন, তাজা-শুকনা, চলমান-স্থির, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য কাফের-মুমিন, সৎ-অসৎ সব কিছুই উদ্দেশ্য। সবই আল্লাহর সৃষ্টি, আল্লাহ কর্তৃক প্রতিপালিত, তাঁর অধিনস্ত, তাঁর পরিচালনাধীন। প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য নির্দিষ্ট একটি গন্তব্যস্থল রয়েছে। সেখানে গিয়ে তার যাত্রা শেষ হবে। প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট একটি সময়ের উদ্দেশ্যে চলমান। তার জন্যে নির্ধারিত সীমা ছেড়ে একটি সরিষার দানা পরিমাণ স্থানও অতিক্রম করতে পারবে না। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
আর আব্দ দ্বারা যদি এবাদতকারী, অনুগত ও প্রিয় উদ্দেশ্য হয় তাহলে আব্দ অর্থ হবে আল্লাহর সম্মানিত মুমিন ব্যক্তিগণ। তারা হবেন আল্লাহর পরহেজগার বন্ধু। তাদের কোন ভয় নেই। আর তারা চিন্তিতও হবে না।
প্রশ্নঃ (৪) এবাদত কাকে বলে?
উত্তরঃ আল্লাহ তা’আলা বান্দার যেসমস্ত প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য কথা ও কাজকে ভালবাসেন ও পছন্দ করেন এবং যে সমস্ত বিষয় আল্লাহর ভালবাসা ও পছন্দের বিপরীত ও পরিপন্থী, তা থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার নামই এবাদত।
প্রশ্নঃ (৫) বান্দার আমল কখন এবাদতে পরিণত হয়?
উত্তরঃ আমলের মধ্যে যখন দু’টি বস্তু পরিপূর্ণ অবস্থায় পাওয়া যাবে তখন তা এবাদতে পরিণত হবে। (১) আল্লাহকে পরিপূর্ণরূপে ভালবাসা এবং (২) আল্লাহর সামনে পরিপূর্ণভাবে বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশ করা। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
প্রশ্নঃ (৬) বান্দা যে আল্লাহ্কে ভালবাসে, তার আলামত কী?
উত্তরঃ বান্দা কর্তৃক আল্লাহকে ভালবাসার প্রমাণ হল, সে আল্লাহর প্রিয় বস্তুকে ভালবাসবে এবং আল্লাহ যা অপছন্দ করেন, সে তা অপছন্দ করবে। আল্লাহর আদেশ মেনে চলবে এবং তাঁর নিষেধ থেকে দূরে থাকবে। আল্লাহর বন্ধুদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করবে এবং আল্লাহর শত্রু মনে করবে। এ জন্যই আল্লাহর জন্য কাউকে ভালবাসা এবং আল্লাহর জন্যই কাউকে ঘৃণা করা ঈমানের সবচেয়ে মজবুত হাতল।
প্রশ্নঃ (৭) বান্দা কিভাবে আল্লাহর প্রিয় ও সন্তুষজনক কাজগুলো জানতে পারবে?
উত্তরঃ আল্লাহ যা পছন্দ করেন ও ভালবাসেন, তা আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন আদেশের মাধ্যমে এবং যা অপছন্দ করেন তা জানিয়ে দিয়েছেন নিষেধের মাধ্যমে। সুতরাং রাসূল প্রেরণ এবং আসমানী কিতাব নাযিলের মাধ্যমে বান্দাগণ আল্লাহর পছন্দনীয় আমলসমূহ জানতে পেরেছে। এর মাধ্যমেই তাদের নিকট আল্লাহর অকাট্য দলীল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তাঁর পরিপূর্ণ হিকমত প্রকাশিত হয়েছে। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
প্রশ্নঃ (৮) ইবাদতের শর্ত কয়টি?
উত্তরঃ এবাদতের শর্ত হচ্ছে তিনটি। (১) ‘সিদকুল আযীমাহ’ তথা এবাদত করার সুদৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করা। আর এটি হচ্ছে এবাদতের অস্তিত্বের শর্ত। (২) নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়া। (৩) আল্লাহ তা’আলা যে শরীয়ত (দ্বীন) অনুযায়ী এবাদত করতে বলেছেন, এবাদতটি সেই শরীয়ত অনুযায়ী হওয়া। শেষ দু’টি হচ্ছে এবাদত কবুল হওয়ার শর্ত।
প্রশ্নঃ (৯) ‘সিদকুল আযীমাহ’ তথা সুদৃঢ় ইচ্ছা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ তা হচ্ছে এবাদত করতে গিয়ে সম্পূর্ণরূপে অলসতা পরিহার করা এবং কথা ও কাজে পরিপূর্ণ মিল থাকা। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
