Showing posts with label সালাত বা নামাজ. Show all posts
Showing posts with label সালাত বা নামাজ. Show all posts

Saturday, April 7, 2018

প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : ছালাত ব্যতীত জীবনের কোন মূল্য নেই, যেমন মস্তিষ্ক ব্যতীত দেহের কোন মূল্য নেই। কথাটি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি?

প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : ছালাত ব্যতীত জীবনের কোন মূল্য নেই, যেমন মস্তিষ্ক ব্যতীত দেহের কোন মূল্য নেই। কথাটি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি?

-নাহীদ, বগুড়া।
উত্তর : এটা প্রচলিত একটি কথা মাত্র। উক্ত মর্মে কোন হাদীছ পাওয়া যায় না। এর দ্বারা মূলত ছালাতের গুরুত্ব বুঝানো

Monday, April 2, 2018

উড়োজাহাজে নামায আদায় করার পদ্ধতি কি?

(৩১১) উড়োজাহাজে নামায আদায় করার পদ্ধতি কি?


সময় হলেই উড়োজাহাজের উপর নামায আদায় করা ওয়াজিব। কিন্তু নামাযের নির্দিষ্ট সময় বা দু’নামায একত্রিত করার সময় শেষ হওয়ার আগেই যদি বিমান অবতরণ করার সম্ভাবনা থাকে, আর যমীনে থাকাবস্থায় যেভাবে নামায আদায় করতে হয়, সেভাবে যদি বিমানের উপর সম্ভব না হয়, তবে সেখানে ফরয নামায আদায় করবে না। বরং অবতরণ করার পর যমীনে নামায আদায় করবে। যেমনঃ জেদ্দা এয়ারপোর্ট থেকে সূর্যাস্তের পূর্বে বিমান উড্ডয়ন করল। এখন আকাশে থাকাবস্থায় মাগরিব নামায আদায় করবে না। পরবর্তী এয়ারপোর্টে বিমান অবতরণ করার পর নামায পড়বে। কিন্তু যদি দেখে যে, মাগরিব নামাযের সময় অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে, তবে এশা নামাযের সাথে মাগরিবকে একত্রিত করার নিয়ত করে নিবে। অতঃপর অবতরণ করে মাগরিব নামাযকে পিছিয়ে দিয়ে এশার সাথে একত্রিত আদায় করবে। কিন্তু যদি বিমান চলতেই থাকে- অবতরণের সম্ভাবনা না থাকে এবং এশা নামাযেরও সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার আশংকা হয়, তখন বিমানের উপরেই সময় অতিক্রম হওয়ার আগেই মাগরিব ও এশা নামায একত্রিত আদায় করে নিবে।

Saturday, March 31, 2018

জুমআর মসজিদে মানুষের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে যাওয়ার বিধান কি?

(৩২৭) জুমআর মসজিদে মানুষের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে যাওয়ার বিধান কি?


খুতবা চলা অবস্থায় যদি কেউ মানুষের ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনের কাতারে যেতে চায়, তবে কোন কথা না বলেই তাকে বসিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। বসে যাওয়ার জন্য তাকে ইঙ্গিত করবে বা

Monday, February 5, 2018

প্রশ্ন: অন্ধকার ঘরে কি নামাজ পড়া জায়েয আছে?

প্রশ্ন: অন্ধকার ঘরে কি নামাজ পড়া জায়েয আছে?
•••••••••••••••
উত্তর:
অন্ধকার ঘরে নামায আদায় করা জায়েয রয়েছে যদি কেবলার দিকে নামায পড়া হয়। নামাযের জন্য আলো থাকা শর্ত নয়। তাছাড়া একাধিক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্ধকার ঘরে সালাত আদায় করেছেন।
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বিছানায় পাচ্ছিলাম না। তখন আমি আমার হাত দ্বারা তাঁকে খুঁজতে লাগলাম। তখন আমার হাত তার পদযুগলের উপর পতিত হল। তখন তাঁর পা খাড়া ছিল আর তিনি ছিলেন সিজদারত। তিনি বলছিলেন:

Wednesday, January 31, 2018

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি 


সালাতের শর্তাবলি:
সালাতের শর্ত নয়টি।
এক : মুসলমান হওয়া :
সালাত ছাড়াও অন্যান্য যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রেই মুসলমান হওয়া পূর্বশর্ত। মুসলমান বলতে উদ্দেশ্য হল, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে এবং মুহাম্মদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে রাসূল বলে স্বীকৃতি প্রদান, আর ইসলামকে একমাত্র দ্বীন বলে মনে-প্রাণে গ্রহণ করে। অবিশ্বাসীর যাবতীয় ইবাদত প্রত্যাখ্যাত । অবিশ্বাসীদের কোন ইবাদতই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়, যদিও তারা জমিনভর স্বর্ণ কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে। আল্লাহ তাআলা বলেন :

সালাতে বুকে হাত বাঁধা এবং নাভীরনীচে হাত বাঁধার যঈফ দলীলসমূহ

★ সালাতে বুকে হাত বাঁধা এবং নাভীরনীচে হাত বাঁধার যঈফ দলীলসমূহ>>>> সালাতে বুকে হাত বাঁধা এবং নাভীর নীচে হাতবাঁধারযঈফ দলীলসমূহ প্রমানসহ নিচে উপস্থাপন করাহলো <<<<দুই হাতের আংগুল সমূহ ক্বিবলামুখী খাড়াভাবে কাঁধঅথবা কানপর্যন্ত উঠিয়ে দুনিয়াবী সবকিছুকে হারাম করেদিয়ে স্বীয় প্রভুরমহত্ত্ব ঘোষণা করে বলবে ‘আল্লা-হুআকবার’ (আল্লাহ সবারচেয়ে বড়)। তারপর বাম হাতের উপরে ডান হাত,বুকেরউপরে বেঁধে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সম্মুখেনিবেদিত চিত্তে সিজদারস্থান বরাবর দৃষ্টি রেখে দাড়াতে হবে।মহানআল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা আল্লাহর জন্যনিবিষ্টচিত্তে দাঁড়িয়ে যাও’। বাকারাহ- ২/২৩৮হাত বাঁধার সময় দুই কানের লতি বরাবর দুই হাতেরবৃদ্ধাঙ্গুলী উঠানোর হাদীস যঈফ। আবু দাউদ-৭৩৭# ইবনে হুজাইফা(রাঃ) মুরসাল হাদীসে বলেন,

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব
 প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) একদা বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যেভাবে ছালাত আদায় করতেন আমি কি তোমাদের সেভাবে ছালাত আদায় করে দেখাব না? অতঃপর তিনি ছালাত আদায় করলেন। কিন্তু তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য কোন সময় দু’হাত উত্তোলন করলেন না’ (তিরমিযী ১/৩৫)। তিরমিযী হাদীছটিকে হাসান বলেছেন। আবার বারা ইবনে আযিব (রাঃ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাঃ) তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত আর কখনো হাত উঠাতেন না’ (আবূদাঊদ ১/১০৯)। এক্ষণে ছালাতে রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন করার প্রমাণে হাদীছদ্বয়ের বিপক্ষে যুক্তি কি?
-ছিয়াম বিন সাইফুদ্দীন মধুপুর, টাংগাঈল।

উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত হাদীছ দু’টি সহ ‘রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন’ না করার পক্ষে যে সকল দলীল পেশ করা হয়, তার সবগুলিই যঈফ।
•  প্রশ্নে বর্ণিত ১ম হাদীছটি ইমাম আবুদাঊদ বর্ণনা করে বলেন,

সালাত সম্পরকে গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় কিছু প্রশ্ন তার উত্তর

সালাত সম্পরকে গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় কিছু প্রশ্ন তার উত্তর


প্রশ্ন ১. রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ এর পর
রুকুতে আর কি পড়তে হয় ? ২. দুই সিজদার
মাঝে আল্লাহুম্মাগফিরলীর এর পর
কি পড়তে হয় ? ৩. রুকু ও সিজদা’য়
পড়া হয়ে থাকে যে দোয়া গুলো সেগুলো কি ?
৪. তারাবী’র সালাতে চার রাকাআত পর
সুবহানা যিল মুলকি ওয়া মালাকুতি…… এর
দোয়া থাকলে জানাবেন । ৫. আমাদের
এলাকার লোকেরা বিশ লাখ নেকী’র
দোয়া পড়ছে এর কোন সহীহ
ভিত্তি আছে কি ? ৬. ফজর ও মাগরিবের
সালাতের পর সূরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত
পড়ার কোন হাদীস আছে কি ?

সালাত বর্জনকারীর বিধান কি ?

