Showing posts with label রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করার আদব. Show all posts
Showing posts with label রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করার আদব. Show all posts

Friday, November 24, 2017

মেহমানকে স্বাগত জানানো

মেহমানকে স্বাগত জানানো


মেহমান এলে, তাকে দেখে খোলা মনে মেযবানের খুশী প্রকাশ করা এবং তাকে এমন কথা বলে স্বাগত জানানো উচিত, যাতে সেও খোশ হয় এবং সকল প্রকার দ্বিধা ও সংকোচ তার মন থেকে দূর হয়ে যায়। আসন ছেড়ে উঠে যাওয়া সুমহান চরিত্রের পরিচায়ক।
রাসুল (সাঃ)-এর কন্যা ফাতেমা তাঁর নিকট এলে তিনি তাঁর প্রতি

রোগীর মৃত্যু উপস্থিত হলে নিম্নের কাজগুলি করা উচিতঃ

রোগীর মৃত্যু উপস্থিত হলে


রোগীর মৃত্যু উপস্থিত হলে নিম্নের কাজগুলি করা উচিত
   (ক) কলেমা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ স্মরণ করিয়ে দেওয়া। পিয়ারা রসূল (সাঃ) বলেন, তোমরা তোমাদের মরণাপন্ন ব্যক্তিকে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ স্মরণ করিয়ে দাও।’’[1]
   (খ) মুমূর্ষুর জন্য দু‘আ করা; আল্লাহ! ওকে ক্ষমা করে দাও। আল্লাহ! ওর মরণকষ্ট আসান করে দাও ---’ ইত্যাদি।
   (গ) কোন প্রকারের মন্দ কথা বা অন্যায় মন্তব্য না করা। কারণ, রসূল (সাঃ) বলেন, যখন তোমরা কোন রোগী বা মরণাপন্ন ব্যক্তির নিকট উপস্থিত থাকবে, তখন ভালো কথাই বলো। কেননা, তোমরা যা বলবে তার উপর ফিরিশ্তাবর্গ ‘আমীন-আমীন’ বলবেন।

রোগীকে কোন খাবার খেতে বাধ্য না করা

রোগীকে কোন খাবার খেতে বাধ্য না করা


রোগী দেখতে গিয়ে সঙ্গে খাবার নিয়ে গিয়ে কোন খাবার খেতে রোগীকে বাধ্য করবেন না। বরং পথ্য-অপথ্য বুঝে রোগীকে তার পছন্দমত খাবার দিন। যে খাবারে তার ক্ষতির আশঙ্কা আছে সে খাবার তাকে খেতে দেবেন না। রোগী খেতে না চাইলেও চিন্তার কোন কারণ নেই। খাওয়ার জন্য তার সাথে কোন প্রকার জোর করাও উচিত নয়। তার হায়াত থাকলে রোগদাতা তাকে গায়বীভাবে খাইয়ে থাকেন।
রাসুল (সাঃ) বলেন,

কাউকে কুশলবাদ জিজ্ঞাসা করলে

কাউকে কুশলবাদ জিজ্ঞাসা করলে


কাউকে কুশলবাদ জিজ্ঞাসা করলে, রোগী হলেও তাকে সর্বাবস্থায় (আল-হামদু লিল্লাহ বলে) আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করা উচিত।
একদা শাদ্দাদ বিন আউস ও সুনাবিহী এক রোগীকে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজ সকালে তুমি কেমন আছ?’ লোকটি বলল,

রোগীর নিকট রোগীর জন্য বিশেষ দু‘আ করুন

রোগীর নিকট রোগীর জন্য বিশেষ দু‘আ করুন


রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘‘মৃত্যু উপস্থিত হয়নি এমন রোগীকে সাক্ষাৎ করে ৭ বার নিম্নের দু‘আ বললে, আল্লাহ ঐ রোগ থেকে ঐ রোগীকে নিরাপত্তা দান করেন;

أَسْأَلُ اَللهَ العَظِيْمَ، رَبَّ العَرْشِ العَظِيْمِ، أَنْ يَشْفِيَكَ

উচ্চারণঃ আসআলুল্লা-হাল আযীম, রাব্বাল আরশিল আযীম, আঁই য়্যাশফিয়াক্।’’
অর্থাৎ, আমি  মহান আল্লাহ, মহা আরশের অধিপতির নিকট প্রার্থনা করি যে, তিনি তোমাকে (এই রোগ হতে) নিরাময় করুন।[1]

রোগী দেখতে গিয়ে কি বলবেন?

রোগী দেখতে গিয়ে কি বলবেন?