উত্তরঃ নিয়ত বিশুদ্ধ হওয়ার অর্থ হচ্ছে বান্দা তার প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্য সকল কথা ও কাজের মাধ্যমে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করবে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ
x
মূল: হাফেজ বিন আহমদ আল হাকামী রহ.
অনুবাদক: আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
undefinedপ্রশ্নঃ (১) বান্দার উপর সর্বপ্রথম ওয়াজিব কী?
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لاَعِبِينَ * مَا خَلَقْنَاهُمَا إِلاَّ بِالْحَقِّ وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لاَ يَعْلَمُونَ
“আমি নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবতী সবকিছু ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা বুঝে না”। (সূরা আদ্ দুখানঃ ৩৮-৩৯) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا بَاطِلاً ذَلِكَ ظَنُّ الَّذِينَ كَفَرُوا
“আমি আকাশ ও পৃথিবী এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে তা অযথা সৃষ্টি করি নি। এটা কাফেরদের ধারণা মাত্র”। (সূরা সোয়াদাঃ ২৭) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
وَخَلَقَ اللَّهُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ بِالْحَقِّ وَلِتُجْزَى كُلُّ نَفْسٍ بِمَا كَسَبَتْ وَهُمْ لاَ يُظْلَمُونَ
“আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার উপার্জনের ফল পায়। তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না”। (সূরা জাসিয়াঃ ২২) আল্লাহ্ তাআ’লা আরো বলেনঃ
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالإِنسَ إِلاَّ لِيَعْبُدُونِ
“আর আমি জিন এবং মানব  কেবল আমার দাসত্ব করার জন্য সৃষ্টি করেছি”। (সূরা যারিয়াতঃ ৫৬)
ذَلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ
“আর এটি হল মহা পরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানী আল্লাহর নির্ধারণ”। (সূরা ইয়াসীনঃ ৩৮)
وَالَّذِينَ آمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا لِلَّهِ
“আর যারা ঈমানদার, তারা আল্লাহ্কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসে”। (সূরা বাকারাঃ ১৬৫) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ
إِنَّ الَّذِينَ هُمْ مِنْ خَشْيَةِ رَبِّهِمْ مُشْفِقُونَ
“নিশ্চয়ই মুমিনগণ তাদের পালনকর্তার ভয়ে সদা সন্ত্রস্ত থাকে”। (সূরা মুমিনূনঃ ৫৭) আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ
إِنَّهُمْ كَانُوا يُسَارِعُونَ فِي الْخَيْرَاتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
“তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়ত, আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকত এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত”। (সূরা আম্বীয়াঃ ৯০)
رُسُلاً مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ لِئَلاَ يَكُونَ لِلنَّاسِ عَلَى اللَّهِ حُجَّةٌ بَعْدَ الرُّسُلِ
“সুসংবাদদাতা এবং ভীতি প্রদর্শনকারী রাসূলগণকে প্রেরণ করেছি। যাতে রাসূলগণকে প্রেরণের পরে আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করার মত কোন সুযোগ না থাকে”। (সূরা নিসাঃ ১৬৫) আল্লাহ তাআ’লা আরো বলেনঃ