সালাত বর্জনকারীর বিধান
নিশ্চয় এই বিষয়টি অত্যন্ত জ্ঞানপূর্ণ বিষয়সমূহের মধ্য থেকে অন্যতম বড় একটি বিষয়, যার ব্যাপারে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল যুগের আলেমগণ বিতর্ক বা মতবিরোধ করেছেন; ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল র. বলেন:
“সালাত বর্জনকারী মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার মত কাফির; সে তাওবা করে সালাত আদায় করা শুরু না করলে তাকে হত্যা করা হবে।
আর ইমাম আবূ হানিফা, মালেক ও শাফে‌য়ী র. বলেন:

সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ

সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ

সালাত পরবর্তী দুয়া ও জিকির সমূহ
 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহামাতুল্লাহ।
আমাদের সমাজে দেখা যায়, ফরজ নামায হয়ে গেলে ইমাম-মুক্তাদীগণ সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করে থাকেন। অথবা শুরু হয় বেদাআতী পদ্ধতি সম্মিলিত জিকির। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সকল দুয়া ও জিকির নিয়মিত পাঠ করতেন সেগুলোর কোন গুরুত্ব নাই। ইমাম সাহেব নিজেও এসব দুয়া ও জিকিরগুলো পাঠ করেন না, মুসল্লীদেরকেও শেখান না বা পড়তে উৎসাহিত করেন না। তাইতো বলা হয়, সুন্নত যেখান থেকে উঠে যায় বেদআত সেখানে জায়গা দখল করে। আর আমাদের সমাজে এটাই হয়েছে। আল্লাহ যেন আমাদেরকে বিদআত বর্জন করে সুন্নত অনুসরণ করার তাওফীক দান করেন। আমীন।
সহীহ সুন্নাহ থেকে ফরজ সালাত সমাপান্তে ইমাম-মুক্তাদী সবার জন্য পঠিতব্য দুয়া ও জিকির সমূহ উপস্থাপন করা হল:

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

 জামা‘আতে সালাত আদায় করার অপরিহার্যতা
শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায
মুসলিম পাঠকবৃন্দের প্রতি আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বাযের একটি বিশেষ আহবান। আল্লাহ তা‘আলা  তাঁর সন্তুষ্টির কাজে তাদের তাওফীক দান করুন এবং আমাকেও তাদের সেই সমস্ত লোকের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা তাঁকে ভয় করে তার নির্দেশ মেনে চলে। আমীন!

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারলাম যে, অনেক লোক জামা‘আতে সালাত আদায়ে অবহেলা করছেন এবং কোনো কোনো আলেমের ছাড়প্রবণ বক্তব্যকে এর পক্ষে দলীল হিসেবে পেশ করছেন। তাই, আমার কর্তব্য হলো, সবাইকে এই বিষয়ের গুরুত্ব ও এর ভয়ঙ্কর দিকগুলো স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া এবং এই কথাও বলে দেওয়া যে, কোনো মুসলিমের পক্ষে এমন বিষয়ে অবহেলার আচরণ করা উচিত নয়

সালাত আদায়ের পদ্ধতি

সালাত আদায়ের পদ্ধতি

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে সালাত আদায় করেছেন ঠিক সেভাবে সালাত করাই সালাতের বিশুদ্ধ পদ্ধতি। মালেক ইব্‌ন হুয়াইরিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
… صلوا كما رأيتموني أصلي.
“তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখ, সেভাবে সালাত আদায় কর”।[1] তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ন্যায় যে সালাত আদায় করতে চায়, তার উচিত এ পুস্তকে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসারে সালাত আদায় করা:
 ১. পরিপূর্ণরূপে অযু করা, যেরূপ আল্লাহ তা‘আলা তার বাণীতে নির্দেশ দিয়েছেন:
 “হে মুমিগণ, যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসেহ কর এবং টাকনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)। আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তবে ভালোভাবে পবিত্র হও। আর যদি অসুস্থ হও কিংবা সফরে থাক অথবা যদি তোমাদের কেউ পায়খানা থেকে আসে অথবা তোমরা স্ত্রী সহবাস কর অতঃপর পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম কর। সুতরাং তোমাদের মুখ ও হাত দ্বারা মাসেহ কর। আল্লাহ তোমাদের উপর কোন সমস্যা সৃষ্টি করতে চান না, বরং তিনি চান তোমাদের পবিত্র করতে এবং তার নিআমত তোমাদের উপর পূর্ণ করতে, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর”।[2]
আব্দুল্লাহ ইব্‌ন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