রোগী দেখতে গিয়ে তার সামনে এমন কথা বলবেন না, যা শুনে সে আতঙ্কিত হয়, ঘাবড়ে যায়, তার রোগ বৃদ্ধি পায় অথবা তার মৃত্যু অনিবার্য মনে করে এবং মরণ আসার পূর্বেই সে জীবনের হাল ছেড়ে বসে। বরং এমন কথা বলবেন, যাতে সে পীড়িত মনে সান্ত্বনা পায়। শেষ অবস্থায় হলে মনের ভিতর যেন কোন প্রকার নিরাশা না আসে।
তাকে বলুন, ‘আপনি ভালো হয়ে যাবেন ইন শাআল্লাহ। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুন। এ

রোগী দেখতে গিয়ে তার মাথার নিকট বসা সুন্নাত

রোগী দেখতে গিয়ে তার মাথার নিকট বসা সুন্নাত


মহানবী (সাঃ) এক ইয়াহুদী কিশোরকে দেখতে গিয়ে তার মাথার নিকট বসেছিলেন। (বুখারী) ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন,

রোগীকে বিরক্ত না করা

রোগীকে বিরক্ত না করা


রোগী দেখতে গিয়ে তার কাছে লম্বা সময় ধরে বসে থেকে তাকে বিরক্ত করেন না। সে যদি নিজের রোগণ্ডযন্ত্রণা নিয়ে ছট্ফট্ করে তাহলে জিজ্ঞাসাবাদ করেই চট্ করে ফিরে আসেন। অবশ্য রোগী যদি আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পাশে পেয়ে সান্ত্বনা পায় তাহলে সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় থাকাতে দোষ নেই। যেমন

সঠিক সময়ে রোগী দেখতে যাওয়া

সঠিক সময়ে রোগী দেখতে যাওয়া


রোগীকে এমন সময় দেখতে যান, যে সময় দেখতে গেলে তার এবং তার পরিবারের যেন কোন প্রকার অসুবিধা না হয়। যেহেতু রোগী দেখতে যাওয়ার মানে তার ও তার পরিজনের মনকে সান্তবনিত করতে যাওয়া। সুতরাং

রোগী অমুসলিম হলেও তাকে দেখতে যান

রোগী অমুসলিম হলেও তাকে দেখতে যান


রোগী অমুসলিম হলেও তাকে দেখতে যান। আল্লাহর নবী (সাঃ) অমুসলিম রোগীর সাথে দেখা করে তার বাঁচার পথ বলেছেন।[1]

রোগী বেহুশ ও অজ্ঞান অবস্থায় থাকলে

রোগী বেহুশ ও অজ্ঞান অবস্থায় থাকলে


রোগী বেহুশ ও অজ্ঞান অবস্থায় থাকলে এবং আপনাকে চিনতে না পারলেও তাকে দেখা করতে যান। সান্ত্বনা দিতে না পারলেও আপনি তার জন্য দু‘আ করবেন। তাতেও

নারী-পুরুষ পরস্পরকে রোগে সান্ত্বনা দিতে পারে

নারী-পুরুষ পরস্পরকে রোগে সান্ত্বনা দিতে পারে


নারী-পুরুষ পরস্পরকে রোগে সান্ত্বনা দিতে পারে। অবশ্য বেগানা হলে পর্দা ও ফিতনা দূর হওয়ার শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে। আল্লাহর রাসুল (সাঃ)

রোগীর সাক্ষাৎ বিষয়ক। রোগী শিশু হলে।


রোগীর সাক্ষাৎ বিষয়ক


ইসলাম দয়া-দাক্ষিণ্য ও রহমতের ধর্ম। সমাজের মানুষের সাথে সম্পর্ক, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রাখতে আমাদেরকে উদ্বুদ্ধ করে ইসলাম। মানুষের বিপদে সহযোগিতা করতে এবং আপদে সান্ত্বনা দিতে অনুপ্রাণিত করেন আমাদের রহমতের নবী (সাঃ) রোগীকে দেখা করে সান্ত্বনা দেওয়া সেই ইসলামী আদবের অন্যতম। বরং একজন রোগগ্রস্ত মুসলিম ভায়ের এটি একটি প্রাপ্য অধিকার।
 আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন,

সাম্প্রতিক পোষ্ট

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার"?

"যারা facebook চালায় তারা কখনই ভাল মুসলিম হতে পারে না" "FB তো ইহুদীর আবিষ্কার" . "আপনি এত ইসলাম মানেন তাহলে f...

জনপ্রিয় পোষ্ট সমুহ