Tuesday, December 26, 2017

নারীর জান্নাত যে পথে

নারীর জান্নাত যে পথে
প্রেক্ষাপট
চারদিক থেকে ভেসে আসছে নির্দয় ও পাষণ্ড স্বামী নামের হিংস্র পশুগুলোর আক্রমণের শিকার অসহায় ও অবলা নারীর করুণ বিলাপ। অহরহ ঘটছে দায়ের কোপ, লাথির আঘাত, অ্যাসিডে ঝলসানো, আগুনে পুড়ানো, বিষ প্রয়োগ এবং বালিশ চাপাসহ নানা দুঃসহ কায়দায় নারী মৃত্যুর ঘটনা। কারণ তাদের পাঠ্য সূচি থেকে ওঠে গেছে বিশ্ব নবির বাণী “তোমরা নারীদের প্রতি কল্যাণকামী হও।” “তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম, যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম, আমি আমার স্ত্রীদের নিকট উত্তম।”
অপর দিকে চারদিক বিষিয়ে তুলছে,

Friday, December 22, 2017

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের ৩৮ টি বৈশিষ্ট্য (২য় পর্ব)

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য (২য় পর্ব)


চতুর্দশ পরিচ্ছেদ
জান্নাতবাসীদের খাদ্য ও পানীয়
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ وَفَٰكِهَةٖ مِّمَّا يَتَخَيَّرُونَ ٢٠ وَلَحۡمِ طَيۡرٖ مِّمَّا يَشۡتَهُونَ ٢١ ﴾ [الواقعة: ٢٠، ٢١]
“আর তাদের ঈপ্সিত পাখীর গোশ্ত নিয়ে। আর তাদের জন্য থাকবে ডাগর চক্ষুবিশিষ্টা হূর।”[1]
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা আরও বলেন:

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের ৫৮ টি বৈশিষ্ট্য (১ম পর্ব)

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য (১ম পর্ব)


জান্নাতের ঘ্রাণ
১. আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনিল ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
« من قتل معاهدا , لم يرح رائحة الجنة , وإن ريحها توجد من مسيرة أربعين عاما » . ( رواه البخاري ) .
“যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ পাবে না। আর জান্নাতের ঘ্রাণ চল্লিশ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যাবে।”[2]
অর্থসহ হাদিসের বিশেষ শব্দ-তালিকা:

প্রত্যেক মুসলিম কি জান্নাতে প্রবেশ করবে, এমন কি যদি সে মুনাফিক হয় অথবা ছ্বালাত আদায় না করে অথবা শিরক করে?


প্রত্যেক মুসলিম কি জান্নাতে প্রবেশ করবে, এমন কি যদি সে মুনাফিক হয় অথবা
ছ্বালাত আদায় না করে অথবা শিরক করে?

মুনাফিক অথবা ছ্বালাত আদায় করে না অথবা শিরক করে তারা সহ সমস্ত মুসলিম কি কিছু সময় জাহান্নামে
অবস্থানের পর জান্নাতে প্রবেশ করবে? সমস্ত প্রসংশা আল্লাহর জান্নাতে প্রবেশ এবং জাহান্নামে অনন্তকাল অবস্থান
করার বিষয়ে সাধারণ নীতি সমন্ধে আমাদের সঠিকভাবে জানা উচিত। ইহা একটি সহজ বিষয় যা একটি
সংক্ষিপ্ত হাদীছে ব্যাখ্যা করা হয়,

জাহান্নামের চিত্র!! জাহান্নাম দেখতে কেমন হবে ?

জাহান্নামের চিত্র!!


জাহান্নাম ধ্বংসের ঘরবান্দার ইহকালীন ও পরকালীন সফলতা অর্জন ওকৃতকার্য হওয়ার নিদর্শন হচ্ছে, তার অন্তকরণআখেরাতের স্মরন, পরকালের ভাবনায় সঞ্জীবিতও সিক্ত হয়ে যাওয়া। যেমন আল্লাহ তাআলা তারনৈকট্য-প্রাপ্ত বান্দা তথা অলি-আউলিয়াদের প্রশংসাকরে বলেন : “আমি তাদেরকে এক বিশেষগুন তথাপরকালের স্মরণ দ্বারা স্বাতন্ত্র প্রদান করেছি।”অর্থাৎ পরকালীন জীবনের সুখ-দুঃখের ভাবনা।পক্ষান্তরে

জাহান্নাম থেকে বেচে থাকার ১৫ টি আমল ও পদ্ধতি সমুহ!

জাহান্নাম থেকে বেচে থাকার আমল ও পদ্ধতি সমুহ!


বিসমিল্লাহ-অসসলাতু অসসালামু আ’লা রসুলিল্লাহ —————————————— মৃত্যুর পর মানুষের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার নাম জাহান্নাম আর এই ভয়ানক বিপদ থেকে বাচার জন্য আমাদের প্রাণপ্রিয় রাসুল (সাঃ) অনেকগুলো পদ্ধতি আমাদের জানিয়ে গেছেন যাতে করে আমরা সবচেয়ে বড় এই বিপদ থেকে মুক্ত থাকতে পারি,তার (সাঃ) বর্ণিত অসংখ্য হাদিস থেকে এ বিষয়ক ১৫ টি হাদিস উল্লেখ করা হল, কেউ ১টা হাদিসও যদি অনুসরণ করে, তবেই লেখার উদ্দেশ্য সার্থক হবে। share, tag, copy-paste করে অন্যদেরকে জানিয়ে দিবেন কারণ আপনার থেকে জেনে কেউ এই আমল করলে আপনিও এ সওয়াব পেয়ে যাবেন (মুসলিম) ### ১