সহিহ নামাজ শিক্ষা

সহিহ নামাজ শিক্ষা
অনুবাদকের ভূমিকা
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য,
যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। দরুদ ও
সালাম তাঁর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর
প্রতি, যিনি সমগ্র বিশ্বমানবতার নবী,
নবীকূলের শিরোমনি সৃষ্টিকুলের রহমত ও
কল্যাণের প্রতীক। আমি শায়খ
ডঃ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ
আলী আযযাইদের সালাত বিষয়ক গ্রন্থ
” তালীমুস সালাহ”
পাঠান্তে উপলব্ধি করি যে, এটির

মুখে সশব্দে নিয়ত পড়া প্রসঙ্গ

 মুখে সশব্দে নিয়ত পড়া প্রসঙ্গ

নিয়তের অর্থঃ
নিয়ত আরবী শব্দ। এর বাংলা অর্থঃ ইচ্ছা করা, মনস্ত করা, এরাদা করা, সংকল্প করা। (মুনজিদ, ৮৪৯/ ফতহুল বারী, ১/১৭)
শব্দটি আমরা বাংলাভাষী লোকেরাও ব্যবহার করে থাকি। যেমন আমরা বলি: আমি এ বছর হজ্জ করার নিয়ত করেছি। অর্থাৎ ইচ্ছা করেছি মনস্থ করেছি।
নিয়তের গুরুত্বঃ
শরীয়তে নিয়তের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তির আমল আল্লাহর নিকট গ্রহণীয় হয়না যতক্ষণে বান্দা তার নিয়ত সঠিক না করে নেয়। অর্থাৎ , আল্লাহর জন্যে তাঁর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে না করে নেয়। আল্লাহ বলেনঃ
(তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ট ভাবে আল্লাহর এবাদত করবে…)। (সূরা বাইয়্যিনাহ/৫)
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ

Monday, January 29, 2018

মাতৃভাষায় জুমার খুতবা দেয়ার বিধান

মাতৃভাষায় জুমার খুতবা দেয়ার বিধান
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার খুতবায় আল্লাহর তারীফ করতেন, দরুদ পড়তেন, কুরআন থেকে তেলাওয়াত করতেন এবং কিছু ওয়াজ-নছীহত ও করতেন। নবীদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:
وَمَا أَرْسَلْنَا مِن رَّسُولٍ إِلَّا بِلِسَانِ قَوْمِهِ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ
“আমি সব নবীকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে।” (সূরা ইবরাহীম: ৪)
রসুলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাতৃভাষা যেহেতু আরবী ছিল এবং

মহানবীর সর্বশেষ ওসিয়ত: আস-সালাত, আস-সালাত

মহানবীর সর্বশেষ ওসিয়ত: আস-সালাত, আস-সালাত
ভূমিকা
حمدالله وصلاة وسلاماعلى سيدنا محمد بن عبد الله……………..
হামদ ও সালাতের পর।
ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে কালেমার পরই সালাতের স্থান। কালেমার পর এটি সর্বোত্তম আমল। ইসলামের স্তম্ভসমূহের মধ্যে সবচেয়ে মজবুত স্তম্ভ এটি। সুতরাং সালাত ব্যতীত মুসলমানের ইসলাম পরিপূর্ণ হয় না। কেননা সালাত স্রষ্টা ও সৃষ্টির মাঝে সেতুবন্ধন। এটি শারীরিক ইবাদাতের মূল। সালাতই সকল উম্মাতের দীন। আসমানী শরীয়াতের কোনটিই সালাতমুক্ত ছিল না। কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমার মাধ্যমে এটি ফরজে আঈন। আল্লাহ তা’আলা মিরাজ রজনীতে আসমানে সালাত ফরজ করেছেন। অন্যান্য ইবাদাত এমনটি নয়। অতএব সালাতের মর্যাদা সহজেই অনুমেয়। এটি সকল প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের উপর ফরজ। কোন অবস্থায়ই