জাহান্নাম ও তার অধিবাসীদের বিবরণ

জাহান্নাম ও তার অধিবাসীদের বিবরণ

কাফের ও মুশরিকদের যখন জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে তখন তারা জাহান্নামে বসে তাদের এ দুর্গতির জন্য একে অপরকে দোষারোপ করবে। একদল তাদের পূর্বসূরীদের দুষবে। আরেক দল তাদের নেতাদের দোষ দেবে। এ প্রসঙ্গে আল কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অনেক কথা বলেছেন তার কিছু এখানে তুলে ধরলাম।

জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও জাহান্নাম থেকে পলায়নকারীর জন্য বিশেষ উপদেশ!

জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও জাহান্নাম থেকে পলায়নকারীর জন্য বিশেষ উপদেশ
জাহান্নাম ধ্বংসের ঘর
বান্দার ইহকালীন ও পরকালীন সফলতা অর্জন ও কৃতকার্য হওয়ার নিদর্শন হচ্ছে, তার অন্তকরণ আখেরাতের স্মরন, পরকালের ভাবনায় সঞ্জীবিত ও সিক্ত হয়ে যাওয়া। যেমন আল্লাহ তাআলা তার নৈকট্য-প্রাপ্ত বান্দা তথা অলি-আউলিয়াদের প্রশংসা করে বলেন :

জান্নাতের পথে বাধা সৃষ্টি করে যে সব কাজ!

জান্নাতের পথে বাধা সৃষ্টি করে যে সব কাজ:  ১. ঈমান না আনা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,  ﻻ ﻳَﺪْﺧُﻞُ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﺇِﻻ ﻣُﺆْﻣِﻦٌ  “ঈমানদার ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (বুখারী ও মুসলিম)  তিনি আরও বলেন,  ﻻ ﺗَﺪْﺧُﻠُﻮﺍ ﻥَ ﺍﻟْﺠَﻨَّﺔَ ﺣَﺘَّﻰ ﺗُﺆْﻣِﻨُﻮﺍ  “তোমরা ঈমান না আনা পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন না।” (সহীহ্ মুসলিম,  হা/৫৪)  ২. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

জান্নাতের পথে । ৩৩ টি প্রশ্ন ও উত্তর

জান্নাতের পথে 

undefined
بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ
লাভ-লোকসানের মাঝে একজন মুসলিমের একটি মূল্যবান দিন
প্রিয় ভাই!
· আল্লাহ্ তা‘আলার হক আদায়ে সচেষ্ট হোন। আল্লাহ্ তা‘আলা আপনাকে হেফাযত করবেন।
আপনি কি ফজরের সালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করেছেন? ফজরের সালাতে আল্লাহ্ তা‘আলার যে সকল হক রয়েছে দিবসের শুরুতে তা কি আপনি যথাযথ আদায় করেছেন? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়ে বলেছেন:

জান্নাত কেমন হবে ? জান্নাতের চিত্র!!

জান্নাতের চিত্র!!


জান্নাত নেককারদের ঘরএরশাদ হচ্ছে :“কেউ জানে না তাদের জন্য কি কি নয়নাভিরামগোপন রাখা হয়েছে। তাদের কৃতকর্মের প্রতিদানস্বরূপ।” [সূরা সাজদাহ ১৭]হে মুসলমানগণ! এসো শান্তির রাজ্য-জান্নাতেরআলোচনার মাধ্যমে আমাদের অন্তর উর্বর ওআন্দোলিত করি। হতে পারে তার আলোচনা ওস্মৃতিচারণ আমাদের অন্তরে জান্নাতের আগ্রহ সৃষ্টিকরবে। যার ফলে আমরা সে সকল ভাগ্যবানদেরঅন্তর্ভুক্ত হতে পারব, যারা আল্লাহর দরবারেউপস্থিত হলে ঘোষণা আসবে :“এতে শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে প্রবেশ কর।” [সূরাহিজর ৪৬]জান্নাত একমাত্র অভিষ্ঠ লক্ষ্য,কাঙ্খিত বস্তু। এরজন্য-ই

জান্নাতে যাওয়ার সহজ ১৩ টি আমল জেনে নিনঃ

জান্নাতে যাওয়ার সহজ ১৩ টি আমল  জেনে নিনঃ
★★★ প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ
করুণ(আশ্হাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-
শারীকা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া
রাসূলুহূ) এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন
দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। ☞ (সহিহ
মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪)
★★★ প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল
কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে
যেতে পারবেন। ☞ (সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ,
হাদিস নং- ৯৭২)
★★★ প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার
সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু
আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা
শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা
কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুণ এতে আপনার
অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। ☞ (সহিহ
মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮)
সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে
যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো
পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর
এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। ☞ (সহিহ
মুসলিম, মিশকাত হাদিস নং- ১৮০৩)
★★★ প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে
কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। ☞
(সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব, হাকিম হাদিস নং- ৩৮৩৯,
সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ১১৪০)
★★★ রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও
সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল
(সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। ☞ (তবরানি, সহিহ তারগিব,
হাদিস নং- ৬৫৬)
★★★ সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার
সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের
সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া
হবে। ☞ (সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং- ৫০৯১)
★★★ সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন
তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না।
☞ (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯২)
★★★ সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০
বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০
বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল
মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন
কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। ☞ (নাসাই,
সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫১)
★★★ বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা
ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল
হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত,
বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ
করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ
মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং
জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে।
☞ (তিরমিজি, হাদিস নং- ৩৪২৮,৩৪২৯)
★★★ বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ এতে
আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে
প্রবেশ করাবেন। ☞ (ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪৯৯,
সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৩১৬)
★★★ প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা
মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে
দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি
আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। ☞
(সহিহ বুখারি, হাদিস নং- ৬০০৭)
★★★ মহিলারা ৪টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত
২- রমজানের সিয়াম, ৩- লযযাস্থানের হেফাজত,
৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এতে জান্নাতের যে
কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। ☞
(সহিহ ইবনু হিব্বান, হাদিস নং- ৪১৬৩ )
★★★ ফজরের সলাত আদায় করে
বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে
গেলে ২ রাকাত ইশরাকের সলাত আদায় করুণ এতে
প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব
পাবেন। ☞ ( তিরমিজি, তারগিব হাদিস নং- ৪৬১)
.
(বি দ্রঃ শির্ক, বিদআত ও হারাম ভক্ষণ থেকে দূরে
না থাকলে কোন দোয়াই কবুল হয় না)

জান্নাতে যাওয়ার জন্য কতটুকু আমাল প্রয়োজন ?

জান্নাতে যাওয়ার জন্য কতটুকু আমাল প্রয়োজন ?

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষকে শুধুমাত্র তাঁর ইবাদাত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন । এবং তিনি তাঁর ইবাদাত
আনুগত্যকে মানুষের দৈনন্দিন মুআমালাত মুআশারাত সমস্ত কিছুর ভিতরেই দিয়ে দিয়েছেন এবং এর সীমারেখাও
দিয়ে দিয়েছেন । কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বৈরাগ্যবাদের নামে , সুফিবাদের নামে ,
যুহদের নামে , সমাজ-সংসারের দ্বায়িত্ব কর্তব্য ভুলে শুধু ইবাদাত , জিকির-আযকার , খানকা , চিল্লা নিয়ে পড়ে
থাকতে চায় । তাদের এই নীতি ইসলামের সাথে কতটুকু সম্পর্ক রাখে আজকে আমরা তাই যাচাই করে
দেখবো । আরও দেখবো একজন মানুষকে জান্নাতে যাবার জন্য কতটুকু আমাল করতে হবে । আসুন আমরা আজকে এমনই কিছু হাদীস নিয়ে আলোচনা করি ……

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম
ক. জান্নাত
جنة এক বচন, বহুবচনে  جنات, অর্থ ঘন সন্নিবেশিত বাগান, বাগ-বাগিচা। আরবীতে বাগানকে روضة (রওদ্বাতুন) এবং حديقة (হাদীকাতুন) ও বলা হয়। কিন্তু جنات (জান্নাত) শব্দটি আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীনের নিজস্ব একটি পরিভাষা। পারিভাষিক অর্থে জান্নাত বলতে এমন স্থানকে বোঝায়, যা আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন তাঁর অনুগত বান্দাদের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। যা দিগন্ত বিস্তৃত নানা রকম ফুলে ফুলে সুশোভিত সুরম্য অট্টালিকা সম্বলিত মনোমুগ্ধকর বাগান; যার পাশ দিয়ে প্রবাহমান বিভিন্ন ধরনের নদী-নালা ও ঝর্ণাধারা। যেখানে চির বসন্ত বিরাজমান।
আমরা জান্নাতকে জান্নাতও বলে থাকি। জান্নাত ফার্সী শব্দ। এখানে

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