বুকের উপর হাত বাঁধার ছহীহ হাদীছ সমূহ

বুকের উপর হাত বাঁধার ছহীহ হাদীছ সমূহ : রাসূল (ছাঃ) সর্বদা বুকের উপর হাত বেঁধে ছালাত আদায় করতেন। উক্ত মর্মে একাধিক ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি পেশ করা হল : (১) সাহল বিন সা‘দ (রাঃ) বলেন, লোকদেরকে নির্দেশ দেওয়া হত, মুছল্লী যেন ছালাতের মধ্যে তার ডান হাত বাম হাতের বাহুর উপর রাখে। আবু হাযেম বলেন, এটা রাসূল (ছাঃ)-এর দিকেই ইঙ্গিত করা হত বলে আমি জানি। (ছহীহ বুখারী হা/৭৪০, ১/১০২ পৃঃ, (ইফাবা হা/৭০৪, ২য় খণ্ড, পৃঃ ১০২)। মূলতঃ পুরো ডান হাতের উপর বাম হাত রাখলে বুকের উপরই চলে যায়। ‘অনুরূপ ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল (ছাঃ) ডান হাত বাম হাতের পাতা, হাত ও বাহুর উপর রাখতেন। যা ছহীহ সনদে আবুদাঊদ ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। এই পদ্ধতিই আমাদের জন্য অপরিহার্য করে যে হাত রাখতে হবে বুকের উপর। যদি আপনি এটা বুঝেন এবং এর প্রতি আমল করেন। অতএব আপনি চাইলে যাচাই করতে পারেন। আর এ সম্পর্কে যা জানা উচিত তা হল, বুকের উপর ছাড়া অন্যত্র হাত বাঁধার বিষয়টি রাসূল (ছাঃ) থেকে ছহীহ হিসাবে সাব্যস- হয়নি। যেমন

ফরয নামাজে জোরে আমিন বলার হাদিস সমুহ

ফরয নামাজে জোরে আমিন বলার হাদিস সমুহ


রাসুলুল্লাহ(সাঃ) উচ্চস্বরে আমীন বলতেনরাসুলুল্লাহ(সাঃ) উচ্চস্বরে আমীন বলতেন সাথেসাথে পিছনের লোকেরাও উচ্চস্বরে আমীনবলতেন।জেহরী ছালাতে ইমামের সূরায়ে ফাতিহাপাঠ শেষে ইমাম-মুক্তাদী সকলে সরবে‘আমীন’ বলবে। ইমামের আগে নয় বরং ইমামের‘আমীন’ বলার সাথে সাথে মুক্তাদীর ‘আমীন’বলা ভাল। তাতে ইমামের পিছে পিছে মুক্তাদীরসূরায়ে ফাতিহা পাঠ করা সম্ভব হয় এবং ইমাম, মুক্তাদী ওফেরেশতাদের ‘আমীন’ সম্মিলিতভাবে হয়।যেমন এরশাদ হয়েছে

ফরয নামাযের সালাম শেষে প্রথমে ১ বার আল্লাহু আকবার, না ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ?

ফরয নামাযের সালাম শেষে
প্রথমে ১ বার আল্লাহু আকবার,
না ৩ বার আস্তাগফিরুল্লাহ?
লেখক: আব্দুর রাকীব মাদানী
দাঈ, দাওয়া’হ সেন্টার খাফজী,
সউদী আরব।
১-বিষয়টি অবতারণার কারণঃ
আমরা জানি, আমাদের সমাজে নামায
শিক্ষার সময় সাধারণতঃ এই শিক্ষা
নেওয়া হয় বা দেওয়া হয় যে,
ফরয স্বালাতে সালাম ফিরানোর পর
প্রথমে এক বার সশব্দে আল্লাহু
আকবার বলতে হবে অতঃপর
নিরবে তিন বার আস্তাগফিরুল্লাহ এবং
আমাদের আহলুল হাদীস
সমাজের বিভিন্ন মসজিদে

ফতোওয়া সালাত: নামায সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১৭০টি প্রশ্নোত্তর

ফতোওয়া সালাত: নামায সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১৭০টি প্রশ্নোত্তর
মূল: শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন (রহ.)
অনুবাদক: মুহাঃ আব্দুল্লাহ আল-কাফী ও আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
প্রশ্নঃ (১৮৪) ইসলামে ছালাতের বিধান কি? কার উপর ছালাত ফরয?
উত্তরঃ ছালাত ইসলামের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রুকন; বরং এটা কালেমায়ে শাহাদাতের পর দ্বিতীয় রুকন। এটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটা ইসলামের মূল খুঁটি। যেমনটি নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